Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালোঘোড়া – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    সরোজকুমার রায়চৌধুরী এক পাতা গল্প194 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কালোঘোড়া – ৬

    ছয়

    হৈমন্তীর সঙ্গে সুবিমলের বিয়ের ঠিক হতে বিলম্ব হোল না। জানা ঘর, সুন্দরী মেয়ে, তার ওপর নিজেদের মধ্যে। বিশেষ সুবিমলের মা ছেলের বিয়ের জন্য খুবই ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। সুতরাং হিমাংশুবাবু নয়নতারাকে নিয়ে তাঁর দ্বারস্থ হওয়ামাত্র তিনি রাজি হয়ে গেলেন।

    বললেন, আমাদের কাল শেষ হয়ে এসেছে, মিথ্যে আমার কাছে মত নিতে এসেছেন বেয়াইমশাই! মত নিন্‌গে ছেলের কাছে, আর ওই যে আপনার পিছনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন বড়বৌমা, ওঁর কাছে।

    নয়নতারা সঙ্গে সঙ্গে সায় দিলেন : সে যা বলেছেন বেয়ান। আজকাল ছেলেতে- মেয়েতে বিয়ে। বাপ-মাকে নিমন্ত্রণ করলে তাঁরা ছাঁদনাতলায় দাঁড়িয়ে বিয়ে দিয়ে দেবেন। না কি বলুন?

    সঙ্গে সঙ্গে আলোচনা আরম্ভ হয়ে গেল একাল আর সেকাল সম্বন্ধে। কি কালই না ছিল তখন!

    সেই অবসরে বাসন্তী ছুটতে ছুটতে বেরিয়ে গেল। বলে গেল, পাত্রের মতটা জেনে আসি।

    আশ্চর্য এই যে বাসন্তী কথাটা পাড়ামাত্র সুবিমল তার এবং মায়ের উপর সমস্ত ভার দিয়ে দিলে। একবারও তার পুরোনো বাঁধাগতের আপত্তি তুললে না। সেদিন ক্যারম খেলার শেষে হৈমন্তীর ক্রুদ্ধ পরাজিত মুখভাব সে কিছুতেই ভুলতে পারছে না। এত সহজে সুবিমল রাজি হয়ে যাবে, তা বাসন্তী স্বপ্নেও ভাবতে পারেনি। সে ভেবেছিল, সুবিমল অনেক বিদ্রুপ পরিহাস করবে, অনেক সঙ্গত-অসঙ্গত আপত্তি তুলবে, অনেক ধানাই-পানাই করে বাসন্তীকে নাস্তানাবুদ করবে। বাসন্তী রাগ করবে, তিরস্কার করবে এবং শেষ পর্যন্ত কাঁদবে, তবে সে রাজি হবে।

    কিন্তু সে সব কিছু হোল না। এমন কি এই নিয়ে সুবিমল একটা সহজ পরিহাস পর্যন্ত করলে না। সমস্ত ভার এমন গম্ভীরভাবে তাদের দু’জনের উপর ছেড়ে দিলে যে, বাসন্তী প্রথমটা শুধু বিস্মিত নয় একটু দ্বিধাগ্রস্তও হোল।

    বললে, বেশ। আমার আর মায়ের খুব মত আছে। এর পরে তুমি আর কোনো আপত্তি জুড়বে না তো? পরিষ্কার করে বলো।

    এতক্ষণে সুবিমল একটু হাসলে। বললে, পরিষ্কার করেই তো বললাম বৌদি। তোমাদের মত হোলে আমার কোন আপত্তি নেই।

    —ঠিক তো?

    —ঠিক।

    বাসন্তী ছুটতে-ছুটতে এসে সুখবরটা ওঁদের দিলে। শুনে ওঁরা অধীর হয়ে উঠলেন। হিমাংশুবাবু হাত জোড় করে বললেন, তাহলে বেয়ান, এই ফাল্গুনেই যাতে শুভ কাজ হয়ে যায়, তার চেষ্টা করা যাক। আজকালকার ছেলে-মেয়ের মতিগতি!

    —সে ঠিকই বলেছেন বেয়াই। আমি এখনই ঠাকুর মশাইকে খবর দিচ্ছি।

    তেরো বছর পরে এই বাড়িতে আবার বিয়ের নহবৎ বসবে। সুবিমলের মায়ের চোখ দিয়ে আনন্দের জল গড়িয়ে পড়লো। তাঁর আর সবুর সইছিল না। পুরোহিতকে ডেকে সেই মুহূর্তেই কোষ্ঠী বিচার হয়ে গেল। কোষ্ঠী মিলতেই উভয় পক্ষের আশীর্বাদের এবং বিবাহের দিন পর্যন্ত স্থির হয়ে গেল। দুটি অভিজাত ধনী পরিবারের মধ্যে দেনাপাওনার প্রশ্ন অবান্তর। বিশেষ কুটুম্বের ঘর। সুতরাং সে প্রশ্ন উঠলো না। এক কথায় সমস্ত পাকাপাকি ঠিক হয়ে গেল।

    বসু-গৃহিণী মধ্যাহ্ন-ভোজন না করিয়ে সেদিন আর বেয়াই-বেয়ানকে ছাড়লেন না।

    .

    কিন্তু শ্রীমন্ত কোথায়?

    বিবাহের সংবাদ হৈমন্তী নিঃশব্দে শান্তভাবেই গ্রহণ করেছিল। শ্রীমন্তের চোখে সেই রাত্রে সাপের মতো হিংস্র যে জ্বালা দেখেছিল, তাতে সে কেমন ভয় পেয়ে গিয়েছিল। সুতরাং প্রথম দিকে সুবিমলের সঙ্গে বিবাহের সংবাদ শান্তভাবে গ্রহণ করতে তাকে চেষ্টা করতে হয়নি। সহজেই পেরেছিল।

    তারপরে যত দিন কাছে আসতে লাগলো ততই যেন তার দম বন্ধ হয়ে আসতে লাগলো।

    কিন্তু শ্রীমন্ত কোথায়?

    তার পরীক্ষা দিন কয়েক আগে শেষ হয়ে গেছে। পড়ার চাপ আর নেই। তবু সে কি করছে, কোথায় থাকছে, কখন আসছে, কখন যাচ্ছে তার পাত্তা পাওয়া যাচ্ছে না।

    সে এখানে আছে কি না তাও বোঝা যাচ্ছে না। দিন দুই আগে গভীর রাত্রে হৈমন্তী তার ঘর তালাবন্ধ দেখে ফিরে এসেছে।

    আশ্চর্য এই লোকটি!

    ও কি বিয়ের কথা কিছুই শোনেনি? শুনে কি ওর মনে এতটুকু ঈর্ষারও উদ্রেক হয়নি? ওর নির্বিকার ভাব দেখে হৈমন্তী, যেমন অবাক হচ্ছে, তেমনি কষ্ট পাচ্ছে।

    অথচ শ্রীমন্তকে তার বিশেষ প্রয়োজন। মনের সঙ্গে যুদ্ধে সে ক্ষতবিক্ষত। তাকে বাঁচাতে পারে একমাত্র শ্রীমন্ত। কিন্তু কে জানে সে কোথায়। পাঁচজনকে জিজ্ঞাসা করলে হয়তো জানা যেতে পারে। কিন্তু কাউকে জিজ্ঞাসা করতে লজ্জা করে।

    অবশেষে একদিন শ্রীমন্তর পাত্তা পাওয়া গেল। দিন দশ-বারো কলকাতায় সে ছিলই না। বড়বাবুই তাকে পাঠিয়েছিলেন মফঃস্বলে জমিদারীতে। কেন, কেউ জানে না। সকালে সে ফিরেছে।

    আড়াল থেকেই সে দেখলে, দুপুরে খেয়ে-দেয়ে শ্রীমন্ত ঘরে গিয়ে শুয়ে পড়লো। রেলভ্রমণে ক্লান্ত হয়তো। দুপুর রাত্রে ওর ঘরে গিয়ে হৈমন্তী উপস্থিত হল।

    শ্রীমন্ত তখন ঘুমোয়নি। দিনে প্রচুর ঘুমুনোর জন্যেই বোধ করি ঘুম আসছিল না।

    ঘরে আলো জ্বলছিল।

    সেই আলোয় হৈমন্তী এসে যখন দাঁড়ালো, শ্রীমন্ত চমকে উঠে বসলো।

    এক মুহূর্তে সমস্ত ঘর যেন ঝলমল করে হেসে উঠলো।

    হৈমন্তী সুন্দরী, রূপসী। কিন্তু তার এত রূপ শ্রীমন্ত কখনও দেখেনি।

    পরনে তার ফিকে গোলাপী রঙের একখানা জর্জেট। সর্বাঙ্গে মূল্যবান জড়োয়া গহনা থেকে আলো ঠিকরে বার হচ্ছে। প্রসাধনের গন্ধ উঠছে ভুরভুর করে। একটা অপরূপ ভঙ্গীতে দরজার গোড়ায় সে দাঁড়িয়ে রইল। কিন্তু শ্রীমন্ত যেন পাথর হয়ে গেছে। তার সাধ্য নেই উঠে গিয়ে হৈমন্তীর হাত ধরে নিয়ে আসে।

    ওর প্রস্তরীভূত ওষ্ঠের ফাঁক দিয়ে শুধু একটি শব্দ বার হল : এসো।

    সমুদ্র-মন্থনের সময় ভগবানের যে মোহিনী-রূপ দেখে সুরাসুর উন্মাদ হয়ে উঠেছিল, সেও বোধ করি এমনিই।

    হৈমন্তী কলকণ্ঠে হেসে উঠলো : তবু ভালো যে, আসতে বললে! আমি এটুকুও প্রত্যাশা করিনি।

    কণ্ঠস্বরে সূচের মতো খোঁচা ছিল। কিন্তু শ্রীমন্ত তা গায়ে মাখলো না।

    হেসে বললে, বটে! যার জন্যে খেটে মরি সেই বলে চোর!

    হৈমন্তী বিস্ময়ের সঙ্গে বললে, আমার জন্যে খেটে মরছ তুমি? কি রকম খাটুনি শুনি?

    শ্রীমন্ত বললে, শুনবে? শোন তাহলে। বড়বাবুর ছোট মেয়ের বিয়ে ধুমধাম করেই হবে। অন্তত ত্রিশ হাজার টাকা খরচ হবে। সেই টাকাটা যোগাড় করতে গিয়েছিলাম। সেও কি এক জায়গায়? কখনও রেলে, কখনও স্টীমারে, কখনও নৌকায়, কখনও বা হেঁটে। কোনো দিন খাওয়া হয়েছে, কোনো দিন চিঁড়ে মুড়ি খেয়ে কেটেছে, কোনো দিন তাও জোটেনি। আরও শুনবে?

    —না। আমি ভাবছি, তোমার মনে কি লজ্জা ঘৃণা বলতে সত্যিই কিছু নেই?

    —না। তোমাকে তো আগেই বলেছি, আমার জীবনের নীতি হচ্ছে : লজ্জা, ঘৃণা, ভয়—তিন থাকতে নয়।

    শ্রীমন্ত মিটিমিটি হাসতে লাগলো।

    হৈমন্তী দপ্ করে জ্বলে উঠলো। বললে, লজ্জা করে না তোমার হাসতে? তোমার জিনিস অন্যে চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে। এর জন্যে কোনো দুঃখ, কোনো ক্ষোভ নেই তোমার?

    —’কোনো দুঃখ, কোনো ক্ষোভ নাই সুলক্ষণে’।—তারপরে পরিহাস বন্ধ করে শ্রীমন্ত বললে,—তাহলে শোনো বলি : পথের কুকুর আমি। এরই মধ্যে দু’দিনের জন্যেও যদি তোমায় পেয়ে থাকি, সেই আমার ঢের। তারও চেয়ে বেশি যদি লোভ করি, নিজে ও ডুববো, তোমাকেও ডোবাব।

    হৈমন্তী তীব্র দৃষ্টিতে ওর দিকে একটুক্ষণ চেয়ে রইল। তারপর বললে, দেখ, তোমাকে আমি চিনি। তাই তুমি যে ডুববে না, সেই কথাটা বোঝাবার জন্যেই এই ক’খানা জড়োয়া গয়না আজ পরে এসেছি। এর দাম জানো?

    —না। জানবার দরকারও নেই। তবে আমাকে যদি চিনেই থাক, তাহলে তোমায় বলি শোনো, ওর লোভে যারা ভুল করতে পারে, আমি তাদের চেয়েও চালাক।

    ব্যাকুল কণ্ঠে হৈমন্তী বললে, তুমি আমার কথাটাও কি ভাববে না? তোমাকে ছেড়ে যেতে আমার বুক ফেটে যাচ্ছে, এও কি আমাকে মুখ ফুটে বলতে হবে?

    —কিছুই বলতে হবে না হিমু। সবই দু’দিন পরে সয়ে যাবে। মানুষের মন বড় আশ্চর্য জিনিষ! হাঃ হাঃ হাঃ। বিবেকানন্দ পড়েছ? ‘পুত্রশোকাতুরা নারী বৎসরান্তে পুনরায় পুত্রবতী হয়’। (ওর চোখে আবার সেই সাপের মতো হিংস্র জ্যোতি!) যাকগে বাজে কথা। তোমায় একটু কফি করে খাইয়ে দি, আজ শেষবারের মতো। কফি আমি ভালো তৈরী করি, কি বল?

    আশ্চর্য সহজ ওর কণ্ঠস্বর। যেন কিছুই হয়নি। যেন প্রতিদিনের মতো আজও এসেছে হৈমন্তী।

    বিস্ময়ে, ঘৃণায়, ক্রোধে এবং বেদনায় হৈমন্তীর সমস্ত দেহ যেন অসাড় হয়ে গেল। ওর যেন সমস্ত সংজ্ঞা লোপ পেয়ে গেছে, এমনি অবশভাবে বসে রইল। কিছুক্ষণের জন্যে ওর বাকশক্তি পর্যন্ত যেন রুদ্ধ হয়ে গেল।

    কিছুক্ষণের জন্যে।

    শ্রীমন্ত নিঃশব্দ মনোযোগের সঙ্গে কফি তৈরি করলে। পরীক্ষা শেষ হয়ে যাবার পর থেকে একটা রাত্রেও কফি খাওয়ার প্রয়োজন হয়নি। রাত তো জাগতে হোত না। তার উপর পরীক্ষা শেষের অব্যবহিত পরেই তাকে হৈমন্তীর বিবাহের অর্থসংগ্রহের জন্যে বাইরে যেতে হয়েছিল।

    অনেক দিন পরে আজ আবার গভীর রাত্রে কফি তৈরি করতে বসে তার মনে হোল, অনেক দিনের অভ্যাসে এই জিনিসটা তার নেশাতেই দাঁড়িয়ে গিয়েছিল। অথচ এর মধ্যে একদিনও সে কফির অভাব অনুভব করেনি। আশ্চর্য নয়?

    নেশাখোর বহুদিনের পর নেশার বস্তু পেলে তার যেমন সমাদর করে, তেমনি সমাদরে দু’পেয়ালা কফি সে পরিপাটি করে তৈরি করলে।

    প্রথম পেয়ালা যখন সে হৈমন্তীর হাতে তুলে দিল, তখন তার চোখ যেন মিট মিট করে হাসছে,–সেই সাপের মতো হিংস্র, ধারালো ছোরার মতো ঝকঝকে চোখ!

    মুহূর্ত মধ্যে নিদারুণ ঘৃণায় হৈমন্তীর অবশ দেহের শিরায় শিরায় বিদ্যুৎবেগে যেন আভিজাত্য-নীল উষ্ণ রক্ত ঝিলিক মেরে গেল! হাতের পেয়ালা ছুঁড়ে দিলে মেজের উপর ঝনঝন করে। বাসি রক্তের মতো চকোলেট রঙের কফি ছিটিয়ে পড়লো চারদিকে। ওর মুখে কে যেন হঠাৎ মাখিয়ে দিয়েছে সিন্দূর। স্ফীত নাসিকা উত্তেজনায় কাঁপছে।

    বললে, ছিঃ! ছিঃ! তোমার হাতের ছোঁয়া খেলেও পাপ হয়। তুমি শয়তানেরও অধম। শয়তানেরও হয়তো হৃদয় আছে, তোমার তাও নেই। ছিঃ! ছিঃ! তোমায় দিয়েছিলাম ভালোবাসা?

    তীরের মতো ছিটকে বেরিয়ে এল হৈমন্তী দরজার কাছে। দু’হাত বাড়িয়ে শ্ৰীমন্ত ওকে আটকালে।

    তার চোখে সেই হাসি!

    শান্ত কণ্ঠে বললে, কালকে গোটা কুড়ি টাকা পাঠিয়ে দেবে হিমু? হাতে কিছু নেই।

    —দোব, দোব, দোব।

    হৈমন্তীর গা’টা ঘিন ঘিন করে উঠলো। ছুটতে ছুটতে নিজের ঘরে এসে সে বিছানার উপর যেন ভেঙে পড়লো।

    তারপর কী কান্না! যেন অশ্রুর সমুদ্রকে তীরের বন্ধন থেকে মুক্ত করে দিয়েছে!

    কিন্তু কেন কাঁদে সে? ভালোবাসা, না ঘৃণা?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসোনালী দুঃখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article প্রথম আলো ২ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    Related Articles

    সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    বন্ধনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 31, 2026
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    বসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 29, 2026
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    মহাকাল – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 29, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Our Picks

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }