Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026

    একটি পেরেকের কাহিনী – সাগরময় ঘোষ

    August 11, 2026

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প736 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪০. অধ্যক্ষের ছুটি নেই

    বৈশাখ মাস, সংস্কৃত কলেজে এখন গ্ৰীষ্মের ছুটি। কিন্তু এই কলেজের অধ্যক্ষের ছুটি নেই, খর্বকায় ব্ৰাহ্মণ ঠেঙো ধুতি ও উড়ানি গায়ে দিয়ে প্রখর রৌদ্রের মধ্যে বাংলার গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে পায়ে হেঁটে চরকির মতন ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

    ভারতে সে অকালমৃত বেথুন সাহেব স্বল্প সময়ের মধ্যেই অনেক উদ্দীপনার সঞ্চার করে গেছেন। যে স্ত্রীশিক্ষার জন্য তিনি প্ৰাণপাত করলেন, অনেক বাধা বিপত্তি সত্ত্বেও তার প্রসার হতে লাগলো ক্রমে ক্ৰমে। তাছাড়া, বেথুন সাহেব বার বার আর একটি বিষয়ের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছিলেন সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তিকে যে, মাতৃভাষার মাধ্যমে শিক্ষা না দিলে সে শিক্ষায় প্রকৃত মানুষ গড়া যায় না। যতই ইংরেজি বা সংস্কৃত শেখাবার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হোক না কেন, বাংলাদেশে বাংলা পড়াবার সুবন্দোবস্ত না হলে শিক্ষা বিস্তার প্রকৃত পক্ষে অসম্ভব। এবং শুধু শহরে নয়, শিক্ষা ব্যবস্থা ছড়িয়ে দিতে হবে গ্রামে গ্রামে। বেথুন সাহেব আরও বলে গেছেন যে, তিনি এ দেশের ছাত্রদের পরীক্ষা করে দেখেছেন, তাদের মেধায় কোনো ঘাটতি নেই, উপযুক্ত শিক্ষা পেলে তারা জগতের যে-কোনো জাতির সমকক্ষ হতে পারে।

    সংস্কৃত কলেজের অধ্যক্ষ ঈশ্বরচন্দ্ৰ বিদ্যাসাগরও এ ব্যাপারে বেথুনের জীবদ্দশায় তাঁর সঙ্গে সম্পূর্ণ একমত হয়েছিলেন। যারা পণ্ডিত হতে চায়, তারা সংস্কৃত শিখতে চায় শিখুক, কিন্তু দেশের আপামর জনসাধারণকে শিক্ষা দিতে হবে মাতৃভাষায়। এজন্য হাজার হাজার বিদ্যালয় খোলা দরকার। এবং সরকারের সাহায্য না পেলে এতবড় একটা ব্যাপক কর্মসূচী নেওয়া সম্ভব নয়। কোম্পানির গভর্নমেন্ট এ দেশ থেকে কোটি কোটি টাকা মুনাফা নিয়ে যাচ্ছে, তার থেকে ছিটেফোঁটা পেলেও এ দেশের বালক বালিকাদের জন্য অনেক কিছু করা যাবে।

    বিদ্যাসাগর গ্রামাঞ্চলে শিক্ষা বিস্তারের জন্য বিশদ পরিকল্পনা পেশ করলেন সরকারের কাছে। তা নিয়ে টালবাহানা চললো অনেকদিন, প্রচুর চিঠিপত্র ও মেমোরেণ্ডাম চালাচালি হলো। এর মধ্যে কাউন্সিল অব এড়ুকেশানের একজন সদস্য ফ্রেডরিক হ্যালিডে নিযুক্ত হলেন বাংলার ছোট লাট। হ্যালিডে সাহেব বিদ্যাসাগরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ছিলেন। তিনি তাঁর সমস্ত পরিকল্পনার কথা জানতেন। ছোটলাট তখন সেইসব পরিকল্পনা পেশ করলেন বড়লাটের কাছে, বড়লাট নীতিগতভাবে তা মঞ্জুর করে দিলেন।

    কিন্তু প্রশ্ন উঠলো, এইসব স্কুল প্রতিষ্ঠার জন্য স্থান নির্বাচন, স্কুল স্থাপন এবং পরে সেগুলির পরিচালনার ব্যাপার তত্ত্বাবধানের জন্য একজন উপযুক্ত ব্যক্তি দরকার। কে করবেন সে কাজ? বিদ্যাসাগর নিজেই সে দায়িত্ব নিতে চান। বিদ্যাসাগরের যোগ্যতা বিষয়ে সরকারের কোনো সন্দেহ নেই; কিন্তু সংস্কৃত কলেজের মতন এত বড় একটি প্রতিষ্ঠানের গুরুপূর্ণ দায়িত্ব যাঁর স্কন্ধে, তিনি কি আবার গ্রামে গ্রামে বিদ্যালয় খোলার জন্য এত পরিশ্রম করতে পারবেন? বিদ্যাসাগর এক বাক্যে রাজি, শুধু তাই নয়, এ কাজের জন্য তিনি আলাদা কোনো পারিশ্রমিকও চান না।

    পায়ে হেঁটে ঘোরায় কোনো ক্লান্তি নেই বিদ্যাসাগরের। সংস্কৃত কলেজের অধ্যক্ষ হবার পরও কতবার নিজের মোট নিজেই মাথায় বহন করে নিয়ে দেশের বাড়িতে যাতায়াত করেছেন পদব্ৰজে। একটিই শুধু অসুবিধে, নতুন কোনো গ্রামে গিয়ে সেখানকার মুরুবিবাদের বিশ্বাস করাতেই অনেক সময় লেগে যায় যে পালকি বেহারাদের মতন চেহারার এই কদাকার পুরুষটিই বিদ্যাসাগর।

    শিয়াখোলা, রাধানগর, কৃষ্ণনগর পর পর গ্রামগুলিতে ঘুরে বেশ ভালো সাড়া পাওয়া গেল। এক একটি গ্রামে উপস্থিত হয়ে তিনি সেখানকার চণ্ডীমণ্ডপে কিংবা বটতলায় গ্রামের গণ্যমান্যদের নিয়ে একটা বৈঠকে বসেন। লোক পাঠাবার বদলে তিনি নিজে তাঁদের বাড়ি বাড়ি ঘুরে ডেকে আনেন। তারপর তাঁদের কাছে বুঝিয়ে-সুঝিয়ে বলেন, তাঁর উদ্দেশ্যের কথা। গ্রামের মানুষ যদি এক খণ্ড জমি দেয় এবং নিজেরাই চাঁদা তুলে একটি বাড়ি তুলে দেয়, তা হলে সে গ্রামে প্রতিষ্ঠিত হবে আদর্শ বঙ্গ বিদ্যালয়। শিক্ষকদের বেতন দেবেন সরকার।

    সব জায়গাতেই তিনি সার্থক হতে লাগলেন। পরপর চললেন ক্ষীরপাই, চন্দ্রকোনা, শ্ৰীপুর, কামারপুকুর, রামজীবনপুর, মায়াপুর, মলয়পুর, কেশবপুর, পাতিহাল। তাঁর খাওয়া-দাওয়ার কোনো ঝামেলা নেই, তিনি অতিশয় স্বল্পাহারী, গ্রামের যে-কোনো বাড়িতে দুটি চাল-ডাল ফুটিয়ে নিলেই চলে, নইলে শুধু ফলাহারেই ক্ষন্নিবৃত্তি হয়ে যায়। রাত্রিবাসের জন্যও চিন্তা করতে হয় না। যেকোনো গৃহস্থের বাড়িতেই মাথা গোঁজার ব্যবস্থা হতে পারে, কিংবা গাছতলায় শয়ন করলেও চলে। প্রখর রৌদ্র কিংবা প্রবল বৃষ্টিতেও এ ব্ৰাহ্মণ নিরস্ত হয় না।

    রামজীবনপুরে একদিন বিশ্রাম নিচ্ছেন ঈশ্বরচন্দ্র। এখানকার বিদ্যালয়টি চালু হয়ে গেছে। বৃক্ষতলে ছায়ায় উপবেশন করে তিনি শুনছেন উচ্চকণ্ঠে ছাত্রদের পাঠাভ্যাস। পণ্ডিতমশাই নামতা ঘোষাচ্ছেন, আর ছাত্ররা পরস্পরের সঙ্গে প্ৰতিযোগিতা করে গলা ফাটাচ্ছে একেবারে। ঈশ্বরচন্দ্রের ইচ্ছে হলো ছাত্রদের বিদ্যার উন্নতি পরীক্ষা করা।

    তিনি চলে এলেন ক্লাস ঘরে। মেঝেতে পার্টি বিছিয়ে বসে আছে ছেলের দল, অনেকেরই উধবাঙ্গে কোনো বস্ত্র নেই, কেউ কেউ পরে আছে শুধু একটি গামছা। পণ্ডিতমশাইয়ের ধুতিখানি শতচ্ছিন্ন, সম্ভবত সেলাই করা বস্ত্ৰ পরিধান করার বিষয়ে তাঁর সংস্কার আছে বলে তিনি ছেড়া ধুতিখানিও সেলাই না করে জায়গায় জায়গায় গিট বেঁধে রেখেছেন। তবে তাঁর লোমশ বুকে ধপধাপে সাদা পৈতাখানিই শুধু অটুট। পণ্ডিতমশাই তাঁর বাড়ি থেকে বিদ্যালয়ে আসবার সময় প্রতিদিন একটি বালিশ ও একটি হাতপাখা নিয়ে আসেন। বালিশে মাথা রেখে তিনি লম্বা হয়ে শুয়ে থাকেন দ্বারের কাছে, যাতে কোনো দুষ্ট ছাত্র হঠাৎ পলায়ন করতে না পারে। ছাত্ররা পালা করে করে হাতপাখা দিয়ে বার্তাস করে তাঁকে। যে ছাত্র একবারও তাঁর মাথায় পাখা না ঠুকে বার্তাস করতে পারে, তার প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে তিনি তাকে একটু আগে ছুটি দেন।

    বিদ্যাসাগরকে দেখে পণ্ডিতমশাই ব্যস্তসমস্ত হয়ে উঠে বসলেন। ইতিমধ্যেই এসব অঞ্চলে রটে গেছে যে, যে-ব্যক্তিকে দেখলে একেবারেই বিদ্যাসাগর বলে মনে হয় না, অথচ মুখচোখে একটা তেজী ভাব, সেই ব্যক্তিই বিদ্যাসাগর।

    ঈশ্বরচন্দ্ৰ পণ্ডিতমশায়ের পাশে বসে পড়ে বললেন, আপনার ছাত্রদের একটু দেখতে এলাম। কেমন চলছে, এদের পড়াশুনোর আগ্রহ আছে তো?

    পণ্ডিত বললেন, বিলক্ষণ! এগুলানের পড়াশুনো না হলে আমার চাকরিটি যে যায়। তাই তেড়েফুড়ে পড়াই। এদের শুধিয়ে দেখুন না।

    ঈশ্বরচন্দ্ৰ ছাত্রদের কয়েকটি প্রশ্ন করলেন। খুব নৈরাশ্যব্যঞ্জক কিছু না। ছাত্ররা বাংলা ও সরল গণিত কিছু কিছু শিখেছে। কিন্তু এটুকুই তো যথেষ্ট নয়। তিনি একটি ছেলেকে প্রশ্ন করলেন, ওরে, দিন আর রাত কেমন করে হয়, তা বলতে পারিস?

    এমন অদ্ভুত প্রশ্ন শুনে ছেলেটি অবাক। এর উত্তর তো তাদের মা-ঠাকুমারাও জানে, এজন্য কি আর বিদ্যালয়ে আসতে হয়? সূৰ্য উঠলে দিন আর সূর্য অস্ত গিয়ে চাঁদ উঠলে রাত।

    ঈশ্বরচন্দ্র আবার প্রশ্ন করলেন, সূৰ্য কী করে ওঠে। আর কী করেই বা অস্ত যায়?

    এর উত্তর পাছে ছাত্ররা না দিতে পারে, তাই পণ্ডিতমশাই নিজেই আগ বাড়িয়ে বললেন, কেন, সাত ঘোড়ার রথে চেপে সূর্যদেব পুবের আকাশে উঠলে দিন হয় আর সারাদিন পর সূর্যদেব পশ্চিম দিগন্তের পরপারে চলে যান।

    ঈশ্বরচন্দ্ৰ মৃদু হেসে বললেন, সে তো পুরাণের কথা। আপনি আহ্নিক গতি, বার্ষিক গতির কথা কিছু শোনেননি?

    পণ্ডিত ঘাড় নাড়লেন দু-দিকে।

    ঈশ্বরচন্দ্র বললেন, সূর্য ঘোরে না। পৃথিবী ঘোরে। সূৰ্য আকাশে স্থির। পৃথিবী চব্বিশ ঘণ্টায় একবার ঘোরে।

    পণ্ডিতমশাই বললেন, পৃথিবী ঘোরে? আপনি বলেন কি মশাই? মস্করা করছেন, না সত্যি কথা বলছেন?

    ঈশ্বরচন্দ্র বললেন, মস্করা নয়, সত্যি। ছাত্রদের ভুল শেখাবেন না। পৃথিবী দুরকমভাবে ঘোরে।

    পণ্ডিত বললেন, সে মশাই আপনি বলছেন যখন, তখন ঘোরে। তবে সে বোধহয় আপনাদের শহরের দিকের পৃথিবী ঘোরে। আমাদের এই পাড়াগাঁ দেশে পৃথিবী ঘোরে টোরে না। একেবারে স্থির হয়ে থাকে সব সময়। দেকছি তো!

    অট্টহাস করে উঠলেন বিদ্যাসাগর। পণ্ডিত বলেছে ভালো!

    তারপর তিনি ছাত্রদের সবিস্তারে আহ্নিক গতি, বার্ষিক গতি, ঋতুবদল ও দিন রাত্রি ছোট বড় হওয়ার কারণ বোঝাতে লাগলেন। অপ্ৰসন্ন মুখে শুনতে লাগলেন পণ্ডিত। বিদ্যাসাগরের কথা শেষ হবার পর পণ্ডিত বিড় বিড় করে বলে উঠলেন, আপনি বলছেন যখন, ঘুরুক তাহলে পৃথিবী। চিরকাল ঘুরুক। পৃথিবীর ঘোরাঘুরি নিয়ে কে মাথা ঘামায়?

    সেদিন ঈশ্বরচন্দ্ৰ উপলব্ধি করলেন, শুধু পরপর বিদ্যালয় স্থাপিত করে গেলেই উদ্দেশ্য সাধিত হবে না, উপযুক্ত শিক্ষকও দরকার। অশিক্ষার চেয়ে কুশিক্ষা আরও ভয়াবহ। ছাত্রদের মতন শিক্ষকদেরও আগে গড়ে পিটে নেওয়া দরকার, শিক্ষক তৈরির জন্যও একটা নমািল স্কুল খুলতে হবে। তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদক অক্ষয়কুমার দত্তের সঙ্গে এ সম্পর্কে তাঁর আগে কিছু আলোচনা হয়েছিল। অক্ষয়কুমার দত্ত যেমন একজন কড়া ধাতের মানুষ, তেমনি সর্বপ্রকার সংস্কারমুক্ত, ওঁর ওপর নামলি স্কুলের ভার দেওয়া যায়, যদি উনি রাজি হন।

     

    ছুটি ফুরিয়ে এসেছে, আবার কলকাতায় ফিরতে হবে, তার আগে পিতামাতাকে একবার দেখে যাবার জন্য ঈশ্বরচন্দ্ৰ এলেন স্বগ্রামে।

    বীরসিংহ গ্রামে ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির রূপ এখন ফিরে গেছে। তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র ঈশ্বরচন্দ্র সরকারের কাছ থেকে দেড় শত টাকা বেতন পায়। দেশীয় ব্যক্তিদের মধ্যে অঙ্গুলিগণ্য কয়েকজনই মাত্র এত অধিক বেতনের চাকরি করে। তা ছাড়াও গ্ৰন্থ রচনা করে ঈশ্বরচন্দ্রের এখন যথেষ্ট ধনোপার্জন হয়। ঈশ্বরচন্দ্রের পরের ভাইও চাকুরিতে সুপ্রতিষ্ঠিত। ঠাকুরদাস-ভগবতী এক সময় কত কষ্টে দিনাতিপাত করেছেন, আজ তাঁদের সুখের দিন এসেছে। গৃহের শ্ৰীবৃদ্ধি হয়েছে, প্রতিষ্ঠিত হয়েছে চণ্ডীমণ্ডপ, নতুন চালাঘর উঠেছে কয়েকখানা। এখন গোয়ালে বাঁধা গরু, মড়াইয়ে ভরা ধান, পুকুরে দাপায় বড় মাছ। শুধু নিজেদের সাচ্ছল্য নয়, এ গ্রামের প্রত্যেকেই সাহায্য পায় ঈশ্বরচন্দ্রের পিতামাতার কাছ থেকে।

    ঈশ্বরচন্দ্রের পাড়া বেড়ানো অভ্যোস, গ্রামে এলেই তিনি বাড়ি বাড়ি ঘুরে বেড়ান, কোথাও কেউ অভুক্ত আছে কি না সে সন্ধান তিনি ঠিক সংগ্রহ করেন। যে-বাড়িতে গিয়ে দেখেন যে উনুনে হাঁড়ি চড়েনি, সে বাড়ির সকলকে জোর করে টেনে আনেন নিজের বাড়িতে। খুব গোপনে তিনি কয়েকটি পরিবারকে মাসোহারা দিতেও শুরু করেছেন।

    তবু কয়েকজন অভুক্ত থেকেই যায়। ঈশ্বরচন্দ্রের সাধ্য নেই তাদের মুখে অন্ন তুলে দেবার। তিনি সাধারণত নক্ষত্রের হিসেব রাখেন না, কিন্তু প্ৰতিবার গ্রামে এসেই তিনি মনঃস্থির করেন, এর পরের বার তিথি গণনা না করে তিনি আর গ্রামের মাটিতে পা দেবেন না।

    এবারও ঈশ্বরচন্দ্ৰ যে সায়াহ্নে পৌঁছেলেন, তার পরদিনই একাদশী। এদিন সমস্ত বিধবাদের নির্জলা উপবাস। সেই ছাত্র বয়েসেই ঈশ্বরচন্দ্র গ্রামে এসে এরকম এক একাদশীর দিনে কেঁদে ভাসিয়েছিলেন। ক্ষেত্রমণি নামে একটি বালিকা ছিল তার বাল্যের ক্রীড়া সঙ্গিনী। তখন তাঁর তের চোদ্দ বছর বয়েস, বাড়িতে পা দিয়েই শুনলেন মাত্র তিন মাস আগে ক্ষেত্রমণির বিবাহ হয়েছিল আবার ইতিমধ্যে সে বিধবাও হয়ে গেছে। নিজের ভাতের থালা ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছিলেন ঈশ্বরচন্দ্ৰ, ক্ষেত্রমণি সারাদিন এক ফোঁটা জলও পান করবে না, আর তিনি পেট ভরে আহার করবেন? কেন, ক্ষেত্রমণি কী দোষ করেছে?

    সেই ক্ষেত্রমণি অবশ্য মরে গিয়ে বেঁচেছে, তবু প্রতি বৎসরই একজন দুজন বিধবা হয়। এবারেও কুক্ষণে এসে পৌঁছেলেন বিদ্যাসাগর। পরপর দুটি হৃদয়বিদারক ঘটনা শুনতে হলো। যে-গুরুর কাছে তিনি প্ৰথম বর্ণমালা শিক্ষা করেছিলেন, সেই কালীকান্ত চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে তিনি সবাগ্রেই দেখা করতে যেতেন। ইদানীং অভিমানবশতঃ আর যেতেন না। এবার শুনলেন, কালীকান্ত মারা গেছেন এবং বিধবা করে দিয়ে গিয়েছেন ছটি রমণীকে, তার মধ্যে সর্বকনিষ্ঠাটির বয়েস নয়। তাছাড়া তাঁদের এক প্রতিবেশিনীর কন্যা, এগারো বৎসর বয়স্ক বালিকা সত্যভামাও মাত্র দেড় মাস আগে বিধবা হয়েছে।

    সংবাদ দুটি শুনে ঈশ্বরচন্দ্রের মন বিষিয়ে গেল। এই সব কথা শুনলে তাঁর দুঃখ যতখানি হয়, রাগও ততটাই হয়। চোখে জল আসে, বুকটা জ্বলে। বিচারবুদ্ধিহীন অন্ধ সংস্কারে দুধের বাচ্চাদের বিবাহ দেওয়া হয় বৃদ্ধদের সঙ্গে, বিবাহ জিনিসটা কি তা বুঝবার আগেই তাদের কপাল পুড়ে যায়।

     

    অপরাহ্ন চণ্ডীমণ্ডপে বসে পিতার সঙ্গে কথাবার্তা বলছেন ঈশ্বরচন্দ্র, এমন সময় ভগবতী দেবী এলেন সেখানে। আঁচলে চক্ষু চাপা দিয়ে বললেন, ওরে, মেয়েটার দিকে যে আর চোখ ফেলা যায় না। ওকে জন্মাতে দেখিছি, কোলে পিঠে নিয়েছি। কতবার, সেই মেয়ে রাঢ়ী হলো! মেয়েটা ভূয়ে পড়ে কেঁদে কেঁদে গড়াচ্ছে।

    ঈশ্বরচন্দ্ৰ ক্ৰোধে নিবাক হয়ে ঘাড় হেঁট করে রইলেন।

    ঠাকুরদাস জিজ্ঞেস করলেন, কার কথা বলতেছ? সত্যভামা? আহা, বেটী আমারও বড় আদরের-আমিও ওর দিকে আর চাইতে পারি না।

    ভগবতী বললেন, আগেই আমি বলিছিলুম, ঐ তেজবরের সঙ্গে বিয়ে দিয়োনি—

    ঠাকুরদাস পুত্রকে জিজ্ঞেস করলেন, হ্যাঁরে ঈশ্বর, তুই তো অনেক শাস্ত্ৰ পড়িছিস, তা সব শাস্ত্ৰে কি বিধবাদের এমন যাতনা দেবারই নির্দেশ রয়েছে? ওদের আর কোনো গত্যন্তর নাই?

    ঈশ্বরচন্দ্ৰ মুখ তুলে রাগত স্বরে বললেন, কেন থাকবে না? বিধবাদের পুনর্বিবাহ দেবারও ব্যবস্থা রয়েছে।

    —পুনর্বিবাহ? তুই বলিস কি?

    –বাবা, আমি নানা শাস্ত্র ঘেঁটে দেখোঁচি, মোট তিন প্রকার নির্দেশ আছে বিধবাদের জন্য। ব্ৰহ্মচর্য অভাবে সহমরণ বা বিবাহ।

    —রাজ আজ্ঞায় সহমরণ প্রথা নিবারিত। কলিযুগে ব্ৰহ্মচৰ্যই বা কতখানি সম্ভব? সুতরাং বিবাহই একমাত্র উপায়। তুই শাস্ত্রবচন উদ্ধার করে বিধবার পুনর্বিবাহ যে সিদ্ধ, তা প্রমাণ কক্তে পারবি?

    ঈশ্বরচন্দ্রের চোখ জ্বলে উঠলো। তিনি পিতাকে বললেন, আপনি জানেন, কোনো কিছু যদি আমি একবার ধরি, তা হলে আর কিছুতে ছাড়ি না। প্রয়োজন হলে আমি সর্বশাস্ত্র মন্থন করে এর স্বপক্ষে যত নির্দেশ আছে সব তুলে আনবো। কিছুদিন ধরেই আমি একথা ভাবছি। যদি আপনি অনুমতি দেন এবং আশীর্বাদ করেন–

    ঠাকুরদাস গাঢ় স্বরে বললেন, তুই যদি এ কাজ ভালো বুঝিস তা হলে আমরা নিষেধ কবো। কেন? এমনকি আমরা নিবারণ করলেও তোর ক্ষান্ত হওয়া কর্তব্য হয় না। লোকের নিন্দাবাদে বা অপর কোনো কারণেও পশ্চাৎপদ হবি না। তুই।

    ঈশ্বরচন্দ্র বললেন, আচ্ছা বেশ, আমি আগামী কল্য থেকেই এ কর্মে সর্বশক্তি নিয়োগ করবো।

    সেদিন রাত্রে ঈশ্বরচন্দ্ৰ জননীকে নিভৃতে আবার জিজ্ঞেস করলেন, মা, তখন পিতাঠাকুরের সঙ্গে আমার যেসব কথাবার্তা হলো, তুই তো সব শুনিছিলি, কিন্তু কোনো কথা বললি না কেন? তোর কি এ বিষয়ে মত নেই, মা?

    ভগবতী বললেন, আমি ভেবিছিলুম। উনি এসব কথা শুনে রাগ করবেন। উনি যখন মত দিলেন, তা হলে আর চিন্তা কি?

    ঈশ্বরচন্দ্র বললেন, মা, তবু তোর মতটাও আমি শুনতে চাই।

    ভগবতী বললেন, তুই ঠিক বুঝিছিস যে বেধবাদের বিয়ে দেওয়ায় শাস্তরে কোনো বাধা নেই?

    ঈশ্বরচন্দ্র বললেন, হীমা, আমি ঠিক বুঝেছি। এ নিয়ে আমি বই রচনা করবো, আমি চেষ্টা করবো সরকারকে দিয়ে আইন পাশ করাবার। অনেক লোক বাধা দেবে আমি জানি, সে সব আমি গ্রাহ্য করি না, কিন্তু আমি তোর মতটা নিতে ইচ্ছা করি।

    ভগবতী বললেন, তোকে আমি বারণ করি না, তুই এ কাজ করগে যা-যে যা বলে বলুক। যদি শেষ পর্যন্ত পারিস, আমি তোকে আশীর্বাদ কবো, লাখো লাখো দুখিনী মেয়ে তোকে দু-হাত তুলে আশীর্বাদ কৰ্বে।

    কলকাতায় ফিরেই ঈশ্বরচন্দ্ৰ এবার নিমগ্ন হলেন শাস্ত্ৰ সমুদ্রে। তিনি জানেন, নৈতিকভাবে বিধবা বিবাহের বিরুদ্ধে কোনো যুক্তিই থাকতে পারে না। যারা বালিকা নয়, না-বালিকা, যারা বিবাহের মর্মই কিছু বোঝেনি, তাদের সারা জীবন বঞ্চিত রাখার বিধান যদি শাস্ত্ৰ দিয়েও থাকে, তবে সে শাস্ত্ৰই ভ্ৰান্ত। সে শাস্ত্র পরিত্যাজ্য, সেই লোকাচার, দেশাচারও পরিবর্তনীয়। কিন্তু এই সব কথা এ দেশের সংস্কারাচ্ছন্ন মানুষদের বোঝানো মুশকিল। শাস্ত্ৰ উদ্ধার করেই তাদের মুখ বন্ধ করতে হবে। ইংরেজ সরকারও এ দেশের ধর্মবিশ্বাসে সহজে হাত দিতে চায় না। এবং সরকার আইন প্ৰণয়ন না করলে কেউই এ মীমাংসা মানবে না। সুতরাং শাস্ত্ৰ বচন তুলে প্রমাণাদি দেখিয়ে সরকারের সম্মতি আদায় করতে হবে।

    আহার নিদ্রা এক রকম পরিত্যাগ করলেন ঈশ্বরচন্দ্র। সারাদিন সংস্কৃত কলেজের কাজের পর আর বাড়ি ফেরেন না, সংস্কৃত কলেজের গ্রন্থাগারেই সারারাত কাটিয়ে দেন। সারা রাত্রিই সেখানে বাতি জ্বলে। তিনি স্তৃপাকার পুঁথিপত্রের মধ্যে ঠায় জেগে বসে থাকেন।

    এক একদিন তাঁর বন্ধু রাজকৃষ্ণ বন্দ্যোপাধ্যায় জোর করে তাঁকে টেনে নিয়ে যান নিজের গৃহে। সমেহ তিরস্কারে বলেন, তুমি এ কি করতেছ, ঈশ্বর? এমন ভাবে চললে যে অচিরেই ব্যারামে পড়বে।

    ঈশ্বরচন্দ্ৰ হেসে বলেন, আমার কিছু হবে না। তুমি তো জানো, যখন জেদ ধরেছি, তখন এর শেষ না দেখতে পেলেই আমার ব্যারাম হবে। দেও বাপু, কী খাবার দেবে, দেও!

    রাজকৃষ্ণ বললেন, সে তুমি যাই বলো, দু বেলা এখানে রোজ দুটি খেয়ে যেতেই হবে। সে কথা দেও! আর দিনের পর দিন না ঘুমালে কি মানুষ বাঁচে।

    ঈশ্বরচন্দ্রের এসব কথার উত্তর দেবার সময় নেই। কোনো রকমে নাকে মুখে কিছু খাদ্য গুঁজেই তিনি আবার দৌড়েন সংস্কৃত কলেজের দিকে।

    একদিন রাজকৃষ্ণ বললেন, তুমি এ পরিশ্রম যে কচ্চো, কিন্তু এতে লাভ হবে কি? বিধবার বিয়ে দেবার উদ্যোগ তো আগেও কেউ কেউ করেছিলেন। তেনারাও নানান শাস্ত্ৰ বচন ঘেটেছিলেন শুনতে পাই। কিন্তু তাতে তো কোনো সুরাহা হয়নি!

    ঈশ্বরচন্দ্ৰ বললেন, জানি, আমি খুব ভালো রকমই জানি। ঢাকার রাজা রাজবল্লভ সেন থেকে আরম্ভ করে ডিরোজিও সাহেবের শিষ্যরা পর্যন্ত অনেকেই বিধবার বিয়ে দেবার স্বপক্ষে মত প্রচার করেছেন। কিন্তু ঐ পর্যন্তই। কেউই তা কার্যে পরিণত করতে এগিয়ে আসেননি। কিন্তু আমাকে তো তুমি চেনো, আমি এক গোয়ার গোবিন্দ, আমার শুধু মুখের কথা নয় কিংবা নিউজ পেপারে প্রবন্ধ ফাঁদই নয়, ধরেছি। যখন তখন একে কার্যে পরিণত আমি করবোই। তার আগে আমার শান্তি নেই।

     

    সংস্কৃত কলেজের গ্রন্থাগারে সারা রাত পড়াশুনো করতে করতে এক এক সময় মাথা গরম হয়ে যায়। মস্তিষ্কের শুশ্রুষার জন্য এক সময় তিনি ভোরের দিকে পথে বেরিয়ে পড়েন। ভোরের শীতল বার্তাস যেন স্নিগ্ধ প্রলেপের মতন কাজ করে।

    একদিন তিনি সেইরকম অতি প্ৰত্যুষে পথে ভ্ৰমণ করতে করতে হঠাৎ থমকে দাঁড়িয়ে পড়লেন। তারপর আপন মনে বললেন, পেয়েছি!

    শূন্য রাজপথে তিনি বিড়বিড় করে আবৃত্তি করে চললেন, কয়েকটি শ্লোকের পর শ্লোক। তারপর, সামনেই যেন তার প্রতিপক্ষীরা সব সার বেঁধে দাঁড়িয়ে আছে, তাদের উদ্দেশ্য করে আঙুল উঁচিয়ে বললেন, এইগুলি দিয়েই আমি শুরু করবো আমার প্রস্তাব! দেখি, তোমাদের মধ্যে কোন পণ্ডিতের কটা মাথা আছে যার দ্বারা আমার এসকল যুক্তি ভঞ্জন করতে পারো!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্রিস-ক্রস – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    Next Article একটি পেরেকের কাহিনী – সাগরময় ঘোষ

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    কৈশোর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    অর্ধেক মানবী – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ফুলমণি-উপাখ্যান – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026
    Our Picks

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026

    একটি পেরেকের কাহিনী – সাগরময় ঘোষ

    August 11, 2026

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }