Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    তার চোখের তারায় – সায়ক আমান

    August 6, 2026

    ভালোবাসা নাও, হারিয়ে যেও না – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026

    নিরুদ্দেশের দেশে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালোঘোড়া – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    সরোজকুমার রায়চৌধুরী এক পাতা গল্প194 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কালোঘোড়া – ২

    দুই

    ঈস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর আমলের কথা।

    হরেরাম ঘোষ সেই আমলে একটি ইংরেজ ব্যবসায়ী ফার্মের মুৎসুদ্দি ছিলেন। তিনি নামে রাজা হননি বটে, কিন্তু মুৎসুদ্দিগিরি থেকে যে অর্থ করেছিলেন তা রাজারই ঐশ্বর্য। ওদিকের চমৎকার ঠাকুরবাড়ী, নাটমন্দির, রাধাবিনোদের নিত্যভোগ, অতিথিশালা এবং এদিকের নহবৎখানা, চাকর দরওয়ানের থাকবার ঘর, বালাখানা, ভিতরের বিরাট অন্দরমহল,–এর অধিকাংশই তাঁর তৈরী।

    অনেককাল তিনি গত হয়েছেন, কিন্তু বালাখানায় ইংরেজ-শিল্পীর হাতে আঁকা তৈলচিত্র দেখলে তাঁকে অনেকটা বোঝা যায় : মাথায় ছোট-ছোট করে ছাঁটা চুলে পরিপুষ্ট টিকি, কণ্ঠে মোটা-মোটা তুলসী কাঠের মালা, ললাটে নাসিকায় অনাবৃত লোমশ বক্ষে বাহুতে তিলক, হাতে হরিনামের ঝুলি,–ঘোষ মশাই ভগবানের নাম করছেন। প্রশস্ত ললাট, আয়ত চক্ষু এবং গরুড়ের মতো বক্রাগ্র নাসিকা দেখলে বোঝা যায় তাঁর তীক্ষ্ণ বিষয়বুদ্ধির অভাব ছিল না। বৈষ্ণবী বিনয় বিষয়বুদ্ধি অর্জনে সাহায্যই করেছে।

    তাঁর পুত্র রামরাম অনেকটা পিতার মতোই বৈষ্ণব। তবে পিতার চেয়ে সুপুরুষ এবং অর্থের ঔদ্ধত্য চোখের কোণে ঈষৎ প্রকাশ পাচ্ছে। তাঁর যে তৈলচিত্র বালাখানায় টাঙানো আছে তাও ভক্ত বৈষ্ণবেরই ছবি। কিন্তু পিতার মতো অনাবৃত গাত্রে নয়, গায়ে হালকা জরির কাজ করা একখানা মিহি চাদর আছে।

    বলতে গেলে, এই বংশের আভিজাত্যের পরিচয় পাওয়া যায় রায় বাহাদুর প্রতাপচন্দ্র ঘোষের তৈলচিত্র থেকে। তিনি মুৎসুদ্দিগিরি করতেন না। পিতৃত্যক্ত বিপুল অর্থ ও সম্পত্তি থেকে রাজার মতো বিলাসে দিনযাপন করতেন। ছবিতেও এই পার্থক্য দেখা যায়। প্রতাপচন্দ্রের ছবি বিনীত বৈষ্ণবের নয়, সেকালের অভিজাত ভদ্রলোকের। মাথায় কার্নিসওয়ালা পাগড়ী, পরিধানে মূল্যবান চোগাচাপকান, বক্ষে গণিত চিহ্নের মতো পাকদেওয়া চাদর।

    হরেরাম এবং রামরাম ব্রাহ্ম মুহূর্তে উঠতেন। প্রাতঃকৃত্য এবং পূজা সেরে বাহিরের বালাখানায় এসে বসতেন। গঙ্গাস্নান-প্রত্যাগত ব্রাহ্মণ পণ্ডিতেরা ফেরার পথে পায়ের ধূলো দিয়ে যেতেন। সেই রজ তাঁরা মূল্যবান রেশমী রুমালে করে নিয়ে একটি রূপার কৌটায় সংগ্রহ করে রাখতেন। পাড়ার পাঁচজন ভদ্রলোক এবং প্রার্থীর সমাগম হোত। সাধ্যমত প্রার্থীদের কিছু-কিছু দিতেনও।

    পাড়ার তিনকড়ি মুদী হঠাৎ মারা গেছে। নাবালক ছেলে অসহায়। শ্রাদ্ধের খরচ তাঁরাই দিতেন। নুটু দত্ত দুপুর রাত্রে মদ খেয়ে বাড়ী ফিরে স্ত্রীর উপর অত্যাচার করেছে। দরওয়ান দিয়ে তাকে ধরে নিয়ে এসে সকলের সামনে কানে ধরে ওঠ-বস করিয়ে ছেড়ে দিতেন। সেই লোকটাই দুদিন পরে সন্ধ্যাবেলায় এসে বাবুর কাছ থেকেই মদ খাবার জন্যে দুটো টাকা নিয়ে যেত।

    পাড়ার লোকের রোগে শোকে, বিপদে-আপদে তাঁরা যথাসাধ্য সাহায্য করতেন। প্রয়োজন হোলে খালি গায়ে একজোড়া খড়ম পায়ে দিয়েই তাদের বাড়িতে উপস্থিত হতেন। পাড়ায় কোনো ক্রিয়াকর্ম হোলে তাঁদের বালাখানা থেকেই তার ব্যবস্থা হোত। আবার তাঁদের নিজের প্রয়োজনের সময়ও পাড়ার ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সকলেই এসে প্রাণ দিয়ে খেটে সাহায্য করত।

    তখন কলকাতা এতবড় শহর হয়নি।

    পাড়াও ছিল ছোট। ধনীর প্রাসাদকে কেন্দ্র করে কতকগুলি দালান এবং কতকগুলি গোলপাতার ঘর। গরুতে-মহিষে, ধনীতে-দরিদ্রে একটি পল্লী, একটি ইউনিট।

    প্রত্যেকের সঙ্গে প্রত্যেকের চেনা। যেতে-আসতে দেখা হোলে পরস্পর অভিবাদন বিনিময় করে, কুশল জিজ্ঞাসা করে। সমাজের শ্রেণী-বিভাগ তখনও অর্থনৈতিক ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তখনও বর্ণাশ্রমের পূর্ণ প্রতাপ। ব্রাহ্মণ তো বর্ণের গুরু। তাঁদের কথা স্বতন্ত্র। ক্রিয়াকর্মে স্বজাতির কাছেও জোড়হস্তে থাকতে হয়।

    হরেরাম অথবা রামরাম কারও পক্ষেই ব্রাহ্মণ অথবা স্বজাতির কাছে জোড়হাত করে থাকাটা ক্ষোভ অথবা লজ্জার বিষয় ছিল না। তখন সেইটেই ছিল সামাজিক ভদ্রতা। তার ব্যতিক্রমই ছিল লজ্জার বিষয়।

    সামাজিক ছাড়া অন্য ক্রিয়াকর্মও অবশ্য ছিল। তার চাল কিন্তু আলাদা।

    সন্ধ্যার পরে উপরের বালাখানায় কার্পেট বিছানো হোত। ঝাড়ের আলো ঝলমল করতে লাগত।

    বাইজির নাচ হবে।

    তাতে নিমন্ত্রিতের দল কিন্তু পাড়াপ্রতিবেশী নয়। শহরের গণ্যমান্য বিশিষ্ট লোক, হরেরাম-রামরামের সমপদস্থ ব্যক্তি, সাহেব-সুবো। আতর-গোলাপ-পানের ছড়াছড়ি। মদ্য এবং গড়গড়ায় সুগন্ধি তাম্রকুটের আয়োজনও থাকত।

    এ মজলিস বর্ণাশ্রমী নয়। অর্থনৈতিক সমাজ-ব্যবস্থা এরই সাহায্যে বর্ণাশ্রমকে ধীরে ধীরে স্থানচ্যুত করার চেষ্টা করছিল, অথচ কেউ তা টের পাচ্ছিল না। এখানে দরিদ্রের স্থান ছিল না। ইংরেজ শাসক ও ব্যবসায়ীকে কেন্দ্র করে নতুন অভিজাত সমাজ-ব্যবস্থা গড়ে উঠছিল প্রাচীন সভ্যতার সঙ্গে যথাসম্ভব সামঞ্জস্য রক্ষা করে।

    হরেরাম-রামরামের দল টিকি রাখতেন, সন্ধ্যাহ্নিক করতেন। পূজা-পাৰ্বণ, দোল- দুর্গোৎসবও ভক্তির সঙ্গে অনুষ্ঠিত হোত। আবার মজলিসে গিয়েও বসতেন। সাহেব- সুবোদের সঙ্গে পান-তামাকও চলতো। একসঙ্গে বিলাতী মদ্যপানেও আপত্তি করতেন না।

    কিন্তু সমাজের সম্বন্ধে তখনও তাঁরা বেপরোয়া হননি। সমাজ ব্যবস্থার উপর শ্রদ্ধাও একটা ছিল। তাই অনাচার যা করতেন তা গোপনেই করতেন, ভয়ে ভয়ে। এবং প্রকাশ্যে বর্ণাশ্রমী সমাজের নিয়মকানুন যথাসাধ্য মেনে চলতেই চেষ্টা করতেন। ব্রাহ্মণ-সজ্জন, ইতর-ভদ্র, ভালো-মন্দ নিয়ে দোষে-গুণে যে সমাজ, তার সঙ্গে সংযোগ অব্যাহত রেখেছিলেন।

    এমন কি, নিজেরা তাঁরা যা গোপনে করতেন, প্রকাশ্যে তাই অন্যে যারা করতো তাদের বিরুদ্ধে খড়গ ধারণ করতেও তাঁরা দ্বিধা করতেন না। অর্থাৎ অনাচারের উপর রাগ তাঁদের প্রবল ছিল না, কিন্তু সমাজের উপর অনুরাগ ছিল প্রবল। তাই প্রকাশ্যভাবে সমাজকে উপেক্ষা করবার ঔদ্ধত্য কেউ প্রদর্শন করলে তাকে তাঁরা কিছুতেই প্রশ্রয় দিতে চাইতেন না। আমাদের সমাজে শাস্তিদানের যতগুলি ব্যবস্থা আছে একে একে সেইগুলো তাদের উপর প্রয়োগ করা হোত। এ বিষয়ে ব্রাহ্মণ-পণ্ডিত সমাজের তাঁরা বশংবদ সহযোগী ছিলেন।

    কিন্তু কলকাতা শহর অত্যন্ত দ্রুতবেগে বাড়তে লাগলো।

    ইংরেজের শাসন যত সুপ্রতিষ্ঠিত হতে লাগলো, বাংলার বাইরের অন্যান্য প্রদেশেরও শহর এবং গ্রামাঞ্চল থেকে তত লোক এসে কলকাতায় জমতে লাগলো। কেউ চাকুরীর চেষ্টায়, কেউ ব্যবসার জন্যে।

    পাড়ায়-পাড়ায় ঝোপ-জঙ্গল, খানা-ডোবা ভর্তি হয়ে যেখানে সেখানে ছোটবড় নানারকম বাড়ি উঠতে লাগলো। রাত্রে শেয়ালের ডাক ধীরে ধীরে দূরে সরে যেতে লাগলো। যে সব রাস্তার দুইদিক জঙ্গলে আবৃত ছিল, লোকে সন্ধ্যার পরে যে সব রাস্তা দিয়ে হাঁটতে ভয় পেত, তার দু’ধারে বাড়ি তৈরী হতে লাগলো। নানাদিকে নতুন নতুন রাস্তা তৈরীও আরম্ভ হয়ে গেল।

    নানা দিক থেকেই অত্যন্ত দ্রুত পরিবর্তন দেখা যেতে লাগলো।

    আগে অভিজাতদের এবং সাধারণ ভদ্র গৃহস্থ রমণীদের একমাত্র যান ছিল পালকী। দেখতে-দেখতে কলকাতার রাজপথে নতুন দেশী ও বিলাতী প্যাটার্নের ঘোড়ার গাড়ি যেতে লাগলো। বাতি ও প্রদীপের জায়গায় এল কেরোসিনের আলো।

    এতদিন রেড়ীর তেলের আলোয় যারা অভ্যস্ত ছিল, কেরোসিনের জ্যোতিতে তাদের বিস্ময়ের আর শেষ রইল না। ইংরেজি সভ্যতার হাওয়া চারিদিক থেকেই তাদের চমক লাগিয়ে দিলে।

    ঘোষেদের ‘দেবধামে’ও হাওয়া বদলাতে লাগলো।

    .

    হরেরাম গত হলেন। সদরে এবং অন্দরে রামরাম পিতার পুরোনো ব্যবস্থাই যথা সম্ভব অব্যাহত রাখবার চেষ্টা করলেন। সদরে সকালে সন্ধ্যায় পাড়ার ব্রাহ্মণ-সজ্জন এবং প্রতিবেশীরা আসেন। প্রার্থীরা কিছু কিছু পায়। যে সব সম্পর্কীয় আত্মীয় এবং অনাত্মীয়দের হরেরাম অর্থ সাহায্য করতেন, রামরাম তাঁদের পূর্ববৎই সাহায্য পাঠাতে লাগলেন। কাশীতে যে সব দুঃস্থ বিধবাদের জন্যে টাকা যেত, তাও যেতে লাগলো।

    সদরে বিশেষ পরিবর্তন বোঝা গেল না। কিন্তু অন্দরে?

    অন্দরেও বাইরে থেকে কিছুই পরিবর্তন বোঝা যায় না। কিন্তু ভিতরে ভাঙন ধরেছে।

    প্রতাপচন্দ্র তখন হিন্দু কলেজের উঁচু ক্লাসের ছাত্র। সেকালে হিন্দু কলেজে পড়ার গৌরবই আলাদা। তার পড়ার ঘর, লাইব্রেরী এবং ড্রইং-রুমের মূল্যবান বিলাতী সজ্জা একটা দেখবার জিনিস।

    বাড়ির এই অংশটা সদর এবং অন্দরের মাঝামাঝি জায়গা। রামরাম ভিতরে পুত্রের ইংরেজি চাল-চলন সম্বন্ধে গর্ব অনুভব করতেন, এবং পুত্রের অনুপস্থিতিতে মাঝে-মাঝে প্রতিবেশীদের নিয়ে গিয়ে ছেলের ঘরগুলো দেখাতেন।

    সকালে-বিকালে প্রতাপের বন্ধুরা মাঝে মাঝে পাল্কীতে এ-বাড়ি আসতো। সে ও একটা দেখবার জিনিস।

    এমনি করে বিলাতী চাল-চলন প্রতাপের ঘরে এবং সেখান থেকে রামরামের অজ্ঞাতসারে, মেয়েদের মধ্যেও সঞ্চারিত হচ্ছিল।

    যাঁরা বলেন, আমাদের দেশের মেয়েরা স্বভাবত রক্ষণশীলা, তাঁরা শুধু আমাদের দেশেরই নয়, কোনো দেশের মেয়েকেই জানেন না। মেয়েরা যত সহজে এবং বিনায়াসে পরিবর্তনকে গ্রহণ করতে পারে এমন পুরুষেও পারে না।

    বলতে গেলে রামরামের গৃহিণী ছাড়া আর সকলেই রামরামকে লুকিয়ে হাত-ওলা বডিস ও হাত-কাটা শেমিজ ব্যবহার করতে লাগলো এবং মাথার চুলে ‘এলবার্ট’ও কাটতে লাগলো।

    রামরামকে লুকানো কিছুই কঠিন ছিল না। সেকালে পুরুষেরা অন্দরে যেত অল্পই। দুপুরে আহার ও নিদ্রার জন্য ঘণ্টাকয়েক এবং রাত্রে বারোটা একটার পর তাঁরা অন্দরে যেতেন। দিন-রাত্রির অধিকাংশ সময় তাঁরা বাইরেই কাটাতেন। সুতরাং অন্দরে যা খুশি করবার অবাধ সুবিধা মেয়েদের ছিল।

    .

    রামরাম জীবিত কালেই দেখে গেলেন, তাঁদের বাড়ি এবং পরিবারকে কেন্দ্র করে যে পল্লীটি গড়ে উঠেছিল, প্রতাপচন্দ্র তার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন।

    পল্লী বেড়ে গেছে।

    এসেছে সেখানে অনেক অপরিচিত লোক। তাদের সংখ্যা অনেক। সবাই নিজের নিজের কাজে ব্যস্ত। তাদের সঙ্গে সমাজ বন্ধনে আবদ্ধ হতে সময় লাগে। কিন্তু মানুষের হাতে সময় কম হয়ে আসছে।

    প্রতাপচন্দ্রের সঙ্গে ওদের আচারে-আচরণেও যথেষ্ট পার্থক্য এসেছে। ওরা যেন এক সমাজের লোকই নয়। প্রতাপের ইঙ্গ-বঙ্গ সমাজবিহারী মন আর ওদের সঙ্গে যেন খাপ খাচ্ছে না। প্রাচীন সমাজ ব্যবস্থার উপর সে শ্রদ্ধাও তাঁর নেই, সে ভয়ও নেই। মস্ত বড় বাড়ি, অপরিমিত অর্থ এবং জুড়ি-ব্রহাম নিয়ে প্রতাপ স্বতন্ত্র হয়ে গেলেন। বাড়িতে পাড়ার ইতর-ভদ্র, অর্থী-প্রত্যর্থীর আসা যাওয়া বন্ধ হয়ে গেল।

    বন্ধ হয়ে গেল শুধু সদরেই নয়, অন্দরেও।

    ‘দেবধামের’ অন্দরের তেতলার জানালাগুলো খুললেই পাড়ায় অনেকগুলি বাড়ি দেখা যায়। রামরামের গৃহিণী যতদিন বেঁচে ছিলেন সেই দিক দিয়ে পাড়ার গৃহিণী ও বধূদের সঙ্গে তিনি সংযোগ রেখেছিলেন। দুপুরে প্রতিবেশিনীরা ছাদে এলে তিনি জানালা দিয়ে তাদের সঙ্গে গল্প করতেন। কার কি দিয়ে রান্না হোল, কার ক’টি ছেলেমেয়ে, কার মেয়ে শ্বশুর বাড়িতে কি কষ্ট পায়,—সব খবর তিনি রাখতেন। নিজের বাড়ির সুখ- দুঃখের কথাও অসঙ্কোচে তাদের সঙ্গে আলোচনা করতেন। কারও মেয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে ছেলে হতে এলে তার সাধ পাঠিয়ে দিতেন। তাঁর নিজের অন্তঃস্বত্ত্বা মেয়ের জন্যে কেউ সামান্য কুলের আচার পাঠালে হাসিমুখে হাত পেতে নিতেন। বিপদে-আপদে দু’পয়সা দিয়ে লোককে সাহায্যও করতেন এবং তার জন্যে গর্ব বোধ করতেন না।

    মানুষের মধ্যে ছোট বড় বিচার তিনি করতেন জাত নিয়ে।

    দরিদ্র ভট্টাচার্য গৃহিণী মোটা গড়া পরে এবং ফাটা পা নিয়ে তাঁর বাড়ি এলে তিনি ভক্তি সহকারে তাঁকে প্রণাম করতেন। দত্ত গৃহিণীকেও দরিদ্র বলে ঘৃণা করতেন না। বাড়ি এলে সমাদরে নিজের পাশে বসাতেন। কত সুখ-দুঃখের গল্প করতেন।

    তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গেই সে পাট উঠে গেল। জানালায় জানালায় পর্দা পড়লো।

    পুরোনো অভ্যাসবশে প্রতিবেশিনীরা ছাদে এসে জানালার দিকে চাইলেই এ-বাড়ির মেয়েরা দ্রুতবেগে পর্দা টেনে দিয়ে সরে যেতে লাগলেন।

    প্রতিবেশীর সঙ্গে মনের কথার আদান-প্রদান বন্ধ হয়ে গেল।

    ধনীর সঙ্গে দরিদ্রের এই যে ব্যবধান ইউরোপীয় সভ্যতার পদার্পণের সঙ্গে সঙ্গেই রচিত হোল, তা আজও পর্যন্ত রয়ে গেছে, বরং আরও প্রসারিত হয়েছে।

    কিন্তু এই ব্যবধানও সম্পূর্ণরূপে অর্থগত ছিল না। অনেকখানি সংস্কৃতিগত।

    তখন হিন্দু কলেজ থেকে যাঁরা বেরিয়ে আসতেন, আচারে ব্যবহারে চিন্তাধারায় এবং দৃষ্টিভঙ্গীতে তাঁদের সঙ্গে পুরাতন সমাজের শুধু যে মিল ছিল না তাই নয়, অনেক ক্ষেত্রে তাঁরা প্রাচীন সমাজের বিরোধী ছিলেন।

    প্রতাপের বালাখানার পুরাতনপন্থী সজ্জা বদলে গেল। সেই সঙ্গে সেখানকার পুরোনো মজলিসের রূপও। তাঁদের আলাপ আলোচনা এ-পাড়ার লোকদের দুর্বোধ্য।

    সুতরাং ব্যবধান একতরফা ছিল না। উভয়পক্ষই স্বেচ্ছায় পরস্পরের থেকে সরে এসেছিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসোনালী দুঃখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article প্রথম আলো ২ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    Related Articles

    সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    বন্ধনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 31, 2026
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    বসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 29, 2026
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    মহাকাল – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 29, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তার চোখের তারায় – সায়ক আমান

    August 6, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তার চোখের তারায় – সায়ক আমান

    August 6, 2026
    Our Picks

    তার চোখের তারায় – সায়ক আমান

    August 6, 2026

    ভালোবাসা নাও, হারিয়ে যেও না – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026

    নিরুদ্দেশের দেশে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }