Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026

    বসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মহাকাল – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    সরোজকুমার রায়চৌধুরী এক পাতা গল্প195 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মহাকাল – ১৮

    আঠারো

    চা পানের পর পাঁচটার সময় অভ্যাগতেরা বিদায় নিলেন। বিদায়কালে গৃহস্বামী ও অতিথিদের মধ্যে যে সমস্ত ভালো ভালো বিনয়-বাক্য ব্যবহৃত হয়, তার একটাও বাদ গেল না। শুধু ওরই মধ্যে এমন একটা ঘটনা ঘটে গেল, যা কারও দৃষ্টি আকর্ষণ করলো না।

    সে হচ্ছে এই যে, ওরই মধ্যে এক সময় মিসেস জনসন তাঁর স্বামীকে এক পাশে সরিয়ে নিয়ে গিয়ে পেনিলোপীর শাড়ীখানার দিকে অপাঙ্গে চেয়ে বললেন, অমনি একখানা শাড়ী আমার চাই।

    —পরবে?

    —হাঁ। শাড়ীতে মেয়েদের কি সুন্দর মানায়!

    মিঃ জনসন হেসে বলেছিলেন, আচ্ছা।

    তারপরে সবাই চলে গেলে বাগানবাড়ীর দোতলার বারান্দায় পেনিলোপী আর মহেন্দ্র দু’খানা বেতের চেয়ার টেনে নিয়ে বসলো।

    তখনও সূর্য অস্ত যায় নি। কিন্তু রোদের একেবারেই তেজ নেই। কমলালেবু-রঙের সেই সোনালি রোদ ওদের মুখে এসে পড়েছে।

    পেনিলোপী বললে, মহেন্দ্র এইবার?

    —কি এইবার?

    —তোমার সেই মেয়েটিকে যে দেখাবে বলেছিলে।

    —তাকে দেখবার কিছু নেই পেনিলোপী। দেখে সুনিশ্চিত তুমি হতাশ হবে।

    —বাজে কথা বলে আমাকে ভোলাতে পারবে না।

    —বেশ দেখো। কিন্তু তার আগে তার সমস্ত কথা তোমার জানা দরকার।

    বলে একে একে মহেন্দ্ৰ সমস্ত কথা বলতে লাগলো : সেই করবী গাছের অন্তরালে হৃদয়-বিনিময় থেকে আরম্ভ করে বিবাহের ব্যর্থ চেষ্টা, বৃদ্ধের সঙ্গে বিবাহ ও বৈধব্য এবং মহেন্দ্র যুদ্ধ থেকে ফিরে আসার পরে যা যা ঘটেছে সমস্ত বিবৃত করে শেষে বললে, এখন সে কোথায় আছে জানো? আমাদেরই বাড়ীতে রাঁধে।

    পেনিলোপী চমকে উঠলো :

    —বলো কি? রাঁধে কেন?

    —পেট তো চালাতে হবে। ভায়েরা খেতে দিতে নারাজ। যার সঙ্গে তার নামমাত্র বিয়ে হয়েছিল তার পরিত্যক্ত সম্পত্তি প্রাণ গেলেও সে ছোঁবে না।

    পেনিলোপী শুধু বললে, আশ্চর্য মেয়ে!

    তারপর বললে, তোমার বাড়ী গেলেই তো তাহলে তাকে দেখা যাবে।

    —তা যাবে।

    —মহিন, ওঠো। আমি এখনই তোমাদের বাড়ী যাব। এখনও সন্ধ্যা হয়নি। তোমার অবস্থা আমি বুঝতে পারছি। কিছুই করতে হবে না তোমাকে। শুধু তোমার বৌদির সঙ্গে আমার পরিচয় করিয়ে দিয়েই চলে আসবে।

    মহেন্দ্র হাসলে। বললে, তারপরে অত বড় বাড়ীতে তাকে খুঁজে বার করবে কি করে?

    —তা জানি না। কিন্তু এইটুকু জানি যে, তাজমহলের মতো বাড়ীও তাকে ঢেকে রাখতে পারে না।

    —কিন্তু তার নামটাও যে জানোনা তুমি?

    পেনিলোপী অসহিষ্ণুভাবে মহেন্দ্রকে একটা ঠেলা দিয়ে বললে, কেন মিথ্যে সময় নষ্ট করছ মহিন, সে মেয়ের নাম জানার দরকার করে না। নাম তার লেখা আছে চোখের আগুনে, লেখা আছে উজ্জ্বল ললাটে। সে লেখা পড়বার মত বিদ্যে আমার না থাকলে সাত সমুদ্র তের নদী পার হয়ে তোমাদের দেশে এসে পৌঁছুতে পারতাম না। এখন একটু দয়া করে ওঠো দিকি।

    বলে একপ্রকার ঠেলতে ঠেলতেই পেনিলোপী মহেন্দ্রকে নিয়ে চলে গেল।

    .

    পথে চলতে চলতেই মহেন্দ্ৰ পেনিলোপীকে তাদের বাড়ীর গোঁড়ামির কথাটা শুনিয়ে দিলে। বিধবা মায়ের জন্যে দোতলা অবধি যে জুতা চলে না, তাও জানিয়ে দিলে। এবং আরও টুকিটাকি কয়েকটা পরামর্শ দেওয়ার পর বৌদির কাছে নিয়ে গিয়ে হাজির করলে

    —ভাঁড়ার থেকে একবার বেরিয়ে এসো বৌদি, সঙ্গে একজন নতুন মানুষ এনেছি।

    উপর থেকে সাড়া এল : আমি দোতালায় ঠাকুরপো। একটু কষ্ট করে ওপরে এস।

    নিচে জুতা খুলে উপরে যেতে যেতে মহেন্দ্র বললে, তোমারও প্রমোশন হয়েছে দেখছি বৌদি। নিচে না থেকে ওপরে থাকো।

    —চিরকালই নিচে ফেলে রাখবে? তা কি হয়?

    বলে হাসতে হাসতে পেনিলোপীকে নমস্কার করে বললে, আসুন আসুন। একজন দাসী বারান্দায় একখানা কম্বল বিছিয়ে দিয়ে চলে যাচ্ছিল পেনিলোপী তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তার দিকে চেয়ে একেবারে তার সামনে গিয়ে দাঁড়ালো। মেয়েটি নিঃশব্দে চলে যাচ্ছিল, পথ অবরুদ্ধ দেখে থমকে দাঁড়িয়ে পড়লো।

    পরনে তার একখানি মলিন ধুতি। জায়গায় জায়গায় ছেঁড়া। তাই দিয়ে কোনো প্রকারে দেহ ঢেকে লজ্জা নিবারণ করেছে।

    পেনিলোপী তাকে জিজ্ঞাসা করলে, তুমি এখানে কি কর ভাই? রাঁধো?

    মেয়েটি থতমত খেয়ে ঘাড় নেড়ে ‘হ্যাঁ’ জানালে।

    পেনিলোপী বাঁ হাত বাড়িয়ে তাকে বুকের কাছে টেনে এনে বললে, তা পালাচ্ছিলে কেন ভাই? ছোঁয়া যাবে?

    লজ্জিতভাবে গায়ত্রী বললে, না-না। ছোঁয়া যাবার কিছু নেই। আমার গা-ধোয়া এখনও হয়নি।

    —তবে আমাদের সঙ্গে বসে একটু গল্প করবে না ভাই? আমি কত দূর দেশের মেয়ে। তোমাদের সঙ্গে পরিচয় করবার জন্যেই আমি মহিনের সঙ্গে এসেছি। পরিচয় না করেই কলকাতায় ফিরে যাব?

    এমন আকুতির সঙ্গে পেনিলোপী কথা ক’টি বললে যে, সুবর্ণ পর্যন্ত ব্যস্ত হয়ে বললে, বোস্ না গায়ত্রী। একটু পরেই না হয় গা ধুতে যাবি? ওমা, ঠাকুরপো চলে গেল কখন?

    সেকথা শুধু গায়ত্রী জানে। ঘর থেকে কম্বলটা নিয়ে সে বার হতেই মহেন্দ্র সরে পড়ে। কিন্তু কিছুই সে বললে না।

    পেনিলোপী সুবর্ণর দিকে চেয়ে বললে, কাল দুপুরে তোমার বাড়ীতে যে আমার নিমন্ত্রণ দিদি। আমি তোমাদের রান্না কখনও খাইনি। আসনে বসে কলাপাতায় খেতে ভারী লোভ হচ্ছে।

    সুবর্ণ বললে, বেশ তো। তোমার আর ঠাকুরপোর দু’জনেরই কাল দুপুরে এখানে নিমন্ত্রণ রইলো। ঠাকুরপো তো চলে গেছে, তাকেও জানিয়ে দিও।

    —দোব। কিন্তু কি কি রাঁধবে ভাই গায়ত্রী? দু’একটি নাম আগে থেকে শুনিয়ে দাও, সারারাত্রি জপ করব।

    সুবর্ণ এবং গায়ত্রী উভয়েই হেসে ফেললে।

    গায়ত্রী বললে, কি খেতে চান বলুন। তাই রাঁধব।

    পেনিলোপী বললে, তোমাদের রান্নার কিছুই তো আমি জানিনে ভাই। যা ইচ্ছা হবে, তাই রেঁধে খাইও। আমি খুশি হয়ে ফিরব। কিন্তু তুমি আমাকে আপনি বলছ কেন ভাই? ওতে আমি লজ্জা পাই। আমি তো তোমাকে বন্ধু বলেছি।

    —সে আপনার উদারতা। কিন্তু আমি যে কত সামান্য সে তো আমি জানি।

    —তুমি সামান্য মেয়ে! তাহলে ওই ছেঁড়া ময়লা কাপড়েও প্রথম দেখাতেই তোমাকে চিনলাম কি করে? অত ভুল- দেখবার চোখ তো আমার নয়।

    বিব্রতভাবে গায়ত্রী বললে, কিন্তু আপনি তো আমার সম্বন্ধে কিছুই জানেন না মেমসাহেব। আমি এঁদের দাসী।

    —তা হবে। কিন্তু সেইটেই কি তোমার সব পরিচয়?

    —বলতে পারি না। কিন্তু আর যদি কিছু থাকেও তাও তো আপনি জানেন না।

    —জানবার দরকার তো করে না ভাই। তুমি কি শোননি মানুষের সত্যিকার পরিচয় লেখা থাকে তার মুখে?

    —সকলের হয়তো থাকে না মেমসাহেব। কিন্তু আজকে আমি উঠি। সন্ধ্যে হয়ে গেছে। আমার অনেক কাজ বাকি।

    বলে সবিনয়ে নমস্কার জানিয়ে গায়ত্রী উঠে গেল।

    সুবর্ণ বললে, তুমি ঠিকই ধরেছ ভাই। মেয়েটি বড় ভালো। পরের বাড়ী খেটে খাবার কোনো দরকারই ওর ছিল না। তবু কেন যে তাই করছে, ওই জানে।

    পেনিলোপী বললে, খেটে খাওয়া তো দোষের কিছু নয় দিদি।

    সুবর্ণ একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললে, তোমাদের দেশে হয়তো নয় ভাই, কিন্তু এদেশে দোষের যদি-বা নাও হয়, ভয়ানক দুর্ভাগ্যের। সে দুর্ভাগ্যের সীমা নেই।

    একটু থেমে বললে, মেয়েটি এত ভাল যে বলবার নয়। কী আত্মসম্মান জ্ঞান, অথচ কী নম্ৰ! ছেঁড়া কাপড়খানা দেখে একখানা নতুন কাপড় এনে দিয়েছিলাম। হেসে ফিরিয়ে দিয়ে বললে, কাপড় তো আমার এখনও পাওনা হয়নি বৌদি! এখন রেখে দিন, দরকার হলেই চেয়ে নোব।

    তারপর আবার বললে, অন্যদের সঙ্গে ওর একটু ইতর-বিশেষ করলে ও যেন লজ্জায় মরে যায়। বলে, অত প্রশ্রয় দেবেন না বৌদি, তাহলে আমার একূলও যাবে ওকূলও যাবে। তবু পারি না ভাই। থালা সাজিয়ে ও যে আমার সামনে থালা ধরে দেবে, এ আমি কিছুতেই পারি না। ওকে টেনে নিয়ে সকলের শেষে একসঙ্গে দু’জনে বসে খাই।

    সুবর্ণ আঁচলে চোখ মুছলে।

    পেনিলোপী বললে, কালকে আমিও একপাশে বসব দিদি। সঙ্গে নিয়ে তো খাবেন না জানি। দূরে বসেই খাব। তবু একসঙ্গে খাব তো।

    বলে হাসলে।

    একটু পরে বললে, অন্ধকার হয়ে আসছে, এইবার উঠি। আবার কাল দুপুরে দেখা হবে।

    সুবর্ণ উঠে বললে, হ্যাঁ। দাঁড়াও ভাই, তোমার সঙ্গে একজন লোক দিই।

    —লোক?-পেনিলোপী হেসে বললে,—লোক কি হবে? আমি কি তোমাদের মতো যে, একলা যেতে ভয় করবে?

    সুবর্ণও হেসে ফেললে বললে, তা বটে। ভয় তোমাদের কাছে ঘেঁষে না।

    .

    পেনিলোপীকে পৌঁছে দিয়ে মহেন্দ্র ফিরে এসে দেখে, নিচে বারান্দায় গোলক উবু হয়ে বসে আছে। মহেন্দ্রকে দেখে সেইখান থেকেই সে গড় হয়ে প্রণাম করলে।

    মহেন্দ্র জিজ্ঞাসা করলে, ভালো আছ গোলকদাদা? এস, এস, ওপরে এস।

    উপরে এসে মহেন্দ্র একটা চেয়ারে বসলে। অদূরে মেঝের উপরে বসলো গোলক। জিজ্ঞাসা করলে, ওবাড়ী থেকে আসছেন ছোটবাবু?

    —হ্যাঁ।

    —দেখে এলেন আমার দিদিমণিকে? – বলে হাউ হাউ করে কেঁদে উঠলো।

    জবাব দিতে গিয়ে মহেন্দ্রর গলার স্বর যেন বন্ধ হয়ে এল। কোনক্রমে ঘাড় নেড়ে জানালে, হ্যাঁ।

    গোলক বললে, আপনি তো অনেক বই পড়েছ ছোটবাবু। কোন্ পাপে আমার সতী-সাবিত্রী দিদিমণি এত কষ্ট পাচ্ছে বলতে পারেন?

    —বলতে পারি না গোলকদাদা।

    —তাহলে ধৰ্ম্ম-কৰ্ম্ম শাস্তর-টাস্তর সব মিথ্যে?

    —কি জানি ভাই। তবু সীতার কথা একবার ভাব। স্বামী স্বয়ং ভগবান, নিজে লক্ষ্মীর অংশ। তিনি কেন কষ্ট পেলেন? গোলকদাদা, যাকে আমরা কষ্ট ভাবি, সত্যিসত্যি হয়তো তা কষ্ট নয়। আগুনে পুড়লে সোনার তো কষ্ট হয় না, বরং জৌলুস বাড়ে।

    সোৎসাহে গোলক বললে, ঠিক বলেছেন, ছোটবাবু। ওরা সতীসাবিত্রী, মা-লক্ষ্মীর অংশ। ওদের কষ্ট হয় না। কিন্তু আমি তো পারি না ছোটবাবু, আমার বিহিত করুন।

    —কী হয়েছে তোমার?

    বলেছিলাম, বৌছেলে সব তো মরে ভূত হয়ে গেল। থাকবার মধ্যে আছে একটি বুন। তা এই মরা-হাড়েও একটা বুনকে খেতে দিতে খুব পারব। তুমি খাটতে কোথাও যেও না দিদিমণি, তুমি খাটতে যেও না। তা শুনলে না তো আমার কথা।

    —কী আর করবে বলো।

    —না, করবার কিছু নাই। কাল একবার উঁকি মেরে দেখলাম, ছোটবাবু, শতচ্ছিন্ন ময়লা কাপড়ে সোনার অঙ্গ ঢেকে দিদি আমার ঝি-চাকরকে ভাত দিচ্ছে। বুকের ভেতরটা কেমন করে উঠলো ছোটবাবু। মনে হল মাথা ঘুরে পড়ব বুঝি। বাড়ী এসে ভাবলাম, আর কেন? ষোলো আনা সুখ তো মিটলো, এইবার গাঁ ছেড়ে যেদিকে দুই চোখ যায় পালাই। কিন্তু পালাতেও তো পারি না। পা দুটোকে কে যেন মাটির ভেতর টানে। আমি কি করি বলো তো ছোটবাবু?

    পরামর্শ দেবার কিছুই ছিল না। মহেন্দ্র ঘাড় হেঁট করে চুপ করে রইল।

    গোলক বললে, আপনার কথা সে শোনে ছোটবাবু। আপনি তাকে বুঝিয়ে কিছু বলতে পারো না?

    মহেন্দ্র বললে, আমার কথা সে শুনবে না গোলক দাদা। শুনবে বুঝলে নিশ্চয়ই বলতাম।

    —একবার বলে দেখবেন?

    —না।

    গোলক একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললে।

    ঠিক সেই সময় সিঁড়িতে চটি জুতার শব্দ পাওয়া গেল, এবং পরক্ষণেই পেনিলোপী এসে বললে, সু-খবর মহিন!

    তার পরে গোলকের দিকে দৃষ্টি পড়তেই জিজ্ঞাসা করলে, এ কে?

    মহেন্দ্র বললে, ও একটি হতভাগা। সংসারে যে ক’জন তাকে ভালোবেসে কষ্ট পাচ্ছে, ও তাদেরই একজন। নাম গোলক।

    —I see.

    মেমসাহেব দেখে গোলক ভয়ানক অস্বস্তি বোধ করতে লাগলো।

    বললে, আজ তাহলে উঠি ছোটবাবু। একটু কাজ আছে। কাল সকালে বরং আসব।

    বলে মেম সাহেবের দিকে দৃকপাত মাত্র না করে চলে গেল।

    মহেন্দ্র জিজ্ঞাসা করলে, সু-খবরটা কি?

    —কাল দুপুরে তোমার এবং আমার দুজনেরই ওবাড়ীতে নিমন্ত্রণ। অতি অবশ্য যেতে হবে।

    —সর্বনাশ! এমন তো হবার কথা নয়!

    —কেন?

    —আমরা ওবাড়ীতে খেলে দাদা মেঝের সিমেন্ট থেকে দেওয়ালের প্ল্যাস্টার পর্যন্ত তুলে ফেলবেন।

    —বলো কি! এত গোঁড়ামি?

    —হ্যাঁ! আমি ফিরে পর্যন্ত ওবাড়ীতে একদিনও নিমন্ত্রণ পাই নি। আমার জায়গা হয়েছে এই বাগান-বাড়ীতে। তা ওঁরা নিজেই নিমন্ত্রণ করলেন, না তুমি যেচে নিলে?

    —যেচেই নিলাম।

    —তাই বলো। তবু তুমি ভাগ্যবতী। তাকে দেখলে?

    —দেখলাম বই কি? কত গল্প হল।

    —দেখে চিনতে পেরেছিলে?

    —তৎক্ষণাৎ। জিজ্ঞেস কোরো বৌদিকে।

    ইব্রাহিম দরজার গোড়া থেকে সেলাম করে জানালে, ডিনার তৈরি। টেবিল সাজাবো কি?

    সেদিকে কর্ণপাত না করে মহেন্দ্র জিজ্ঞাসা করলে, গায়ত্রীকে কেমন দেখলে বলো তো?

    —সে উত্তর আর একদিন দোব। ডিনার তৈরি। চল এখন।

    বলে পেনিলোপী মহেন্দ্রকে খাবার টেবিলে নিয়ে এল।

    খেতে বসে হঠাৎ মহেন্দ্র বললে, তুমি একটা কাজ করতে পারো পেনিলোপী? তাহলে চিরজীবন তোমার কাছে কৃতজ্ঞ হয়ে থাকব।

    পেনিলোপী হেসে বললে, সে একটা মস্ত প্রলোভন। বলো কি করতে হবে।

    —এই রান্নার কাজটা ছেড়ে দিতে তুমি কোনো রকমে তাকে রাজি করাতে পারো? নবদ্বীপ, কাশী, বৃন্দাবন, যেখানে খুশি সে যাক, আমি মাসে-মাসে তাকে খরচ দোব। আমার নিজের জন্যে একথা বলছি না পেনিলোপী। কিন্তু ও যদি আরও কিছুদিন এমন কষ্ট করে, তাহলে ওই যে গোলক লোকটিকে দেখলে, ও মরে যাবে।

    পেনিলোপী এক মুহূর্ত চুপ করে থেকে দৃঢ়ভাবে মাথা নেড়ে বললে, আমাকে মাফ কোরো মহিন, ও অনুরোধ গায়ত্রীকে আমি কিছুতেই করতে পারব না।

    —পারবে না কেন?

    —অন্যায় বলেই পারব না। বর্তমান অবস্থায় ওঁর পক্ষে এর চেয়ে সম্মানজনক জীবন আমি ভাবতেই পারি না।

    মহেন্দ্র আর অনুরোধ করলে না। শুধু জড়িতকণ্ঠে গজ গজ করে বললে, আমার নিজের জন্যে বলি নি, ওই গোলকটার জন্যেই কষ্ট হয়। লোকটা যেন একেবারে ভেঙে পড়েছে।

    পেনিলোপী উত্তর দিলে না। কিন্তু মহেন্দ্র ওর মুখের দিকে চেয়ে দেখলে টের পেতো, মহেন্দ্রর কথায় ওর ঈষৎ-উদ্ভিন্ন ঠোঁটের ফাঁকে হাসির রেখা খেলে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleছায়াচরাচর – সন্মাত্রানন্দ
    Next Article বসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    Related Articles

    সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    বসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 29, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026
    Our Picks

    কুয়াশার ফুল – সায়ক আমান

    July 29, 2026

    একলব্য – হরিশংকর জলদাস

    July 29, 2026

    বসন্ত রজনী – সরোজকুমার রায়চৌধুরী

    July 29, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }