Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    অভীক দত্ত এক পাতা গল্প431 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দিন প্রতিদিন – ১০

    ১০

    কামরায় উঠে দিব্যেন্দু দেখল তাপস মুখ চুন করে বসে আছে। কামরুল শাফল করছে।

    দিব্যেন্দু বলল, ‘কী হল তোমার? মুখ দেখে মনে হচ্ছে কেউ পেছন ভিজিয়ে চলে গেছে।’

    তাপস রেগে গিয়ে বলল, ‘ওরে বাঙাল, আমার কী হয়েছে, সেটা বললে তুই বুঝবি? তোর সে বুদ্ধি আছে?’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘বোলো না। কে বলতে বলেছে?’

    কামরুল বলল, ‘দাদার পকেটে পঞ্চাশটাকা ছিল। কে ভিড়ের মধ্যে তুলে নিয়েছে।’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘চিনি কেনার টাকা নাকি? মাংসে দিতে?’

    তাপস জ্বলন্ত চোখে দিব্যেন্দুর দিকে তাকিয়ে বলল, ‘চিনি কতটা সায়েন্টিফিক জানিস? রান্নায় মাপমত দিলে চিনি অনেক কাজে দেয়।’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘হাফ চামচটাকে মাপ মতো বলে। চার কাপকে না।’

    তাপস বলল, ‘কী রে বাঙাল, আজ এত বুলি ফুটছে কেন? সুখবর আছে নাকি? বউ কি বাচ্চা বিয়োবে?’

    দিব্যেন্দু দাঁত বের করল, ‘প্রমোশন হয়েছে।’

    কামরুল বলল, ‘মিষ্টি ছাড়া চলে এলে? খাওয়াবে না?’

    তাপস বলল, ‘সেই তো! বাঙালরা তো আমাদের মতো কিপটে হয় না। তুই মিষ্টি আনলি না?’

    ট্রেন ছেড়েছে। অন্য সিটে যারা তাস খেলছিল, তারাও দিব্যেন্দুর খবরটা শুনে হই হই করে উঠল। শোনপাপড়ি উঠেছিল। তাই খাওয়াতে হল।

    তাপস ফিসফিসিয়ে বলল, ‘আজ যা ওয়েদার আছে, তার উপর এই সুখবর, বাঙাল আজ বাড়িতে কাঁটাতার পার করে দেবে।’

    বিচ্ছিরিভাবে হাসল তাপস।

    দিব্যেন্দু তাসের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘যারা নিজেরা পারে না, তারা লোকের কাজকর্ম নিয়ে ফ্যান্টাসাইজ করে। চিনি খেয়ে খেয়ে তোমার শক্ত হয় না।’

    তাপস রেগে গেল, ‘বার বার চিনিকে অ্যাটাক করবি না।’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘তুমি যখন অ্যাটাক কর, তখন কোনটা ছেড়ে দাও?’

    তাপস সুর করে বলল, ‘ওরে বাঙাল, বুঝেছি। প্রমোশনের গরম মাড়াচ্ছিস তাই না? কত মাইনে বেড়েছে তোর?’

    দিব্যেন্দু গোটা রাস্তা ফিক ফিক করে হাসতে থাকল। অন্যান্যদিন তাপস গরম নেয়। আজ কিছুতেই আপার হ্যান্ড নিতে পারল না। স্টেশন নেমেই অবশ্য বেগ পেয়ে গেল। ঝড়ের গতিতে সাইকেল চালিয়ে বাড়ি এসে শ্বশুরের সামনেই জামা প্যান্ট খুলে বাথরুমে ঢুকে গেল।

    রুমা চা বসাল। রুমার মা ব্যস্ত হয়ে পড়ল, ‘ছেলেটা এতটা রাস্তা তেতেপুড়ে এলো, কিছু খেতে দিবি না?’

    রুমা ঠান্ডা গলায় বলল, ‘মুড়ি দেব একটু পরে। ভেবো না। ও ঠিকই চেয়ে খেতে পারে।’

    মা রেগে গেল, ‘এই জন্যই তো এত ঝামেলা হয়। কখন কোনটা দরকার বুঝিস না? তোকেই তো দেখতে হবে।’

    রুমা বলল, ‘কেন? খিদমৎ খাটার জন্য বিয়ে দিয়েছো নাকি?’

    মা বলল, ‘শোন রুমা, যদি তুই এরকম চ্যাটাং চ্যাটাং কথা বলিস, আমি কিন্তু জামাইকে বলে দেব তুই মাঠে প্রত্যুষের সঙ্গে কী করছিলিস। বলব দেখবি?’

    রুমা বলল, ‘বলে দাও। গলা নামিয়ে কথা বলছ কেন? গলা তুলেই বল। তোমরা সবাই মিলে আমাকে একবারে ফ্যানের সঙ্গেই ঝুলিয়ে দাও না, তাহলেই তো বেঁচে যাই।’

    মা রাগী চোখে তার দিকে তাকিয়ে রান্না ঘর থেকে বেরিয়ে গেল।

    দিব্যেন্দু বাথরুম থেকে স্যান্ডো গেঞ্জি আর লুঙ্গি পরে বেরিয়ে ঘরে গিয়ে রুমাকে ডাকল। ‘এদিকে এসো।’

    রুমা ভাবলেশহীন মুখে বেডরুমে ঢুকল।

    দিব্যেন্দু বলল, ‘দরজা বন্ধ কর।’

    রুমা বলল, ‘বাবা-মা আছে। এখন বন্ধ করলে খারাপ দেখাবে।’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘খারাপ দেখাবে কেন? খাট কিনে দিয়েছে শ্বশুর-শাশুড়ি, ওরা জানে না মেয়ে-জামাই কী করবে?’

    রুমা চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল। তার পা কাঁপছে।

    দিব্যেন্দু বলল, ‘দরজা বন্ধ না করলে এখানেই শাড়ি খুলে দেব। ভালো লাগবে সেটা?’

    রুমা সঙ্গে সঙ্গে দরজা বন্ধ করে দিল।

    দিব্যেন্দু বলল, ‘কাছে এসো।’

    রুমা কাছে গেল।

    দিব্যেন্দু অফিসের ব্যাগ থেকে একটা ছোট গয়নার বাক্স বের করে বলল, ‘কানের দুল। পরে নাও।’

    রুমা অবাক হয়ে দিব্যেন্দুর দিকে তাকিয়ে রইল।

    ১১

    ‘যাও। বাবা-মাকে দেখিয়ে এসো।’

    রুমা কানের দুল পরে চুপ করে বসে আছে। দিব্যেন্দুর কথা শুনে উঠে দাঁড়াল।

    দিব্যেন্দু ডাকল, ‘শোনো।’

    রুমা দাঁড়িয়ে পড়ল।

    দিব্যেন্দু বলল, ‘এবার একটা বাচ্চা নিতে হবে। লোকে জিগ্যেস করছে। এক বছর তো হল।’

    রুমা কিছু বলল না।

    দিব্যেন্দু বলল, ‘কীরে? কথা বলছিস না কেন? অন্য প্ল্যান আছে নাকি? ছেলেটাকে ডাকব? ল্যাঙটো হয়ে ওর সঙ্গে শুয়ে থাকবি?’

    রুমা দিব্যেন্দুর দিকে তাকিয়ে বলল, ‘একা একা বাচ্চা নেওয়া যায় কি?’

    দিব্যেন্দু স্থিরচোখে রুমার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘চেষ্টা করছি। দেখছি কী করা যায়। ডাক্তার দেখাব। তুই তাই বলে অন্য লোকের সঙ্গে শোয়ার তাল করবি?’

    রুমা বলল, ‘মাকে দেখিয়ে আসি।’

    দিব্যেন্দু রুমার চুল ধরে তাকে কাছে আনল। রুমা শব্দ করল না। দিব্যেন্দু বলল, ‘মা বাবাকে বলেছিস আমি পারি না?’

    রুমা মাথা নাড়ল। দিব্যেন্দু বলল, ‘বললে এখানেই পুঁতে রেখে দেব।’

    চুল ছেড়ে দিল সে। রুমা ঘর থেকে বেরোল। মা-বাবা টিভি দেখছিল। রুমা মাকে বলল, ‘এই যে, ও দিয়েছে।’

    মা সেটা দেখে খুশি হয়ে বলল, ‘কী ভালো। আমি বলি না। আমাদের জামাই সোনার টুকরো।’

    দিব্যেন্দু ঢুকল। মাটিতে শুয়ে পড়ে শ্বশুর-শাশুড়িকে প্রণাম করল। রুমার মা আপ্লুত হয়ে গেল, ‘এ কী বাবা! থাক থাক। এরকম করলে খুব লজ্জা লাগে।’

    দিব্যেন্দু প্রণাম সেরে মাটিতে বসে বলল, ‘মা-বাবা ভগবানের রূপ। প্রণাম তো করতেই হবে। আমার নিজের বাবা-মা নেই। আপনারাই আমার বাবা-মা। কেমন আছেন আপনারা?’

    রুমার মা বলল, ‘ভালো আছি বাবা।’

    রুমার বাবা বলল, ‘অফিসে সব ঠিক ঠাক তো?’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘হ্যাঁ। এই তো, আজ প্রমোশন পেলাম। কঠিন পরীক্ষা ছিল। আমি চেষ্টা করেছিলাম। অনেক পড়াশুনা করতে হয়েছিল। ভেবেছিলাম পেয়ে যাব। তাই হয়েছে। মাইনে বাড়ল। এখন অনেক দায়িত্ব এসে পড়েছে। আচ্ছা, আমি রুমাকে টাকা দিয়ে যাচ্ছি। আপনারা কাল বাজারে গিয়ে পুজোর বাজার করে নেবেন। আমিই নিয়ে আসতাম। কিন্তু তাহলে আপনারা পছন্দ করে কিনতে পারবেন না।’

    রুমার মা লজ্জায় পড়ে গেল, ‘এমা বাবা, আবার এসব কেন?’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘আবার আমাকে আপনি এরকম বলছেন? আমার বাবা-মা থাকলে কি এরকম বলতো? এগুলো তো আমার কর্তব্য।’

    রুমার মা বলল, ‘আমি সবাইকে বলি। আমার জামাইকে দেখে শেখা উচিত। এত ভালো একটা ছেলে।’

    দিব্যেন্দু উঠে দাঁড়াল, ‘আপনারা টিভি দেখুন। আমি ও ঘরে…’

    রুমার মা ব্যস্ত হয়ে বলল, ‘কিছু খাবে বাবা? করে দেব?’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘আপনার সেই ঝিঙে দিয়ে রুই মাছের ঝোলটা খেতে ইচ্ছে করছে মা। সময় পেলে একটু করে খাওয়াবেন?’

    রুমার মা বলল, ‘নিশ্চয়ই। এ আবার কী কথা? আমি এখনই করে দিচ্ছি।’

    দিব্যেন্দু ঘর থেকে বেরোতেই রুমার মা বলল, ‘দেখেছিস? এরকম ছেলে পাবি আজকালকার দিনে? তোর তাতেও মন ভরে না। আর কী করতে হবে ওকে? ঠিক আর কী করলে তোর মন পাওয়া যাবে বলতে পারিস?’

    রুমার বাবা ভ্রু কুঁচকে বলল, ‘কেন? কী হয়েছে?’

    রুমার মা বলল, ‘ও কিছু না। তুমি টিভি দেখো। এই, তুই রান্না ঘরে আয়।’

    রুমার মা রুমাকে নিয়ে রান্নাঘরে গেল। বলল, ‘শোন, আমি তোকে ভালো করে বোঝাই। মেয়েরা হচ্ছে ঘরের লক্ষ্মী। পুরুষ মানুষ বাইরে থেকে কাজ করে আসে। তেতেপুড়ে কত কষ্ট করে রোজগার করে। ঘরে এসে সব সময় তাদের মাথা ঠান্ডা নাও থাকতে পারে। তার জন্য তুই যেভাবে জামাইয়ের নামে মিথ্যে কথা বলে যাচ্ছিস, সেটা কি ঠিক? এমন সোনার টুকরো ছেলে পাবি আজকালকার দিনে?’

    রুমা মা’র দিকে তাকিয়ে রইল।

    মা বলল, ‘দেরি করবি না। একটা বাচ্চা নিয়ে নে। দেখবি সব ঝামেলা ঠিক হয়ে যাবে। সব সংসারেই এরকম সমস্যা শুরুর দিকে হয়। একটা বাচ্চা এলে তখন দেখবি ধীরে ধীরে আর ঝামেলা হবে না। তুই হবার আগে তোর বাবা আমাকে কম মেরেছে? আমার এই হাতের কালো দাগটা দেখ। মেরে কালশিটে ফেলে দিয়েছিল। তাতে কি আমি ঘর ছেড়ে বাপের বাড়ি চলে গেছিলাম? তোদের সহ্যশক্তি এত কম, উফ!’

    রুমা ক্লান্ত গলায় বলল, ‘ঠিক আছে। বুঝেছি। বার বার এক কথা বলতে হবে না।’

    দিব্যেন্দুর গলা ভেসে এলো, ‘রুমা একবার শোনো।’

    মা ব্যস্ত হয়ে বলল, ‘যা যা। জামাই ডেকেছে।’

    রুমা ঘরে গেল।

    দিব্যেন্দু দরজা বন্ধ করে রুমাকে জড়িয়ে ধরে বলল, ‘এস, চেষ্টা করি। একটা ওষুধ খেয়েছি।’

    রুমা দাঁড়িয়ে পড়ল।

    দিব্যেন্দু রুমার শরীর খাবলাতে শুরু করল।

    ১২

    পাশের বাড়িতে পিউদিকে পড়াতে আসত প্রত্যুষদা। সেভাবে দেখেনি কোনও দিন। ক্রিসমাসের মেলা বসেছিল বড় মাঠে। সেখানেই হঠাৎ করে দুজনে মুখোমুখি হয়ে গেছিল।

    রুমা চোখ সরায়নি। কেমন যেন ভালো লেগে গিয়েছিল প্রত্যুষদাকে। সে কথা বলেছিল নিজে থেকেই, ‘আমি একা চলে এসেছি। বাড়িতে বলিনি।’

    প্রত্যুষদা বলেছিল, ‘সে কী? তোমার বাড়ি থেকে চিন্তা করবে না?’

    রুমা বলল, ‘সন্ধে সাতটার আগে ফিরলে করবে না।’

    প্রত্যুষদা বলেছিল, ‘চল। আমি তোমাকে বাড়ি দিয়ে আসি।’

    সেই শুরু। রাস্তা দিয়ে সে আগে যাচ্ছে। একটু দূরত্বে প্রত্যুষদা। কী অদ্ভুত একটা অনুভূতি।

    বাড়ি ফেরার পর রাতে অনেকক্ষণ জেগে ছিল।

    পরের দিন প্রত্যুষদার সাইকেলটা দেখে গুটি গুটি পায়ে বাড়ির বাইরে গিয়ে বসেছিল। পড়িয়ে বেরনোর সময় প্রত্যুষদা একটু হাসল। রুমা সেটুকুতেই একবারে ক্লিন বোল্ড। ধীরে ধীরে সকলের অলক্ষ্যে একটু একটু করে জমাট বাঁধতে শুরু করল তাদের গল্পটা।

    মেলা শেষের মাস খানেক পরে ওই মাঠেই দেখা করেছিল তারা। প্রত্যুষ জড়িয়ে ধরে চুমু খেল। সেই প্রথম।

    পাড়ার ভজা তাদের ফলো করেছিল। সেই মাকে নিয়ে এসেছিল…

    .

    দিব্যেন্দু মোবাইল ঘাঁটছে। রুমা চুপ করে শুয়ে আছে। দিব্যেন্দু আলো নিভিয়ে রুমাকে বলল, ‘মা-বাবা জানে তোমার কেসটা?’

    রুমা উত্তর দিল না।

    দিব্যেন্দু জোরে রুমার পিঠে চিমটি কাটল।

    রুমা বলল, ‘না।’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘বলা উচিত। বাড়ির মেয়ে বাইরে প্রেম করে বেড়িয়েছে, বাবা-মার জানা উচিত না?’

    রুমা বলল, ‘তুমি জানো তো। তাহলেই হবে।’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘আমি জানি? কোথায় আর জানি? একদিন সামনা-সামনি কথা বলব। দেখব কেমন তোমার হিরো।’

    রুমা চুপ করে রইল।

    দিব্যেন্দু বলল, ‘কী কী করেছ? কতটা? যেরকম পানুতে দেখায়, সব?’

    রুমা ক্লান্ত গলায় বলল, ‘তোমাকে বলেছি তো ওসব হয়নি।’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘হলেও বলবে নাকি? তুমি খুব চালাক। হলেও বলবে না।’

    রুমা বলল, ‘বলব না কেন? তুমি কম মেরেছ আমায়? মার না খাওয়ার জন্য হলেও কিছু করলে বলে দিতাম।’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘তোমার গরম লাগছে না?’

    রুমা বলল, ‘না।’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘আমার লাগছে। কাপড়-চোপড় খুলে শোও।’

    রুমা বলল, ‘তোমার লাগছে যখন তুমি খুলে শোও।’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘আমি বলছি তো। আমরা চেষ্টা করতে পারি। সবাই বলছে বাচ্চা হওয়া দরকার।’

    রুমা বলল, ‘তুমি ডাক্তার দেখাও।’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘তোমার ইচ্ছা করে খুব, তাই না? আমি যখন বাড়ি থাকি না, কার সঙ্গে ইচ্ছে মেটাও?’

    রুমা বলল, ‘তুমি তো সিসিটিভি বসিয়েছ। কেন জিগ্যেস করছ? কেন বার বার একই কথা বলছ?’

    দিব্যেন্দু উঠে বসল। রুমার পিঠে খুব জোরে একটা কিল মেরে বলল, ‘বেশ করেছি। আমি জানি তুই কী করে বেড়াস। বাড়ি থেকে কী করে এসেছিস, আমি ডেকে তুলব তোর বাপকে? গিয়ে বলব?’

    রুমার দম বন্ধ হয়ে এসেছিল। সে উঠে বসে শ্বাস নিতে চেষ্টা করল। দিব্যেন্দু বলল, ‘নাটক শুরু করে দিয়েছিস? তোর জন্য কানের দুল আনলাম আর তুই নাটক করছিস এখন?’

    রুমা কোনমতে বলল, ‘আমি কি আনতে বলেছিলাম তোমায়?’

    দিব্যেন্দু হঠাৎ ফিক ফিক করে হাসতে শুরু করল। রুমা বুঝল বাজে কোনও কথা বলবে। দিবেন্দু তাইই বলল, ‘শোন না। তোর বাবা-মা ওই ঘরে কী করছে এখন?’

    রুমা বলল, ‘জানি না।’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘আমি তো চাইলেই জানতে পারব। দেখবি?’

    রুমার গা হাত পা ঠান্ডা হয়ে গেল। সে বলল, ‘কী করে?’

    দিব্যেন্দু ফোন বের করে দেখাল। ফিসফিস করে বলল, ‘ওই ঘরে স্পাই ক্যামেরা আছে দেখ। এই দেখ তোর বাবার গায়ে তোর মা পা তুলে দিয়েছে।’

    রুমার বমি পাচ্ছিল। শরীর জুড়ে প্রবল অস্বস্তি শুরু হল। চিৎকার করে কাঁদতে পারলে ভালো হতো হয়তো এখন…

    ১৩

    গলিটার উল্টোদিকের চায়ের দোকানে চুপ করে বসে ছিল সুখেন। দুটো ছেলে কথা বলছে। সুখেন সেটাই শুনছে। একটা ছেলে বলল, ‘তুই ঠিক জানিস?’

    অপরজন উত্তরে বলল, ‘হ্যাঁ। আমি ঠিক জানি। ওই পায়েলের সুগার ড্যাডি আছে। আমি ওকে গাড়ি থেকে নামাতে দেখেছি।’

    বলে দুজনেই খিক খিক করে হাসল। প্রথমজন বলল, ‘ওই বুড়োটা পারে?’

    ‘পায়েলকে জিগ্যেস করব।’

    কিছুক্ষণ হেসে দুজনেই চুপ করে গেল। চা শেষ করে প্রথমজন বলল, ‘এ ভাই। আজকের দিনটা ছেড়ে দে। এখানে শুনেছি গুন্ডা থাকে।’

    দ্বিতীয়জন অভয় দিল, ‘আমি আছি তো। তুই আমার সঙ্গে থাকবি।’

    সুখেন এবার ঘাড় ঘুরিয়ে দুজনের দিকে তাকাল। দুজনে তার ঘাড় ঘোরানো দেখে খানিকটা চমকাল।

    সুখেন বলল, ‘বাজেট?’

    দুজন মুখ চাওয়া-চাওয়ি করল। দ্বিতীয়জন বলল, ‘হাজার।’

    সুখেন বলল, ‘আসুন।’

    প্রথম জন ঘাবড়ে গিয়ে বলল, ‘আজ থাক। আমি বাড়ি যাব।’

    সুখেন বলল, ‘দেখুন, আমি থাকলে আপনাদের গায়ে কেউ হাত দিতে পারবে না। তাছাড়া গ্রাম থেকে নতুন প্রোডাক্ট এসেছে। খারাপ লাগবে না। চলুন।’

    দ্বিতীয়জন প্রথমজনকে টানতে টানতে নিয়ে চলেছে। রাস্তা পার হয়ে সুখেন অভ্যস্ত ভঙ্গিতে হাঁটতে হাঁটতে পাপিয়ার ঘরে গিয়ে নক করল।

    দরজা খুলে গেল। পাপিয়া বেরিয়ে এসেছে। সুখেন ছেলে দুটোর দিকে তাকিয়ে বলল, ‘যান। দরকার হলে আমার নাম্বার রেখে দিন। সমস্যা হলে ফোন করবেন।’

    দ্বিতীয় ছেলেটা সুখেনের নাম্বার নিয়ে প্রথমজনকে নিয়ে ঘরে ঢুকে গেল। পাপিয়া ঘরের ভিতরের দিকে তাকিয়ে চিৎকার করল, ‘ফুলি, দেখ তো।’

    ফুলি এলে পাপিয়া সুখেনের দিকে ঘুরে বলল, ‘দুশো নিস না। দুশো বড় বেশি। এত কমিশন নিস তুই!’

    সুখেন বলল, ‘চলে এই টাকায়? তুই বল।’

    পাপিয়া ব্লাউজের ভেতর থেকে দুটো একশো টাকার নোট বের করে সুখেনের হাতে দিয়ে বলল, ‘ভুল কিছু বলিসনি। ঠিকই। এই টাকায় চলে না।’

    সুখেন বিড়ি ধরিয়ে বলল, ‘লকডাউনের পর থেকে ব্যবসা খুব মন্দা যাচ্ছে। লোকে নাকি কী সব পুতুল বের করেছে। সেসব দিয়েই কাজ হয়ে যাবে।’

    পাপিয়া ফ্যাকাসে মুখে বলল, ‘আমিও শুনেছি। মোবাইলে দেখলাম। হ্যাঁরে, এর পরে আমাদের কী হবে রে?’

    সুখেন বিষণ্ণ গলায় বলল, ‘জানি না। মাঝে মাঝে মনে হয় বাসের তলায় মাথা দিয়ে দি। এভাবে দালালি করে চলে না। লটারি বেচবো ঠিক করলাম, ছেলেগুলো এমন তাড়া দিল, হল না। বাবা কত করে বলল পড়াশুনাটা ছাড়িস না। তখন শুনলাম না। এখন এই দশা।’

    পাপিয়া বলল, ‘এসব বলা পাপ। বলিস না। তুই না থাকলে আমাদের কী হবে?’

    সুখেন শ্বাস ছাড়ল। গলির বাইরে সাহেবের গাড়ি দাঁড়িয়েছে। পাপিয়া বলল, ‘কদিন ধরে সাহেব আসছে, লক্ষ্য করেছিস?’

    সুখেন বলল, ‘হ্যাঁ। দেখেছি। নতুন মেয়ে আনবে শুনছিলাম তো।’

    পাপিয়া গলা নামিয়ে বলল, ‘তেরো বছরের দুটো মেয়ে নিয়ে এসেছিল। কার থেকে এনেছিল কে জানে। সারাদিন কাঁদছে।’

    সুখেন বলল, ‘গরীবের মেয়ে। বিক্রি করে দিয়েছে। সাহেবের আসার অন্য কারণ আছে। আমি শুনেছি, সাহেব নাকি বলেছে মাসোহারা বাড়াতে হবে। এত কম টাকায় তোদের সিকিউরিটি দেওয়া যাচ্ছে না।’

    পাপিয়া হতাশ চোখে বলল, ‘আমিও শুনেছি সে কথা। সব কিছুর দাম বাড়ছে। আমাদেরই বাড়ছে না।’

    একটা লোক গলিতে ঢুকল। সুখেন সচকিত হল, ‘দাঁড়া তো, এ লোকটা অনেক দিন পরে এসেছে। দেখি কী করে।’

    পাপিয়া কিছু বলার আগেই সুখেন হাঁটতে শুরু করল। লোকটা ফোন করছে, সুখেন সেটাই শুনতে চেষ্টা করল। লোকটা বলছে, ‘হ্যাঁ, কাল সিসিটিভি লাগবে। লোক যাবে। আমি বলে দিয়েছি। তুমি সব ঘরে ক্যামেরা লাগানোর কথা বলে দেবে। হ্যাঁ, ও আমি বুঝে নেবো। টাকা পাঠিয়ে দেব। কী? জার্মানি থেকে টাকা পাঠানো সমস্যা? ও আমি বুঝব। টাকা পেয়ে যাবে। ঠিক আছে, রাখছি…না, দেশে ফেরার চান্স নেই এখন…ঠিক আছে। ঠিক আছে।’

    লোকটা গলা নামিয়ে কথা বললেও সুখেন ঠিকই সব শুনতে পেল। কাকে আবার ঢপ মেরেছে মালটা, দেশের বাইরে থাকে নাকি! কী যা তা!

    লোকটার পেছনে এসে ফিসফিস করে বলল সে, ‘স্যার, কলেজ গার্ল?’

    লোকটা দাঁড়িয়ে পড়ে রুমাল দিয়ে কপাল মুছে বলল, ‘একটা ঘর পাচ্ছি না। দালাল তো? শমিতার ঘরে নিয়ে চল তো। পাঁচশো দেব ঠিক ঘরে নিয়ে গেলে। আমার সঙ্গে চালাকি কোরো না, পুরোনো লোক, তুলে নিয়ে এমন গুঁতবো বাপের নাম ভুলে যাবে। চল দেখি।’

    ১৪

    ঘরে ঘরে ক্যামেরা লাগছে। পূর্ণ তদারকি করছে।

    বাপিদা ছেলে পাঠিয়েছে। টাকা দিয়ে দিয়েছে। তার কাজ দেখে নেওয়া।

    কিন্তু কাজ পুরো হল না। মইয়ে চড়ে যে ছেলেটা ক্যামেরা লাগাচ্ছিল, আচমকা মই ভেঙে পড়ে গেল। মই যে ভাঙতে পারে, পূর্ণ ভাবতে পারেনি। কোনমতে ধরে তুলে পাড়ার লোক ডেকে ছেলেটাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হল।

    বাপিদাকে ফোনে জানাতে বাপিদা বলল, ‘কী করছিলে তুমি? দেখোনি?’

    পূর্ণ বলল, ‘আমি কী করব? আমি তো কাজ দেখছিলাম। মই ভেঙে পড়ে যাবে, তুমি কখনও দেখেছ?’

    বাপিদা বলল, ‘পাড়ার লোককেও বাড়ির মধ্যে ঢুকিয়েছ?’

    পূর্ণ বলল, ‘হ্যাঁ। কী করব? না ঢুকলে অত বড় চেহারার ছেলেটাকে কী করে নিয়ে আসতাম?’

    বাপিদা বলল, ‘তাও ঠিক। তুমি বাড়ি যাও। আমি ছেলেটার কোম্পানিতে ফোন করে দিচ্ছি। ওরা সামলে নেবে।’

    পূর্ণ বলল, ‘ঠিক আছে। তাই হবে।’

    হাসপাতালে ছেলেটাকে রেখে আবার ফিরে এল পূর্ণ।

    তার কপালেই এসব হয়। কত ছেলে এসি লাগাচ্ছে, কতজন ফ্যান লাগাচ্ছে, বড় বড় বিল্ডিংয়ে উঠে কতজন আবার রঙ করছে ঝুলে ঝুলে, তাদের কিছু হল না, এ বাড়িতেই এসব হতে হল। মানে অভাগা যেদিকে চায়, সাগর শুকায়ে যায়। একেই বলে কপাল।

    ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিল সে। বাপিদা নিশ্চয়ই ব্যবস্থা করবে। আবার কিছু না কিছু করে ক্যামেরা লাগবে। লেগে যাক বাবা। যদি এত করে ক্যামেরা লাগাতে চায়, তার কী যায় আসে। যার মাছ, সে যেদিক দিয়ে খুশি কাটুক।

    আবার সেই নাম্বার থেকে ফোন আসছে। পূর্ণ ধরল, ‘আবার আপনি ফোন করেছেন?’

    ‘শুনুন না। আপনি সত্যি বলছেন আপনি এই সিমটা তুলেছেন?’

    ‘হ্যাঁ। মিথ্যা বলব কেন? আমি মিথ্যা বলি না। মিথ্যা বলার দরকার পড়ে না।’

    ‘আপনি একটু দোকানে জিগ্যেস করে দেখবেন কার সিম দিয়েছে?’

    ‘দোকানে? হ্যাঁ জিগ্যেস করেছিলাম তো।’

    ‘কী বলল?’

    ‘বলেছে অনেকে এরকম সিম রাখে। রিচারজ না করলে সে সিম আপনা আপনি বন্ধ হয়ে যায়। কোম্পানি সেই নাম্বার আরেকজনকে দিয়ে দেয়। আপনি যাকে খুঁজছেন, তিনি সেই নাম্বার আর রিচারজ করেননি বলেই আমার কাছে এসেছে এই সিমটা।’

    ‘ও। তাহলে কী হবে?’

    ‘কী হবে? আপনি কাকে চাইছিলেন বলুন। আমি যোগাযোগ করে দেখব?’

    ‘কুমুদপুরে। প্রত্যুষ হালদার। কিন্তু প্রত্যুষদা আর কুমুদপুরে থাকে না।’

    ‘কোথায় থাকে?’

    ‘আমাদের এলাকা থেকে ওকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।’

    ‘কেন? চোর-ডাকাত ছিল নাকি?’

    ‘না। তা ছিল না।’

    ‘তবে?’

    ‘আমার সঙ্গে সম্পর্ক ছিল।’

    ‘ও তাই বলুন। তাকেই আর পাচ্ছেন না, তাই তো?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘কেন খুঁজছেন তাকে?’

    ‘আমার বর আমাকে খুব মারে। আমার বাড়ির লোকও আমার বরের সঙ্গে আছে। আমি প্রত্যুষদাকে খুঁজছি। ওকে খুঁজে পেলে পালাবো। আমি আর পারছি না বিশ্বাস করুন। রোজ মারে আমাকে। অসহ্য যন্ত্রণার মধ্যে আছি।’

    ‘আপনি পুলিশকে জানান।’

    ‘কী হবে? পুলিশ আমার কী করবে? সেই তো একটা হোমে দেবে। আমি কী করব সেখানে? আমার বাবা-মা বেঁচে আছে। তারা আমার কথা বিশ্বাস করছে না। অন্য লোকে কেন করবে?’

    ‘দেখুন আমি বোকা সোকা মানুষ। তার উপর অন্য লোকের বাড়িতে থাকি। আমি কী করে বুঝব বলুন তো?’

    ‘আমি আর পারছি না।’

    ওপাশ থেকে মেয়েটা কাঁদতে শুরু করল। পূর্ণ চুপ করে শুনল। তার খারাপ লাগছে। কিন্তু সে কী করবে? সে নিজেই তো অন্য লোকের ভরসায় থাকে। তার অত বুদ্ধিও নেই।

    বাপিদা আবার ফোন করছে। সে ধরল, ‘বল।’

    ‘ফোন বিজি কেন তোমার? কার সঙ্গে কথা বলছিলে?’

    ‘আরে আর বল কেন? একটা মেয়েকে ওর বর খুব মারে। আমাকে ফোন করে নালিশ করছিল।’

    দাঁত বের করল পূর্ণ।

    বাপিদা বলল, ‘তাই? দাও তো আমাকে নাম্বারটা!’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Our Picks

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }