Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026

    বসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মহাকাল – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    সরোজকুমার রায়চৌধুরী এক পাতা গল্প195 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মহাকাল – ২২

    বাইশ

    পেনিলোপী প্রেমের সম্বন্ধে একটা বক্তৃতা দিচ্ছিল :

    বাপ-মা গাঁই-গোত্র মিলিয়ে একটা কনে দেখে দিলে, ছেলে চোখ-কান বুজে বিয়ে করে ফেললে, তারপর বাড়ীর আরও পাঁচজনের সঙ্গে তারাও খাটে-খোটে, কাজ করে, ছেলে-পুলে হয়,— আমাদের দেশে বিবাহিত জীবন এমন নিস্তরঙ্গ নয়।

    মহেন্দ্র বললে, তাতে তরঙ্গটা কি?

    —আছে। মনের মানুষকে আমাদের খুঁজে নিতে হয়।

    —কিন্তু খুঁজে নেওয়ার পরে তো, আমাদেরও যে অবস্থা তোমাদেরও সেই অবস্থা? পেনিলোপী হেসে বললে, সম্ভবত। কিন্তু ওই খুঁজে নেওয়াটাই একটা মস্ত ব্যাপার। তোমাদের কাছে বড় হল দেহের শুচিতা, আমাদের কাছে বড় হল প্রেম।

    —দেহের শুচিতার মানে বুঝি। কিন্তু প্রেম বস্তুটা কি?

    —সে মুখে বলবার নয়, অনুভব করবার। সহস্র লোকের মধ্যে একটি লোককে দেখলে চোখমুখ প্রদীপ্ত হয়ে ওঠে, বুকের মধ্যে জ্বলে ওঠে আগুন,—সেই হল প্রেম। সে এক অদ্ভুত অনুভূতি! তেমন হয় তোমাদের?

    –বোধ হয় না। গ্রীষ্মপ্রধান দেশের লোক আমরা, আগুনের দরকার কম।

    এ পরিহাস পেনিলোপী গায়েও মাখলে না। দীপ্ত কণ্ঠে বলে চললো :

    —সেই প্রেম, যার প্রেরণায় মানুষ অবহেলায় পাহাড় পার হয়, সাগর ডিঙিয়ে যায়, কোনো বাধাকেই বাধা বলে মনে করে না।

    তোমার গায়ত্রী খুব ভালো মেয়ে, তোমাদের শাস্ত্রমতে যাকে সতী বলে তাই। সে অশেষ দুঃখ-কষ্ট-অবহেলা স্বীকার করবে, তবু দেহের শুচিতার বিনিময়ে তোমার ঘরে রাজরাণী হয়ে আসতেও প্রস্তুত নয়। এমন মেয়ে আমাদের সমাজে তুমি পাবে না। কিন্তু প্রেমের জন্যে ঐশ্বর্যশালী স্বামীকে ছেড়ে ভিক্ষুকের কুটিরে এল, এমন মেয়ে আমি নিজেই দেখেছি।

    বসন্ত এক কোণে চোখ বুজে বসে চুরুট টানছিল। এতক্ষণ একটা কথাও বলেনি। এখন বললে, গায়ত্রীর ওটা শুধু দেহের শুচিতা নাও হতে পারে। হয়তো সংস্কার।

    পেনিলোপী চমকে গেল। বিচিত্র নয়, সংস্কারও হতে পারে। সংস্কারের শক্তিও সামান্য নয়।

    মহেন্দ্রের দিকে চেয়ে জিজ্ঞাসা করলে, তোমার কি মনে হয়?

    নিস্পৃহভাবে মহেন্দ্র বললে, কিছুই মনে হয় না। শোনো, সিনেমায় যাবে? একটা ফিল্ম এসেছে ‘The Lily of the Lake’ শুনছি নাকি অদ্ভুত হয়েছে। যাবে?

    পেনিলোপীর মন উসখুস করে উঠলো। বললে, এখন ক’টা বাজে? ভালো ফিল্ম হলে আর কি টিকিট পাওয়া যাবে?

    —দেখতে পারি টেলিফোন করে, অবশ্য যদি যাও।

    বসন্তর দিকে চেয়ে পেনিলোপী জিজ্ঞাসা করলে, যাবে?

    বসন্ত স্রেফ ঘাড় নাড়লে। বললে, না। আমি যা ঘুরেছি, এই সোফাটা ছেড়ে এক পাও আর নড়ছি না।

    —তাহলে আজ থাক মহিন। কাল যাওয়া যাবে বরং। কিন্তু এখানে তোমরা সন্ধ্যাটা কাটাও কি করে? না ক্লাব, না কিছু। কি করে কাটাও?

    মহেন্দ্র বললে, ভূতের গল্প বলে।

    ওরা হাসতে লাগলো।

    মহেন্দ্র বললে, তোমাদের অসুবিধাটা আমি বুঝতে পারছি পেনিলোপী, ‘Two is company, three is none.’ তোমরা একটু বিশ্রাম কর। কিংবা ভূতের গল্পও করতে পার। আমার কতকগুলো জরুরী চিঠি এসেছে, তার উত্তর আজ দিতেই হবে। আমি চললাম, আবার কাল সকালে দেখা হবে।

    কেউ বাধা দেবার পূর্বেই মহেন্দ্র নিচে নেমে গেল।

    .

    অনেকগুলো জরুরী চিঠি এসে জমেছে সত্য। মহেন্দ্র সেগুলোর জবাব লেখবার জন্যে বসলো।

    এবারে দেশ থেকে ফেরবার পর থেকে বাড়ীর চিঠি আসাটা অসম্ভব রকম বেড়ে গেছে। সুবর্ণ মহেন্দ্রকে কালে-ভদ্রে চিঠি দিত। এবারে অত্যন্ত ঘন ঘন দিচ্ছে, মহেন্দ্রকেও, পেনিলোপীকেও। গায়ত্রীও চিঠি দিচ্ছে পেনিলোপীকে। কিন্তু এত তাড়াতাড়ি সুবর্ণর চিঠির জবাব দেওয়া মহেন্দ্রের পক্ষে অসম্ভব। চিঠি লেখার বিষয়ে সে আবাল্য অলস। সুবর্ণর চিঠিখানি সে একপাশে সরিয়ে রেখে দিলে। তুলে নিলে নরেনের চিঠিটা।

    চিঠিটা জরুরী। এর একটা উত্তর আজকেই দিতে হয়।

    কিন্তু কি উত্তর দেবে?

    বিরাজমোহিনী আর দেশে থাকতে চান না, কাশী যাবার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। শেষ বয়সটা সেইখানেই যদি তিনি কাটাতে চান, স্বচ্ছন্দেই কাটাতে পারেন। তার জন্যে মহেন্দ্রের অনুমতির অপেক্ষা করে না। কিন্তু সঙ্গে কে থাকবে? দাদা লিখেছেন, গায়ত্রীর খুব ইচ্ছা সে সঙ্গে যায়। সে গেলে মায়ের যত্ন হবে। তবে আর কি? পাঠিয়ে দিন তাদের। না, তাও হবে না। নরেনের বিশ্বাস, তাকে ছেড়ে মা একদিনও কোথাও থাকতে পারবেন না। তাহলে কাশী পাঠিয়ে কাজ কি? দাদা নিজের কাছেই মাকে রেখে দিতে পারেন। কিন্তু মা থাকতে কিছুতেই রাজি নন। তাহলে আর কি করা যায়? সে চিঠিখানাও মহেন্দ্ৰ তখনকার মতো সরিয়ে রেখে দিলে।

    মহেন্দ্র ঘরের মধ্যে পায়চারী করতে লাগলো। কিছুই যেন ভালো লাগছে না তার। এবারে দেশ থেকে এসে পর্যন্তই তার এই অবস্থা। কাজে মন বসে না।

    একবার মনে হল, নরেনকে লিখে দেয়, মাকে কাশীই পাঠিয়ে দেওয়া হোক। মহেন্দ্ৰ নিজেই থাকবে মায়ের কাছে। ধর্মে তার মতি নেই সত্য, জননী জাহ্নবীর মহিমাও হয়তো উপলব্ধি করতে পারবে না। তবু সমস্ত কিছু থেকে দূরে, সমস্ত কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে বেশ কাটিয়ে দেবে বাকী জীবনটা।

    কিন্তু জানে তা সম্ভব নয়। তার মতো অনাচারীর সঙ্গে এক বাড়ীতে থাকতে হবে জানলে বিরাজমোহিনী কাশী কেন, বৈকুণ্ঠে যেতেও রাজি হবেন না।

    সংসারের সঙ্গে দীর্ঘ ত্রিশ বৎসরের আচরণে এই সম্পর্ক সে গড়ে তুলেছে। পায়চারী করতে করতে হঠাৎ থমকে দাঁড়িয়ে দূরের দিকে একদৃষ্টে সে চেয়ে রইলো। যেন তার সামনের সুদীর্ঘ পথটাকে সে দেখতে চায়। সুদীর্ঘ পথ। এঁকে-বেঁকে দিগন্তের কোলে গিয়ে অদৃশ্য হয়েছে। কল্পনার দৃষ্টিতে পথের দু’ধারে কোথাও এতটুকু ছায়াও সে দেখতে পেলে না। চারিদিক শুধু ধু-ধু করছে!

    এই পথ পার হয়ে যেতে হবে তাকে।

    কিন্তু কোথায়? .

    কোথায় তা কেউ জানে না। তবু যায়, তবু যেতে হয়। মহাকালের আহ্বান অমোঘ, তাকে উপেক্ষা করার উপায় নেই।

    এমন সময় একখানা ফাইল হাতে বসন্ত এলো।

    বললে, শোনো। এই যন্ত্রপাতিগুলোর অর্ডার দেওয়া হয়েছিল। আজ চিঠি এসেছে এগুলো তৈরি। কাল-পরশু নিয়ে আসি, কি বল? কিন্তু রাখি কোথায়? ঘরটা ভাড়া নেওয়ার লেখাপড়া করতেই তো এত সময় কেটে গেল। এখন ওটাকে ডিস্টেম্পার করতে হবে। ফার্নিচার এনে সাজাতে হবে। তোমার ও দিশী মিস্ত্রীর কাজ নয় হে! আমি চীনে- মিস্ত্রীকে খবর দেব ভাবছি। তারপরে,

    মহেন্দ্ৰ অনেকক্ষণ ধৈর্য ধরে শুনছিল, এই বার হাত জোড় করলে। বললে, তারপরে আর নয় ভাই। আমাকে এইবার রেহাই দাও।

    বিস্মিতভাবে বসন্ত বললে, তার মানে?

    —তার মানে আমার আর ভালো লাগছে না। আর আমি পারছি না। কোন একটা কাজে অধ্যবসায়ের সঙ্গে লেগে থাকবার শক্তি আমি হারিয়েছি।

    বসন্ত যেন আকাশ থেকে পড়লো। বললে, কি আবোল-তাবোল বকছ তুমি!

    মহেন্দ্ৰ বসন্তকে নিয়ে পাশের একটা সোফায় বসলো। এবং বলতে লাগলো :

    -–তোমাকে সব কথাই বলি বসন্ত। ক্লিনিক খোলায় আমি আর উৎসাহ পাচ্ছি না। আমি ওর মধ্যে রইলাম, কিন্তু আমার উপর নির্ভর কোরো না। তুমিই যা হয় কোরো। মাঝে মাঝে আমি আসব, যতটুকু পারি তোমায় সাহায্য করব, তারপর আবার যখন ভালো লাগবে না, তখন চলে যাব।

    —কি করবে তুমি?

    —কিছুই করব না। তুমি বুঝতে পারছ না বসন্ত, কিন্তু আমি বুঝতে পারছি, আমার কিছুই করার শক্তি নেই। আমার উপর নির্ভর করা ব্যবসার পক্ষে নিরাপদও হবে না।

    —তাহলে একেবারে কিছুই করবে না তুমি?

    —না, একেবারে চুপচাপ থাকতেও বোধ হয় পারব না। কিছু কিছু করতে হবে, এলোমেলো ভাবে। যেমন ধর, দেশের কাজ। বন্যা, মহামারী, দুর্ভিক্ষ, ডাক এলে দুর্গতদের সেবার জন্যে যেখানে দরকার যাব, যতখানি পারব করব। যখন পারব না এইখানটিতে এসে লুকিয়ে পড়ব। নয় তো বাইরে কোথাও ঘুরে ঘুরে বেড়াব।

    —আচ্ছা, তাই হবে।—বলে বসন্ত হাসলে। বললে,—আজ মনটা তোমার, যে কারণেই হোক, ভালো নেই। আমি চললাম। তুমিও বরং একটু ঘুমুবার চেষ্টা করগে।

    মহেন্দ্রের পিঠে দুটো চাপড় দিয়ে বসন্ত শিস দিতে দিতে উপরে চলে গেল।

    .

    এরই দিনকয়েক পরে।

    সন্ধ্যাবেলায় মহেন্দ্ৰ লেপ মুড়ি দিয়ে খাটে শুয়ে ছিল। এমন সে করত না। শোয়া দূরে থাক্, এক জায়গায় দীর্ঘকাল বসে থাকাই তার পক্ষে অসম্ভব ছিল। কোনো কাজ না থাকলে বসে কিংবা শুয়ে থাকার চেয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়ানোই সে পছন্দ করত। কিন্তু ক’দিন থেকে কি যে তার হয়েছে, শুয়েই সে বেশিক্ষণ থাকে। ঘুমায় না, ঘুমুনো সম্ভবও নয়, শুধু আকণ্ঠ লেপ মুড়ি দিয়ে শুয়ে পড়ে থাকে।

    সেদিনও তাই ছিল। ঘরে জ্বলছিলো শুধু নীল বেড-লাইটটা। অন্য লাইটটা তার চোখে লাগে।

    এমন সময় পেনিলোপী এলো ধীরে ধীরে।

    —আমাকে তোমার ঘরে একটু আশ্রয় দেবে মহিন?

    মহেন্দ্র খাটের উপর উঠে বসলো। সকৌতুকে জিজ্ঞাসা করলে, কি ব্যাপার! তুমিই হলে আমাদের আশ্রয়দাত্রী! আর তুমিই বেরুলে আশ্রয়ের খোঁজে! ‘ভিখারিণী হল আজি কমল-আসনা!’ ব্যাপারটা কি পেনিলোপী? বসন্ত তাড়িয়ে দিলে বুঝি?

    ভূরু বেঁকিয়ে, চোখ টেনে, ঠোট কুঁচকে পেনিলোপী ফোঁস করে উঠলো। বললে, ইস, আমাকে কি বাঙালীর ঘরের মেয়ে পেয়েছ যে কখনও মাথায় রাখবে, কখনও পায়ে থেঁৎলাবে?

    মহেন্দ্র হেসে বললে, তাহলে তুমি বাঙালী মেয়েদের কিছুই চেননি। তারা বাইরে যেমন অবলা, ভিতরে তেমনি সবলা।

    পেনিলোপী হেসে বললে, ও কথা আমাকে আর বোলো না, আমি দেখে এসেছি সব।

    —কিছুই দেখে আসনি। এই বাড়ীতে মাস দুই আগে এলে দেখতে পেতে বাঙালী মেয়ের প্রতাপ।

    —কি রকম?

    পাশের একটা বাড়ী দেখিয়ে দিয়ে মহেন্দ্র বললে, ওই যে বাড়ীটা দেখছ না, মাস দুই আগে পর্যন্ত ও বাড়ীতে একটি পরিবার ছিল। গৃহিণীটির যেমন দশাসই কলেবর, তেমনি কণ্ঠ! কী একটা কাজ করত বোধ হয়। সকালে চুল বেঁধে, কুঁচিয়ে কাপড় পরে, বেঁটে ছাতাটি হাতে করে কোথায় বেরিয়ে যেত। ফিরতো কোনোদিন সূর্য ডোববার আগেই, কোনোদিন সন্ধ্যার পরে, এক একদিন রাত এগারোটাও হত। এলেই পাড়ার লোক বুঝতে পারতো, তিনি এলেন। দেখতাম, চক্ষুর পলকে স্বামী থেকে আরম্ভ করে ছেলেমেয়ে পর্যন্ত সন্ত্রস্ত হয়ে উঠতো। বোধ করি মেয়েটার একটু শুচিবাই ছিল। রবিবার কিংবা ছুটির দিন হলে ঘর ধোয়ার পালা পড়ে যেতো। মহিলাটি নিজেই একখানা গামছা পরে ঝাড় হাতে লেগে যেতেন ঘর পরিষ্কার করতে। আর একটা গামছা পরে কর্তা জল তুলতেন, বিছানা-পত্তর রোদে দিতেন। সমস্ত দিনের মধ্যে ভদ্রলোক আর কাপড় পরবার সুযোগ পেতেন না।

    —কেন?

    —ঠিক জানি না। বোধ হয় ছোঁয়াছুঁয়ির ভয়ে। শনিবারেও দেখতাম অফিস থেকে ফিরে সারা বিকেল ভদ্রলোক একটা গামছা পরেই ছাদে ঘুরে বেড়াতেন। আর সব সময় যেন চোর। এত কাছে থেকেও কোনো দিন তাঁর গলা শুনি নি। দেখনি তো সে মেয়েকে?

    —এরকম জাঁদরেল মেয়ে সব দেশেই আছে মহিন!

    —নিশ্চয়ই আছে। কিন্তু বাংলা দেশেও যে আছে, এ তো তুমি ভাবোনি পেনিলোপী। গৃহিণীরা সব দেশেই মোটামুটি এক,—কখনও নরম, কখনও গরম। স্বামীরাও সব দেশেই পারতপক্ষে গৃহিণীদের ঘাঁটায় না। যাতে সংসারে অশান্তি বাড়ে। কে সহজে অশান্তি বাড়ায় বল? অশান্তিকে কে ভয় করে না?

    —তা ঠিক!

    —তবে হ্যাঁ। সুদিন ছিলো আগে।

    —কি রকম?

    —এই আমরা, জানো তো আমরা কুলীন ব্ৰাহ্মণ?

    —না, জানি না। তবে স্বীকার করছি।

    মহেন্দ্র বললে, আমরা কুলীন ব্রাহ্মণ। আগে আমরা ইচ্ছে করলে তিনশো পঁয়ষট্টিটাও বিয়ে করতে পারতাম।

    —সে আবার কি!

    —হ্যাঁ, পারতাম। কল্পনা কর সে কী আনন্দ! তিনশো পঁয়ষট্টিটি শ্বশুরালয়ে বিভিন্ন বয়সের তিনশো পঁয়ষট্টিটি গৃহিণী, বছরের তিনশো পঁয়ষট্টিটি দিন আমারই প্রতীক্ষায় রয়েছেন। আমি একটি করে দিন একটি করে শ্বশুরালয়ে অতিবাহিত করি। খাই-দাই- রাত্রিবাস করি, এবং প্রভাতে দক্ষিণান্তে অন্য শ্বশুরালয়ের দিকে যাত্রা করি। ভাবো তো কী অবাধ মুক্তি! আমার বাড়ীঘর করার দরকার নেই, ঝি-চাকর, বাবুর্চি-বেয়ারার দরকার নেই। সমস্ত জীবন শুধু এক শ্বশুরবাড়ী থেকে আর এক শ্বশুরবাড়ী যাওয়া।

    —কি হল তার?

    —উঠে গেল! পশ্চিম থেকে তোমরা এলে আমাদের সভ্য করতে। এসে শুধু আমাদের রাজনৈতিক স্বাধীনতাই কেড়ে নিলে না, বৈবাহিক আনন্দ থেকেও বঞ্চিত করলে!

    —কিন্তু সেই মেয়েগুলির কি হত ভেবেছ?

    —ভাববার তো দরকার নেই পেনিলোপী। নিজের চেয়ে বড় সংসারে কিছুই নয়। আমরা কি হারালাম সেইটেই ভাবি, আর দীর্ঘশ্বাস ফেলি।

    বলে মহেন্দ্ৰ সশব্দে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ
    Next Article বসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    Related Articles

    সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    বসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 29, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026
    Our Picks

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026

    বসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }