Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    অভীক দত্ত এক পাতা গল্প431 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দিন প্রতিদিন – ৫০

    ৫০

    রাত দেড়টা। লুকা সাঁতরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে সিগারেট টানছিল। ফোন বাজতে শুরু করল তার, দেখল সুখেন ফোন করছে। ধরল, ‘বল।’

    সুখেন যতটা সম্ভব গলাটা কান্না কান্না করে বলতে শুরু করল, ‘দাদা, তোমার তো দয়ার শরীর। গ্রামের বাড়িতে আমার বুড়ি মা থাকে, মা-র টিবি হয়েছে। টাকা পাঠাতে হয় দাদা। তুমি যদি এখন এরকম শাস্তি দাও, তাহলে কী করে হবে?’

    লুকা বলল, ‘তুই কোথায়?’

    সুখেন বলল, ‘পাশের বস্তিতে বসে আছি দাদা। কী করব, কী খাব, বুঝতে পারছি না।’

    লুকা বলল, ‘বুঝেছি। আমার গাড়ির কাছে আয়।’

    সুখেন ভয়ে ভয়ে বলল, ‘মারবে না তো দাদা?’

    লুকা বলল, ‘না। মারব না। আয়।’

    ফোন কেটে দিল লুকা। কয়েক মিনিটের মধ্যেই সুখেন কাঁচুমাচু মুখে এসে হাজির হল।

    লুকা সন্দিগ্ধ গলায় বলল, ‘কাছেপিঠেই ছিলিস। তাই না?’

    সুখেন বলল, ‘তোমাকেই দেখছিলাম। কী করব বল দাদা? তুমি যা শাস্তি দিয়েছে, আমি যে কী করব, তাই ভালো করে বুঝে উঠতে পারছি না।’

    লুকা বলল, ‘বুঝে উঠতে পারছিস না? তুই জানিস না কী করেছিস?’

    সুখেন লুকার পা জড়িয়ে ধরল, ‘ভুল করেছি দাদা। মাফ করে দাও।’

    লুকা বিরক্ত হয়ে বলল, ‘ঠিক আছে, ঠিক আছে। উঠে দাঁড়া। রাস্তার মাঝখানে ন্যাকামি করবি না।’

    সুখেন উঠল না, ‘না দাদা। তুমি যতক্ষণ না মাফ করবে, আমি উঠব না।’

    লুকা বলল, ‘হয়েছে রে বাপ, হয়েছে, মাফ করলাম। এবার ওঠ।’

    সুখেন উঠে দাঁড়াল।

    লুকা বলল, ‘বল এবার। তোর মা সত্যিই অসুস্থ?’

    সুখেন বলল, ‘খবর নিয়ে দেখো। তোমাকে মিথ্যে বলব আমি? তোমার যা নেটওয়ার্ক, আমি জানি না?’

    লুকা তৃপ্তির হাসি হেসে বলল, ‘হেবি রেগে গেছিলাম আমি। ভাবছিলাম তোর লাশ নামিয়ে দিই। এত পাখা গজিয়েছিল তোর?’

    সুখেন বলল, ‘দেখো দাদা, আর হবে না। তুমি বললে মালটাকে আমিই খুঁজে গুলি করে দিয়ে আসব।’

    লুকা হাত নাড়ল, ‘না না। তার দরকার হবে না। মালটাকে ছেড়েও দিয়েছি।’

    সুখেন আকাশ থেকে পড়ল, ‘সে কী গো দাদা? ছেড়ে দিয়েছ মানে কী?’

    লুকা বলল, ‘হ্যাঁ। কী করব? অর্ডার ছিল। কাজ হয়ে গেছে, ছেড়ে দিয়েছি।’

    সুখেন বলল, ‘কী অর্ডার ছিল?’

    লুকা রেগে গেল, ‘জুতো খাস কেন বুঝতে পারিস? যা তোর জানার দরকার নেই, সেটা জানতে যাবি কেন তুই?’

    সুখেন কান ধরল, ‘আবার ভুল করে ফেলেছি দাদা।’

    লুকা বলল, ‘ঠিক আছে। আমাদের লাইনে অনেক ব্যাপার থাকে। তোর সেটা জানা উচিত। কথাবার্তা এমন বলিস যেন কিছুই বুঝিস না!’

    সুখেন বলল, ‘ওই মালটার জন্য তুমি আমাকে মারতে যাচ্ছিলে দাদা, একটু তো জানতে ইচ্ছে হয়ই, ও কিছু না। ছেড়ে যখন দিয়েছ, তখন থাক। তোমার কথা বলো, শুনি।’

    লুকা আরেকটা সিগারেট ধরিয়ে বলল, ‘আমি কি গল্পদাদু রে শালা?’

    সুখেন বলল, ‘এ মা, তা কেন? ভালোমন্দের কথা কি বলতে ইচ্ছে করে না তোমার সঙ্গে? তুমি হলে আমাদের সবার দাদা।’

    লুকা বলল, ‘তা ঠিক। আজ বিজনদার সঙ্গে দেখা হল। এই মার্কেটেও বিজনদা পার্টি ছাড়েনি। একটা কথা মনে রাখবি সুখেন, এই যুগে যারা এখনও দাঁতে দাঁত চেপে আদর্শের লড়াই করে যাচ্ছে, তাদের মারার জন্য যদি কোনও শুওরের বাচ্চা লুকা সাঁতরাকে টাকা দেয়, লুকা তার খাল খিচে নেবে।’

    সুখেন বলল, ‘বিজনদাকে মারার জন্য টাকা দিয়েছে নাকি?’

    লুকা মাথা নাড়ল, ‘না না, তা না। যদি দেয়, তাহলে কী করব তাই বললাম। বিজনদার সঙ্গে কথা বললে ভালো লাগে। আমায় অনেক জ্ঞান দিল, ভালো হয়ে যা এই সব। আমি বললাম, আমি তো ভালোই। বিজনদা আমার পিঠে চাবড় মারল। বলে মানুষের জন্য ভালো কিছু কর। তুই বল সুখেন, আমি কি ভালো কাজ করি না? এই তো এখানের মেয়েদের জন্য কত কিছু করি।’

    সুখেন খুক খুক করে কেশে বলল, ‘তা তুমি করো। তুমিই এখানের ভগবান।’

    লুকার ফোন বেজে উঠল। সুখেন দেখল লুকা ব্যস্ত হয়ে বলল, ‘তুই এখন যা। আমার কাজ আছে।’

    সুখেন বলল, ‘কোথায় যাব দাদা?’

    লুকা জোর পায়ে হাঁটতে শুরু করল, ‘জাহান্নামে যা।’

    লুকা গলিতে ঢুকেছে। সুখেন দূরত্ব রেখে হাঁটতে শুরু করল।

    লুকা একরকম দৌড়ে শমিতার ঘরের দিকে গেল। সুখেন দাঁড়িয়ে পড়ল। একটা ঝুঁকি নিতে হবে। মরলে মরবে। কিন্তু কৌতূহলে মরে যাওয়ার থেকে এমনি মরে যাওয়া ভালো।

    শমিতার ঘরের পিছনে গলি শেষ হয়ে গেছে। সুখেন ‘জয় মা’ বলে পাইপ বেয়ে ছাদের উপরে উঠে হামাগুড়ি দিয়ে ছাদের উপর থেকে ভেতরের বারান্দায় উঁকি মারল। যে মেয়েকে এনেছিল, সে মেয়েটা চিৎকার করে কাঁদছে, ‘আমি এখানে থাকব না, আমায় ছেড়ে দিন।’

    এতটা কষ্ট করে উপরে উঠে সুখেনের বুক হাপরের মতো ওঠা নামা করছিল। পাশের বিল্ডিং থেকে তাকে দেখতে পাবার প্রবল ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও সুখেন নামল না। ছাদের উপর থেকে আবার উঁকি মারল। মেয়েটাকে শমিতার দুজন মেয়ে জোর করে ধরে হাতে ইনজেকশন দিয়ে দিল। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই মেয়েটা অচৈতন্য হয়ে গেল।

    প্রবল উত্তেজনার মুহূর্তে সুখেন শিস দিয়ে ফেলে। এবার দিতে গিয়েও বহু কষ্টে নিজেকে আটকাল। ধরা পড়লে এবার আর লুকা ছেড়ে দেবে না তাকে!

    .

    ৫১

    ব্যাগটা যেন তার দিকে তাকিয়ে আছে। হাওড়ার বাসে উঠে পায়ের তলায় ব্যাগটাকে রেখেছে সে। মাঝে মাঝেই প্রবল কান্না পাচ্ছে। নুরুলের কথা মনে পড়ছে। এভাবে মেরে দিল বাপিদা?

    নকল টাকাগুলো ব্যাগে রেখে বাপিদার বাড়ি থেকে বেরোনোর আগে বাপিদা ফোন করল আরেকবার, ‘সাবধানে যাবে। কেউ যেন বুঝতে না পারে, ব্যাগে কী আছে। বুঝেছ?’

    পূর্ণ বলল, ‘হ্যাঁ, বুঝেছি।’

    বাপিদা বলল, ‘পুলিশ যেন না বোঝে।’

    পূর্ণ বলল, ‘এই টাকা তোমার কাছে এল কী করে বাপিদা? অত দূরে বসে এখানে এত টাকা?’

    বাপিদা বিরক্ত গলায় বলল, ‘যা বলেছি, সেটা করো। এত প্রশ্ন জিগ্যেস করে কোনও লাভ নেই। দিনের আলো থাকতে থাকতে বেরিয়ে যাও।’

    ফোন কেটে গেল। বাস স্ট্যান্ডে গিয়েও পূর্ণ শুনতে পেল সবাই নুরুলের ব্যাপারেই কথা বলছে। কাল বন্ধ ডাকা হয়েছে। এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলার অবনতি হয়েছে বলে মিছিল হবে বিকেলে।

    হাওড়া স্টেশনে পৌঁছে ব্যাগ কাঁধে নিয়েই পূর্ণ ট্রেনের টিকেট কাটল। ট্রেন প্ল্যাটফর্মে এসেছে। এর মধ্যে অনেকে উঠেও পড়েছে। তাও সিট পাওয়া গেল। পূর্ণ পায়ের তলায় ব্যাগ রেখে বসল। সামনের লোকটা নিবিষ্ট মনে খবরের কাগজ পড়ছে। পূর্ণর বুক ধড়ফড় করছে। স্টেশনে অনেক পুলিশ ছিল। একবার যদি তারা তাকে ধরে ফেলত, তাহলে কী হতো?

    সাঁতরাগাছিতে একটা লোক উঠল। ট্রেনে ভিড় নেই, অথচ লোকটা তার সামনে এসে দাঁড়িয়ে গেল। পূর্ণর ফোন বাজতে শুরু করেছে। পূর্ণ ফোন ধরল, বাপিদা বলল, ‘তোমাকে উলুবেড়িয়া অবধি যেতে হবে না। পরের স্টেশনে নেমে যাও। তোমার সামনে যে লোকটা দাঁড়িয়ে আছে, সে ব্যাগ নিয়ে যাবে।’

    পূর্ণ লোকটার দিকে তাকিয়ে দেখল। মাঝবয়সি লোক। গাট্টাগোট্টা চেহারা। সে সঙ্গে সঙ্গে সিট থেকে উঠে লোকটাকে বলল, ‘বসুন।’

    লোকটা বসল। পূর্ণ গেটের কাছে এসে দাঁড়াল। অনেকটা নিশ্চিন্ত লাগছিল তার। আশেপাশের লোকগুলো কিছু বুঝল নাকি কে জানে। ট্রেন ফুলেশ্বর স্টেশনে দাঁড়িয়েছে। পূর্ণ তড়িঘড়ি নেমে গিয়ে ফেরার টিকিট কাটল। ফোন বাজছে আবার। পূর্ণ ফোন ধরল। বাপিদা বলল, ‘এখনই ট্রেনে উঠো না। একটা ব্যাগ দেবে। নিয়ে ফিরবে।’

    পূর্ণ বলল, ‘আবার? রাত হয়ে যাবে তো?’

    বাপিদা বলল, ‘হোক। কাজ করছ। সময় লাগলে লাগুক। এক নাম্বার প্ল্যাটফর্মের একদম শেষ বেঞ্চ, যেটা হাওড়ার দিকে মুখ করে আছে, সেটায় গিয়ে বোস। কারো সঙ্গে কথা বলবে না।’

    পূর্ণ বলল, ‘আমায় যদি পুলিশ ধরে? আমি কী করব তখন?’

    বাপিদা বলল, ‘কেন ধরবে? তুমি কি কিছু করেছ যে ধরবে?’

    পূর্ণ ঘামছিল। বলল, ‘আমি জানি না। তুমি এগুলো কী করছ, আমি কিছুই বুঝতে পারছি না।’

    বাপিদা বলল, ‘বোঝার জন্য তোমায় টাকা দেওয়া হবে না।’

    পূর্ণ বলল, ‘আমার টাকা লাগবে না। আমাকে ছেড়ে দাও।’

    বাপিদা বলল, ‘ছেড়ে দিতাম, যদি তুমি চুরিটা না করতে যেতে। তোমাকে তো সৎ ভাবতাম। তোমার মধ্যেও লোভ আছে তার মানে। লোভের জন্য এটুকু তো করতেই পারো, তাই না? প্রথম প্রথম একটু ভয় লাগবে। তারপর আর লাগবে না। চিন্তা কোরো না। যা বলছি করো। ভালো টাকা পাবে।’

    পূর্ণ বলল, ‘আমার ভুল হয়ে গেছে। আমি আর করব না। আমাকে ছেড়ে দাও।’

    বাপিদা বলল, ‘বললাম তো তোমায়, যেটা বলছি করো। নইলে নুরুলের মতো দশা করব।’

    পূর্ণ বলল, ‘আচ্ছা আচ্ছা। যাচ্ছি।’

    ফোন কেটে দিল বাপিদা।

    পূর্ণর অসুস্থ লাগছিল। সে কোনমতে হাঁটতে হাঁটতে ওভারব্রিজ পেরিয়ে বাপিদার বলা বেঞ্চে গিয়ে বসল। বেঞ্চ ফাঁকাই ছিল। অন্ধকার নেমে এসেছে চারপাশে।

    ‘কোথায় যাবেন?’

    তার সামনে একজন লোক এসে দাঁড়িয়েছে, পূর্ণ বুঝতে পারেনি। চমকে তাকাল।

    পূর্ণ বলল, ‘হাওড়া যাব।’

    ‘টাকাগুলো নকল কেন?’

    পূর্ণ ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে লোকটার দিকে তাকাল। মুহূর্তের মধ্যে তাকে চারজন ঘিরে ধরল।

    .

    ৫২

    পূর্ব কথা

    বাজারের হোটেলে অনেকদিন খাওয়া হয় না। একটা দোকান থেকে ডিম আর ময়দার গন্ধ ভেসে আসছে। এগরোল ভাজছে।

    দিব্যেন্দু দোকানের সামনে চুপ করে দাঁড়িয়ে আছে। যে লোকটা এগরোল ভাজছে, সে জিগ্যেস করল, ‘কী দেব?’

    দিব্যেন্দু দাঁত বের করল, ‘দেখছি।’

    লোকটা অবাক গলায় বলল, ‘কী দেখছেন?’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘এগরোল ভাজছেন, সেটা দেখছি।’

    লোকটা বিরক্ত গলায় বলল, ‘নিলে নিন, নইলে সরে যান। ভিড় করবেন না। এমনিতেই ভ্লগারদের জ্বালায় অস্থির। দু-দিন পর পর কেউ না কেউ এসে বলে ভিডিও করব, তোমার প্রচার হবে, খেয়ে নেবো, টাকা দেব না। পরে দেখা যায় দশটা সাবস্ক্রাইবার তার। অনেক মুরগি হয়েছি। আর হব না বাপ। আপনিও কি ভ্লগার নাকি?’

    দিব্যেন্দু মাথা নাড়ল, ‘না না। আমি কিছু না। আচ্ছা আমাকে একটা রোল দিন।’

    ‘ডবল ডিম না সিঙ্গল ডিম?’

    ‘ডবল।’

    ‘লঙ্কা দেব?’

    ‘দিন।’

    লোকটা অভ্যস্ত হাতে ডিম ভাঙল। এখন একটু নুন দিয়ে চামচ দিয়ে নাড়াচ্ছে। দিব্যেন্দু মুগ্ধ হয়ে দেখছে।

    পেঁয়াজ কাটা আছে। ডিম ভাজার উপর পরোটা দিয়ে এদিক-ওদিক ভেজে নিয়ে এবার রোলের উপর পেঁয়াজ সাজানোর পালা। দিব্যেন্দু বলল, ‘বাদাম আছে?’

    লোকটা বিরক্ত গলায় বলল, ‘বাদাম কে দেয়?’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘আমি খাই। বাদাম দিন না।’

    লোকটা বলল, ‘বাদাম নেই।’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘আমি বাদাম কিনে আনছি।’

    লোকটা তাড়াতাড়ি রোলটা বানিয়ে দিব্যেন্দুর হাতে দিয়ে বলল, ‘টাকা দিন, দিয়ে ফুটুন। বাড়িতে গিয়ে বাদাম দিয়ে নিন।’

    দিব্যেন্দু টাকা দিয়ে রোলটা নিয়ে বাড়িতে এল।

    ‘রুমা।’

    রুমা তাড়াতাড়ি বেরিয়ে এল।

    দিব্যেন্দু বলল, ‘বাদাম দে তো।’

    তুই সম্বোধন শুনেই রুমা বুঝেছে দিব্যেন্দুর মেজাজ ঠিক নেই। সে বলল, ‘দেখছি।’

    রান্নাঘরে গেল। না। বাদাম নেই।

    দিব্যেন্দু বাইরের ঘরে দাপাচ্ছে।

    রুমা বেরিয়ে বলল, ‘আমি বাদাম নিয়ে আসছি। নেই।’

    দিব্যেন্দু রোলটা ছুঁড়ে মারল রুমার গায়ে, ‘শুধু বাইরে গিয়ে লোকের গায়ে ঢলানোর ইচ্ছা না?’

    রুমা কাঁপতে শুরু করেছে। দিব্যেন্দু রোলটা মেঝে থেকে তুলে বলল, ‘তুই খা। খা।’

    খেতে না চাইলেও গোটা রোলটা রুমার মুখের মধ্যে জোর করে পুরে দিল দিব্যেন্দু। রুমা খেতে পারল না। বমি করে দিল। দিব্যেন্দু চুলের মুঠি ধরে বলল, ‘ষাট টাকা তোর বাপ দেবে রে মাগী? তোর বাপ দেবে?’

    .

    বর্তমান সময়

    .

    দোকানটার সামনে চুপ করে দাঁড়িয়ে আছে দিব্যেন্দু। বুকের কাছটায় ব্যথা করছে। বেশ্যাপাড়ার গুন্ডাগুলো বহুত পিটিয়েছে। এ ব্যথা বেশ কিছুদিন থাকবে।

    রোলের লোকটা তাকে দেখে বলল, ‘কী বাদাম দাদা? বাদাম দেব?’

    দিব্যেন্দু হাসল, ‘আছে?’

    লোকটা বলল, ‘এনেছি। আপনার মতো দু-চার পিস আছে, বলে বাদাম ভালো লাগে।’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘দাও।’

    লোকটা বাদাম ভাজছে। বাদামটা একটু একটু করে কালো হচ্ছে। দেখতে দিব্যি লাগছে। দিব্যেন্দু মুগ্ধ হয়ে দেখছে। পেঁয়াজ শসার সঙ্গে বাদামও দেওয়া হবে। তার উপরে সস। এখানে দামি সস দেয় না। কুমড়োর সস দেয় মনে হয়। লাল, হলুদ, খয়েরি সসের বন্যা। যা দেবে দিক। খিদে পেয়েছে। খেতে হবে। বাড়িতে রুমা নেই। রান্না নেই। বাইরেই খেতে হবে। আগে রোল খাবে। তারপর ফুচকা খাওয়া যেতে পারে। তারপর ঘুগনি।

    ঘুগনির মধ্যে একটা গোটা সেদ্ধ ডিম ভেঙে দেয়। নরম কুসুমটা ছড়িয়ে পড়ে। আলাদা ব্যাপার থাকে তাতে। ভাবতেই জিভে জল চলে এল।

    মানিব্যাগ কিনতে হয়েছে। এটিএম থেকে শুধু পাঁচশো বেরিয়েছে। দিব্যেন্দু সেটা দিল। দোকানদার বিরক্ত গলায় বলল, ‘খুচরো দিন।’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘খুচরো নেই।’

    লোকটা রেগে গিয়ে বলল, ‘তাহলে রাস্তা দেখুন।’

    দিব্যেন্দুর মাথা গরম হচ্ছে। এখন রাগ ঝাড়ার জন্য রুমা নেই। কার উপর ঝাড়বে?

    দোকান থেকে সরে গেল সে। টাকা খুচরো করতে হবে।

    উফ্‌, কী ঝামেলা! রক্ত উঠছে মাথায় একটু একটু করে।

    একটা গাড়ি দাঁড়াল বাজারের মধ্যে। ‘এই এদিকে।’

    একী! সেই গুন্ডাগুলো না? উফ্‌! তাকে ডাকছে আবার! রাগ এবার ভয়ে পরিণত হচ্ছে।

    .

    ৫৩

    গাড়ির ভেতরে হালকা মিষ্টি একটা মদের গন্ধ ভাসছে। দিব্যেন্দু ভয়ে ভয়ে বলল, ‘আমাকে আবার এখন কী করতে হবে?’

    দিব্যেন্দুর পাশে যে বসেছিল, সে দিব্যেন্দুর কাঁধে হাত রেখে বলল, ‘তোমার বান্টু টেস্ট হবে কাকা।’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘মানে?’

    ‘মানে আবার কী? তোমারটা কী পজিশনে আছে, ঠিক করে দাঁড়ায় নাকি, ফাংশান করে নাকি, দেখতে হবে না?’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘এসব কী? আমার খিদে পেয়েছে?’

    ‘এই কে আছিস, একে কিছু খাইয়ে দে।’

    গাড়ি দাঁড়াল একটা ধাবায়। তুমুল ঝাল দিয়ে একটা মাটন তড়কা দেওয়া হল। খেতে দারুণ লাগছিল। দিব্যেন্দু উশ আস করে সাতটা রুটি খেয়ে নিল।

    ‘উরিব্বাস। মামা তো ভালোই খেতে পারো।’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘খিদে পেয়েছিল। আপনারা খাবেন না।’

    ‘না না। খাব না। তুমি খাও। পাঁঠা বলির আগে পাঁঠাকে খাওয়ায়, দেখো না?’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘মানে?’

    ‘মানে বুঝতে হবে না। খাও।’

    খেয়ে নিল। আবার পান দেওয়া হল তাকে।

    গাড়িতে উঠে ঘুমও পেয়ে গেল দিব্যি। একটা ছেলের কাঁধে মাথা দিয়ে ঘুমিয়েও পড়ল সে।

    ঘুম ভাঙতে দেখল আবার সেই পাড়ায় গলির মুখে চলে এসেছে। ছেলেগুলো তাকে বলল, ‘চলো। ভেতরে চলো।’

    চারদিকে তাকাল দিব্যেন্দু। এখন অনেক রাত হয়েছে। বাইরে তেমন কেউ নেই। ছেলেগুলোর সঙ্গে তাকে শমিতার ঘরে নিয়ে গিয়ে বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দেওয়া হল।

    লুকা তার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘তারপর? কেমন লাগল আবার আসতে?’

    দিব্যেন্দু ভয়ে ভয়ে বলল, ‘আমাকে কেন আনা হয়েছে?’

    লুকা বলল, ‘ওই ঘরে ঢোকো। বুঝে যাবে।’ দরজায় তেল চিট চিট করছে। একটা বেলফুল দিব্যেন্দুর হাতে দিল লুকা। ‘যাও যাও।’

    দিব্যেন্দু দরজা ঠেলে ঢুকল।

    পরমুহূর্তেই চমকে উঠল।

    খাটে রুমা শুয়ে আছে। চোখে মুখে কত মেক আপ। সে ফিসফিস করে বলল, ‘শালা। পুরো বেশ্যার মতোই লাগছে তো।’ মাথায় রক্ত উঠতে বেশিক্ষণ লাগল না, ‘এই মাগী, ওঠ, এই।’ রুমার কাঁধ ধরে জোরে ঝাঁকাতে শুরু করল সে।

    রুমার ঘুম ভেঙে গেছিল। দিব্যেন্দুকে দেখে সে শিউরে উঠল। দিব্যেন্দু চিবিয়ে চিবিয়ে বলল, ‘দেখেছিস তো মাগী, আমি জানতাম, এটাই তোর আসল জায়গা। তুই এই জায়গায় আসবি বলেই জন্মেছিলি।’

    রুমার মনে হচ্ছে সে কোনও দুঃস্বপ্ন দেখছে। কিছুতেই বিশ্বাস হচ্ছে না তার সামনে আবার দিব্যেন্দু ফিরে এসেছে। দরজা ঠেলে লুকা ঢুকল। দিব্যেন্দুর কাঁধে হাত রেখে বলল, ‘যাও সোনা, তুমি অন্য ঘরে যাও।’

    দিব্যেন্দু একঝটকায় লুকার হাত সরিয়ে দিয়ে বলল, ‘আমার বউ, আমি বুঝব!’

    লুকা সপাটে একটা চড় কষালো, ‘যা বলছি, তাই করবি শুয়োরের বাচ্চা। চল ফোট। এর মধ্যেই সব ভুলে মেরে দিয়েছিস?’

    জোঁকের মুখে যেন নুন পড়ল। দিব্যেন্দু সিঁটিয়ে গেল। লুকা চিৎকার করল, ‘যা।’

    দিব্যেন্দু সুড়সুড় করে বেরিয়ে গেল। রুমা কাঁপছিল। লুকা বলল, ‘আমাকে বলা হয়েছে আপনার সামনে এই লোকটাকে নিয়ে আসতে। আমি কারো ইন্সট্রাকশন শুনে কাজটা করেছি। আমি জানি এই লোকটা একটা ব্র্যান্ডেড শুয়োর।’

    রুমা কাঁদছিল। বলল, ‘আমার সঙ্গে আপনারা এরকম করছেন কেন?’

    লুকা বলল, ‘আমি জানি না। বিশ্বাস করুন। আমি কেয়ার টেকার মাত্র। আপনি যেতে চাইলে চলে যেতে পারেন। কিন্তু হাতে সময় বড় কম। পনেরো দিনের মধ্যে শমিতার কাছ থেকে আপনাকে এ পাড়ার হাল-হকিকত, খদ্দেরের সঙ্গে ডিল করার কায়দা, সব শিখতে হবে। তারপর ওরা আপনাকে নিয়ে যাবে। সেখানে কী করবে তাও জানি না। আপনি আজ চলে গেলে হয়তো ওরা আবার এই জানোয়ারটার সঙ্গে ঘর করতে পাঠিয়ে দেবে। সেটা কি ভালো হবে?’

    রুমা বলল, ‘কী পাপ করেছিলাম আমি? কী করে আমি এরকম একটা খারাপ মেয়ে হয়ে যাব?’

    লুকা মাথা নিচু করল, ‘জানি না দিদি। এটুকু জানি, যারা আপনাকে এগুলো করতে বলছে, এই ট্রেনিং নিতে বলছে, তারা ছোটখাটো কেউ না। লুকার মতো লোকও তাদের কথা শুনতে বাধ্য।’

    রুমা বলল, ‘আমাকে বেশ্যা বানিয়ে দিল ওরা?’

    লুকা বলল, ‘এটার উত্তর আমি দিতে পারব না বিশ্বাস করুন।’

    রুমা চুপচাপ কেঁদে যেতে লাগল।

    .

    ৫৪

    জানলা দিয়ে বাইরের রাস্তায় তাকিয়ে আছে অরিত্র। একটার পর একটা গাড়ি যাচ্ছে। মাথার মধ্যে অসহ্য যন্ত্রণা।

    তার দোষেই এণাক্ষী হারিয়ে গেল। তার জন্যই। কেন সে ওকে একা ছেড়ে দিল সেদিন?

    ইনভেস্টিগেশন সেন্টার থেকে তাকে স্পষ্ট বলে দেওয়া হয়েছে, সব জায়গায় এ বিষয়ে আলোচনা না করতে। পুলিশ আপ্রাণ চেষ্টা করছে এণাক্ষীকে খুঁজে বের করতে। আজেবাজে লোককে বললে নাকি খুঁজে পাওয়ার চান্স কমে যাবে। অরিত্র এটাই বুঝতে পারছে না। এরকম আবার হয় নাকি? একজনকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আর তার কথা কাউকে বলা যাবে না?

    ফোনটা বাজতে শুরু করল। অরিত্র দেখল নীল ফোন করছে। ধরল সে, ‘হ্যাঁ, বলুন।’

    নীল বলল, ‘আপনাকে একটা কথা বলার জন্য ফোন করলাম। মনে হয় এই কথাটা আপনাকে জানানো দরকার।’

    অরিত্র বলল, ‘প্লিজ বলুন।’

    নীল বলল, ‘ম্যাডামের ফোনের লাস্ট লোকেশন হোটেলেই পাওয়া গেছিল। তারপরে সিম নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। ব্যাপারটা চিন্তার।’

    অরিত্র উদ্বিগ্ন গলায় বলল, ‘তাহলে ও নিজের ইচ্ছেয় কোথাও যায়নি, সেটা তো প্রমাণ হল? যেভাবে ওর ক্যারেকটার অ্যাসাসিনেট করা হচ্ছে, সেটা তো আর হবে না। তাই না?’

    নীল বলল, ‘আপনি রেগে যাচ্ছেন। এই সময়টা মাথা ঠান্ডা রাখা উচিত।’

    অরিত্র বলল, ‘এই সময়টা আপনার এলে কী করতেন আপনি? ঘরে বসে থাকতে পারতেন?’

    নীল বলল, ‘আমরা দেখছি তো। আপনি ভাববেন না। আরও এক্সটেনসিভ সার্চ অপারেশন শুরু করা হয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি একটা না একটা খবর পাওয়া যাবে।’

    কলিং বেল বেজে উঠল। অরিত্র বলল, ‘ধরুন একটু। কে এল দেখি।’

    দরজা খুলল অরিত্র। দরজা খুলে স্তব্ধ হয়ে গেল। এণাক্ষী দাঁড়িয়ে আছে! তার হাত থেকে ফোনটা পড়ে গেল, ‘তুমি?’

    এণাক্ষী যেন অনেকক্ষণ ঘুমোচ্ছিল। তার দিকে ঘোর লাগা চোখে তাকিয়ে রইল।

    অরিত্র তড়িঘড়ি এণাক্ষীকে হাত ধরে সোফায় বসিয়ে ফোনটা তুলল, ‘হ্যালো…অফিসার।’

    নীল বলল, ‘হ্যাঁ। আমি ধরে আছি। কী হয়েছে?’

    অরিত্র বলল, ‘এণাক্ষী ফিরে এসেছে।’

    নীল বলল, ‘বাঃ। ভালো খবর। আমি কি একবার আসতে পারি?’

    অরিত্র বলল, ‘হ্যাঁ নিশ্চয়ই। প্লিজ আসুন। আমি ওয়েট করে আছি।’

    তার নিজেরই বিশ্বাস হচ্ছিল না। হাতে চিমটি কেটে দেখল। এণাক্ষীকে জড়িয়ে ধরে বলল, ‘কোথায় গেছিলে তুমি? আমি কত খুঁজেছি জানো তোমাকে? পাগল হয়ে যাচ্ছিলাম।’

    এণাক্ষী করুণ গলায় বলল, ‘আমার কিছু মনে নেই।’

    অরিত্র বলল, ‘ঠিক আছে। তুমি খাটে শোবে চলো। আমার মনে হয় তোমার রেস্ট নেওয়া দরকার।’

    এণাক্ষী বলল, ‘আমি খারাপ মেয়ে নই। বিশ্বাস করো। আমি পার্টিতে কারো সঙ্গে খারাপ কিছু করতে যাইনি।’

    অরিত্র লজ্জা পেল, ‘এভাবে না প্লিজ। তুমি শোও। এস।’

    এণাক্ষীকে ধরে বেডরুমে নিয়ে গিয়ে খাটে বসাল অরিত্র। এণাক্ষী একা একা বিড়বিড় করতে লাগল, ‘ওরা আমাকে অনেক চাপ দিয়েছে। ফোন করতে দেয়নি। আমি বার বার তোমাকে ফোন করতে চেয়েছি, ফোনে পাইনি। আমি…কে নিয়ে গেছিল আমায়…’

    অরিত্র বিস্মিত হয়ে বলল, ‘কে নিয়ে গেছিল?’

    এণাক্ষী অরিত্রর দিকে তাকিয়ে কেঁদে দিল, ‘জানি না। আমি বুঝতে পারছি না।’

    অরিত্র বলল, ‘কে দিয়ে গেল তোমায়?’

    এণাক্ষী মাথা নাড়ল, ‘জানি না। আমাকে ফ্ল্যাটের নীচে নামিয়ে দিয়ে গেল। তার আগে আমি মনে হয় ঘুমোচ্ছিলাম। আমি জানি না।’

    অরিত্র এণাক্ষীকে শুইয়ে বাইরে গিয়ে নীলকে ফোন করে সব বলল। নীল বলল, ‘আমার মনে হচ্ছে ম্যাডামের একটা মেডিকাল টেস্ট করাতে হবে।’

    অরিত্র বলল, ‘আবার মেডিকাল টেস্ট কেন?’

    নীল বলল, ‘অনেকগুলো কারণ হতে পারে। হতে পারে যারা নিয়ে গেছিল তারা বেআইনি অরগ্যান ব্যবসায়ী। কিংবা বদ মতলব ছিল। আপনি ওকে নিয়ে…ওহ আপনার গাড়িটা এখন নেই তো। ঠিক আছে। আমি আসছি। আপনি তৈরি থাকুন।’

    অরিত্র ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে বসে রইল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Our Picks

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }