Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026

    বসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মহাকাল – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    সরোজকুমার রায়চৌধুরী এক পাতা গল্প195 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মহাকাল – ৪

    চার

    মহেন্দ্র বাগান বাড়ীতে ফিরতেই ইব্রাহিম জানালে, গোসলখানায় পানি দেওয়া হয়েছে। জানতে চাইলে ছোটবাবু এখন গোসল করবেন কি না।

    বৌদির কাছ থেকে ফিরে মহেন্দ্রের মনটা খুশি হয়ে ছিল। পরিহাসের ভঙ্গিতে বললে, না, বাবা ইব্রাহিম, গোসলখানায় নয়, নদীতে রীতিমত অবগাহন স্নান করে আসব। তেল-টেল আছে?

    ইব্রাহিমের চোখ বিস্ময়ে কপালে উঠলো।

    বললে, তেল!

    জামা ছাড়তে-ছাড়তে মহেন্দ্র জবাব দিলে, হ্যাঁ, হ্যাঁ, তেল। মাখবার তেল। বললাম না, নদীতে চান করতে যাব? নেই তেল?

    ছোটবাবু সাহেব হয়ে ফিরেছেন ভেবে ইব্রাহিমের মহেন্দ্রের উপর শ্রদ্ধা জেগেছিল। তেলের কথায় সে রীতিমত ক্ষুণ্ণ হল। কোনো রকমে ঘাড় নেড়ে জানালে, আছে।

    —নিয়ে এস। আর দেখ, একজন কাউকে বলো আমার কাপড়-জামা নদীর ঘাটে নিয়ে আসতে।

    মহেন্দ্র সাবান নিলে না, কিচ্ছু না। শুধু মাথায় একটু সর্ষের তেল ঘষে খোলা গায়ে একখানা তোয়ালে জড়িয়ে ঘাটে গেল।

    ইব্রাহিমের মনটা আরও খারাপ হয়ে গেল।

    নদীর ঘাট দূরে নয়। একটু যেতেই তর্কালঙ্কার মহাশয়ের সঙ্গে মহেন্দ্রের দেখা। তিনি স্নানান্তে একখানি গামছা পরে ভিজে কাপড়খানি কাঁধে ফেলে, বাঁ হাতে জলপূর্ণ কমণ্ডলু নিয়ে মৃদু অথচ সুমিষ্ট কণ্ঠে স্তোত্রপাঠ করতে করতে ফিরছিলেন।

    মহেন্দ্র সেইখানে গড় হয়ে প্রণাম করে সবিনয়ে জিজ্ঞাসা করলে, ভালো আছেন পণ্ডিতমশাই?

    —কে? মহেন্দ্ৰ? বেশ, বেশ। কল্যাণ হোক বাবা। ভালো আছ তো?

    –আজ্ঞে হ্যাঁ।

    তর্কালঙ্কারমশাই তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে মহেন্দ্রের গলায় যজ্ঞোপবীতটা খুঁজছিলেন। সেখানে না পেয়ে সে-দৃষ্টি তার কোমরের দিকে নেমে এল। সেখানেও যজ্ঞোপবীতের চিহ্নমাত্র দেখা গেল না।

    অবশেষে ভগ্নকণ্ঠে তিনি বললেন, পৈতৃক ধর্মটা কি একেবারেই ত্যাগ করেছ বাবা?

    মহেন্দ্ৰ ব্যথিত বিস্ময়ে বললে, আজ্ঞে না। ধর্মত্যাগ করব কেন?

    আশ্বস্তভাবে তর্কালঙ্কার মশাই বললেন, বাঁচালে বাবা। পৈতেটা দেখছিলাম না কি না, ভাবলাম…

    উপবীত মহেন্দ্রের সত্যই ছিল না।

    নিজেকে লজ্জার হাত থেকে বাঁচাবার জন্যে বিব্রতভাবে বললে, ধর্মত্যাগ করব কেন পণ্ডিতমশাই? হিন্দু ছিলাম, হিন্দুই আছি।

    —বেশ, বাবা, বেশ।

    তর্কালঙ্কার মশাই বাড়ীর দিকে চলে গেলেন। মহেন্দ্রও নদীর ঘাটের দিকে চললো।

    ঘাটে অনেক লোক স্নান করছিলো। কিন্তু নদীর সুশীতল জল এমনই করে তাকে টানছিল যে, কারও দিকে চাইবার পর্যন্ত তার ফুরসৎ ছিল না। সে ছেলেবেলার পুরানো দিনের মতো গামছাটা দাঁত দিয়ে চেপে ধরে পাড়ের উপর থেকেই সেই শীতল কালো জলে ঝাঁপিয়ে পড়লো। আঃ!

    .

    সুবর্ণলেখা তার কথা রেখেছিল। কিছু তরকারী লুকিয়ে পাঠিয়েছিল। কথা হয়েছে, কাল থেকে দিনের সমস্ত রান্নাই বাড়ি থেকে আসবে। ইব্রাহিম একবেলা রান্নার পরিশ্রম থেকে অব্যাহতি পেয়েও খুব খুশি হল বলে মনে হল না। ছোটবাবু যেন তাকে প্রবঞ্চিত করেছে, প্রতারিত করেছে, দস্তুরমতো হতাশ করেছে।

    মহেন্দ্র দুপুরটা শুয়ে, বই পড়ে কাটালে। দিনে ঘুমানো তার অভ্যাস নেই। সি. এইচ. মুখার্জি অ্যান্ড সন্সের আফিস প্রাচীন দেশীমতে সকালে বিকেলে বসে। মহেন্দ্ৰ গোপনে বিভূতিকে একখানা চিঠি পাঠিয়েছে, সন্ধ্যার পরে তার সঙ্গে বাগানবাড়ীতে দেখা করবার জন্যে।

    ইতিমধ্যে কি করা যায়?

    বিকেলে পাঞ্জাবিটা গায়ে চড়িয়ে মহেন্দ্র নদীর ধারে বেড়াবার জন্যে বেরিয়ে পড়লো।

    ওই দূরে দেখা যাচ্ছে তাদের খেলার মাঠ। এখনও ছেলেরা সেখানে খেলা করে কিনা কে জানে। গোলের খুঁটি তো নেই। তার এদিকেই ছিল একটা প্রকাণ্ড শিমুল গাছ। সেটাও নেই। তার গুঁড়ির খানিকটা শিকড় সমেত উলটে পড়ে আছে। হয় ঝড়ে, নয় নদীর ভাঙনে সেটার এই দুরবস্থা হয়েছে বোধ হয়।

    ঘাটের অদূরে সেই করবীগাছের ঝোপটি এখনও রয়েছে। সেইখানে এসে মহেন্দ্র একটুখানি দাঁড়ালো। অনেক স্মৃতি জড়ানো রয়েছে এই জায়গাটির সঙ্গে।

    বস্তুত গায়ত্রীর সঙ্গে তার একবার বিয়ের কথাও উঠেছিল। দরিদ্র ব্রাহ্মণের কন্যা, চিন্তাহরণবাবু উপেক্ষার সঙ্গে সে-প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।

    করবীঝাড়ের পাশে দাঁড়িয়ে গায়ত্রীর কথা মনে হতেই তার বুকটা কি রকম একটা অজানিত বেদনায় টনটন করে উঠলো।

    কে জানে কোথায় তার বিয়ে হল। এখন সে কোথায় কি ভাবে আছে তাই বা কে জানে?

    মহেন্দ্র স্থির করলে, কাল একসময় ওদের বাড়ী গিয়ে খোঁজ নিতে হবে। কিংবা বিভূতি তো সন্ধ্যার পরে আসবে, তার কাছেও খোঁজ পাওয়া যেতে পারে। তারই তো খুড়তুতো বোন।

    গায়ত্রীর বাবা বেণীমাধব বাঁড়ুয্যে। দরিদ্র ব্রাহ্মণ, যজমানী করে কায়ক্লেশে দিনযাপন করেন। ভদ্রলোক মহেন্দ্রকে বড় স্নেহ করতেন। তিনি বেঁচে আছেন কিনা কে জানে? বেঁচে থাকলে নিশ্চয় একবার দেখা করতে আসতেন।

    আর দু’পা এগিয়ে যেতেই গোলক বাগদীর সঙ্গে দেখা হল।

    ডান হাতের হুঁকোটা আলের মাথায় ঠেস দিয়ে রেখে গোলক সেইখানেই গড় হয়ে প্রণাম করলে।

    —ভালো আছেন ছোটবাবু?

    গোলককে মহেন্দ্র প্রথমে চিনতেই পারেনি। অসুরের মতো তার গায়ে জোর ছিল। কালো, লম্বা চেহারা। যেমন বুকের ছাতি, তেমনি পরিপুষ্ট কাঁধ এবং ঘাড়, তেমনি গুলি- পাকানো দেহ। কিন্তু তার কিছুই অবশিষ্ট নেই। শরীরের হাড় গোনা যায়, দেহ নুয়ে পড়েছে। বয়স তার চল্লিশও বোধহয় হয়নি। কিন্তু দেখলে মনে হয় ষাট, এমন বুড়ো হয়ে গেছে।

    —গোলকদাদা? চিনতেই পারিনি তোমাকে? এ রকম চেহারা হল কেন?

    —আর ছোটবাবু, চেহারা! মালোয়ারীতে খেয়ে ফেললে।

    —বাড়ীর খবর?

    —বাড়ীর তো আর খবর নেই ছোটবাবু। সব মরে গেছে।

    —ছেলে-মেয়ে?

    —সব মরে গেছে। ছা-পোনা কিচ্ছু নেই। কতক দুর্ভিক্ষে, কতক জ্বরে। আমাদের পাড়ায় কত লোক, আর কত হৈ হৈ ছিল মনে পড়ে? এখন মোটে আমরা ছ’জন বেঁচে আছি। তাও জ্বরে ধুঁকছি।

    —সব পাড়ার অবস্থাই কি এই রকম?

    —আজ্ঞে হ্যাঁ। তাঁতিপাড়া, কুমোরপাড়া, সাওপাড়া সব এই অবস্থা। মানুষ দেখতে পাবেন না।

    —মুসলমানপাড়া?

    —সবই এক অবস্থা। জ্বর-দুর্ভিক্ষের কাছে কি আর জাত আছে ছোটবাবু?

    –তা বটে।

    মহেন্দ্রের হঠাৎ একটা কথা মনে পড়ে গেল।

    বললে, তোমাদের বাড়ীতে লুকিয়ে লুকিয়ে কাঁচা পেঁয়াজ আর মাছপোড়া দিয়ে পান্তা ভাত খেতাম, মনে পড়ে?

    —তা আর মনে পড়বে না ছোটবাবু? এ তো সেদিনকার কথা। কতই বা আপনার বয়েস? আমাদের বাড়ীতেই তো আপনি মানুষ।

    গোলকের চোখ ছলছল করে উঠলো।

    বাঁ হাতের উলটো পিঠে চোখ মুছে বললে, আপনি এসেছেন শুনে প্রাণটা আপনার সঙ্গে দেখা করবার জন্যে কি রকম করে উঠলো।

    মহেন্দ্ৰ সেইখানে আলের উপর বসে পড়ে বললে, তা এলে না তো কই? বোসো গোলকদা, বসে বসে একটু গল্প করা যাক।

    গোলক তার পায়ের কাছে জমির উপর বসে বললে, আসতাম ছোটবাবু, কিন্তু সবাই মানা করলে যে।

    —মানা করলে? কেন?

    —সবাই যে বললে, -কি বললে?

    একটা ঢোক গিলে গোলক বললে, আচ্ছা, ছোটবাবু, সত্যি কি আপনি খিস্টান হয়েছেন?

    এই কথাটা দুপুরে স্নানের পথে তর্কালঙ্কার মশাই একবার জিজ্ঞাসা করেছিলেন। এখন গোলকও জিজ্ঞাসা করলে।

    বিরক্তভাবে মহেন্দ্র বললে, না। ক্রিশ্চান হব কোন্ দুঃখে? এ-কথাটা কে রটাচ্ছে বলো তো?

    মাথায় একটা ঝাঁকি দিয়ে গোলক বললে, সবাই বলছে বাবু। কিন্তু আমি বিশ্বাস করিনি। বললাম, ওরে, সে যে আমাদের রাখালের রাজা রে! আমি গেলে দেখা না করে কি পারে? পারো ছোটবাবু? সত্যি বলো।

    —কখখনো পারি না।

    —তাই বলো ছোটবাবু। আজ না হয় তুমি মথুরায় রাজা হয়েছ, হাকিমদের মাথার উপর বসে খানা খাও। কিন্তু আমরা যে তোমার আপনজন। নয় কিনা বলো?

    —সত্যিই গোলকদাদা। কিন্তু এসে পর্যন্ত কেউ যে আমার সঙ্গে দেখা করছে না, সে কি এই জন্যে?

    —এইজন্যেই তো। আহা! বেণী বাঁড়ুয্যে অন্ধ হয়ে গেছেন। আজ সকালে কী তেনার কান্না! ‘চোখে দেখতে পাই না গোলক, আমাকে একবার নিয়ে চল তোদের ছোটবাবুর কাছে।’ তা কি কেউ আসতে দিলে? সবাই বললে, তিনি সাহেব হয়ে গেছে। গেলেই কুকুর লেলিয়ে দেবে। কানা মানুষ, চোখে দেখে না। শেষে কি বুড়ো বয়সে ডালকুত্তার হাতে প্রাণটা দেবে?

    মহেন্দ্র খপ করে গোলকের একখানা হাত চেপে ধরে বললে, কাল সকালে তাঁকে একবার তুমি আমার কাছে নিয়ে আসবে গোলকদাদা?

    —নিশ্চয় নিয়ে আসব ছোটবাবু।

    —আমার গা ছুঁয়ে বলছ তো?

    হাসতে হাসতে উঠে দাঁড়িয়ে গোলক বললে, গায়ে হাত দিয়ে আর বলতে হবে না ছোটবাবু। কাল সকালে আমি নিশ্চয় তাঁকে নিয়ে আসব।

    বলে আর একবার গড় হয়ে প্রণাম করে গোলক চলে গেল।

    আরও অনেকখানি মাঠে-মাঠে এলোমেলো ঘুরে যখন সে বাগানবাড়ীতে ফিরলো, তখন সন্ধ্যার অন্ধকার নেমেছে।

    ইব্রাহিম এসে আলো জ্বেলে দিলে। মহেন্দ্র বসবার ঘরে একখানা সোফায় আড় হয়ে বসে একখানা বই খুলে বিভূতির প্রতীক্ষা করতে লাগলো।

    কিন্তু বিভূতি এলো না। তৎপরিবর্তে একটি নারীমূর্তির আবির্ভাবে সচকিত হয়ে মহেন্দ্ৰ বললে, কে?

    মূর্তি চৌকাঠের ওপার থেকেই গলায় আঁচল দিয়ে ভূমিষ্ঠ প্রণাম করলে। তারপর মাথার কাপড় সরিয়ে দিয়ে নিঃশব্দে স্থিরনেত্রে মহেন্দ্রের দিকে চাইলে।

    বয়স তার কুড়ির বেশি হবে। পরনে মলিন থান কাপড়। কিন্তু তাতেও রূপ ঢাকা পড়েনি।

    মহেন্দ্ৰ বললে, গায়ত্রী? তুমি? এ কি বেশ?

    গায়ত্রী জবাব দিলে না। পাশের দেওয়ালে ঠেস দিয়ে অন্য দিকে চেয়ে তেমনি নিঃশব্দে দাঁড়িয়ে রইল।

    শান্তকণ্ঠে মহেন্দ্র বললে, ওখানে দঁড়িয়ে কেন গায়ত্রী? ভিতরে এসো।

    —না, এই বেশ আছি মহিনদা।

    বলে চৌকাঠের বাইরে জড়োসড়ো হয়ে বসে দূরের দিকে উদ্দেশ করে বললে, তুমি যেন চলে যেও না গোলকদা। আমি এখনই তোমার সঙ্গে যাব।

    ক্ষুণ্ণকণ্ঠে মহেন্দ্র বললে, ভিতরে এসে বসলে জাত যেত না গায়ত্রী। আমি সত্যি খৃস্টান হইনি।

    গায়ত্রী এবারে হেসে ফেললে।

    বললে, সে আমি জানি। কিন্তু তোমার খাওয়া-দাওয়ার বিচারও তো নেই। কিছু মনে কোরো না। আমি এইখানেই বসলাম।

    খাওয়া-দাওয়ার বিচার যে মহেন্দ্রের নেই এ তো সত্য কথা। মহেন্দ্র একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললে! তারপর শান্তকণ্ঠে বললে, কিছু কি বলতে এসেছিলে গায়ত্রী?

    —হাঁ। বাবা অন্ধ হয়েছেন শুনেছ তো?

    —একটু আগে শুনলাম গোলকের কাছে। কাল তিনি হয়তো একবার আসবেন।

    —হ্যাঁ, কিন্তু তিনি এলে হবে না বলে আমি নিজেই আজ এলাম।

    —বলো।

    —তোমার কাছে টাকা আছে? আমাদের বড় কষ্ট।

    দু’ বৎসর পরে প্রথম সাক্ষাতের দিনে এই গায়ত্রীর কথা! ধাক্কাটা কাটাতে মহেন্দ্রের একটু সময় লাগলো।

    বললে, দেখি কি আছে।

    শোবার ঘরে সুটকেসটা খোলবার সময় মহেন্দ্রের বুকের ভিতর থেকে আবার একটা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এল।

    খুব বেশী টাকা মহেন্দ্র সঙ্গে আনেনি। খরচ-খরচা বাদ দিয়ে যা আছে তার পরিমাণ খুচরো নিয়ে দুশো টাকার কাছাকাছি হতে পারে। সেই মনিব্যাগটি বের করে নিয়ে এসে সে গায়ত্রীর প্রসারিত করতলের উপর আলগোছে ফেলে দিলে।

     গায়ত্রী ভয়ে ভয়ে বললে, খুব ভারী মনে হচ্ছে, তুমি বেশি টাকা দিলে না তো?

    —না। কিন্তু তুমি আর দেরি কোরো না গায়ত্রী। রাত হয়ে যাচ্ছে।

    —হ্যাঁ। এই যে যাই।

    বলে চৌকাঠে মাথা ঠেকিয়ে আর একবার প্রণাম করে গায়ত্রী নেমে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ
    Next Article বসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    Related Articles

    সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    বসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 29, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026
    Our Picks

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026

    বসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }