Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026

    বসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মহাকাল – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    সরোজকুমার রায়চৌধুরী এক পাতা গল্প195 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মহাকাল – ৮

    আট

    মহেন্দ্ৰ খায়-দায়, ঘুমায়।

    আগে সকালে বিকালে একটু বেড়াতে বার হত, এখন তাও ছেড়ে দিলে। নদীতে স্নান পর্যন্ত। সকালে চা খেয়ে বাইরের দিকের বারান্দায় একখানা বেতের চেয়ার টেনে নিয়ে গিয়ে হয় বই পড়ে, নয়তো নিঃশব্দে বসে দূরের মাঠ, ঘাট, গাছপালার সৌন্দর্য দেখে। জলখাবার বেলায় রাখালেরা ধূলো উড়িয়ে গরু নিয়ে বার হয়। গরুগুলির শীর্ণ দেহ দেখে মহেন্দ্রর মনে পড়ে অন্য দেশের গরুর অবস্থা। সেগুলো কত হৃষ্টপুষ্ট, কত দুধ দেয় এবং তার পিছনে লোকেরা কত যত্ন নেয়।

    দূরে নদীর ওপারে মেয়েরা কলসী কাঁখে ভিজে কাপড়ে জল নিয়ে যায়। ধূসর বালুর উপর চলমান তাদের ছোট্ট ছোট্ট সারি দেখা যায়। তাদের দিকে চেয়ে কত এলোমেলো কথা মহেন্দ্রের মনের মধ্যে ভিড় করে আসা-যাওয়া করে।

    স্কুল পালিয়ে ছোট ছোট ছেলেরা আসে বাগান বাড়ীর বেড়ায় ফড়িং ধরতে। মহেন্দ্রর চোখে চোখ পড়তেই তারা আড়ালে আত্মগোপন করে। মহেন্দ্রর নিজের ছেলেবেলার কথা মনে পড়ে : সেই গোপাল পণ্ডিতের পাঠশালা, ছেঁড়া চাটাই, দীঘির ঘাটে দল বেঁধে শ্লেট মাজার ধূম। কে জানে, সেদিনকার শিশুজগতের সঙ্গে আজকের শিশুজগতের সাদৃশ্য আছে কি না। কে বলবে, যুগের পরিবর্তনের সঙ্গে শিশুমনেরও পরিবর্তন হয় কি না। কে জানে তাদের কালে যেমন ছিল, আজও তাই যথাযথ আছে কি না। মহেন্দ্রর জানতে খুব কৌতূহল হয়। ওদের সঙ্গে মেশবার, ওদের কথা জানবার জন্যে মহেন্দ্রর খুব ইচ্ছা হয়। কিন্তু লজ্জায় সংকোচে পারে না।

    নরেন গেছে সদরে। সেখান থেকে যাবে কলকাতায়। ফিরতে এখনও কয়েক দিনই দেরী আছে। মহেন্দ্রর এ জায়গাটা আর ভালো লাগছে না। নরেন ফিরে এলে, তার ব্যাঙ্কের উদ্বোধন হয়ে গেলে সে পালিয়ে বাঁচবে। এখানে আর কোনো আনন্দই সে পাচ্ছে না। একঘেয়ে বই পড়ার মধ্যেও আর সে আনন্দ পাচ্ছে না।

    এমনি এলোমেলো নানা কথা সে ভাবছিল। হঠাৎ এক সময় নিচে কাদের কণ্ঠস্বরে সে উচ্চকিত হল।

    কে যেন নিচে জিজ্ঞাসা করলে, ছোটবাবু আছেন?

    ইব্রাহিমের গম্ভীর কণ্ঠ কানে গেল, সাহেব এখন বই পড়ছেন।

    —আমি যাব উপরে?

    —যান। ওদিকের বারান্দায় আছেন।

    বিভূতির কণ্ঠস্বর বলে মনে হল।

    এতদিন পরে বিভূতি আসছে!

    মহেন্দ্র গভীর মনোযোগের সঙ্গে খোলা বইখানার উপর ঝুঁকে পড়লো।

    বিভূতি সন্তর্পণে এসে দোরগোড়ায় দাঁড়ালো। মহেন্দ্র তার আসা যেন টেরই পায়নি এমনি একমনে বইখানা পড়ে যেতে লাগলো।

    এমন বিপদে বিভূতি জীবনে কখনও পড়েনি। সে ফিরে যাবে কি না ভাবছিলো। এমন সময় মহেন্দ্ৰ মুখ তুলে চাইলে।

    —বিভূতিবাবু যে! কি খবর? বোসো, বোসো।

    বিভূতি কুণ্ঠিতভাবে একটা চেয়ার টেনে বসলো। বললে, কাজের ভিড়ে এতদিন সময় পাইনি। নইলে রোজই মনে করি একবার আসবো।

    —তা আজকে সময় পেলে কি করে? দাদা নেই বলে?

    বিভূতি হেসে ফেললে। বললো কথাটা একেবারে মিথ্যে নয়। তা ছাড়া সবাই এমন ভয় লাগিয়ে দেয়।

    —আমার সম্বন্ধে?

    —হ্যাঁ।

    —সে ভয় এখন ঘুটেছে? সিগারেট খাও।

    মহেন্দ্র নিজে একটি সিগারেট ধরিয়ে টিনটা ওর দিকে এগিয়ে দিলে। বিভূতি সিগারেট ধরালে।

    মহেন্দ্ৰ বললে, কি ভয় সবাই দেখাচ্ছে? আমি সাহেব হয়ে গেছি। কেউ দেখা করতে এলে তার দিকে কুকুর লেলিয়ে দিই?

    —ওই রকম সব নানা কথা।

    —নিচে কি কুকুর দেখলে?

    —না তো।

    মহেন্দ্র বললে, কয়েক বছর বাইরে ঘুরে এলেই বাঙ্গালী সাহেব হয়ে যায় না। আমিও হইনি। এই যে সাহেব সেজে বসে আছি, এ আমার সখ নয়, দাদার সখ। তোমরা আমার বাল্যবন্ধু। একসঙ্গে কত আনন্দ করেছি। আজ তোমরাই যদি আমাকে পর করে দাও, আমার খুব কষ্ট হবে।

    এমন আবেগের সঙ্গে কথাগুলো বললে যে, বিভূতি বিচলিত হল।

    সে কি একটা বলতে যাচ্ছিল, বাধা দিয়ে মহেন্দ্র বলে চললো :

    আজ কত দিন হল এখানে এসেছি, একটি বন্ধুও আমার সঙ্গে দেখা করতে আসেনি। একলা আমার দিন কাটে না, ভালোও লাগে না। তবু মনকে এই ভেবে সান্ত্বনা দিই যে, পরিবর্তনশীল সংসারে কিছুই থাকে না, বন্ধুত্বও না। সেজন্যে দুঃখ করা বৃথা।

    একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে মহেন্দ্র চুপ করলে।

    বিভূতি বললে, পরিবর্তন হয়েছে বই কি মহিন। আগে সংসারে ঝামেলা ছিল না, ডালে-ডালে বেড়িয়ে বেড়াতাম আর কবি গাইতাম। এখন তেল-নুন-লকড়ির চিন্তায় ব্যস্ত। সে সংগ্রহ করা যে কি ব্যাপার তুমি বুঝবে না।

    মহেন্দ্ৰ বললে, তুমি বুড়োও হয়ে গেছ খানিকটা। শুধু মনে নয়, বাইরেও সে সজীবতা আর নেই।

    —থাকবে কোত্থেকে বল। সকাল থেকে রাত্রি পর্যন্ত নানা ধান্দা। এই যুদ্ধ যে দুর্দিন এনেছে, তেমন দুর্দিন এদেশে কখনও আসেনি। দুর্ভিক্ষ গেছে, কিন্তু তার জের যায়নি। এদিকে কখনও ম্যালেরিয়া ছিল না, এখন গ্রাম উজাড় হবার উপক্রম। রোগ বেড়েছে, কিন্তু ওষুধ নেই। না আছে পেটে ভাত, না আছে পরনে কাপড়। মানুষের চিন্তার কি শেষ আছে?

    —তা ঠিক।

    দুজনেই নিঃশব্দে বসে রইল।

    একটু পরে মহেন্দ্র বললে, তারপরে? কি খবর বলো তো? কুকুরের কামড় উপেক্ষা করে যখন এসেছ, তখন একটা কিছু দরকার আছে মনে হচ্ছে।

    —আচ্ছে একটু।

    —কি বলো তো?

    বিভূতি কুণ্ঠিতভাবে জিজ্ঞাসা করলে, আজ বিকেলে তোমার কি একটু সময় হবে?

    —নিশ্চয় হবে। সময়ের টানাটানি আমার মোটেই নেই।

    বিভূতি বললে, গায়ত্রীর আজ সপ্তাহখানেক থেকে জ্বর। সাতদিনের মধ্যে তার বিরাম হয়নি। কাকাবাবু বেশ ভয় পেয়ে গেছেন। অথচ ডাক্তার ডাকবার সামর্থ্যও তাঁর নেই। বললে, মহিন তো বড় ডাক্তার। সে কি একবার আসবে?

    —নিশ্চয় যাব। চলো। এতদিন পরে তবু যাহোক একটা রোগী পাওয়া গেল, এ কি ছাড়া যায়?

    —এখনই যাবে?

    —না তো কি দিনক্ষণ দেখতে হবে? বেশ লোক যাহোক!

    স্টেথোস্কোপটা নিয়ে তখনই মহেন্দ্র বিভূতির সঙ্গে বার হয়ে গেল।

    .

    রোগিণীর ঘরে ঢুকে মহেন্দ্ৰ থমকে গেল।

    ঘরের ভিতর থেকে একটা ভাপসা গন্ধ বার হচ্ছে। একটা ছেঁড়া কাঁথার উপর আর একটি ছেঁড়া কাঁথা গায়ে দিয়ে গায়ত্রী শুয়ে। কাঁথা-দুখানা যেমন দুর্গন্ধযুক্ত, তেমনি মলিন। ঘর অন্ধকার।

    মহেন্দ্র ঘরের ভিতর দাঁড়িয়ে চারিদিকে চাইতে লাগলো।

    বললে, জানলা বন্ধ করে রেখেছেন কেন?

    বেণীমাধব বললেন, ভয়ানক হাওয়া আসে।

    —আসুক। কাকাবাবু, পাঁচশো বছর ধ’রে আপনারা বাইরের হাওয়া বন্ধ করে রেখেছেন। এবার একটু আসতে দিন।

    গায়ত্রী দেওয়ালের দিকে মুখ ফিরিয়ে শুয়ে ছিল। জ্বরের ঘোরে তার মুখ থমথম করছে। মহেন্দ্র ওর নাড়ী দেখলে, উত্তাপ নিলে, বুক দেখলে, চোখের কোণ উলটে দেখলে।

    জিজ্ঞাসা করলে, ক’দিন এই জ্বরটা হয়েছে?

    —ছ’সাত দিন হবে।

    —এর মধ্যে আমাকে একবার খবর দিতে পারেন নি? ঘরে শিশি আছে? নেই? আচ্ছা আসুন আমার সঙ্গে কেউ আমাদের ওষুধের দোকানে। আমি ওষুধ তৈরি করে দিচ্ছি। মহেন্দ্রর সঙ্গে সদর রাস্তা পর্যন্ত এসে বেণীমাধব জিজ্ঞাসা করলেন, অসুখটা কি খুব বেশি মনে হচ্ছে?

    চিন্তিত দৃষ্টিতে মহেন্দ্র বৃদ্ধের কাতর মুখের দিকে চাইলে।

    —এদিকে কি টাইফয়েড হচ্ছে কাকাবাবু?

    ভীত কণ্ঠে বেণীমাধব বললেন, জানিনে তো বাবা। তোমার কি সেই রকম সন্দেহ হচ্ছে?

    –ঠিক বুঝতে পারছি না। গ্রামে তো হাসপাতাল নেই। রক্ত পরীক্ষার ব্যবস্থাও নেই। আন্দাজে চিকিৎসা। দু’চার দিন না গেলে ঠিক বুঝতে পারব না। তবে এটা ঠিক যে ভোগাবে কয়েকদিন। আমার সঙ্গে কে আসছে?

    বিভূতি বললে, আমিই যাই চল।

    রাস্তায় যেতে যেতে মহেন্দ্র বললে, আজ দুপুরে গাড়ীতে এখান থেকে কেউ সদরে যেতে পারে?

    —কেন বলতো?

    —গায়ত্রীর রক্তটা পরীক্ষা করবার জন্যে পাঠাতাম।

    বিভূতি হেসে ফেললে।

    বললে, তোমার কি মাথা খারাপ হয়েছে? এ গাঁয়ে কারও অসুখে কখনও রক্ত পরীক্ষা করানো হয়েছে বলে শুনেছ? আমাদের করুণা ডাক্তার জলই দিক আর ওষুধই দিক, তাই খেয়েই যে বাঁচলো বাঁচলো, না বাঁচলো আর কি করা যায়? তার উপর হিন্দুর ঘরের বিধবা! কেই বা তার পরমায়ু চায়? বাপ-মাও চায় না, সে নিজেও চায় না।

    কথাটা যে মিথ্যা নয় তা মহেন্দ্রও মনে মনে স্বীকার করলে। অথচ যে-সমাজে কানা-খোঁড়া-কুষ্ঠরোগীরও মূল্য আছে সে-সমাজে বিধবার মূল্য কেন নেই, এর সদুত্তর সে নিজের মন থেকে কিছুতেই পেলে না।

    .

    বিকেলে সে আবার গেল গায়ত্রীকে দেখতে।

    সেই বিছানাতে শুয়ে শুয়ে গায়ত্রী ছটফট করছে। মা বাড়ীতে নেই, ঘাটে গেছেন। সংসারে নিতান্ত আবশ্যক কাজগুলো তো করতেই হবে। ছেলেমেয়েদের কতক বাইরের রাস্তায়, কতক ভিতরের উঠানে দাপাদাপি করছে। বৃদ্ধ এবং অন্ধ বেণীমাধব মেয়ের মাথার কাছে বসে কি যে চিন্তা করছেন তিনিই জানেন, কিন্তু রোগীর শুশ্রূষার কিই বা তিনি করতে পারেন?

    মহেন্দ্রর পায়ের শব্দে তাঁর চিন্তার জাল ছিঁড়লো।

    জিজ্ঞাসা করলেন, কে?

    —আমি মহিন। এখন কেমন আছে গায়ত্রী?

    —বড্ড ছটফট করছে। গাও যেন পুড়ে যাচ্ছে।

    ওদের কথার শব্দে গায়ত্রী একবার চোখ মেলে চাইলে। জবাফুলের মতো লাল সে চোখ। তার সুন্দর মসৃণ ললাটের দুটো নীল শিরা ফুলে উঠেছে।

    মহেন্দ্ৰ কাছে গিয়ে বসতেই যে খপ্ করে মহেন্দ্রর একখানা হাত চেপে ধরে বললে, তুমি কেন এমন করে আমার পিছনে লেগেছ? তোমাদের পায়ে আমি এমন কী অপরাধ করেছি যে, আমাকে নিশ্চিন্তে মরতেও দেবে না?

    বলেই হাউমাউ করে কাঁদতে লাগলো।

    বেণীমাধব তাঁর অন্ধ চক্ষু কাপড়ের খুঁটে মুছলেন। গলাটা ঝেড়ে পরিষ্কার করে নিয়ে বললেন, কেঁদ না মা। ভয় কি? মহেন্দ্র তো যে-সে ডাক্তার নয়। সে বলছে ভয়ের কিছু নেই।

    মহেন্দ্ৰ নিঃশব্দে থার্মোমিটার দিয়ে ওর শরীরের উত্তাপ পরীক্ষা করলে। একশো চার জ্বর। বললে, এক ফালি ন্যাকড়া আর একটা কিছুতে করে একটু জল আনুন। কপালে জলপাটি দিতে হবে।

    অসহায়ভাবে বৃদ্ধ বললেন, আমি তো চোখে দেখি না বাবা। কী যে কোথায় আছে!

    —আচ্ছা আমিই দেখছি।

    খুঁজে খুঁজে ন্যাকড়া এক টুকরো পেলে। একটা গেলাসও বের করলে। তারপর নিজেই গায়ত্রীর কপালে জলপটি দিয়ে বাতাস করতে লাগলো।

    নিঃশব্দে বসে থাকতে থাকতে বেণীমাধবের বুকের ভিতর থেকে এমন একটা ভারি নিশ্বাস বেরিয়ে এল যে, মহেন্দ্ৰ চমকে উঠলো।

    —আপনার শরীর কি ভালো নেই?

    —আমার? না বাবা, আমার কখনও কোনো অসুখ করে না। অথচ এখন যেতে পারলেই বাঁচি।

    শেষ কথাগুলো বলতে বলতে বৃদ্ধের গলা বন্ধ হয়ে এল। কাঁপতে কাঁপতে তিনি দাওয়ায় গিয়ে বসলেন।

    পাড়ার কয়েকটি প্রবীণা গৃহিণী আসছিলেন, বোধ হয় গায়ত্রীকে দেখতে। ঘরের ভিতর রোগিণীর মাথার শিয়রে বসে মহেন্দ্রকে হাওয়া করতে দেখে তাঁরা জিভ কেটে এক হাত ঘোমটা টেনে দিলেন এবং একটা অত্যন্ত লজ্জাকর ব্যাপার দেখে ফেলার লজ্জা চাপতে না পেরে একরকম দৌড়েই পালিয়ে গেলেন।

    মহেন্দ্র বোধ করি তাঁদের আসা টেরই পায়নি। সে যেমন বাতাস করছিল তেমনি করেই চললো।

    হঠাৎ এক সময় গায়ত্ৰী চোখ মেলে তার দিকে চাইলে। বললে, মহিন দা!

    –কি গায়ত্রী?

    —আমার বুকে একটা ব্যথা।

    —ওটা সর্দি।

    —সর্দি নয়, ঠিক যেন একটা শিলের মতো চেপে বসে রয়েছে।

    —ওইটেই সর্দি।

    —না, না। ওটা অন্য জিনিস। তুমি ধরতে পারছ না।

    গায়ত্রী আবার চোখ বন্ধ করলে।

    চোখ বুজে-বুজেই গায়ত্রী অস্ফুটস্বরে আবার বললে, নদীর ধারের সেই করবীঝাড়টিকে মনে পড়ে?

    —পড়ে বই কি।

    —শ্বশুরবাড়ী থেকে ফিরে এসে দেখি, সেটা শুকিয়ে মরমর। আমিই তাকে জল ঢেলে ঢেলে বাঁচিয়েছি, জানো?

    মহেন্দ্র উত্তর দিল না। বুঝলে এসব কথা জ্বরের ঘোরেই বলছে গায়ত্রী।

    গায়ত্রী বললে, সেই পাপেই আমার এই অবস্থা হল গো। মরা গাছ বাঁচাতে নেই। আমাকে একটু জল দেবে? বড় তেষ্টা পেয়েছে।

    মহেন্দ্র ওর মুখে একটু জল দিতেই গায়ত্রী শান্তভাবে পাশ ফিরে শুলো এবং আর একটা কথাও বললে না। বোধ হয় ঘুমিয়েই পড়লো।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ
    Next Article বসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    Related Articles

    সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    বসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 29, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026
    Our Picks

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026

    বসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }