Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    তার চোখের তারায় – সায়ক আমান

    August 6, 2026

    ভালোবাসা নাও, হারিয়ে যেও না – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026

    নিরুদ্দেশের দেশে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কালোঘোড়া – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    সরোজকুমার রায়চৌধুরী এক পাতা গল্প194 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কালোঘোড়া – ১৯

    উনিশ

    ইউরোপে জার্মানী ও ইতালীর হার আরম্ভ হয়েছে! রাজা ইমানুয়েল আত্মসমর্পণ করেছেন। জার্মানবাহিনী রোম অধিকার করে মিত্রবাহিনীকে বাধা দিচ্ছে। ওদিকে সোভিয়েট বাহিনী স্মলেনস্ক ও কিয়েভ পুনরধিকার করেছে। লেনিনগ্রাড অবরোধমুক্ত। লাল ফৌজ ওদিকে পুরানো রুশ পোলিশ সীমান্ত এবং এস্তোনীয়া সীমান্ত অতিক্রম করেছে। এদিকে বেসারেবিয়াও দখল করেছে।

    কিন্তু মিত্রপক্ষের এই জয়-সংবাদেও ভারতবাসী ঠিক বিশ্বাস করতে পারছে না। জার্মানী হারছে, এ কি করে সম্ভব? নিশ্চয় কোথায় একটা কি প্যাঁচ আছে। মিত্রপক্ষ এগুচ্ছে এগুক, কিন্তু হঠাৎ একসময় শেষ প্যাঁচে পড়ে কাবু হয়ে যাবে হয়তো। যুদ্ধে কে যে কোথায় হারে কিছুই বলা যায় না। গেল মহাযুদ্ধে জার্মানী প্যারিসের কাছে এসে হেরে গিয়েছিল। এবার মিত্রপক্ষ যদি বার্লিনের কাছে এসে হেরে যায়, তাতেই বা বিস্ময়ের কি থাকতে পারে? বিশেষ যুদ্ধের খবর পরিবেশনের ভার যখন ইংরেজের হাতে এবং আমরা নিজেরা যুদ্ধের কিছুই বুঝি না, তখন জয়-পরাজয় সম্বন্ধে সুনিশ্চিত হবার উপায় কোথায়?

    এমনি একটা অনিশ্চিত অবস্থার মধ্যে খবর এলো জাপানীরা ভারত সীমান্ত অতিক্রম করে মণিপুর রাজ্যে ঢুকে পড়েছে।

    খবর পাওয়া গেল ২২শে মার্চ। কিন্তু কবে যে তারা ঢুকেছে কে জানে। কে জানে বৃটিশ এবং মার্কিন সৈন্য ওদের ঠেকাতে পারবে কি না। যদি না পারে তাহলে ভারতবর্ষের কি অবস্থা হবে তা নিয়ে চায়ের দোকানে দোকানে তুমুল গবেষণা চলতে লাগলো।

    আশ্চর্য এই যে, যখন জাপানীরা সবে রেঙ্গুন দখল করলো তখন কলকাতা থেকে লোক পালাতে লাগল। যখন প্রথম বোমা ফেললে গোটা কতক মাত্র বোমা, কয়েকটি মাত্র দিনের জন্যে,—তখনও কলকাতা থেকে লোক পালানোর সে কি ধুম! আর এখন, যখন খবর এলো খাস জাপানী সৈন্য মণিপুরে প্রবেশ করে গেছে, তখন কলকাতার ইন্দুরটি পর্যন্ত নড়বার লক্ষণ দেখালো না!

    লোকেদের সাহস কি বেড়ে গেল? অথবা বার বার দু’বার ঠকে এবার তারা মৃত্যুর আগে ঠকতে রাজি হোল না?

    অথচ কী কষ্টেই না লোকেরা কলকাতায় রয়েছে! মোটরের গ্যারাজ, পানের দোকান, এঁদো আস্তাবল সর্বত্র খোপে-খোপে মানুষ বাসা বেঁধেছে! খাবারের কষ্ট, পানীয় জলের কষ্ট, অস্বাস্থ্যকর আবহাওয়া কিছুই গ্রাহ্য না করে মানুষ সহস্র অসুবিধা এবং দুঃখ-কষ্টের মধ্যে রয়েছে, তবু জাপানীদের আগমন সংবাদেও কেউ ভয়ও পেলে না, নড়বার নামও করলে না।

    নিত্য রকমের লোমহর্ষক গুজব ওঠে! সকালে-সন্ধ্যায়, অফিসে, চায়ের দোকানে, বৈঠকখানায় লোকে তা নিয়ে রসিয়ে গুলতানি করে। কিন্তু পালাবার কেউ নাম করে না। মিত্রপক্ষের আহত সৈন্যে হাসপাতাল ভর্তি হয়ে যাচ্ছে দেখেও কেউ ভয় পায় না। সবাই নিত্য নিয়মিত বাজার করে, অফিস যায়, রাত্রে বাড়ি ফিরে নিশ্চিন্তে নিদ্রা যায়। লোকেদের প্রাত্যহিক জীবনে বিন্দুমাত্রও পরিবর্তন দেখা গেল না।

    .

    এই গোলমালে বজ্রমারুতি ফিরে এলো সদলবলে কলকাতায়। তারা গিয়েছিল আসাম সীমান্তে বৃটিশ ও ভারতীয় সৈন্যদের নাচ দেখিয়ে আনন্দ দেবার জন্যে,—অবশ্য সরকারী টাকায়।

    কিন্তু এখন তাদের নাচ দেখবার সময় নেই। সুতরাং বজ্রমারুতিকে ফিরে আসতে হয়েছে।

    কিন্তু নিঃশব্দে বসে থাকবার ছেলে বজ্রমারুতি নয়। সে এসেই নিউ এম্পায়ারে একটা নাচ দেখাবার আয়োজন করলে। টিকিট বিক্রির টাকা রেড ক্রসে দেওয়া হবে। সুতরাং টিকিট-বিক্রির ভাবনা নেই। দেশী-বিলাতী ছোট-বড় অফিসার থেকে কন্ট্রাক্টর, রায় বাহাদুর সবাই, আসুন না-আসুন, মোটা টাকার টিকিট কিনে ফেলেছেন।

    দু’খানা টিকিট শ্রীমন্তও কিনেছে।

    কিন্তু ওদের যাওয়া বুঝি হয় না।

    টিকিট শ্রীমন্তকে কিনতেই হত, কিনেছে। কিন্তু ললিত-কলার উপর বিন্দুমাত্র তার অনুরাগ নেই। সে নাচ দেখতে যাবে না। সুমিত্রারও একা যেতে ইচ্ছ করেনা।

    অথচ বজ্রমারুতি তাকে বার বার আসবার জন্যে একদিন অনুরোধ করে গেছে। তার সঙ্গে সুমিত্রার সম্প্রতি পরিচয় হয়েছে। এবং দু’জনেরই দু’জনকে বেশ লেগেছে।

    বজ্রমারুতি ওর নাম নয়। পৃথক একটা পৈতৃক নাম ওর আছে। কিন্তু নাচ দেখিয়ে দেখিয়ে যত সে খ্যাতি পেয়েছে, ততই ছদ্ম নামটাই বিস্তৃতি লাভ করতে করতে আসল নামে পরিণত হয়েছে।

    ছিপছিপে লম্বা ছেলেটি। মাথায় বড়-বড় কোঁকড়া-কোঁকড়া চুল। তীক্ষ্ণ নাসা। দেহযষ্টিতে নারীসুলভ কমনীয়তা। কথায়-বার্তায়- হাসিতে একটা আশ্চর্য সরলতা। আসলে বজ্রমারুতি নামটা ওকে মোটেই মানায় না।

    এই সরলতাই বোধ করি সুমিত্রাকে আকর্ষণ করেছে।

    নিউ এম্পায়ারে যাওয়ার বাধা ঘটায় সুমিত্রা ভিতরে ভিতরে অত্যন্ত দুঃখ বোধ সুমিত্রাকে মুখভার করতে দেখে শ্রীমন্ত মনে মনে যাবার জন্যে কেবল প্রস্তুত হচ্ছিল, এমন সময় হেনরি এলো।

    ওকে দেখে সুমিত্রা উৎসাহিত হয়ে উঠলো।

    জিজ্ঞাসা করলে, যাবে?

    হেনরি জিজ্ঞাসা করলে, কোথায়?

    —নাচ দেখতে। ওরিয়েন্টাল ড্যান্সিং। নিউ এম্পায়ারে।

    —যাব। তোমাদের নাচ আমি দেখিনি কখনও। সুতরাং এত বড় সুযোগ ছাড়া যায় না। কিন্তু আমার কথা শুনেছ?

    –না।

    —ডেরা-ডাণ্ডা গুটোতে হবে এবার। ফ্রন্টে যাবার ডাক এসেছে।

    –সে কি আমি জানি? যেখানে হোক কোথাও নিয়ে গিয়ে ফেলবে,—বৰ্মায়, চীনে,

    সুমিত্রা মুহূর্তের জন্যে একটু অন্যমনস্ক হোল। তার শ্যামলী মুখের উপর দিয়ে হাল্কা এক টুকরো ছায়া খেলে গেল। চেয়ে দেখে, শ্রীমন্তর সাপের মতো চকচকে দৃষ্টি ওর মুখের উপর নিবদ্ধ। পুরু পুরু সমৃদ্ধ ওষ্ঠ-প্রান্তে একটুখানি হাসি। সে ঈর্ষার অথবা বিদ্রূপের বিচার করবার সময় সুমিত্রার নেই।

    চোখ ফিরিয়ে নিয়ে তাড়াতাড়ি হেনরিকে জিজ্ঞাসা করলে, কবে যাবে?

    —কালকেই। সেইজন্যে তোমাদের দু’জনকে লাঞ্চে নিমন্ত্রণ করতে এলাম। ওখান আমি তোমাদের নিয়ে কাটাতে চাই। মন্টি, কি বলো?

    শ্রীমন্তর মনের ভিতর ঈর্ষার কীট কামড়াতে সুরু করেছে। দুপুর থেকে রাত্রি ন’টা পর্যন্ত সুমিত্রাকে হেনরির হাতে ছেড়ে দিতে তার ইচ্ছে নেই। কিন্তু এই দুর্বলতা পাছে সুমিত্রার চোখে পড়ে, সেজন্যে সে সঙ্গে সঙ্গে শক্ত হোল।

    বললে, যেতে পারলে খুবই খুশি হতাম হেনরি। কিন্তু আজকে তো নয়ই, অন্য সময়েও নয়।

    সুমিত্রা গম্ভীরভাবে বললে, ওঁর একেবারেই সময় নেই হেনরি। ডান্সের টিকিট কেনা হয়েছে, অথচ ওঁর জন্যে আমার যাওয়া বন্ধ হচ্ছিল। ভাগ্যে তুমি এলে, তাই যাওয়ার আশা হোল।

    দুঃখের সঙ্গে হেনরি বললে, কিছুতেই যেতে পারবে না মন্টি?

    জোরের সঙ্গে ঘাড় নেড়ে শ্রীমন্ত বললে, না। আমাকে মাপ করো হেনরি। আমার মোটে সময় নেই।

    সময় না থাকলে আর উপায় কি? হেনরি একটা নিঃশ্বাস ফেলে সুমিত্রাকে জিজ্ঞাসা করলে, তাহলে তুমি যাচ্ছ তো?

    —নিশ্চয়।—সুমিত্রা যেন একটু অস্বাভাবিক জোরের সঙ্গেই বলল। শ্রীমন্তর দিকে চাইলেই না।

    —বেশ। আমি তাহলে এখন চললাম। ঠিক সাড়ে বারোটায় আসব এখন। কি বলো?

    —তাই এসো।

    হেনরি চলে গেল। সুমিত্রা তাকে সিঁড়ি পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে ফিরে আসতেই শ্রীমন্তর ঘাড়ে যেন অনেক কাজ চেপে গেল।

    ব্যস্তভাবে জিজ্ঞাসা করলে, ক’টা বাজছে মিতা?

    মিতা? সুমিত্রার মনে হোল অনেক কাল পরে মূল শ্রীমন্ত যেন তাকে এই পুরাতন নামে ডাকলে।

    মুহূর্তের জন্যে সে থমকে গেল।

    তারপর শান্ত কণ্ঠে বললে, দশটা বেজে গেছে। তুমি কি এখনই বেরুবে? তাহলে স্নান করে নাও। আমি তোমার খাবার যোগাড় করি।

    সুমিত্রা তাড়াতাড়ি নিচে নেমে গেল।

    .

    হেনরি ফিরে এলো ঠিক সাড়ে বারোটায়।

    শ্রীমন্ত বেরিয়ে গেছে কাজে। সুমিত্রা তৈরি হয়েই ছিল। হেনরি আসামাত্র বেরিয়ে পড়লো। অনেক দিন পরে তারা শুধু দু’জনে হোটেলে একটা নিরিবিলি কোণে খেতে বসলো। বিয়ে হওয়ার পর থেকে শ্রীমন্তকে না নিয়ে সুমিত্রা হেনরির সঙ্গে কোথাও বার হয়নি! এই প্রথম,—এবং হেনরি চলে যাচ্ছে, যদি চলে যায়, হয়তো এই শেষ। কে জানে, হেনরি আর ফিরবে কি না!

    অনেক দিন পরে সুমিত্রা একটা সিগারেট ধরালে।

    ওদের আলোচনা আরম্ভ হোল নাচ নিয়ে, ভারতের নৃত্য। হেনরি খুব উৎসাহের সঙ্গে নানা প্রশ্ন করতে লাগলো। সুমিত্রাও এ সম্বন্ধে যতটুকু জানতো, খুব উৎসাহের সঙ্গে বোঝাতে লাগলো। ইউরোপীয় নৃত্য সুমিত্রা দেখেছে। তার সঙ্গীত, তার ছন্দ, তার দেহভঙ্গির সঙ্গে ভারতীয় নৃত্যের কোথায় পার্থক্য যথাসম্ভব সে কথা সে বোঝাবার চেষ্টা করতে লাগলো।

    কিন্তু দু’জনেই বেশ বুঝতে পারছে, ওদের আলোচনায় যেন খেই হারিয়ে যাচ্ছে মাঝে-মাঝেই। দেহের রেখা, পায়ের তাল, হাতের লীলায়িত ভঙ্গি কল্পনার সামনে থেকে মাঝে মাঝে যেন মিলিয়ে যাচ্ছে।

    হঠাৎ এক সময় সুমিত্রা প্রশ্ন করলে, তোমার কালকে যাওয়াই ঠিক তাহলে।

    হেনরি সোজা হয়ে বসলো। একটু হাসলে। বললে, এখন পর্যন্ত অন্য রকম কিছু তো শুনিনি।

    —কোথায় যাচ্ছ তাও জানো না?

    —না। তবে মনে হয় বর্মা ফ্রন্টে, যেখানে যুদ্ধ চলছে। কিন্তু ওসব আলোচনা আমাদের করা নিষেধ সুমি। সুতরাং ও আলোচনা থাক।

    হেনরি আর একবার হাসলে।

    সুমিত্রা জিজ্ঞাসা করলে, হাসছ যে, তোমার কি খুব আনন্দ হচ্ছে?

    —হবে না? দেশ ছেড়ে, আত্মীয়-স্বজন ছেড়ে, সাত সমুদ্র পেরিয়ে এলাম যুদ্ধ করতে। কিন্তু কোথায় যুদ্ধ? দেড় বছর ধরে এইখানে পড়ে রয়েছি। এ কি ভালো লাগে?

    —কিন্তু যুদ্ধের কত বিপদ সে তো জানো।

    —জানি বলেই তো উল্লাস। এসেছি প্রাণ দিতে, প্রাণ না দিয়ে ফিরে যাওয়াটা কি বিশ্রী দেখাবে না?

    সুমিত্রা শিউরে উঠলো। জিজ্ঞাসা করলে, তুমি কি তাহলে মরবার জন্যে যাচ্ছ হেনরি?

    হেনরি একটু অনিশ্চিত ভাবে হাসলো। হাত দুটো ঘষলে। বললে, অতখানি বলা বোধ হয় ঠিক হবে না সুমি। মরবার জন্যেই কেউ যুদ্ধে যায় না। তাহলে তো সে আত্মহত্যারই নামান্তর হয়। তবু মরবার প্রচুর সম্ভাবনা তো উপেক্ষা করা যায় না! তার জন্যে প্রস্তুত হয়েই যেতে হয়।

    হেনরি একটু থামলে।

    তারপর বললে, আমি আর ফিরে আসব না, তাই জেনেই আমাকে বিদায় দাও। এই কথা সানফ্রান্সিস্কোর একটি মেয়েকেও বলে এসেছিলাম, তোমাকেও বলছি।

    হেনরি ধীরে ধীরে একটি দীর্ঘশ্বাস ফেললে।

    সানফ্রান্সিস্কোর মেয়ের কথায় সুমিত্রা উচ্চকিত হয়ে উঠলো। জিজ্ঞাসা করলে, কেমন দেখতে সে? তার কোনো ফোটোগ্রাফ তোমার কাছে নেই?

    —ছিল, এখন নেই। ফেলে দিয়েছি।

    —কেন?

    —সে অন্য একটি ছেলেকে বিয়ে করেছে। না, না, তার আমি দোষ দিতে পারিনে সুমি! দু’বৎসর আমি দেশছাড়া। এর মধ্যে সন্তান-সম্ভাবনা হোলে বিয়ে করা ছাড়া উপায় কি বলো?

    সুমিত্রা হাসি ঢাকবার জন্যে মুখ ফেরালে। তা হেনরির দৃষ্টি এড়ালো না। তার নিজের ওষ্ঠপ্রান্তেও হাসির রেখা ফুটে উঠলো।

    তারপর বললে, জিগ্যেস করছিলে দেখতে কেমন? কিন্তু নারীর রূপ কোথায় বলো তো? তার দেহে?

    হেনরি হেসে ঘাড় নাড়তে লাগলো।

    সুমিত্রা জিজ্ঞাসা করলে, তবে কোথায়?

    –পুরুষের চোখে।

    সুমিত্রা বিস্মিত দৃষ্টিতে ওর দিকে চাইলে।

    হেনরি দৃঢ়কণ্ঠে বললে, আমার কথা বিশ্বাস করো সুমি। তোমার এবং তার দিকে চেয়ে আমি অনেকবার একথা ভেবেছি। জেনেছি, নারীর রূপ শুধু তার দেহে নয়, পুরুষের চোখে। আমার চোখে তুমি সুন্দর হয়ে ফুটে উঠেছ সুমি। সেই কথাটি বলবার জন্যেই এত আয়োজন।

    চক্ষের পলকে সুমিত্রার সমস্ত মুখ লজ্জায় আরক্ত হয়ে উঠলো। পুরুষের স্তুতিতে এমন করে আর কখনও সে আরক্ত হয়ে ওঠেনি। নববধূর এই লজ্জা তার স্বভাবের বাইরে।

    তা ছাড়া তার ভাগ্যই এমনি যে, আদিম মানুষই তাকে আকর্ষণ করে বেশি। তাকে আকর্ষণ করে শ্রীমন্ত, যার হৃদয়ের কোন বালাই নেই; তাকে আকর্ষণ করে হেনরি, যার কামনা অত্যন্ত স্থূল, অত্যন্ত মাংসল। হৃদয়ের আবেদন তার কাছে এসে পৌঁছুলো এই প্রথম।

    বড় ভালো লাগলো সুমিত্রার। তার মন যেন দুলে উঠলো। হোটেলের সুসজ্জিত হল কেমন রহস্যময় বোধ হতে লাগলো। তার নিজের চোখেও যেন রহস্য ঘনিয়ে এলো। এবং সেই রহস্যভরা চোখ দিয়ে সে নিঃশব্দে নির্নিমেষে চেয়ে রইলো হেনরির দিকে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসোনালী দুঃখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article প্রথম আলো ২ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    Related Articles

    সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    বন্ধনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 31, 2026
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    বসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 29, 2026
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    মহাকাল – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 29, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তার চোখের তারায় – সায়ক আমান

    August 6, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    তার চোখের তারায় – সায়ক আমান

    August 6, 2026
    Our Picks

    তার চোখের তারায় – সায়ক আমান

    August 6, 2026

    ভালোবাসা নাও, হারিয়ে যেও না – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026

    নিরুদ্দেশের দেশে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 6, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }