Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026

    একটি পেরেকের কাহিনী – সাগরময় ঘোষ

    August 11, 2026

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প736 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২৮. হীরেমণির বাড়িতে

    হীরেমণির বাড়িতে এসে জগমোহন সরকার কেঁদে একেবারে বুক ভাসিয়ে দিচ্ছেন। নেশাটি বেশ জমেছে, রাত্রিও গভীর, এই সময় জগমোহনের হঠাৎ দেশের মানুষের দুঃখ কষ্টের কথা মনে পড়ে যায়, হৃদয়টা উথালি পথালি করে। বিশেষত অবলা জাতির অসহায় অবস্থা দূর করার জন্য আজও কিছু করা গেল না! অবলারা এখনো অবোলাই রয়ে গেল! জগমোহন সরকার ফিমেল উদ্ধারের জন্য সেই কবে থেকে চেষ্টা করে যাচ্ছেন, কিন্তু কেউ তাঁকে মদ্যুৎ দিল না। হেয়ার সাহেব মারা যাবার পর সব ধামা চাপা পড়ে গেছে আবার। জগমোহন সরকার মেয়েদের ইস্কুল খোলবার জন্য নিজে জায়গা দিতে প্ৰস্তুত আছেন, কিন্তু ছাত্রী পাওয়া যাবে কোথা থেকে? পাড়াপাড়শীরা কেউ রাজি নয়। সবাই ওকথা শুনে হেসে উড়িয়ে দেয়, কেউ কেউ আবার দাঁত কিড়মিড় করে।

    জগমোহন সরকার শুনেছেন যে বারাসতে নাকি মেয়েদের জন্য স্কুল খোলা হয়েছে একটি। উত্তরপাড়ার রাজা রাজকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়ও স্ত্রীশিক্ষার জন্য উদ্যোগী হয়েছেন, অথচ এত বড় শহর কলকাতা, সেখানে ভদ্র হিন্দু পরিবারের মেয়েদের পড়াশুনোর কোনো ব্যবস্থা এখনো হলো না! সাহেব মেমরা এর আগে যে-কয়েকটা স্কুল খুলেছে, সে সব জায়গাতেই শুধু কচি কচি মেয়েদের ভুলিয়ে ভালিয়ে খৃষ্টান করে নেওয়া হয়েছে। যীশু-ভজনা না করলে নাকি লেখাপড়া হয় না। কলকাতায় প্রথম অ-খৃষ্টানী বিদ্যালয় স্থাপনের কৃতিত্ব জগমোহন নিতে চান।

     

    জগমোহন সরকার বারাঙ্গনা গৃহে কখনো ইয়ার-বক্সিদের নিয়ে আসেন না। এসব জায়গায় তিনি গোপনে একা আসাই পছন্দ করেন। তাঁর ধারণা, তাঁর নিজস্ব কোচম্যান এবং এক অতি বিশ্বস্ত ভৃত্য ছাড়া তাঁর এই অভিযানের কথা আর কেউ জানে না।

    জগমোহন বললেন, বুজলি হীরে, এতখানি জন্মো আমার ব্ৰেথাই গেল, কিচুই করতে পারলুম। নিকো…ওফ…ওফ।

    লাল মখমলে মোড়া জাজিমের ওপর হীরেমণি বসে আছে জগমোহনের মুখোমুখি। জগমোহনের এমন স্বভাবের কথা সে ভালোভাবেই জানে। এই বিশালবপু বাবুটির দুটি বিচিত্র অভ্যোস আছে। প্রথমে ঘরে ঢুকেই তিনি বেশ জোরে একটি উদগার তুলবেন। এইটিই যেন তাঁর তৃপ্তির লক্ষণ। তারপর সুরা পান শুরু করার পরও এইরকম উদগার চলতেই থাকবে। সুরাপানের সময় এমন অ্যাও অ্যাও শব্দে ঢেঁকুর তুলতে আর কারুকে দেখেনি। হীরেমণি। আর শেষের দিকে এই কান্না। জগমোহন সরকারের কান্না শুনলেই হীরেমণি বুঝতে পারে যে আর আধঘণ্টার বেশী ওঁর চৈতন্য থাকবে না।

    হীরেমণি ছোট্ট একটি হাই গোপন করে বললো, আপনি অ্যাত কিচু করেচেন, অ্যাত বাড়ি, গাড়ি, বিষয় সম্পত্তি—

    জগমোহন হীরেমণির হাত চেপে ধরে ভেউ ভেউ করে কেঁদে উঠে বললেন, ওরে তাতে কী হয়, তাতে কী হয়…এই তো গ্যালো মাসেই আর একটা বাড়ি কিনলুম, কিন্তু বিষয় সম্পত্তি সবই তো মায়া প্ৰপঞ্চ…কিচুই সঙ্গে যাবে না।

    হীরেমণি বললো, আপনি দানধ্যানও কম করেননি—

    জগমোহন হীরেমণিকে আরও কাছে টেনে এনে বললেন, কাপণ্য করিনি, যে যা চেয়েচে দিয়িচি…তোকে দিইনি, বল? দিইনি?

    —তা দিয়েচেন বইকি! সে কতা স্বীকার না করলে আমার পাপ হবে।

    —গ্যালো হস্তাতেই তোকে এক জোড়া কঙ্কণ দিলুম, আমাদের বাড়ির সুরো দাসীকে একটা আংটি দিয়িচি, কমলাকে দিয়িচি একছড়া চন্দ্ৰহার—

    —এখন বুঝি কমলার ওপর খুব মন মজেচে?

    —ওরে সে মাগী বড় দেমাকী। বড় দেমাকী! তোকে কী বলবো! রামকমল সিংগী মরে ভূত হয়ে গোল কবে, আর এখনও সে মাগী বেধবা সেজে ঢং করে আচে। নাক নেই তার নিথ, বেশ্য আবার বেধবা! হুঁ!

    কৃত্রিম কোপ দেখিয়ে হীরেমণি নিজেকে জগমোহনের আলিঙ্গন থেকে ছাড়িয়ে নেবার চেষ্টা করে বললো, কমলার ওপরেই যখন এত টান, তবে আর আমার কাচে আসা কেন?

     

    জগমোহন তাকে নিবিড় করে টেনে এনে বললেন, ওরে কমলি আলায়দা আর তুই আলায়দা। তোর মতন গান কমলি গাইতে পারবে? কমলির গায়ের রং কালো আর তোরা যেন দুধে আলতা। আমি তো পেয়ার করি তোকেই। তবু কমলিকে কেন চাই জানিস? সে ছেল রামকমল সিংগীর মতন একজন বড়মানুষের বাঁধা মেয়েমানুষ, রামকমল সিংগী মারা গ্যাচে, এখন তার মেয়েমানুষকে কে নেবে এই নিয়ে যে একটা হুড়োহুড়ি পড়ে গ্যাচে শহরে। বুজলি নে, রামকমল সিংগীর মেয়েমানুষকে যে নিতে পারবে তার কতটা মান বাড়বে? আমি ওর বাড়িতে প্ৰথমে একছড়া চন্দ্ৰহারি পটালুম, তা বেশ নিয়ে নিলে। ওমা, তারপর আর আসেই না, আসেই না। দুটো অন্য মাগীকে জুতে দিলে আমার সঙ্গে। সে দুটো যেন আশশ্যাওড়া গাচের পেত্নী! আমি বললুম, কমলাকে ডাকে, তার সঙ্গে দুটো কতা কইবো, তা সে পেত্নীরা বলে কিনা। উনি তো আসবেন না, আজ যে ওনার একাদশী!–শোন কতা! এমন কতা শুনলে গা পিত্তি জ্বলে যায় না?

    এতক্ষণ একটু কান্নাটা থেমেছিল,আবার ফুঁপিয়ে উঠে হীরেমণির বুকে মুখ গুঁজে জগমোহন বলতে লাগলেন, তুই বল হীরে, এটা কী ওরা উচিত কাজ হয়েচে? আমার মতন একটা মানী লোককে ফিরিয়ে দিলে? উফ উফ!

    হীরেমণি আদর করে জগমোহনের মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে দিতে বললো, আহা গো, মনে বড় নেগেচে, দুঃখু করো না, দুঃখু করো না, ঐ গতরখাগী শতেক খোয়ারি কমলি ঠিক একদিন তোমার পায়ে এসে লুটোবে

    —ওর থেতামুখ যদি ভোঁতা করে না দিতে পারি, তাহলে আমার নাম জগমোহন সরকার নয়। আমি জানি ব্যাচা মল্লিকও ঐ কমলির কাছে ঘুরঘুর কচ্চে! ব্যাচা মল্লিক। আমার ওপর টেক্কা দেবে!

    —ব্যাচা মল্লিক তোমার নখের যুগ্য নয়!

    —তুই বল হীরে, তুই বল, ব্যাচা মল্লিকের নাম কজনা জানে? সাহেবদের কাচে সুদ খাঁটিয়ে ওর বড় টাকার গরমই হয়েচে! আমি কাগচে আটিকেল লিকি, দেশের জন্য এত কাজ কচ্চি, আর ঐ কমল ষ্টুড়ি আমায় না পুঁচে ব্যাচা মল্লিককে পুঁচবে!

    –কক্ষণো না।

    —তুই দেকিস কমলি, আহা কমলি কি বললুম, হীরে, তুই তো আমার আসল হীরেমণি, আর ঐ কমলিটা ঝুটো মুক্তো! তুই দেকিস, আমি বালিকা বিদ্যালয় খুলে দেশে অক্ষয় কীর্তি রেকে যাবো।

    -কী খুলবেন?

    –ইস্কুল, মেয়েদের জন্য ইস্কুল—

    —ইস্কুল? তাহলে সেখেনে আমার ছেলেটাকে ভর্তি করে নিন গো! জগমোহন সরকার ধড়ফড় করে উঠে বসে বিস্ময় বিস্ফারিত চক্ষে বললেন, ছেলে? তোর আবার ছেলে হলো কবে?

    হীরেমণির মুখ থেকে কথাটা হঠাৎ বেরিয়ে গেছে। বারাঙ্গনাদের পুত্রসন্তান থাকতে নেই, থাকলেও বাবুদের সামনে তার কথা উচ্চারণ করা চলে না।

    কিন্তু হীরেমণির মনের মধ্যে দিন দিন মাতৃভাবটিই যেন প্রবল হয়ে উঠছে। যখন তখন ছেলের কথা মনে পড়ে, এমনকি কোনো বাবুর অঙ্গশায়িনী অবস্থাতেও চোখে ভাসতে থাকে তার সন্তানের মুখ। আর হীরেমণির ছেলেটিও দিন দিন হয়ে উঠছে বড় সুন্দর। যেমন তার রূপ, তেমনি তার গুণ। বুদ্ধি খুব তীক্ষ্ণ তার ছেলের, এর মধ্যেই পড়াশুনোয় তার বেশ মেধা দেখা যাচ্ছে। রাইমোহন কোথা থেকে একটি মাতালকে ধরে এনে আশ্রয় দিয়েছে বাড়িতে, পেঁচি মাতাল হলেও লোকটি গ্যাট ম্যাট করে ইংরেজি বলে মাঝে মাঝে, যাতে বোঝা যায় কিছু বিদ্যোসিধ্যে আছে তার। পেট খোরাকি আর নেশার দ্রব্য জোগাবার চুক্তিতে সে রোজ সকালবেলা হীরেমণির ছেলে চন্দ্রনাথকে পড়ায়। সুস্থ অবস্থায় সে বেশ বিনীত আর ভদ্র থাকে। সে চন্দ্রনাথকে নিয়ে ইংরেজি শব্দ ঘোষায় : পমকিন—লাউ, কুমড়ো, কুকুম্বার—শশা, ফিলজফর—বিজ্ঞ লোক, প্লৌম্যান-চাষা।

    ছেলে লেখাপড়া শিখছে দেখে হীরেমণির চোখ কান যেন জুড়িয়ে যায়। একেক সময় এমন কথাও চিন্তা করে হীরেমণি যে সে এই পাপ ব্যবসা ছেড়ে শুধু ছেলেকে নিয়েই থাকবে। সে রাইমোহনকে জিজ্ঞেস করেছিল, হ্যাঁ গা, চাঁদুর যখন নেকাপড়া শেখার অত ঝোঁক, তা ওকে ইস্কুলে ভর্তি করে দেওয়া যায় না? রাইমোহন বলেছিল, ইস্কুলে ভর্তি হতে গেলেও ওর বাপের নাম শুধোবে। তুই তো আজও ওর বাপের নাম বললিনি!

    এইসব কথাই মাথায় ঘুরছিল বলে হীরেমণি ইস্কুলের নাম শুনেই ছেলের কথা বলে ফেলেছে। এখন আর কথা ফিরিয়ে নেবার উপায় নেই।

    সে বললো, আমার ছেলে রয়েচে-অনেকদিন। জগমোহন সরকার তবু যেন বিশ্বাস করতে পারেছেন না। এতদিন যাওয়া আসা করছেন তিনি এ বাড়িতে, অথচ হীরেমণির যে একটি ছেলে আছে, তাই টের পাননি!

    –কত বয়েস?

    —তা প্ৰায় আট ন বচরের হলো।

    জগমোহন সরকার হীরেমণির আপাদমস্তক দেখলেন আরেকবার। পশ্চিমা স্ত্রীলোকদের মতন হীরেমণি কাচুলি ও ঘাগরা পরে আছে আজ, তার উদ্যত স্তন, মসৃণ ত্বক, ধারালো দুটি চোখ, ভরা যৌবনা যুবতী সে, তাকে জননী রূপে যেন কল্পনাই করা যায় না।

    –কোথায় থাকে তোর ছেলে?

    –এ বাড়িতেই থাকে, নীচতলায়!

    —দূর! যত সব! আয়, আমার কাচে আয়, ঘুম পেয়েচে, তোর কোলে মাতা রেকে এবার আমি ঘুমোবো।

    হীরেমণি জানে, এবার জগমোহনের ঘুমেরই সময়। চোখ জুড়ে এসেছে। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই সে ছুটি পাবে।

    জগমোহন হীরেমণির কোলে মাথা রেখে বললেন, তুই আর পাঁচ জায়গায় মুজরো খাটতে কেন যাস? আমি যা দিই, তাতে তোর কুলোয় না?

    কথা না বাড়াবার জন্য হীরেমণি বললো, আচ্ছা, আর যাবো না!

    –বোতলে আর ব্র্যাণ্ডি আচে? দে, আমায় শেষ এক ঢোক খাইয়ে দে।

    —আপনার ইস্কুলে আমার ছেলেটাকে ভর্তি করে নিন না!

    —দূর পাগলি? তোর ছেলে লেখাপড়া শিখে কী করবে? সে কি গোরস্তবাবু হবে নাকি?

    —আমার ছেলে নেকাপড়া শিখলে কুঠিওয়ালাদের মতন আপিসে চাকরি করবে!

    —হেঃ, যেমন তোর কতা! বেশ্যার ছেলের মাতায় কখনো বিদ্যে ঢোকে? বরং তুই ওকে কুস্তি শেখা, লাঠিখেলা শেখা, তাহলে বরং এ পাড়ার গুণ্ডোদের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারবে।

    —না গো, তার বেশ বুদ্ধি হয়েচে। সে নিজের নাম নিকতে পারে।

    —তবে আর কি, যথেষ্ট হয়েচে! তাকে কুস্তি শেখাতে না চাস ড়ুগি। তবলা বাজাতে শেখা!

    —কেন, আপনার ইস্কুলে তাকে একবারটি ভর্তি করে দেকুনই না–

    —আরে দূর! আমার ইস্কুলে কি ছেলেরা পড়বে নাকি? ছেলেদের ইস্কুল তো গণ্ডীগণ্ডা নিত্যি নতুন গজাচ্চে। ও নিয়ে আমি মাথা ঘামাই না। আমি ইস্কুল খুলবো মেয়েদের জন্য।

    —মেয়েরা নেকাপড়া শিখবে? ভদ্রঘরের মেয়েরা রাস্তা দিয়ে হেঁটে ইস্কুলে যাবে। ওমা সে কি কতা গো! সাধ করে কে জাত খোয়াবে?

    —জাত খোয়াবে কেন? দেকবি ঠিক আসবে-কচি কচি, ফুটফুটে, সুন্দর সুন্দর মেয়েরা, আহা, যেন সব তাজা তাজা ফুল!

    তারপর হীরেমণির স্তনে মুখ ঘষতে ঘষতে জগমোহন সরকার বলতে লাগলেন, মেয়েদের আমি বড্ড ভালোবাসি রে, বড্ড ভালোবাসি, তাদের আমি জ্ঞানের আলো পৌঁচে দেবো, তারা হাসবে, খেলবে, ছুটোছুটি করবে, আহা হা, আমি বড় ভালোবাসি।

     

    হীরেমণি ঘুম পাড়াবার জন্য জগমোহনের মাথায় ছোট ছোট চাপড় দিতে লাগলো।

    জগমোহন জড়িত কণ্ঠে বললেন, একটা গান শোনা, হীরে আমার, বুলবুল আমার, তোর গান শুনলেই আমার মন জুড়োয়, চোখ জুড়োয়, তোর গান শুনতে শুনতে আমি ঘুমিয়ে পড়বো…

    হীরেমণি একটুখানি গুন গুন করে সুর ভেজে গান ধরলো :

    দাঁড়াও দাঁড়াও প্ৰাণনাথ, বদন ঢেকে যেও না
    তোমায় ভালোবাসি তাই
    চোখের দেখা দেখতে চাই
    কিন্তু থাকো থাকো বলে ধরে রাখবো না।
    আমি কোনো দুঃখের কথা তোমায় বলবো না
    তুমি যাতে ভালো থাকো সেই ভালো
    গেলো গেলো বিচ্ছেদে প্ৰাণ আমারই গেলো।

    জগমোহন সরকার উপুড় হয়ে শুয়ে হীরেমণির উরুতে চাপড় মেরে মেরে তাল দিতে লাগলেন। তাঁর ঘুম প্ৰায় এলো এলো।

    পাশের ঘরের দরজায় একটা মৃদু শব্দ হতেই হীরেমণি তাকালো সেদিকে। দরজাটা ঈষৎ ফাঁক হয়ে গেছে, তার আড়ালে দাঁড়িয়ে আছে রাইমোহন।

    রাইমোহন হাত পা নেড়ে ইশারা করছে তার দিকে। হীরেমণি বুঝতে পেরেও দু-একবার মাথা নাড়লো, রাইমোহন তবু কোনো ব্যাপারে তাকে জোর করতে চায়।

    তখন হীরেমণি ঐ গান মাঝপথে থামিয়ে অন্য গান ধরলো আড়ে ঠেকায় :

    হেরি অবলার দুখ, ওগো গুণনিধি
    বুঝি গেল তোমার বুক ফেটে
    সদরে রইলো না আগল, ওগো গুণনিধি
    তবু তুমি ঢুকলে সিদ্ধ কেটে
    তুমি জগতের মোহন, বংশীধারী
    তাই বুঝি, ওগো গুণনিধি, চাই
    ষোড়শ গোপিনী উপচারই…

    জগমোহন মুখ ফিরিয়ে বললেন, এ কি গান? অ্যাঁ? এ গান তো কখনো শুনিনি! এ গান কে বাঁধলে?

    হীরেমণি বললো, কাল এক ভিকিরী ছোঁড়া গাইছেল, শুনতে শুনতে আমার মুখস্ত হয়ে গ্যালো। সুর লাগিয়েছে খাসা…এ গান আমিও আগে শুনিনি।

    জগমোহন আতঙ্কিতভাবে বললেন, আবার গা তো! আবার গা একবার।

    হীরেমণি আবার ধরলো গানটা।

    জগমোহন শুনে যেন আঁতকে আঁতকে উঠতে লাগলেন।

    বিড়বিড় করে বললেন, তুমি জগতের মোহন? তার মানে তো আমি! হেরি অবলার দুখ, ওগো

    গুণনিধি, বুঝি গেল তোমার বুক ফেটে—এ তো আমার সম্বন্ধে-কী সব্বোনেশে কথা, তবু তুমি ঢুকলে সিঁধ কেটে, আমি কোথায় সিঁধ কেটে ঢুকিচি? অ্যাঁ? খবর্দার, এ গান গাইবি তো জিভ ছিঁড়ে দোবো! কে এ গান তোকে শিখুলে সত্যি করে বল।

    হীরেমণি নিরীহ মুখ করে বললো, বললুম তো, এক ভিকিরি ছোঁড়া গাইছেল।

    —সে কোথাকার ভিকিরি?

    —তা আমি কী করে জানবো। আমি তো তার ঠিকুজী ঠিকানা রাখিনি! তবে সে আসে মাঝে মাঝে, দু-চারদিন অন্তর।

    —ওরে কেউ আমার সৰ্ব্বেবানাশ করতে চাইচে! কেউ আমার পেচুনে লেগেচে। আমার নামে কুচ্ছে রটাচ্ছে। তুই এ গান গাইতে গেলি কেন, বল? সত্যি করে বল?

    —ও মা, আমি জানবো কী করে যে এ গানে আপনার ঘুম চটে যাবে? আমি ভাবলুম ভক্তির গান, শুনে তাড়াতাড়ি আপনি ঘুমিয়ে পড়বেন-রাত অনেক হলো।

    -ভক্তির গান? অভক্তি! অভক্তি! লোকের ভালো করতে গেলে এই হয়। এ গানের আরও পদ আচে নাকি?

    হীরেমণি মাথা ঝুঁকিয়ে বললো, হ্যাঁ গো। অনেক আচে।

    পরের লাইনগুলি শুনে জগমোহন সরকার প্রায় তিড়িং তিড়িং করতে লাগলেন। বিরাট শরীর নিয়ে তিনি একবার ঘরের এদিক আর একবার ওদিক ছুটতে লাগলেন উদভ্ৰান্তের মতন। চোখ দিয়ে আবার জল গড়াচ্ছে। ধরা গলায় বলতে লাগলেন, গভীর ষড়যন্ত্র! গভীর ষড়যন্ত্র! কে এমন করলে? ব্যাচা মল্লিক? বাগাড়ম্বর মিত্তির? ওফ! হীরে, তুই আমায় বাঁচা!

    হীরেমণি বললো, আমি সামান্য মেয়েমানুষ, আমি আপনাকে কী করে বাঁচাবো?

    জগমোহন সরকার হাহাকার করে বললেন, তুই এ গান ভুলে যা! কোনোদিন ভুলেও আর গাইবনি। তুই পাঁচ জায়গায় মুজরো গাইতে যাস, কোনোদিন যেন তোর মুখ ফস্কে এ গান না বেরোয়। কতা দে আমায়। দিব্যি করা!

    বাঁ হাতের মধ্যম থেকে একটি বড় পান্না-বসানো আংটি খুলে হীরেমণির কোলে ছুঁড়ে দিয়ে বললেন, এই নে! ওরে, তুই এ গান ভুলে যা!

    হীরেমণি ভালোমানুষের ঝিয়ের মতন বললো, আপনি হুকুম করচেন, এরচে আর বড় কতা কী! মুকুন। কানোদিন এ গান আর মনও আনবো না। এ গানের মধ্যে যে আত তা আমি জানবো কী করে।

    —তুই না হয় গাইবি না, কিন্তু সেই ভিকিরি ছোঁড়া?

    —তার আমি কী করে মুখ আটকাবো বলুন?

    –তুই বললি না যে সে আসে মাঝে মাঝে?

    –তা আসে।

    এবার এলেই তাকে চেপে ধর। তাকে মুখ সামলে থাকতে বলবি, নইলে, তাকে ভয় দেকাবি, আমি তাকে গারদে পুরে দেবো! বুঝলি?

    –হ্যাঁ বুজলুম।

    কোটের দু পকেটে হাত ঢুকিয়ে দু মুঠো টাকা বার করে জগমোহন সরকার ছুঁড়ে দিলেন। হীরেমণির দিকে। বললেন, এই নে! আরও নে! আমার মুখ রক্ষে কর। তবু তুমি ঢুকলে সিদ্ধ কেটে ওরে বাপরে বাপ, কী সাংঘাতিক কতা। আমার মতন একটা মানী লোক—

    হীরেমণি বললো, আপনি অত ছটফটাচ্চেন কেন? শুয়ে পড়ুন, এবার ঘুমোন।

    জগমোহন সরকার হাতের উল্টো পিঠ দিয়ে চোখ মুছতে মুছতে বললেন, আর আমি শুয়িচি, ঘুম আমার মাতায় উঠে গ্যাচে। আমার সর্বাঙ্গ জ্বলচে-ভোর হতে আর দেরি নেই বোধহয়, আমি গঙ্গাচ্চান করে তবে বাড়ি ফিরবো।

     

    আর একটুও অপেক্ষা করলেন না জগমোহন সরকার, দরজা খুলে অন্ধকারের মধ্যেই দুপদাপ করে নেমে গেলেন সিঁড়ি দিয়ে। তারপর বাইরে শোনা গেল তাঁর জুড়িগাড়ির শব্দ।

    দরজা ঠেলে এ ঘরে এসে রাইমোহন একেবারে হেসে আকুল। হীরেমণিও হাসতে লাগলো। একটা গানে যে এরকম প্রতিক্রিয়া হবে, তা হীরেমণি কল্পনাও করতে পারেনি।

    রাইমোহন বললো, দেকলি, হীরে, দেকলি, কেমন ওষুধ ধরেচে!

    হীরেমণি বললো, ইস, মনে বড্ড দাগ পেয়েচেন গো! কাটা পাঠার মতন ছটফটাচ্চিলেন মানুষটা।

    রাইমোহন বললো, হবে না! ঐ সিঁদ কাটার কথাটাতেই আতে ঘা লেগেচে যে! সত্যি যে সিঁধ কাটে।

    -সে কি গো! অত বড় একটা মানুষ!

    —রেকে দে তোর বড়মানুষ। ও একটা পিশেচেরও অধম! ফিমেল উদ্ধারের নাম করে ভদ্রলোকের বাড়িতে ঢুকে জাত কুল নষ্ট করচে। এক ব্ৰাহ্মণের বিধবা, একটি মাত্র ছোট মেয়ে আচে তেনার, সেই মেয়েকে অন্ধকার থেকে আলোয় আনবার জন্য মেয়ের মায়ের সব্বেনাশ করে দিলে গো! আমি সব জানি। এতেই কী হয়েচে, ওকে নিয়ে আরও একটা গান বেঁধেচি, সেটাও তোকে শিকিয়ে দেবোখন।

    হীরেমণি বললো, অমন গান দ্বিতীয়টি শুনলে উনি আর ইদিক পানেই আসবেন না!

    রাইমোহন বললো, আসবে, আসবে, যত বেশী শুনবে, ততই বেশী জ্বলেপুড়ে আসবে। শুধু জগু সরকার কেন, ব্যাচা মল্লিককে নিয়েও একটা গান বাঁধা হয়ে গ্যাচে আমার। এবার কারুক্কে ছাড়বো না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্রিস-ক্রস – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    Next Article একটি পেরেকের কাহিনী – সাগরময় ঘোষ

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    কৈশোর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    অর্ধেক মানবী – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ফুলমণি-উপাখ্যান – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026
    Our Picks

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026

    একটি পেরেকের কাহিনী – সাগরময় ঘোষ

    August 11, 2026

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }