Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026

    একটি পেরেকের কাহিনী – সাগরময় ঘোষ

    August 11, 2026

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প736 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪৪. কৃষ্ণভামিনীর মিতেনীর শ্বশুরালয়

    হাটখোলায় কৃষ্ণভামিনীর মিতেনীর শ্বশুরালয়টি তেমন বুনিয়াদী নয়। মাত্র দু পুরুষে ধনী। অনেকেই এখনও বলে যে জগাই মল্লিক নাকি চিত্তেশ্বরীর মন্দিরের সামনে বসে ফুটকড়াই বেচিতো। জগাই মল্লিকের আদি নিবাস ছিল পেনেটিতে। বৃদ্ধ বয়সে দেবী চিত্তেশ্বরী তাঁকে স্বপ্নে গুপ্তধনের সন্ধান দেন এবং তিনি এক পানা পুকুরের মাঝখানে ড়ুব দিয়ে এক সোনার ঘড়া ভর্তি মোহর পেয়ে যান। অবশ্য কেউ কেউ অন্য কাহিনীও বলে। এক ডাকাইত নাকি সেপাইদের তাড়া খেয়ে জগাই মল্লিকের বসতবাটিতে এসে রাত্রে আশ্রয় নেয়। পরদিন সকালেই সে ডাকাইতকে সেপাইয়ের বদলে ধরে ফেলে মারাত্মক বিসূচিকা রোগে এবং সন্ধের আগেই সে মারা যায়। রাতারাতি সেই শবদেহ দাহ করে জগাই মল্লিক সে দস্যুর ধনরত্ন নিয়ে পেনোটি ছেড়ে পাকাপাকিভাবে আশ্রয় নেন। কলকাতায়। প্রথম পক্ষের স্ত্রী-পুত্রদেরও পরিত্যাগ করে তিনি দ্বিতীয়বার দার পরিগ্রহ করেন। এখানে। এই দ্বিতীয় কাহিনীর সত্যাসত্য ঠিক নিধারণ করা যায় না। তবে কলকাতার অধিকাংশ ধনীরই ভাগ্য পরিবর্তনের ব্যাপারে দু রকম কাহিনী প্রচলিত থাকে। সে যাই হোক, জগাই মল্লিকের তিন পুত্রের মধ্যে জ্যেষ্ঠ চিত্তপ্ৰসাদ বাণিজ্য ব্যাপারে নিদারুণ বুদ্ধির পরিচয় দিয়ে অগাধ ধনসম্পদ উপাৰ্জন করেন এবং তিনিই হাটখোলায় এই প্ৰাসাদোপম অট্টালিকা নির্মাণ করেছেন।

    চিত্তপ্ৰসাদ দীর্ঘজীবী হননি এবং আকস্মিক মৃত্যুর ফলে বিষয়াদির সুচারু ব্যবস্থা করে যেতে পারেননি। ভ্ৰাতৃবৎসল চিত্তপ্ৰসাদ সমুদয় সম্পত্তি তিন ভাইয়ের নামেই রেখেছিলেন, কনিষ্ঠ ভ্রাতা চণ্ডিকাপ্রসাদ তখন না-লায়েক বিধায় মধ্যম ভ্ৰাতা কালীপ্রসাদই অগ্রজের মৃত্যুর পর ট্রাস্টের অছি হয়। অতি বৃদ্ধ জগাই মল্লিক এখনো জীবিত, তাঁর সঠিক বয়সের হিসাব কেউ জানে না, তবে তিনি নিজে এক সময় বলতেন যে, যে সময় নবাব সিরাজদৌল্লার ফৌজের সঙ্গে ক্লাইভ সাহেব লড়াই দিয়েছিলেন পলাশীর মাঠে, সেই বৎসর তাঁর জন্ম। সেই হিসাব সঠিক ধরলে জগাই মল্লিকের বয়স এখন ছিয়ানব্বই তো বটেই। গত দশ বৎসর ধরে তিনি সম্পূর্ণ বধির এবং সম্পূর্ণ দন্তহীন হওয়ায় কথা যা বলেন তার কিছুই বোঝা যায় না। তাঁর হাঁটা চলার ক্ষমতা অবশ্য এখনো নষ্ট হয়নি। কয়েক বৎসর আগেও তিনি প্ৰত্যহ অপরাহ্ন পদব্রজে একবার চিত্তেশ্বরীর মন্দিরে গিয়ে প্ৰণাম করে আসতেন, এখন তাঁকে পালকিতে করে ঘুরিয়ে আনা হয়।

    সম্পত্তি পরিচালনার ভার হাতে পেয়ে কালীপ্রসাদের মতিগতি সম্পূর্ণ পালটে যায়। দাদার অধীনে তিনি স্বল্পভাষী ও কর্মঠ মানুষ ছিলেন, তাঁর কোনো পৃথক ব্যক্তিত্বের পরিচয় পাওয়া যায়নি, স্বাধীন হবার পর তিনি ব্যবসায়-বাণিজ্যের চেয়েও নিজের ব্যক্তিত্ব বিকাশের দিকে বেশী মন দিলেন। কালীপ্রসাদ সমাজে ঘোরাফেরা করে বুঝেছিলেন, অথোপার্জন বা বড় বড় অট্টালিকা হাঁকড়ানোই বড় কথা নয়, তার চেয়েও বড় কথা কৌলিন্য। লোকে কথায় কথায় এখনো বলে, ফুটকড়াই বেচা জগা মল্লিকের ছেলেরা এখন দুটো পয়সার মুখ দেখেচে! কেউ কেউ একথা কালীপ্রসাদের মুখের সামনে বলতেও দ্বিধা করে না।

    কালীপ্রসাদ কলকাতার পথেঘাটে টাকা ছড়াতে লাগলেন। আমোদ আহ্লাদ কাকে বলে তিনি দেখিয়ে দিতে চান। পয়সা প্রচুর রোজগার করা গেছে। দু-তিন পুরুষ ধরে খোলামকুচির মতন ছিটোলেও ফুরোবে না, কিন্তু সুনাম অর্জন করতে হবে এই এক পুরুষেই। লোকে যাতে জগাই মল্লিকের কথা একেবারেই ভুলে গিয়ে স্বীকার করতে বাধ্য হয় যে, হ্যাঁ, বাবু তো বাবু, হাটখোলার কালী মল্লিক! দান-ধ্যানে কালীপ্রসাদ মল্লিক দরাজ দিল, কোথাও ইস্কুল কলেজ খোলা হোক, কালীপ্রসাদ মল্লিকের কাছে সাহায্য চাইতে এসে তারা কখনো বিমুখ হয় না। কালীপ্রসাদ আগে জিজ্ঞেস করেন, অমুক কত দিয়েছে, আর অমুক, আর তমুক? তারপর সর্বোচ্চ দাতার চেয়ে অন্তত এক টাকা বেশী ধরে তিনি সগর্বে বলেন, লিখে নাও! খাজাঞ্চির কাচে যাও, এখুনি টাকা মিলবে, আমার সব নগদানগদি কারবার, ফতোবাবুদের মতন আমি শুধু প্রমিজ করি না। কারুর কন্যাদায়, কারুর বাপের শ্ৰাদ্ধ, একবার কালীপ্রসাদ মল্লিকের কাছে এলেই হলো। আবার চড়কের সময় ছাতুবাবুদের মাঠে ম্যারাপ বেঁধে এক সঙ্গে একশো মেয়েমানুষ দিয়ে খ্যামটা নাচানো, এমনটি আগে কেউ পেরেছে! কী গান জন্মেছিল সেবার, ফণীর মাথার মণি চুরি কল্লি, বুঝি বিদেশে বিঘোরে পরাণ হারালি—এখনো লোকের কানে লেগে আছে।

     

    কালীপ্রসাদের ছোট ভাই চণ্ডিকাপ্রসাদও মধ্যমাগ্রাজের দৃষ্টান্তই অনুসরণ করছে সম্পূৰ্ণ মনপ্ৰাণ দিয়ে। এর আবার ইংরেজী কেতা ভাল লাগে না, নবাবী কায়দার দিকে বেশী ঝোঁক। সর্বদা এক বিচিত্র পোশাক পরে থাকেন। লক্ষেী ফ্যাসানের চুড়িদার পায়জামা, রামজামা, কোমরে দোপাট্টা আর পায়ে জড়ির চপ্পল। মাথার টুপিটি একদিকে এমনই হেলিয়ে পরা থাকে যে বাবুর ডান কান আছে কিনা তাতে হঠাৎ সন্দেহ জাগে। এ ছাড়া তাঁর হাতে থাকে সব সময়ই একটি টকটকে লাল রঙের রুমাল। এবং প্যাঁজ-রসুনের গন্ধ এর পছন্দ বলে যবনী তয়ফাওয়ালীর বাড়িতেই এর বেশী যাতায়াত।

    চণ্ডিকাপ্ৰসাদ গোড়া থেকেই বিষয়কর্ম কিছু শেখেননি, তাঁর মেজদাদা তাঁকে সেদিকে ভিড়তেও দেননি। চণ্ডিকাপ্রসাদ মাসে হাতখরচ বাবদ যা পান, তাতে একটি তালুক কেনা যায়। কালীপ্রসাদ ছোট ভাইয়ের কোনো সাধেই বাদ সাধেন না, তাঁর মনোগত অভিপ্ৰায়টি যেন এই, দুভাই মিলে বাপের নামটি মুছে ফেলা হোক, কেউ যেন তাঁদের আর জগাই মল্লিকের ব্যাটা বলে সম্বোধন না করে। স্বনামে যার পরিচয় হয় না, সে আবার একটা মানুষ? ঠেঙো ধুতি, নিমে পরা সাতকেলে বুড়ো জগাই মল্লিককে বাপ বলে পরিচয় দিতে দু ভাইয়েরই লজ্জা হয়। জগাই মল্লিক লোকসমক্ষে বেরোক এটাও ওঁরা কেউ চান না, কিন্তু বৃদ্ধ একবার করে চিত্তেশ্বরীকে প্ৰণাম করতে যাবেনই।

    অঘোরনাথ এ গৃহে সম্পূর্ণ বিপরীত চরিত্রের মানুষ। তাঁর পিতা কিংবা পিতামহ কেউই রূপবান নন, জগাই মল্লিকের দোকানদারের মতন চেহারা তাঁর পুত্ররাও পেয়েছে। কিন্তু অঘোরনাথ মাতৃমুখী সন্তান। সে দীর্ঘকায়, সুঠাম, গৌরবণ, মুখশ্ৰী সুন্দর। অঘোরনাথের মা চিত্তপ্ৰসাদের তৃতীয়পক্ষ। প্রথম দুপক্ষের কোনো পুত্রসন্তান না হওয়ায় গরীব ঘরের এই রূপসী কন্যাটিকে বিবাহ করে এনেছিলেন চিত্তপ্ৰসাদ। অঘোরনাথ তার মায়ের একমাত্ৰ সন্তান, আবাল্য মাতৃছায়ায় লালিত। তাই খুড়ামশাইদের বিলাসী জীবনের প্রভাব পড়েনি তার ওপর। পড়াশুনোয় আগ্রহ খুব, হিন্দু কলেজের ছাত্র হিসেবেও সুনাম কিনেছিল। যথারীতি ছাত্রাবস্থাতেই তার বিবাহ হয়, কিন্তু অল্পকালের মধ্যে প্ৰথমা পত্নীর মৃত্যুর পরই তার মনে প্ৰবল ধর্মভাব দেখা দেয়। সে নিয়মিত জোড়াসাঁকোর দেবেন। ঠাকুরের বাড়ি যাতায়াত শুরু করে। তারপর সে ব্ৰাহ্মধর্মে দীক্ষা গ্রহণের জন্য দৃঢ় সংকল্প নিয়েও তার জননীর প্রতিবন্ধকে সংকল্প সিদ্ধ করতে পারলো না। মা তার দ্বিতীয় বিবাহ দিলেন হুড়োহুড়ি করে এবং পিতৃ-সম্পত্তি বুঝে নেবার জন্য এস্টেটের কাজে লাগিয়ে দিতে চাইলেন। কিন্তু কোনোটিরই সুফল ফললো না। অঘোরনাথ মনোরোগী হয়ে গেল।

     

    নবীনকুমার কৃষ্ণভামিনীকে নিয়ে হাটখোলার মল্লিক বাড়িতে আসার কিছুক্ষণ পরেই বুঝলো, তার না আসাই উচিত ছিল এখানে। কুসুমকুমারীর সঙ্গে তার পুতুলখেলা অসমাপ্ত রয়ে গেছে। সে এসেছে সেই টানে। তার বাবার আমলের সবচেয়ে সুদৃশ্য জুড়িগাড়িটি নিয়ে সে এসেছে, সে আশা করেছিল দেউড়ির সামনেই এ বাড়ির কর্তারা সার বেঁধে অভ্যর্থনার জন্য দাঁড়িয়ে থাকবে। নবীনকুমার বংশ-মযদি সম্পর্কে অতি সচেতন, সে রামকমল সিংহের সন্তান, যে রামকমল সিংহ ছিলেন কলকাতার আট-দশজন প্ৰধান ধনীদের অন্যতম। জোড়াসাঁকোর সিংহবাড়ির নাম সবাই এক ডাকে চেনে। সেই সিংহদের সমস্ত সম্পত্তির উত্তরাধিকারী এখন একমাত্র নবীনকুমার। তার স্ত্রী কৃষ্ণভামিনীও সামান্য নয়, বাগবাজারের সুবিখ্যাত বসু পরিবারের কন্যা।

    দেউড়ির সামনে অভ্যর্থনার জন্য কেউ নেই। জুড়িগাড়ির পিছনে যে দুজন ভৃত্য দাঁড়িয়ে আসে, তারাই তড়াক করে নেমে দরজা খুলে দিল। পুতুল খেলার সরঞ্জাম ভরা একটি কাশ্মীরী বাক্স বগলে নিয়ে নবীনকুমার নেমে দাঁড়িয়ে এদিকে ওদিকে তাকালো। একজন দ্বারবান শুধু অলসভাবে চেয়ে আছে এদিকে। নবীনকুমারের সন্দেহ হলো, তা হলে কি তারিখ ভুল হলো? না, আজই তো শনিবার, কুসুমকুমারী জানে না তাদের আসবার কথা?

    একগলা ঘোমটা দেওয়া একজন দাসী স্থানীয়া স্ত্রীলোক শুধু এগিয়ে এসে বললো, ভিতরে আসুন, নতুন বৌঠান আপনকারদের জন্য অপিক্ষে করে আচেন।

    কৃষ্ণভামিনীও নেমে পড়েছে ততক্ষণে। তারও মুখে ঘোমটা, এমন একটা জমকালো ভারী শাড়ি পরে এসেছে সে যে ঠিক মতন সামলাতে না পারলে যখন তখন হোঁচটি খেয়ে পড়তে পারে। দাসীটি তাকে ধরে ধরে নিয়ে চললো।

    দেউড়ি থেকে মোরাম বিছানো খানিকটা পথ গম্ভীরভাবে হেঁটে নবীনকুমার উঠে এলো বারান্দায়। সেখানে দুজন ভৃত্য দাঁড়িয়ে, কিন্তু তাদের ব্যবহারে কোনো ব্যস্ততা নেই, তাদের উভয়েরই দৃষ্টি অতি ধূর্ত ধরনের। যেন সেই মুহূর্তে তারা কিছু একটা ষড়যন্ত্র করছিল, নবীনকুমারকে দেখে থেমে গেল। একটি ঘরের খুব ভারী কাঠের দরজা ঠেলে খুলে তাদের একজন বললো, এখানে বসুন।

    নবীনকুমার ও কৃষ্ণভামিনী দুজনেই সে ঘরে ঢুকলো। তার অন্য দিকে আর একটি দরজা আছে, সেটি খোলা। দাসীটি কিছু না বলে কৃষ্ণভামিনীর হাত ধরে সেই দরজা দিয়ে ভিতর দিকে চলে গেল।

    ঘরটিতে এলোমেলোভাবে অনেকগুলি গদি মোড়া চেয়ার ছড়ানো, একপাশে একটি বড় চৌকির ওপর ফরাস পাতা। চারটি দেয়ালে ঝুলছে চারখানি কোনো শীতের দেশের প্রাকৃতিক দৃশ্যের ছবি। খুব সম্ভবত ছবিগুলি কোনো নিলাম থেকে এক লটে কেনা।

    নবীনকুমার তার ধুতির ফুলকোঁচাটি সাবধানে একটু তুলে একটি চেয়ারে বসলো। তারপর কামিজের জেব থেকে সোনার গার্ড চেন দেওয়া মেকাবি ঘড়িটি বার করে সময় দেখলে। ঠিক ছটা বাজে এখন এবং নবীনকুমারের ঘড়ির সমর্থনেই যেন গুপুস গুপুস করে ছবার শব্দ পাওয়া গোল কেল্লার তোপের। ঠিক ছাঁটার সময়েই তো নবীনকুমারের সস্ত্রীক আসার কথা ছিল।

    কিছুক্ষণের মধ্যে সে ঘরে কেউ এলো না। আর। স্বভাব-চঞ্চল নবীনকুমার বেশীক্ষণ এক জায়গায় চুপ করে বসে থাকতে পারে না। সে হাঁটু দোলাতে লাগলো ঘন ঘন, বিরক্তিতে তার ভুরু কুঞ্চিত হয়ে গেছে। সে ভাবতে লাগলো, এ বাড়ির কেউ কি কোনো সহবৎ জানে না নাকি? সামান্য উমেদারের মতন তাকে বার-বাড়ির একটা ঠেঙো ঘরে বসিয়ে রাখা হয়েছে। অনাত্মীয় বা কাজ-সম্বন্ধী লোকদের তবু লোকে বৈঠকখানায় বসাতে পারে। কিন্তু নবীনকুমাররা হলো এ বাড়ির বধূর বাপের বাড়ির সম্পর্কের, অর্থাৎ কুটুম, এমন কুটুমদের দ্বিতলের মজলিস কক্ষে বসানোই প্রথা। নবীনকুমার বাল্যকাল থেকে এমনই দেখে এসেছে। সে আশা করেছিল, কুসুমকুমারী এবং তার স্বামীর নিশ্চয়ই একটা আলাদা মহল আছে। এ বাড়িতে, সেখানেই নিয়ে যাওয়া হবে তাকে।

     

    একটুক্ষণের মধ্যেই অস্থির হয়ে উঠলো নবীনকুমার। ভৃত্য দুটিকে ডাকবার জন্য সে দু-একবার গলা খাঁকারি দিল, তবু তাদের আসবার নাম নেই। তখন সে উঠে গিয়ে বাইরের দিকের দরজাটি দিয়ে মুখ বাড়ালো। ভৃত্য দুটি কাছেই বসে আছে, এ ওর গা ঠেলা ঠেলি করে কী নিয়ে যেন হাসাহাসি করছে।

    নবীনকুমার একহাতে কোঁচাটি, কাঠের বাক্সটি সামলে ধরে অন্য হাত কোমরে রেখে গম্ভীরভাবে জিজ্ঞেস করলো, এই, তোদের বাবু কোথায়?

    একজন ভৃত্য মুখ তুলে বললো, কোন বাবু? আপনি কার কতা জিগ্যেস কচ্চেন?

    আর একজন বললো, মেজোবাবু কখোন ফিরবেন জানি না। আর ছোটবাবু আজও ফিত্তে পারেন, কালও ফিত্তে পারেন, আবার ফিত্তে নাও পারেন।

    নবীনকুমারদের বাড়ির কোনো ভৃত্য এমনভাবে বসে বসে কথা বলে না। বাবুদের সঙ্গে।

    নবীনকুমার বললো, অঘোরনাথবাবুর কথা জিজ্ঞেস কচ্চি।

    এবার ভৃত্যদ্বয় পরস্পরের মুখ তাকাতাকি করলো। তারপর একজন মুচকি হেসে বললো, তিনি তো। ওপরেই আচেন।

    নবীনকুমার বললো, তেনাকে একবার খপর দাও। বলোগে, নবীনকুমার সিংহ এশ্চেন।

    সেই ভৃত্যটি বললো, আজ্ঞে তেনাকে খপর দেবার এক্তিয়ার আমাদের নেই।

    বলেই সে চিক করে থুতু ত্যাগ করলো বারান্দার নীচে।

    নবীনকুমারদের বাড়ির কোনো ভৃত্য এমন অবাধ্য বেয়াড়াপনা করলে দিবাকরকে দিয়ে চাবকে তার পিঠের ছাল তুলে দেওয়া হতো। এ নেহাত অন্যের বাড়ি।

    রাগে গসগস করে নবীনকুমার ফিরে এলো ঘরের মধ্যে। পরীক্ষণেই তার একটি কথা মনে পড়লো। তারা আজকে তাদের পুতুল-ছেলে ও ছেলের বউকে নিয়ে যাবার জন্য এসেছে, খালি হাতে তো কুটুমবাড়িতে আসা যায় না, তাই দু পর্যাত তত্ত্ব আনা হয়েছে। সেগুলি রয়ে গেছে জুড়ি গাড়ির মধ্যেই।

    আবার সে ফিরে এসে ভৃত্য দুটিকে উদ্দেশ্য করে বললো, গাড়িতে তত্ত্ব রয়েচে, কারুকে বলো নামাবার ব্যবস্থা কত্তে।

    ভৃত্য দুটি অমনি তড়াক করে ছুটে গেল এবং নিজেরাই পরাত দুটি নামিয়ে হই হই করে চলে গেল বাড়ির মধ্যে, যেন জন্মে। তারা তত্ত্ব দেখেনি।

    নবীনকুমার ঘরটির মধ্যে পায়চারি করতে লাগলো মুখ নীচু করে। এখুনি তার ফিরে যেতে ইচ্ছে করছে, কিন্তু কৃষ্ণভামিনীকে খবর পাঠানো যাবে কী করে? মিতেনীর স্বামী অঘোরনাথ বাড়িতে থেকেও যে একবারও তার সঙ্গে দেখা করতে এলো না, এই চিন্তাই তাকে সবচেয়ে বেশী পীড়া দিচ্ছে।

    নবীনকুমার একবার গিয়ে অন্দর মহলের দরজায় উঁকি দিল। ভেতরে মস্ত বড় একটা উঠোন, সেখানে নানা রকম কাপড়চোপড় ছড়ানো, মনে হয় যেন ওপর থেকে উড়ে উড়ে পড়ছে। এ বাড়ির মতন একটা অপরিচ্ছন্ন বাড়ি নবীনকুমার আগে কখনো দেখেনি। বাইরে থেকে মনে হয় অট্টালিকাটি রীতিমতন বিশাল এবং তেমন পুরোনোও নয়, কিন্তু সদর থেকেই অযত্নের চিহ্ন, যেখানে সেখানে আবর্জনা জমে আছে। ঘরের আসবাবগুলি যে মূল্যবান তাতে সন্দেহ নেই, কিন্তু দেখলেই বোঝা যায় নিয়মিত ঝাড়াই সাফাই হয় না। সন্ধ্যা হয়ে এসেছে, অথচ নীচতলায় আলো জ্বালবার কোনো লক্ষণও দেখা যাচ্ছে না।

    এবার অন্য দুজন ভৃত্য একটি বড় পাথরের থালা ভর্তি নানাবিধ ফল ও মিষ্টদ্রব্য এবং এক গেলাস সরবত এনে একটি টিপয়ের ওপর রাখলে।

    খাবার দেখেই গা জ্বলে উঠলো নবীনকুমারের। সে একা একা খাবে? আজ পর্যন্ত কখনো কেউ সাধাসাধি না করলে সে কোনো খাদ্য মুখেই তোলেনি।

    সে ক্রোধ চাপা কণ্ঠে বললো, এ সবের প্রয়োজন নেই, নিয়ে যা।

    একজন ভৃত্য বললো, নতুন বৌঠান আপনায় একটু মিষ্টি মুখ কত্তে বল্লেন।

    নবীনকুমার বললো, ওপরে খপর দে, আমি এবার যাবো!

    ভৃত্য দুটি বিনা বাক্যব্যয়ে ভেতরে চলে গেল। আবার বেশ কিছুক্ষণের মধ্যে কারুর কোনো সাড়া শব্দ নেই।

    এবার নবীনকুমার বেরিয়ে এলো বারান্দায়। এই এক ঘরে অসহ্য অবস্থায় বসে থাকার বদলে সে নিজের গাড়ির মধ্যে বসে অপেক্ষা করবে। বরং। কিংবা তার একজন ভৃত্যকে পাঠাবে কৃষ্ণভামিনীকে কবর দেবার জন্য।

    নবীনকুমার বাইরে বেরিয়ে আসতেই গেটের সামনে প্ৰথমে একটি পালকি, তারপর একটি ফেটিং গাড়ি এসে থামলো।

    পালকি-বেহারিরা পালকি নামিয়ে রেখে ভেতর থেকে ধরে ধরে বার করলো জগাই মল্লিককে। চোখ দুটি ঘোলাটে রঙের, শত কুঞ্চিত চামড়ায় মোড়া কয়েকখানি হাড়, দু পাশের দুই বেহারির কাঁধে হাত রেখে জগাই মল্লিক ঠিক শিশুর মতন দুলে দুলে হাঁটতে লাগলো। নবীনকুমার এ রকম চলন্ত মনুষ্যকঙ্কাল আগে দেখেনি। জগাই মল্লিকের গাল দুটি অনবরত নড়ছে, যেন অতি ব্যস্ত হয়ে তিনি কিছু চিবুচ্ছেন।

    ফেটিং গাড়িটি থামা মাত্র সেই প্রথম দেখা ভৃত্য দুটি ভোজবাজির মতন তৎক্ষণাৎ এসে উদয় হলো দেউড়ির কাছে। গাড়ির ভেতর থেকে একটা চিৎকার ভেসে এলো, মেদো! যেদো!

    ভৃত্য দুটি বললো, এই যে হুজুর।

    গাড়ি থেকে নামলেন এ বাড়ির ছোটবাবু চণ্ডিকাপ্ৰসাদ মল্লিক। মদের নেশায় একেবারে টপভুজঙ্গ হয়ে আছেন, পোশাকের নানা স্থানে পানের পিকের দাগ। তিনি দু-পা হেঁটেই বোঁ করে ঘুরে গেলেন একবার। তারপর পপাত ধরণীতল হবার আগে ভৃত্য দুটি ঝটিতি ধরে ফেললো তাঁকে।

    চণ্ডিকাপ্ৰসাদ এ রকম অসময়ে কখনো বাড়ি ফেরেন না। তিনি দ্বিপ্রহর থেকে শ্যাম্পেন টানা শুরু করেন, এখন সবে তো কলির সন্ধে। নিশ্চিত কোনো জরুরী কারণে তাঁর নগদ টাকার প্রয়োজন হয়েছে—একমাত্র এই টানেই তাঁকে দু-একদিন অন্তর বাড়ি আসতে হয়।

    চণ্ডিকাপ্ৰসাদ সব কথাই বলেন জোরে জোরে। ভৃত্যদের হুকুম করলেন, ব্যাটারা ভালো করে ধর না। আমাকে, পায় জোর পাচ্ছিনি! তারপরই তারস্বরে জুড়ে দিলেন একটা গান।

    মাত্ৰ হাত পাঁচেক তফাতে বিভিন্ন ভূত্যেরা পিতা ও পুত্ৰকে ধরে ধরে এগিয়ে নিয়ে চললো। এর মধ্যে, চণ্ডিকাপ্ৰসাদ বার বার টলে পড়ে যাবার উপক্রম হলেও তাঁর গতিই খানিকটা দ্রুত, কারণ তাঁর ফেরার তাড়া আছে। সুতরাং তিনি ধরে ফেললেন জগাই মল্লিককে।

     

    পিতা পুত্ৰ তাকালেন পরস্পরের দিকে। কেউ কারুকে প্রথমে চিনতে পারলেন না সম্ভবত।

    চণ্ডিকাপ্রসাদ ভুরু কুঁচকে দৃষ্টিতে মনোযোগ দেবার চেষ্টা করে বললেন, তুমি কে বাওয়া? আঁ?

    জগাই মল্লিকের থুতনিটা ধরে উঁচু করে দেখে অট্টহাস্য করে উঠলেন চণ্ডিকাপ্ৰসাদ। হাসির চোটে যেন তাঁর দম ফেটে যাবে।

    সেই রকম হাসতে হাসতেই বললেন, অ, তুমি আমার বাওয়া? আমার নিজের বাওয়া! তুমি এখনো বেঁচে আচো বাওয়া? যেদিনই আসি দেখি তুমি বেঁচে রয়েচো, এ কেমন ধারা ব্যাভার তোমার মাইরি। দু-একদিন তো মরে গ্যালেও পারো!

    জগাই মল্লিকের গাল আরও জোরে জোরে নড়তে লাগলো, আর ঠোঁট দিয়ে শব্দ হতে লাগলো, ম-ম-ম-ম-ম!

    চণ্ডিকাপ্ৰসাদ পিতার কেশহীন মাথায় একটি ছোট চাঁটি মেরে আবার বললো, তা বাঁচো বাওয়া, বাঁচো! আমরা সব্বাই মরে ফেীত হয়ে যাই, তারপরেও তুমি বেঁচে থাকো! কত ধুমধাম করে তোমার ছেরাদ করবো ভেবে রেকেচিলুম, তা তোমার প্রাণে সইলো না। হারামজাদা, আমাদের একটু হাত খুলে ছোরাদ কত্তেও দেবে না। তবে কি নিজের ছোরাদ তুমি কিপুনের মতন নিজেই করবে? অ্যাঁ?

    পালকি-বেহারিরা জগাই মল্লিককে আগিয়ে নিয়ে যাবার চেষ্টা করতেই চণ্ডিকাপ্ৰসাদ তাদের একজনের কাঁধ খামচে ধরে বললেন, অ্যাই, ও, চোপ। আমি আমার বাওয়ার সঙ্গে কথা বলচি, তাতে তোর বাওয়ার কী? চলে যাচ্চিস যে! জুতো মেরে মুখ ছিঁড়ে দোবো।

    সত্যি সত্যি নীচু হয়ে পা থেকে জুতো খুলতে গিয়ে হুমড়ি খেয়ে পড়ে গেলেন চণ্ডিকাপ্ৰসাদ। সেই অবস্থাতেই গড়িয়ে গিয়ে পিতার পা জড়িয়ে ধরে বললেন, আমি তোমার অধম সন্তান, বাওয়া, তোমার ছেরাদটিও করতে পাল্লমনি গো! ওফ!

    এবার কান্না। যাই হোক এর মধ্যেই ভৃত্যদের তৎপরতায় পিতা-পুত্রকে বিযুক্ত করা হলো, পালকি-বেহারারা জগাই মল্লিককে নিয়ে গেল ভেতরে। চণ্ডিকাপ্ৰসাদকে তুলে দাঁড় করানো হলো, তিনিও অবিলম্বেই বাবার কথা ভুলে গিয়ে গান ধরলেন, পরেরো মনেরো ভাবো বুঝিতে কি পারে প—রে!

    হাত-পা ছুঁড়ে গান গাইতে গাইতে তিনি উঠতে লাগলেন সিঁড়ি দিয়ে। নবীনকুমার তাড়াতাড়ি একটি থামের আড়ালে সরে গেল।

    চণ্ডিকাপ্ৰসাদ তাকে এক নজর দেখে ফিক করে হেসে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি আবার কে গা? ধিনি কাত্তিকের মতন চ্যায়রা!

    নবীনকুমার এমন প্রশ্নের কোনো উত্তর না দিয়ে মুখ ফিরিয়ে রইলো। চণ্ডিকাপ্ৰসাদ তাকে বিশেষ গুরুত্ব না দিয়ে আবার জড়ানো গলায় গান গাইতে গাইতে বাড়ির মধ্যে চলে গেলেন।

    পাশ দিয়ে যাবার সময় চণ্ডিকাপ্ৰসাদের গা থেকে যে বিকট গন্ধ ভেসে এলো তাতেই নবীনকুমারের নাড়িতুড়ি উলটে আসার উপক্রম। এ রকম দৃশ্য নবীনকুমারের কাছে সম্পূর্ণ নতুন। নবীনকুমার তার পিতাকে অতি অল্প বয়েসে দেখেছে। রামকমল সিংহ বাড়িতে কোনো দিন এমন বেলেল্লা করেননি, শেষের দিকে তিনি প্রায় গৃহেই থাকতেন না বলতে গেলে। গঙ্গানারায়ণের আমলে সিংহ বাড়িতে কোনোদিন মদ্যপান করেনি কেউ। নবীনকুমারের কলেজের সহপাঠীরা কেউ কেউ এই বয়েসেই সুরাপান করে, ও সম্পর্কে নবীনকুমারেরও সামান্য একটু কৌতূহল জাগ্রত হয়েছিল সবে মাত্র। কিন্তু মাতাল চণ্ডিকাপ্ৰসাদকে দেখে মদের ওপর তার একটা দারুণ ঘৃণা জন্মে গেল, এবং সেইখানে দাঁড়িয়ে সেই মুহূর্তে সে মনে মনে শপথ নিলো যে, জীবনে সে কখনো সুরাপান করবে না।

    নবীনকুমার গাড়ির মধ্যে বসে অপেক্ষা করার আরও প্ৰায় আধঘণ্টা পরে এলো কৃষ্ণভামিনী। তৎক্ষণাৎ গাড়ি ছাড়তে হুকুম দেওয়া হলো। পথের মধ্যে কোন রকম গোল করা ঠিক হবে না, নবীনকুমার বাড়ি ফিরেই কৃষ্ণভামিনীকে আচ্ছাসে মার লাগাবে, এই মনে করে গুম হয়ে রইলো।

    কৃষ্ণভামিনীই ফিসফিস করে বললো, ওগো, আমার মিতেনীর দুঃখ দেকালে পাতারেরও বুক ফেটে যাবে! ওর বাপ মা কী দেকে বে দিলে, ওর সোয়ামী যে পাগল!

    নবীনকুমার বললো, পাগল না শেয়ানা। একবার নীচে নামতে পারলেন না, অসভ্য, ইতর।

    কৃষ্ণভামিনী বললো, হাঁগো, সত্যি পাগল! কোথথাও বেরোয় না, শুধু একটা ঠাকুরের পটের সামনে বসে থাকে আর বিলকিচ ছিলকিচ কতা বলে, নয়তো একদম চুম মেরে থাকে। এই যে আমি এতক্ষণ রইলুম, একটা কতা বলেনি। মাঝে মাঝে অজ্ঞেন হয়ে যায়! এই এক মাস হলো বেশী বাড়াবাড়ি হয়েচে! আমার মিতেনী কেঁদে ভাসাচ্চে গো, কেঁদে ভাসাচ্চে!

    নবীনকুমার বললো, আমাদের ছেলে-বউ এনেচে?

    কৃষ্ণভামিনী বললো, না। সে কতা আর পাড়তে পারলুম কাঁই! ওপরে গিয়ে দেকি, এই তো অবস্তা। মিতেনীর শাশুড়িও কাঁদচে, মিতেনীও কাঁদচে!

    নবীনকুমার বললো, যত ইচ্ছে কাঁদুক, ওদের সঙ্গে আমাদের আর কোনো সম্পর্ক নেই। ছেলে-বউয়ের আর আশা করো না! ওটা উনপাঁজুরেদের বাড়ি, আমাদের মতন লোকের এখেনে আসা যাওয়া চলে না!

    কৃষ্ণভামিনী বললো, কিন্তু মিতেনী যে অনেক করে বললে, আমার হাত ধরে কতা আদায় করে নিলে। ওর শাশুড়ি এখুন ওকে কোতাও যেতে দেবে না, তাই আমি যদি আসি।

    নবীনকুমার কঠোর স্বরে বললো, না!

    কৃষ্ণভামিনীকে অবশ্য আর কোনোদিন আসতে হলো না হাটখোলায়। এর দশদিনের মধ্যেই শুরু হলো তার ভেদ বমি, বড় বড় ডাক্তার বদ্যিরাও তাকে দেড়দিনের বেশী ধরে রাখতে পারলো না, পুতুল খেলা ও স্বামী সোহাগের মায়া কাটিয়ে টুপ করে মরে গেল কৃষ্ণভামিনী।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্রিস-ক্রস – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    Next Article একটি পেরেকের কাহিনী – সাগরময় ঘোষ

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    কৈশোর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    অর্ধেক মানবী – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ফুলমণি-উপাখ্যান – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026
    Our Picks

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026

    একটি পেরেকের কাহিনী – সাগরময় ঘোষ

    August 11, 2026

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }