Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026

    একটি পেরেকের কাহিনী – সাগরময় ঘোষ

    August 11, 2026

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প736 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩৭. নবীনকুমারের গৃহ-শিক্ষক

    একজন খাঁটি ইংরেজতনয়কে নিযুক্ত করা হয়েছে নবীনকুমারের গৃহ-শিক্ষক হিসেবে। একজন পণ্ডিত সংস্কৃত ও বাংলা পড়ান। নবীনকুমারের গানের প্রতি অত্যধিক ঝোঁক দেখে একজন গায়কও আসেন তাকে গলা সাধানো রেওয়াজ করাতে। গায়কটি বেশ পালোয়ান গোছের, তিনি তাঁর ছাত্রকে কুস্তি ও গান, দুটোই শেখান। তবে নবীনকুমারের কোনো শিক্ষকই বেশী দিন টেকেন না। ইংরেজ শিক্ষক কার্ক প্যাট্রিকও গঙ্গানারায়ণের কাছে তাঁর ছাত্র বিষয়ে নালিশ জানিয়েছেন।

    নবীনকুমার সংস্কৃত ও বাংলা বেশ ভালোই শিক্ষা করছে, যদিও পণ্ডিতকে সে নাস্তানাবুদ করে ছাড়ে। নবীনকুমারের বাল্যের দুরন্তপন্যা এখন কৈশোরে অবাধ্যাপনায় এসে দাঁড়িয়েছে, সে কারুর কোনো কথা শোনে না। বিম্ববতীর অতিরিক্ত প্রশ্রয়ের ফলে তাকে শাসন করার সাহস কারুর নেই। একমাত্র সে গঙ্গানারায়ণের কথা কিছুটা মানে, তার মুখে মুখে কথা বলে না, কিন্তু গঙ্গানারায়ণকে ইদানীং প্রায়ই মহাল পরিদর্শনের ব্যাপারে মফস্বলে থাকতে হয়।

    দ্বাদশ বৎসর বয়েসে নবীনকুমার এখন এক অনিন্দ্যকান্তি বালক। তার মুখমণ্ডলে প্রতিভার জ্যোতি, চক্ষু দুটি অত্যুজ্জ্বল, এ বালক যে অসাধারণ তা তার মুখের পানে একবার তাকালেই বোঝা যায়।

    কিন্তু এই বালকেরই মনের মধ্যে যে কতখানি নিষ্ঠুরতা আছে, তা কল্পনা করাও দুষ্কর। গৃহের দাস-দাসীদের সে মানুষ বলেই গণ্য করে না, সামান্য কর্তব্যচ্যুতি হলেই সে তাদের অসম্ভব কটু ভাষায় গালিগালাজ করে। তার আহার-বিহার-শয্যার পারিপাট্যের জন্য বিম্ববতী এখন সাতজন দাস-দাসী নিযুক্ত করেছেন। নবীনকুমার এক জায়গায় বসে খেতে পারে না বলে একজন ভৃত্য খাদ্যের ভাণ্ড নিয়ে তার সঙ্গে সঙ্গে ঘুরবে। নবীনকুমার কখনো ছাদে, কখনো বাগানে এক এক চামচ করে খাদ্য মুখে দেবে, এবং সে ইঙ্গিত করা মাত্রই ভৃত্যটি যদি খাদ্যের ভাণ্ড এগিয়ে দিতে মুহূর্তমাত্র দেরি করে, অমনি নবীনকুমার লাথি মেরে সেই ভাণ্ড ফেলে দেবে। সারা বছর ধরে তাকে স্নান করানো হয় ঈষদুষ্ণ জলে, যদি কোনো একদিনও সেই জলের উত্তাপ সামান্য কম বা বেশী হয়, তখনি নবীনকুমার সংশ্লিষ্ট ভৃত্যটিকে গরু গরু বলে গালি দিয়ে ওঠে। কখনো বা অতি ক্ৰোধবশে সে বয়স্ক কোনো ভৃত্যকে চড় মারতেও দ্বিধা করে না। বাড়ির বাইরে যেতে হলে সে সেকালের নবাবপুত্রদের মতন আরাম কেদারায় পা ছড়িয়ে বসে কোনো ভূত্যের নাম ধরে ডাকে। তৎক্ষণাৎ সে ভৃত্যটি এসে তার পায়ে জুতো পরিয়ে দেয়।

    এই রকম দৃশ্য গঙ্গানারায়ণের চোখে পড়েছে। গঙ্গানারায়ণ হিন্দু কলেজের আলোকপ্রাপ্ত ছাত্র, সে এ সব পছন্দ করে না। মানুষের মধ্যে উচ্চ-নীচ জাতের সংস্কার সে মানে না। ফরাসী বিপ্লবের পর সকল মানুষের সমান অধিকারের যে বারতা পৃথিবীতে ছড়িয়েছিল, তার ঢেউ কিছুটা গঙ্গানারায়ণের মত যুবকদের মনেও এসে লেগেছে। তাছাড়া, সে দার্শনিক রুশোর কিছু কিছু রচনাও পাঠ করেছে। অর্থনৈতিক নিবন্ধনে পৃথিবীতে অনেককেই এখনো দাসত্ব বরণ করতে হয়, কিন্তু তাদের প্রতি মানবোচিত ব্যবহারেরই পক্ষপাতী গঙ্গানারায়ণ।

    সে একদিন নবীনকুমারকে বলেছিল। এই কথা। নবীনকুমারকে সে আদর করে ছোটকু বলে ডাকে। সে বলেছিল, এ কি ছোটকু, তুই জুতোর ফিতাটুকুও বাঁধতে জনিস না?

    নবীনকুমার সগর্বে উত্তর দিয়েছিল, না।

    গঙ্গানারায়ণ বলেছিল, এ তো সবাই পারে। বহারু পর্যন্ত পারে, আর তুই পারিস না?

    নবীনকুমার বলেছিল, দাদা, বহারু কি সংস্কৃত শ্লোক আওড়াতে পারে? আমি পারি। বহারুর কাজ জুতোর ফিতে বাঁধা, আমার তো তা কাজ নয়।

    অনুগ্রহণ বলেছিল, মানুষকে নিজের সব কাজই শিখতে হয়। আয়, আমি তোকে জুতো পরা শিখিয়ে দি।

    নবীনকুমার বলেছিল, জুতোয় হাত দিলে হাত নোংরা হয়। মা নিষেধ করেচে।

    এর পর আর গঙ্গানারায়ণ কিছু বলতে পারেনি। বিম্ববতীর নিষেধের ওপর আর কোনো কথা চলে না। বিম্ববতী পুত্ৰস্নেহে অন্ধ। এমনিতে বিম্ববতী নিজে খুবই দয়াবতী, কোমলপ্ৰাণা নারী, তিনি নিজে কখনো দাসদাসীদের কষ্ট দেন না। কিন্তু নবীনকুমার যদি এমনকি কোনো ভূত্যের মুণ্ড কাটার হুকুমও দেয়, বিম্ববতী বোধ হয় তা-ও মেনে নেবেন। গঙ্গানারায়ণ মায়ের সঙ্গে তর্ক করতে গিয়ে বহুবার নিরস্ত হয়েছে। নবীনকুমারের ব্যাপারে বিম্ববতী বধির।

     

    ছোট ভাইয়ের তত্ত্বাবধান বিষয়ে গঙ্গানারায়ণ ইদানীং প্রায়ই চিন্তা করে। বয়সে বালক হলেও নবীনকুমারের ভাবভঙ্গি ও কথাবাতাঁর ধরন অনেকটা বয়স্কদের মতন, এটা গঙ্গানারায়ণের মোটেই পছন্দ নয়। এত অল্প বয়েসে এত বেশী প্রশ্রয়ের ফল কখনো শুভ হতে পারে না। এতে উৎসন্নে যাবার পথ যখন-তখন খুলে যেতে পারে। গঙ্গানারায়ণের মনে পড়ে তার বন্ধু মধুর কথা। পিতা-মাতার অতিরিক্ত আদরে মধু ধরাকে সারা জ্ঞান করত। শেষ পর্যন্ত সেই মধুই পিতা-মাতার মনে চরম আঘাত দিয়ে গেল। কোথায় যে হারিয়ে গেছে মধু, তার সংবাদও এখন কেউ রাখে না। তার দুঃখিনী জননী কেঁদে কেঁদেই শেষ নিশ্বাস ফেললেন, আর তার ক্ৰোধোন্মত্ত পিতা আর একটি পুত্ৰ সন্তানের আশায় পর পর আবার বিবাহ করে চললেন, শেষ পর্যন্ত বিফল মনোরথ হয়ে তিনিও ধরাধাম ত্যাগ করেছেন।

    গঙ্গানারায়ণ যেন মধুর সঙ্গে তার ভাই নবীনকুমারে কিছু কিছু মিল খুঁজে পায়। নবীন যেন মধুরই মতন উদ্ধত আর জেদী, সেও যখন তখন কবিতা বা ছড়া আবৃত্তি করে। অবশ্য মধু ছিল বাল্যকাল থেকেই ফিরিঙ্গিঘেঁষা, ইংরেজী ছাড়া আর কোনো ভাষা তার মুখে আসত না সহজে, কিন্তু নবীন বেশী ভালোবাসে বাংলা ও সংস্কৃত। মাঝে মাঝে দু-একটি দৃশ্য দেখে গঙ্গানারায়ণ বিস্মিত হয়েছে।

    দ্বিতলের একটি ছোট ছাদ নবীনকুমারের খেলার জন্য অতি প্রিয় স্থান। গঙ্গানারায়ণ দেখেছে, প্রায়ই নবীনকুমার সেখানে তার সর্বক্ষণের খেলার সঙ্গী দুলাল নামের ছেলেটিকে নিয়ে বসে থাকে। নবীনের সামনে এক থালা ভর্তি সন্দেশ। সে মুখে মুখে এক একটি ছড়া বা সংস্কৃত শ্লোক বলে দুলালকে জিজ্ঞেস করে, তুই পারবি বলতে? আমি দুবার বলচি, তিনবার বলচি, তুই যদি শুনে শুনে মুখস্থ বলতে পারিস, তোকে সন্দেশ দেব।

    দুলাল চেষ্টা করে, কিন্তু পারে না। তখন নবীন এক একটা করে সন্দেশ ছুঁড়ে ছুঁড়ে কাকদের খাওয়ায়। সন্দেশের লোভে ছাদের অলসেতে অনেক কাক, চিল, পায়রা, শালিক এসে ভিড় জমায়। এমনকি বাড়ির পোষা বেড়াল মঞ্জুরীও গুটিসুটি মেরে বসে থাকে এক পাশে। এক একবার দুলাল খানিকটা বলার চেষ্টা করে, তখন নবীনকুমার একটি সন্দেশ তুলে তার মুখের কাছে নিয়ে গিয়ে বলে, আর একটু বল, আর একটু, তা হলেই সন্দেশ পাবি, এই যে দ্যাক, দেকে দেকে বল…। দুলাল এর পর একটা শব্দ ভুল করে ফেলে আর নবীন সন্দেশটা দিয়ে দেয় বেড়ালটাকে। এমন করে সব সন্দেশ ফুরিয়ে যায়।

    সংস্কৃত শেখার এত আগ্রহ, তবু নবীনকুমারের জন্য সংস্কৃত পণ্ডিত প্রায়ই বদল করতে হয়। শিক্ষককে নবীনকুমার একেবারেই গুরু হিসেবে মান্য করে না, প্রায়ই দুষ্টুমি করে পণ্ডিতের শিখ ধরে টানাটানি করে পর্যন্ত। এত বড় ধনী পরিবারে উত্তম দক্ষিণায় শিক্ষকতা করার জন্য কোনো কোনো গুরু প্ৰাণপণে টিকে থাকে কিছুদিন, তারপর অতি কষ্টে একদিন সম্মান রক্ষার্থে পলায়ন করে।

     

    একবার মহাল থেকে ফিরে এসে গঙ্গানারায়ণ শুনলো যে, নবীনকুমার নাকি একজন পণ্ডিতের টিকি কেটে নিয়েছে। বাড়ি ফেরা মাত্রই তার পত্নী ফিসফিস করে তাকে সম্পূর্ণ ঘটনাটা জানিয়ে দিল।

    প্রতি বৎসরই পৌষ সংক্রান্তিতে বিম্ববতী সাড়ম্বরে এক ব্ৰত করেন, তাতে প্রচুর ধুমধাম হয়। সে সময় বিম্ববতী ব্ৰাহ্মণদের স্বর্ণ, বস্ত্র এবং তণ্ডুল দান করেন এবং প্রতি বৎসর একজন ব্ৰাহ্মণকে একটি গরু ও দান করা হয়। এ বৎসর যে ব্ৰাহ্মণকে একটি নধর গো-বৎস দান করা হয়েছিল, সে ব্ৰাহ্মণটি জোড়াসাঁকোর সিংহবাড়ি থেকে বেরিয়েই কিছু দূরে কলুটোলায় এক কসাইয়ের কাছে গো-বৎসটি বিক্রয় করে দেয়। দৈবাৎ সিংহবাড়ির দুজন ভৃত্য সেই ঘটনা দেখে ফেলে এবং দৌড়ে বাড়ি ফিরে এসে সবিস্তারে সেই কাহিনী বিম্ববতীর কাছে বৰ্ণনা করে। বিম্ববতীর কাছেই বসে ছিল নবীনকুমার, সে অমনি ভৃত্যদের হুকুম দেয় সেই ব্ৰাহ্মণকে ধরে আনতে।

    ভৃত্যরা চিরকালই ধরে আনতে বললে বেঁধে আনতে চায়। সে ব্ৰাহ্মণ পালাবার পথ পেল না, ষণ্ডামাক দাসদের হাতে ধরা পড়ে তার অবস্থা সঙ্গিন হলো। সে এসে প্রথমে নানাপ্রকার মিথ্য বলে মন ভেজাবার চেষ্টা করল বিম্ববতীর, কিন্তু ভৃত্যরা তুমুল কলরবে প্রতিবাদ জানালো তার কথার। তারা নিজের চক্ষে দেখে এসেছে যে কলুটোলার কসাই ইতিমধ্যেই সে গো-বৎসটিকে কোরবানি করে ফেলেছে।

    তবু বিম্ববতী দয়া পরবশ হয়ে ব্ৰাহ্মণকে নিস্কৃতি দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তখন নবীনকুমার পরিষ্কার কণ্ঠে দাবি জানায় যে ঐ ব্ৰাহ্মণকে টিকি কেটে দিতে হবে। ঐ টিকি তার চাই। সে কাচ দিয়ে বাঁধিয়ে রাখবে। বিম্ববতী ক্ষীণ আপত্তি করলেন, ব্ৰাহ্মণের শিখা কর্তন করলে পাপ হয়, সে কথা জানালেন, কিন্তু নবীনকুমার তা কিছুতেই মানবে না। ব্ৰাহ্মণের কাছে গরু হচ্ছে গো-মাতা, যে ব্ৰাহ্মণ গো-মাতাকে কসাইয়ের কাছে বিক্রি করে দিতে পারে, তার কোনো ব্ৰাহ্মণত্বের চিহ্ন রাখবার অধিকার নেই। দ্বাদশ বর্ষীয় বালক গম্ভীর কণ্ঠে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করার পরই কাঁদুনে গলায় মায়ের প্রতি আবদার করে বলে, মা, ওর টিকি আমি কাটবোই! আমি কাটবোই! বিম্ববতী সন্ত্রস্ত হয়ে বললেন, আহা-হা, কাঁদিস না, কাঁদিস না! প্রয়োজনে বিম্ববতী ছেলের জন্য আকাশের চাঁদও পেড়ে দিতে পারেন, আর এক ব্ৰাহ্মণের শিখা তো অতি সামান্য বস্তু। তিনি আর আপত্তি করলেন না। কয়েকজন মিলে সেই ব্ৰাহ্মণকে জোর করে চেপে ধরে রইলো, নবীনকুমার নিজে কাঁচি দিয়ে কচাৎ করে সেই ব্ৰাহ্মণের শিখা সমূলে নিপাত করে খলখলি শব্দে হেসে উঠলো।

    এই বৃত্তান্ত শুনে গঙ্গানারায়ণ রীতিমতন স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিল। অশিক্ষিত, বাগাড়ম্বরপ্রিয় ব্ৰাহ্মণদের সম্পর্কে তার নিজেরও খুব একটা শ্রদ্ধা নেই, তবে ইদানীং সংস্কৃত সাহিত্যের রস গ্রহণ করতে শুরু করার পর সে যথার্থ সংস্কৃত পণ্ডিতদের ভক্তি করে। একজন গরীব ব্ৰাহ্মণকে গো-বৎস দানের উপযোগিতাই বা কী? গাভী কেউ দান করে না, সকলেই দেয় মন্দা বাছুর। সে বাছুর একদিন বলীবর্দী হয়ে উঠবে, তখন গরীব ব্ৰাহ্মণ তাকে নিয়ে কী করবে? ব্ৰাহ্মণ তো আর হালচাষে নামবে না, শুধু শুধু এক বলীবদের আহার জোগাড় করবেই বা কোন উপায়ে?

     

    গঙ্গানারায়ণ শুনেছিল, কুড়ি বাইশ বৎসর আগে ডিরোজিও শিষ্য ইয়ং বেঙ্গলের দল পথেঘাটে ব্ৰাহ্মণদের শিখা কেটে নেবার জন্য তাড়া করতো। কিন্তু তখন কেউই শেষ পর্যন্ত কোনো ব্ৰাহ্মণের শিখা কাটেনি, আর নবীনকুমার এত অল্প বয়েসেই এমন দুঃসাহস দেখালো? তাহলে যুবা অবস্থায় বা পূর্ণ বয়সে সে আরও কত কী করবে? সে কোন পথে যাচ্ছে?

    গঙ্গানারায়ণ আরও অবাক হলো এই ভেবে যে, বিধুশেখর এমন একটা কাণ্ড ঘটতে দিলেন? তাঁর অজান্তে তো এ বাড়িতে কোনো কিছুই ঘটা সম্ভব নয়। দেব-দ্বিজে বিধুশেখরের অসীম ভক্তি, তাঁর চোখে তো এ কাজ বিরাট অন্যায়।

    সেদিনই অপরাহ্নে নবীনকুমারের দেখা পেয়ে গঙ্গানারায়ণ প্রশ্ন করলো, ছোটকু, তুই নাকি এক বামুনের টিকি কেটিচিস?

    নবীনকুমার হাস্য ঝলমল মুখে বললো, গঙ্গাদাদা, তুমি তো এখুনো দেকোনি। আমি সকলকে ডেকে ডেকে দেকাই! এসো, আমার ঘরে এসো!

    নবীনকুমার গঙ্গানারায়ণের হাত ধরে টেনে নিয়ে গেল নিজের কক্ষে। সত্যিই দেওয়ালে একটি কাচের ফ্রেমে বাঁধানো অবস্থায় সেই একগুচ্ছ শিখা বুলিয়ে রাখা হয়েছে।

    গঙ্গানারায়ণ বললো, কী দস্যি ছেলে রে তুই? বামুনের টিকি কাটলি! তোর ভয় করলো না?

    নবীনকুমার বললো, গঙ্গাদাদা, তুমি থাকলে আরও মজা হত। টিকি কাটার পর সে বামুনটা মাথায় হাত দিয়ে তিড়িং তিড়িং করে লাপাতে লাগলো। আর আমাদের এক ব্যাটা হিন্দুস্থানী দারোয়ান চেঁচিয়ে বললো, হায় রাম, চৈতন চুটকি খো গ্যয়া। হায় রাম।

    কথা বলতে বলতে নবীনকুমার একেবারে হেসে লুটোপুটি খেতে লাগলো। গঙ্গনারায়ণেরও ঠোঁটে স্মিত হাস্য এসে গেল, যদিও অন্তরে সে মৃদু অস্বস্তি বোধ করছে। তার ধারণা, এই ধরনের কাজের ফলাফল সুদূরপ্রসারী হয়।

    সে বললো, তুই যে এমন পাগলামি করলি ছোটকু, এর পর যদি কোনো বামুন পণ্ডিত তোকে শিক্ষা দিতে না চায়? এবার তোর জন্য খুব নামকরা একজন পণ্ডিত ঠিক করা হয়েচে।

    নবীনকুমার বললো, আমি সেই পণ্ডিতমশাইকে বলিচি, আপনি যদি না আসেন, তাহলে পাইক পাঠিয়ে আপনাকেও ধরে এনে আপনারও টিকি কুচ করে দেবো!

    গঙ্গানারায়ণ বললেন, কী সাঙ্ঘাতিক কথা! অত বড় পণ্ডিতকে তুই এমন করে বললি? তিনি কী উত্তর করলেন?

    পণ্ডিতমশাই বললেন, তুমি উত্তম কাজই করেচো বাপু। আজকাল হাজারে হাজারে নকল বামুন গজিয়েচে। তাদের এমনতর শাস্তিরই দরকার।

    —দেকবি, নিউজ পেপারে এবারে আমাদের বাড়ি সম্পর্কে নানা কথা বেরুবে।

    —বেরুক গে! কোন নিউজ পেপার লিকবে? তুমি সেই নিউজ পেপারটা কিনে নিও!

    –ওরে বাস রে!

    –তুমি বসো গঙ্গাদাদা, তুমি তো ছিলে নাকো, তাই তোমার জন্য আমি সব কথাগুলোন লিকে রেকেচি।

    —কোন কথাগুলোন?

    —সেদিন টিকি কাটার সময় যা হলো। তুমি বসে, আমি পড়ে শোনাই।

    নবীনকুমার তার বইপত্রের মধ্য থেকে কয়েকটি আলগা কাগজ বের করলো। তাতে সুন্দর হস্তাক্ষরে বাংলায় অনেক কিছু লেখা! গঙ্গানারায়ণ দেখে মুগ্ধ হয়ে গেল। এমন মুক্তার মতন হস্তাক্ষর কদাচিৎ দেখা যায়। সে আরও চমৎকৃত হয়ে গেল, যখন নবীনকুমার সেই রচনাটি পড়ে শোনালো। রচনার নাম, ব্ৰাহ্মণ হইল চাঁড়াল। অতি জটিল শব্দসমন্বিত বিশুদ্ধ বাংলা।

    গঙ্গানারায়ণ জিজ্ঞেস করলো, এ সব তুই নিজে লিকিচিস? না পণ্ডিতমশাই তোকে বলে দিয়েচেন?

    নবীনকুমার বললো, আমি লিকিচি। আমি আরও কত লিকিচি। পণ্ডিতমশাই তো জানেই না। শুদু দুলালকে শুনিয়িচি, আর এই তোমায় শোনালুম।

    —এমন তো আমি লিকতে পারি না রে ছোটকু! বাংলা লিকতে গেলে আমার কলম ভেঙে যায়। তুই তো অতি সুন্দর লিকিচিস, এ লেকা তো বিদ্যেসাগর মশাইকে দেখানো দরকার। তোর পণ্ডিতমশাইকে বলিস।

    —গঙ্গাদাদা, আমি গানও বাঁধতে পারি। দুটো বাংলা গান বেঁধেচি, শুনবে?

    গঙ্গানারায়ণের বিস্ময় উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেতে লাগলো। নবীনকুমার সত্যিই দুটি বাংলা গানও লিখেছে, যাতে ছন্দ ও মিল আছে রীতিমতন। গঙ্গানারায়ণের মনে হলো, তাহলে কি তার ভাইও মধুর মতন। একজন কবি হবে? পোয়েট অ্যাণ্ড অথর। কবিরা বাল্য থেকেই এমন জেদী, খামখেয়ালি আর স্বতন্ত্রতাপরায়ণ হয়?

    নবীনকুমারের বাংলা রচনা-শক্তি ও জ্ঞান দেখে গঙ্গানারায়ণ মুগ্ধ হলেও সে নিজে ইংরেজী শিক্ষায় শিক্ষিত, তার মনে হয় যে ইংরেজী শিক্ষা না পেলে নবীনকুমারের মনের প্রসারিতা বাড়বে না। ইওরোপের সাহিত্য ও দর্শনের সঙ্গে কিছুটা পরিচয় না হলে আধুনিক পৃথিবীর অনেক কিছুই তার অজানা থাকবে।

    সেইজন্য গঙ্গানারায়ণ একজন ইংরেজ শিক্ষককে নিযুক্ত করলো তার ছোট ভাইয়ের জন্য। এ ব্যাপারে বিধুশেখর প্রথমে একবার আপত্তি তুলেছিলেন। তাঁর আপত্তি সরাসরি ইংরেজী শিক্ষা সম্পর্কে নয়, এখন সকলেই, এমনকি ব্ৰাহ্মণ পণ্ডিতরাও ইংরেজী শিখছে, রাজভাষা শিক্ষা না করলে সমাজে স্থান পাওয়া যায় না, কিন্তু বিধুশেখর বললেন, বাড়িতে ম্লেচ্ছ ঢোকানো চলবে না। ইংরেজরা শুয়োর গরু খায়, বাড়ির মধ্যে প্রবেশ করেও জুতো খোলে না, কোনো হিন্দু গৃহে তার প্রবেশ করলে সে বাড়ির পবিত্রতা নষ্ট হয়। এদিকে বিম্ববতী তাঁর পুত্রকে বাড়ির বাইরে পাঠাবেন না পড়াশুনোর জন্য। নবীনকুমারকে যদি ইংরেজী শেখাতেই হয়, তবে কোনো হিন্দু ভদ্রলোককে নিযুক্ত করা হোক না।

    গঙ্গানারায়ণ রাতারাতি সিংহবাড়ির সংলগ্ন উদ্যানে একটি পাঠকক্ষ নির্মাণ করিয়ে ফেললো। গঙ্গানারায়ণের পিতা বেঁচে থাকতে এ বাড়িতে বিবাহাদি উৎসবে অনেক সময় ইংরেজরা নিমন্ত্রিত হয়েছে, তখন তাদের বসানো হয়েছে ঐ উদ্যানে শামিয়ানা খাঁটিয়ে। সুতরাং উদ্যানের পাঠকক্ষে ইংরেজ শিক্ষক এসে অনায়াসে নবীনকুমারকে পড়াতে পারবে।

    মিঃ কার্ক প্যাট্রিক একজন মৃদু স্বভাবের মানুষ। অনেক ভাগ্যান্বেষী বেসরকারী ইংরেজের মতন সেও এ দেশে এসেছিল ব্যবসা বাণিজ্য করে লক্ষ্মীলাভ করতে। কিন্তু বিশেষ সুবিধে করতে পারেনি। সব কাজ সকলের জন্য নয়। কার্ক প্যাট্রিক অধিকাংশ সময়ই বই পড়ে কাটায়। তার সঙ্গে কথা বলে গঙ্গানারায়ণ বুঝেছিল যে লোকটির জ্ঞানের কৌতূহল অসীম, এমন একজনই নবীনকুমারের উপযুক্ত শিক্ষক হতে পারবে। যদি সে তার দুরন্তপনাকে কিছুটা বশ করতে পারে।

    কিন্তু কার্ক প্যাট্রিক প্রায়ই অভিযোগ জানাতে লাগলো, গঙ্গানারায়ণের কাছে। একবার সে উড়িষ্যা সফরে গিয়েছিল, ফিরে এসে শুনলো যে কার্ক প্যাট্রিক কাজ ছেড়ে চলে গেছে। নবীনুকমারকে প্রশ্ন করে কোনো সদুত্তর পাওয়া গেল না। সে বললো, ও সাহেব তো পাগল। বিড়বিড় করে আপন মনে বকে। ও আবার পড়াবে কী!

    শহরে ইংরেজ শিক্ষকের অভাব নেই। একজনের বদলে আরও দশ গণ্ডা পাওয়া যায়। কিন্তু কার্ক প্যাট্রিককে গঙ্গানারায়ণের পছন্দ হয়েছিল, সে কেন কাজ ছেড়ে গেল সেটা জানা দরকার। সে ডেকে পাঠালো কার্ক প্যাট্রিককে।

    কার্ক প্যাট্রিক এলো এবং ঘণ্টাখানেক আলোচনা হলো তার সঙ্গে। সে মোটেই নবীনকুমারের ওপর রাগ করে কাজ ছেড়ে চলে যায়নি, বরং নবীনকুমার সম্পর্কে তার মনে অনেকখানি মেহ জন্মেছে। তার মতে, নবীনকুমারের মতন এমন মেধাবী ছাত্র বিরল, অসাধারণ তীক্ষ্ণ বুদ্ধি এই বালকের, এমন ছাত্রকে পড়িয়েও আনন্দ। কিন্তু এমন অদ্ভুত বালকও সে দেখেনি কখনো। এত অল্প বয়েস হলেও এই বালকের মধ্যে যেন স্পষ্ট দুটি সত্তা আছে। এক একদিন সে পড়াশুনোয় অত্যন্ত আগ্রহী, প্ৰায় শ্রুতিধরের মতন সে শিক্ষকের মুখ থেকে যা শোনে, পরীক্ষণেই তা নিজে বলে দেয়। শিক্ষককে সে নানান প্রশ্ন করে বহু বিষয়ে খুঁটিয়ে জেনে নেয়। আবার অন্য এক একদিন সে পড়াশুনো সম্পর্কে বিন্দুমাত্র আকর্ষণ বোধ করে না, শিক্ষকের সামনে ডিগবাজি খেয়ে নানা প্রকার কসরত দেখায় এবং ইচ্ছে করেই সে সব দিনে সে একটিও ইংরেজী শব্দ উচ্চারণ না করে বাংলায় নানান কথা বলে আর হাসে। সে সব দিনে বালকটিকে উন্মাদ বলে ভ্ৰম হয়। কার্ক প্যাট্রিকের। এই জন্যই দিশেহারা হয়ে সে এ বাড়িতে আসা বন্ধ করেছে।

    গঙ্গানারায়ণ অবিশ্বাস করলো না। অতি শৈশব থেকেই নবীনকুমারের আচরণে নানা রকম অস্বাভাবিক ব্যাপার দেখা গেছে, সে জানে। কিন্তু হয়তো বা এই সব অস্বাভাবিকতাই প্ৰতিভার লক্ষণ। গঙ্গানারায়ণ সাহেবকে জিজ্ঞেস করলো, এর প্রতিবিধান কী? অন্য শিক্ষকদের সঙ্গেও নবীনকুমার এরকম ব্যবহার করে, কোন উপায়ে এর সুচারু শিক্ষার ব্যবস্থা করা যায়।

    সাহেবের মতে, নবীনকুমারকে কোনো স্কুলে ভর্তি করে দেওয়া উচিত। অন্যান্য অনেক বালকের সঙ্গে মিশলে, খানিকটা বাধ্যতামূলক শৃঙ্খলার মধ্যে পড়লে এর স্বভাব শুধরে যেতে পারে।

    গঙ্গানারায়ণ তা জানে। কিন্তু তার মা কিছুতেই নবীনকে স্কুলে পাঠাতে চান না। নইলে তার কত সাধ ছিল, তার মতন নবীনও হিন্দু কলেজে পড়বে।

    কয়েকদিন বাদে অপ্রত্যাশিতভাবে সেই সুযোগ এসে গেল। নবীনকুমার নিজেই এসে বললো, গঙ্গাদাদা, আমি কলেজে পড়বো। আমার আর বাড়ির মাস্টারদের ভালো লাগে না। পথ দিয়ে দেকি ছেলেরা বই খাতা নিয়ে কলেজে যায় আমিও ওরকম যাবো। তুমি মাকে বলো।

    নবীনকুমার নিজে আবদার ধরলে তো আর কোনো কথাই নেই। বিম্ববতীর এতকালের আপত্তি একদিনে মুছে গেল। তিনি প্রথমে ক্ষীণভাবে একবার না বলতেই নবীনকুমার সকালের খাওয়া বন্ধ করেছিল। অমনি বিম্ববতী গঙ্গানারায়ণকে ডেকে বললো, ও গঙ্গা, তুই ব্যবস্থা কর বাপু, ও যখন গোঁ ধরেচে একবার—। পুরুতমশাইকে বল একটা শুভ দিন দেখতে–

    হিন্দু কলেজের বহু পুরোনো শিক্ষক এখনো গঙ্গানারায়ণকে চেনে। তার কয়েকজন বন্ধুও এখন ওখানে শিক্ষকতা করছে, সুতরাং ভাইকে ভর্তি করার জন্য তাকে কোনো বেগই পেতে হবে না। মফস্বল থেকে ফিরে গঙ্গানারায়ণ শুনেছে যে, হিন্দু কলেজ নিয়ে কিছু গোলমাল চলছে শহরে। কিছু গোঁড়া লোক হিন্দু কলেজ থেকে বেরিয়ে এসে একটা পাল্টা নতুন কলেজ খুলেছে। তা হোক। গঙ্গানারায়ণ তার নিজের পুরোনো কলেজেই ভর্তি করবে ভাইকে। সারা দেশে হিন্দু কলেজের মতন এমন বিখ্যাত প্ৰতিষ্ঠান আর আছে নাকি?

    ওস্তাগর ডেকে নবীনকুমারের জন্য ইংরেজী ফ্যাসানের পোশাক তৈরি করানো হয়েছে। একটা পৃথক জুড়িগাড়ি এবং দুজন ভৃত্যকে ঠিক করা হয়েছে, তারা প্রতিদিন নবীনকুমারকে কলেজে নিয়ে যাবে ও নিয়ে আসবে।

    ভর্তি হবার আগের দিন বিকেলে এলেন বিধুশেখর। সিঁড়ির মুখে গঙ্গানারায়ণের সঙ্গে দেখা। গম্ভীর কণ্ঠে তিনি বললেন, তোমরা নাকি নবীনকে হিন্দু কলেজে ভর্তি কচ্চো? আমাকে একবার জিজ্ঞাসা করবার প্রয়োজনীয়তাও মনে করোনি?

    উত্তরের জন্য অপেক্ষা না করে তিনি ধীর পদে উঠে গেলেন। দ্বিতলে। বিম্ববতীর কক্ষের সামনে দরজার কাছে দাঁড়িয়ে তিনি ঐ একই বাক্য দুটি উচ্চারণ করলেন। তারপর ভিতরে ঢুকে দু পা এগিয়ে তিনি আবার বললেন, ওসব হবে না। নবীন কলেজে যাবে না। বাড়িতে যেমন পড়চে পড়ুক।

    বিম্ববতী বললেন, খোকা যে কাঁদাকাটা করবে। খুব বায়না ধরেচে।

    বিধুশেখর রুক্ষ স্বরে বললেন, কাঁদুক। দু দিনে আবার থেমে যাবে। হিন্দু কলেজ এখন নষ্টামির কলেজ। সেখানে বেশ্যার ছেলে পড়ে। সেখানে এ বাড়ির ছেলেকে পড়াতে পাঠাবে? এসব গঙ্গার বুদ্ধি? বংশমযদি বোঝার ক্ষমতা তার নেই। বেশ্যার ছেলে পাশে বসবে সিংহী বাড়ির ছেলে!

    একটু থেমে, বিম্ববতীর মুখের ওপর স্থির দৃষ্টি নিবদ্ধ করে বিধুশেখর আবার বললেন, খোকাকে মানুষ করার ভার কি শুধু একা তোমার? আমার মতামতের বুঝি কোনো মূল্য নেই?

    বিম্ববতী সঙ্গে সঙ্গে কেঁপে উঠে দারুণ ভয়ার্তভাবে বললেন, না, না, আপনি যা বলবেন, তাই হবে।

    একটু পরে, বিম্ববতীর ঘর থেকে ফেরার পথে বিধুশেখর আবার নিজেই গঙ্গানারায়ণকে ডেকে বললেন, নবীন কলেজে যাবে না। সে তেরো বচরে পড়লো, আমি ঠিক করিচি, এ বচরেই তার বিয়ে দেবো। পাত্রী আমার পছন্দ করা হয়ে গ্যাচে।

    এবারও গঙ্গানারায়ণের কোনো উত্তর শোনার জন্য অপেক্ষা না করে বিধুশেখর চলে গেলেন বাইরে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্রিস-ক্রস – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    Next Article একটি পেরেকের কাহিনী – সাগরময় ঘোষ

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    কৈশোর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    অর্ধেক মানবী – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ফুলমণি-উপাখ্যান – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026
    Our Picks

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026

    একটি পেরেকের কাহিনী – সাগরময় ঘোষ

    August 11, 2026

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }