Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026

    একটি পেরেকের কাহিনী – সাগরময় ঘোষ

    August 11, 2026

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প736 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৪. গঙ্গানারায়ণ

    গঙ্গানারায়ণ পদব্ৰজেই রোজ কলেজ যায়। তার সহপাঠীরা অনেকেই আসে পালকিতে কিংবা ভাড়া করা কেরাঞ্চি গাড়িতে, জমিদারপুত্র হিসেবে তার জুড়িগাড়িতেই আসা উচিত, কিন্তু গঙ্গানারায়ণ হাঁটতেই ভালোবাসে। তাদের বাড়ি থেকে পটলডাঙা খুব বেশী দূর নয়। পথের দৃশ্য দেখতে দেখতে সে আধঘণ্টার মধ্যেই পৌঁছে যায় কলেজে।

    সেদিন সে পটলডাঙার মোড়ে পৌঁছে দেখলো কলেজের সামনে থেকে অনেক ছেলে দৌড়ে দৌড়ে যাচ্ছে গোলদীঘির দিকে। সেখানে এক কোণে রীতিমতন একটা জটলা। কৌতূহলী হয়ে গঙ্গানারায়ণও সেই দিকে ধাবিত হলো।

    গোলদীঘির উল্টোদিকে মাধব দত্তের বাজারে মাঝে মাঝে চোর ধরা পড়ে, তখন শুধু দোকানদাররা নয়, পথচারীরাও সেই চোরকে উত্তম মধ্যম ঠ্যাঙায়। চোর ছাড়াও আছে নানারকম লুটেরা। কাবাবের দোকান থেকে কোনো মাতাল হয়তো এক থাবা কাবাব তুলে নিয়ে পালালো। গাঁজার দোকানের আশেপাশে গেজেলারা থাকে তক্কে তক্কে, দোকানদার জলত্যাগ করার কারণে বা অন্য কিছুর জন্য একটু দোকানের বার হলেই কোনো ঘুঘু গেজেল সুট করে ঢুকে পড়ে দোকান তছনছ করতে। কখনো কখনো এই সব ঘটনায় কলেজের কোনো ছাত্রও ধরা পড়ে, তখন বাজারের লোকদের সঙ্গে কলেজের ছেলেদের কাজিয়া বেঁধে যায়। হেয়ার সাহেব গাঁজার দোকানদারদের নিষেধ করে দিয়েছেন যেন কোনো কলেজের ছাত্রকে তারা গাঁজা না বেচে, তাই তাদের দোকানেই হামলা হয় বেশী।

    দোকানদাররা উত্ত্যক্ত হয়ে একদিন একটি গাঁজা-চোর কলেজের ছাত্রকে হাতেনাতে ধরে টানতে টানতে নিয়ে গিয়েছিল হেয়ার সাহেবের কাছে। হেয়ার সাহেব এমনিতে আলাভোলা নরম মানুষ হলে কী হবে, তাঁর নির্দেশের ব্যত্যয় হলে এক একদিন ক্রুদ্ধ হয়ে ওঠেন সাঙ্ঘাতিক। দোকানীর অভিযোগ শুনে তিনি হুঙ্কার দিয়ে বলেছিলেন, কাশী, চাবুক লাও! কাশী মালি চাবুক এনে দিল, তিনি উগ্ৰ মূর্তি ধরে দশ-বারো ঘা চাবুক কষলেন। ছেলেটিকে।

    গঙ্গানারায়ণেরই সহপাঠী বন্ধু দত্তকে এরকমভাবে আর একদিন চাবুক মেরেছিলেন হেয়ার সাহেব। বন্ধু অবশ্য গাঁজা চুরি করেনি, সে মীর্জাপুর মিশনে সেণ্ডিস সাহেবের কাছে বাইবেল পাঠ শোনবার জন্য যাতায়াত শুরু করেছিল। সে খবর পেয়ে হেয়ার সাহেব একদিন বন্ধুকে নিজের কামরায় ডেকে পাঠালেন। সেদিনও তাঁর হাতে চাবুক মজুত। মুখের চেহারা বিকট। মেরে বন্ধুর পিঠে রক্ত বার করে দেবার পর হেয়ার সাহেব নিজেই কাঁদতে শুরু করেছিলেন, গরম জলে বন্ধুর ক্ষতস্থান ধুয়ে দিতে দিতে কোমল ইংরাজিতে বলেছিলেন, বাবা সকল, এখন পাঠে মন দাও। ধর্ম নিয়ে এখন মস্তক না। ঘামাইলেও চলিবে!

    ডিরোজিও সাহেব বরখাস্ত হবার পর থেকে হেয়ার সাহেব সাবধান হয়ে গেছেন। কলেজের ছাত্রদের মধ্যে খৃষ্টানী প্রভাব ছড়াতে দেখলেই অভিভাবকরা ক্ষেপে উঠবেন আবার। ইতিমধ্যেই কিছু কিছু ভালো পরিবারের ছেলে হিন্দু কলেজ ছেড়ে গৌর আঢ্যির ইস্কুল ওরিয়েণ্টাল সেমিনারিতে ভর্তি হচ্ছে।

    আজ আবার নতুন কী মামলা তা দেখবার জন্য ছুটে গেল গঙ্গানারায়ণ। ভিড়ের মধ্যে তার অনেক সহপাঠীও রয়েছে। ভোলানাথ, বেণী, বন্ধু, ভূদেব দাঁড়িয়ে আছে। পাশাপাশি, তাদের মুখে দারুণ উদ্বেগের ছাপ।

    গঙ্গানারায়ণ তাদের কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলো, কিসের গোলযোগ রে?

    বেণী বললো, আজ আবার মধু ক্ষেপেছে!

    মধু!

    স্বচক্ষে দেখবার জন্য গঙ্গানারায়ণ নিজে ভিড় ঠেলে উঁকি মারলো। গোল জনতার মাঝখানে ঘাসের ওপরে বসে আছে মধু। তার হাতে সুরার বোতল, জড়িত গলায় সে চাঁচাচ্ছে, আই অ্যাম লাইক দা আর্থ, রিভলভিং এভার রাউণ্ড দা সেলফ-সেইম সান, বয়—

    গঙ্গানারায়ণ শিউরে উঠলো। কিছুদিন ধরে মধু খুবই বাড়াবাড়ি শুরু করেছে। আগে সে সন্ধ্যের পর সুরাপান করতো, এখন দিনের বেলাতেও বাদ থাকে না। ক্লাসেও তার মুখ দিয়ে প্রায়ই ভকভক করে দুৰ্গন্ধ বেরোয়, কথা বলার সময় জিভ এলিয়ে যায়। কয়েকদিন আগে কলেজের অধ্যক্ষ কার সাহেব এজন্য খুব ধমক দিয়েছেন মধুকে।

    অদূরে রাস্তায় মধুর বাড়ির পালকি দাঁড় করানো। মধুর সঙ্গে সব সময় দুজন গৃহভৃত্য আসে। তারা অসহায়ভাবে দুপাশে দাঁড়িয়ে। মধুর হাত ধরে টেনে তোলার সাধ্য এদের নেই। যখন তখন মধু ওদের লাথি ঘুষি মারে আবার মুঠো-মুঠো পয়সা দেয়।

    মধুর গায়ে ইংরাজি কোট। দারুণ গ্ৰীষ্মেও সে এই কেট খোলে না। কিছুদিন আগে সে বুট-পায়জামা ও আচকান ছেড়ে হঠাৎ এই কোট ধরেছে, তারপর থেকে তার সুরাপানের মাত্ৰাও বেড়েছে। গঙ্গানারায়ণকে দেখতে পেয়ে সে বা চোখ কুঁচকে বললো, কি রে গঙ্গা, তুই এখনো রয়িচিস? ভূদেব, বন্ধুরা সব পালিয়েচে বুঝি? সীজনস, বোথ অব জয় অ্যাণ্ড সরো, আই হ্যাভ, লাইক হার, অ্যাজ আই রান, বয়—

    ভিড় ঠেলে এসে বেণী বললো, মধু, এসব কী করতেছিস! শিক্ষক মহাশয়রা এ পথ দিয়ে যাতায়াত করেন, তোকে এ অবস্থায় দোকলে—

    মধু ঠোঁট বেঁকিয়ে বললো, দেখলে তো আমার ভারী পাঁচ পুরুষ উদ্ধার হয়ে গেল। সিলি, বেণী-লাইক টক!

    হাতের বোতলটি দেখিয়ে ইঙ্গিত করে বললো, কাম হিদার, ইফ ইউ হ্যাভ ক্যারেজ, হ্যাভ এ সিপ!

    তারপর নিজেই সে নির্জলা ব্র্যাণ্ডি খানিকটা ঢকঢ়ক করে ঢেলে দিল গলায়।

    ভূদেব বললো, এখুনি এ খবর কার সাহেবের কানে গিয়ে পহুছাবে! কার সাহেব কড়া ধাতুর লোক, হয়তো এমন ব্যবস্থা লবেন…

    তাকে থামিয়ে দিয়ে মধু হুঙ্কার দিয়ে বললো, আই হেইট দা ড্যামনড় ফেলো কার! দিস উইল ড়ুমী নো হার্মা! নান হোয়াট এভার!

    বেণী বললো, চুপা! চুপ! কাণ্ডাকাণ্ডি জ্ঞান একেবারে গ্যাচে দেকচি! স্যারের নামে ও-কথা বলতে আচে!

    বঙ্কু বললো, মধু ওঠ! কলেজ যাবি না?

    মধু ফরাসী কায়দায় কাঁধ ঝাঁকিয়ে বললো, নো-ও-ও!

    বঙ্কু বললো, গত এক হগুপ্ত তুই আসিস নাই, তুই কি আর পড়বি না?

    ভূদেব বললো, কেন পড়বে না? চল মধু, আমাদিগের সঙ্গে চল।

    মধু বললো, তোরা যা! ইউ গুডি গুডি বয়িজ, ইউ গো টু দ্য ক্লাস! আমি আর যাবো না।

    ভোলানাথ ফিসফিস করে বললো, এই চুপ, চুপ! রীজ সাহেব যাচ্ছেন।

    অন্যরা ঘাড় ঘুরিয়ে দেখলো, তাদের কলেজের অঙ্ক শিক্ষক রীজ সাহেব গোলদীঘির রেলিং-এর পাশ দিয়ে ছাতা মাথায় দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন ধীর পায়ে। চোখ দুটি চিন্তামগ্ন।

    মধু বললো, ও, দ্যাট ফেলো! ভয়ের কী আছে? আমি আর ভয় পাই না।

    রীজ সাহেব দূরে চলে যাবার পর ভূদেব হাসতে হাসতে বললো, যতই মুখে সাহস দেখা, মধু, রীজ সাহেবকে তুই ভয় পাস ঠিকই!

    ভয় যে পায় না সেটা দেখাবার জন্যই মধু আবার ব্র্যাণ্ডির বোতলে ঠোঁট ছোঁয়ালো। তারপর তার সরু চিবুকে চাপড় মারতে মারতে বললো, আমি মধুসূদন দত্ত এস্কোয়ার, আমি কাহাকেও ভয় পাই না!

    ভোলানাথ বললো, স্যারকে ডাকবো? রীজ সাহেব সম্রাট নেপোলিয়ানের সৈন্যবাহিনীতে থেকে লড়াই দিয়েচেন, এখুনি এসে তোকে চ্যাংদোলা করে লয়ে যাবেন!

    মধু বললো, ডাক, ডাক দেখি!

    ভূদেব বললো, ওরকম করিসনি মধু। তুই ক্লাসে না গেলে আমাদিগেরও ভালো লাগে না।

    মধু চিবিয়ে চিবিয়ে বললো, কেন, তোরাই তো সব এক একটা স্টার রইচিস।

    বঙ্কু বললো, আমরা স্টার হতে পারি, কিন্তু মধু, তুই হচ্ছিস জুপিটার।

    ভূদেব বললো, আবার অ্যাসে কমপিটিশন হতেছে, এবারেও মধু তুই প্রাইজ পেতে পারিস।

    মধু বললো, এ ফিগ ফর ইওর স্কলাস্টিক ফেম।

    —তুই সত্যিই আর কলেজে যাবি না?

    —নো! আই হেইট কলেজ! আই হেইট কার।

    —কলেজের ওপর তোর এত রাগ হলো কেন? তুই অপরাধ করিচিলি, তাই কার সাহেব তোকে ধমক দিয়েচেন।

    —ডি আল আর না এলে ও কলেজে। আর আমি যাবো না! আমাকে পড়বার মতন বিদ্যাবুদ্ধি আর কারো নাই!

    —রিচার্ডসন সাহেব তো আবার ফিরে আসচেন। তিনি না আসা পর্যন্ত তুই পড়াশুনা বন্ধ রাখবি?

    —ইয়েস!

    —ওঠ মধু, আমার কথা শোন।

    –ইউ বী ড্যাম্‌ন্‌ড!

    গঙ্গানারায়ণ এতক্ষণ কোনো কথা বলেনি। এবার সে ভূদেবের কানে কানে বললো, গৌরকে ডেকে আনবো? ও নিশ্চয়ই গৌরের কথা শুনবে।

    ভূদেব বললো, ঠিক বলিছিস। দ্যাখ তো সে এসেচে কি না?

    গঙ্গানারায়ণ কলেজের দিকে ছুটে চলে গেল। গেটের সামনেই দাঁড়িয়ে ছিল গৌর, সংস্কৃত, কলেজের দুটি ছেলের সঙ্গে কথা বলছিল। গঙ্গানারায়ণ তাকে ডেকে একটু দূরে এনে বার্তাটি জানালো।

    গৌর উদাসীনভাবে বললো, আমি গিয়ে কী করবো? গৌরের ফস ছিপছিপে চেহারা, টানা টানা চোখ, যুগ্ম ভুরু, ঠোঁটের রেখা ও থুতনিতে নারীসুলভ কমনীয়তা রয়েছে। ভিড়ের মধ্যে থাকলেও সে সকলের দৃষ্টি কেড়ে নেয়।

    গঙ্গনারায়ণ গৌরের আপত্তি শুনলো না, জোর করে টেনে নিয়ে এলো। জনতা ভেদ করে মাঝখানে এসে গৌর বিষণ্ণ গলায় বললো, মধু, তুই ফের ব্র্যাণ্ডির বোতল নিয়ে কলেজে এসিচিস?

    তাকে দেখেই লাফিয়ে উঠে দাঁড়ালো মধু। দুহাতে জাপটে ধরে দু গালে ফটফট করে। দুখানা চুমো দিয়ে বললো, গৌর, গৌর, কতদিন তোকে দেখি নাই! তোর জন্যই আমি এসিচি। মেকানিকাল ইনস্টিটিউশ্যানে যাই, সেখানেও তোকে দেখি না। তোকে পর পর সাতখানা লম্বা লম্বা লেটার লিকালুম, তুই উত্তরে মাত্র একখানা পিগমি লেটার পাট্যেচিস। কেন, গৌর, কেন?

    গৌর বিব্রতভাবে নিজেকে ছাড়িয়ে নেবার চেষ্টা করলো, কিন্তু মধু কিছুতেই ছাড়বে না। মধু গৌরের চেয়ে একটু লম্বা, রোগা চেহারা হলেও তার গায়ে বেশ জোর আছে, গৌরকে সে বুকে চেপে আছে মাতালের ভীম আলিঙ্গনে।

    গৌর বললো, তুই আবার দিনের বেলা মদ খেয়িচিস?

    —বেশ করিচি। কেন খাবো না? রিচার্ডসন মদ খান না? তিনি মেয়েদের নিয়ে ফুর্তি করেন না? সেইজন্যই তো তিনি পেয়েট্রি এত ভালোবাসতে পারেন। সেইজন্যই তাঁর কাছে পৃথিবী এত সুন্দর! তিনি কী বলিছিলেন, মনে নেই! টু কোন্ড অ্যাণ্ড ভালগার মাইণ্ডস হাউ লার্জ আ পোরশান অব দিস বিউটিফুল ওয়ার্লড ইজ আ ড্রিয়ারি ব্ল্যাঙ্ক! গৌর, কবিতা ছাড়া আমার আর কিছুই ভালো লাগে না। পোয়েট্রি ওয়াইডেনস দা স্ফিয়ার অব আওয়ার পিওরেস্ট অ্যাণ্ড মোস্ট পামানেণ্ট এনজয়মেণ্টস। দেখিস, একদিন আমি কত বড় হবো! বায়ারণ, বায়রণের সমান, তোরা তখন আমার জীবনী লিকবি।

    গৌর বললো, বেশ তো, বড় কবি হবি। কিন্তু তুই আমাকে কথা দিয়িছিলি, মদ খেয়ে কলেজ পানে আসবি না।

    —কথা! আমি কোনো কথা রাখতে পারি না। ইট ইজ ট্র, গৌর, আমি কথা রাখতে পারি না। ভূদেব পারে, বন্ধু পারে, গঙ্গা পারে। রাজনারায়ণ পারে, আমি পারি না! তা বলে তুই আমার ওপর রাগ করবি? তোর বিহনে যে আমি বাঁচতে পারিনে! তুই তো কথা রাখিস গৌর, তবু কেন তুই আমার বাড়িতে আসবি বলেও আসিস নে!

    ভিড়ের মধ্য থেকে কে একজন চেঁচিয়ে বললো, এ যে কেষ্ট রাধার মান অভিমান!

    ভূদেব বললো, লোকে সঙ দেখছে। গৌর, মধুকে এখান থেকে নিয়ে চল।

    মধু কোনোদিকেই ভ্রূক্ষেপ করছে না। গৌরের মুখের দিকে একদৃষ্টি তাকিয়ে থেকে বললো, শুধু একটা প্রমিজ আমি রাখবোই! আই উইলগে টু ইংল্যাণ্ড। আই উইল! আই উইল। আই সাই ফর অ্যালবিয়ানস ডিসট্যাণ্ট শোর…

    গৌর ধীর স্বরে বললো, আমাকে এবার ছাড়, মধু। আমি কবি হবে না, তাই আমি এখন কলেজে যাবো।

    মধু অবিকল রিচার্ডসন সাহেবের গলা নকল করে কাতরভাবে গর্জন করে উঠলো, ওহ নো! আই বিসীচ ইউ! লো, রেইজড আপান দিস ভাস্ট এরিয়াল হাইট, দিস রিয়েলম অব এয়ার-আজ কেউ কলেজে যাবে না। না, আজ তোরা আমার সঙ্গে চল, ভূদেব, বেণী, বন্ধু, গঙ্গা চল, সবাই চল।

    এক হাতে গৌরকে ধরে রেখে অন্য হাতে সে অন্য বন্ধুদের ধরবার চেষ্টা করলো। ভিড় ক্রমশ বাড়ছে এবং আমোদ গেড়ে লোকেরা নানারকম টিটকিরি শুরু করেছে। ভিড়ের মধ্যে সংস্কৃত কলেজের ছাত্ররাও রয়েছে।

    সংস্কৃত কলেজ ও হিন্দু কলেজ সন্নিহিত বাড়িতে বসলেও দু দল ছাত্রের মধ্যে রেষারেষি আছে। হেয়ার সাহেবের সুপারিশের কিছু ফ্রি ছাত্র ছাড়া হিন্দু কলেজের অধিকাংশ ছাত্রই আসে বিশিষ্ট ধনী পরিবার থেকে। সেই তুলনায় সংস্কৃত কলেজের ছাত্রদের গেয়ে গেয়ে চেহারা। তারা এখনো জামা পরতে শেখেনি, উড়ুনি গায়ে জড়িয়ে আসে। কিন্তু তাদের জিভগুলি ক্ষুরধার, হুল ফোঁটানো মন্তব্য করতে তারা ওস্তাদ। মধুর গায়ের রঙ কালো আর গৌর খুবই ফর্সা বলে তারা নানারকম উপমা মিশিয়ে কটুকাটব্য করছে।

    ভূদেব এসব পছন্দ করে না। মধুর পাল্লা থেকে ছাড়া পাওয়া যাবে না বুঝে সে দ্রুত ভিড় ছাড়িয়ে এসে উঠে বসলো মধুর পালকিতে।

    গৌরদাসকে মধু তখনো ছাড়েনি। এক হাতে ব্র্যাণ্ডির বোতল, অন্য হাতে গৌরের কজিটা শক্ত করে চেপে ধরে সেও টলতে টলতে বেরিয়ে এলো ভিড় ছেড়ে। এক পালকিতে সব বন্ধুদের জায়গা হবে না বলে মধু খুব জোরে শিস দিয়ে উঠলো দুবার। জিভের তলায় আঙ্গুল দিয়ে ফিরিঙ্গিদের মতন সে চমৎকার শিস দিতে শিখেছে।

    পটলডাঙ্গার মোড়ে পালকি বেহারাদের আডা। দুখানি পাল্কি ছুটে এলো তৎক্ষণাৎ। সবাই মখুকে চেনে আর খাতিরও করে খুব। এই ছোঁকরা বাবু পাল্কি নিলে আশাতীত বখশিশ পাওয়া যায়।

    বন্ধুবান্ধব সবাইকে তুলে মধু বললো, চালাও খিদিরপুর।

    মধুদের বিশাল বাড়িতে অধিবাসীর সংখ্যা যৎসামান্য। মধুর বাবা রাজনারায়ণ দত্ত অত্যন্ত বিলাসী পুরুষ। বাড়িতে তিনি আত্মীয়-স্বজনের ভিড় পছন্দ করেন না। তাঁর গাঁ সাগরদাঁড়ির জন্য দুয়েক স্ত্রীলোক আছে তাঁর পত্নী জাহ্নবী দেবীর সেবার জন্য। এ ছাড়া অন্য দুঃস্থ আত্মীয়-স্বজন আশ্রয়প্রার্থী হয়ে এলে তাদের জন্য আলাদা বাড়ি ভাড়া করে দেওয়া হয়। রাজনারায়ণ এ বাড়ি শখ করে বানিয়েছেন এবং এ বাড়ির আদবাকায়দার কথা তিনি পাঁচ কান করতে চান না।

    বাড়িতে দাসদাসীর সংখ্যা চোদ্দটি। রাজনারায়ণ দত্ত রীতিমতন খাদ্যরসিক, প্রত্যেকদিন তাঁর নতুন স্বাদের খাদ্য চাই। সেইজন্য তিনি সাহেববাড়ি থেকে বাবুচি খানসামাদের বেশী বেতন দিয়ে ভাঙিয়ে আনেন। কোনো রান্না তাঁর পছন্দ না হলে তিনি পাত্ৰসমেত ছুঁড়ে ফেলে দেন। এ বাড়ির পাঠার মাংসের পোলাউ যে একবার খেয়েছে, সে জীবনে আর সে স্বাদ ভুলতে পারবে না। মধুর বন্ধুরা এ বাড়িতে এসে প্রায়ই নানান সুস্বাদু দ্রব্য খেয়ে যায়। কিন্তু সেই পাঠার পোলাউয়ের প্রসঙ্গে উঠলেই তারা বলে, রাজাদের মধ্যে যেমন রাশিয়ার জার, তেমনি খাদ্যের মধ্যে এই পোলাউ!

    মধুর আর কোনো ভাই বোন নেই। বাড়িতে তার অপরিমিত প্রশ্ৰয়। মধুর যে-কোনো হুকুম তামিল করার জন্য পাঁচ-সাতজন ভৃত্য সব সময় মুখিয়ে থাকে। জাহ্নবী দেবীর কড়া নির্দেশ, আর যে কোন কাজই থাক, মধু কোনো জিনিস চাইলে, মুখ থেকে কথাটি খসানো মাত্ৰ যেন তা পায়।

    রাজনারায়ণ দত্তও পুত্ৰ-স্নেহে অন্ধ। বেঙ্গল স্পেকটেটর, ক্যালকাটা লিটারারি গেজেট, কমেট প্রভৃতি কাগজে তাঁর সতেরো আঠারো বছরের ছেলের পদ্য ছাপা হচ্ছে, সেজন্য তাঁর গর্বের অন্ত নেই। আদালতে তাঁর সহকমী বিধুশেখর একদিন বলেছিলেন, তোমার ছেলে যা দারুণ ইংরেজি শিখেচে দুদিন বাদে তো সাহেবদের মাতায় হাগবে! একথা শুনে পরম পরিতৃপ্তি পেয়েছিলেন রাজনারায়ণ। সাহেবরা দেখুক, নেটবরা তাদের চেয়ে কোনো অংশে কম যায় না। বাড়িতে কৌচে বসে তামাক টানতে টানতে তিনি অনেক সময় আদর করে ছেলের হাতে বাড়িয়ে দেন আলবোলার নল। আবগারির দোকান থেকে মধুর জন্য মদের বোতল আসে, রাজনারায়ণ বিনা বাক্যব্যয়ে বিল মিটিয়ে দেন। এ ছাড়াও আরও কত দোকান থেকে যে মধু ধারে জিনিস আনে তা সে নিজেই মনে রাখতে পারে না, রাজনারায়ণকেই তার খোঁজ রাখতে হয়। হ্যামিল্টন সাহেবের দোকানে তাঁর বলা আছে যে বিলেত থেকে প্রত্যেকবার জাহাজ এলে যে-সব নতুন নতুন সুগন্ধ প্রসাধন দ্রব্য আসবে, সেগুলি যেন প্রত্যেকটি এক বোতল করে মধুর নামে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

    বাড়ির লোকদের জব্দ করার জন্য মধুরও বাতিকের শেষ নেই। প্রায়ই নতুন নতুন জিনিসের জন্য বায়না ধরে সে নিজের ঘরে বসে মিটমিটি হাসে। রাজনারায়ণ বিভিন্ন দিকে লোক পাঠান সেই জিনিসের সন্ধানে। টাকার কোনো পরোয়া নেই, জিনিসটি চাই যে-কোনো উপায়ে। সংগ্ৰহ করা হলে রাজনারায়ণ নিজে সেটি মধুর কাছে নিয়ে এসে হাসতে হাসতে বলেন, এবার আরও কিছু বল দেখি!

    এইভাবে বাপ ছেলেতে খেলা চলে। অবশ্য, মধুর প্রধান নেশা বই কেনা।

    বন্ধুদেরও মধু নানারকমে তাক লাগিয়ে দেয় প্রায়ই। নিজের ঘরে বসিয়ে তাদের জিজ্ঞেস করে, কে কোন খাবার খেতে চাস বল চোখ মুদে। যে-কোনো জিনিসের নাম কর। আমি পাঁচ মিনিটের মধ্যে তোদের জন্য তা এনে দেব! গরম গরম।

    সত্যি সে তা পারে। মুগী, মটন, ছানার ডালনা, ডিমের হালুয়া, যে-কোনো কিছুর নাম করলেই হলো। সঙ্গে সঙ্গে হাজির। এবং গরম। মধুর জন্য নাকি প্রত্যেকদিন চার পাঁচটি উনুনে অনেক রকম খাবার সব সময় তৈরি থাকে। তার যেটা ইচ্ছে খাবে, যেটা ইচ্ছে হবে না, খাবে না। কোনদিন তার কোনটি খেতে ইচ্ছে হবে, তা আগের থেকে জানিবার উপায় নেই।

    অবশ্য এমন দিনও যায়, মধু কিছুই খায় না। পাশে সুরার পাত্র ও চোখের সামনে বই খুলে সে কাটিয়ে দেয় ঘণ্টার পর ঘণ্টা। তখন কেউ তার ঘরে ঢুকবে না। এক সময় নেশাচ্ছন্ন অবস্থায় সে তার বিছানায় মুছিত হয়ে পড়ে। সেইভাবে সারারাত কেটে যায়।

    বাড়ির সামনে পালকি থেকে সদলবলে নামলো মধু, তারপর সাড়ম্বরে ভেতরে ঢুকলো। চার-পাঁচজন ভৃত্য সার বেঁধে দাঁড়িয়ে আছে দ্বারের কাছে। মধু কোটের পকেট থেকে এক মুঠো টাকা বার করে একজন ভূত্যের হাতে দিয়ে বললো, ওদের মিটিয়ে দে!

    তারপর সে দুহাত ছড়িয়ে চিৎকার করলো, হেই হো! হেই হো! যেন সে জানান দিচ্ছে যে সে বাড়িতে ফিরেছে। অথচ উল্লাসভরা গলার স্বরটি এমন যেন নতুন কোনো দ্বীপে পদার্পণ করছে কোনো দুঃসাহসী রাজকুমার।

    প্রশস্ত চত্বরের চার পাশে ঘেরা বারান্দা। একদিক দিয়ে উঠে গেছে মর্মর প্রস্তরের সিড়ি। সেই সিঁড়িতে পা দিয়ে মধু একটু থমকে দাঁড়ালো। তারপর আপনমনে বিড়বিড় করে বললো, ইফ ইউ মীট মাই ফাদার

    বন্ধুরা অন্য কথায় মগ্ন ছিল তাই মধুর কথা শুনলো না। মধু এবার বেশ চেঁচিয়ে বললো, ইফ ইউ মীট মাই ফাদার, পে নো অ্যাটেনশন টু হিমা!

    বন্ধুরা অবাক হয়ে গেল। মধু এরকম কথা বলছে কেন? রাজনারায়ণ দত্তের সঙ্গে বন্ধুদের দেখা হয়েছে বেশ কয়েকবার। রাশভারী রাজনারায়ণ ছেলের বন্ধুদের সঙ্গে বেশ প্রসন্ন ব্যবহার করেন। প্ৰত্যেকের বাড়ির খবর নেন। গঙ্গানারায়ণের বাবাকে তো তিনি বিশেষভাবে চেনেন, তাই গঙ্গাকে দেখলে স্নেহভরে অনেক কথা বলেন। মধুরও তো বাবার সঙ্গে বেশ মাই-ডিয়ারি আছে।

    মধু চোয়াল কঠিন করে বললো, বাবার সঙ্গে দেখা হলে তোরা কথা বলবিনি। তোরা বুঝিয়ে দিবি যে তোরা আমার দলে।

    বনখু জিজ্ঞেস করলো, বাবার সঙ্গে তোর কী হয়েচে রে, মধু?

    —অনেক কিছু!

    রাজনারায়ণ দত্ত এই সময় আদালতে থাকেন, সুতরাং তাঁর সঙ্গে দেখা হবার সম্ভাবনা নেই। তবু বন্ধুরা সবাই বিস্মিত হয়ে রইলো।

    ওপরে উঠে এসে মধু নিজের ঘরের ভেজানো দরজায় এক লাথি কষালো। দাঁড়াম করে খুলে গোল দরজাটা। ভেতরে ঢুকে মধু বললো, বোস।

    সঙ্গে সঙ্গে সে আলমারি খুলে বার করলো কয়েকটি বিলিতি কাচের গেলাস। সেগুলিতে ব্র্যাণ্ডি ঢেলে বললো, নে। নিজে একটি গেলাস তুলে নিয়ে এক চুমুকে শেষ করলো।

    অন্যরা চুপচাপ দাঁড়িয়ে। কেউ গেলাস ছুঁলো না। গৌর দুঃখিত গলায় বললো, তুই আরও খাবি, মধু?

    মধু বললো, কেন খাবো না! আজি আমার আনন্দ, খুব আনন্দ হচ্ছে, তোরা এয়িচিস। বঙ্কু নে,

    ভোলা নে, গঙ্গা নিবি না?

    ভূদেব শেষ পর্যন্ত আসেনি, কৌশল করে মাঝ রাস্তায় নেমে গেছে। ভূদেব অত্যন্ত বুদ্ধিমান। সে প্রায়ই বলে, আমি গরীব বামুনের ছেলে, এত বড় মানুষদের সঙ্গে বেশী মেলামেশা আমার সহ্য হবে না। এর আগে যে কয়েকদিন গঙ্গানারায়ণ এবাড়িতে এসেছে, কোনোদিনই ভূদেবকে দেখেনি। যদিও ভূদেব মধুকে খুব ভালোবাসে। বাড়িতে নিয়ে এলেই মধু মদ্যপানের জন্য সবাইকে জোরাজুরি করে। ভূদেব এই সব সময়ে মধুর সঙ্গ বর্জন করে।

    মধু জোর করে গঙ্গানারায়ণের হাতে একটি গেলাস ধরিয়ে দিল আর সঙ্গে সঙ্গে শরীরটা কেঁপে উঠলো গঙ্গানারায়ণের। তার মনে পড়ে গেল বিন্দুবাসিনীর কথা।

     

    বিন্দুবাসিনী একদিন গঙ্গানারায়ণকে জিজ্ঞেস করেছিল, হিন্দু কলেজের তো সব ছেলেই মদ খায়। তুই-ও খাবি নিশ্চয়ই? গঙ্গানারায়ণ বলেছিল, না, কিছুতেই না। বিন্দু বলেছিল, রাস্তায় মাতালদের দেখি আর আমার ঘেন্না করে। কলেজের শিক্ষিত ছেলেরাও এমন মাতাল হয়! ছিঃ! মদ খেলে তুই আর আমার কাছে আসিস না গঙ্গা! গঙ্গানারায়ণ বলেছিল, বললাম তো, আমি কোনোদিন সুরা পান করবো না। তুই দেখে নিস। বিন্দু বলেছিল, তুই আমার হাত ছুঁয়ে শপথ নে!

    আজ কি গঙ্গানারায়ণ শপথ রাখতে পারবে? গৌর একটি গেলাস তুলে ওষ্ঠে সামান্য স্পর্শ করে বললো, বাবার সঙ্গে তোর কী গোল হয়েচে রে মধু? সত্যি করে বলা!

    মধু বললো, আমাকে জোর করে বিয়ে দিতে চাইছে। কোথাকার একটা আট-ন বছরের খুঁকি মেয়ে, তাকে আমি বিয়ে করবো? নেভার! রাজনারায়ণ দত্তের সাধ্য নেই!

    বেণী, বন্ধু আর ভোলানাথের বিয়ে হয়ে গেছে। এর মধ্যেই। গৌরেরও যেন কার সঙ্গে বিয়ে ঠিক হয়ে আছে। ওরা মধুর কথায় গুরুত্ব দিল না।

    বেণী বললো, বিয়ে করতে বলচেন, চোখ বুজে বিয়ে করে ফেলবি! এতে আর কথা কী আচে।

    মধু বললো, আট-ন বছরের মেয়েকে? ইমপসিবল! সে আমার কোনো কথা বুঝবে? নাক নিয়ে সিকনি গড়াবে আর ভ্যাঁ ভ্যাঁ করে কাঁদবে।

    ভোলানাথ বললো, এর চেয়ে বড় মেয়ে আর তুই পাবি কোথায়? কায়স্থ ঘরে কি সোমত্থ মেয়ে কুমারী থাকে? সারা দেশ খুঁজলেও পাবি না। এখন বিয়ে করে ফেলে রাখ, দু-চার বছরের মধ্যেই সে মেয়ে লায়েক হয়ে যাবে!

    — বাপ মায়ের পছন্দ করা মেয়ে আমি বিয়েই করবো না! না! না, না, না। এলাস!—দে নো নট দ্যাট আই ডাই অব পেইনস্‌ দ্যাট নান ক্যান হিল।

    গঙ্গানারায়ণ হঠাৎ খুব বিমর্ষ বোধ করলো, মধুর মতন তারও ঠিক একই অবস্থা। সেও কিছুতেই বিয়ে করতে চায় না এখন। কিন্তু মধুর মতন সে তো এত দৃঢ়ভাবে প্রতিবাদ করতে পারে না। তাকে নিয়তি মেনে নিতেই হবে।

    বেণী বললো, সব ছেলেই বিয়ের আগে মধুর মতন একটু চেঁচামেচি করে, তারপর মেনে নেয়। মধুও মেনে নেবে। বংশরক্ষার জন্য আমরা সবাই বিয়ে করতে বাধ্য।

    মধু হুঙ্কার দিয়ে বললো, বাধ্য! আচ্ছা তোরা দেখিস!

    —তোর বাবা জোর করলে, তুই কী করবি? কতদিন এড়িয়ে থাকবি!

    মধু আবার ব্র্যাণ্ডির বোতল হাতে তুলে নিয়ে বললো, রাজনারায়ণ দত্ত আমার ওপর জোর করবেন? বেশী জোর করলে রাজনারায়ণ দত্তকে আমি এমন পানিশমেন্ট দেবো যে তা তিনি জীবনেও ভুলতে পারবেন না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্রিস-ক্রস – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    Next Article একটি পেরেকের কাহিনী – সাগরময় ঘোষ

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    কৈশোর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    অর্ধেক মানবী – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ফুলমণি-উপাখ্যান – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026
    Our Picks

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026

    একটি পেরেকের কাহিনী – সাগরময় ঘোষ

    August 11, 2026

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }