Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026

    একটি পেরেকের কাহিনী – সাগরময় ঘোষ

    August 11, 2026

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প736 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৯. নবীনকুমারের হাতেখড়ি

    পাঁচ বৎসর বয়েসে, সরস্বতী পূজার দিনে নবীনকুমারের হাতেখড়ি হলো। এই উপলক্ষে বেশ ধুমধাম হলো সিংহ সদনে।

    বিম্ববতীর পিত্ৰালয়ের কারুর শিক্ষার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই। তাঁর শ্বশুর স্বামীও বিদ্যাচচাঁ না করেও প্রভূত বিষয়সম্পত্তির অধিকারী হয়েছেন। কিন্তু বিম্ববতীর দত্তকপুত্ৰ গঙ্গানারায়ণ প্রধানত স্বীয় যত্নে আজ কৃতবিদ্য এবং এই বিদ্যার গুণে সে বিনয়ী, সুশীল ও ধীরস্থির। গঙ্গানারায়ণকে প্রীতি করে না, এমন কেউ নেই। বিম্ববতী পুত্ৰগর্বে গর্বিত এবং গঙ্গানারায়ণের চরিত্রের ক্রম পরিণতি দেখেই তিনি বিদ্যাচাচা সম্পর্কে আকৃষ্ট হয়েছেন।

    হিন্দু কলেজের পাঠ সমাপ্ত করে গঙ্গানারায়ণ এখন বিধুশেখরের নির্দেশ মতন পারিবারিক ব্যবসায় ও জমিদারির কাজে শিক্ষিত হচ্ছে। রামকমল সিংহ তো সব দায়িত্ব থেকে মুক্ত হয়ে গেছেন, কমলাসুন্দরীকে নিয়ে তিনি বেরিয়ে পড়েছেন উত্তরভারত পরিভ্রমণে, গত পাঁচ মাস তাঁর কোনো সংবাদই নেই। যত দূর জানা যায়, তিনি বারানসীতে এক বিশাল প্রাসাদ ভাড়া নিয়ে নৃত্যগীতের আসরে মত্ত হয়ে আছেন।

    বিম্ববতী দেখেছেন, কর্তাদের ধারা কিছুই বতায়নি। গঙ্গানারায়ণের ওপরে। সে সুরা পান করে না। সন্ধ্যার পর জুড়িগাড়ি হাঁকিয়ে গৃহ থেকে নিৰ্গত হয়ে ভোররাত্রে বাড়ি ফেরার যে রীতি, গঙ্গানারায়ণ তেমনটি করেনি একদিনও। যথা সময়ে অফিস দেখতে যায় এবং সন্ধ্যার পর বিদ্বান বন্ধুদের সঙ্গে নানাপ্রকার তর্কে মেতে থাকে। এ গৃহের মজলিশকক্ষে এখন আর নূপুরের নিক্কন কিংবা বোতল-গোলাসের ঠিনৎকার শোনা যায় না, বরং গঙ্গানারায়ণের বন্ধুরা সেখানে নানা রকম কেতাব থেকে উচ্চেকণ্ঠে পাঠ করে পরস্পরকে শোনায়।

    বিধুভুষণও গঙ্গানারায়ণের ওপরে খুব সন্তুষ্ট। হিন্দু কলেজে পাঠ নিয়েও সে ফিরিঙ্গি বনে যায়নি কিংবা দেবেন্দ্র ঠাকুরের হুজুগে দলে গিয়ে ভেড়েনি। তাছাড়া ইতিমধ্যেই দুবার জমিদারি মহল পরিদর্শন করতে গিয়ে সে যথেষ্ট নৈপুণ্যের পরিচয় দিয়েছে এবং সুবন্দোবস্ত করে এসেছে।

    বিম্ববতী চান, নবীনকুমারও তার জ্যেষ্ঠ ভ্রাতাকে অনুসরণ করুক। কর্তারা যা বিষয়-বৈভব করে গেছেন, তাতে এদের সাত পুরুষ বিনা পরিশ্রমে চালিয়ে যেতে পারবে। সুতরাং বিষয় না দেখে যদি শুধু বিদ্যাচচাঁ কিংবা ধমানুশীলনেও মেতে থাকে তাতে অন্তত সংসারের শান্তি আসবে। দুই ভ্ৰাতায় খুব ভাব। নবীনকুমারের জন্মের পর যে শঙ্কা বিম্ববতী ও তাঁর স্বামীর মনে জেগেছিল, তা অমূলক প্রতিপন্ন হয়েছে। গঙ্গানারায়ণ তার কনিষ্ঠ ভ্রাতাকে অতিশয় ভালোবাসে। আর নবীনকুমারও যতই দুরন্তাপনা করুক, সে গঙ্গানারায়ণের খুবই বশবর্তী এবং এক একদিন সে গঙ্গানারায়ণের বন্ধুদের তর্কসভায় গিয়ে চুপটি করে বসে থাকে।

    নবীনকুমারের শিক্ষা সম্পর্কে বিম্ববতী বিধুশেখরের সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন। এ গৃহে বিধুশেখর নিত্য আসেন এবং পরপুরুষদের মধ্যে একমাত্র সরাসরি বিধুশেখরের সঙ্গেই কথা বলেন বিম্ববতী। যখন নবম বৰ্ষীয়া কন্যা, সেই সময় নববধূ হয়ে এই বাড়িতে এসেছিলেন বিম্ববতী, আজ তাঁর বয়স প্রায় ত্রিশ বৎসর, এই সুদীর্ঘকাল কত সুখ-দুঃখের কথা হয়েছে বিধুশেখরের সঙ্গে। গত কয়েক বৎসর তো স্বামীর সঙ্গে বিম্ববতীর প্রায় দেখাই হয় না। তা নিয়ে অবশ্য কোনো ক্ষোভ প্ৰকাশ করেন না বিম্ববতী, কারণ, যেটুকু সময় রামকমল সিংহ গৃহে থাকেন, তখন তিনি যেন বিম্ববতীর দাসানুদাস। গদগদ কণ্ঠে বলেন, বিম্ব, তুমি আমার লক্ষ্মী, তুমিই আমার জগদ্ধাত্রী, তোমার জন্যই আমার এত সব হয়েচে। তুমি যদি রাগ করো তো বলো, আমি বাড়ির বাইরে এক পা যাবো না। তবে, আমায় আর বিষয় দেখতে বলো না! আর যে কটা দিন বেঁচে আচি.। সঙ্গে সঙ্গে বিম্ববতী বলেন, ওগো, না, না, তোমার যা মন চায়। তাই তুমি কর্বে.।

    বিধুশেখরের মত এই যে, নবীনকুমার গৃহেই বিভিন্ন শিক্ষকের কাছে বিদ্যাভ্যাস করুক। সংস্কৃতের সঙ্গে সঙ্গে সে ইংরাজীও শিখবে বইকি, কিন্তু সেজন্যে তাকে সাহেব শিক্ষকদের স্কুলে পাঠাবার দরকার নেই। আজকাল ভদ্র ঘরের অনেক যুবকও ইংরাজী শিখেছে, গঙ্গানারায়ণের বন্ধুদের মধ্যেও তো দু-একজন গরীব অথচ মেধাবী ছাত্ৰ আছে, তাদেরই কারুর ওপর ভার দেওয়া যেতে পারে। বিম্ববতীর তাতে কোনো আপত্তি নেই।

    হাতেখড়ির দিন দীক্ষাচার্য হিসেবে বিধুশেখর তিনজন বিশিষ্ট ব্ৰাহ্মণকে আনাবার ব্যবস্থা করলেন। আজকাল অবশ্য প্রকৃত ব্ৰাহ্মণ খুঁজে পাওয়া ভার। পয়সার লোভে অনেক ব্ৰাহ্মণই বিবেক ধর্মবিসর্জন দিয়ে ধনীদের খোসামোদ করে।

    সংস্কৃত কলেজের সেক্রেটারী বাবু রসময় দত্ত বিধুশেখরের বন্ধুস্থানীয়। বাঙালী বা ভারতীয়দের মধ্যে বোধ হয় তিনিই সবোচ্চ সরকারি কর্মে নিযুক্ত, তাঁর বেতন নব্ববুই টাকা। সাহেবদের কাছে রসময় দত্তের খুব প্রতিপত্তি। কিন্তু রসময় দত্ত ব্ৰাহ্মণ নন, তাঁকে আচার্যকরা যায় না। সুতরাং ঐ কলেজেরই অ্যাসিস্ট্যাণ্ট সেক্রেটারী বৃদ্ধ রামমাণিক্য বিদ্যালঙ্কারকে একজন আচার্য হিসেবে মনোনয়ন করলেন বিধুশেখর। রসময় দত্তই বললেন, আর একজনের কথা, তাঁর নাম দুর্গাচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এই মানুষটির সঙ্গে কথাবার্তা বলে বিধুশেখর মুগ্ধ হলেন। দুর্গাচরণ সত্যিই বিচিত্র প্রকৃতির মানুষ, ইংরাজী ও সংস্কৃত দুই ভাষাতেই বিশেষ দক্ষতা আছে, এক সময় হেয়ার সাহেবের স্কুলে শিক্ষকতা করতেন, তারপর হঠাৎ শিক্ষকতা ছেড়ে মেডিক্যাল কলেজে ছাত্র হিসেবে ভর্তি হলেন। চিকিৎসাবিদ্যা উত্তমরূপে শিক্ষা করার পর তিনি দুঃস্থ-আতুর মানুষদের চিকিৎসায় সাহায্য দেন। আবার ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের হেড রাইটার হিসাবেও নিযুক্ত। ইংরাজদের শিক্ষা-বিজ্ঞান আহরণ করেও এর চালচলন খাঁটি দেশীয়দের মতন, এই প্রকার মানুষই বিধুশেখরের পছন্দ। এই দুর্গাচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় থাকেন তালতলায়, তাঁর বাড়িতেই বিধুশেখরের পরিচয় হলো আর একজনের সঙ্গে। একেই তিনি তৃতীয় আচার্য হিসেবে মনোনীত করে ফেললেন। ইনি মেদিনীপুরের ব্ৰাহ্মণ, বয়েসে যুবক এবং বিশিষ্ট পণ্ডিত হিসেবে বেশ খ্যাতি অর্জন করেছেন। এর নাম ঈশ্বরচন্দ্ৰ বন্দ্যোপাধ্যায়। কিছুকাল আগে সংস্কৃত কলেজ থেকে বিদ্যাসাগর পদবী পেয়েছেন, ইদানীং ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে প্ৰধান পণ্ডিতের কাজ করেন। যুবকটির চেহারা কদাকার। কিন্তু মুখমণ্ডলে আত্মাভিমানের ছাপ প্রকট।

    বিধুশেখরের সঙ্গে পরিচয় হতেই ঈশ্বরচন্দ্র বললেন, মহাশয়কে আমি বিলক্ষণ চিনি। আপনার স্মরণ নাই, কিন্তু আপনার বাড়িতে গিয়ে একদিন এমন ভূরিভোজ খেতে হয়েছিল যে আজও সেকথা মনে এলে আতঙ্ক হয়। সে আপনার এক কন্যার বিবাহের সময়, আমাদেরই এক সতীর্থ আপনার জামাতা। বরযাত্রীদের খাওয়াইয়ে খাওয়াইয়ে প্ৰাণে মেরে ফেলার চেষ্টাই বুঝি আপনাদিগের রীতি?

    বিধুশেখর উচ্চহাস্য করে উঠেছিলেন।

    কিছুক্ষণ রঙ্গালাপের পর বিধুশেখর অত্যন্ত বিনয় সহকারে বলেছিলেন, পণ্ডিতপ্রবর, এই বাগদেবীর পূজায় যদি আমার বন্ধু রামকমল সিংহের গৃহে পদধূলি দেন, তবে আমি ধন্য হই! বন্ধুর একটি পঞ্চম বৰ্ষীয় সুলক্ষণ পুত্ৰ আছে, সে আমারও পুত্ৰবৎ, আপনারা সেইদিন তাহাকে আশীর্বাদ কল্লে সে জ্ঞানপথের পথিক হতে পারে।

    দুর্গাচরণ বললেন, সেদিনও ভূরিভোজনের ব্যবস্থা থাকবে তো?

    ঈশ্বরচন্দ্ৰ বন্ধুকে বললেন, ঔদরিক! অমনি বুঝি নোলা শক শক করে উঠলো?

    দুর্গাচরণ বললেন, ভাই, বামুনের ছেলে উত্তম আহারের সম্ভাবনা দেখলে চাঞ্চল্য ঘটবে না, একি একটা কথা হলো? বংশের অবমাননা হবে যে!

    ঈশ্বরচন্দ্ৰ বিধুশেখরকে বললেন, এই উপলক্ষে বামুন পণ্ডিত ডাকছেন যখন, তখন শাল দোশালা বিদায় দেবেন নিশ্চয়?

    বিধুশেখর বললেন, আজ্ঞে, সে তো আমাদের প্রথাই রয়েচে!

    ঈশ্বরচন্দ্ৰ আবার বললেন, আর সোনাদান?

    দুর্গাচরণ হাসতে হাসতে বললেন, ঈশ্বর, তুমি বোধ হয় জানো না, রামকমল সিংহী কত বড় ধনী। তেনার মনটাও খুব খোলসা শুনিচি! সোনাদোনা দিয়ে তোমায় ভরিয়ে দেবেন।

    বিধুশেখর বললেন, আমি এইটুকু বলতে পারি, আপনাদের কোনো প্রকার অসম্মান হবে না। আমার বন্ধু আপনাদের মযাদার যোগ্য জিনিসই দেবেন।

    ঈশ্বরচন্দ্র বললেন, দত্ত মহাশয়, দুর্গাচরণবাবু অতিশয় পরিহাস-প্রবণ। তিনি ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ছাড়া কথা কইতে পারেন না। সেইজন্যই আমার বিষয়টি আমি স্পষ্টাক্ষরে বলি। আপনার বন্ধুপুত্রের হাতেখড়ির সময় উপস্থিত থাকতে রাজি আছি, কিন্তু আমার কিছু শর্ত আছে। সোনা-দানা, শাল-দোশালা দূরে থাক, গুরুদক্ষিণা হিসাবেও আমাকে একটি পাইপয়সা দিতে পারবেন না। আমি পঞ্চাশ টাকা বেতন পাই, তাতেই আমার সংসার অতি উত্তমরূপে চলে যায়। কাহারো কাছ থেকে দান গ্ৰহণ করার প্রয়োজন হয় না।

    বিধুশেখর অভিভূত ভাবে নিবাক হয়ে রইলেন।

    ঈশ্বরচন্দ্র আবার বললেন, দুর্গাচরণবাবুকেও আমি যথেষ্ট চিনি। উনি বেতন পান আশি টাকা, উহারও দান গ্রহণ করার প্রয়োজন দেখি না। সুতরাং আমরা কিছুই লবো না, এই শর্তে যদি রাজি থাকেন, তবে আমরা যেতে পারি। এই উপলক্ষে যদি অর্থ ব্যয় করতে চান, তবে কিছু দুঃস্থ ছাত্রকে সাহায্য করুন, সেটা কাজে দেবে।

    বিধুশেখর বললেন, আপনাদের যা অভিপ্ৰায়, সেই মতই হবে।

    দুর্গাচরণ বললেন, ঈশ্বর, তুমি আমরা, আমরা বলে ঠিক করলে না। তুমি নিজে কিছু গ্ৰহণ করতে চাও না, বুঝলাম! আর আমার সম্পর্কেও সটান এমন বলে দিলে যে ইচ্ছে থাকলেও আমি চক্ষুলজ্জায় আর কিছু নিতে পারবো না! কিন্তু উনি রামমাণিক্য বিদ্যালঙ্কারকেও আচাৰ্য করেছেন, তাঁকে কেন বঞ্চিত করো, সে বুড়োর যথেষ্ট লোভ আছে আমি জানি। তাছাড়া, বিদ্যালঙ্কারের মস্ত বড় সংসার, কতদিন আর চাকরি করতে পারবেন তার ঠিক নেই। তাঁর অর্থের প্রয়োজন আছে। আমি বলি কী, ইহারা আমাদের তিনজনকে যা দেবেন স্থির করেছিলেন, তার সবটাই বিদ্যালঙ্করকে দিন না কেন!

    ঈশ্বরচন্দ্ৰ বললেন, এটা একটা ভারী কাজের কথা বলেছেন। তবে তেমনই করুন। কিন্তু কিছু দুঃস্থ ছাত্রকে সাহায্য করার কথাও ভুলবেন না।

    বিধুশেখর বুঝলেন, তিনি যোগ্য ব্যক্তিদের কাছেই এসেছেন।

    ঈশ্বরচন্দ্র আবার বললেন, আর একটি কথা। আমি দুগ্ধ জাতীয় কোনো খাদ্য খাই না। মাছ-মাংসও পরিত্যাগ করেছি। আপনার গৃহে শুধু ফলাহার করবো। অধিক কিছু খাবার জন্য পীড়াপীড়ি করবেন না। আপনাদের মতন বড় মানুষদের গৃহে একদিন আহার করলে পেটের পীড়া সারাতে এক বৎসর লেগে যায়।

    দুর্গাচরণ বিধুশেখরকে বললেন, মহাশয়, এই ব্যাপারে। কিন্তু আমি ঈশ্বরের সঙ্গে একমত নই। আমি পেটুক মানুষ, লুচি মণ্ডাতে আপত্তি নেই।

     

    মহাসমারোহে সরস্বতী পূজা সম্পন্ন হয়ে গেল। বাহির মহলের উঠানে শামিয়ানা খাঁটিয়ে সেখানে সব ব্যবস্থা হয়েছে। রামকমল সিংহ উত্তর ভারত থেকে এখনো ফেরেননি, গত সপ্তাহেই তাঁর এক দূত এসে আবার এককাঁড়ি টাকা নিয়ে গেছে, সুতরাং সব দায়িত্ব বিধুশেখরের একার। অচেনা যে-কেউ ভাবাবে তিনিই এ বাড়ির কত।

    তিন ব্ৰাহ্মণ পাশাপাশি বসেছেন মখমলের আসনে। বালক নবীনকুমারকে সকাল থেকে উপবাসী রেখে, স্নান করিয়ে, কোড়া পট্টবস্ত্র পরিয়ে নিয়ে আসা হলো তাঁদের সামনে। প্ৰথমে রামমাণিক্য বিদ্যালঙ্কার নানা প্রকার মন্ত্রোচ্চারণ করে আশীর্বাদ করলেন তাকে। অধিকাংশ দাঁত নেই, বৃদ্ধ একেবারে ফোকলা, তাই কোনো কথাই প্ৰায় বোঝা যায় না।

    তারপর দুর্গাচরণও নবীনকুমারের মস্তক স্পর্শ করে কয়েকটি মন্ত্র পড়ে আশীর্বাদ করলেন। নবীনকুমারের কোনো রূপ আড়ষ্টতা নেই। সে তার অস্বাভাবিক তীব্ৰ চোখ মেলে দেখছে ওঁদের। দুর্গাচরণ বললেন, এ বালকের মুখে প্রতিভার জ্যোতি আছে।

    আচার্যদের যে প্ৰণাম করতে হয়, সেটা নবীনকুমারকে কিছুতেই বোঝানো যাচ্ছে না। দুপাশ থেকে গঙ্গানারায়ণ আর বিধুশেখর বারংবার বলছেন, প্ৰণাম কর। পণ্ডিতমশাইদের পায়ে হাত দিয়ে প্ৰণাম করা! নবীনকুমার মুখ ফিরিয়ে শুধু তাকাচ্ছে, সে যেন জানেই না প্ৰণাম কাকে বলে। শেষ পর্যন্ত গঙ্গানারায়ণ তার হাত ধরে আচাৰ্যদের পায়ে ছোঁয়ালো।

    ঈশ্বরচন্দ্ৰ কোনো সংস্কৃত মন্ত্র উচ্চারণ করলেন না। তিনি বললেন, আসল হাতেখড়িই তো হলো না। খড়ি কই? শ্লেট কই?

    শ্লেট-পেন্সিল ও কয়েকখানি পুস্তক সরস্বতী মূর্তির পায়ের কাছে রাখা ছিল, সে সব পুষ্পস্তবকের নীচে চাপা পড়ে গেছে। পুরোহিত সেগুলি হাতিয়ে বার করলেন।

    ঈশ্বরচন্দ্র নবীনচন্দ্রকে টেনে নিয়ে কোলে বসিয়ে বললেন, তোমার মুক্তার মতন হস্তাক্ষর হোক। এসো দিকি, আমরা দুজনে মিলে একটু লিখি।

    বালকের হাতে পেন্সিল ধরিয়ে দিয়ে নিজেও তার হাতটি চেপে ধরলেন। তারপর বললেন, প্ৰথমে ওপর থেকে নীচে এই একটা সোজা দাগ। এই, এই! তারপর বাম দিকে তেকোণা করে দুটো দাগ। এই, এই, এই! এবার কী হলো? ঘুড়ি দেখেছে তো? ছেলেরা মাঠে যে ঘুড়ি ওড়ায়? এই হলো একটা ঘুড়ির অর্ধেক, তাই না, এবার ডানদিকে একটা শুণ্ডি, এই! এবার কী হলো? এর নাম ক!

    নবীনকুমার বললো, ক!

    দুর্গাচরণ বললেন, ও কি, ঈশ্বর, আগে অ আ না লিখিয়ে প্রথমেই ব্যঞ্জনবর্ণ ধরালে?

    ঈশ্বরচন্দ্র বললেন, ওতেই হবে। প্রথম দিন কিছু একটা লিখলেই হয়। অ-এর চেয়ে ক লেখা বালকদের পক্ষে সহজ।

    নবীনকুমার বারবার বলতে লাগলো, ক, ক, ক, ক!

    তারপর ঈশ্বরচন্দ্র তার হাত ছেড়ে দিতেই সে নিজের শ্লেটের ওপর আঁকিবুঁকি কাটতে লাগলো।

    ঈশ্বরচন্দ্র দারুণ বিস্মিত হয়ে বললেন, এ কী? এ বালক কি আগেই লেখা অভ্যোস করেছে?

    গঙ্গানারায়ণ বললো, না তো!

    ঈশ্বরচন্দ্র বললেন, এ তো ক লিখতে জানে! এই যে একটা লিখেছে।

    অপর দুই ব্ৰাহ্মণও শ্লেটের ওপর উঁকি দিলেন। সত্যিই তো, ঈশ্বরচন্দ্ৰ যে ক লিখে দিলেন, নবীনচন্দ্র তার পাশে আর একটি ক লিখে ফেলেছে। যতই আঁকাবাঁকা রেখা হোক, তবুক বলে চেনা যায়। প্ৰথম দিনেই এমন লেখা কোনো বালকের পক্ষে সম্ভব নয়।

    বিধুশেখরও শ্লেটখানি তুলে নিয়ে দেখলেন। চারপাশে আরও অনেকে ভিড় করে এলো। দূরে চিকের আড়ালে রয়েছেন বিম্ববতী এবং অন্য রমণীরা।

    ঈশ্বরচন্দ্ৰ শ্লেটটা ফেরৎ নিয়ে বললেন, দেখি, দেখি, আর একটা লেখো তো!

    কোনো আপত্তি নেই, বালক আবার লিখে দেখালো।

    ঈশ্বরচন্দ্ৰ বাঁ হাতের চেটো দিয়ে শ্লেটটা একেবারে মুছে ফেলে বললেন, আর একবার লেখো তো! কী সুন্দর ছেলে! আর একবার লেখো!

    শ্ৰী সকলেরই একেবারে গুছিত অবস্থা। নবীনকুমার সেই শূন্য শ্লেটে, কিছু না দেখেই আবার ক লিখেছে।

    দুর্গাচরণ প্রশ্ন করলেন, আপনারা সত্যি জানেন, এ বালক আগে লিখতে শেখেনি?

    গঙ্গানারায়ণ ও বিধুশেখর দুজনেই বললেন, আজ্ঞে, না। হাতেখড়ির আগে কেউ কি লেখাপড়া শেখায়?

    দুর্গাচরণ এবার নিজে শ্লেটটা নিয়ে ইংরেজি এ আর বি অক্ষর দুটি লিখলেন। তারপর নবীনকুমারকে বললেন, ঠিক এই রকম দুটি পাশে লিখে দেখাও তো!

    নবীনকুমার যেন বেশ কৌতুক পেয়েছে। খুব মন দিয়ে পেন্সিল ঘষে সে এ এবং বি অক্ষর ফুটিয়ে তুললো। দুর্গাচরণ সব মুছে দিলেন, তারপরও নবীনকুমার লিখে দেখাতে পারলো।

    আর কোনো সন্দেহ রাখার উপায় নেই। বাড়ির কারুর কাছ থেকে যদি বা বাংলা অক্ষর লিখতে শিখেও থাকে, ইংরেজি অক্ষর শেখাবার মতন লোক কোথায় পাওয়া যাবে?

    দুর্গাচরণ বললেন, ভাই, শ্রুতিধরের কথা শুনেছি। কিন্তু এই বালক কি দৃষ্টিস্মৃতিধর?

    বিধুশেখর বললেন, এ শিশু জন্মের অতি অল্পকাল পর থেকেই নানাপ্রকার বিস্ময়ের কাজ করেচে। এ হাঁটতে শিখেচে, কথা কইতে শিখেচে অন্য ছেলেপুলেদের চেয়ে অনেক আগে। হ্যাঁরে গঙ্গা, ও ক মাসে কথা কইতে শিখেচিল রে?

    গঙ্গানারায়ণ পিছন ফিরে মায়ের দিকে চাইলো। সেখান থেকে অন্য লোক মারফৎ উত্তর এলো, আট মাসে!

    দুর্গাচরণ বললেন, আমি দেখেই বুঝেছি, এ বালক ক্ষণজন্ম।

    বিধুশেখর গর্বিতভাবে বললেন, ওর কুষ্ঠিতেও আছে, ও বংশের মুখ উজ্জ্বল করবে।

    দুর্গাচরণ বললেন, এর দিকে নজর রাখবেন ভালো করে। স্বাস্থ্যের যত্ন নেবেন। দেখবেন, যেন, এ শিশু দীৰ্ঘজীবী হয়!

    গঙ্গানারায়ণ বললো, দেড় দুবছর বয়েস থেকেই ও অনেক রকম ছড়া বলতে পারে। একলা একলা ছড়া বলে বলে দরদালানে ঘুরে বেড়ায়।

    ঈশ্বরচন্দ্ৰ বললেন, কই শুনি। একটা ছড়া বলো তো?

    গঙ্গানারায়ণ বললেন, বল তো নবীন, একটা ছড়া বল তো। নবীনকুমার অমনি চোখ বুজে বললো :

    তুমি প্ৰভু সৃষ্টিধর জগতের পতি
    তোমা পানে সদা মোরা যেন থাকে মতি!

    তিন ব্ৰাহ্মণ একসঙ্গে বাহবা দিয়ে উঠলেন। ঈশ্বরচন্দ্র বললেন,বড় সুন্দর কণ্ঠস্বর, আর একটা বলো তো!

    এবার নবীনকুমার কণ্ঠস্বর চড়িয়ে বললো :

    এসো এসো চাঁদবদনি
    এ রসে নিরসো কোরো না। ধনি?

    দুর্গাচরণ ও ঈশ্বরচন্দ্ৰ হেসে উঠলেও রামমাণিক্য বিদ্যালঙ্কার নাক কুঁচকোলেন। তিনি বললেন, এ সব আবার কোথা থেকে শিখলো!

    ঈশ্বরচন্দ্র বললেন, আর একটু বলো তো, আর জানো না? নবীনচন্দ্র আবার দুলে দুলে বলতে লাগলো :

    তোমাতে আমাতে একই অঙ্গ
    তুমি কমলিনী আমি সে ভৃঙ্গ
    অনুমানে বুঝি আমি সে ভুজঙ্গ
    তুমি আমার তার রতনমণি

    আধো আধো বালকের কথা নয়। প্ৰায় সঠিক উচ্চারণ। শুনতে শুনতে একটা হাসির হুল্লোড় পড়ে গেল। এমনকি বিধুশেখরও হেসে ফেললেন। একমাত্র বিদ্যালঙ্কারই অসন্তুষ্ট হলেন একটু। ঠাকুর দেবতার সামনে একি অশ্লীল কথা! তাও এক বালকের মুখে!

    ঈশ্বরচন্দ্ৰ বললেন, চেনা চেনা যেন মনে হয়, এ গান কার রচনা?

    দুর্গাচরণ বললেন, এ তো গোঁজলা ওঁই-এর গান, বহু পুরাতন। এদানি শোনাই যায় না।

    ঈশ্বরচন্দ্র বললেন, এ শিশু এ গান শিখলে কেমন করে?

    গঙ্গানারায়ণ বললো, ভিকিরী, বৈষ্ণব, কীর্তনীয়রা বাড়িতে এলে আমার ভাইটি তাদের গান খুব মন দিয়ে শোনে। সে সব শুনে শুনেই শিখেচে।

    ঈশ্বরচন্দ্র বললেন, তাহলে তো এক বালক শ্রুতিধরও বটে!

    দুর্গাচরণ বললেন, এমন আশ্চর্য শিশু আমি আগে আর দেখিনি তো বটেই, কোথাও শুনিনি পর্যন্ত! ঈশ্বর ওকে দীর্ঘজীবী করুন।

    তারপর উভয়ে মিলে নবীনকুমারকে প্রভূত আদর করতে লাগলেন। দূর থেকে দেখে বিম্ববতীর মন গর্বে ভরে গেল। পুত্রের ব্যবহার দেখে তাঁর নিজের এখনো মাঝে মাঝে খটকা লাগে, কোনো রকম অপ্ৰাকৃত কিছুর প্রভাব আছে কি না। কিন্তু এত বড় গুণী ব্যক্তিরা তাঁর পুত্রের এমন সুখ্যাতি করছেন যখন, তখন আর কোনো চিন্তা নেই।

    ব্ৰাহ্মণদের এবার জলপান করানো হবে। নবীনকুমারকেও এখন খাওয়ানো দরকার, তাই গঙ্গানারায়ণ তাকে মায়ের কাছে নিয়ে যাবার জন্য ভাইকে ক্রেগড়ে তুলে নিল। নবীনকুমার জিজ্ঞেস করলো, দাদা, আমার হাতেখড়ি হয়ে গ্যাচে?

    গঙ্গানারায়ণ বললো, হ্যাঁ। তোমার খুব ভালো হাতেখড়ি হয়েচে।

    তখন নবীনকুমার তীক্ষ্ণ জোরালো গলায় বললো, দাদা, দুলালের হাতেখড়ি হবে না?

    বিধুশেখর বিস্মিতভাবে বললেন, দুলাল? দুলাল কে?

    গঙ্গানারায়ণ নবীনকুমারের পিঠ চাপড়ে বলে উঠলো, এখন খাবার খাবি। চল, চল!

    নবীনকুমার কেঁদে উঠলো, না, আমি যাবো না। দুলালের হাতেখড়ি হবে। দুলালকে ডাকো। দুলালকে ডাকো।

    গঙ্গানারায়ণও জানে না দুলাল কে। খানিকটা বিব্রত অবস্থায় সে নবীনকুমারকে নিয়ে দৌড়ে চলে গেল। মায়ের কাছে নামিয়ে দিয়ে সে জিজ্ঞেস করলো, দুলাল কে মা? দ্যাখো, ছোটবাবু আবার কী বাতিক ধরেচে।

    বিম্ববতী বললেন, কী জানি বাবা, নীচের যে ছেলেটি ওর সঙ্গে খেলে, সেই নাকি!

    নবীনকুমার দুলালের নাম করে ড়ুকরে কাঁদতে শুরু করেছে। তখন গঙ্গানারায়ণ ও বিম্ববতী দুজনেই তাকে অনেক কষ্টে বোঝালেন যে, হ্যা, হ্যাঁ, হবে, হবে, দুলালেরও হাতেখড়ি হবে, পরে হবে।

    ভিড়ের একেবারে পিছন দিকে থাকোমণি তার পুত্রকে নিয়ে দাঁড়িয়েছিল। মনিব পুত্রের মুখে দুলালের নাম উচ্চারণ সে-ও শুনতে পেয়েছে। কিন্তু সে ভয় পেয়ে গেল, তার মন বললো, এ সব ভালো নয়। বাবুদের কোনো ব্যাপারের মধ্যেই থাকা ভালো নয়। ছেলেকে নিয়ে থাকোমণি সরে গেল তাড়াতাড়ি।

    দুলালচন্দ্ৰকে নবীনকুমার খুঁজে পেল বিকেলবেলা। শ্লেট আর পেন্সিল সে সারাদিন আর কাছছাড়া করেনি। এগুলিকে সে নতুন খেলনা হিসেবে পেয়েছে।

    —দুলাল, তুই হাতেখড়ি দিলিনি? তোর বিদ্যে হবে না।

    দুলালচন্দ্ৰ হাতেখড়ি মানে জানে না। সে দূর থেকে দেখেছিল। সাদা রঙের হাঁসের ওপর বসা সরস্বতী ঠাকুরের সামনে স্তূপ করা ছিল সন্দেশের পাহাড়। তার ভাগ্যে একটিও জোটেনি।

    —আয়, আমি তোকে হাতেখড়ি শেখাবো। বোস, আমার সামনে বোস, হাঁটু গেড়ে বোস।

    নিজে ঠিক ব্ৰাহ্মণ আচার্যদের ভঙ্গিতে পিঠ সোজা করে বসে সে অবিকল তাঁদের নকল করে বলতে লাগলো, লেখ, ক! ঘুঁড়ির আধেক আর একটা শুণ্ডি! তোকে আগে কেউ লিখতে শিখিয়েচে? লেখ, এ, বি!

    এবার আমায় প্ৰণাম কর।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্রিস-ক্রস – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    Next Article একটি পেরেকের কাহিনী – সাগরময় ঘোষ

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    কৈশোর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    অর্ধেক মানবী – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ফুলমণি-উপাখ্যান – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026
    Our Picks

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026

    একটি পেরেকের কাহিনী – সাগরময় ঘোষ

    August 11, 2026

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }