Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026

    ছাতিম – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    August 14, 2026

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প438 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কলিকাতায় নবকুমার – ২৪

    চব্বিশ

    শেফালি-মাকে আজ খুব সুন্দর দেখাচ্ছিল। এই প্রথম ওকে নীল শাড়ি পরতে দেখল নবকুমার। সাতসকালেই স্নান সেরে নিয়েছেন। ঘরে ঢোকামাত্র বললেন, ‘একটু পড়া ধর তো!’ তারপর দেওয়াল আলমারি থেকে একটা মোটা বই খুলে সূচিপত্র দেখে পাতা খুলে নবকুমারের হাতে দিলেন। নবকুমার দেখল বইটার নাম সঞ্চয়িতা। কবিতার নাম কর্ণকুন্তী সংবাদ।

    ‘তুমি চেয়ারটায় বসো। আমি বসে-বসে কবিতা বলতে পারি না।’ হাসলেন শেফালি-মা। আজ তার বয়স যেন অনেক কম বলে মনে হচ্ছিল নবকুমারের।

    চোখ বন্ধ করে শেফালি-মা শুরু করলেন, ‘পুণ্য জাহ্নবীর তীরে সন্ধ্যাসবিতার বন্দনায় আছি রত। কর্ণ নাম যার, অধিরথসূতপুত্র, রাধাগর্ভজাত সেই আমি—কহ মোরে তুমি কে গো মাত:!’

    হাঁ করে শুনছিল নবকুমার। আবৃত্তি থামিয়ে ধমক দিলেন শেফালি-মা, ‘আরে! তুমি এদিকে তাকিয়ে কী দেখছ? ভুল বলছি কি না বইয়ে চোখ রেখে দ্যাখো। প্রম্পটার কখনও পাতা থেকে চোখ সরায় না।’

    আবার আবৃত্তি শুরু করলেন তিনি। বলতে-বলতে আটকে গেলেন এক জায়গায়। নবকুমার ধরিয়ে দিতে যাচ্ছিল, হাত তুলে ইশারা করলেন কথা না বলতে। কয়েকবার চেষ্টা করলেন মনে করতে। তারপর বললেন, ‘না:। সত্যি বুড়ি হয়ে গেছি। স্মৃতি কাজ করছে না। অথচ জানো, সেই প্রথমদিন থেকে, যখন অভিনয়ে এলাম, আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে এই কবিতা বলে অভিনয় প্র্যাকটিস করতাম। গড়গড় করে বলে যেতাম। অভিনয় ছাড়ার পর স্মৃতির ওপর এভাবে মরচে পড়বে কল্পনাও করিনি। কী যেন লাইনটা?’

    নবকুমার বলল, ‘ওই পরপারে যেথা জ্বলিতেছে দীপ স্তব্ধ স্কন্ধাবারে পাণ্ডুর বালুকাতটে—।’

    শেফালি-মা বললেন, ‘বা:। তোমার গলা তো বেশ ভরাট। যখন এমনি কথা বল তখন এরকম লাগে না। তার মানে এই গলা স্বাভাবিক গলা নয়।’

    বাকি কবিতাটি শেষ করলেন শেফালি-মা। যখন বললেন, ‘শুধু এই আশীর্বাদ দিয়ে যাও মোরে,/জয়লোভে যশলোভে রাজ্যলোভে, অয়ি,/বীরের সদগতি হতে ভ্রষ্ট নাহি হই’ তখন গলায় এমন একটা ভাব ফুটে উঠল যে নবকুমারের চোখে জল এসে যাচ্ছিল। কোনওক্রমে নিজেকে সামলাল সে।

    শেফালি-মা জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কেমন লাগল?’

    ‘খুউব ভালো।’

    ‘আগে যা বলতাম তার অর্ধেকও পারলাম না। যাক সে,’ খাটে গিয়ে বসলেন শেফালি-মা, ‘তোমার দলের বড়বাবুর বক্তব্য কী?’

    ‘উনি আপনার সঙ্গে দেখা করতে চান।’ নবকুমার জানাল।

    ‘কেন?’

    ‘তা জানি না। বললেন গদিতে না যদি যান তাহলে যেখানে হোক বললে যেতে ওঁর আপত্তি নেই। আপনি রাজি হয়েছেন শুনে খুব খুশি হয়েছেন।’

    ‘আমি তোমাকে বলেছি ভেবে দেখব। রাজি হয়েছি বলিনি। ঠিক আছে, ওঁকে এখানে এসে আমার সঙ্গে কথা বলতে বলবে।’

    ‘ঠিক আছে বলব। আজ ছুটি, কাল বলব।’

    ‘ও। আজ তুমি কী করবে?’

    ‘কলিকাতার দ্রষ্টব্য জায়গাগুলো দেখতে যাব। ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে কীভাবে যেতে হয়? আর সেখান থেকে গড়ের মাঠ কতদূরে?’ নবকুমার জিজ্ঞাসা করল।

    ‘চিড়িয়াখানা?’

    ‘হ্যাঁ। সেখানেও যাব। কিন্তু আজ বোধহয় সব জায়গায় যাওয়া যাবে না।’

    ‘যাবে।’ বলে গলা তুললেন, ‘মুক্তো, মুক্তো!’

    মুক্তো এল দরজায়। শেফালি-মা বললেন, ‘আজাদকে খবর দে। গাড়ি নিয়ে দশটায় যেন দরজায় আসে। তুই এর মধ্যে জলখাবার খাইয়ে দে। নিজেও খাবি। আমরা তিনজনে ঠিক দশটায় বেরুব। সঙ্গে জলের বোতল নিবি।’

    ‘কোথায় যাব?’

    ‘কলকাতার, না, কলিকাতার দ্রষ্টব্যস্থান দেখতে। উ:, কবে যে শেষবার জাদুঘর, চিড়িয়াখানায় গিয়েছি মনেই পড়ে না। নবকুমারের দৌলতে আজ দেখে আসি চল।’

    ‘আপনি যাবেন? সত্যি?’ নবকুমার বিশ্বাস করতে পারছিল না।

    ‘জলে নেমে শুধু কোমর ভেজাব কেন? ডুব দিয়ে স্নানটা সেরে নিই। বুঝলে?’

    নবকুমার মাথা নেড়ে বোঝাল, সে বোঝেনি।

    শেফালি-মা হাসলেন, ‘চেষ্টা করো, ঠিক বুঝতে পারবে।’

    .

    ট্যাক্সি সোনাগাছি থেকে একটা চওড়া রাস্তায় পড়ে ডানদিকে বাঁক নিতেই পেছনে বসে থাকা শেফালি-মা বললেন, ‘এই রাস্তটার নাম জানো?’

    এইদিক দিয়ে গদিতে যাওয়া আসা করে না নবকুমার। মাথা নাড়ল, না।

    ‘সেন্ট্রাল অ্যাভিন্যু। এখন বলে চিত্তরঞ্জন অ্যাভিন্যু। এই যে রাস্তাটা পেরিয়ে যাচ্ছি, এটা বিডন স্ট্রিট। এই বিডন স্ট্রিটেই মিনার্ভা থিয়েটার ছিল। এখন তো বন্ধ। এককালে বিখ্যাত নাটক ওখানে হয়েছে। উৎপল দত্ত অঙ্গার, কল্লোল ওখানে করেছিলেন। আমিও ওখানে অনেক শো করেছি।’

    ‘এখন বন্ধ কেন?’

    ‘শুনেছি কীসব আন্দোলন হয়েছিল, থিয়েটারের মান পড়ে যাওয়ায় দর্শক হত না। এই রাস্তা হল বিবেকানন্দ রোড।’

    শেফালি-মা একের-পর-এক রাস্তার নাম, বিখ্যাত বাড়িগুলোর কথা বলে যাচ্ছিলেন। সবগুলো মাথায় রাখতে পারছিল না নবকুমার। কিন্তু তার ভালো লাগছিল।

    ‘এই হল ধর্মতলা। আবার এসপ্ল্যানেডও বলে। ওই যে মনুমেন্ট।’

    গাড়িতে বসেই অনেক উঁচু একটা স্তম্ভ দেখতে পেল নবকুমার। বইতে সে পড়েছে ওটা স্মৃতিসৌধ। মানুষের বাস করার জন্যে তৈরি নয়।

    ‘ওটা কার স্মৃতিসৌধ?’

    শেফালি-মা বললেন, ‘অতশত জানি না। এক সাহেবের বোধহয়, কী যেন নাম। অক্টো, অক্টো, দূর!’

    গাড়ি আর একটু এগোতেই বিশাল সবুজ মাঠ চোখে পড়ল।

    ‘এই হল তোমার গড়ের মাঠ। গড়ের মাঠ কেন বলে জানো? গড় মানে দুর্গ। দুর্গের সামনে মাঠ, গড়ের মাঠ।’

    ‘এখানে দুর্গ কোথায়?’

    ‘ওই যে, ওপাশে, দুর্গের নাম উইলিয়াম। ফোর্ট উইলিয়াম।’

    ‘ও। কিন্তু শহরের মাঝখানে দুর্গ কেন? শত্রুরা এলে তো শহরটাকেই দখল করে ফেলবে। বইতে পড়েছি শহর থাকত দুর্গের ভেতরে। যাতে শত্রুরা দখল না করতে পারে।’

    হাসলেন শেফালি-মা, ‘ওটা ইংরেজরা বানিয়েছিল যাতে তাদের কেউ দুর্গের ভেতর ঢুকে না মারতে পারে। তখন তো ঘরে বাইরে ওদের শত্রু ছিল। এখন বাইরের সাত সমুদ্র পার হয়ে এতদূরে আসতে পারবে না।’

    ‘তাহলে ইংরেজদের তৈরি দুর্গটা কি দ্রষ্টব্যস্থান হিসাবে রাখা হয়েছে?’

    ‘না-না। ওখানে শুনেছি মিলিটারিরা থাকে।’

    কিছুটা দূরে শ্বেত পাথরের বিশাল বাড়ি যা দেখতেই তাজমহলের ছবি মনে ভেসে ওঠে, নবকুমার উৎফুল্ল হল, ‘বা:, কী সুন্দর।’

    পেছন থেকে শেফালি-মা বললেন, ‘ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল।’

    বিস্ফারিত চোখে নবকুমার দেখছিল স্মৃতিসৌধকে।

    ‘ভেতরে যাওয়া যাবে?’

    ‘এখন নয়। ফেরার পথে। ডানদিকে যে ঘেরা মাঠ দেখছ ওটা রেসকোর্স। ঘোড়া দৌড়ায়, কেউ জেতে, কেউ হারে। ভুলেও কখনও ওখানে যাবে না।’

    ওরা চিড়িয়াখানায় ঢুকল। আজ বেশ ভিড়। লাইন দিয়ে টিকিট কাটতে হল। ভাগ্যিস রোদ নেই, মেঘলা হয়ে আছে আকাশ। কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরির পর শেফালি-মা বললেন, ‘আর পারছি না। আমরা এখানে বসছি। তুমি বাঘ ভাল্লুকদের দেখে এখানে ফিরে এসো। তারপর ওই রেস্টুরেন্টে গিয়ে দুপুরের খাবার খাব।’

    নবকুমার মাথা নেড়ে পা বাড়াল। পাখিদের খাঁচার সামনে দাঁড়িয়ে সে মুগ্ধ। কতরকমের পাখি। এক ভদ্রলোক তার ছেলেকে বললেন, ‘ওই দ্যাখ কাকাতুয়া।’

    ছেলেটি জিজ্ঞাসা করল, ‘কথা বলে?’

    কাকাতুয়া ঘাড় ঘুরিয়ে ছেলেটাকে দেখল। তারপর স্পষ্ট বলল, ‘মারব।’

    নবকুমার হেসে ফেলল। পাখি মুখ ঘুরিয়ে নিল।

    একটার-পর-একটা প্রাণী দেখতে-দেখতে নবকুমার জলহস্তীদের কাছে পৌঁছতেই একজন বিশাল হাঁ করে মুখের ভেতরটা দেখাল। কাদাজলে দাঁড়িয়ে আছে সে। জলহস্তী তাকে আকর্ষণ করল না। হঠাৎ খেয়াল হল, অনেকক্ষণ সে একা ঘুরছে। একজনকে জিজ্ঞাসা করে জানল একটা বেজে গেছে। ফিরতে গিয়ে সে ধন্দে পড়ল। ঠিক কোন জায়গায় শেফালি-মা-রা বসে আছেন বুঝতে পারছিল না। হাঁটতে-হাঁটতে সাপের বাড়ির সামনে পৌঁছে ভেতরে যাওয়ার লোভ সামলাতে পারল না। বড়-বড় কাচের বাক্সে নানান প্রজাতির সাপ। কিন্তু তারা বেশিরভাগই নিজেদের লুকিয়ে রাখতে চাইছে দর্শকদের কাছ থেকে। দর্শকরা এখানে সংখ্যায় বেশি।

    ‘ছি:! সাপ দেখলেই শরীর ঘিনঘিন করে ওঠে। আমি এখানে থাকব না।’ বলে যে মেয়েটি বেরিয়ে যাচ্ছিল তাকে খুব চেনা বলে মনে হল নবকুমারের। পেছন থেকে দেখছে সে, কিন্তু গলার স্বর কোথাও যেন শুনেছে। মেয়েটার সঙ্গে বছর তেইশের একটি ছেলে। সে বোঝাতে-বোঝাতে হাঁটছিল। নবকুমার বাইরে এসে দেখল ওরা দাঁড়িয়ে কথা বলছে। আর তখনই মেয়েটা মুখ ঘোরাতেই চোখাচোখি হয়ে গেল। একটু অপ্রস্তুত হলেও দ্রুত নিজেকে সামলে নিয়ে ছুটকি হাত নেড়ে হাসতে লাগল। কী করা উচিত, বুঝতে পারছিল না নবকুমার। ছুটকি এগিয়ে এল, ‘কী? চিনতে পাচ্ছ না? এর মধ্যেই ভুলে গেলে? আমি ভেবেছিলাম তুমি আর পাঁচটা ছেলের মতো নয়।’

    ‘না মানে—, ভুলব কেন!’ তোতলাল নবকুমার।

    ‘সেই যে ট্রেনে এত কথা বললে, কত প্রমিস করলে আর কলকাতার জল পেটে পড়তেই পালটি খেয়ে গেলে?’ ঠোঁট ফোলাল ছুটকি।

    নবকুমার দেখল ছেলেটা দূরে দাঁড়িয়ে এদিকে তাকিয়ে আছে। সে জিজ্ঞাসা করল, ‘তুমি কবে ফিরলে?’

    ‘তার মানে?’

    ‘আমি জানতাম তোমার বাবা-মা কলিকাতার বাইরে কোনও আত্মীয়ের বাড়িতে তোমাকে রেখে এসেছে। সেখান থেকে বিয়ের চেষ্টা করছে।’ নবকুমার বলল।

    ‘কী করে জানলে? নাকি মনে-মনে ভেবে খুশি হলে?’

    ‘আমি তোমাদের বাড়িতে গিয়েছিলাম।’

    ‘অ্যাঁ? তাই? কবে?’

    ‘কিছুদিন আগে। এখানে আসার পরপরই। তোমার দিদির কাছে শুনেছিলাম।’

    ‘ও!’ একটু ভাবল ছুটকি, ‘সেদিন বাড়িতে দিদি একা ছিল, তাই না?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘তোমার চরিত্র নষ্ট করেছিল?’

    ‘কী যা তা বলছ?’

    ‘ঠিক বলেছি। আমি যাকেই ভালোবাসব দিদি তার দিকে হাত বাড়াবে। নিশ্চয়ই দিদি তোমার সঙ্গে বাইরে দেখা করে?’

    ‘না। আর দেখা হয়নি। তবে বেরিয়ে আসার সময় পাড়ার ছেলেরা আমাকে ধরেছিল। খুব শাসাচ্ছিল। ওদের একজন নাকি তোমাকে ভালোবাসে। শেষে বলল, তোমাকে বুঝিয়ে বলতে যাতে তুমিও ওকে ভালোবাসো।’

    নবকুমারের কথা শেষ হওয়ামাত্র বেশ জোরে হেসে উঠল ছুটকি। আশেপাশের লোকজন সেই শব্দে এদিকে তাকাল। হাসতে-হাসতে ছুটকি বলল, ‘এরকম কয়েক ডজন ছেলে আমার পিছনে ঘুরে বেড়ায়। আমি তাদের পাত্তাই দিই না। যাকে দিয়েছি সে আমার কথা ভাবেই না। তুমি কী গো!’

    নবকুমার জিজ্ঞাসা করল, ‘এই চিড়িয়াখানা কি তোমার বাড়ির কাছে?’

    ‘দূর! কোথায় বেলগাছিয়া আর কোথায় আলিপুর!’ ছুটকি হাসল, ‘ও অনেকদিন থেকে বায়না করছিল। তাই আজ বেড়াতে এলাম।’

    ‘ও কে?’

    ‘ভালো করে চিনি না। টালাপার্কে আলাপ হয়েছে। খুব বড়লোকের ছেলে। বলছে আমাকে বিয়ে না করলে পাগল হয়ে যাবে।’ হাসল ছুটকি।

    ‘কবে বিয়ে হবে?’

    ‘অ্যাঁ? তোমার মতলব কী বলো তো? যে বলবে তাকেই বিয়ে করতে হবে? আমি কি এত ফ্যালনা? আচ্ছা, তোমার কোনও ফোন নম্বর আছে?’

    ‘না।’

    ‘ঠিকানা বলো।’

    ইতস্তত করেও শেষ পর্যন্ত চিৎপুরের যাত্রার গদির ঠিকানা বলে ফেলল সে।

    ছুটকি বলল, ‘ও, তুমিও নর্থে থাক? তাহলে চলো, একসঙ্গে ফিরব। যাওয়ার সময় ও অম্বরে খাওয়াবে। তুমি নিশ্চয়ই এখনও অম্বরে খাওনি?’

    ‘আমাকে খাওয়াবে কেন?’

    ‘আমি বললে ও না বলবে কী করে? এসো।’ ছুটকি ছেলেটাকে হাত নেড়ে ডাকতেই মুক্তোকে দেখতে পেল নবকুমার। হনহন করে সামনে এসে মুক্তো বলল, ‘মা খুব রাগ করছে। এখনই চলো।’

    বেঁচে গেল নবকুমার। ছুটকি জিজ্ঞাসা করল, ‘মা? মা মানে?’

    ‘মায়ের তো একটাই মানে হয়? আসছি।’ মুক্তোর সঙ্গে হাঁটতে লাগল নবকুমার।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleছাতিম – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026
    Our Picks

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026

    ছাতিম – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    August 14, 2026

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }