Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026

    ছাতিম – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    August 14, 2026

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প438 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কলিকাতায় নবকুমার – ১০

    দশ

    নবকুমার মাস্টারদার দিকে তাকাল। কী জবাব দেওয়া উচিত? মাস্টারদা যেখানে যাওয়ার কথা বলছে সেই জায়গাটা সে দেখেনি। শেফালি-মা যা বলছেন সেটা শুনলে তার ভালোই হবে। কিন্তু শেফালি-মা তার দিকে তাকিয়ে আছেন। অতএব কথা বলতে হল, ‘আপনারা আমার চেয়ে অনেক বেশি এখানকার কথা জানেন। যা করলে ভালো হয় তাই করুন।’

    মাস্টারদা বলল, ‘আপনার এখানে থাকাটা ওর পক্ষে সৌভাগ্য। কিন্তু মুশকিল হল, এই পাড়াটা যে খারাপ তা সবাই জানে। ওর উঠতি বয়স। বিভ্রম হলে আর কিছু করা যাবে না। তা ছাড়া, গ্রাম থেকে ওর বাবা বা আত্মীয়রা এলে তো তাদের এই বাড়িতে নিয়ে আসা যাবে না।’

    ‘তাঁরা কি এখনই আসবেন?’ শেফালি-মা জিজ্ঞাসা করলেন।

    ‘তা অবশ্য নয়—।’

    ‘মাস্টার। তুমি যখন নবকুমারকে রাত্রে আমার বাড়িতে নিয়ে এসেছিলে তখন এসব চিন্তা করনি কেন? আর নিয়ে আসার পর অবশ্য অনেক ঘণ্টা কেটে গেছে, এর মধ্যে ওর কোন ক্ষতিটা হয়েছে? ওকে আমি চিনি না জানি না। ওর ভালোমন্দের দায়িত্ব আমি নেওয়ার কে? কিন্তু ছেলেটা, সরল, সহজ। এই কলকাতার নোংরা জল যতদিন ওর মনে না চাপছে ততদিন ও ভালো থাকবে। সেটা তোমার যাত্রার ওদিকে থাকলে হবে না।’ শেফালি-মা কথাগুলো বলে হাত নাড়লেন। যার অর্থ এবার তোমরা এখান থেকে চলে যাও।

    মাস্টারদা বলল, ‘শেফালি-মা, আমি মিনিটদশেকের মধ্যে আপনাকে জানাচ্ছি।…’চলো, নবকুমার! ওই ঘরে গিয়ে একটু বসি।’

    ঘরটা কাল রাতের মতোই রয়েছে। শুধু ব্যবহৃত বিছানা আবার ঠিকঠাক করে রাখা হয়েছে। মাস্টারদা বলল, ‘কী করা যায় বলো তো?’

    ‘তুমি যা বলবে!’ নবকুমার বলল।

    ‘ধ্যাৎ! সেটাই তো হয়েছে মুশকিল। শেফালি-মা যা বলল সেটা করলে তোমার লাভ। সারা সকাল এই ঘরে আরামসে কাটিয়ে স্নান সেরে ভালোমন্দ খেয়ে গদিতে যেতে পারবে। দশটার মধ্যে রিহার্সাল শেষ হয়ে যায়। তখন বাড়ি এসে ঘুম। এই যে ঘরটা, ভদ্রপাড়ায় যাও, তিনহাজার টাকা মাসে ভাড়া চাইবে। এই পাড়ায় অন্তত দু-হাজার। কিন্তু বাড়ির এই দিকটায় শেফালি-মা নিজে থাকে বলেই ঘরটা মেয়েমানুষদের ভাড়া দিচ্ছে না।’ মাস্টারদা বলল।

    ‘আমাকে অত টাকা দিতে হবে নাকি?’

    ‘ধ্যাৎ! তুমি শেফালি-মায়ের সুনজরে পড়ে গেছ চাঁদু, তোমার কাছে ভাড়া চাইবে না। জানে চাইলে দিতে পারবে না।’ মাস্টারদা হাসল, ‘গদিতে শুতে-শুতে বারোটা বেজে যাবে রোজ। আবার কোনও বাইরে যাত্রা থাকলে ঘুমের বারোটা বেজে যাবে সে রাতে, এটাও ঠিক।’

    ‘তাহলে আমি কী করব?’

    ‘দ্যাখো বাবা নবকুমার, পঙ্কেই পদ্ম ফোঁটে। সেই পদ্মে পঙ্কের দাগ লাগে না। তুমি যদি জলে নেমে বেণী না ভিজিয়ে থাকতে পারো তাহলে শেফালি-মা যা বলছেন সেটা স্বর্গের সমান। কিন্তু ভাই, তুমি কি এখানকার মেয়েমানুষদের থেকে দূরে থাকতে পারবে?’

    ‘কেন পারব না? তাদের সঙ্গে কথা না বললেই হল।’

    মাস্টারদা হাসল, ‘কাছে যাওয়ার জন্যে কথার কোন দরকার হে! ওরা এমন সম্মোহন শক্তি প্রয়োগ করবে যে তুমি কামাখ্যার মন্দিরের পাঁঠা হয়ে যাবে।’

    ‘না। অসম্ভব। ওসব আমি হব না।’ বেশ জোরে কথাগুলো বলল নবকুমার।

    ঠিক তখনই মুক্তো এসে দাঁড়াল দরজায়, ‘অনেক বেলা হয়েছে। এবার স্নান করে নাও। ভাত দিয়ে যাব।’

    ‘বা:। ভাত হয়ে গেছে বুঝি?’ মাস্টারদা উৎসাহিত।’

    ‘তোমার এত আহ্লাদের কী আছে? ভাত এর জন্যে হয়েছে।’ মুক্তো বলে গেল।

    ‘যাচ্চলে। আমি তোমাকে এখানে নিয়ে এলাম, আর আমিই পর হয়ে গেলাম। সকাল থেকে দুটো বিস্কুট আর চা ছাড়া কিছু খাইনি।’ মাস্টারদা বলল।

    নবকুমারের খুব খারাপ লাগল। সে বলল, ‘তুমি ভেবো না। আমাকে যা দেবে তা দুজনে ভাগ করে খেয়ে নেব।’

    ‘তোমার কম পড়ে যাবে না?’ চোখ মিটমিট করল মাস্টারদা।

    হাসল নবকুমার, ‘না।’

    .

    স্নান করতে গিয়ে নবকুমার আবিষ্কার করল কলে জল নেই। পাশে একটা বাঁধানো গর্তে জল ধরা রয়েছে। জলের নীচে কালো শ্যাওলা ভাসছে। চোখ বন্ধ করে মগে জল তুলে স্নান সেরে নিল নবকুমার। চৌবাচ্চার বাকি জল এখন ঘোলা হয়ে গেছে। একেবারে তলায় জল বেরিয়ে যাওয়ার নলটার মুখে ন্যাকড়া গোঁজা দেখে সেটা টেনে খুলে দিতেই হুড়হুড় করে জল বেরিয়ে বাথরুম ভাসিয়ে দিল। জল নেমে যাচ্ছে ঝাঁঝরি দিয়ে কিন্তু চৌবাচ্চা পরিষ্কার হয়ে গেল। আবার ন্যাকড়া গুঁজে পরিষ্কার হয়ে বেরিয়ে এল নবকুমার।

    মাস্টারদা বলল, ‘তাড়াতাড়ি খেয়ে নাও। মালিকের সঙ্গে দেখা করিয়ে দেব।’

    ঘরের কোণে টেবিলের ওপর থাকা বাটির ওপর আর-একটা থালা চাপা দিয়ে ইতিমধ্যে মুক্তো চলে গেছে। নবকুমার হেসে বলল, ‘বা:, দুটো থালা দিয়েছে।’

    ‘ওটা আমার জন্যে নয়, খাবার ঢাকা দেওয়ার জন্যে। চলো।’

    ভাত, ডাল, তরকারি আর ছোট মাছের ঝাল। ছোট মাছ বলেই চারটে দিয়েছে।

    খেতে-খেতে মাস্টারদা বলল, ‘তুমি গাঁয়ের ছেলে বলে বেশি ভাত দিয়েছে। পাইস হোটেলে খেলে এক্সট্রা তিন বাটির দাম দিতে হত।’

    ‘সেখানে এই খাবারের দাম কত লাগবে?’ নবকুমার খেতে-খেতে জিজ্ঞাসা করল।

    ‘তা ধরো, পঁচিশ-ছাব্বিশ। তবে এমন রান্না পাবে না।’

    খাওয়া শেষ হওয়ার পর দেখা গেল এক গ্লাস জল রয়েছে। মাস্টারদা বলল, ‘তুমি জলটা খেয়ে নাও। আমি পরে খাব। যাই হাত-মুখ ধুয়ে আসি।’

    বাথরুমে চলে গেল মাস্টারদা। তার পরেই বেরিয়ে এল, ‘কলে জল নেই। চৌবাচ্চাও খালি, হাত-মুখ ধোব কী করে?’

    নবকুমার ঘরের কোণের দিকে আঙুল তুলল, ‘ওই কুঁজোতে জল আছে।’

    ‘বাঁচালে।’ কুঁজো নিয়ে বাথরুমে ঢুকে গেল মাস্টারদা।

    এই সময় মুক্তো এল দরজায়, ‘খাওয়া হল? রান্না কীরকম?’

    ‘ভালো।’ মাথা নাড়ল নবকুমার।

    ‘ভালো তো লাগবেই। গাঁয়ে নিশ্চয়ই এমন রান্না হয় না। যাকগে, আজ ঘাড়ের ওপর এসে পড়েছে বলে দুজনের খাবার দিয়েছি। এই শেষ!’

    ‘নিশ্চয়ই। আচ্ছা কলে জল পড়ে কখন?’

    ‘তিনবার জল দেয়। কেন? চৌবাচ্চায় জল নেই?’

    ‘ছিল। খুব কাদা, মুখে দেওয়া যায় না।’

    ‘বাব্বা! গাঁয়ের পুকুর বুঝি সোনাবাঁধানো।’ মুখ বাড়িয়ে কুঁজো খুঁজল মুক্তো। দেখতে না পেয়ে জিজ্ঞাসা করল। ‘কুঁজোটা কোথায় গেল?’

    ‘এই যে এখানে।’ কুঁজো হাতে নিয়ে মাস্টারদা বাথরুম থেকে বেরিয়ে এল।

    ‘লোকে বলে এমনিতে হয় না অমনি জড়িয়ে। ওটা খালি করে ফেলেছ নাকি?’

    ‘না-না আছে। অল্প আছে।’ মাস্টারদা বলল।

    ‘ওতেই কাজ চালিয়ে নাও। আমি পরে ভরে দেব।’ মুক্তো চলে যাচ্ছিল, মনে পড়ে যেতে ঘুরে দাঁড়াল, ‘এই যে ছেলে, মা বলেছে সন্ধের পরে দেখা করতে।’

    .

    মিনিটদেড়েক হাঁটলেই খারাপ পাড়া শেষ। খারাপ পাড়া মানে যে-পাড়ার বাড়িগুলোর দরজায়-দরজায় মেয়েরা সেজেগুজে দাঁড়িয়ে থাকে। এখন যে-রাস্তা দিয়ে ওরা হাঁটছে, সেটা মানুষ, গাড়ি রিকশায় গিজগিজ করছে। গোটা চারেক অল্পবয়সি মেয়ে শব্দ করে হাসতে-হাসতে চলে গেল, এদের মুখে রং নেই বটে কিন্তু খুব চপল বলে মনে হল। নবকুমার জিজ্ঞাসা করল, ‘এরা কি ওরাই?’

    ‘ওরাই মানে?’

    ‘বাড়ির দরজায় রং মেখে যারা দাঁড়ায় তারা বাইরে এলে রং মুছে ফেলে?’

    ‘ভ্যাট।’ চিৎকার করে উঠল মাস্টারদা, ‘তোমার কি চোখ খারাপ? এরা সব ভদ্রঘরের মেয়ে। রবি ঠাকুরের কলেজে পড়ে। এই আর একটু গেলেই জোড়াসাঁকো।’

    ‘জোড়াসাঁকো?’ চমকে উঠল নবকুমার, ‘রবীন্দ্রনাথ যেখানে থাকতেন?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘এই খারাপ পাড়ার পাশে উনি থাকতেন?’

    ‘হ্যাঁ রে বাবা, তাই।’

    স্কুলের বাংলা মাস্টার রবীন্দ্রনাথের গল্প বলতেন। একটা কবিতা এখনও মুখস্থ আছে নবকুমারের। ‘আজি এ প্রভাতে রবির কর, কেমনে পশিল প্রাণের পর।’ সেই রবীন্দ্রনাথ যখন এখানে থাকতেন তখন তার থাকায় দোষ কোথায়।

    ‘আমরা এসে গেছি।’ মাস্টারদার কথায় চোখ তুলল নবকুমার। রাস্তার দুপাশে বড়-বড় হোর্ডিং, সত্য অপেরার নিবেদন ‘শূন্য মায়ের বুক’, অম্বর যাত্রা পার্টির সাহসী প্রযোজনা, ‘নবীনা হান্টারওয়ালি’ নামভূমিকায় মিস কাকলি। একটার-পর-একটা যাত্রার হোর্ডিং। চেনা নাম দেখতে পেল সে, ‘বউমা বনাম শাশুড়ি।’ এই যাত্রাপালাটি গতবার মেলায় গিয়েছিল। আশেপাশের সব গ্রামের বউ মেয়ে শাশুড়িরা দেখতে গিয়েছিল ঝেঁটিয়ে।

    মাস্টারদা বলল, ‘এসো। শোনো, মালিককে দেখা হওয়া মাত্র প্রণাম করবে। খুব রাশভারী মানুষ। পান থেকে চুন খসলেই ছাঁটাই।’

    নবকুমার মাথা নাড়ল।

    এখন দুপুর। মাস্টারদা যে ঘরে তাকে নিয়ে ঢুকল সেখানে আট-দশজন লোক গুলতানি মারছে। তাদের মধ্যে তিনজন মহিলাও আছেন। তাদের কেউ সুন্দরী তো ননই, বয়সও চল্লিশের বেশি। মাস্টারদা একজনকে জিজ্ঞাসা করল, ‘মালিক আসেনি?’

    ‘তিনটে থেকে রিহার্সাল। এইমাত্র এসে ঘরে ঢুকেছে।’ লোকটা জবাব দিল।

    ‘অ।’ মাস্টারদা বলল, ‘একটু বলো না, একজনকে নিয়ে এসেছি, দেখা করব।’

    .

    .

    ‘এখন যেও-না। মেজাজ খারাপ আছে। হিরোইন আজ রিহার্সাল দিতে পারবে না শুনে গুম হয়ে গেছে। বরং বাকিদের নিয়ে রিহার্সাল হয়ে যাওয়ার পর দেখা করো।’

    ‘অ। তাই হবে। ভালো বলেছ।’ মাস্টারদা মাথা নাড়তেই একজন মহিলা উঠে এসে সামনে দাঁড়ালেন, ‘এই যে বিবেকবাবু, আমাকে ল্যাং মারার চেষ্টা করলে লাভ হবে না।’

    ‘এ কী কথা! ছি-ছি-ছি। আমি একটা সামান্য মানুষ! আপনাকে ল্যাং মারার মতো ঔদ্ধত্য হবে আমার? তার চেয়ে থুতু ফেলে ডুবে মরাও ভালো।’ মাস্টারদা বলল।

    ‘ইস! বিনয়ের আমলকি। চুষে-চুষে খাব! গতবার আমার ডায়ালগ শেষ হওয়ার আগেই তুমি চিৎকার করে গান ধরতে। আমি আর হাততালি পেতাম না। ওটা ল্যাং মারা নয়? আর এবারও আমার সিনের শেষে তোমার গান। গান তো নয়, মেশিন গান। কানের পরদা ফেটে যায়। এটি কে?’ মহিলা নবকুমারের দিকে তাকাল।

    ‘প্রম্পটার। নতুন।’

    ‘এ তো বাচ্চা ছেলে! নাম কী?’ মহিলা এগিয়ে এলেন।

    ‘নবকুমার।’

    হেসে শরীরে অনেক ঢেউ তুললেন মহিলা, ‘কোত্থেকে এসেছ?’

    মাস্টারদা জবাব দিলেন, ‘আমার পাশের গ্রামে বাড়ি।’

    ‘অ।’ হাসি থামছিল না, ‘তা এসে কোন কপালকুণ্ডলার দেখা পেলে?’

    ‘না।’ মাথা নাড়ল নবকুমার। মহিলা এত হাসছেন কেন সে বুঝতে পারছিল না।

    ‘আগে প্রম্পট করেছ?’

    ‘কত করেছে। গ্রামের যাত্রায় ও একচেটিয়া প্রম্পট করত।’ মাস্টারদা বলল।

    ‘ইস। মাস্টার! এ কাকে নিয়ে এলে গো! এ তো কচি মুরগি। যাত্রায় নিয়ে এলে ওকে, সবাই তো চিবিয়ে খাবে।’ মুখে চুকচুক শব্দ করলেন মহিলা।

    মাস্টারদা বলল, ‘নবকুমার, ইনি নিরুপমাদি। আমাদের সব পালায় মায়ের ভূমিকায় অভিনয় করেন। ফাটাফাটি অভিনয়।’

    ‘ফাটাফাটি!’ হা-হা করে হেসে উঠলেন নিরুপমা, ‘ফাটা এবং ফাটি দুটোই। মাস্টার, নেহাত তুমি নেংটির মতো দেখতে নইলে তোমাকেই নিয়ে করতাম।’

    এই সময় একজন দৌড়ে এল, ‘বড়বাবু আসছেন।’

    সঙ্গে-সঙ্গে পরিবেশটার চেহারা পালটে গেল। নিরুপমাও গম্ভীর হয়ে ঘরে ঢুকে তাঁর জায়গায় বসলেন। বাকিরা খাতায় চোখ রাখল। নবকুমার দেখল একজন বয়স্ক ভারী চেহারার মানুষ, পরনে ধুতি-পাঞ্জাবি, গলায় সোনার চেন, পাম্প শু-তে মচমচ শব্দ করতে-করতে এদিকে এগিয়ে আসছেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleছাতিম – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026
    Our Picks

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026

    ছাতিম – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    August 14, 2026

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }