Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    তার চোখের তারায় – সায়ক আমান

    August 6, 2026

    ভালোবাসা নাও, হারিয়ে যেও না – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026

    নিরুদ্দেশের দেশে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালোঘোড়া – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    সরোজকুমার রায়চৌধুরী এক পাতা গল্প194 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কালোঘোড়া – ১৮

    আঠারো

    লালবাজারের লক-আপে শঙ্করের কাটলো তিন দিন।

    সোমবারে সে ধরা পড়ে। মঙ্গলবার তাকে কোর্টে হাজির করে। কোর্ট আবার তাকে পুলিসের জিম্মাতেই সমর্পণ করে। সেই থেকে সে সেখানেই।

    অন্ধকার একখানা ঘর। তাতেই ঠাসাঠাসি করে তারা পঁচিশ-ত্রিশ জন। অন্ধকারে প্রথমে কেউ কাউকে দেখতে পাচ্ছিল না। এখন সয়ে গেছে। চোখ অন্ধকারে কিছুটা অভ্যস্ত হয়েছে। কিন্তু এই ঘর থেকে দিনরাত্রি সর্বক্ষণ যে চীৎকার উঠছে, শঙ্করের পক্ষে সেইটেই সবচেয়ে অসহ্য হয়ে উঠেছে।

    এতদিন মস্ত বড় বাড়িতে তার দিন কেটেছে। সে বাড়িতে চীৎকার করলেও বোধ করি বিশেষ এসে যায় না। কিন্তু অভিজাত-বাড়ির চাল-চলনই স্বতন্ত্র। সেখানে কেউ জোরে কথা বলে না। চাকর-বাকর নিঃশব্দে কলের মতো কাজ করে যায়। তারা নিজেরাও আস্তে কথা বলে। এই রেওয়াজ।

     গারদখানার অবিশ্রান্ত হাসি-গান-হুল্লোড়ে সে যে অস্থির হয়ে উঠবে, সে আর বিচিত্র কি!

    সোমবারে যখন সে লক-আপে এলো, তখনও তার খাওয়া হয় নি। সমস্ত দিন একপ্রকার অনাহারেই কেটেছে। বিকেলে একজন লোক তাদের আঁচলে আঁচলে একমুঠো করে মুড়ি ছড়িয়ে দিয়ে গেল। সেই মুড়ি দাঁতে কাটবার কথা মনে হতেই তার গা’টা পাক দিয়ে উঠলো।

    সে শুধু এক গ্লাস জল চাইলে।

    —এক গ্লাস! লোকটা গভীর অবজ্ঞায় অট্টহাস্য করে উঠলো,—গ্লাস কোথায় পাব চাঁদ! এ কি শ্বশুরবাড়ি পেয়েছ! একটু কষ্ট করে এই দিকে একটু এগিয়ে এসে হাত পাতো, জল ঢেলে দিই, আশ মিটিয়ে খাও। কি বলো?

    শঙ্কর কিছুই বললে না। তার চোখ ফেটে জল বেরিয়ে এলো।

    আঁজলা করে জল সে কখনও খায়নি। একটুখানি তৃষ্ণার জল দিতে কেউ যে কারও সঙ্গে এমন রূঢ় ব্যবহার করতে পারে সে ধারণাও ছিল না। আঁচলের মুড়ি সে পাশের ছেলেটির আঁচলে ঢেলে দিলে। সেটি তাদেরই পাড়ার বস্তির একটা ছেলে। তারই বয়সী হবে। সমস্ত দিনের পর ছেলেটি ক্ষুধার জ্বালায় সেই শুকনো মুড়িই গোগ্রাসে মশম করে চিবুচ্ছিল।

    শঙ্কর যখন তার আঁচলে মুড়িগুলো ঢেলে দিচ্ছিল, সে বাধা দেবার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু মুখ তখন তার মুড়িতে ভর্তি। তার মাথা নাড়া শঙ্কর দেখতে পায়নি।

    সে নিঃশব্দে মুড়ি ঢেলে দিয়ে নর্দমার কাছে সরে এসে বদ্ধাঞ্জলি পাতলো।

    সমস্ত দিন হাত-মুখ ধোয়া হয়নি। হাতে কত ময়লা যে লেগে আছে তার ঠিক নেই। মুখ-চোখ-কান এবং ঘাড়ের পাশটা ধোয়া দরকার।

    আ! কী ঠাণ্ডা জল! শরীর যেন জুড়িয়ে যায়!

    আবার লোকটি তেমনি কৰ্কশকণ্ঠে হেসে উঠলো :

    —বাবুসাহেবকে একখানা সাবান এনে দোব কি?

    না। এরা সমস্ত দিনের পর কয়েদীকে মুখ-হাতটা ধুতে দিতেও চায় না। হাত ভালো করে ধোয়াও হোল না। তৃষ্ণায় শঙ্করের ছাতি ফেটে যাচ্ছিলো। কি জল, জলে ময়লা আছে কি না, তাও দেখার সুযোগ নেই। শঙ্কর সেই মলিন হাতেই অঞ্জলি পেতে ঢক ঢক করে আকণ্ঠ জল পান করলো।

     তার পর নিজের কম্বলে এসে নিঃশব্দে, চোখ বন্ধ করে শুয়ে পড়লো।

    এখন ক’টা কে জানে। বিকেল না সন্ধ্যা, ঘরের ভিতর থেকে তাও বোঝবার উপায় নেই।

    বস্তির সেই ছেলেটির নাম কাশীনাথ।

    কাশীনাথের মায়ের বাড়ি আগ্রার কাছে। বাপ বাঙালী। মায়ের আলুর দোকান আছে হাতিবাগানের বাজারে। বাপ করে ইলেকট্রিক মিস্ত্রির কাজ। কি করে ওদের দু’জনের পরিচয় হয়েছিল সে ইতিহাস এখানে অনাবশ্যক। বস্তি-জীবনে এমন হামেশাই হয়ে থাকে।

    ‘দেবধামের’ তিনখানা বাড়ির পরে যে খোলার বস্তি, সেইখানে ওরা স্বামী-স্ত্রী ভাবে বাস করে। সেইখানেই কাশীনাথের জন্ম। সেইখানেই কাশীনাথের বাল্য এবং কৈশোর কেটেছে।

    কাশীনাথের যখন জন্ম হোল, তার নামকরণ নিয়ে বাপমায়ের মধ্যে একটা মতভেদ দেখা দেয়। বাপ বাঙালী। সে চায় একটা হালফ্যাশানের বাঙালী নাম রাখতে। মা আগ্রাবাসিনী। সে চায় সেইদেশীয় তার মনের মতো একটা নাম রাখতে।

    বস্তিতে ছিল এক দরিদ্র উড়িয়া ব্রাহ্মণ পণ্ডিত। কলেজ স্কোয়ারের সামনের ফুটপাথে ছক পেতে সে পথিকের করকোষ্ঠী বিচার করতো। সে ওদের মীমাংসা করে দিলে।

    বললে, নাম রাখো কাশীনাথ। কাশী হচ্ছে কলিকাতা আর আগ্রার মাঝামাঝি।

    এই মধ্যস্থতা ওদের দু’জনেরই খুব পছন্দ হোল : কলকাতাও নয়, আগ্রাও নয়, —কাশী। যেখানে অন্ন-বস্ত্রের জন্যে স্বামী এবং স্ত্রী কেউ কারও মুখাপেক্ষী নয়, সেখানে এর চেয়ে সমীচীন আপোস আর কী হতে পারে?

    কলকাতা আর কাশীর মধ্যবর্তী পান্থনিবাসের মধ্যে কাশীনাথ বাড়তে লাগলো। লেখাপড়া শেখবার বয়স হোলে বস্তির আরও পাঁচটি ছেলের সঙ্গে সে কর্পোরেশন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হোল। একটু ইংরাজী, খানিকটা বাঙলা এবং অঙ্ক শিখলে। বিদ্যালয়ের পড়া শেষ হোলে সেও বাপের সঙ্গে ইলেকট্রিকের কাজ শিখতে লাগলো।

    মায়ের ইচ্ছা ছিল, কাশীনাথ তার আলুর দোকান দেখে। কিন্তু ছেলেকে কুঁড়ের ব্যবসায়ে দিতে বাপের মন সরলো না। সে নিজের ব্যবসাতেই ছেলেকে টানলে। মা বাধা দিলে না।

    সেই থেকে সে ইলেকট্রিক মিস্ত্রি।

    হাতে পয়সা পড়তেই তার চেহারার পরিবর্তন হতে লাগলো। মায়ের দৌলতে রঙটা বরাবরই ফর্সা। এখন তাতে সাবান-স্নো পড়লো। মাথার চুলে পড়লো টেরি। গায়ে দামী ছিটের সার্ট। পায়ে নিউ-কাট।

    সে যে বস্তিতে থাকে, ইলেকট্রিক মিস্ত্রি, তা আর বোঝবার উপায় রইলো না।

    এই অবস্থায় এই ইলেকট্রিক মিস্ত্রি একদিন ‘দেবধামের’ উত্তরাধিকারীর সঙ্গে এক দড়িতে বাঁধা পড়ে চলে এলো লালবাজারের লক-আপে।

    পুলিসের লোকটা চলে গেলে কাশীনাথ জিজ্ঞাসা করলে, কিছুই তো খেলেন না বাবু, রাত কাটবে কি করে?

    শঙ্কর সে দুশ্চিন্তা করছিল না। অন্যমনস্কভাবে বললে, কে জানে কি করে কাটবে!

    —সকালেও কিছু খেয়ে বেরোননি বোধ হয়?

    —সামান্য কিছু খেয়েছিলাম।

    কাশীনাথ যেন খুব দুঃখ পেলে বলে বোধ হোল।

    একটু পরে ধীরে ধীরে বললে, আপনি যে কোন বংশের ছেলে সে আমি তো জানি। সেই বাড়ির দুলাল সমস্ত দিন খায়নি, সারারাত্রি এই কয়েদঘরে একখানা কম্বলের উপর রাত কাটাবে!

    সারাদিনের পর এই নিষ্ঠুর লক-আপের ভিতর এইটুকু সহানুভূতিতে শঙ্করের চোখ ছাপিয়ে অশ্রু নামলো। কিন্তু সে দাঁতে ঠোঁট চেপে নিঃশব্দে শক্ত হয়ে পড়ে রইলো।

    কাশীনাথ বলতে লাগলো, কতদিন যে এখানে থাকতে হবে কে জানে? আপনি চলে যান বাবু।

    —কোথায়?

    —ঘরে।

    এবার শঙ্কর হেসে ফেললে। বললে, আমি চলে যেতে চাইলেই কি এরা ছেড়ে দেবে কাশীনাথ? লেটার-বক্সে আগুন লাগাবার সময় ধরেছে। এত সহজে কি ছাড়বে ভেবেছ?

    —ঠিক ছাড়বে বাবু। আপনি আপনার বাড়ির ঠিকানা দিয়ে দিন। বলবেন, যা হবার হয়ে গেছে মশাই, আমাকে ছেড়ে দিন। দেখবেন, তখনই ছেড়ে দেবে। এমন কত বড়লোকের ছেলে ছাড়া পেয়েছে আমি জানি।

    শঙ্কর চুপ করে রইলো।

    কাশীনাথ বললে, তাই করুন, বুঝলেন?

    —না।

    শঙ্করের কণ্ঠ থেকে এমন দৃঢ়তা কাশীনাথ প্রত্যাশা করেনি। সে চমকে উঠলো।

    বললে, না কেন? এ কষ্ট কি আপনি সইতে পারবেন?

    —দু’দিনে সয়ে যাবে। তোমরা সইছ কি করে?

    বিস্ময়ে চোখ বড় বড় করে কাশীনাথ বললে, কী যে বলেন বাবু! আপনার সঙ্গে আমাদের তুলনা! আমাদের হোল খেটে-খাওয়া শরীর।

    উত্তেজনায় কাশীনাথ একটা বিড়ি ধরালে।

    জিজ্ঞাসা করলে, আপনি বিড়ি খান না কি বাবু?

    —না।

    জ্বলন্ত দেশলাইটা ফুঁ দিয়ে নিভিয়ে কাশীনাথ সেটা এক কোণে ছুঁড়ে ফেলে দিলে। তারপর একমুখ ধোঁয়া ছেড়ে বললে, আমি ভালো পরামর্শই দিচ্ছি। শুনুন বাবু। কাল সকালেই আপনি মাপ চেয়ে ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে যান।

    একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে শঙ্কর বললে, ঘরে আর আমি ফিরবো না কাশীনাথ। তোমার সঙ্গে আলাপ হয়ে ভালই হোল। জেল থেকে বেরিয়ে আমি তোমারই মতো খেটে খেতে চাই।

    —ইলেকট্রিক মিস্ত্রি হবেন আমার মতো?

    —ক্ষতি কি? তোমার কাজ আমাকে শিখিয়ে দিও।

    —দেখি আপনার হাতখানা।

    শঙ্কর একখানা হাত ওর দিকে বাড়িয়ে দিলে। সে হাতের তালুটা টিপে কাশীনাথ হো হো করে হেসে উঠলো।

    বললে, এই তুলোর মতো নরম হাতে যন্ত্র ধরা যায় না বাবু। তারপর বললে, বাপ-মার সঙ্গে রাগারাগি করে এসেছেন বুঝি?

    —না।

    —তবে আর কেন? তাঁরা কত ভাবছেন দেখুন তো।

    শঙ্কর আর কোন কথা বললে না। বোধ করি বাপ-মায়ের ব্যথিত উদ্বিগ্ন মুখ তার চোখের সামনে ভেসে উঠলো এবং কল্পনার স্রোতে তাকেও ভাসিয়ে নিয়ে গেল।

    .

    শঙ্করের মাথায় যেন সর্বক্ষণ আগুন জ্বলছে। কিছুতে যেন সে স্বস্তি পাচ্ছে না। পুলিস লক-আপ থেকে সবাইকে জেল হাজতে নিয়ে এসেছে। ঘর এখানে অন্ধকার নয়। স্নানাহারের অব্যবস্থাও পুলিস-লক-আপের মতো অতখানি নয়। একটুখানি হাওয়াও আছে। তবু সমস্তক্ষণ ওর মাথায় যেন আগুন জ্বলছে।

    ক্ষুধা-তৃষ্ণা নেই। বেড়াতে গল্প করতে ভালো লাগে না। শুধু ভাবে। কিন্তু কি যে ভাবে, তা সে নিজেও জানে না। কোনো একটা জিনিসই বেশীক্ষণ ধরে স্থির ভাবে ভাববার শক্তি তার নেই। শরতের মেঘের মতো হালকা ভাবনা এলোমেলো ভেসে চলেছে–একটার পর একটা,- তার যেন আর শেষ নেই।

    শেষ পর্যন্ত কি সে পাগল হয়ে যাবে?

    দেবধান।

    সবাই বলছে দেবধামে ফিরে যেতে। ধনীর দুলাল সে, জেলের এই অপরিসীম কষ্ট, এ কি সে সহ্য করতে পারে?

    কিন্তু কোথায় দেবধান?

    অস্ত-গগনের বর্ণচ্ছটা মহাকালের হাতের ছোঁয়ায় যেমন অতি দ্রুত মুছে যেতে থাকে, দেবধামের ঐশ্বর্যও তেমনি দ্রুত মুছে আসছে। বাইরে থেকে ওরা তার কী জানে?

    ওরা দেখছে, মস্ত বড় থাম-ওলা বাড়ি, গেটে তকমাপরা দারোয়ান, প্রকাণ্ড বড় মোটর গাড়ি। ওরা কি করে জানবে, বাইরে থেকে যে বিরাট বনস্পতি দেখা যাচ্ছে, ভিতরে ভিতরে পোকায় তা জীর্ণ করে ফেলেছে। শিকড় গেছে ক্ষয়ে, মাটির বাঁধন গেছে আলগা হয়ে। মাটির থেকে ও আর নতুন করে রস টানতে পারে না।

    এর মধ্যে অন্ধকার রাত্রে কখন উঠবে ঝড়। ছন্নছাড়া প্রভাতে উঠে প্রতিবেশীরা সবিস্ময়ে দেখবে, বিরাট মহীরুহ আশেপাশের অনেকখানি জায়গা জুড়ে অতিকায় দৈত্যের মতো মরে পড়ে রয়েছে।

    তার আগে ‘দেবধান’ ছাড়তে হবে।

    এই কথা যদিও এমন স্পষ্ট করে নয়, তবুও কেমন করে যেন জেগেছে শঙ্করের মনে। তাকে অহরহ খোঁচার মত বিঁধছে। তার মাথায় জ্বালিয়েছে আগুন।

    দেবধাম ছাড়তে হবে। একটা অদৃশ্য শক্তির তাড়ায় তারই জন্যে যেন সে প্রস্তুত হচ্ছে।

    কাশীনাথ সকাল থেকে কোথায় ঘুরছিলো। জেলে এসেও বেশ আছে ওরা। খাচ্ছে- দাচ্ছে ঘুরে বেড়াচ্ছে। চিন্তাও নেই। ভাবনাও নেই। কিন্তু শঙ্কর পারে না। ওরা তাকে সঙ্গে আসবার জন্যে ডাকে। তবু পারে না। নিঃশব্দে জানালার গরাদ ধরে দাঁড়িয়ে বাইরের দিকে চেয়ে কী যে এলোমেলো ভাবে, তার সব সে নিজেও জানে না।

    বিছানার উপর গায়ের পাঞ্জাবীটা ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে কাশীনাথ হাসতে হাসতে জিজ্ঞাসা করলে, কি ভাবছেন বাবু? একটু পরে কোর্টে যেতে হবে মনে আছে তো?

    —সে আজ বুঝি?

    —বেশ! আজ ২৩শে না? জামা-টামা খুলে স্নান করে নিন। দেরি করবেন না। এখনি খাবার আসবে।

    —নিই। —পরম উদাসীনভাবে শঙ্কর উত্তর দিলে। তার যেন কোর্টে যাবার গা নেই।

    বললে, একটা বিড়ি দাও তো কাশীনাথ।

    —খাবেন?—কাশীনাথ খুশি হয়ে একটা বিড়ি বার করলে। বললে, জেলে বিড়ি যে কী অমূল্য বস্তু! এক পয়সায় একটি, তাও কত সাধ্যসাধনা করে!

    সে আর একবার হাসলে।

    কাশীনাথের তাড়ায় শঙ্কর তাড়াতাড়ি স্নান করে খেয়ে নিলে। তখনই ওয়ার্ডার এসে ওদের নিয়ে গেল। জেলের বাইরে ‘ভ্যান’ প্রস্তুত। ওরা একটি দল চলেছে তাইতো। ‘ভ্যান’ ছুটলো কোর্টের দিকে। সমস্ত রাস্তা পথচারী জনতাকে চকিত করে ওরা থেকে থেকে ‘বন্দেমাতরম্’ ধ্বনি করে। তারের জাল দিয়ে ঘেরা কালো বন্দী-গাড়ি। জনতার বুঝতে বিলম্ব হয় না ওরা কারা। তারাও প্রতিধ্বনি করে ওদের উৎসাহিত করে।

    শঙ্করও উৎসাহিত হয়ে ওঠে।

    কোর্টে প্রথমেই ওদের ডাক হোল। মিনিট কয়েকের ব্যাপার। কাশীনাথদের সবারই মামলার দিন ঘুরলো। শুধু শঙ্কর ছাড়া পেয়ে গেল।

     শঙ্করের বিস্ময়ের অবধি রইলো না। এত লোক থাকতে হঠাৎ সে ছাড়া পেলে কেন?

    তার বিরুদ্ধে বিশেষ কোনো প্রমাণ নেই। বরং অনুসন্ধানে পুলিস জেনেছে সে নির্দোষ। এর বিরুদ্ধে তর্ক করার কিছু নেই।

    শঙ্কর মুক্ত!

    অনিশ্চিত পদে বাইরে এসে দেখে তাদের বড় গাড়িখানা দাঁড়িয়ে আছে। স্থিরচিত্তে কোনো কিছুই ভাববার শক্তি তার নেই। কিছুই না ভেবে, কিছুই না বুঝে চিরদিনের অভ্যাসমতো সে নিঃশব্দে মোটরে গিয়ে উঠলো।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসোনালী দুঃখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article প্রথম আলো ২ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    Related Articles

    সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    বন্ধনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 31, 2026
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    বসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 29, 2026
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    মহাকাল – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 29, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তার চোখের তারায় – সায়ক আমান

    August 6, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তার চোখের তারায় – সায়ক আমান

    August 6, 2026
    Our Picks

    তার চোখের তারায় – সায়ক আমান

    August 6, 2026

    ভালোবাসা নাও, হারিয়ে যেও না – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026

    নিরুদ্দেশের দেশে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }