Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026

    বসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মহাকাল – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    সরোজকুমার রায়চৌধুরী এক পাতা গল্প195 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মহাকাল – ১৭

    সতেরো

    দেশে যাবার ইচ্ছা মহেন্দ্রর চলে গিয়েছিল। কিন্তু নিতান্তই না গেলে নয়, তাই যাওয়া। দাদার হুকুম তো আছেই, তার উপর পেনিলোপীকে কথা দেওয়া হয়েছে।

    সুতরাং নির্দিষ্ট সময়ে পেনিলোপী আর রামলোচনকে নিয়ে মহেন্দ্র বেরিয়ে পড়লো। জিনিসপত্র লট-বহর অনেক। শ্রীপুর স্টেশনে মোটর এবং গরুর গাড়ী দুই-ই এসেছিল। মহেন্দ্র পেনিলোপীকে নিয়ে মোটরে বেরিয়ে পড়লো। রামলোচন রইলো। সমস্ত জিনিসপত্র গুনে-গেঁথে হিসাব করে গরুর গাড়ীতে বোঝাই করে পরে আসবে।

    মহেন্দ্রর মোটর যখন বাগানবাড়ীতে পৌঁছুলো তখন বেশ অন্ধকার হয়েছে।

    পেনিলোপীর যাওয়ার খবর মহেন্দ্র টেলিগ্রাম করে আগেই দাদাকে জানিয়ে দিয়েছিল। সেজন্যে নরেন নিজেই তাকে সম্বর্ধনা জানাবার জন্যে বাগানবাড়ীতে উপস্থিত ছিল।

    মোটর থেকে নেমেই মহেন্দ্র ‘রায় বাহাদুরী’র প্রথম উন্নতি দেখলে রাম সিংহের রীতিমতো গরম মিলিটারী পোশাকে। মাথায় পাঞ্জাবী পাগড়ী, কাঁধে বন্দুক। আর ইব্রাহিমের পরনে পায়জামা, গায়ে নীল বনাতের আচকান। এই দুর্দিনে ওই দুর্লভ বস্তু নরেন কোথা থেকে সংগ্রহ করলে কে জানে! তার পিতলের বোতামগুলো কাঁধের কাছ থেকে বুক বেড়ে তির্যকভাবে কোমর পর্যন্ত প্রসারিত এবং এই অন্ধকারেও ঝকঝক করছে। কোমরে একটা চওড়া লাল পেটি, তার মাঝখানে একটা তকমা। কি যেন লেখা রয়েছে তাতে, অন্ধকারে পড়া গেল না।

    এ ছাড়া ইব্রাহিমের একটা নতুন সহকারীও জুটেছে। উৎসবে অনেকগুলি মাননীয় অতিথির পরিচর্যা একা ইব্রাহিম পেরে উঠবে না বলেই হয়ত এই ছোকরাটিকে বাহাল করা হয়েছে।

    আর উড়ে মালীটা তো আছেই।

    আগে তার পরনের কাপড় জুটতো তো গায়ে গেঞ্জী জুটতো না, গেঞ্জী জুটতো তো কাপড় জুটতো না। মহেন্দ্র দেখে খুশি হল, তারও ইব্রাহিমের মতো একটা নতুন উর্দি।

    দোতলায় উঠতেই নরেন পেনিলোপীকে দেখে থতমত খেয়ে গেল। মেমসাহেব সত্যি। কিন্তু বাঙালী মেয়ের মতো টকটকে লালপাড় একখানি শাড়ী পরা। গায়ে হাতাওয়ালা ব্লাউজ, পায়ে চটি।

    মহেন্দ্র পায়ে হাত দিয়ে দাদাকে প্রণাম করে পেনিলোপীর দিকে চেয়ে বললে, আমার দাদা।

    নরেনের থতমত ভাবটা ততক্ষণে খানিকটা কেটে এসেছে। সে করমর্দনের জন্যে হাত বাড়িয়ে সসম্ভ্রমে অভ্যর্থনা করতে যাবে, এমন সময় পেনিলোপী হেঁট হয়ে তাকে প্রণাম জানিয়ে পরিষ্কার বাংলায় জিজ্ঞাসা করলে, কেমন আছেন?

    উত্তর দিতে গিয়ে বিস্ময়ে নরেনের কথা জড়িয়ে গেল। কোনোরকমে বললে, ভালো। আসুন, আসুন। আপনি তো চমৎকার বাংলা বলতে পারেন দেখছি।

    পেনিলোপী সলজ্জ হাস্যে উত্তর দিলে, একটু একটু। সবে শিখেছি। এইতো আমার মাস্টার মশাই।

    নরেন খুশি হল না। সন্দিগ্ধ দৃষ্টিতে ঘরের ভিতরের উজ্জ্বল আলোয় আর একবার ভালো করে তার মুখের দিকে চাইলে।

    হ্যাঁ, মেম সাহেবই বটে। দুধের মতো সাদা রং, কটা চক্ষু, সোনালি চুল। খাশ বিলিতি মেমসাহেব। কিন্তু শাড়ী পরে কেন? বাংলাই বা বলে কেন? সর্বোপরি পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম? নরেনের মন খুশি হলো না। সাহেব-মেম, ওরা হোল রাজার জাত। বেশ জবরদস্ত না হোলে মন ভরে? মহেন্দ্রের সঙ্গে একজন মেম সাহেব আসছেন শুনে নরেন খুব খুশি হয়েছিল। কিন্তু পেনিলোপীকে দেখে হতাশ হয়ে গেল।

    সকালে পর পর দুখানা মোটরে এলেন সদর থেকে রাজকর্মচারীগণ। ম্যাজিস্ট্রেটের মোটরে ম্যাজিস্ট্রেট, তাঁর স্ত্রী আর জজ সাহেব। পিছনে জজ সাহেবের মোটরে এলেন এস.ডি.ও., সরকারী উকিল এবং অন্যান্যেরা।

    নরেনের নির্বন্ধাতিশয্যে মহেন্দ্র একটা চমৎকার পামবীচের স্যুট পরেছে। বাটন হোলে গুঁজেছে একটা গোলাপ ফুল। নরেনের পাশে দাঁড়িয়ে সে সকলকে সমাদরে অভ্যর্থনা জানিয়ে একটি করে গোলাপ ফুল ওদের বাটনহোলে পরিয়ে দিলে।

    উপরে নিয়ে এসে ওদের সঙ্গে পেনিলোপীর পরিচয় করিয়ে দিল : আমার বন্ধু মিসেস লাহিড়ি।

    হঠাৎ গ্রামোফোন রেকর্ড বেজে উঠলো God save the king, আর সবাই সার বেঁধে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে পড়লো। এই ব্যবস্থাটা নরেন গোপনে কখন করেছিল। বুদ্ধিটা সরকারী উকিলের। মহেন্দ্র বাধা দিতে পারে ভেবে ইচ্ছা করেই তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়নি। গ্রামোফোনটা বাজতে মহেন্দ্র বিস্মিত এবং বিরক্ত হয়েছিল। কিন্তু আরম্ভ যখন হয়েছে, তখন নিঃশব্দে সেটা সহ্য করে যাওয়ার মতো শালীনতা তার আছে।

    তারপরেই ছোট হাজরীর পালা।

    ব্যবস্থা নরেন দু’প্রস্থ করেছিল। যাঁরা দেশী মতে খাবেন তাঁদের জন্যে ব্যাঙ্কের উপরতলায়, আর বিলিতি মতের জন্যে বাগানবাড়ীতে।

    সুতরাং পেনিলোপী, সস্ত্রীক ম্যাজিস্ট্রেট, জজ এবং সরকারী উকিল খান বাহাদুর সাদেক আলি ছাড়া আর সকলকে নিয়ে নরেন ছোট হাজরীর আগেই ব্যাঙ্কের বাড়ীতে গেল।

    পেনিলোপীকে পেয়ে ম্যাজিস্ট্রেট-পত্নীর খুশি আর ধরে না। তাঁর মনে মনে আশঙ্কা ছিল, মজলিসে তিনিই একমাত্র মহিলা থাকবেন। পেনিলোপীকে পেয়ে তিনি বেঁচে গেলেন। দুজনে পাশাপাশি বসে গল্প জুড়ে দিলেন।

    ম্যাজিস্ট্রেট মিঃ জনসন খাবার টেবিলে বসে অনুযোগ করলেন, তুমি তো খুব আমার কাছে গেলে মেজর মুখার্জি। আমরা প্রত্যহ তোমার প্রতীক্ষা করতাম।

    মহেন্দ্ৰ বললে, আমি খুব দুঃখিত মিঃ জনসন। আমার যাওয়ার খুবই ইচ্ছা ছিল।

    কিন্তু তার পরে আমি বেশি দিন ছিলাম না। কলকাতায় চলে যাই।

    —তাই নাকি? এবারে ক’দিন আছ?

    —দাদা না ছাড়লে বড় জোর পরশু দিনটা।

    —তাই তো।

    সরকারী উকীল খান বাহাদুর সাদেক আলি সগর্বে বললেন, আমি আপনাকে বলিনি স্যর, মেজর মুখার্জি এবং তাঁর আই.এন.এ.-র জন্যে আপনি চিন্তা করবেন না। এ অত্যন্ত রাজভক্ত পরিবার। আপনি স্বচ্ছন্দে নরেনবাবুর নাম রায় বাহাদুরের জন্যে সুপারিশ করতে পারেন। বলিনি?

    ‘গড সেভ দি কিং’-এ ম্যাজিস্ট্রেট খুশি হয়ে গিয়েছিলেন। বললেন, ঠিকই বলেছিলেন।

    মহেন্দ্র চট করে বললে, আপনি ঠিক বলেন নি খাঁ বাহাদুর! আজাদ হিন্দ ফৌজ এবং হিন্দুস্থানের উপর আমার আনুগত্য ঠিক আগের মতোই আছে।

    ম্যাজিস্ট্রেট এবং খান বাহাদুর উভয়েই চমকে উঠলেন।

    ম্যাজিস্ট্রেট বললেন, কিন্তু এসে পর্যন্ত তুমি তো কোন আন্দোলনে যোগ দাও নি?

    —না। কিন্তু তার কারণ এ নয় যে, আন্দোলনে আমার অনুরাগের অভাব আছে। তার কারণ আমি অন্য ব্যাপারে একটু ব্যস্ত। সময় হলেই আমাকে আন্দোলনে দেখতে পাবে।

    মিঃ জনসন জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে খান বাহাদুরের দিকে চাইলেন।

    মহেন্দ্র হাসলে। বললে, কিন্তু তার জন্যে অনুতাপের কোন কারণ নেই মিঃ জনসন। উপাধি তো তোমরা আমাকে দাওনি। দিলেও নিতাম না। কিন্তু যাঁকে দিয়েছ, তাঁর রাজভক্তি সম্বন্ধে কিছুমাত্র সন্দেহের কারণ নেই। উপাধির অপব্যবহার যে সেখানে হবে না, এ আমি গ্যারান্টি দিতে পারি।

    ম্যাজিস্ট্রেট ঠিক খুশি হলেন বলে মনে হল না। কিন্তু তখনকার মতো চেপে গেলেন। বিশেষ, খেতাব দিয়ে তো আর কেড়ে নেওয়া যায় না।

    মহেন্দ্র হেসে আবার বললে, কথাটা শুনে তুমি খুশি হতে পারো নি মিঃ জনসন। হয়তো আমার উপর শ্রদ্ধাও কমে গেল। কিন্তু তোমারই একটি ভাই স্বদেশের জন্যে প্রাণ দিয়েছে, তার জন্যে তুমি কি করে থাক? শুধু ভারতের লোক দেশের জন্যে প্রাণ দিতে গেলেই কি অশ্রদ্ধেয় হয়ে যায়?

    ম্যাজিস্ট্রেট লাফিয়ে উঠে ওর হাত দুটো জড়িয়ে ধরলেন। বললেন, সে কথা তো আমি একবারও বলিনি মেজর মুখার্জি। আমি স্বাধীন দেশের লোক, দেশভক্তি বুঝি। কিন্তু এটাও মনে রেখো, একটা পরাধীন দেশকে শাসনে রাখবার জন্যেই রাজশক্তি আমাকে নিযুক্ত করেছেন।

    বলেই জোরে জোরে প্রাণ খুলে হাসতে লাগলেন। স্বয়ং খান বাহাদুরও সে হাসিতে যোগ দিলেন।

    .

    ওরা লাঞ্চে বসবেন এমন সময় ভিতরে গ্রামোফোন আরম্ভ হল :

    বন্দে মাতরম!
    সুজলাং সুফলাং
    মলয়জ শীতলাং
    শস্যশ্যামলাং মাতরম্।

    সস্ত্রীক মিঃ জনসন, পেনিলোপী এবং মহেন্দ্র সঙ্গে সঙ্গে উঠে দাঁড়ালেন। শুধু খান বাহাদুর সেকেন্ড কয়েক হতভম্ভের মতো বসে থেকে আস্তে আস্তে বেরিয়ে গেলেন।

    গান থামতে সবাই বসলেন, খান বাহাদুরও ফিরে এসে আগের আসন গ্রহণ করলেন। তাঁর মুখে বিরক্তির ছাপ।

    মহেন্দ্ৰ হেসে জিজ্ঞাসা করলে, এই গান আপনারা পছন্দ করেন না, না খান বাহাদুর? আগে করতেন, এখন করেন না।

    খান বাহাদুর গম্ভীর মুখে বললেন, মেজর মুখার্জি, আমরা পৌত্তলিকতার প্রশ্রয় দিই না।

    —খ্রীস্টানরাও তো দেয় না। অথচ মিঃ এবং মিসেস জনসন তো উঠে দাঁড়ালেন। বাইরে পালিয়ে তো গেলেন না।

    —সে কৈফিয়ৎ তো আমার দেবার নয় মেজর মুখার্জি। তা ছাড়া হিন্দু-মুসলমানের রাজনীতিও তো এক নয়। আমরা পৃথক নেশ্যন। ‘বন্দেমাতরম্’ আমাদের ভালো লাগবার তো কোন কারণ নেই।

    —কিন্তু নেশ্যন তো একটা ভৌগলিক সত্ত্বা খান বাহাদুর। ইউনাইটেড স্টেটসে ইউরোপের সব দেশের লোকই গিয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘকাল সেখানে বাস করে আজকে তাদের সবাই আমেরিকান। তারা আমেরিকান স্বার্থের জন্যে যুদ্ধ করে, প্রাণ দেয়।

    —তারা ধর্মে এক।

    —তাই বা এক কই? রোমান ক্যাথলিক এবং প্রোটেস্টান্টের বিরোধ ইতিহাসেই পড়েছেন। কিন্তু তাদের কথাও ছেড়ে দিলাম। ইহুদীদের তো আপনি খ্রীস্টানদের সঙ্গে ধর্মে এক বলতে পারেন না। তারাও তো আমেরিকান নেশানের অন্তর্ভুক্ত।

    —ইসলাম ভৌগলিক ব্যবধান স্বীকার করে না।

    —করে না? তুর্ক, আরব, আফগান কি এক নেশ্যন? এরা তো মুসলমান।

    মিসেস জনসন এবং পেনিলোপী সকৌতুকে ওদের তর্ক উপভোগ করছিলেন। তাঁদের দিকে চেয়ে খান বাহাদুর আর জবাব দিলেন না, বড় একটা টুকরো মাংস কেটে নিয়ে মুখে দিলেন।

    মহেন্দ্ৰ থামলে না। বলতে লাগলো

    আশ্চর্য! আপনি এবং আমি অথবা আমার প্রতিবেশী ওই ইব্রাহিম আমরা এক নেশান নই, একথা আমি ভাবতেই পারিনে। এদেশের হিন্দুরাই মুসলমান হয়েছে। তাছাড়া তাদের স্বার্থও এক। দুর্ভিক্ষ এবং ম্যালেরিয়ায় এক সঙ্গেই তারা মরে, মাঠে ফসল ভালো হলে তারা এক সঙ্গেই আনন্দ করে। তবু আমাদের পৃথক নেশ্যন হতেই হবে, কারণ ইংরেজ মনিবকে সন্তুষ্ট করে তাদের কাছ থেকে দু’টুকরো হাড় পাবার সেইটেই সুলভ উপায়।

    খান বাহাদুর বললেন, কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠতায় মুসলমানদের উপর প্রভুত্ব করবার জন্যেই কি আপনারা এক নেশান এবং অখণ্ড ভারতের ধুয়ো তোলেননি? সত্যি করে বলুন।

    —সত্যি করেই বলছি, না। নেতাজির অধীনে হিন্দু-মুসলমান-শিখ সবাই মিলে আমরা যখন ভারতের স্বাধীনতার জন্যে রক্তক্ষয় করছিলাম, এ প্রশ্ন তখন আমাদের মনেও ওঠেনি যে, নেতাজি হিন্দু কি মুসলমান, কিংবা কার ভাগে কি পড়বে। ভারত যখন স্বাধীন হবে, তখনও সে প্রশ্ন উঠবে না এও আপনি নিশ্চয় জানবেন। শ্যামদেশের যমজের মতো সুখে দুঃখে আমরা এমন এক হয়ে আছি যে, একজনকে মেরে আর একজনকে বাঁচানো যাবে না। আমাদের আজ নিঃসংশয়ে বুঝতে হবে, বাঁচলে আমরা সবাই বাঁচবো, নয়তো কেউ বাঁচব না।

    মিসেস জনসন খুশিতে হাততালি দিয়ে বললেন, হিয়ার, হিয়ার।

    সবাই হেসে উঠলো। একটা গুরুতর বিষয়ে তর্কের ফলে ঘরের হাওয়া যেটুকু ভারী হয়ে উঠেছিল, এই একটা কথায় তা লঘু এবং স্বাভাবিক হয়ে এল।

    আবার সবাই গল্পে মন দিলে।

    মিসেস জনসন তাঁর রিস্টওয়াচের দিকে চেয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, আমাদের কখন বেরুতে হবে চার্লি?

    মিঃ জনসন খান বাহাদুরের দিকে চেয়ে বললেন, পাঁচটায় বেরুলেই হবে বোধ হয়?

    খান বাহাদুরের মনের বিরক্তি তখনও কাটেনি। তবু যথাসাধ্য শান্তকণ্ঠে উত্তর দিলেন, তা হবে।

    —অনেক ধন্যবাদ। যথেষ্ট আনন্দ পেলাম।

    —বলে মিসেস জনসন স্মিত দৃষ্টিতে মহেন্দ্রের দিকে চাইলেন।

    কুণ্ঠিতভাবে মহেন্দ্ৰ বললে, এ কিছুই নয়, মিসেস জনসন। আর ধন্যবাদ যদি কারও প্রাপ্য হয়, সে দাদার, আমার নয়। বলতে গেলে আমিও আপনাদেরই মতো অতিথি।

    সবাই হাসতে লাগলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ
    Next Article বসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    Related Articles

    সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    বসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 29, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026
    Our Picks

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026

    বসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }