Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালোঘোড়া – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    সরোজকুমার রায়চৌধুরী এক পাতা গল্প194 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কালোঘোড়া – ২০

    কুড়ি

    সে রাত্রে সুমিত্রা যখন বাড়ি ফিরলো তখন রাত দুটো।

    চাকরটা দরজা খুলে দিয়ে ওকে আর হেনরিকে একত্র ফিরতে দেখে অবাক হয়ে গেল। পরদিন সকালে সমস্তক্ষণ সেই অদ্ভুত তীক্ষ্ণ দৃষ্টি যেন তাকে খোঁচা দিতে লাগলো। চাকরটার দিকে সে যেন চাইতে পারছিল না।

    নাচ শেষ হয়েছিল সাড়ে আটটায়। সেখান থেকে হোটেলে ডিনার খেয়ে রাত দুটো পর্যন্ত সে হেনরির সঙ্গে মোটরে কোথায় কোথায় ঘুরেছিল কিছুই তার মনে পড়ে না। আবিষ্টের মতো সে ঘুরেছিল। তার জ্ঞান ছিল না, ইচ্ছাশক্তি পর্যন্ত যেন বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল।

    শোবার ঘরে এসে দেখে শ্রীমন্ত অঘোরে নিদ্রা যাচ্ছে। তার নাক ডাকছে জোরে জোরে। মুখে মদের উগ্র গন্ধ। মদ্যপানের ফলে মুখ আরক্ত। আজকাল প্রত্যহ শ্ৰীমন্ত মদ খাচ্ছে।

    সুমিত্রার আসা সে টেরই পেলে না।

    তার গায়ের চাদরখানা সুমিত্রা ভালো করে টেনে দিলে। বড় বড় চুলগুলো এলোমেলো ললাটের উপর পড়েছিল। সযত্নে সেগুলো সরিয়ে দিলে।

    তার সুন্দর মুখের দিকে চেয়ে অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সুমিত্রা কি যেন ভাবলে। তারপর একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে আলো নিভিয়ে নিজের খাটে গিয়ে শুয়ে পড়লো। কাপড় ছাড়বার কথা মনেই হোল না। সে সামর্থ্যও নেই। অপরিসীম ক্লান্তিতে তার মস্তিষ্ক, তার মন যেন পদ্মফুলের মতো বুজে আসছে।

    সকালে উঠে দেখে শ্রীমন্ত তখনও ঘুমিয়ে। মুখ পাণ্ডুর, রাত্রের সে আরক্ত আভা আর নেই। চোখের কোলে কলঙ্ক-লেখা।

    সুমিত্রা উঠে বাথরুমে চলে গেল। স্নান সেরে এসে ড্রেসিং টেবিলের সামনে বসে বার বার নিজের মুখখানা আয়নায় দেখতে লাগলো।

    তার মুখেও অমনি কলঙ্কচিহ্ন নেই তো?

    না। সুমিত্রা ভালো করে চেয়ে চেয়ে দেখলে শিশিরে-ধোয়া কচি ঘাসের মতো তার মুখশ্রী। কলঙ্কের চিহ্নমাত্রও নেই। একটা রাত্রির গাঢ় ঘুমে সমস্ত ধুয়ে-মুছে গেছে।

    কী ঘুম সে ঘুমিয়েছে! ঘুম নয়, যেন মৃত্যু। মৃত্যুর অন্ধকার সমুদ্র পার হয়ে সে যেন নবজীবনের তীরে পৌঁছেছে।

    শ্রীমন্ত পাশ ফিরে শুলো।

    সুমিত্রা সভয়ে বলে উঠলো : সর্বনাশ! আবার ঘুমুবে না কি! সাড়ে আটটা বেজে গেছে।

    শ্রীমন্ত একবার চোখ মেলে চাইলে। জবাফুলের মতো টকটকে লাল চোখ। একবার একটু হাসলে, কি মনে করে কে জানে! আবার চোখ বন্ধ করলে।

    সুমিত্রা বললে, ওঠো। চা হয়েছে।

    শ্রীমন্ত বললে, উঠতে পারছি না মিতা। সমস্ত শরীরে বেদনা; মাথা বোঝার মতো ভারী হয়েছে, তুলতে পারছি না।

    আশ্চর্য ক্লান্ত ওর কণ্ঠস্বর! আশ্চর্য করুণ!

    সুমিত্রা উদ্বিগ্নভাবে ওর খাটের কাছে উঠে আসতেই শ্রীমন্ত একখানা হাত ওর কোলের উপর ছড়িয়ে দিলে।

    সেই হাতখানি নিজের দুই হাতের মধ্যে নিয়ে অনুযোগের সুরে সুমিত্রা বললে, কেন অত মদ খাও? আজকাল তুমি প্রায়ই খাচ্ছ। এমন করলে শরীর থাকে? দেখতো, চোখের কোলে কালি পড়েছে, মুখ ফ্যাকাশে!

    শ্রীমন্ত জবাব দিলে না। নিঃশব্দে পড়ে রইলো।

    খানিক পরে জিজ্ঞাসা করলে, কখন ফিরলে তুমি?

    ওর কণ্ঠস্বরে সুমিত্রা একটু যেন উত্তাপের আভাস পেলে। উত্তরটা সে একটু ঘুরিয়ে দিলে।

    বললে, তখন তুমি ঘুমিয়ে ছিলে।

    —ঘড়ি দেখিনি, কিন্তু বোধ হচ্ছে অনেকক্ষণ পর্যন্ত জেগে ছিলাম। তার পরে কখন ঘুমিয়ে গেছি।

    হেনরির উল্লেখমাত্র শ্রীমন্ত করলে না।

    সুমিত্রা বললে, হাঁ। তুমি তখন অঘোরে ঘুমুচ্ছিলে। কিন্তু তোমার গা এত গরম কেন? জ্বর নয় তো?

    ভয়ে ভয়ে শ্রীমন্ত বললে, তাই হবে বোধ হয় সুমি। গায়ে মাথায় অসহ্য যন্ত্রণা। চারিদিকে যে রকম বসন্ত হচ্ছে।

    কথাটা শ্রীমন্ত শেষ করতে পারলে না। করুণভাবে সুমিত্রার দিকে চাইলে।

    সুমিত্রার বুকের ভিতরটা ধ্বক করে উঠলো। বিচিত্র কিছুই নয়। ওদের ঝিয়ের কি রকম একটি বোনপো ক’দিন হোল এই বসন্তেই মারা গেছে। শহরে বসন্ত হচ্ছে খুবই।

    ওর মুখ শুকিয়ে গেল।

    রোগের মধ্যে এই বসন্তকেই ওর সব চেয়ে ভয় এবং ঘৃণা। আর কোনো রোগই মানুষকে এমন কদাকার বীভৎস করে দেয় না। ওর মনে হয়, সেই বীভৎস মুখ নিয়ে বেঁচে ওঠার চেয়ে মৃত্যুও সহস্রগুণে শ্রেয়।

    ওর ভয় হোল। কিন্তু মুখে সে-ভয় প্রকাশ করলে না।

    বরং শ্রীমন্তকে একটা ধমক দিয়ে বললে, কী বাজে কথা বলছ! জ্বর না ছাই! থার্মোমিটারটা দিই দাঁড়াও। থার্মোমিটারে জ্বর উঠলো দেড়।

    এবারে ও সত্যই ভয় পেলে। দেড় জ্বর নিতান্ত কম নয়।

    ম্লানমুখে বললে, একটু জ্বর হয়েছে বলেই মনে হচ্ছে। এক্ষুনি ডাক্তারকে ডাকতে পাঠাচ্ছি।

    সামনের টিপয়ে চাকরটা চায়ের সরঞ্জাম নামিয়ে রেখে গেছে অনেকক্ষণ। পাত্রের গরম জল ঠাণ্ডা হয়ে আসছে। কিন্তু সেদিকে সুমিত্রার খেয়ালই নেই।

    ডাক্তারকে ডাকবার জন্যে সে টেলিফোনের রিসিভারটা তুললে।

    .

    ডাক্তার এসে যে খুব অভয় দিয়ে গেলেন, তা নয়।

    চোখ জবাফুলের মত লাল, গায়ে-মাথায় যন্ত্রণাও আছে। এসব যে একমাত্র বসন্তের লক্ষণ তা বলা যায় না। ইনফ্লুয়েঞ্জা হতে পারে, ম্যালেরিয়া হতে পারে, কত কি হতে পারে। আজকেই প্রথম জ্বরটা এসেছে, আরও দু’একদিন না গেলে কিছুই বলা যায় না। তবে সময়টা খারাপ। একটু সতর্ক থাকাই ভালো।

    হঠাৎ ডাক্তারবাবু জিজ্ঞাসা করলেন, আপনারা টিকে নিয়েছেন?

    বিবর্ণমুখে সুমিত্রা বললে, টিকে নিইনি তো?

    —উনিও নেন নি?

    —না।

    —নেওয়া উচিত ছিল। যাই হোক, একটা প্রেসক্রিপশন আমি দিয়ে যাচ্ছি। এইটে তিন ঘণ্টা অন্তর খাওয়াবেন, এবং কেমন থাকেন কাল সকালেই আমাকে খবর দেবেন।

    প্রেসক্রিপশন লিখে টুপিটা হাতে নিয়ে ডাক্তারবাবু উঠলেন। তাঁকে দরজা পর্যন্ত এগিয়ে দিতে এসে সেইখানেই সুমিত্রা অভিভূতের মতো কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে রইলো।

    তারপর ধীরে ধীরে শ্রীমন্তর বিছানায় এসে বসলো।

    শ্রীমন্ত এতক্ষণ চোখ বন্ধ করে নিঃশব্দে শুয়ে ছিল। সুমিত্রা এসে বসতেই ক্ষীণ স্বরে বললে :

    —এখানে নয় সুমি। ওই চেয়ারটায় বোসো। রোগটা ছোঁয়াচে।

    সুমিত্রা ওর দিকে চাইলে। ওর ছোট ছোট চোখ মৃত্যুর ভয়ে আরও ছোট হয়ে গেছে। মৃত্যুকে যে শ্রীমন্তর এত ভয়, ওর পেশীকঠিন বলিষ্ঠ দেহের দিকে চেয়ে সুমিত্রা তা কোনোদিন কল্পনাও করতে পারে নি। যে চোখ হিংস্রতায় এবং লোভে সাপের চোখের মতো চিকমিকিয়ে ওঠে, সেই চোখে শিশুর অসহায় দৃষ্টি!

    একটু হেসে সুমিত্রা বললে, আচ্ছা, হয়েছে, থাক।

    সুমিত্রার নিজের ভয় ওর ভয় দেখে তখনই উড়ে গেল। সে যেন শক্ত হোল। কোমরে কাপড় জড়িয়ে চায়ের টেবিলে গিয়ে বসলো।

    বললে, এঃ! জলটা একেবারে ঠাণ্ডা হয়ে গেছে। একটু গরম জল আনতে বলে দিই। তুমি খাবে একটু চা? অল্প জ্বরে চা খেতে দোষ কি?

    —দোষ না থাকে তো দাও।

    ওর কাতর কণ্ঠস্বরে সুমিত্রা হেসে ফেললে। বললে, ওরে বাবা! এ যে আত্মসমর্পণ- যোগ দেখছি!

    শ্রীমন্ত হাসলে। বললে, হ্যাঁ। ‘ত্বয়া হৃষিকেশ হৃদিস্থিতেন যথা নিযুক্তোঽস্মি তথা করোমি’। এ কি খারাপ?

    —না। খুব ভালো। কেবল অসুখটা সারলে থাকবে না এই দুঃখ!

    সুমিত্রা ওকে এক পেয়ালা চা দিলে। চাকরটাকে ওষুধ আনতে পাঠালে। তার পরে নিজের চা নিয়ে ওর বিছানার পাশে এসে বসলো।

    খাটের বাজুতে বালিশে ঠেস দিয়ে আধ-শোয়া অবস্থায় শ্রীমন্ত চা খেতে লাগলো।

    একটু পরে শ্রীমন্ত বললে, শরীরটা খুব খারাপ করছে। দুপুরের দিকে জ্বরটা সম্ভবত বাড়বে। যদি বাড়ে, কি হবে সুমিত্রা?

    —কী আবার হবে? জ্বর কি কারও বাড়ে না?

    শ্রীমন্ত খপ করে ওর একখানা হাত চেপে ধরে বললে, তুমি তখন আমাকে ফেলে পালাবে না তো?

     সুমিত্রার বিস্ময়ের আর অবধি রইলো না :

    —পালাবো? তোমাকে এই অবস্থায় ফেলে? এসব কথা তোমার মনে জাগছে কি করে?

    —না, ধরো, যদি ডাক্তার যা বলে গেলেন তাই হয়?

    —ডাক্তার কী বলে গেলেন?

    কথাটা বলতে শ্রীমন্তর মুখে যেন বাধছিলো। কোনো মতে কথাটা বললে, ধরো, যদি মায়ের দয়াই হয়!

    ‘মায়ের দয়া’! রোগটার নাম উচ্চারণ করতেও শ্রীমন্তর সাহস হচ্ছে না! এই দুর্বল মুহূর্তে বহুপুরুষ সঞ্চিত কুসংস্কার কি প্রবল হয়ে উঠলো?

    সুমিত্রা বললে, অসুখে তুমি এমন ভেঙে পড়তে পারো এ আমি ধারণাই করতে পারিনি।

    ব্যগ্রভাবে শ্রীমন্ত বললে, আমি অমনিই ভেঙে পড়ি মিতা। রোগে আমার ভয়ানক ভয়, মৃত্যুকে আরও বেশি। নিজের দিকে ছাড়া কারও দিকে কখনও চাইনি। ভয় হয়, আমার এই দুঃসময়েও সবাই বুঝি আমাকে ফেলে পালাবে।

    শ্রীমন্ত করুণ নেত্রে ওর দিকে চাইলে। তার চোখের কোণ বেয়ে দু’ফোঁটা জল গড়িয়ে পড়লো।

    সুমিত্রা বলল, কিন্তু সবাই তোমার মতো স্বার্থপর তো নয়। দয়ামায়া আছে এমন লোকই সংসারে বেশি। তাই সাধারণ লোকে অসহায় রোগীকে ফেলে পালায় না।

    শ্রীমন্ত একথার একটিও জবাব দিলে না। নিঃশব্দে শুনে গেল।

    সুমিত্রা বললে তাছাড়া আমি তোমার স্ত্রী। এই অসহায় অবস্থায় কোনো স্ত্রীই তার স্বামীকে ফেলে পালায় না। দেখেছ কোনো স্ত্রীকে পালাতে?

    —দেখেছি। আমাদের গ্রামের একটি বৌ।

    —হ্যাঁ! একটি বৌ; এবং সেই একটি ঘটনাই মনে এঁকে রেখেছ। কিন্তু একশোটা বৌ কি করে তা দেখনি?

    শ্রীমন্ত উত্তর দিলে না।

    সুমিত্রা হাসলে।

    বললে, সেই বৌটির সঙ্গেই তোমার বিয়ে হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু তোমার মতো পাষণ্ডের উপরও ভগবানের কি করুণা দেখো। তোমাকে তিনি তার হাতে দেননি, দিলেন আমার হাতে। তুমি নিশ্চিন্ত থাকো, অসুখ তোমার যাই হোক, সেবাযত্নের কোনো অভাব হবে না। দাঁড়াও, তোমার মুখ ধোবার জল নিয়ে আসি।

    বলে সস্নেহে ওর হাতের উপর একটা চাপ দিয়ে বেরিয়ে গেল।

    .

    বসন্ত নয়! সাধারণ জ্বরই, তবে ভোগাবে বলে সন্দেহ হচ্ছে। পাঁচ পর্যন্ত উঠছে, নিরানব্বুই এর নিচে আর নামছে না।

    সম্পূর্ণভাবে জ্বর ছাড়লো পাঁচ দিনের দিন। কিন্তু বিকেলে আবার এল প্রচণ্ড জ্বর। রক্তটা আবার পরীক্ষা করানো দরকার। ডাক্তারের সন্দেহ হচ্ছে, ম্যালেরিয়া।

    কিন্তু জ্বর যাই হোক, সেবা করলে বটে সুমিত্রা। কি সুশৃঙ্খল, কী পরিপাটি! ডাক্তারকে স্বীকার করতে হোল, এমন সেবা তিনি কখনো দেখেন নি।

    ছ’দিনের দিন সকালে জ্বরটা যখন ছাড়লো, তখন হেসে তিনি শ্রীমন্তকে বললেন, আপনার স্ত্রীভাগ্যে হিংসে হচ্ছে। দিনরাত্রি এরকম অক্লান্তভাবে এবং প্রাণ ঢেলে সেবা করতে কাউকে কখনো দেখিনি।

    এই প্রশংসা সুমিত্রার বড় ভালো লাগলো। ছোট মেয়ের মতো লজ্জায় সে আরক্ত হয়ে উঠলো।

    ডাক্তার চলে যেতে শ্রীমন্ত সস্নেহে ওর পিঠে হাত বুলিয়ে বললে, এখন তো জ্বর নেই। এলেও বিকেলের মধ্যে আসবে না বোধ করি। এইসময় তুমি একটু ঘুমিয়ে নাও বরং। এ ক’দিন চোখের পাতা বোঁজনি।

    —তুমি কি করে জানলে?

    মিটিমিটি হেসে শ্রীমন্ত বললে, আমি সব জানি। জ্বর যতই উঠুক, আমার জ্ঞান সহজে লোপ পায় না। পাষণ্ডদের সব গেলেও জ্ঞান শেষ পর্যন্ত টনটনে থাকে।

    সুমিত্রার সেদিনের ‘পাষণ্ড’ অভিধার জবাব!

    সুমিত্রা হেসে বললে, তা বুঝতে পারছি। শুধু জ্ঞান নয়, রাগও টনটনে থাকে।

    —রাগ?—শ্রীমন্ত একটু হাসবার চেষ্টা করলে,—রাগ করব কেন সুমি, অন্যায় কিছু বলোনি। আমি যে পাষণ্ড সে কথা আমার চেয়ে নিঃসংশয়ে আর কে জানে? তার জন্যে রাগ করিনি,—নিজের উপরও না, যে ভগবান এমনি করে সৃষ্টি করেছেন তাঁর উপরও না। আমার রাগ করার মুখ নেই।

    —খুব কথা শিখেছ! একটু পাশ ফিরে শোওতো, বিছানার চাদরটা বদলে দিই।

    অত্যন্ত নিপুণ হাতে সুমিত্রা ওর বিছানার চাদরটা বদলে দিলে।

    শ্রীমন্ত জিজ্ঞাসা করলে, তুমি কি নার্সিং শিখেছিলে সুমি?

    —শিখিনি? নার্সিং-এই তো এম. এ. পাস করেছি।

    —না, ঠাট্টা নয়। তুমি সেবা কর, মনে হয় যেন শিক্ষিত নার্স সেবা করছে। এবারে সুমিত্রা যেন একটু রাগলো। অল্প ঝাঁঝের সঙ্গে বললে, তুমি এই কথা বলছ, ডাক্তারবাবু এই কথা বলেছেন! কিন্তু বুঝিয়ে দাও তো আমি বেশিটা কি করেছি?

    চোখ বন্ধ করে শ্রীমন্ত বললে, বুঝিয়ে দিতে পারব না। এ বুঝিয়ে দেবার ব্যাপারও নয়। কারণ এর বেশি-কমের মাত্রা কিছু নেই। কিন্তু আমার অসুখে যা করেছ, সে অদ্ভুত, অসাধারণ। একথা ডাক্তারবাবুও বলবেন, আমিও বলবো, যে দেখেছে সেই বলবে। কিন্তু তুমি একটু ঘুমুবে না মিতা? একটু ঘুমোও।

    —ঘুমুবো। কিন্তু এখন নয়। তোমার ফলটা ছাড়িয়ে দিই। ওই সোফাটায় শুয়ে একটুখানি ঘুমিয়ে নোব।

    সুমিত্রা হাসলে।

    শ্রীমন্ত বললে, সেই সময় তোমার সোফার এক পাশে একটুখানি আমাকে বসিয়ে দেবে? আজকে আমার শরীরটা তো ভালই বোধ হচ্ছে।

    বিস্মিত নেত্রে সুমিত্রা বললে, তখন সোফার এক পাশে বসবে? কেন বলো তো?

    লজ্জিত কাতর কণ্ঠে শ্রীমন্ত বললে, তোমাকে একটুখানি ভালোবাসবার চেষ্টা করব সুমি। আমি নিঃশব্দে চুপ করে বসে থাকবো। তুমি জানতেও পারবে না।

    এবারে সুমিত্রা হো হো করে হেসে উঠলো। বললে, যা পারো না, তা করতে যেও না। তার চেয়ে তাড়াতাড়ি সেরে উঠবার চেষ্টা করো। এ ক’দিনের অসুখে তোমার চোরাবাজারে কত টাকার ক্ষতি হয়েছে হিসেব করেছ?

    শ্রীমস্ত জবাব দিলে না। চোখ বন্ধ করে নিঃশব্দে পড়ে রইলো।

    ফল ছাড়িয়ে একটা প্লেটে রাখতে রাখতে সুমিত্রা বললে, বিকেলে জ্বরটা যদি না আসে, তাহলে ভাবছি একবার ‘দেবধাম’ থেকে ঘুরে আসব।

    ‘দেবধামের’ নামে শ্রীমন্ত চমকে চোখ মেলে চাইলে!

    জিজ্ঞাসা করলে, ‘দেবধাম’ কেন?

    ফল-কাটা থেকে মুখ না তুলেই সুমিত্রা বললে, ক’দিন থেকে কেবলই ছোটদির কথা মনে হচ্ছে। ভাবছি, তাকে একবার দেখে আসব।

    —ক’দিন থেকে হৈমন্তীকে মনে পড়ছে কেন?

    —কি জানি। একদিন অনেক রাত্রে খাটের বাজুতে মাথা রেখে তন্দ্রা গেছি, তার মধ্যেও তাকে স্বপ্ন দেখলাম।

    শ্রীমন্ত কথা কইলে না। কি যেন ভাবতে লাগলো।

    একটুক্ষণ পরে সুমিত্রা বললে, বেশীক্ষণ দেরি করব না সেখানে। যাব আর আসব। সেইটুকু সময় একলা থাকতে পারবে না?

    —পারব।

    শ্রীমন্ত পাশ ফিরে শুলো।

    ব্যস্তভাবে সুমিত্রা বললে, ওকি, পাশ ফিরছ কি! ফলটুকু খেয়ে নাও।

    শ্রীমন্ত সাড়া দিলে না।

    —একটু পরে সুমিত্রা, পাঁচ মিনিট পরে।

    শ্রীমন্ত আবার চোখ বন্ধ করলে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসোনালী দুঃখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article প্রথম আলো ২ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    Related Articles

    সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    বন্ধনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 31, 2026
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    বসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 29, 2026
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    মহাকাল – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 29, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Our Picks

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }