Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026

    ছাতিম – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    August 14, 2026

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প438 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কলিকাতায় নবকুমার – ৫০

    পঞ্চাশ

    খানিকটা হেঁটে দাঁড়িয়ে গেল নবকুমার। দূরে তাদের গ্রাম দেখা যাচ্ছে। আকাশের অনেকটা গাছগাছালি আড়াল করে দাঁড়িয়ে আছে বাড়ি-ঘর নিয়ে। দেখেই বুকে মায়া জমল। কীরকম কষ্ট-কষ্ট বুকে টলমল করে উঠল। বাতাস নিল সে। বাতাসে ধুয়ে গেল শরীর।

    কয়েক পা হেঁটেই রাস্তা বাঁক নিতেই দেখল মাঠে গরু চরছে। এখন চাষের সময় নয়। কোথাও কোনও শব্দ নেই। শহরের কান এখানে এসে খাঁ-খাঁ করতে লাগল। কী নেই, কী নেই!

    সামনে জোড়া বেল গাছ! রাস্তার দু-ধারে দুটো। ঝাঁকড়া গাছ দুটোকে সে জ্ঞান হওয়ার পর থেকেই দেখে এসেছে। সন্ধের পর কেউ একা এই গাছ দুটোর পাশ দিয়ে যায় না। সাদা ধুতি জড়ানো ব্রহ্মদৈত্যকে নাকি অনেকেই দেখেছে। খড়ম পায়ে শূন্যে হেঁটে বেল গাছের ডালে বসে দোল খান তিনি। গাঁয়ের মুখে তাঁর অবস্থান বলে মেছোভূত, গেছোভূত অথবা শাঁকচুন্নিরা এদিকে ঢুকতে সাহস পায় না। আগে প্রতি অমাবস্যা পূর্ণিমায় গাঁয়ের বৃদ্ধারা এসে ফুল জল দিয়ে যেতেন গাছ দুটোর গোড়ায়। এখন সেটার চল নেই।

    ‘ও কে? নব না?’ পাশ দিয়ে যেতে-যেতে সাইকেলটা থেমে গেল।

    নবকুমার লোকটিকে চিনতে পেরে দাঁড়িয়ে গেল, ‘কেমন আছেন সুমনকাকা?’

    ‘আর কেমন আছি! খরচ করে ছেলেটার বিয়ে দিলাম, সে এখন ঘরজামাই হয়ে বসে আছে শ্বশুরবাড়িতে। এরপর কি ভালো থাকা যায়! হ্যাঁ, তুমি তো কলিকাতায় থাকো?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘শুনেছি ভালো কাজ কাম করছ। বাবাকে টাকা পাঠাও। খুব ভালো লাগে। তা বাবা, একটা উপকার করতে পারবে?’

    ‘বলুন।’

    ‘আমার মেয়েটাকে কি তোমার মনে আছে? শিবানী। স্কুল ফাইনাল পাশ করে বসে আছে। দাদার ব্যাপার দেখে বলছে বিয়ে করবে না সে। আমি যে পাত্র খুঁজে জোর করে বিয়ে দেব সে ক্ষমতাও আর নেই। মেয়ের মাথায় ঢুকেছে সে চাকরি করবে। কলিকাতার মেয়েরা তো চাকরি করে। শিবানীর জন্যে একটু চেষ্টা যদি করো তাহলে চিরকৃতজ্ঞ থাকব।’ সুমন কাকার গলা ধরে এল।

    কয়েক সেকেন্ড চুপ করে থেকে নবকুমার বলল, ‘আমি চেষ্টা করব।’

    ‘তাহলেই হবে। এসো না আমাদের বাড়িতে। শিবানীর সঙ্গে আলাপ করে যেও। চলি। আমার একটু দেরি হয়ে গিয়েছে।’ সাইকেল চলে গেল।

    খারাপ লাগছিল খুব সুমনকাকার জন্যে। কিন্তু এ কী বলল সে? কোথায় চেষ্টা করবে? চেষ্টা করার মতো ক্ষমতা তার নেই তা ভুলে গিয়ে কী করে আশ্বাস দিল? আগে হলে স্পষ্ট বলত, সুমনকাকা, আমি আগে যাত্রার গদিতে প্রম্পটারের চাকরি করতাম। কলিকাতায় মেয়েদের যেখানে চাকরি হয়, সেখানকার কারও সঙ্গে আমার আলাপ হয়নি। এখন আমি সিনেমায় অভিনয় করার জন্যে তৈরি হচ্ছি। সেখানে যদি শিবানীর কথা বলি তাহলে কেউ পাত্তা দেবে না। তা ছাড়া, সেখানে কেউ বাঁধাধরা চাকরি করে না। অথচ এই সত্যি কথাটা না বলে দিব্যি বলে দিল, আমি চেষ্টা করব? মাস্টারদা বলত কর্পোরেশনের জল পেটে পড়লে মানুষ বদলে যায়? তাহলে কি সে-ও বদলে গিয়েছে?

    গ্রামে ঢুকে পড়ল সে। আশেপাশের অনেকেই তাকে উৎসুক চোখে দেখছে। জনার্দন আসছিল ওপাশ থেকে, তাকে দেখে চোখ বড় করে বলল, ‘কীরে? চলে এলি?’

    জনার্দন পাশের বাড়ির ছেলে। ছেলেবেলায় স্কুলে যেত না বলে ওর বাবা মাঠের কাজে লাগিয়ে দিয়েছিল। তাই নিয়ে আছে।

    ‘মায়ের কী হয়েছে রে?’

    ‘মা? তোর মা?’ জনার্দন যেন বুঝতে পারছিল না।

    ‘আচ্ছা ক্যাবলা তো তুই! মা বললে আমি কি তোর মায়ের কথা বোঝাব?’

    ‘তোর মা-মানে কাকিমার? আমি জানি না তো! চল দেখে আসি।’ জনার্দন সঙ্গ নিল। হাঁটতে শুরু করে বলল, ‘তুই নাকি কলিকাতায় খুব বড় চাকরি করিস! বাড়িতে টাকা পাঠাস! অনেক টাকা মাইনে? কত মাইনে রে?’

    ‘পাঁচ-ছয় হাজার। পরে বাড়বে।’ বেমালুম মুখ থেকে বেরিয়ে এল।

    ‘বাপস। এত টাকা? শালা, সারাবছর জমিতে গরুর মতো খাটি আমি। বছরের খাওয়ার পর দু-হাজার থাকে কি না সন্দেহ। তোর কথা শুনলে বাবা বলবে, দাঁত থাকতে দাঁতের মর্ম বোঝোনি। না রে নব, আমার ছেলেকে আমি অনেক পড়াশোনা শেখাব। কিছুতেই পড়া ছাড়তে দেব না।’

    ‘তোর ছেলে? তুই বিয়ে করেছিস কবে?’ নবকুমার অবাক হল।

    ‘এখনও করিনি। তবে করতে তো হবেই। তারপর ছেলেও আসবে। তাই না?’ খিড়কি দরজায় পৌঁছে জনার্দন হাঁক দিল, ‘ও কাকাবাবু, দেখুন কে এসেছে? হেঁ-হেঁ। বড়লোক হয়ে এসেছে।’

    বাবা ঘরের ভেতর ছিল। বারান্দায় বেরিয়ে এসে নবকুমারকে দেখে খুশি হল, ‘ও তুমি! শুনছ, নব বাড়ি এসেছে।’

    সঙ্গে-সঙ্গে রান্নাঘর থেকে মা প্রায় তীরের মতো বেরিয়ে এল, ‘ওমা, তুই এসেছিস! কী রোগা হয়ে গিয়েছিস রে! ইস, গলার হাড় বেরিয়ে গিয়েছে! নিশ্চয়ই খাওয়াদাওয়া ঠিকমতো করতিস না। যার এক গ্লাস জল গড়িয়ে খাওয়ার অভ্যেস ছিল না, সে কী করে পারবে? আয় বোস। আমি এক গ্লাস চিনিজল করে আনছি।’

    জনার্দন হাসল, ‘হে-হে। কী যে বলো কাকি। গাদাগাদা টাকা ও হাতে পায়। হুকুম করলেই মাছ মাংস চপ কাটলেট, রাবড়ি চলে আসবে।’

    মা মুখ ফেরাল। ‘বাবা জনার্দন, এখন তুমি বাড়ি যাও। ছেলেটা এতদিন পরে এল! একটু জিরোতে দাও ওকে। কেমন?’

    বাবা বলল, ‘তুই বরং একটা কাজ কর জনা! নবর বন্ধুদের খবর দিয়ে বল বিকেলে দেখা করতে।’

    অনিচ্ছা সত্বেও জনার্দন বেরিয়ে গেল। এবার নবকুমার জিজ্ঞাসা করল, ‘তোমার শরীর খারাপ না?’

    ‘মানে?’ মা হকচকিয়ে গেল।

    ‘তোমার তো এখন হাসপাতালে থাকার কথা। বাবা লিখেছে তুমি পেটের যন্ত্রণায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছ। তোমাকে হাসপাতালে ভরতি করতেই হবে।’ নবকুমার বলল।

    মা একটু লজ্জা পেল, ‘তোর বাবা এসব লিখতে চাইছিল না। আমিই জোর করে লিখিয়েছি। আমি হাসপাতালে ভরতি জানলে তুই না এসে পারবি না। তাই।’

    বাবা বলল, ‘ক’দিন থেকে খালি কেঁদেই চলেছে। তোকে নিয়ে নাকি কু-স্বপ্ন দেখছে। তারপর থেকে এক কথা, ওকে আসতে বলো।’

    ‘তাই বলে তুমি এত বড় মিথ্যে লিখবে!’ নবকুমার রেগে গেল।

    বাবা এবার মাকে বলল, ‘শোনো। আমি নিষেধ করেছিলাম, তুমি এবার জবাব দাও। এককথা, আমি ওকে না দেখলে মরে যাব!’

    মা ফোঁস করে উঠল, ‘মিথ্যে কেন হবে? রোজ বিকেলে পেটে চিনচিনে ব্যথা হয়। অম্বলে বুক জ্বলে যায়। তুই যে গেলি, এসবের খবর নিয়েছিস?’

    ‘নতুন জায়গায় পায়ের তলায় মাটি থাকে না। আমাকে একটু সময় না দিয়ে হুট করে ডেকে পাঠালে। মিথ্যে বলে টাকা চাইলে। এক আধটা নয়, একেবারে পাঁচ হাজার। অত টাকা আমি কোথায় পাব তা একবারও ভেবেছ?’

    ‘তাহলে পাঠালি কী করে!’ বাবা হতভম্ব গলায় বলল।

    নবকুমার মাথা ঝাঁকাল। শেফালি-মা না পাঠালে তার পক্ষে যে পাঠানো সহজ হত না তা এখন বলে কী লাভ হবে।

    বাবা বলল, ‘এক কথায় হুট করে পাঁচ হাজার পাঠিয়ে দিলি। ক’জন পারে? নিশ্চয়ই খুব ভালো রোজগার করছিস।’

    ‘টাকাটা আমি ধার করে পাঠিয়েছি। মাসে-মাসে শোধ করতে হবে।’

    ‘ওম্মা! তাহলে তুমি ফেরত দিয়ে দাও। ওর খুব কষ্ট হবে শোধ করতে।’ মা বলে উঠল।

    ‘ঠিক আছে। টাকাটা যে কারণে চেয়েছিলে, সেটা ভুলে যাচ্ছ কেন?’

    ‘মানে?’ বাবা জিজ্ঞাসা করল।

    ‘গুরুতর না হোক মায়ের পেটে ব্যথা হয়, অম্বল হয়। তুমি কালই মাকে সদরের হাসপাতালে দেখাতে নিয়ে যাও। এখন তো টাকার জন্যে চিন্তা করতে হচ্ছে না।’ নবকুমার ঘরের দিকে পা বাড়াল।

    ‘না-না। আমার সদরে যাওয়ার দরকার নেই। ভজন ডাক্তারের হোমিওপ্যাথির গুলি খেলেই ঠিক হয়ে যাবে। তুমি আজ সন্ধেবেলায় ভজন ডাক্তারকে গিয়ে বলো।’ মা বলল।

    ঘুরে দাঁড়াল নবকুমার, ‘তুমি যদি বাবার সঙ্গে কাল সদরের হাসপাতালে গিয়ে বড় ডাক্তারকে না দেখাও তাহলে আমি আজ রাত্রের ট্রেন ধরে কলিকাতায় চলে যাব।’

    ‘আচ্ছা মুশকিলে পড়া গেল। আমি কাল সকালে যদি সদরে যাই তাহলে রান্না করব কখন? তুই না খেয়ে থাকবি নাকি?’ মা না যাওয়ার জন্যে কারণ দেখাল।

    ‘আমার জন্যে চিন্তা করতে হবে না। গ্রামের কারও বাড়িতে খেয়ে নেব।’

    ‘খবরদার না।’ মা শক্ত গলায় বলল।

    ‘কেন?’

    ‘এর মধ্যে আমার কাছে কেউ-কেউ এসেছিল। তুই ভালো চাকরি করছিস জানতে পেরে তাদের মেয়ের সঙ্গে বিয়ে দিতে চায়। আমরা নেই জানলে তারা তোকে জামাইআদরে খাওয়াবে। কিন্তু কখখনো যাবি না তুই। এই গ্রামে তোর শ্বশুরবাড়ি হোক, আমি চাই না।’

    ‘ঠিক আছে। আমি রতনের দোকানে খেয়ে নেব। ওর কোনও বোন নেই।’ নবকুমার ঘরে ঢুকল।

    .

    প্রাইমারি স্কুলের মাঠের একপাশে মুদির দোকান, চায়ের ঠেক। ঠেক এই কারণে যে নিবারণ এখনও দোকান তৈরি করার পয়সা জোগাড় করতে পারেনি। ওপরে একটা প্লাস্টিকের ছাউনি টাঙিয়ে চা বানায়। বয়ামে বিস্কুট আছে। ভোরবেলায় ও সব নিয়ে আসে, রাত নামলে তুলে বাড়ি নিয়ে যায়।

    ওরা আড্ডা মারছিল রাস্তার পাশে বাঁধানো বটতলায়। চাকরির সন্ধানে গ্রাম ছেড়ে যাওয়ার আগে এই বাল্যবন্ধুদের সঙ্গে দিনের-পর-দিন আড্ডা মেরেছে নবকুমার। এদের দুজন এখনও বেকার, একজন বাসে কন্ডাক্টরি করে, চতুর্থজন প্রাইমারি স্কুলের মাস্টার।

    মাস্টার বলছিল, ‘তুই বিশাল ঝুঁকি নিয়েছিলি। অবশ্য সাফল্য পেতে গেলে ঝুঁকি নিতেই হয়। তা নিজেই বাড়ি ভাড়া করে থাকিস?’

    নবকুমার একটু ভাবল, তারপর বলল, ‘না। একজন বৃদ্ধা মহিলা একা থাকেন। আমাকে তিনি থাকতে দিয়েছেন। ওঁর ছেলেমেয়ে আত্মীয়স্বজন কেউ নেই।’

    কন্ডাক্টর বলল, ‘শালা, তোর কপাল খুলে গিয়েছে রে। বুড়ি মরলে সব কিছুর মালিক তো তুই হবি। কাগজে লিখিয়ে নে নব। নইলে মরার খবর পেয়ে শকুনের মতো দাবিদাররা উড়ে এসে তোকে তাড়াবে।’

    নবকুমার শুধু একটি শব্দ নাক দিয়ে বের করল, ‘হুমম।’

    প্রথম বেকার বন্ধু জিজ্ঞাসা করল, ‘কীরকম মাইনে পাস রে?’

    ‘ছয় হাজার।’

    ‘বা:। চাকরিটা কী? কী করতে হয় তোকে?’

    নবকুমার কথা হাতড়াল। তাকে সিনেমার নায়কের জন্যে নির্বাচন করা হয়েছে বললে কী প্রতিক্রিয়া হবে? মাইনের ব্যাপারটা মিথ্যে বলতে এখন আর আটকায়নি। জর্নাদনকে বলার পর থেকেই সঙ্কোচ চলে গিয়েছিল। বোধহয় বারবার বললে মিথ্যা কথা সত্যির মতো সহজ হয়ে যায়। সে বলল, ‘ওই চাকরি। ধরে নে না, একটা চাকরি।’

    ‘তার মানে?’ দ্বিতীয় বেকার বন্ধু জিজ্ঞাসা করল।

    ‘আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যে চাকরি করি, তা আগামী ছয় মাসের মধ্যে কাউকে বলা চলবে না। জানতে পারলেই ওরা ছাড়িয়ে দেবে।’

    মাস্টার মাথা নাড়ল, ‘বুঝতে পেরেছি।’

    নবকুমার তাকাল, ‘কী বুঝলি?’

    ‘তুই নিশ্চয়ই সরকরি গোয়েন্দা বিভাগে চাকরি পেয়েছিস। ছয় মাসের টেম্পোরারি পিরিয়ড শেষ হলে তবে পাকা চাকরি।’ বিজ্ঞের মতো বলল মাস্টার।

    ফলে সবাই গপ্পো শুনতে চাইল। কীভাবে তাকে গোয়েন্দা হওয়ার ট্রেনিং দেওয়া হচ্ছে, অ্যাকশন করতে হচ্ছে কি না, ইত্যাদি।

    নবকুমার বলল, ‘চা খাবি?’

    কন্ডাক্টর বলল, ‘নিশ্চয়ই।’ তারপর চেঁচিয়ে বলল, অ্যাই নিবা, চারটে চা আর সুজির বিস্কুট। জলদি। নব দাম দেবে।’

    ‘ওখানে কোথায় থাকিস তুই? ঠিকানাটা দিয়ে যাবি।’ মাস্টার বলল।

    ‘ভবানীপুরে। বেশ বড়লোকদের পাড়া।’ বলতে-বলতে চোখের সামনে সোনাগাছির রাস্তা ভেসে উঠল। ওই পাড়ায় থাকে জানলে এদের মন চঞ্চল হবেই। কী দরকার বলার?

    এই সময় দূরে দুজন ভদ্রমহিলাকে আসতে দেখা গেল। এঁদের কখনও দ্যাখেনি নবকুমার। ওরা যেভাবে হেঁটে আসছেন তাতে মনে হচ্ছিল এখানকার লোক।

    মাস্টার নীচুগলায় বলল, ‘চিনতে পারছিস?’

    ‘না।’ গলা নামাল নবকুমারও।

    ‘সুমিতা, বড়গাঙ্গুলি বাড়ির মেয়ে আর ওর ননদ। বেড়াতে এসেছে।’ মাস্টার বলল, ‘আমাদের পাত্তা দেয় না। সুমিতার স্বামী নাকি বিরাট ব্যাবসায়ী।’

    ওরা সামনে আসতেই নিবারণ চা-বিস্কুট দিয়ে গেল। নবকুমার দেখল বিবাহিতা মহিলা তার বয়সি, ননদটি কিঞ্চিৎ ছোট।

    হঠাৎ ননদটি নবকুমারকে দেখে অবাক হয়ে দাঁড়িয়ে গেল। তার বউদি এগিয়ে যাচ্ছিল। ঘুরে ডাকল, ‘কীরে, আয়!’

    ননদ ছুটল বউদির পাশে, ফিসফিসিয়ে কিছু বলল।

    বউদি মাথা নাড়ল, ‘ধ্যাৎ। হতেই পারে না।’

    ননদ বলল, ‘এত ভুল আমার হবে!’

    ‘হ্যাঁ। তোর চোখে ন্যাবা হয়েছে। এদের আমি ছেলেবেলা থেকে চিনি।’ বউদি হাসল, ‘বেশ। চল।’

    নবকুমার দেখল ওরা এগিয়ে আসছে। সামনে এসে বউদি, যার নাম সুমিতা, বলল, ‘কেমন আছ তোমরা? সবাই গ্রামে থেকে গেলে?’

    ‘হঠাৎ একথা? এর আগে তো চিনতেই পারছিলে না।’ কন্ডাক্টর বলল।

    ‘চিনে নতুন কী হবে? আমার ননদ একটা ভুল করছিল ওকে নিয়ে—।’ সুমিতা দেখাল নবকুমারকে। তারপর ননদকে বলল, ‘ভুল ভেঙেছে? ওর নাম, কী যেন, কী যেন—।’

    মাস্টার বলল, ‘নবকুমার।’

    সঙ্গে-সঙ্গে সুমিতার ননদ চেঁচিয়ে উঠল, ‘ছবির নীচে এই নামটাই তো লেখা ছিল।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleছাতিম – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026
    Our Picks

    কলিকাতায় নবকুমার – সমরেশ মজুমদার

    August 14, 2026

    ছাতিম – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    August 14, 2026

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }