Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026

    বসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মহাকাল – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    সরোজকুমার রায়চৌধুরী এক পাতা গল্প195 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মহাকাল – ১৫

    পনেরো

    আমন ধান কাটা আরম্ভ হয়ে গেছে।

    নিহত সৈন্যের মতো কাটা ধান মাঠময় শুয়ে আছে। সোনায় ডুবে গেছে সমস্ত মাঠ। ধান বেশ ভালোই হয়েছে। তবু গৃহস্থ গালে হাত দিয়ে বসে আছে। ধান কাটবার লোক নেই। যারা রয়েছে তারা ম্যালেরিয়ায় ধুঁকছে। একদিন পেটের জ্বালায় কোনোমতে মাঠে যাচ্ছে তো তিন দিন আর উঠতে পারছে না।

    নবান্নর পরেই গ্রামের কোলের জমিগুলির ধারে ধারে ধান কাটা হয়ে গেছে। তারই উপর দিয়ে গরুর গাড়ীর রাস্তা পড়েছে। কিন্তু ধান আনার অভাবে এখনও তাতে প্রচুর ধুলো জমতে পারে নি।

    কি করে যে মাঠের লক্ষ্মী ঘরে আনা হবে সেই চিন্তায় সবাই পীড়িত। কেবল সান্ত্বনা এই যে, ধান চুরি যাবার ভয়ও নেই। যারা চুরি করতে পারে তারা সবাই শয্যাগত। কেউ কেউ ভালো থাকলেও শীতের শিশির ভোগ করে আনতে গিয়ে প্রাণ খোয়াবার আগ্রহ তাদের নেই।

    চিন্তা বেশী নরেনের।

    অন্য লোকের কম জমি। কোনোরকমে টেনেটুনেও ধান হয়তো ঘরে তুলবে। কিন্তু নরেনের তো তা নয়। তার প্রচুর জমি। সে জমির ধান এই সব রোগী মজুরদের দিয়ে রয়ে-বসে ঘরে আনতে হলে বাংলা বৎসর শেষ হয়ে যাবে।

    রামলোচন তাকে পরামর্শ দিলে বাইরে থেকে কিছু সাঁওতাল নিয়ে আসতে। তাতে মজুর সমস্যাও মিটবে।

    সেই পরামর্শই হচ্ছিল।

    এমন সময় ছোট একটি ছেলের কাঁধে হাত দিয়ে অন্ধ বেণীমাধব এসে সদরের প্রকাণ্ড বড় উঠানে দাঁড়ালেন। অন্ধ-চক্ষু চারিদিকে ঘুরিয়ে ডাকলেন, নরেন বাবাজি আছ নাকি?

    —আসুন, আসুন। ওরে কাকাবাবুকে একটা জলচৌকি দে।

    উঠানের মাঝখানে দাঁড়িয়ে বেণীমাধব বললেন, এইখানেই দাও বাবা। খাসা রোদ আছে এখানে। বুড়ো মানুষ ছায়ায় বসলে শীতে যেন জমে যাই।

    নরেন কাছে এসে দাঁড়ালো।

    তার পায়ের শব্দে আন্দাজে তার মুখের দিকে চেয়ে বেণীমাধব বললেন, তোমার কাছে একটা পরামর্শ নিতে এলাম বাবাজি।

    প্রতি বৎসর এই সময়ে বেণীমাধব একবার করে নরেনের কাছে পরামর্শ নিতে আসেন।

    নরেন হেসে বললে, গায়ত্রীর শ্বশুরবাড়ীর জমির সেই ধান তো? ও সমস্যা তো প্রতি বৎসরই একবার করে ওঠে। বলি চুকিয়ে ফেলুন, তাও ফেলবেন না।

    —কি করে ফেলি বল? নিঃসন্তান বিধবা, ওর তো দানবিক্রির অধিকার নেই।

    নরেন ঝাঁঝের সঙ্গে বললে, অধিকার তো জোরের। জোর থাকলেই অধিকার থাকে।

    —ওর জোরই বা কোথায় বাবা?

    —ওর নিজের না থাকে, যার জোর আছে তাকে বেচে দিক। দু’টাকা দাম হয়তো কম পাবে, কিন্তু বছর বছর এই ঝঞ্ঝাটের হাত থেকে তো বাঁচবে।

    —মেয়েটা বড় ভালো, বুঝলে না বাবা। দেওর-ভাসুরে জমির ধান যে বছর বছর লুটে নিচ্ছে কখনও তা নিয়ে একটা অভিযোগও করে না। আমি বললে হেসে বলে, নিক গে বাবা, ওঁদেরই তো জমি। শুনলে কথা!

    নরেন চুপ করে রইলো।

    একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বেণীমাধব বললেন, ওই যে বললাম বাবা, লক্ষ্মীর প্রতিমা। এ জন্মে কোনো পাপ তো করে নি। হয়তো আর জন্মে করে থাকবে, সেই পাপে এত কষ্ট পাচ্ছে।

    বেণীমাধব আর একবার দীর্ঘশ্বাস ফেললেন।

    বললেন, চোখে যে দেখি না, সে বোধ করি ভালো হয়েছে বাবাজি। ওর মুখ দেখলে আমি তো একটা দিনও এ সংসারে থাকতে পারতাম না। এখনো থাকতে ইচ্ছা করে না বাবা। বড় দুটো খুঁটে খেতে শিখেছে, তাদের জন্যে চিন্তা নেই। কিন্তু এই দুটো যে নিতান্তই শিশু, এদের কার কাছে রেখে দিয়ে যাই? নইলে তোমার কাকীমা আর গায়ত্রীকে নিয়ে কবে চলে যেতাম কাশী। সংসারে আর থাকতাম না। কিন্তু বিশ্বনাথ সে পথও যে বন্ধ করে রেখেছেন।

    কাপড়ের খুঁটে চক্ষু মার্জনা করে বেণীমাধব বলতে লাগলেন, এই তো গেল একদিক। আবার দেখ, বয়স হয়েছে, চোখে দেখি না, দেহ জীর্ণ। ভগবানের নাম করে এখন শান্তিতে দু’চোখ বন্ধ করতে পারলেই নিশ্চিন্ত হবার কথা। কিন্তু তারও তো জো নেই। হতভাগীর কথা ভাবলে মরার চিন্তাও তো করা করা যায় না।

    বৃদ্ধ চুপ করলেন।

    মামলার গন্ধে রামলোচন অনেকক্ষণ থেকেই উসখুস করছিল। এইবার সুযোগ পেয়ে বললে, গায়ত্রীর শ্বশুরবাড়ীর জমি আপনি বেচে দিন বাঁড়ুয্যে মশাই। বলেন তো আমি ভালো দামেই বিক্রির ব্যবস্থা করে দিতে পারি।

    —পারো?-বেণীমাধব নরেনকে লক্ষ্য করে জিজ্ঞাসা করলেন—তুমি কি বল বাবাজি?

    নরেন বললে, আমিও তাই বলি। কিন্তু একটা কথা ভাববার আছে।

    —কি বল?

    নরেন একটু চিন্তা করে বললে, জানেনই তো কথায় বলে বিধবা মেয়ের সর্বনাশ বাপ-ভাইতে করে। কথাটা অপ্রিয়। কিন্তু সংসারী লোক সব দিক ভেবে চিন্তে কাজ করে।

    —তাহলে তুমি কি জমি বেচতে বলছ না?

    —জমি বেচতে বলছি, কিন্তু টাকাটা হাতে রাখতে পাবেন না। অভাবের সংসার, হয়তো খরচ হয়ে যাবে। তখন মেয়েটা একেবারে পথে বসবে।

    বেণীমাধব উৎসাহিত হয়ে উঠলেন।

    —নরেন তো ভালো কথাই বলছেন রামলোচন। এতো সত্যিই একটা ভাববার কথা। তাহলে এক কাজ তো করা যায় নরেন, তোমার ব্যাঙ্কেও তো টাকাটা রাখা যায়। মাসে মাসে সুদ যা আসবে,

    নরেন হেসে ফেললে।

    বললে, টাকা তো খুব বেশী পাওয়া যাবে না কাকাবাবু। সুদ তার সামান্যই আসবে। তাতে কিছুই হবে না। ওই টাকা দিয়ে ওই পরিমাণ জমি আমি এইখানেই কিনে দোব।

    উৎসাহে বৃদ্ধ দাঁড়িয়ে উঠলেন।

    বললেন, এই হল জমিদারী মাথা! রামলোচন, শুনলে তো বুদ্ধিটা? এ সব আমার মাথায় আসবে কোত্থেকে? বেঁচে থাকো বাবা, দীর্ঘজীবি হও। মা-লক্ষ্মী তোমার সংসারে অচলা হোন। তোমার উপরই ভার দিলাম বাবা। যাতে অভাগীর ভালো হয় তাই করো।

    পুনঃ পুনঃ নানা ভাষায় আশীর্বাদ করতে করতে বেণীমাধব চলে গেলেন।

    রামলোচন বললে, বড় ভালো লোক, বড়বাবু। এ ধরনের লোক ক্রমেই কমে যাচ্ছে। আর বড় দেখতে পাওয়া যায় না।

    .

    সেইদিন দুপুরেই গায়ত্রী এল বাবুদের অন্দরে।

    মহেন্দ্র চলে যাবার পরে গ্রামময় এমন একটা বিশ্রী কলঙ্ক ওদের দু’জনকে জড়িয়ে উঠেছিল যে, গায়ত্রী বাইরে বেরুনো এক প্রকার ছেড়েই দিয়েছিল। একে তো কলহ করা তার স্বভাব নয়, তার উপর এটুকু সে বুঝেছিল যে, এসব ব্যাপারে কলহ করায় লাভের চেয়ে লোকসানই হয় বেশী। তাই সকলকে এড়িয়ে সে নিজের গৃহকোণে কাজ নিয়েই মগ্ন থাকতো।

    কিন্তু আজ আর পারলে না।

    সুবর্ণর কাছে এসে দাঁড়াতেই সুবর্ণ ওকে জড়িয়ে ধরে বললে, আসিস নি যে এতদিন? শরীর কি ভালো ছিল না?

    গায়ত্রীকে অত্যন্ত ক্লান্তই দেখাচ্ছিল।

    বললে, শরীর ভালোই ছিল বৌদি। কাজের ভিড়ে আসতে পারিনি। আজ একটা বিশেষ দরকারে পড়েই এলাম।

    দরকারের নামে সুবর্ণর মুখটা গম্ভীর হল। অভাবগ্রস্ত লোক দরকারের কথা বললে সবাই ভয় পায়। গায়ত্রীর উপর সুবর্ণর একটা অকৃত্রিম স্নেহ আছে সত্য। তবু তারও মুখ গম্ভীর হয়।

    গায়ত্রী বললে, নরেনদা আমার শ্বশুরবাড়ীর জমিগুলো সম্বন্ধে বাবাকে কি পরামর্শ দিয়েছেন শুনেছ?

    দরকারটা টাকার নয় শুনে সুবর্ণ খানিকটা আশ্বস্ত হল।

    বললে, না, শুনিনি তো।

    —পরামর্শ দিয়েছেন, সেখানকার জমিগুলো বিক্রি করে এখানে জমি কিনতে।

    —এ তো ভালোই পরামর্শ গায়ত্রী।

    গায়ত্রী মাথা নেড়ে বললে, হ্যাঁ, পরামর্শ ভালোই। কিন্তু এতে আমার মন সায় দিচ্ছে না। সেই কথাটাই তোমাকে বলতে এলাম। ও জমি বিক্রি করতে আমার মন নেই।

    —কিন্তু ও জমি তো তোর কোনো কাজেই আসে না গায়ত্রী। তুই তো ও থেকে আজ পর্যন্ত একটা দানা ধানও পাস নি। ও জমি রেখে লাভ কি হবে?

    —এ লাভ-লোকসানের কথাই নয় বৌদি। কিন্তু তুমিই বলো, ও জমি, আমি বিক্রি করব কোন অধিকারে?

    সুবর্ণ একটু চিন্তা করে বললে, কিছু একটা অধিকার আছে নিশ্চয়ই। উনি আইন জানেন। আইনে হারবি জানলে উনি তোকে সে পরামর্শ কখনই দিতেন না।

    —আইনে!—গায়ত্রী হাসলে,- আইনের কথা, আমি মুখ্যু মেয়েমানুষ, কিছুই বুঝি না। কিন্তু কি সুবাদে ওঁদের জমি দখল করব আমি? যাঁর সুবাদে অধিকার, তাঁর সঙ্গে আমার পরিচয়ই হয়নি যে।

    কথাটা যে সত্য তা সুবর্ণ জানতো।

    গায়ত্রীর বর যখন বিয়ে করতে এলো তখনই প্রবল জ্বরে কাঁপছে। বিয়ের পর বাসরটা কাটালে লেপ মুড়ি দিয়ে। বয়স হয়েছিল, তার উপর ম্যালেরিয়া জ্বর। সোজা ব্যাপার তো নয়। এমনি করেই কাটে ফুলশয্যার রাত। তার পরেই তো গায়ত্রী বাপের বাড়ী ফিরে এল। এবং ছ’টা মাসও গেল না, বিধবা হল।

    সুবর্ণ গায়ত্রীর সমবয়সী নয়। কিন্তু বয়সের ব্যবধানে মেয়েদের সখিত্ব কোনো কালেই আটকায় না। বৌদি সুবাদে গায়ত্রীর সঙ্গে সুবর্ণর সখিত্বই গড়ে উঠেছিল। গায়ত্রীর খবর গ্রামের সকল মেয়েই জানতো। সুবর্ণ আরও বেশিই জানতো।

    তথাপি বললে, তবু ওই একটি দিনের মন্ত্রপড়া ভাই, ওর মূল্য কি কম? আমাদের জোর তো স্বামীর ঘর করবার সময়ের উপর নির্ভর করে না ভাই, আমাদের জোর ওই মন্ত্রের জোর।

    গায়ত্রী বললে, কি জানি বৌদি, কিসের জোর। কিন্তু ওই জমি-বিক্রির টাকা হাত পেতে নিতে হবে ভাবতেই আমার বুক কেঁপে উঠছে। ও আমি পারব না বৌদি।

    সুবর্ণ একটুক্ষণ নিঃশব্দে ওর দিকে চেয়ে থেকে বললে, তাহলে তোর চলবে কি করে ভেবে দেখেছিস? বাপের ওই তো অবস্থা! তবু তিনি যতদিন বেঁচে আছেন, একবেলা এক মুঠো তোর জুটবেই। কিন্তু ভায়েরা যদি খেতে না দেয়?

    —তখন যে কি করব ভাবিনি বৌদি। তোমাদের পাঁচ বাড়ীতে ভিক্ষে করেও যদি পেট না ভরে, নদীতে তো জল আছে। সে ভাবনা তখন ভাবব। কিন্তু এখন,

    গায়ত্রী দৃঢ়ভাবে মাথা নাড়লে।

    বললে, তোমাকে সমস্তই বলে গেলাম। নরেনদাকে তুমি একটু বোলো বৌদি, বাবাকে বুঝিয়ে বলতে। তাঁর অভাবের সংসার। জমি-বিক্রির জন্যে লোভ হওয়া বিচিত্র নয়। কিন্তু নরেনদা বুঝিয়ে বললে, নিশ্চয় তিনি শান্ত হবেন। বলবে বৌদি?

    বিষণ্নমুখে সুবর্ণ বললে, বলব। কিন্তু কাজটা তোর ভালো হচ্ছে না ভাই। শেষে পস্তাবি।

    গায়ত্রী হেসে বললে, পস্তাচ্ছি তো গোড়া থেকেই বৌদি। এর যে একটা শেষ আছে, আজকে ভাবতেও পারি না।

    —তাহলে এই তোর মত?

    —হ্যাঁ।

    সুবর্ণ আর কিছু বললে না।

    গায়ত্রী আরও কিছুক্ষণ বসে এটা-ওটা আরও পাঁচটা হাসি-পরিহাসের পর একসময় উঠে চলে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ
    Next Article বসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    Related Articles

    সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    বসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 29, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026
    Our Picks

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026

    বসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }