Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালোঘোড়া – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    সরোজকুমার রায়চৌধুরী এক পাতা গল্প194 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কালোঘোড়া – ৫

    পাঁচ

    হৈমন্তী মুখ শুকিয়ে বেড়ায়, কেউ জানে না কেন।

    মা জিজ্ঞাসা করলেন, তোর মুখ অমন শুকনো কেন রে? জ্বর হয়নি তো?

    হৈমন্তী জোর করে বললে, না।

    সময়টা খারাপ। চারিদিকে বসন্ত হচ্ছে। সুতরাং ছোট্ট একটুখানি উত্তরে মা সান্ত্বনা পেলেন না।

    বললেন, এদিকে সরে আয় তো দেখি।

    বিরক্তভাবে হৈমন্তী কাছে সরে এল। হাত দিয়ে তার ললাটের উত্তাপ পরীক্ষা করে তিনি নিশ্চিন্তভাবে নিজের কাজে চলে গেলেন : না, জ্বর হয়নি।

    কিন্তু তাতেও নিষ্কৃতি নেই।

    খানিক পরেই বাসন্তী তাকে দেখে চমকে উঠলো : তোকে অমন লাগছে কেন রে? জ্বর নাকি?

    —হ্যাঁ।

    বলে হৈমন্তী তার ঘরে গিয়ে শুয়ে পড়লো। সে জানে তার জ্বর নয়। কিন্তু জ্বরের মতো। তার কিছুই ভালো লাগছে না।

    বিকেলে শ্রীমন্ত যখন একবার বেরিয়ে গিয়েছিল, হৈমন্তী একখানা চিঠিতে সব কথা লিখে তার বিছানার তলায় রেখে এসেছে। কে জানে সে চিঠি তার চোখে পড়ছে কি না। শ্রীমন্ত আজকাল যেন কেমন অন্যমনস্ক হয়ে উঠেছে। বেশ-ভূষায় কেমন যেন বিশৃঙ্খলা। বোধ করি পরীক্ষার দুশ্চিন্তায়। কে জানে কেমন তার পড়া তৈরী হোল।

    হৈমন্তী রেগে যায় ওর ওপর। মানুষের জীবনের চেয়ে কি পড়ার দাম বেশি? ভালোবাসার চেয়েও?

    আর শুয়ে থাকতে পারলে না সে। গায়ে একখানা চাদর জড়িয়ে চুপি চুপি ছাদে চলে গেল। কি জানি কেন, সবাইকে তার এড়িয়ে চলতে ইচ্ছা হচ্ছে।

    শেষ শরতের অপরাহু।

    সীসার মতো মলিন আকাশে সূর্যাস্তের বর্ণ-সমারোহও যেন তেমন জমছে না। বড়লোকের প্রসাদী পুরানো মূল্যবান পোশাক-পরা গরীবকে যেমন দেখায় তেমনি। উত্তর, পূর্ব, দক্ষিণ,—তিন দিক থেকে একটা কালো পাতলা পর্দা সেই বর্ণাঢ্যতাকে ছুটে গ্রাস করতে আসছে।

    দূরে পশ্চিম দিগন্তে উড়ছে ক’টা কালো কালো পাখি। নীড়ে ফিরে চলেছে বোধ করি। সেদিকে চেয়ে থাকতে থাকতে হৈমন্তীর মন যেন আরও উদাস হয়ে গেল।

    আলিসায় ভর দিয়ে অভিভূতের মতো একদৃষ্টে সেই দিকেই সে চেয়ে রইল।

    হঠাৎ এক সময় সিঁড়িতে জুতোর শব্দে এবং কাদের যেন কলকণ্ঠে সে সচকিত হয়ে উঠলো।

    বড়দিদি আর সুবিমল!

    সুবিমল তার অপরিচিত নয়। এ বাড়িতে তার প্রায়ই আসাযাওয়া। দিদির দেবর হিসাবে হৈমন্তী তার সঙ্গে কত রসিকতা করেছে, ক্যারম খেলেছে, গল্প করেছে। কিন্তু এখন তাকে দেখামাত্র হৈমন্তীর মন যেন হঠাৎ বরফের মতো জমে গেল।

    বাসন্তী বললে, কি রে, তোর না জ্বর হয়েছে? ঘরে গিয়ে শুয়েছিলি না? হঠাৎ ছাদে ঠাণ্ডায় চলে এলি যে!

    হৈমন্তী ফিরে একটু হাসলে। বললে, জ্বর কে বললে? মাথাটা কেমন ধরেছে, তাই।

    —মাথা ধরার ওষুধ জানি আমি।—সুবিমল হাসতে হাসতে বললে।

    —কি—বাসন্তী জিজ্ঞাসা করলে।

    —ক্যারম খেলা।—সুবিমল গম্ভীরভাবে উত্তর দিলে।

    ওরা দু’জনই হেসে উঠলো।

    ক্যারম হৈমন্তীর একটা নেশা। ক্যারমের নামে মনের বরফ যেন গলতে লাগলো।

    ভুরু কুঁচকে বললে, তবু যদি খেলতে জানতেন!

    এর উত্তরে সুবিমল শুধু একটা অট্টহাস্য করে উঠলো। বললে, চলো, গোটা কয়েক নতুন মার তোমাকে শিখিয়ে দিয়ে যাই।

    দু’জনে বেধে গেল কলহ।

    সেই উত্তেজনায় ওরা দু’জনে বাসন্তীর দু’খানা হাত ধরে নিচে নেমে গেল। সে হবে ওদের খেলার বিচারক।

    কি জানি কেন, খেলা তেমন জমলো না।

    অনেকগুলো সহজ মার হৈমন্তীর ফসকে গেল। তার আঙুল কাঁপছে। বাসন্তী বুঝতে পারছে কেন। কিন্তু সুবিমল কিছুই জানে না, সরু সরু লম্বা আঙুল দিয়ে সে চমৎকার স্ট্রাইক করেছে। আজকে তার হাত যেন আরও খুলে গেছে।

    কিন্তু হৈমন্তী পারছে না।

    একদৃষ্টে সে সুবিমলের চাঁপার কলির মতো সুন্দর আঙুলের দিকে চায়। শ্রীমন্তও সুপুরুষ। কিন্তু তার আঙুল এমন সুন্দর নয়। দিন মজুরের মতো শক্ত-শক্ত, মোটা মোটা তার আঙুল। এমন সূক্ষ্মাগ্র নয়।

    উভয়েই সুন্দর। কিন্তু সুবিমলের মুখে যে অভিজাত সৌকুমার্য আছে, শ্ৰীমন্ত তা কোথায় পাবে?

    খেলার আসরে হৈমন্তী মনে-মনে উভয়ের মধ্যে তুলনা করে দেখে। বিদ্যা, বিত্ত, রূপ কোনো দিক দিয়েই সুবিমলের সঙ্গে শ্রীমন্তের তুলনা চলে না। শ্রীমন্ত অনেক ছোট, অনেক নিচে। সে এই বাড়ির একজন আশ্রিত ছাড়া আর তো কিছুই নয়। আর সুবিমল এই মহানগরীর একটি অভিজাত বংশের সুশিক্ষিত যুবক। আচারে-ব্যবহারে নিখুঁত।

    কিন্তু সুবিমলের সান্নিধ্য তাকে আনন্দ দিতে পারে না কেন? তার এত কাছে বসেও ওর মন চঞ্চল হয়ে উঠছে কই? খেলার ছলে দু’জনের আঙুলে আঙুলে ঠেকে গেলে দেহে শিহরণ জাগে না কেন?

    হৈমন্তী ভাবতে গিয়ে অন্যমনস্ক হয়। খেলায় ভুল করে। সহজ মার ফসকে যায়। বাসন্তী হাসে। সুবিমল ব্যঙ্গ করে। হৈমন্তী লজ্জা পায়। আবার মন দিয়ে খেলবার চেষ্টা করে। পারে না।

    সুবিমল সুন্দর, আশ্চর্য সুন্দর। একতাল গলিত কাঁচা সোনার মতো ঢলঢল। আর শ্রীমন্ত যেন পাথর। তার মূল্য বেশি নয়। কিন্তু কোথায় যেন তার মধ্যে একটা কঠিন অদম্য শক্তির উৎস আছে। তার পুরু-পুরু ঠোটে, ছোট তীক্ষ্ণ চোখে এবং মোটা বেঁটে লোহার শিকের মতো আঙুলের ফাঁকে যেন সেই শক্তি লুকানো আছে। সেখানে, সেই শক্তির ক্ষেত্রে সুবিমল তার কাছে কতটুকু?

    শ্রীমন্ত এই বাড়ির আশ্রিত। পোষা বাঘের মতো সে হৈমন্তীর পায়ের তলায় বসে থাকে। হৈমন্তীর ভালো লাগে। সে ওকে ভালবাসে…এবং একটু বোধ করি যেন ভয়ও করে। ওকে তার অদেয় কিছুই নেই।

    আর এই সুবিমল…মোমের পুতুলের মতো আশ্চর্য সুন্দর এই সুবিমল …একে নিয়ে সে করবে কি? মনের আলমারীতে ঝেড়ে-মুছে সাজিয়ে তুলে রেখে দেবে?

    হৈমন্তী একটা অ্যাঙ্গল মারতে গিয়ে পারলে না।

    সবাই হো হো করে হেসে উঠলো।

    হঠাৎ রেগে গিয়ে হৈমন্তী ক্যারামের বোর্ডখানাই উলটে দিয়ে ছুটে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল।

    ওরা হৈ হৈ করে উঠলো।

    সে চীৎকারে বাসন্তীর মা পর্যন্ত কৌতূহল রাখতে না পেরে ছুটে এলেন :

    —কি হোল রে তোদের?

    বাসন্তী হাসতে হাসতে বললে, খেলায় না পেরে হিমু বোর্ড উলটে দিয়ে ছুটে পালালো।

    —কার সঙ্গে খেলছিল?

    —ঠাকুরপোর সঙ্গে।

    শুনে নয়নতারা হাসতে হাসতে পালালেন। আজকালকার ছেলেমেয়েগুলো যেন কী! না লজ্জা, না শরম। কিন্তু তার জন্যে তিনি দুঃখিত হলেন বলেও মনে হোল না।

    .

    অনেকক্ষণ বিছানায় ছটফট করে হৈমন্তী আর পারলে না।

    রাত তখন দুটো। পাশেই বাসন্তী শুয়ে অঘোরে ঘুমুচ্ছে। দেখতে দেখতে দিদিটা কি মোটা হচ্ছে! আর কী ঘুমুতেই পারে! সমস্ত রাত্রির মধ্যে আর সাড়া পাওয়া যাবে না। আর কী নাকটাই ডাকে! মোটা হওয়ার জ্বালা কম নয়!

    হৈমন্তীর ঘুম আসে না কিছুতে।

    সমস্ত বাড়ি নিস্তব্ধ। রাজপথে শব্দ নেই। হৈমন্তীর মাথার মধ্যে অসংখ্য দুশ্চিন্তা যেন সাপের মতো কিলবিল করছে।

    আস্তে আস্তে সে উঠে বসলো।

    শ্রীমন্ত তাকে তার ঘরে আসতে নিষেধ করেছে। সে ভয় পায়। অথচ শ্রীমন্তকে তার বিশেষ প্রয়োজন। তার সঙ্গে অনেক আলোচনা করার আছে।

    কি করছে এখন সে?

    ঘুমোয়নি নিশ্চয়ই। হয়তো পরীক্ষার পড়া তৈরী করছে রাত জেগে। নয়তো ঘুম ভাঙাবার জন্যে স্টোভে কফি তৈরী করছে।

    হৈমন্তী অত্যন্ত সন্তর্পণে দরজা খুলে বেরিয়ে এল।

    দিদি জানতে পারবে না তো?

    জানে জানুক, কাউকে সে ভয় করবে না।

    অন্ধকার রাত্রি। শ্রীমন্তের ঘর পর্যন্ত এই রাস্তাটা তার একেবারে মুখস্থ। দূর থেকেই দেখতে পেলে শ্রীমন্তের ঘরে আলো জ্বলছে। দরজা খোলা। আস্তে আস্তে ভিতরে উঁকি দিয়ে দেখলে, শ্রীমন্ত টেবিলের ওপর মাথা রেখে ঘুমুচ্ছে কি করছে বোঝা যাচ্ছে না।

    ক্লান্ত বোধ হয়।

    পরীক্ষার আর বেশী দেরি নেই। হৈমন্তী জানে এই পরীক্ষাটা পাস করবার জন্যে কি ভীষণ পরিশ্রম সে গেল ক’মাস থেকে করছে। সমস্ত দিন রাত্রির মধ্যে কতটুকু সময়ই বা সে ঘুমোয়?

    শ্রীমন্তের প্রতি মমতায় হৈমন্তীর মন কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে উঠলো।

    নিঃশব্দে দরজাটা ভিতর থেকে বন্ধ করে দিয়ে ওর শিয়রে এসে সে দাঁড়ালো।

    অঘোরে ঘুমুচ্ছে শ্রীমন্ত। টেবিল-ল্যাম্পের নিচে খোলা রয়েছে তার পড়ার বই। তারই আধখানায় মাথা রেখে ক্লান্ত হয়ে ও ঘুমুচ্ছে।

    হৈমন্তীর আসা টেরও পেলে না।

    কী রোগা হয়ে গিয়েছে শ্রীমন্ত! অনেক দিন হৈমন্তী আসেনি এ-ঘরে। অনেক দিন ওর দিকে ভালো করে এমন পরিপূর্ণ আলোয় চেয়ে দেখেনি।

    ওর পেশীবহুল লোহার মতো শরীরের এ কী অবস্থা হয়েছে! সব যেন ঢিলে হয়ে গিয়েছে। ব্যায়াম করার ফলে মুখখানি তার কখনই খুব ভরাট নয়। এখন যেন একেবারেই চুপসে গিয়েছে। নিমীলিত চোখে অপরিসীম ক্লান্তি। রুগ্‌ণ দেহে শুধু হাড় সার হয়েছে।

    এ কী দুশ্চর তপস্যা আরম্ভ করেছে শ্রীমন্ত! বিদ্যার জন্যে অমন দেবদুর্লভ স্বাস্থ্য পর্যন্ত বিসর্জন দিতে বসেছে!

    ওকে জাগাতে হৈমন্তীর মমতা হোল। নিঃশব্দে ফিরে যেতেও মন সরলো না। এই অবসরে ওকে একটুখানি সেবা করার লোভ হৈমন্তীর পক্ষে দুর্জয় হয়ে উঠলো। পাশে দাঁড়িয়ে ধীরে ধীরে ওর মাথার বড় বড় কোঁকড়া চুলে হাত বুলোতে লাগলো।

    সে স্পর্শে শ্রীমন্তের চোখে ঘুম বেশী করে জড়িয়ে আসারই কথা। কিন্তু মাথায় তার পরীক্ষার দুর্ভাবনা। নিশ্চিন্তে ঘুমোবার এখন অবসর নেই। একটু পরেই সে চমকে মাথা তুলে চোখ মেলে চাইলে।

    —হৈমন্তী!

    ওর চোখ ঘুমের জন্য তখন জবাফুলের মতো লাল।

    হৈমন্তী হাসলে। বললে, উঠলে কেন? শোও না আর একটু।

    সামনের খোলা বইখানির দিকে শ্রীমন্ত একবার চাইলে। বললে, একটু ঘুমিয়ে পড়েছিলাম, না?

    অপ্রস্তুতভাবে ধড়মড় করে সে উঠে দাঁড়াল। হৈমন্তীকে একটু আদর করলে। বললে, দাঁড়াও, একটু কফি তৈরী করি আগে। ঘুমে চোখ মেলে যেন চাইতে পারছি না।

    হৈমন্তী ধমক দিলে। বললে, না। আর কফি তৈরী করতে হবে না। অনেক রাত্রি হয়েছে। শুয়ে পড়ো। শরীর কি হয়েছে একবার দেখ দেখি

    শ্রীমন্ত হাসলে। বললে, শরীরের জন্য ভেবো না হিমু। পনেরো দিনে সেরে নোব। কিন্তু এই পরীক্ষায় আমাকে পাস করতেই হবে।

    শ্রীমন্ত স্টোভ জ্বালিয়ে জল চড়িয়ে খাটের ওপর হৈমন্তীর পাশে এসে বসলো। বুঝলে, তার অবাধ্যতায় হৈমন্তী ক্রুদ্ধ হয়েছে।

    ওকে শান্ত করবার জন্যে বললে, এই কটা দিন আমাকে কিছু বোলো না। আর ক’টা দিনই বা!

    মুখ ভার করে হৈমন্তী বললে, পরীক্ষা পাস করা কি এমনই দরকারী যে তার জন্যে শরীর পর্যন্ত পাত করতে হবে?

    —সকলের জন্যে হয়তো নয় হিমু। কিন্তু যাদের বাপ মা নেই, নিরাশ্রয় পরের বাড়িতে যারা মানুষ হচ্ছে, তাদের পক্ষে এমনই দরকারী।

    শ্রীমন্তের পিতৃমাতৃহীন নিরাশ্রয় অবস্থার কথায় হৈমন্তী চিরকাল চুপ করে গেছে। আজও সাড়া দিলে না।

    শ্রীমন্ত বলতে লাগলো :

    হৈমন্তী, যদি ভেবে থাকো বিদ্যার জন্যে আমি এই পরিশ্রম করছি তাহলে ভুল করবে। বিদ্যায় আমার বিশেষ লোভ নেই। বিদ্বান হবার শক্তি আমাকে ভগবান দেননি আমাদের সমাজে বিদ্বানের মূল্যও বেশি নয়। কিন্তু আমাকে বড় হতে হবে। প্রচুর অর্থ উপার্জন করতে হবে। সকলের মাথার উপর উঠতে হবে। আমি ভেবে দেখেছি, আজকের সমাজে সে কিছুই শক্ত নয়।

    এবারে হৈমন্তী হেসে ফেললে। সে বিশ্বাস করতে পারলে না যে, বড় হওয়া এতই সোজা। সে গিয়ে কফি তৈরী করতে বসলো।

    কিন্তু তার হাসি শ্রীমন্ত বোধহয় দেখতে পেলে না। সে আপন মনেই বলতে লাগলো : কিছু শক্ত নয় হিমু। শুধু ক’টা জিনিস দরকার। ভালোমন্দ, ন্যায়-অন্যায় সম্বন্ধে নির্বিচার হতে হবে। আর কিছু পরিমাণে নির্লজ্জ হতে হবে। বৈষ্ণব শাস্ত্রে বলে :

    লজ্জা, ঘৃণা, ভয়-
    তিন থাকতে নয়।

    কথাটা আমাদের দৈনন্দিন জীবনেও সত্যি। আমার বিশ্বাস, এই তিনটেই আমার নেই। আমার বড় হওয়ার পথ তৈরী হয়েই আছে। ছেলেবেলা থেকেই আমি পিতৃমাতৃহীন। আমার আপনার কেউ নেই। সুতরাং কিসের লজ্জা, কোথায় দ্বিধা, ভয় করবারই বা কারণ কি?

    বলতে-বলতে ওর চোখ দপ করে জ্বলে উঠলো।

    কফি তৈরী করতে করতে হৈমন্তী চমকে গেল। শ্রীমন্তের ছোট ছোট চোখে যেন সাপের হিংস্র দৃষ্টি!

    সে স্তব্ধ হয়ে গেল। শ্রীমন্তের এই রূপ এর আগে কখনো দেখেনি। যে গুরুতর বিষয়ের আলোচনা সে করতে এসেছিল, তার কিছুই হোল না। নীরবে এক পেয়ালা কফি শ্রীমন্তের দিকে এগিয়ে দিয়ে সে যাবার জন্যে উঠে দাঁড়ালো।

    শ্রীমন্ত জিজ্ঞাসা করলে, তুমি খাবে না কফি?

    হৈমন্তীর কেমন যেন মাথা ঝিমঝিম করছে। সব গোলমাল লাগছে। ফিকে একটুখানি হেসে বললে, সর্বনাশ! এমনিতেই আমার চোখে ঘুম নেই, তার ওপর কফি?

    সে যেমন নিঃশব্দে এসেছিল, তেমনি নিঃশব্দে বেরিয়ে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসোনালী দুঃখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article প্রথম আলো ২ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    Related Articles

    সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    বন্ধনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 31, 2026
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    বসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 29, 2026
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    মহাকাল – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 29, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Our Picks

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }