Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026

    বসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মহাকাল – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    সরোজকুমার রায়চৌধুরী এক পাতা গল্প195 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মহাকাল – ১৯

    উনিশ

    রাত্রে নরেন সুবর্ণকে জিজ্ঞাসা করলে, মেমসাহেব দেখলে?

    ডিবে থেকে একটি পান নরেনকে দিয়ে সুবর্ণ আর একটি নিজে নিলে। হেসে বললে, দেখলাম। আজ বিকেলে এসেছিলেন যে!

    —তার পরে?

    —মেমসায়েবকে শাড়ী পরলে কি সুন্দর লাগে দেখেছ? যেন সরস্বতী ঠাকরুন, না?

    —অনেকটা। তারপরে?

    —চমৎকার বাংলা বলে। একেবারে বাঙালীই হয়ে গেছে। কি আশ্চর্য দেখ! ভাষা এক নয়, দেশ এক নয়, ধর্ম এক নয়, রংও এক নয়,–সেই স্বামীর ঘর করতে কত দূর থেকে এসেছে। বেশ লাগলো মেয়েটিকে। তবে বয়স হয়েছে বাপু। ঠাকুরপোদেরই বয়িসী, বড় হবে তো ছোট হবে না।

    —তা হবে না? ওদের তো তোমাদের মতো বারো-চোদ্দ বছরে বিয়ে হয় না। কিন্তু একটা বিষয় আমার ভারি বিশ্রী লাগে।

    —কি?

    —কোথায় রইলো স্বামী, মেয়েটা একটা পরপুরুষের সঙ্গে নির্জন একটা বাড়ীতে দিন-রাত্রি কাটাচ্ছে। দেখতে ভালো লাগে না।

    একটা পরিহাসের লোভ সুবর্ণ সামলাতে পারলে না।

    বললে, সবাই তো তোমাদের মতো নয়। কেউ কেউ স্ত্রীকে বিশ্বাস করতেও জানে।

    কথাটার মধ্যে খোঁচা ছিল। কিন্তু তা গায়ে না মেখেই নরেন বললে, বিশ্বাস- অবিশ্বাসের কথা নয় বড় বৌ। কিন্তু পাঁচজনের চোখে দেখতে খারাপ লাগে। তাছাড়া ভয় যে নেই তাতো নয়।

    সুবর্ণ বললে, ভয় যদি কারো থাকেই তাহলে যে পুরুষের দুর্মতি হবে তারই, ওর নয়। দেখেছ হাতের কব্জি, পায়ের গোছ?

    নরেন হেসে ফেললে। বললে, তা বটে।

    সুবর্ণ বললে, বাঙালী মেয়ে ওর মতো চললে-ফিরলে বেহায়া মনে হয়। কিন্তু ওকে তা মনে হয় না। ছেলেবেলা থেকে অমনিভাবেই ওরা মানুষ। দেখলেই মনে হয়, ওই ব্যবহারটাই ওদের স্বাভাবিক। ও যদি একগলা ঘোমটা দিয়ে এ বাড়ী ঢুকতো তাহলেই বেমানান লাগতো, হাসি আসতো।

    —যা বলেছ!

    —বাচাল তো নয়। মুখে একটা গাম্ভীর্য আছে। আর কথাগুলো কি মিষ্টি! কাল এখানে খাবে। নিজেই যেচে নিমন্ত্রণ নিলে। না বলতে পারলাম না।

    নরেন চমকে উঠলো। বললে, সর্বনাশ! জাতজন্ম আর রাখবে না দেখছি। কাজটা ভালো হয় নি। ওরা সব মাংস-টাংসই খায় বেশী। সে সব ও বাড়ীতে-

    বাধা দিয়ে সুবর্ণ বললে, সেসব এ বাড়ীতে হবে কেন? তা খেতে চায়ও না ও। আমরা যা খাই, তাই খেতে চায়।

    —ও বাড়ী থেকে আবার টেবিল-চেয়ার আনতে হবে তো?

    —না, না। আমাদের সঙ্গে মেঝেয় বসেই খাবে। জ্ঞান কিন্তু টনটনে আছে, জানলে? বললে এক সঙ্গে বসে তো খাবে না দিদি, আমি বরং দূরে বসেই খাব।

    সুবর্ণ হাসলে।

    কিন্তু এ সব ব্যাপারে নরেনের একটা ভয় আছে। বললে, রাগ-টাগ করেনি তো? একে অতিথি, তায় মেম সায়েব। ওদের রাগকে বড় ভয় করি।

     —না, না। বললাম না, ভারি ঠাণ্ডা মেয়ে। কিন্তু একটা আমার মনে খুব সন্দেহ হয়।

    —কি সন্দেহ?

    —ঠাকুরপোর খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু। সে তো বোঝাই যায়। নইলে তার সঙ্গে একা এতদূর কখনই আসতো না। আমার বেশ সন্দেহ হচ্ছে এ বাড়ী এসে পর্যন্ত ওর লক্ষ্যই ছিল গায়ত্রীর উপর। তাকে কাছে টেনে বসানো, তার সঙ্গে গল্প করা—

    —তাতে কি হয়েছে?

    —সুবর্ণ হেসে বললে, তুমি কিছুই বোঝ না কেন?

    —বোঝবার কিছুই পাচ্ছি না যে!

    সুবর্ণ বললে, তোমাকে বললাম ওদের দুজনের বিয়ে দিয়ে দাও। হলই বা বিধবা! বিধবা বিয়ে তো চলছে আজকাল।

    বাধা দিয়ে নরেন বললে, সে আমি পারব না বাপু। প্রাণ থাকতে নয়। ওর ইচ্ছে থাকে, কলকাতায় নিয়ে গিয়ে বিয়ে করুক। আমি বাধাও দোব না, ওর মধ্যেও থাকবো না।

    —মেয়েটার কষ্ট তো আর দেখা যায় না।

    —সে তো ও ইচ্ছা করেই করছে বড় বৌ। আমরা কি করব বলো? ওর সম্পত্তি আছে, বিক্রি করে দিব্যি পায়ের উপর পা দিয়ে বসে খেতে পারে। তা না করতে চায়, শ্বশুরবাড়ীতে গিয়েও থাকতে পারে। তাই তো সবাই করে।

    বিরক্ত হয়ে সুবর্ণ বললে, তা বটে! মেয়েটার সবই বে-আকার!

    একটু পরে নরেন বললে, নতুন পুকুরে মাছ ধরাতে হবে কাল। গলদা চিংড়ি অন্যবার এ সময়ে কত! এবারে ডাকই শোনা যায় না। খয়রা মাছ ভেজো। কিছু মৌরলা মাছ। কই মাছের একপিঠ ঝাল, একপিঠ টক কোরো। মাছের রান্নাই বেশি কোরো। মেমসায়েবকে কতকগুলো শাক-পাতা খাইও না যেন, তাহলে অবেলায় ইব্রাহিমের আবার খাটুনি বাড়বে।

    সুবর্ণ হেসে বললে, সে যা হয় হবে। তোমাকে আর রাত জেগে রান্নার ফর্দ করতে হবে না, ঘুমোও।

    ধমক খেয়ে নরেন পাশ ফিরে শুয়ে পড়লো।

    .

    মহেন্দ্র কিন্তু বেঁকে দাঁড়ালো।

    সকালে উঠেই পেনিলোপীকে জানিয়ে দিলে, ও-বাড়ীতে নিমন্ত্রণে সে যাচ্ছে না। সে এখানেই খাবে।

    পেনিলোপী বললে, হতেই পারে না। কত ভাগ্যের নিমন্ত্রণ, এমন করে হাতছাড়া করা যেতেই পারে না।

    —তুমি যাও না। তোমাকে তো আটকাচ্ছি না।

    —তুমিই বা যাবে না কেন? তোমারই বা আপত্তি কিসের?

    —আছে। সে তুমি বুঝবে না।

    পেনিলোপী হেসে বললে, আমি বুঝব না? সেদিনের ছেলে তুমি, হাঁ করলে পেটের ভেতর দেখতে পাই।

    —তাহলে আর কেন? আমি হাঁ করি, তুমি চুপি চুপি পেটের ভেতর দেখে নাও। মুখে কিছু জিগ্যেস কোরো না।

    —মেয়েটি হয়তো ছেঁড়া কাপড়ে পরিবেশন করবে, সে তুমি দেখতে পারবে না। এই তো? কী পাগল ছেলে তুমি মহিন!

    মহেন্দ্র হেসে বললে, মেয়েরা অল্প বয়সেই ভেঁপো হয়!

    পেনিলোপী তাকে একটা ঠেলা দিয়ে বললে, বাজে কথা ছেড়ে দাও। তুমি যাবে কি না বলো।

    —না।

    এমন সময় গোলক এসে ওদের কলহে বাধা দিলে। মেমসাহেবকে দেখে বাইরে থেকেই অত্যন্ত ভয়ে ভয়ে গোলক ডাকলে, ছোটবাবু!

     —ভিতরে এস গোলক দাদা।

    গোলক তথাপি উসখুস করে, ভিতরে আসে না।

    মহেন্দ্ৰ হেসে বললে, মেম সায়েব কিছু বলবেন না গোলক দাদা, তুমি নির্ভয়ে এস।

    তখন গোলক ভিতরে এল। গায়ে তার একটা চেক-কাটা সুতী আলোয়ান, তার সহস্র জায়গায় ছিদ্র, তার ফাঁক দিয়ে তার রুক্ষ-কর্কশ চামড়া এবং হাড়-পাঁজরা দেখা যাচ্ছে।

    মহেন্দ্র জিজ্ঞাসা করলে, মেম সায়েবকে তোমার এত ভয় কেন গোলক দাদা?

    মহেন্দ্রের কাছে বসে গোলকের ভয় খানিকটা কেটে গিয়েছিল। আড়-চোখে পেনিলোপীর সুন্দর স্মিত মুখের দিকে চেয়ে বাকিটুকুও কেটে গেল।

    সে উত্তর দিলে, আর একদিন বলব ছোটবাবু।

    পেনিলোপী হেসে বললে, এখন বলতেই বা দোষ কি গোলক? তুমি এখনই বলো।

    ঘটনাটা এমন কিছু নয়। বহুকাল পূর্বে গোলক একবার সদরে গিয়েছিল। শহর দেখা সেই তার প্রথম এবং শেষ। বাজারে সে ঘুরছিল, এমন সময় একটা জমকালো ফিটন গাড়ী এসে দাঁড়ালো। যাবার রাস্তা নেই। একখানা মহিষের গাড়ী আড়াআড়ি রাস্তাটা আটক করে আছে। ফিটনের কোচোয়ান যতই ঘণ্টা বাজায়, মোষের গাড়ী নড়েও না, চড়েও না। ভিতরে যে মেমসাহেব বসে আছে, মোষের গাড়ীর গাড়োয়ান তা বোধ হয় দেখতে পায় নি। হঠাৎ লালমুখ করে ফিটন থেকে লাফিয়ে নেমে এল মেমসাহেব, এবং কোচোয়ানের হাত থেকে চাবুকটা টেনে নিয়ে গাড়োয়ানকে কী মার যে মারলে, চোখে না দেখলে বিশ্বাস হবে না। মনে করলে এখনও গোলকের বুকের ভিতরটা টিপ ঢিপ করে ওঠে। মেয়েমানুষের হাতে মার খাওয়ার চেয়ে বেটাছেলের লজ্জার আর কী আছে!

    সেই থেকে গোলকের মেমসাহেবকে বড় ভয়।

    গল্পটা শুনে মহেন্দ্র আর পেনিলোপী হেসে আকুল।

    পেনিলোপী হেসে বললে, তোমার ভয় নেই গোলক। আমি শাড়ী পরা মেমসায়েব। কাউকে মারি না। শুধু বেশি দুষ্টুমি করলে মাঝে মাঝে তোমার এই ছোটবাবুর কান মলে দিই।

    কথাটা সত্য কিংবা পরিহাস ঠিক বুঝতে না পেরে গোলকও বোকার মতো হাসতে লাগলো।

    মহেন্দ্র বললে, তারপরে, গোলকদাদা, তোমার দরকারটা তো বললে না।

    গোলক একটু দ্বিধা করলে। একবার পেনিলোপীর, একবার মহেন্দ্রের দিকে চেয়ে খানিকটা সাহস পেয়ে আলোয়ানের ভিতর থেকে একখানা থান ধুতি সন্তর্পণে বার করে বললে, বাগদীতে বামুনের মেয়েকে একখানা শাড়ি কিনে দিলে তাতে দোষ কি?

    মহেন্দ্র জবাব দেবার আগেই পেনিলোপী বলে, কিছু দোষ হয় না গোলক। তুমি স্বচ্ছন্দে দিয়ে এস না।

    –নিলো না। গোলকের গলা কান্নায় বন্ধ হয়ে এল। বললে, —বাইরের লোক দু’জন খাবে। তোমাকে নিতে হবে না দিদিমণি, শুধু আজকের দিনটি এইখানি পরে ওদের পাতে ভাত দিও। তারপরে ইচ্ছে হয় ছেড়ে দিও, আমি মাথায় করে নিয়ে গিয়ে ডাঁপে তুলে রেখে দোব। শুধু এই একটি দিনের জন্যে দিদিমণি।

    কান্নায় গোলকের কঙ্কালসার প্রকাণ্ড দেহটা থরথর করে কাঁপতে লাগলো। কোনোরকমে বললে, তা কিছুতেই নিলে না।

    মহেন্দ্ৰ অনেকদিন থেকেই প্রাণপণে নিজেকে সম্বরণ করে আসছিল আর পারলে না! একেবারে স্ত্রীলোকের মতো কেঁদে উঠলো।

    চীৎকার করে বললে, কেন দিতে গিয়েছিলে গোলকদাদা। তুমি কি জানো না, ও কত নিষ্ঠুর। ওর দয়া মায়া কিছু নেই।

    গোলক বললে, সত্যি ছোটবাবু। দয়ামায়া কিছুই নেই। নইলে বাঁড়য্যে মশায়ের দেহ রাখার পর থেকে আমি কাঙালের মতো যা করে ওর পিছু পিছু ঘুরেছি, তাতে পাথরের দেবতারও মন গলতো, কিন্তু ওর মন গলেনি।

    গোলক আর থাকতে পারলে না। কাপড়খানি বগলে দেবে পাগলের মতো টলতে- টলতে বেরিয়ে গেল। মহেন্দ্র রুমালে চোখ ঢেকে পাশের ঘরে চলে গেল কান্না চাপতে! পেনিলোপী অভিভূতের মতো কিছুক্ষণ বসে থেকে আপন মনেই বললে, অদ্ভুত।

    .

    পেনিলোপী একাই গেল নিমন্ত্রণে।

    সুবর্ণ এগিয়ে গিয়ে তাকে অভ্যর্থনা করে দোতলার বারান্দায় বসালো। জিজ্ঞাসা করলে, ঠাকুরপো কই?

    —তোমার ঠাকুরপো?- পেনিলোপী হাসতে হাসতে বললে, সে আসবে এই গাছ- গাছড়া খেতে? সে এতক্ষণ ইব্রাহিমের হাতে ফাউল কাটলেট খাচ্ছে।

    সুবর্ণ কিন্তু এই রসিকতায় ঠিক যোগ দিতে পারলে না। তার মুখখানা অন্ধকার হয়ে গেল।

    বললে, এমন তো হবার কথা নয়! আমার হাতে খেতে সে যে ভয়ানক ভালোবাসে।

    পেনিলোপী তেমনি হাসতে হাসতে বললে, তার প্রমাণ তো পাচ্ছি না।

    সুবর্ণ বলতে লাগলো : গেলবারে যখন এসেছিল কত রাগারাগি। শেষে তার দুপুরের খাবার এইখান থেকেই যেত। তুমি তাকে বলেছিলে তো ভাই?

    পেনিলোপী বললে, কী আশ্চর্য। পয়সা খরচ নয়, কিছু নয়, মুখের বলা। এই সামান্য বিষয়েও কি আমার উপর তুমি ভরসা করতে পারো না দিদিভাই?

    সুবর্ণ আর কিছু বললে না। মুখখানা ভার করে দাঁড়িয়ে রইলো। পাশেই নির্বিকার দাঁড়িয়ে গায়ত্রী। পেনিলোপী চেয়ে দেখলে, তার মুখে দুঃখ-হর্ষ, আনন্দ-উদ্বেগ, কিছুরই চিহ্ন নেই। যেন কিছুই হয় নি এমনি নির্লিপ্ত ভাব!

    পেনিলোপী মনে মনে বললে, তুমি পাথরের দেবতাই বটে। মনে তোমার ঢেউ খেলেই না। তুমি জমাট-বাঁধা নদী।

    গায়ত্রী জিজ্ঞাসা করলে, তাহলে জায়গা করে দিই বৌদি?

    অন্যমনস্কভাবে সুবর্ণ বললে, দাও।

    —এই দোতলার বারান্দাতেই করে দোব কি?

    এবারে সুবর্ণ রেগে গেল।

    বললে, এখানে হবে না তো কি উঠোনে জায়গা করা হবে? তুই দিন দিন বোকা হচ্ছিস কেন গায়ত্রী?

    গায়ত্রী রাগ করলে না। ব্যস্তভাবে জায়গা করতে গেল।

    পেনিলোপী তার হাতের আসনগুলো কেড়ে নিয়ে বললে, কেমন করে জায়গা করতে হবে দেখিয়ে দিই।

    বলে ওদিকে পাশাপাশি একটুখানি ছাড়াছাড়ি করে দুখানা আসন পাতলে। তার থেকে অনেক দূরে, তারই সামনা-সামনি আর একখানা আসন পাতলে।

    বললে, ওই দুটো তোমাদের জায়গা, এইটে আমার। কেমন করে যে তোমরা খাও, কিছুই জানি না। এইখান থেকে দেখে শিখব আর খাব কেমন?

     পেনিলোপী হাসলে, গায়ত্রীও।

    পেনিলোপী হেসে জিজ্ঞাসা করলে, এত দূরে বসলেও কি তোমাদের জাত যাবে ভাই?

    গায়ত্রী হেসে বললে, না।

    তারপর সুবর্ণর দিকে চেয়ে জিজ্ঞাসা করলে, আমার এখন বসা কি ঠিক হবে বৌদি?

    —না, তুমি রাত্রি বারোটার পরে বসবে। বেলার দিকে চেয়ে দেখেছ?

    গায়ত্রী একটা ঢোক গিলে বললে, তা নয়, বলছিলাম, পরিবেশন করবে কে?

    –পরিবেশনের কি আছে? থালা সাজিয়ে নিয়ে আসব। তারপর হাত ধুয়ে একসঙ্গে বসে পড়ব। এর মধ্যে ভাববার কি আছে? নিচে চল।

    সুবর্ণ আর গায়ত্রীতে মিলে থালা সাজিয়ে নিয়ে এল। ঝি জলের গ্লাস দিয়ে গেল। একটু পরে হাত ধুয়ে এসে পেনিলোপীকে ওরা ডাকলে, এস ভাই।

    পেনিলোপী খেতে বসবে কি, আয়োজন দেখেই চক্ষুস্থির! প্রকাণ্ড বড় থালার মধ্যেখানে ফুলের মতো একমুঠো ভাত। চারদিকে সাজানো বিবিধ ব্যঞ্জন। তার চারদিকে আবার সারে সারে ছোট-বড়-মাঝারি নানা রকমের বাটি। দই। মিষ্টিই আছে পাঁচ-ছয় রকমের।

    বললে, করেছ কি দিদি! এত খাবে কে?

    —দেখনা কে খায়! বোসো তো।

    —না, না। এ যে অনেক! নষ্ট হবে।

    তার জন্যে চিন্তা করো না। অনেক নষ্ট না হলে আমাদের দেশে খাওয়ানোই হয় না।

    —তাই না কি? এ ভারি অন্যায়।

    এদেশের বড় লোকদের খাওয়া এবং খাওয়ানো সম্বন্ধে মহেন্দ্রের সেই উক্তিটা পেনিলোপীর মনে পড়লো। বুঝলো এমনিই এখানে হয়। আর কথা না বাড়িয়ে সে ওদের দেখে-দেখে খেতে আরম্ভ করলে। হাতে করে এর আগে সে কখনও খায়নি। খেয়ে দেখলে, বেশ আরাম তো! কাঁটা-চামচের চেয়ে ভালো। বসন্ত মাঝে মাঝে বলে হাতে না খেলে পেট ভরে না। মিথ্যে বলে না!

    সুবর্ণ বললে, ঠাকুরপোকে বোলো, সে যে এলো না, এর শাস্তি তোলা রইলো।

    —বলব।

    —বোলো তারই জন্যে এই শীতে ভোরবেলায় স্নান করে আমি রান্নাঘরে ঢুকেছিলাম। আর সে এলো না!

    —স্নান না করে কি তোমরা রাঁধ না দিদি?

    —তাই রাঁধে? লোকে খাবে, পবিত্র হয়ে না রাঁধলে তৃপ্তি হবে কেন?

    গায়ত্রী বললে, খাবার পরিচ্ছন্ন হলেই তোমাদের কাজ মিটে যায়। আমাদের কিন্তু তাতেই চলে না। রান্না পবিত্র হওয়া চাই। ভগবানকে নিবেদন করে খাই কিনা।

    ব্যাপারটা পেনিলোপী বোঝবার চেষ্টা করতে লাগলো।

    জিজ্ঞাসা করলে, ভগবান কি খেতে পারেন যে, তাঁকে খাবার নিবেদন কর? গায়ত্রী বললে, কি জানি তিনি কি পারেন আর কি পারেন না। আমরা যা কিছু পাই তাঁরই দয়ায় পাই। তাই তাঁকে উৎসর্গ না করে কিছু ব্যবহার করি না। নতুন কাপড় পরবার আগে, একগাছি সূতো তাঁকে দিয়ে তবে কাপড়খানি পরি। এই সূতোর টুকরোখানি না পেলে কি তিনি উলঙ্গ হয়ে থাকেন? তা নয়। তবু এই উপলক্ষে তাঁকে একবার স্মরণ করাও তো হয়।

    পেনিলোপী খুশি হল। বললে, বেশ ভালো ব্যবস্থা তো।

    এতক্ষণ পেনিলোপী খেয়াল করেনি। এখন দেখলে গায়ত্রী আর সুবর্ণও ঠিক পাশাপাশি বসে নেই। দুজনের আহার্যও ঠিক এক বস্তু নয়। সুবর্ণর থালা ঠিক পেনিলোপীর মতোই সাজানো। কিন্তু গায়ত্রীর পাতে কেবলমাত্র দু’তিনটা তরকারী এবং এক বাটি দুধ। তাছাড়া আর কিচ্ছু নেই।

    দেখে পেনিলোপীর ভারি বিশ্রী লাগলো। সুবর্ণ আর গায়ত্রীর আহার্যের এই তারতম্য দেখে তার মনটাই খারাপ হয়ে গেল। জিজ্ঞাসা না করে পারলে না, আমি না হয় খ্রীস্টানের মেয়ে দিদি, আমার সঙ্গে যেন খেলে না। কিন্তু গায়ত্রীর সঙ্গেও কি তুমি খাও না?

    সুবর্ণর মুখে একটা কোমল বিষণ্ণ ছায়া নেমে এল। বললে, ও যে বিধবা ভাই, মাছ-মাংস তো খায় না। সেই জন্যেই দূরে বসেছে।

    পেনিলোপীর মুখটা প্রসন্ন হল। গায়ত্রীর পাতের দিকে চেয়ে মনে এমনও সন্দেহ হয়েছিল, বেতনভুক পাচিকা বলেই বুঝি তাকে দূরে সরানো হয়েছে এবং আহার্যের ব্যবস্থাও পৃথক করা হয়েছে।

    সুবর্ণ জিজ্ঞাসা করলে, আমাদের রান্না কেমন লাগছে?

    সত্য কথা বলতে গেলে, এ রান্নায় এখনও তার জিহ্বা অভ্যস্ত হয়নি। তবু মন্দ লাগছিল না। কিন্তু বলবার সময় ভদ্রতা রক্ষা করে উচ্ছ্বাসভরে বললে, চমৎকার তোমাদের রান্নার পদ্ধতি! খাসা খেতে হয়েছে। আমাকে দু’একটা রান্না শিখিয়ে দিও তো। বিশেষত গলদা চিংড়ির এইটে। ভারি সুন্দর হয়েছে।

    খাওয়া-দাওয়ার শেষে বিদায় নেবার সময় পেনিলোপী সুবর্ণকে জিজ্ঞাসা করলে, মহিনের উপর আর কিছু আদেশ আছে তোমার? থাকলে বল, তাকে গিয়ে বলব।

    সুবর্ণ বললে, আর যা আছে তা দেখা হলে তাকেই বলব। তাকে একবার পাঠিয়ে দিও বরং।

    —আচ্ছা।

    বলে পেনিলোপী চলে গেল। যাবার সময় গায়ত্রীকে একটা সম্বোধনও করলে না।

    .

    বাগান বাড়ীতে ফিরে গিয়ে পেনিলোপী দেখে একখানা ইজি-চেয়ারে চিৎ হয়ে পড়ে মহেন্দ্র খবরের কাগজ পড়ছে।

    পেনিলোপীর পায়ের শব্দে মাথা তুলে মহেন্দ্র বললে, Good afternoon, Mrs. Lahiri.

    —Very good afternoon!

    —খেলে কি রকম?

    —প্রচণ্ড! উঃ কি আয়োজনই না করেছিল! এত বড় একটা থালার তিন দিক তো ভর্তি, তার উপর সারি সারি বাটি! সে, কত!

    ইজি-চেয়ারের উপর ধড়মড় করে উঠে বসে মহেন্দ্র বলে উঠলো : থাম, থাম! কী বললে? থালা? বাটি?

    —থালাই তো বলে তাকে? বেল মেটালের?

    —হ্যাঁ, থালাই বলে। তাইতে খেতে দিয়েছিল তোমাকে? নরেন মুখুজ্যের গেল এক প্রস্থ বাসন!

    —কেন?

    —ও থালা-বাসন আর ঘরে ঢুকবে না। ফেলে দেওয়া হবে। তথাপি তুমি সত্যিই ভাগ্যবতী পেনিলোপী। তোমাকে আমার হিংসে হচ্ছে।

     —কেন?

    —আমি চীনে-মাটির বাসন ছাড়া আর কিছু পাইনি। তোমার ভাগ্যে জুটেছে কাঁসার থালা।

    পেনিলোপী বললে, আজ তুমি গেলে তোমার ভাগ্যেও জুটতো।

    —না, জুটতো না। কোনোদিন জোটে নি, আজও তার ব্যতিক্রম হত না। তারপর আর কি খবর বল।

    —খবরের মধ্যে তোমার বৌদি তোমার উপর চটেছেন।

    —কেন?

    —নেমন্তন্ন রক্ষা করনি বলে।

    —কিন্তু নেমন্তন্ন তো আমি গ্রহণ করিনি।

    —তুমি করনি, কিন্তু তোমার হয়ে আমি করেছিলাম। তাঁর হাতের রান্না খেতে ভালোবাস বলে এই শীতের ভোরে উঠে তিনি স্নান করে রান্নাঘরে ঢুকেছিলেন। আর কত রান্না রেঁধেছিলেন। কিন্তু তুমিই গেলে না!

    —আমার ভাগ্য পেনিলোপী!

    —তোমাদের দোতলার বারান্দায় একসঙ্গে সব খেতে বসেছিলাম, তোমার বৌদি, গায়ত্রী, আমি। তুমি থাকলে তুমিও বসতে।

    —না। কারণ আমাদের পরিবারে স্ত্রী-পুরুষে একসঙ্গে খাওয়ার রেওয়াজ নেই। তারপরে আর কি কথা হল?

    —কথা? কথা বিশেষ কিছু নয়। এই সব রান্না-খাওয়ার গল্প।

    —মাত্র?

    —মাত্র।

    মহেন্দ্ৰ অন্য কথা শুনতে চায়। পেনিলোপী তা বোঝে। কিন্তু তার বলবার কথা কিছু নেই। খাওয়ার পরে গায়ত্রীকে একলা পাবার জন্যে পেনিলোপী অনেকবার চেষ্টা করেছে। কিন্তু তার মনোগত অভিপ্রায় বুঝতে পেরেই হোক, অথবা না বুঝতে পারার জন্যই হোক, গায়ত্রী কেবলই তাকে এড়িয়ে গেছে। সুতরাং মহেন্দ্রকে তার বলবারও কিছু ছিল না। মহেন্দ্ৰ বোধ করি তার মনের কথা অনুমান করলে। এবং এ নিয়ে আর জেদ করলে না।

    বললে, চল। মোটরটা নিয়ে একটু ঘুরে আসা যাক।

    —সেই ভালো।—পেনিলোপী বললে, ওটা আমার খেয়ালই হয়নি। চল, চারিদিকটা একবার দেখাও হবে।

    মোটরটা বের করে পেনিলোপী নিজেই ড্রাইভ করতে লাগলো। মহেন্দ্র বসলো তার পাশের আসনে। মেয়ে মানুষ মোটর চালায়, এই দৃশ্য দেখবার জন্যে রাস্তার দু’ধারে কাতার দিয়ে লোকে হাঁ করে দাঁড়িয়ে রইলো।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ
    Next Article বসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    Related Articles

    সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    বসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 29, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026
    Our Picks

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026

    বসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }