Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026

    বসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মহাকাল – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    সরোজকুমার রায়চৌধুরী এক পাতা গল্প195 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মহাকাল – ২৩

    তেইশ

    চৈত্রমাসের শেষের দিকে পেনিলোপীর পত্রে সুবর্ণ জানতে পারলে, মহেন্দ্র কলকাতায় নেই। মাস দুয়েক হল সে বেড়াতে বেরিয়েছে। বলে গেছে কাশী, এলাহাবাদ, দিল্লী, লাহোর এবং সেখান থেকে পেশোয়ার পর্যন্ত যাবে। ফিরতে আষাঢ়ের শেষ।

    পেনিলোপী আরও জানিয়েছে, কাশী পৌঁছে যে একখানা চিঠি সে দিয়েছিল, তার পরে তার আর কোনো খবরই পাওয়া যায় নি। সুবর্ণ যদি কোনো চিঠি পেয়ে থাকে, যেন জানায়। ওরা সবাই মহেন্দ্রের জন্যে খুব ভাবছে।

    চিঠি পাওয়া দূরে থাক, মহেন্দ্ৰ যে কলকাতায় নেই, পেনিলোপী না জানালে এ খবরটাও তারা জানতে পারত না। মহেন্দ্র তাদের কোনো চিঠিই দেয়নি। কাশী থেকেও না, দিল্লী-লাহোর কোথাও থেকেই না। সে যে কলকাতার বাইরে যাচ্ছে এ খবরটাও সে জানায় নি।

    সুবর্ণ মহা মুশকিলে পড়লো।

    তখন বিকেলবেলা। নরেন বাইরে অফিসের কাজে ব্যস্ত। কিন্তু তখনই সুবর্ণ তাকে ডাকতে পাঠালো।

    ডাকাডাকির রোগ সুবর্ণর নেই। সুতরাং নরেন খুব চিন্তিতভাবে তখনই চলে এল।

    —কি ব্যাপার?

    —ঠাকুরপোর কোনো খবর পেয়েছ?

    নরেনের মাথাটা যেন ঘুরে গেল। বললে, না। কোনো খবর আছে নাকি?

    স্বামীর অবস্থা দেখে সুবর্ণ তাড়াতাড়ি বললে, না। খারাপ কিছু নয়। কোনো খবর পেয়েছ কিনা জানতে চাইলাম, তা এমন করলে! তুমি যেন মেয়েমানুষেরও অধম। যেন মহিনের বিধবা দিদি!

    সুবর্ণর হাসি দেখে নরেনও আশ্বস্ত ভাবে হাসলে।

    বললে, বিধবা দিদিতেই কি কেবল ভালোবাসতে জানে বড় বৌ, দাদাতে জানে না?

    —কিন্তু কোন পুরুষ-মানুষে এমন স্ত্রীলোকের মতো ব্যস্ত হয়?

    একথার আর নরেন জবাব দিলে না।

    বললে, তার একখানা চিঠি পেয়েছি। আগ্রা থেকে লিখেছে। কিছুদিন আগ্রায় থেকে লাহোর যাবে। সেখান থেকে পেশোয়ার। ভায়া এবার লম্বা ট্যুরে বেরিয়েছেন।

    নরেন হাসলে।

    বললে, শ পাঁচেক টাকা পাঠাতে লিখেছিল। কিন্তু সেই সময়টা লাটের ঝামেলা। একশো টাকার বেশি তখন পাঠাতে পারি নি। দু’তিন দিন হোল বাকি চারশো পাঠিয়েছি।

    সুবর্ণ পেনিলোপীর চিঠির বৃত্তান্ত জানালে।

    বললে, চিঠি না পেয়ে ওরা ভয়ানক ভাবছে। কিন্তু হঠাৎ বাবুর বেড়াবার সখ হোল কেন, এই গরমে?

    —কি করে বলব বল।

    —লেখেনি কিছু?

    —না। তবে ও তো চিরকালই খেয়ালী। এমনি খেয়ালেই একদিন যুদ্ধে চলে গিয়েছিল, এমনি খেয়ালেই আজ সফরে বেরিয়েছে।

    —কবে ফিরবে, কিছু লিখেছে?

    —না। আমিও জানতে চাইনি। কি দরকার বল? আমার অনুমতি নিয়ে তো বেরোয়নি।

    সুবর্ণ বললে, তুমি টাকা পাঠালে কেন? না পাঠালে হয় তো তাড়াতাড়ি ফিরে আসতে বাধ্য হোত।

    নরেন হাসলে। বললে, তুমি তাহলে তাকে কিছুই চেনো বড় বৌ। তাকে কোনো কাজ করতে বাধ্য করাতে পারে এমন শক্তি পৃথিবীতে কারও আছে বলে আমি জানি না।

    ব্যঙ্গভরে সুবর্ণ বললে, তোমারও না? তুমি তো বল তোমাকে সে খুব ভক্তি করে।

    —সেটাও মিথ্যে নয়। তুমি বিধবা দিদি বলে যে ঠাট্টা করলে, সেও সত্যি। ওর ছেলেবেলায় মা বারো মাস ভুগতেন। ওকে কখনও দেখাশুনো করতে পারেন নি আমাদের দিদি ছিল না, বোন ছিল না। আমিই ওকে দিদির মতো করে মানুষ করেছি। বাবা ওকে দেখতে পারতেন না। মহিনও কখনও বাবার কাছে যেত না। ওর যত কিছু আবদার, যত কিছু বায়না আমারই কাছে করে এসেছে।

    —তার প্রতিফল ভালোই পাচ্ছ!

    —তা পাচ্ছি। সেই জন্যেই তো নিজের ছেলেগুলোকে দেখি না। ওরাও তো ঐ রকমই হবে।

    বলে নরেন আর সেখানে দাঁড়ালো না। সোজা তেতলায় মায়ের ঘরে চলে গেল। উপরের ঘরে বিরাজমোহিনী একখানি কম্বলের উপর বসে মালা জপ করছিলেন। হাতে কাজ না থাকলে এইটেই তাঁর কাজ।

    ঘরে আর কাকেও না দেখে নরেন ভিতর থেকে দরজা বন্ধ করে মায়ের কাছে এসে বসলো।

    বিরাজমোহিনী জিজ্ঞাসা করলেন, দরজা বন্ধ করে দিলি যে! আমাকে গোপনে কিছু বলবি!

    —তোমার নামে যে মহালটা কেনা হয়েছে, সেইটের কথা বলতে এসেছিলাম মা।

    -–কেন, সেটার কী হয়েছে?

    —হয়নি কিছুই। বলছিলাম, বাবা তো ছোঁড়াকে কিছুই দিয়ে যান নি। বাবার সর্ত ও ভেঙেছে। সেই সর্তের অমর্যাদা আমি কিছুতেই করতে পারব না। তাতে বাবা স্বর্গে বসেও ক্ষুণ্ন হবেন। সে আমি পারব না। কিন্তু যে রকম দেখছি, ও কিছুই করবে না, করতে পারবেও না। শুধু উড়ে-উড়ে বেড়াবে। এ অবস্থায় কী করা যায় ওর জন্যে?

    —কি করতে চাও তুমি?

    —আমি বলি কি, তোমার নামের এই মহালটা ওকেই উইল করে দাও। আর সে বিষয়ে দেরী করা ঠিক হবে না। জীবন-মৃত্যুর কথা তো কেউ বলতে পারে না!

    বিরাজমোহিনী হেসে বললেন, ওরে বিধবার পরমায়ু হাজার বছর। সেজন্যে ভাবিস নি। কিন্তু আমার কাছে লুকোনো তো মিথ্যে নরেন, যেন মহিনও একেবারে ফাঁকি না পড়ে সেই জন্যেই তো ও মহাল তুই আমার নামেই নীলেমে কিনেছিলি। এখন যদি ওকেই ওটা দিতে চাস, আমি বাধা দোব কেন?

    খুশি হয়ে নরেন বললে, বাধা যে তুমি দেবে না, সে আমি জানি মা। সেজন্যে আমার কোনো দুশ্চিন্তাও নেই। কিন্তু আজকে বিশেষ করে সেই কথাটা তুলতে এসেছি অন্য কারণে।

    —কি কারণে?

    —মহিনের মতিগতি আমি ঠিক বুঝতে পারছি না। এখান থেকে যাবার সময় বলে গেল, কলকাতায় গিয়ে ডাক্তারী করবে। তার বন্দোবস্ত করেছে, সে খবরও পেলাম এর মধ্যে হঠাৎ এমন কি ঘটলো যে, সে পালিয়ে গেল?

    —কোথায় পালিয়ে গেল?

    —গিয়েছিল কাশী, সেখান থেকে দিল্লী, এখন রয়েছে আগ্রায়, সেখান থেকে যাবে লাহোর, তারপর পেশোয়ার পর্যন্ত। এরকম করার তো মানে খুঁজে পাচ্ছি না।

    —ও তো নরেন, চিরকালই অমনি। চিরদিনই জ্বালিয়েছে, এখনও জ্বালাচ্ছে, যতদিন বাঁচবে ততদিন জ্বালাবেও। তার জন্যে তোর তৈরী থাকাই ভালো।

    নরেন চিন্তিত ভাবে বললে, এ তো ঠিক তা নয় মা। আমার সন্দেহ হয়, বাবা যে ওকে ত্যজ্যপুত্র করে গেছেন, এখবরটা এখন ও কোনো রকমে জেনেছে। হিতৈষীর তো অভাব নেই! অবশ্য সঠিক খবর গ্রামের লোক কেউ জানে না। শুধু একটা গুজব রটেছে।

    বিরাজমোহিনী বললেন, কিন্তু যে খবরটা দু’দিন পরে ও জানতে পারবেই, তাই নিয়ে এত ঢাকাঢাকি যে তুই কেন করিস, আমি তো বুঝি না।

    নরেন শিউরে উঠে বললে, খবরটা ও শুনবে, মুখ ওর ফ্যাকাশে হয়ে যাবে, তাই আমি দেখব, এ তুমি ভাবতে পারো মা? ওকে হারানোর চেয়ে বড় সর্বনাশ আমার আর আছে? যাই হোক, তোমার উইলটা আমি তাহলে উকিলকে তৈরি করতে বলি। সাক্ষী থাকব আমি নিজে আর বাইরের ক’জন বন্ধু। কি বল?

    বিরাজমোহিনী বললেন, এ বিষয়ে আমার মতামত আর কি বাবা, তুমি যা ভালো বুঝবে করবে।

    বলে বিরাজমোহিনী হাসলেন। নরেনও খুশি হয়ে নিচে নেমে গেল।

    .

    তার পরের দিন সন্ধ্যা বেলায়।

    সূর্য ডোববার আগেই ভাঁড়ার বের করে দিয়ে সুবর্ণ উপরে ওঠে। কচি-কাচা নিয়ে আর নামতে পারে না। গায়ত্রী একাই রান্না করে।

    সেদিনও তাই করছিল। আর ফ্যালার মা বাইরে বসে যত রাজ্যের গল্প করছিল। গল্পের ভাণ্ডার ফ্যালার মায়ের অফুরন্ত। বয়স হয়েছে ষাট বছর। এই ষাট বছরের যত পুরাতন কথা তার মনে পড়ে যায়, তা শোনবার ধৈর্য গায়ত্রী ছাড়া এ বাড়ীতে আর কারও নেই।

    গায়ত্রীও কতক শোনে, কতক শোনে না। কিন্তু তালে তালে হুঁ-টা ঠিক দিয়ে যায়। ফ্যালার মায়ের তাতেই কাজ চলে যায়। বুড়ো বয়সে বকুনীটা স্বভাবতই বাড়ে। তারও বেড়েছে। এমন অবস্থায় একটা ঘুমন্ত লোকের কাছে বকতেও তার আপত্তি নেই।

    ন’বছরে তার বিয়ে হয়েছিল। স্বামী যে কি, তাই তখন সে জানতো না। সেই বয়সে ননদ আর শাশুড়ীতে মিলে কী অত্যাচারটা তার উপর করতো, চৈত্রের সন্ধ্যায় তাই সেদিন তার মনে পড়ে গেল। এবং গায়ত্রীর কাছে রান্নাঘরের বারান্দায় সেই বিবরণ খুলে বসলো।

    করুণ কাহিনী সন্দেহ নেই। ফ্যালার মা যত বলে, তার দ্বিগুণ কাঁদে। হঠাৎ একসময় তার গল্পের সুর গেল কেটে।

    চীৎকার করে উঠলো :

    —কী হোলো গো! এ আবার কী হোলো গো! ওগো, কে কোথায় আছে গো! গায়ত্ৰী, ও গায়ত্রী!

    ফ্যালার মায়ের কণ্ঠস্বরের খ্যাতি আছে বরাবরই। সুতরাং বাড়ীর ভিতরে ঝি-চাকর যারা ছিল তারা তো বটেই, বাইরে থেকে আমলা-কর্মচারী এবং উপর থেকে সুবর্ণ পর্যন্ত ছুটে নেমে এল।

    —কি হয়েছে! কি হয়েছে!

    ফ্যালার মা চ্যাঁচাতে লাগলো :

    —ওগো, গায়ত্রীর কী হয়েছে দেখ গো! এই তো দিব্যি রাঁধছিল, গল্প করছিল, হঠাৎ অমন করছে কেন গো!

    সিঁড়িতে সুবর্ণকে দেখেই আমলারা বারান্দা থেকে নেমে পথ ছেড়ে দিলে। আড়- ঘোমটা টেনে সুবর্ণ রান্নাঘরের ভিতরে ঢুকে পড়লো। গায়ত্রীর মাথাটা কোলে নিয়ে মৃদু অথচ দৃঢ়কণ্ঠে বললে, তুই শীগগির একটা পাখা নিয়ে আয় ফ্যালার মা। আর ওঁদের সরে যেতে বল। এমন কিছুই হয়নি।

    আমলারা চলে গেল।

    সুবর্ণ ওর চোখে-মুখে জল দেয়, আর বাতাস করে।

    একটু পরেই গায়ত্রী চোখ মেলে চাইলে, কিন্তু তখনই ক্লান্তভাবে আবার চোখ বন্ধ করলে।

    —একটু জল খাবি গায়ত্রী?

    গায়ত্রী ঘাড় নেড়ে জানালে, খাবে।

    জলটুকু খেয়ে সে উঠে বসলো। লোক-সমাগম দেখে কিছুক্ষণ বোকার মতো ফ্যাল ফ্যাল করে চেয়ে রইলো। তারপর ফ্যালার মায়ের অস্ফুট গুঞ্জনে ব্যাপারটা খানিকটা আন্দাজ করলে, এবং তাড়াতাড়ি হাতাটা নিয়ে উঠে দাঁড়ালো।

    বাধা দিয়ে সুবর্ণ বললে, তুই শুগে যা গায়ত্রী। আমিই রাঁধছি।

    লজ্জিত ব্যস্ততায় গায়ত্রী বললে, না, না, বৌদি। আমি বেশ রাঁধতে পারব। তুমি যাও।

    সুবর্ণ নিঃশব্দে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে ওর রান্না করা দেখতে লাগলো। জিজ্ঞাসা করলে, আর কখনও তোর ফিট হয়েছে?

    —না।

    —এই প্রথম?

    —হুঁ। হঠাৎ কি রকম মাথাটা ঘুরে গেল। তারপর কি হোল আর মনে পড়ে না।

    —কেন এমন হোল?

    —তা জানি না।

    সবাই চলে গিয়েছিল, কেবল ফ্যালার মা দাঁড়িয়ে ছিল। খনখন করে বললে, তুমি জানবে কি গো। তাহলে শোন বলি বৌমা,

    সুবর্ণ এক ধমক দিলে :

    —তুই থাম তো ফ্যালার মা। আমি বুঝতে পারছি কি করে কি হোল, তোর গল্প শুনতে শুনতেই ওর ফিট হয়েছিল।

    গালে হাত দিয়ে ফ্যালার মা চেঁচিয়ে উঠল : হেই মা! আমার গল্প শুনতে…

    —আবার চেঁচাচ্ছিস! আমি জানি না? তোর গল্প শুনতে শুনতে আমারই কতদিন ফিটের মতো হয়েছে! গল্প কিছুদিন তুই বন্ধ রাখ্ ফ্যালার মা।

    বলে হাসতে হাসতে উপরে চলে গেল।

    কাঁদ কাঁদ হয়ে ফ্যালার মা বললে, দেখো দেখি বাছা! বৌমা আমার নামে কি অপবাদ দিলেন!

    গায়ত্রী হেসে বললে, তুমি বোঝ না কেন ফ্যালার মা, বৌদি ঠাট্টা করে বলে গেলেন।

    ফ্যালার মা কিন্তু তাতেও সন্তুষ্ট হোল না। গজগজ করে বলতে লাগলো : আমার গল্প তো কেউ শোনে না। তুমিই শুধু ভালোবাসতে, তাই আসতাম। তা আর না হয় আসব না, আর না হয় আসব না।

    বলে মাদুরটা গুটিয়ে নিজের ঘরে গিয়ে শুয়ে পড়ল। যাবার সময় বার বার করে বলে গেল : বাবুর খাওয়া হয়ে গেলে যেন আমাকে ডেকো। নইলে রাত্রিতে আর খাওয়াই জুটবে না। গল্প করতে আসি কি সাধে? বসে থাকলেই ঘুমিয়ে যাই, আর ঘুমুলেই মড়া। ডেকো যেন মা, বেশ? জানো তো, ক্ষিদে আমি একেবারেই সহ্য করতে পারি না।

    গায়ত্রী হেসে বললে, ডাকব।

    আশ্বস্ত হয়ে ফ্যালার মা শুতে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ
    Next Article বসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    Related Articles

    সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    বসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 29, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026
    Our Picks

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026

    বসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }