Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    তার চোখের তারায় – সায়ক আমান

    August 6, 2026

    ভালোবাসা নাও, হারিয়ে যেও না – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026

    নিরুদ্দেশের দেশে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালোঘোড়া – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    সরোজকুমার রায়চৌধুরী এক পাতা গল্প194 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কালোঘোড়া – ২৪

    চব্বিশ

    সকাল থেকেই হৈমন্তীর শরীরটা খারাপ করছিল। পেটের মধ্যে মন্দ মন্দ ব্যথা তো ছিলই, থেকে থেকে বুকটাও কেমন ধড়ফড় করছিল। কিন্তু সে-কথা গোপন করে লোকচক্ষুর আড়ালে আড়ালেই সে ঘুরছিল। এমনই আড়ালে আড়ালে যে, কদম-ঝির সতর্ক দৃষ্টিকেও ফাঁকি দিতে পেরেছিল।

    কিন্তু বেলা যত বাড়ে যন্ত্রণাও তত বাড়ে। অবশেষে দুপুরে সে শয্যা নিলে। কদম- ঝির চোখ পড়লো তখন। গিন্নীমাকে সে ছুটে গিয়ে খবর দিলে। তখন তিনি ঠাকুরঘর থেকে সবে বেরুচ্ছেন।

    তাঁরও কি যেন হয়েছে। সংসারে কি হচ্ছে, কি হচ্ছে-না সেদিকে চোখ মেলে তাকানই না। ছেলে-মেয়ে, চাকর-বাকর কে খেলে কে না খেলে তাও আর দেখেন না। এমন কি, শাশুড়ীর মৃত্যুর পর থেকে একখানা হাত পাখা নিয়ে স্বামীর খাওয়ার কাছে বসার যে দীর্ঘকালীন অভ্যাস, ভালো চাল দুর্লভ হওয়ার পর থেকে তাও যেন ছেড়েছেন। কারও সঙ্গে কথাবার্তা, গল্প-গুজব তাও নেই। এই সংসার যেন তাঁর কাছে বিষ হয়ে উঠেছে।

    ভোরে উঠে স্নান করে সেই যে ঠাকুরঘরে যান, বার হন দুপুরে। দুটি খেয়ে আবার সেই ঠাকুরঘরের বারান্দায় বসে কিছু ধর্মপুস্তক হয়তো পড়েন। পড়তে পড়তে ঘুম এলে সেইখানেই আঁচল বিছিয়ে হয়তো একটু গড়িয়ে নেন। তখন তাঁকে বিরক্ত করা নিষেধ। ঝি এসে মাঝে মাঝে তাঁর মাথার চুলে হাত বুলিয়ে দেয়। কিন্তু সে তিনি টের পান কি না বোঝা যায় না।

    ‘দেবধামে’র ঘোষ পরিবারের গৃহিণী-জীবন পরিত্যাগ করে তিনি যেন এই বিগ্রহদেবতাকে কেন্দ্র করে নতুন জীবন আরম্ভ করার সাধনায় মগ্ন।

    কিন্তু কদমের মুখে হৈমন্তীর শারীরিক অবস্থা শুনে তিনি ব্যস্তভাবে নেমে এলেন।

    তখনই খবর দেওয়া হোল তাঁদের পারিবারিক ধাত্রীকে। অভিজ্ঞ ধাত্রী। পাস করা যদিচ নয়, কিন্তু দীর্ঘকালীন অভিজ্ঞতার ফলে এ পাড়ায় তার নামযশ আছে। নানারকম পরীক্ষা করেও তার মনে হোল না যে প্রসবের সময় আসন্ন। অথচ এই যন্ত্রণা, বিশেষ করে বুকের ধড়ফড় ভাব কেন হচ্ছে, তার কিছুই বুঝতে পারলে না। সে ভয় পেয়ে গেল। বললে, একজন ভালো লেডী ডাক্তারকে খবর দিতে।

    লেডী ডাক্তার যখন এলেন তখন হৈমন্তী সংজ্ঞাহীন।

    তিনিও তার নাড়ী, বুক এবং পেট পরীক্ষা করে ভয় পেয়ে গেলেন। পরামর্শ দিলেন এখনই অ্যাম্বুলেন্সকে খবর দিয়ে হাসপাতালে পাঠাতে। এ চিকিৎসা বাড়িতে সম্ভব নয়।

    অ্যাম্বুলেন্স! হাসপাতাল! ঘোষ-পরিবারে যা কখনো হয়নি! বাড়ির মধ্যে ঝি-চাকরের মুখে একটা হাহাকার পড়ে গেল। তারা যেন বুঝলে আর রক্ষা নেই।

    বাগানের কোণ থেকে নিশীথ রাত্রে কে যেন অত্যন্ত চাপা সুরে কাঁদে, কদম কতদিন শুনেছে। মোক্ষদা-ঝি নিজের চোখে ওদিকের ছাদের কোণে টকটকে লালপাড় শাড়ি- পরা একটি মূর্তিকে পিছন ফিরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছে। এমন কি অমন যে- অসমসাহসী দারোয়ান সেও স্বীকার করেছে, সারারাত্রি বাড়িময় কারা যেন টিপে টিপে পা ফেলে সন্তর্পণে ঘোরা-ফেরা করে, ফিসফাস কথা কয়।

    কিন্তু নয়নতারা, ওই যে বেঁটে-খাটো থুপথুপে মানুষটি, তাঁর মনের মধ্যে এত শক্তি কোথা থেকে এল কে জানে। পরিষ্কার দৃঢ়কণ্ঠে লেডী ডাক্তারকে তিনি বলে দিলেন : ঘোষ-বাড়ির মেয়ে-বৌ কখনও হাসপাতালে যায় না, যাবেও না। যা করা দরকার, যত টাকা লাগে, আপনি এইখানে ব্যবস্থা করুন!

    ব্যাপার দেখে লেডী ডাক্তার তখনই ফোন করলেন একজন বড় বিশেষজ্ঞকে। রোগীর সমস্ত অবস্থা, এমন কি অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে এবং হোলে এই বাড়ীতেই হতে হবে, তাও তিনি জানালেন।

    ডাক্তার জানালেন, তিনি তাঁর একজন সহকারীকে নিয়ে দশ মিনিটের মধ্যে আসছেন। অপারেশনের দরকার হোলে তারও ব্যবস্থা করার অসুবিধা হবে না। ইতিমধ্যে তাঁর এবং তাঁর সহকারীর ফিজের কথাটাও যেন রোগীর অভিভাবকদের জানিয়ে রাখা হয়।

    নয়নতারা সরকারকে নিভৃতে ডেকে একটি গহনার পুঁটলি তার হাতে দিয়ে বললেন, পাঁচ হাজার টাকা খুব পাওয়া যাবে। টাকাটা কিন্তু এক ঘণ্টার মধ্যে দরকার।

    নয়নতারা সুবিমল ও বাসন্তীকে তখনই খবরটা জানাতে বললেন। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, এত বড় একটা বিপদের খবর হিমাংশুবাবুকে জানাবার কথা, কি নয়নতারা, কি ঝি-চাকর, কারও মনেই উদিত হোল না।

    তিনি তখন তাঁর ঘর থেকে শঙ্করের উদ্দেশে অজস্র গালিবর্ষণ করছেন। সুমিত্রা এবং শ্রীমন্ত এল সেই মুহূর্তে।

    .

    সুমিত্রাকে দেখে নয়নতারা যেন একটু আশ্বস্ত হোলেন। বাড়িতে জনকয়েক ঝি- চাকর মাত্র। এমন কেউ নেই বিপদের সময় যার সঙ্গে পরামর্শ করা যায়।

    বললেন, এসো বৌমা। দেখছ তো হিমুর অবস্থা। ভগবান জানেন, আমাদের অদৃষ্টে কি আছে। শ্ৰীমন্ত আসেনি?

    —এসেছেন। নিচে রয়েছেন।

    সুমিত্রা দরজা থেকেই দেখতে পেলে লেডী ডাক্তার তখনই একটা ইনজেকশন দিয়ে নিঃশব্দে তার ক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করছেন। ধাত্রী পাশে দাঁড়িয়ে তাঁকে সাহায্য করছেন।

    সুমিত্রা নয়নতারাকে জিজ্ঞাসা করলে, ছোটদির কি জ্ঞান নেই?

    —না, ঘণ্টা দেড়েক হোল এই অবস্থা। লেডী ডাক্তার সাহস পাচ্ছেন না। বড় ডাক্তারকে খবর দেওয়া হয়েছে, তিনিও এখনই এসে পড়বেন। হয়তো অপারেশনের দরকার হবে।

    এতক্ষণে নয়নতারার চোখে একবিন্দু জল দেখা গেল।

    —বাড়িতেই অপারেশন হবে?—সুমিত্রা জিজ্ঞাসা করলে।

    —দরকার হোলে তাই হবে মা। ঘোষ-বাড়ির বৌ-ঝি কি কখনও হাসপাতালে গেছে? যা কখনও হয়নি, অন্তত আমি যতক্ষণ আছি ততক্ষণ তা হতে দোব না।

    সুমিত্রা বুঝলে এটা সংস্কারের প্রশ্ন। এ নিয়ে তর্ক করে লাভ নেই। বললে, কিন্তু সে তো অনেক খরচের ব্যাপার মা।

    —তা বললে কি করা যায় বলো। খরচ করতে হবে।

    এমন সময় বড় ডাক্তার এবং তাঁর পিছু পিছু তাঁর সহকারী এসে উপস্থিত হলেন। লেডী ডাক্তার চিন্তিত মুখে একটা চেয়ারে বসে ছিলেন। বড় ডাক্তারকে দেখে উঠে দাঁড়ালেন।

    রোগিণীর অবস্থা সম্পর্কে লেডী ডাক্তারের মুখভাবই যথেষ্ট ব্যাখ্যা। সুতরাং বিনা প্রশ্নে বড় ডাক্তার রোগিণীকে পরীক্ষা করতে লেগে গেলেন।

    পরীক্ষা শেষে ডাক্তার ইংরাজিতে বললেন, এঁকে অনেক আগেই হাসপাতালে পাঠানো উচিত ছিল।

    বলে একবার লেডী ডাক্তারের দিকে এবং তারপরে দ্বারপ্রান্তে অর্ধাবগুণ্ঠিতা নয়নতারার দিকে চাইলেন।

    লেডী ডাক্তার জবাব দেবার আগেই সুমিত্রা ইংরাজিতেই জবাব দিলে, তা হবার নয়। এ বাড়িতে হাসপাতালে পাঠাতে সংস্কারে বাধে।

    বড় ডাক্তার আর কথা বাড়ালেন না। তাঁর সহকারীর দিকে চেয়ে বললেন, আর নষ্ট করবার মতো সময় নেই। তুমি গাড়িখানা নিয়ে যাও এবং সমস্ত ব্যবস্থা করো।

    তারপরে সুমিত্রাকে প্রশ্ন করলেন, আপনি রোগিণীর কে?

    —আত্মীয়।

    —এ তো অনেক ব্যয়সাধ্য ব্যাপার।

    —তাতে অসুবিধা হবে না।

    সুবিধা-অসুবিধা সম্বন্ধে কিছুই সুমিত্রার জানা নেই। নয়নতারার কথায় বোধ হয়েছিল তাতে অসুবিধা হবে না। তথাপি ঘোষ বংশের আর্থিক অবস্থাও তার অবিদিত নয়। সুতরাং শ্রীমন্ত যে নিচে রয়েছে, এও হয়তো তার একটা মস্ত ভরসা।

    তা ছাড়া সুবিমল আছে। সেও এই মুহূর্তে উদ্বিগ্ন মুখে ব্যস্তভাবে এসে নিঃশব্দে দাঁড়ালো।

    সুমিত্রা পরিচয় করিয়ে দিলে, ইনিই রোগিণীর স্বামী।

    বড় ডাক্তার একটু মুশকিলে পড়েছিলেন। এসে পর্যন্ত একজন পুরুষেরও তিনি সাক্ষাৎ পাননি। দ্বারপ্রান্তে ওই অর্ধাবগুণ্ঠিতা মহিলা এবং ভিতরে সুমিত্রা। কিন্তু সুমিত্রার মুখের ইংরাজি কথা সত্ত্বেও তিনি রোগের অবস্থা সম্বন্ধে তার সঙ্গে আলোচনায় ঠিক উৎসাহ বোধ করছিলেন না। সুবিমলকে দেখে যেন তিনি একটা অবলম্বন পেলেন।

    বললেন, ও আপনি এসে গেছেন। চলুন ওঘরে।

    সুবিমলকে নিয়ে ডাক্তারবাবু অন্য ঘরে যেতেই সুমিত্রা এসে নয়নতারার কাছে দাঁড়ালো।

    নয়নতারা বোধহয় অন্য কথা ভাবছিলেন। ওর দিকে চেয়ে সস্নেহে জিজ্ঞাসা করলেন, কি মা?

    —আমিও তো আপনার মেয়ে, না মা?

    —তাই তো মা। তুমিও আমার মেয়ে।

    —তাহলে কোনো সংকোচ করবেন না। অনেক টাকার ব্যাপার মনে হচ্ছে। সে ব্যবস্থা কি করা হয়েছে?

    সরকার তখনও ফেরেনি অবশ্য। কিন্তু সে যে ব্যবস্থা করেই ফিরবে সে বিষয়ে তাঁর সংশয় নেই।

    বললেন, অনেক টাকা বলতে কত টাকা তা তো বুঝতে পারছি না মা। তবে মনে হয় সে অসুবিধে হবে না। কিন্তু হিমু আমার বাঁচবে তো মা?

    বলেই তিনি ঝর ঝর করে কেঁদে ফেললেন।

    সন্দেহ সুমিত্রার মনেও আছে। তবু আশ্বাস দিয়ে জোর করে বললে, বাঁচবেন বই কি মা। ভগবান কি এত বড় অবিচার করতে পারেন?

    —তাই বলো মা। তোমরা সবাই আমার হিমুকে আশীর্বাদ করো।

    বাসন্তী এতক্ষণ হিমুর কাছে দাঁড়িয়ে ছিল। জিজ্ঞাসা করলে, ঠাকুরপো কোথায় গেল মা?

    বাসন্তীর সঙ্গে সুমিত্রার পরিচয় নেই। কোনোদিন সাক্ষাতের সুযোগও ঘটেনি। কিন্তু দেখেই চিনতে বিলম্ব হোল না যে, ইনি হৈমন্তীর দিদি।

    নয়নতারার হয়ে সে-ই উত্তর দিলে, উনি ডাক্তারবাবুর সঙ্গে ওঘরে কথা কইছেন।

    বাসন্তী এই অপরিচিতা মেয়েটির দিকে বিস্মিত দৃষ্টিতে চাইতেই নয়নতারা বললেন, এটি শ্রীমন্তর বউ। হিমুর সঙ্গে খুব ভাব।

    সুমিত্রা যুক্তকরে নমস্কার করলে।

    বাসন্তী প্রতি নমস্কার করলে, কিন্তু আলাপ করার মতো মনের অবস্থা তার নয়। সে বোধ করি সুবিমলকে খোঁজবার জন্যে ওদিকে চলে গেল।

    .

    তখন অপারেশন টেবিল থেকে আরম্ভ করে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি এসে গেছে। ইনজেকশনের পরেও হৈমন্তীর জ্ঞান ফিরে আসেনি।

    সুবিমল ব্যস্তভাবে এসে নয়নতারাকে ডাকলে। বললে, মা, একটু এদিকে শুনুন। নয়নতারা কাছে আসতেই সুবিমল বললে, আমি একটু বাইরে যাচ্ছি মা। আমার ফিরতে দেরি হবে না।

    নয়নতারা ব্যস্ত হয়ে উঠলেন। বললেন, না বাবা, এসময় আমি কাউকে এক মিনিটের জন্যেও ছেড়ে দোব না।

    —কিন্তু বড্ড দরকার যে মা!

    —যত দরকার হোক যে দরকারের সামনে আজ দাঁড়িয়ে রয়েছি এমন দরকার আর কিছুই নয়।

    সুবিমল একটু দ্বিধা করতে লাগলো। তারপর বললে, কিছু টাকা নিয়ে আসি মা! যাব আর আসব।

    সরকারকে দেখা গেল। ওদিকের বারান্দা পেরিয়ে হন হন করে ব্যস্তভাবে আসছে। হাতে পুটলীটি নেই।

    নয়নতারা বললেন, টাকার কিছু দরকার হবে না বাবা। তুমি সবসময় কাছে কাছে থাক। নইলে আমি পাগল হয়ে যাব বাবা, আমি পারছি না।

    সুমিত্রা নিচে গিয়েছিল শ্রীমন্তকে খবরটা দেবার জন্যে। শ্রীমন্তর নোটগুলো তখনও তার মুঠোর মধ্যে। সেগুলো ব্যাগে পোরার কথা তার মনেই নেই।

    নিঃশব্দে এসে সে ওদের দু’জনের কাছে দাঁড়ালো।

    সুবিমল এবং সে নিঃশব্দে নমস্কার বিনিময় করলো।

    বাসন্তী এসে জিজ্ঞাসা করলে, ডাক্তার কি বলছেন?

    —অপারেশন করতে হবে। এখনই।–সুবিমল উত্তর দিলে।

    –জ্ঞান হচ্ছে না কেন?—বাসন্তী প্রশ্ন করলে।

    এ প্রশ্নের কে উত্তর দেবে?

    —ডাক্তার ভরসা কিছু দিলেন? পুনরায় বাসন্তী জিজ্ঞাসা করলে।

    নিরুত্তরে সুবিমল আকাশের দিকে চাইলে। অর্থাৎ সেটা ভগবানের হাতে।

    —শঙ্করকে দেখছি না কেন মা?—একটু পরে বাসন্তী পুনরায় প্রশ্ন করলে।

    নয়নতারা প্রথমে এ প্রশ্নের উত্তর দিলেন না, যেন শুনতেই পাননি। কিন্তু বাসন্তী প্রশ্নটির পুনরাবৃত্তি করতে যেন একটা অব্যক্ত যন্ত্রণায় দাঁত দিয়ে নিচের ঠোঁটটা চেপে ধরলেন।

    তারপর ধীর কণ্ঠে বললেন, কাল সকাল থেকেই সে উধাও।

    —উধাও? কোথায়?-এক সঙ্গে বাসন্তী এবং সুবিমল প্রশ্ন করলে।

    আবার একটু থেমে দম নিয়ে নয়নতারা বললেন, জাহান্নমে।

    —বাবা?—এবারে বাসন্তী খুব ভয়ে ভয়েই প্রশ্ন করলে। তার গলায় জোর নেই। প্রশ্ন করেই সে যেন আরও একটা মর্মভেদী উত্তরের জন্যে প্রতীক্ষা করতে লাগলো।

    হিমাংশুবাবু সম্বন্ধে নয়নতারা কিছুই জানেন না। তাঁর জীবনযাত্রা অমনই দাঁড়িয়েছে এবং তার ফলে এই পরিবারে তাঁর প্রয়োজন এমনই নিঃশেষ হয়েছে যে, এতবড় একটা বিপদের সামনে দাঁড়িয়েও নয়নতারা তাঁকে স্মরণ করার আবশ্যকতা অনুভব করেননি।

    কন্যার প্রশ্নে তিনি বিব্রতভাবে এদিক-ওদিক চাইতেই সরকার উত্তর দিলে, তাঁকে এক্ষুনি ট্যাক্সি করে শ্রীমন্তবাবুর সঙ্গে বেরিয়ে যেতে দেখলাম।

    শ্রীমন্তবাবুর সঙ্গে? এই সময়?

    সুবিমলের বিস্ময়ের আর অবধি নেই। শ্রীমন্ত হিমাংশুবাবুকে নিয়ে কোথায় গেছে না জানলেও এই সময়ে ভ্রুক্ষেপহীন বেরিয়ে যাওয়া এমনই কদর্য যে, সুবিমলের প্রশ্নে লজ্জায় সুমিত্রার মুখ বিবর্ণ হয়ে উঠলো।

    তার উপর নয়নতারার কেমন যেন একটা স্নেহ পড়েছে এবং শ্রীমন্তকে অজ্ঞাতসারে কেমন যেন তিনি ভয় করতে আরম্ভ করেছেন।

    তাড়াতাড়ি বললেন, ও কথা এখন থাক বাবা। যা করবার আমাদের এই ক’জনকেই করতে হবে। খরচের কথা ডাক্তারবাবু কি বললেন বলো।

    সুবিমল বাসন্তীর দিকে চেয়ে বললে, সেজন্যে চিন্তা করতে হবে না মা। সে হয়ে যাবে’খন।

    দৃঢ়কণ্ঠে নয়নতারা বললেন, তা হয় না বাবা। আমার মেয়ে আমার বাড়িতে অসুখে পড়েছে। এর খরচ আমিই দোব! তুমি টাকা তোমার কাছে রেখে দাও। ঠিক সময়ে ডাক্তারকে দিয়ে দেবে।

    সুবিমল বললে, তাই হবে মা। ঠিক সময়ে আমি আপনার কাছে চেয়ে নোব।

    —মনে করে চেয়ে নিও যেন বাবা। আমার কাছে চাইতে হবে না, এই কেদারের কাছে চাইলেই হবে।

    বলে নয়নতারা সরকারকে দেখিয়ে দিলেন।

    .

    ইতিমধ্যে আরম্ভ হয়ে গেছে রাজসূয় যজ্ঞ।

    বড় একখানা ঘর মেঝে থেকে দেওয়ালের অনেকখানি পর্যন্ত ডেটল দিয়ে ধোয়া হয়ে গেছে। সেখানে পড়েছে অপারেশন টেবিল। পাশে আর একখানা টেবিলে নানা আকারের ঝকঝকে যন্ত্রপাতি। দেখলে ভয় করে। একজন সহকারী সেগুলি গরম জলে ফুটিয়ে বিশোধন করে পরের পর সাজাচ্ছেন। এসে গেছেন অ্যানিস্থেটিস্ট, সিস্টার, নার্স। গাড়ি নিয়ে লোক চলে গেছে রোগিণীর রক্তের নমুনা নিয়ে ব্লাড ব্যাঙ্কে। অবিলম্বে সে আসবে বোতল-ভর্তি রক্ত নিয়ে। প্রয়োজন হোলে আরও রক্ত যাতে পাওয়া যায়, বড় ডাক্তার টেলিফোনে সে ব্যবস্থাও ব্লাড ব্যাঙ্কের সঙ্গে করেছেন। তার ফলে ঘোষ- পরিবারের দু’জন কর্মচারী রক্তদানের জন্যে তৈরী হয়েছেন এবং ব্লাড ব্যাঙ্কের একজন কর্মচারী রক্ত নেবার জন্যে আসছেন।

    রোগিণী তখনও সংজ্ঞাহীন। তার অবস্থা আরও খারাপ। ডাক্তারবাবু সুবিমলকে সন্তানের জীবনের আশা ত্যাগ করবার জন্যে বলেই দিয়েছেন। হৈমন্তীকে যদি বাঁচানো যায় তাহলেই তিনি শ্রম সার্থক মনে করবেন।

    ঘরের মধ্যে ডাক্তার ও নার্স ছাড়া কারও প্রবেশাধিকার রইলো না। দ্বারে ঝোলানো হোল একটা ভারি পর্দা। কোয়ার্টার তিনেকের মধ্যে ঘরখানি গন্ধে, যন্ত্রসজ্জায় এবং উৎকণ্ঠিত স্তব্ধতায় একটি ক্ষুদ্র হাসপাতালে পরিণত হোল।

    আরম্ভ হয়ে গেল হৈমন্তীর দেহে রক্ত-সঞ্চার। তার অভিজাত রক্তধারার সঙ্গে ধীরে ধীরে সংমিশ্রিত হতে লাগলো কার রক্ত কে জানে! হয়তো কোনো উদার হৃদয় দাতার রক্ত, নয়তো ক্ষুধার্ত পরিজনের মুখে দু’মুঠো অন্ন দেবার জন্যে কয়েকটি মুদ্রার বিনিময়ে রক্তদান করে গেছে যে অভাগা, তারই রক্ত।

    রোগিণীর রক্তচাপ এবং নাড়ী পরীক্ষা করে অ্যানিস্থেটিস্ট ক্লোরোফর্ম দেওয়া আরম্ভ করলেন। বড় ডাক্তার এবং তাঁর সহকারী দু’জন ডাক্তার প্রস্তুত। তাঁদের সাহায্যের জন্যে রয়েছেন একজন নার্স। সকলেই পর্যায়ক্রমে একবার অ্যানিস্থেটিস্ট, একবার রোগিণীর দিকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে চাইছেন। অ্যানিস্থেটিস্টের ইঙ্গিতমাত্র আরম্ভ হবে অস্ত্রোপচার।

    থমথম করছে ‘দেবধাম’। নিস্তব্ধ, নিঃঝুম। বাইরে হাওয়া দিচ্ছে ঝির ঝির। সেই হাওয়ায় মনে হচ্ছে সমস্ত বাড়িখানা যেন বেতপাতার মতো থর থর করে কাঁপছে।

    ক্লোরোফর্মের পাঁচ মিনিটের মধ্যে অ্যানিস্থেটিস্টের ইঙ্গিত পাওয়া মাত্র চক্ষের পলকে সহকারী তুলে দিলেন স্ক্যালপেল বড় ডাক্তারের হাতে। সেই তীক্ষ্ণ ছুরিকা তখনই বিঁধে গেল হৈমন্তীর জঠর-নিম্নে। তারপরে আরও অনেকখানি। জঠরের আরও অনেকখানি ফাঁক হয়ে গেল এবং সঙ্গে সঙ্গে শুশুকের মতো ভুস্ করে বেরিয়ে এল ভ্রুণকোষ।

    কিন্তু রক্ত? রক্ত কই? কয়েকটি শিরা বেয়ে অত্যন্ত ক্ষীণ ধারায় বেরিয়ে আসছে ঘোষবংশের নিঃশেষিত-প্রায় অভিজাত রক্ত। অত্যন্ত ক্ষিপ্র হস্তে সেই সামান্য ক’টি রক্তধারার মুখ আর্টারী ফর্সেপ দিয়ে ধরে বেঁধে দেওয়া হোল।

    কিন্তু জঠর-গহ্বরে রক্ত কত? যেন একটা বিশুষ্ক প্রায় পল্বলের নিচে টলটল করছে। সঙ্গে সঙ্গে সেই রক্ত মুছে ফেলে ভ্রুণকোষ নিয়ে পড়লেন ডাক্তারবাবু। নির্দিষ্ট সময় মাত্র হাতে। অ্যানিস্থেটিস্ট মাঝে মাঝে নিচ্ছেন রক্তচাপ, গুনছেন নাড়ী এবং নিঃশ্বাস- প্রশ্বাস। লক্ষ্য করছেন রোগিণীর দেহে কি ভাবে রক্ত-সঞ্চার হচ্ছে এবং যিনি রক্ত- সঞ্চার করছেন তাঁকে মাঝে-মাঝেই তিনি নির্দেশ দিচ্ছেন কখনও দ্রুত, কখন আরও মন্থর রক্ত-সঞ্চারের জন্যে।

    বড় ডাক্তারের হাতে এপাশ থেকে এগিয়ে দেওয়া হচ্ছে একটির পর একটি অস্ত্র। কাজ হওয়ামাত্র তাঁর হাত থেকে তুলে নিয়ে ওপাশে গুনে রাখা হচ্ছে। বড় ডাক্তারের সেদিকে ভ্রুক্ষেপ নেই। তন্ময় হয়ে তিনি কাজ করে চলেছেন অত্যন্ত ক্ষিপ্র নিপুণ হাতে। সময় নেই। সময় অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত এবং সীমাবদ্ধ। দেখা এবং করার মধ্যে চিন্তার অবকাশ অল্প।

    ভ্রূণকোষের দিকে চেয়ে দেখেন সেখানে প্রকাণ্ড একটা ছিদ্র। বুঝতে বিলম্ব হোল না কেন এমন ঘটেছে। প্রসব-বেদনা ভোগ করতে হয়েছে দীর্ঘক্ষণ। জাতকের মাথাটা বেশ বড়, কিন্তু অস্থিময় অংশগুলি নিতান্ত অপুষ্ট। সুতরাং ভ্রূণকোষের নিম্নাংশ গেছে অনেকখানি ফেঁসে! জাতকের দেহের প্রায় আধখানা বেরিয়ে এসেছে ভ্রূণকোষ থেকে।

    অতি সন্তর্পণে সেই দেহ মুক্ত করা হোল। ছোট্ট একটি অপরিণত মৃত শিশু। নার্স সঙ্গে সঙ্গে সেটি তোয়ালে ঢেকে সরিয়ে রাখলে। তারপরে বার করে নেওয়া হোল ভ্রূণ- পুষ্প।

    কিন্তু ভ্রূণকোষের ঐ ছিদ্র? ওটা যদি মেরামত হয়, আগামীবারের প্রসবকালে আবার রোগিণীর জীবন বিপন্ন হবে। যদি না করা হয়, তাহলে সন্তান লাভের আশা চিরতরে বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

    ডাক্তারের ললাটে একটা ভ্রুকুটি দেখা গেল। গুরুশ্রমে বিন্দু বিন্দু ঘামও জমেছে। ধীরে সুস্থে চিন্তা করার সময় নেই। অনিচ্ছা সত্ত্বেও তিনি বার করে দিলেন ভ্ৰূণকোষ।

    কি হবে রেখে? সূর্যবংশ, চন্দ্রবংশই যদি নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে পারে, কাঁটাপুকুরের বসুবংশের একটি শাখা ক্ষুদ্র একটি বুদ্বুদের মতো মিলিয়ে গেলে, সেটা বাংলাদেশের পক্ষে এমন কিছু একটা শোকাবহ ঘটনা হবে না।

    বড় কাজ চুকে গেছে। অস্ত্রোপচার শেষ। এর পরের কাজ নিতান্ত সহজ এবং মামুলী। অস্ত্রোপচারের যন্ত্রপাতি, স্পঞ্জ, তোয়ালে, এক এক করে গুনে নেওয়া এবং স্তরে স্তরে জঠর প্রদেশ সীবন করে যাওয়া।

    এতক্ষণে ডাক্তারবাবু রোগিণীর দিকে এবং চারিপাশে চাইবার সময় পেলেন। অস্ত্রোপচার শেষ। একটা স্বস্তির নিশ্বাস ফেললেন তিনি।

    হৈমন্তী তখনও সংজ্ঞাহীন।

    অতি সন্তর্পণে তাকে সরিয়ে নেওয়া হোল তার বিছানায়। তার সঙ্গে রইলেন একজন সহকারী এবং নার্স—অস্ত্রোপচারের পরে তার ক্রমোন্নতি লক্ষ্য করবার জন্যে।

    কিন্তু আরও রক্ত চাই—অ্যানিস্থেটিস্ট বললেন। দু’বোতল নিঃশেষ হয়েছে। নীল রক্তপ্রবাহ বিরুদ্ধ ধরণীর বালুকাস্তূপে যাতে না হারিয়ে যায়, তার জন্যে আরও অন্তত এক বোতল রক্তের প্রয়োজন।

    তার জন্যে দাতা প্রস্তুত? বাইরের জগতে তার রক্ত নীল নয়, কালো বলা যেতে পারে। সাধারণ মানুষের বিচারে হৈমন্তীর থেকে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র। সাধারণ মানুষের বিচারে এর ধর্ম পৃথক, জাতি পৃথক এবং মূল্যও পৃথক। কিন্তু প্রাণীতত্ত্বের শ্রেণীবিভাগে তা নাকি হৈমন্তীর সঙ্গে হুবহু এক।

    আরম্ভ হোল সেই রক্তমোক্ষণ। কতক্ষণেরই বা কাজ? নির্দিষ্ট পরিমাণ রক্ত দেওয়া, আধঘণ্টাটাক শুয়ে থাকা, তারপর এক পেয়ালা চা খেয়ে আবার দৈনন্দিন বাঁধা কাজে লেগে যাওয়া।

     সেই রক্ত হৈমন্তীর সংজ্ঞাহীন দেহে ধীরে ধীরে সঞ্চার করা হতে লাগলো।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসোনালী দুঃখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article প্রথম আলো ২ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    Related Articles

    সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    বন্ধনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 31, 2026
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    বসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 29, 2026
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    মহাকাল – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 29, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তার চোখের তারায় – সায়ক আমান

    August 6, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তার চোখের তারায় – সায়ক আমান

    August 6, 2026
    Our Picks

    তার চোখের তারায় – সায়ক আমান

    August 6, 2026

    ভালোবাসা নাও, হারিয়ে যেও না – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026

    নিরুদ্দেশের দেশে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }