Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026

    একটি পেরেকের কাহিনী – সাগরময় ঘোষ

    August 11, 2026

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প736 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩৫. রাতের রোশনাই, দিনের ছাইগাদা

    কথায় বলে রাতের রোশনাই, দিনের ছাইগাদা। দিনের বেলার দৃশ্য দেখে সত্যিই কিছু বোঝার উপায় নেই। এই সব বাড়ি অনেক বেলা পর্যন্ত নিদ্রিত থাকে, গবাক্ষগুলি সব বন্ধ। গোয়ালা গরু নিয়ে দুধ দুইতে এসে হল্লা লাগায়, সহজে দাস-দাসীরাও দুধের পাত্র নিয়ে আসে না। এখানে দাস-দাসীদের মর্জিও অন্যরকম। হীরেমণির গৃহে প্ৰাতে দশ ঘটিকা পর্যন্ত শুধু এক বালকের কণ্ঠস্বর শোনা যায়, সে চেঁচিয়ে চেঁচিয়ে পাঠাভ্যাস করে। সে বালক হীরেমণির পুত্ৰ চন্দ্রনাথ।

    রাতে এ গৃহের দ্বিতলের বড় প্রকোষ্ঠে ঝাড়লণ্ঠন জ্বলে, সেখান থেকে ভেসে আসে হারমোনিয়াম, ড়ুগি-তবলার আওয়াজ ও নূপুর নিক্কন। দ্বারের সামনে দাঁড়িয়ে থাকে জমকালো ধরনের জুড়িগড়ি। সঙ্গীত লহরী ছাপিয়েও এক এক সময় মদ্যপায়ীদের স্বলিত কণ্ঠ রাত্রির মসৃণতাকে বিদীর্ণ করে। দিনের বেলায় সব শান্ত, অন্যান্য বাড়িগুলির তুলনায় হীরেমাণিদের মতন বারাঙ্গনাদের গৃহ যেন বেশী স্তব্ধ।

    হীরেমণির এখন অবস্থা ফিরেছে, শহরের বাবু মহলে তার খুব নামডাক, টাকা-পয়সাও আসছে যথেষ্ট। এখন এ শহরে বারাঙ্গনাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশী নামডাক কমলাসুন্দরী আর হীরেমণির। এরা শুধু তো দেহপশারিণীই নয়, কমলাসুন্দরী নৃত্যকলা পটিয়সী আর হীরেমণির কণ্ঠের গান যে একবার শুনেছে, সে আর ভুলতে পারে না। হীরেমণির আসল নাম ভুলে গিয়ে লোকে তাকে এখন বুলবুল বলে ডাকে। বুনিয়াদী পরিবারের দোল-দুর্গোৎসবের মজলিশে যখন সাহেব মেমদেরও নেমন্তন্ন হয়, তখন সেখানে কমলাসুন্দরী হীরেমণিদেরও ডাক পড়ে। সাধারণ ছা-পোষা লোকেরা ভাবে হীরেমণির মতন। তয়ফাওয়ালি রেণ্ডিরা বুঝি বাড়িতে হীরে মুক্তো চিবিয়ে খায় আর সোনার বিছানায় শুয়ে রূপের পাশবালিশ জড়ায়। এরা কেউ কোনোদিন দ্বিপ্রহরে গৃহে এলে বিস্ময়ে বাকরহিত হয়ে যেত। কুচোচিংড়ি দিয়ে পুঁইশাকের ডাঁটাচচ্চড়ি হীরেমণির অতি প্রিয় খাদ্য। এক বাটি খেসারির ডাল সে চুমুক দিয়ে খায়। মাংস দেখলে সে নাক সিটকোয়, এমনকি বড় জাতের মাছও তার না-পছন্দ, ঐসব মাছে নাকি কাদা কাদা গন্ধ। সে ভালোবাসে পুঁটি, মৌরলা, চাঁদা। দ্বিপ্রহরে সাধারণ কস্তা পাড়ের ড়ুরে শাড়ি পরে সে যখন রান্নাঘরের সামনের বারান্দায় পা ছড়িয়ে বসে পুঁইডাঁটা চিবোয়, তখন তাকে কোনো সাধারণ বাড়ির বউ-ঝি ছাড়া আর কিছুই মনে হয় না। অবশ্য এই সব খেয়েও হীরেমণির রূপ এখনো যেন ফেটে পড়ছে।

    সকাল দশটার সময় ঘুম ভাঙার পরেই রাইমোহনের ওপর একটা কাজ বর্তেছে। অবস্থা ফেরার পর হীরেমণির এখন দাসদাসীর অভাব নেই, তবু কোনো প্রয়োজন হলেই সে রাইমোহনের ওপরেই হুকুম চালায়। আজ সকালে হীরেমণি কুয়োতলায় স্নান করতে গিয়েই দেখে যে জল তোলার দড়ি ছেড়া, কলসীটিও উধাও। ছিচকে চোরেরা প্রায়ই কুয়োতলার কলসী চুরি করে পালায়, সেইজন্য ব্যবহার করার পরই কলসী ভেতরে তুলে রাখতে হয়। কাল সন্ধ্যায় হয়তো কোনো অমনোযোগী দাসী ভুল করে কলসী ফেলে রেখে গিয়েছিল।

    হীরেমণি গতকাল মুজরো গাইতে গিয়েছিল শোভাবাজারে, ফিরেছে শেষ রাতে। ঘুম থেকে উঠেই স্নান করা তার অভ্যাস। কলসী নেই। আর দড়ি ছেড়া দেখেই তার মেজাজ। সপ্তমে চড়ে গেল। দাস-দাসীদের সকলকে ডেকে হীরেমণি তার কুৎসিত গালিগালাজের ভাণ্ডার একেবারে উজাড় করে দিল। অবশ্য দাসদাসীরাও এমন বে-আক্কেলে, কেউ দায়িত্ব ঘাড়ে নিতে চায় না, দোষারোপ করতে লাগলো পরস্পরের ওপর। তারা বলতে চায় যে কলসী চুরি যায়নি। দড়ি ছিঁড়ে কুয়োর মধ্যে পড়ে গেছে,

    তখন হীরেমণির জেদ চাপলো, কুয়ো থেকে সেই কলসী তোলাতে হবে, নইলে সে কিছুতেই বিশ্বাস করবে না যে চুরি যায়নি। একটার জায়গায় দশটা কলসী তখনই হীরেমণি কিনতে পারে, কিন্তু জেদ হচ্ছে জেদ।

    হীরেমণি চেঁচিয়ে বললো, সেই হতচ্ছাড়া বে-আক্কেলে মিনসেটা কী করচে? এখনো পড়ে পড়ে নাক ডাকাচে! ওফ, ভগমন আমার কপালে কত দুঃখই দিয়েচেন! আমায় দেকবার কেউ নেই গা!

    হরচন্দ্ৰ বলে যে মাতালটিকে রাইমোহন আশ্রয় দিয়েছিল, সে আজও রয়ে গেছে। এছাড়া আরও দুজন বৃদ্ধ এখানে আশ্রিত। ভাগ্যহীন বাউণ্ডুলেদের সম্পর্কে রাইমোহনের বেশ দুর্বলতা আছে, সে রকম কারুকে চোখে দেখলে সে ডেকে আনে এ বাড়িতে। হীরেমণি অবশ্য এদের দু চক্ষে সহ্য করতে পারে না, তবু তার মুখচোপা সহ্য করে টিকে আছে। এই তিনজন।

    হীরেমণির চ্যাঁচামেচিতে তাদেরও ঘুম ভেঙে গেছে। উঠেনে কুয়োতলায় গামছা পরে দাঁড়িয়ে সে সমানে চালাচ্ছে হাত, পা, মুখ। গামছায় তার সোনার অঙ্গ ঢাকা পড়েছে খুবই সামান্য। আরও বেশি ক্রুদ্ধ হয়ে লাফালাফি করলে হঠাৎ তার বিবস্ত্রা হয়ে পড়ারও সম্ভাবনা আছে। হীরেমণির সেদিকে হুঁশ নেই। অমন রূপসী একটি নারী এবং গানের জন্য যে কোকিলকণ্ঠী নামে পরিচিতা, তার কণ্ঠ থেকেও যে এত কদৰ্য কুবাক্যের স্রোত বেরিয়ে আসতে পারে, তা কল্পনা করাই শক্ত।

    হরচন্দ্ৰ ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করলো, আ দিদি, আমি দৌড়ে গে একটা কলসী নিয়ে আসবো? হীরেমণি তার দিকে ফিরে ক্ৰোধ ঘূর্ণিত নয়নে বললো, দিদি? আমি তোর কোন সাতজন্মের দিদি রে, অলপ্পেয়ে? দুনিয়ার কোথাও ঠাঁই নেই। তাই এখেনে মাটি কামড়ে পড়ে আচিস, আবার দিদি বলে সোহাগী! গা জ্বলে যায়!

    হরচন্দ্ৰ বললো, চান না করলে যে গা আরও বেশী জ্বলবে! কলসী এনে দি?

    হীরেমণি বললো, চুপমার! কেন, সে কোতায়? সেই খাল ভরা, ড্যাকরা, খগরাজের মতন চ্যায়রা হতভাগাটা পড়ে পড়ে ঘুমুবে? তাকে দিয়ে এক তিল উবগার হয় না, তাকে কেউ ডাকতে পাচ্চিসনি?

    রাইমোহনের ঘুম গাঢ়, তাছাড়া নেশার ঘুম, সহজে ভাঙে না। একজন ভৃত্য গিয়ে তাকে ঠেলা ঠেলি করতে লাগল।

    চক্ষু রাগড়াতে রাগড়াতে নেমে এসে রাইমোহন বললো, কী হলো? আজ আবার কী বৃত্তান্ত?

    হীরেমণি বললো, আমার সব্বোনাশ হলেও তো তুমি চোখ বুজে থাকবে। আদুড় গায়ে সেই কখন থেকে ডাঁড়িয়ে আচি, কেউ একবার ভাবে না। আমার কতা!

    রাইমোহন অন্যদের কাছ থেকে ঘটনাটি জেনে নিয়ে হীরেমণিকে বললো, এই জন্যই তো তোমায় পইপই করে বলচি, কলসী আর রেকোনি। পেতল কাসার জিনিস, তাই চোর ছাঁচোড়ে নিয়ে যায়। আজকাল বালটি বলে একরকম জিনিস বেরিয়েচে, বেশ মজবুত, লোহার তৈরি, তা কেউ নেবে না।

    হীরেমণি প্ৰায় আর্তকণ্ঠে চিৎকার করে উঠলো, আমি নোয়ার জিনিসের জলে চান করবো? ওরে আমার পেয়ারের নাঙ রে! অতি বড় শতুর ছাড়া কেউ এমন ধারা কতা বলে! আমার যদি কেউ হিতকারী হতো। তাহলে আমার চানের জন্যে সোনার কলসী থেকে গোলাপ জল ঢেলে দিত! বলে কিনা নোয়ার জিনিসে জল তুলবো! সেই জলে চান করে আমার গতরটা পচে যাক, তাতেই তোমাদের সুক হবে! ওঃ, এত বড় শত্তুরকে ঘরে রেকিচি!

    রাইমোহন এক গাল হেসে বললো, আমার তো শত্ৰু রূপেই ভজনা, তা তুমি জানো না? তুমি যতই আমায় গালি-গালাজ দাও, ততই আমার কানে সুধা বর্ষণ হয়!

    এতে হীরেমণি আরও বেশী ক্রুদ্ধ হয়ে আরও তপ্ত বাক্যস্রোত বইয়ে দিতে লাগলো। রাইমোহন অনবরত কৌতুক চালিয়ে গেল তার সঙ্গে। তারপর সত্যিই একবার হীরেমণির অঙ্গ থেকে গামছা খসে যেতেই রাইমোহন দাস-দাসী ও আশ্রিতদের তাড়া দিয়ে বললো, যা, যা, এখেনে হাঁ করে দাঁড়িয়ে কী দেকচিস? যা না, মসজিদের পাশের তালাও থেকে জল তুলে নিয়ে আয়!

    কিন্তু হীরেমণি তাতেও শান্ত হবার পাত্রী নয়। সে পুকুরের জলে স্নান করবে না, এমনকি অন্য কোনো পাত্রে তোলা জল হলেও চলবে না। আগে তার হারানো কলসীর ব্যাপারটির মীমাংসা করা দরকার। এবং তা রাইমোহনকেই করতে হবে।

    সেইজন্য রাইমোহন বউবাজারের মোড়ে গিয়ে দাঁড়ালো কুয়োর-জিনিস-তোলাবে-গোর খোঁজে। কিন্তু যখন যে জিনিসটি খুব বেশী প্রয়োজন, তখনই সেটি পাওয়া দুর্ঘট হয়ে ওঠে। যখন প্রয়োজন কোনো পরামাণিকের, তখন দেখা যায় গণ্ডায় গণ্ডায় মুচি। যখন চাই মুড়িওলীকে, তখন চোখের সামনে দিয়ে অনবরত যাবে দইওয়ালা। কুয়োর-জিনিস-তোলাবে-গোরা অন্যদিন পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে চেঁচিয়ে কান ঝালাপালা করে, আর এখন এই সঙ্কটের সময় তাদের পাত্তা নেই। এক ঘণ্টা অপেক্ষা করার পর রাইমোহন আরও শঙ্কিত হয়ে উঠলো, এতক্ষণে বাড়িতে কী কাণ্ড ঘটছে কে জানে! হীরেমণির অঙ্গ থেকে হয়তো আরও কয়েকবার গামছা খসে গেছে। রাত্তিরবেলা বড় বড় রহিস বাবুরা হীরেমণির রূপসুধা সন্দর্শনের জন্য অনেক অনুনয় বিনয় করেন, সে হীরেমণিই দিনের বেলা যেন কারুকে মানুষ বলেই গ্রাহ্য করে না।

    রাইমোহন একটি নতুন কলসী ও এক গাছি মোটা দড়ি কিনে বাড়ি ফিরলো। হীরেমণি তখন প্ৰায়োপবেশনের ভঙ্গিতে কুয়োর পাশের পাথরের পৈঠায় বসে আছে গালে হাত দিয়ে। নতুন কলসী দেখে সে আবার রাগে জ্বলে উঠতে যাচ্ছিল, তার আগেই রাইমোহন হাত তুলে বললো, রসো, রসো! সে মুখপোড়াদের একটারও দেকা পেলুমনিকো, তাই আমি নিজেই নাবচি। আমি নিজে এই কুয়োর মধ্যে ড়ুববো। তোমার জন্য আমি কী না পারি!

    তারপর সে কুয়োর ধাপের ওপরে উঠে বসে বললো, এক পাড়াগেয়ে বাঙালের মুখে একবার একটি গান শুনিচিলুম, বড় সরেস কথাগুলিন। তার দুটো একটা পংক্তি মনে আচে, কোথায় পাইমু কলসী কইন্যে, কোথায় পাইমু দড়ি, তুমি হইও গহীন গাঙ, আমি ড়ুইব্যে মারি? আমি ভেবেচিলুম, আমিও তোর ঐ চোখের গহীন গাঙে ড়ুবে মরবো, কিন্তু তা তো আর হতে দিলিনি, তাই দড়ি কলসী কিনে আনতে হলো।

    হীরেমণি বললো, আর রঙ্গ কত্তে হবে না তোমায়। অত যদি মরার ইচ্ছে তবে অ্যাতোদিন মরোনি কেন, কে তোমায় বারণ করেছেল?

    রাইমোহন বললো, মরিচি তো! তবে একবার মরলে সুখ হয় না, বারবার মর্তে ইচ্ছে করে!

    কুয়োর ওপরের লোহার দণ্ডটির সঙ্গে দড়িটিকে মজবুত করে বেঁধে তার অন্য প্ৰান্ত নিজের কোমরে জড়িয়ে রাইমোহন বললো, এই আমি বুললুম!

    তারপর কুয়োর মধ্যে এক পা গলিয়ে আবার সে বললো, যদি না ফিরি, তবে পরজন্মে দেকা হবে।

    অমনি সব কিছু বদলে গেল। হীরেমণি ছুটে এসে হাউ মাউ করে কেঁদে বললো, ওগো, না, যেওনি, যেওনি! আমার ঘাট হয়েচে!

    রাইমোহন বিয়োগান্ত নাট্যের শেষ দৃশ্যের নায়কের ভঙ্গিতে বললো, বুলবুল, তুই চাইলে আমি গোখরো সাপের মাথার মণিও আনতে যেতে পারি, এ তো সামান্য একটা কলসী!

    হীরেমণি বললো, না, না, আমার কলসী চাই না, আমার কিচু চাই না, তুমি চলে গেলে আমায় চিল শকুনে ছিঁড়ে খাবে!

    রাইমোহন আরও এক ধাপ নেমে বললো, বন্দুকধারী দ্বারোয়ান রেকো, চিল শকুন আলসের ধার ঘেষতে সাহস পাবে না!

    দাস-দাসী, আশ্রিতরা বারান্দায় সার বেঁধে দাঁড়িয়ে আছে। তাদের মধ্য থেকে হরচন্দ্র উৎসাহ দিয়ে বলে উঠলো, নেমে পড়ো, দাদা! ড়ু অর ডাই!

    হীরেমণি রাইমোহনের চুল খামচে ধরে বললো, এই আমি এখেনে কপাল কুটবো! তুমি মরে গেলে আমিও মরবো, আর একটি দিনও বাঁচবো না।

    আরও কিছুক্ষণ এইরূপ মস্করা চলার পর রাইমোহন উঠে আসে। বলাই বাহুল্য কুয়োর মধ্যে নেমে প্ৰাণ হারাবার ঝুঁকি নেবার বিন্দুমাত্র বাসনা তার ছিল না, সে হীরেমণিকে অতি উত্তমভাবেই চেনে। এরপর হীরেমণি খানিকক্ষণ কাঁদে এবং রাইমোহন নিজে জল তুলে হীরেমণির মাথায় ঢেলে স্নান করায়। খানিকবাদে শুদ্ধ বস্ত্ৰ পরে, এস্রাজ বাজিয়ে হীরেমণি যখন রেওয়াজ করতে বসে, তখন আবার তাকে মনে হয় সম্পূর্ণ অন্য মানুষ।

    এটি একদিনের ঘটনা। তবে প্রতিদিনই এ গৃহে এরকম কিছু না কিছু হয়ই। দিনের বেলা রাইমোহনের রঙ্গে হীরেমণির সম্পর্ক পুরোনো দাম্পত্যের মতন মধুর। রাইমোহনের ওপর হীরেমণি সম্পূর্ণ নির্ভরশীল। আর হীরেমণির সংসারই এখন রাইমোহনের সংসার। শহরের দু-চারজন বড় মানুষের গৃহে এখনো যাতায়াত থাকলেও মোসাহেবী পেশা রাইমোহন পরিত্যাগ করেছে, সারাদিন সে হীরেমণির সঙ্গে নানারকম ফষ্টি করে, আর রাতের বেলা বাবুরা এলে সে অদৃশ্য হয়ে থাকে। হীরেমণি কোথাও মুজরো গাইতে গেলে রাইমোহন নিজে পৌঁছে দিয়ে আসে তাকে।

    গায়িকা হিসেবে প্ৰতিষ্ঠাপন্ন হবার পর থেকে হীরেমণিরও খানিকটা পরিবর্তন এসেছে। নিছক দেহলোলুপ ধনীদের সে আর নিজ গৃহে সাদর অভ্যর্থনা জানাতে চায় না। নিতান্ত দু-চারজন পুরোনো বাবুদের সে এখনও ফেরাতে পারে না। শুধু। তাদের মধ্যেও যারা বেশী বাড়াবাড়ি করে, হীরেমণির শরীর-মনের ওপর অত্যাচার করার ব্যাপারে যাদের কোনো মায়া। দয়া নেই, তাদের তাড়াবার মোক্ষম কৌশল বার করে দিয়েছে রাইমোহন। সেই সব ধনীদের গুপ্ত পাপ কাহিনী নিয়ে গান বাঁধে রাইমোহন, হীরেমণিকে সেগুলো শিখিয়ে দেয়।

    রাইমোহন বলে, দ্যাখ না হীরে, শিগগির এমন দিন আসবে, যখন তোকে আর গাইতেও হবে না। শুধু শহরময় রটিয়ে দেবো যে তুই অমুক অমুক বড় মানুষ সম্পর্কে গান শোনাবি! অমনি দেকবি তারা ছুটে এসে সেই গান বন্ধ করার জন্য তোর পায়ে টাকা ঢেলে দেবে। বাগাড়ম্বর মিত্তির, গাধাকান্ত দেব, একে একে সববাইকে ধচ্চি!

    হীরেমণির পুত্ৰ চন্দ্ৰনাথ এখন বেশ ডাগরটি হয়েছে। তার বয়েস এখন চতুর্দশ বৎসর, পিতৃপরিচয়হীন এই কিশোরটির মুখশ্ৰীর মতন ব্যবহারও অতি মধুর। এই বয়েসেই সে অতি কম কথা বলে, যেটুকু বলে, তাও অতি নম্রভাবে। সে একা একা ক্রীড়া করে, একা একা পড়ে। বাড়িতে এত রকমের গোলমাল, সে ভ্রূক্ষেপও করে না। অতি শৈশবে তাকে দুধের সঙ্গে ঈষৎ আফিং-এর জল মিশিয়ে খাওয়ানো হতো বলে সে সন্ধ্যা থেকে নিদ্রা যেত। রাইমোহন সে কথা জানতে পেরে এখন তা বন্ধ করে দিয়েছে। কিশোরটি অতিশয় বুদ্ধিমান, মায়ের পেশার কথা সে জানতে পারবোই, বা ইতিমধ্যেই বুঝে গেছে হয়তো, সুতরাং কৃত্রিমভাবে তাকে ঘুম পাড়াবার কোনো প্রয়োজন নেই। বুকুক বা না বুকুক, চন্দ্রনাথ এ বাড়ির রাতের অতিথিদের সম্পর্কে কোনো কৌতূহল প্রকাশ করে না। হীরেমণির মনে হয়, তার পুত্রের বুঝি স্নেহ ভালোবাসা ইত্যাদি প্রবৃত্তিগুলিই কম। হীরেমণি যতটা ভালোবাসে তার সন্তানকে, সে তুলনায় চন্দ্রনাথের যেন মায়ের প্রতি তেমন টান নেই, এমনকি সে মায়ের কাছে কোনো আবদার পর্যন্ত করে না।

    লেখাপড়ায় তার অসম্ভব আগ্রহ। রাইমোহন নিজে তাকে বাংলা পড়িয়েছে। হরচন্দ্ৰ নামের মাতালটি ইংরেজি জানে বেশ, তার কাছেও ইংরিজি শিক্ষা করেছে চন্দ্রনাথ, এখন হরচন্দ্র নিজেই স্বীকার করেছে যে তার যতখানি বিদ্যে ছিল, তা চন্দ্ৰনাথের শিখতে বাকি নেই। আর, এখন তার উন্নততর শিক্ষক আবশ্যক। কিন্তু চন্দ্রনাথকে কোনো ইস্কুলে ভর্তি করার উপায় নেই। যে-কোনো বিদ্যালয়ে পড়তে গেলেই ছাত্রের পিতৃপরিচয় জানাবার প্রয়োজন হয়। রাইমোহন বারংবার বলেছে যে চন্দ্রনাথকে সে নিজের সন্তান হিসেবে গ্রহণ করতে চায়। বারাঙ্গনার গৃহের আবাসিক হলেও তার শরীরে এখনো খাঁটি ব্ৰাহ্মণের রক্ত বইছে। তার পদবী ঘোষাল, সমাজে এই পদবীর যথেষ্ট কদর আছে। এই ব্যাপারে হীরেমণি বিষম জেদী, সে কিছুতেই রাইমোহনের কথা শোনে না, সে এখনো বলে, ঈশ্বর তাকে এই পুত্রটি দান করেছেন, ঈশ্বরই তার পিতা।

    হায়, সব মানুষই ঈশ্বরের সন্তান, তবু বিশেষ কোনো একজন মানুষকে শুধু ঈশ্বরের সন্তান হিসেবে পরিচয় দিলে, সমাজ তা কিছুতেই মানবে না, উপহাস, ধিক্কার দেবে।

    ফিরিঙ্গিদের পাঠশা যায় অবশ্য ভর্তি করে দেওয়া যায়। ফিরিঙ্গিরা অতশত মানে না। কিন্তু সেখানে পাঠাতেও হীরেমণির নিতান্ত আপত্তি। ইদানীং শহরে যেন জুজুর ভয় রটেছে। ওলাউঠার হেঙ্গামার চেয়েও খৃষ্টানী হেঙ্গামা অতি প্রবল। একটু আধটু লেখাপড়া শিখলেই ছেলেরা খৃষ্টান হয়ে যাচ্ছে, এ ব্যাপারে মিশনারিদের উৎসাহ উদ্দীপনাও যেন হঠাৎ চতুৰ্গুণ হয়ে উঠেছে। বর্গীর ভয়ের মতন মা বাপের ছেলে-মেয়েদের ঘরে আটকে রাখে, কী জানি কখন পাদ্রীরা তাদের কানে ফুসমস্তর দিয়ে টেনে নিয়ে যায়।

    চন্দ্রনাথের লেখাপড়া বিষয়ে হীরেমণির মনে একটা অশান্তি চলছিল। সে নিজে বিদ্যাশিক্ষার অত কিছু মর্ম বোঝে না, কিন্তু তার ছেলেকে যারাই দেখে তারাই বলে যে, এ ছেলে বড় হলে হীরের টুকরো হবে। হীরেমণি দিশেহারা হয়ে যায়।

    একদিন দুপুরবেলা খেতে বসে রাইমোহন বললো, বুজলি হীরে, ইচ্ছে করলে চাঁদুকে এ দেশের সবচে বড়, সবচে ভালো বিদ্যালয়ে ভিত্তি করে দেওয়া যায়। হিন্দু কলেজের বহুৎ নাম ডাক, সেখানে তোর ছেলে পড়বে, যদি তুই নিজে দু-একটা কাজ করতে রাজি থাকিস।

    হীরেমণি অবাক হয়ে বললো, আমি আবার কী করবো? আমার ক অক্ষর গো-মাংস, ইস্কুলের ব্যাপার। আমি কী জানি!

    রাইমোহন বললো, সে আমি তোকে শিখেয়ে পড়িয়ে দেবো।

    রাইমোহনের পাশেই বসেছিল। হরচন্দ্ৰ। সন্ধের পর থেকেই সে মাতাল হয়ে থাকলেও দুনিয়া সম্পর্কে কিছু খোঁজ খবর রাখে। সে বললো, দাদা, এ কথাটি আমিও ভাবছিলুম কদিন ধরে। লোকমুখে শুনতে পাচ্চি, বেথুন নামে নাকি একজন সাহেব এয়েচে, সরকারি ইস্কুল বিভাগের বড় কত্তা হয়ে। তিনি নাকি অনেক নিয়ম উল্টে দিয়েচেন আর মেয়েছেলেদেরও পড়ালেখা শিকোচেন। সে সাহেবটি খানিকটা দিলাদরিয়া, মাতা পাগলা গোচের। অনেকটা–সেই যে ডেভিড হেয়ার ছেলেন, তেনার মতন আর কি!

    রাইমোহন বললো, তুই ডেভিড হেয়ারের কতাও জানিস নাকি?

    হরচন্দ্ৰ কানে হাত দিয়ে বললো, সে মহাত্মার কথা কে না জানে! আমি নিজেই তো হেয়ার সাহেবের পটলডাঙার ইস্কুলে পড়িচি।

    —তা নেকাপড়া শিকেও তোর এই অবস্থা হলো কেন? এমন নিষ্কম্মার টেকি হয়ে রইলি!

    —সে দাদা, আমার নিয়তি।

    –তুই কতদিন বাড়ি-ছাড়া হয়ে আচিস?

    –তা বছর পাঁচেক হবে।

    –তুই তার পর থেকে আর কিছুই জানিসনি বোধ করি? সে হেয়ার সাহেব তো কবে পটল তুলে হেভেনে চলে গ্যাচেন রে! ভালো সাহেবরা এ দেশে বেশী বাঁচে না। যে গুলোন রক্তখেকো, সে গুলোন বাঁচে।

    হীরেমণি বললো, আবার কী সব হ্যান ত্যান কতা শুরু করলে। চাঁদুর ইস্কুলে ভত্তির কতা কী বলছেলে যে!

    হরচন্দ্র বললো, দিদি, আমি নিজে গিয়ে চাঁদুকে হিঁদু কলেজে ভত্তি করিয়ে দিয়ে আসবো। দরকার হলে সাহেবদের পায়ে ধরে বলবো, টেস্ট নাও! ছেলেকে যাচিয়ে দেকো।

    রাইমোহন তাকে ধমক দিয়ে বললো, তুই থাম! ওতে কিচু হবে না। সাহেবরা পারবে না। আমাদের জাতের বড় বড় মাতা মাতা লোকেরা এখনো কমিটি মেম্বর রয়েচেন, তাঁদের অমতে কিচু হবেনি কে। তাঁদের ধরতে হবে।

    তারপর সে হীরেমণির দিকে ফিরে বললো, পশু দত্ত বাড়িতে তো গান গাইবার মুজরো আছে। আমি খবর নিইচি, সেখানে লাট-বেলোট ইংরেজরা তো আসবেই, শহর ছেঁকে বড় মানুষরা আসবে, তার মধ্যে হিন্দু কলেজের অভিভাবক সভার অধ্যক্ষও থাকবেন পাঁচজন। তুই তাঁদের পানে চেয়ে গাইবি। গান গেয়ে তাঁদের মাৎ করে দিতে পারবিনি?

    হীরেমণি বললো, কী জানি বাবা! অত বড় আসরে কে মাৎ হলো কি না হলো, তা কি আমি ঠাহর কত্তে পারি?

    রাইমোহন বললো, ভাবের গান গাইবি, ভক্তির গান গাইবি। মদের আসরে ভক্তির গান বেশী জমে, বাবুদের চোকে জল এসে যায়। তোকে সেইটি কত্তে হবে। যে পাঁচজন বাবুর নাম বলে দেবো, তাদের পানে চেয়ে কুর্নিশ করবি। তেনারা নিশ্চয়ই কেউ তোকে মালা কিংবা মোহর ছুঁড়ে দেবেন। দেন তো সেরকম!

    হীরেমণি ওষ্ঠ উল্টে বললো, কতো! যেগুলো ফোতো, তারা মালাই বেশী দেয়।

    রাইমোহন বললো, শোন, যখন ঐ পাঁচজনার মধ্যে কেউ কিচু দেবে, না হয় শুধু মালাই দিল, তখন তুই উঠে তেনার একেবারে সামনে গিয়ে চোখ ছিলোছালো করে বলবি, আমি সামান্য স্ত্রীলোক, আমার আর শিরোপা দরকার নেই, যদি আপনাদের মনোরঞ্জন কত্তে পেরে থাকি, তবে আমার ছেলেটার একটা গতি করে দিন। তারপর সব খুলে বলবি, দরকার হয় পায়ে পড়বি প্রথমেই। পারবি না?

    রাইমোহনের এই পরামর্শ একেবারেই কার্যকর হলো না। সে রাত্রে ফিরে এসে হীরেমণি তাকে এই মারে কি সেই মারে! তাকে অপমানের একশেষ হতে হয়েছে। হিন্দু কলেজ কমিটির মেম্বারদের যে পাঁচজনের নাম সে করেছিল, তাদের একজনের কণ্ঠে অতিরিক্ত বাহবা শুনে এবং বারবার মালা ছোঁড়ার বহর দেখে হীরেমণি এগিয়ে গিয়ে তার বক্তব্যটি শোনাবার আগেই পায়ে হাত দিয়ে প্ৰণাম করেছিল। ব্যস, আর যায় কোথায়। সেই মহাপুরুষ অমনি অগ্নিশর্মা হয়ে বললেন, কী, এতবড় সাহস! একজন পতিতা তাঁর অঙ্গ স্পর্শ করে? এর মানীর মান রাখতে জান না। বাঁদর যেমন লাই দিলে মাথায় ওঠে…

    সব শুনে ক্ৰোধে রাইমোহনের চোয়াল শক্ত হয়ে গেল। অনেককাল সে ধনীদের মোসাহেবী করেছে, ইদানীং যেন সব ধনীদের ওপরেই তার জাতক্ৰোধ জন্মে গেছে। সে নিষ্ঠুর হাস্যমিশ্রিত কণ্ঠে বললো, তাই! কাঁদিসনি, বুলবুল। তোর ছেলেকে আমি ঐ হিন্দু কলেজে ভত্তি করাবোই। এ নিয়ে আমি ধুন্ধুমার কাণ্ড বাঁধাবো, তুই দেকে নিস। পিশোচের দল! পতিতা অঙ্গ স্পর্শ করলে রাগ দেখানো! লোকসমক্ষে ভণ্ডামি। আর একলা একলা ঘরের মধ্যে ঐসব বাবুরাই যে তোর মতন মেয়েমানুষের পায়ে ধরে–একে একে আমি সব হাটে হাঁড়ি ভাঙবো।–

    এরপর দিনক্ষণ দেখে এক সকালে রাইমোহন চন্দ্ৰনাথ আর হীরেমণিকে নিয়ে যাত্রা করলো। সেদিন সে চন্দ্রনাথকে নিজের হাতে সাজিয়েছে, ধুতির ওপর মলমলের কুর্তা, কাঁধে মুগার উড়নি, পায়ে ইংলিশবাড়ির জুতো। চন্দ্রনাথকে দেখাচ্ছে যেন এক বিয়ের আসরের খুদে বরের মতন। হীরেমণিকেও সে দারুণ জমকালোভাবে সাজতে বাধ্য করেছে। দিনের বেলা হীরেমণির এমন সাজ কেউ কখনো দেখেনি। পায়ে জরির নাগরা, সিল্কের শালোয়ার কামিজ, তার ওপরে কাশ্মিরী মলিদা। তার দশ আঙুলে সাতটি অঙ্গুরীয় এবং ওষ্ঠ তাম্বুল রঞ্জিত। এই সাজে সে রাত্রিকালে প্রমোদভবনে যায়, অথচ আজ দিনের বেলা রাইমোহন এমন সাজেই তাকে নিয়ে যেতে চায় বিদ্যালয়ে।

    একটা ভাড়া করা জুড়িগাড়ি এসে থামলো পটলডাঙ্গার মোড়ে হিন্দু কলেজ ভবনের সামনে। গাড়ি থেকে নেমে রাইমোহন হীরেমণিকে বললো, যা, ছেলের হাত ধরে সটান ভেতরে ঢুকে যা। চিবুক উঁচু রাখবি, চোক মাটির দিকে নামাবিনি একবারও। যা শিখ্যে দিইচি, ঠিক তেমনটি তেমনটি বলবি। যা।

    হীরেমণি বললো, তুমিও সঙ্গে চলো না। আমার যে ভয় কচ্চে!

    হীরেমণিকে দেখে ইতিমধ্যেই পথে ভীড় জমে গেছে। সেদিকে ভ্রূক্ষেপ না করে রাইমোহন বললো, কোনো ভয় নেই, চলে যা। আমি খপর নিইচি, আজ মেম্বারদের মিটিন আছে। দেখচিসনি, তেনাদের গাড়িগুলি দাঁড়িয়ে আচে সার বেঁধে। একেবারে সক্কিলের সামনে গিয়ে দাঁড়াবি!

    রাইমোহন নিজে তাদের ধরে কয়েক কদম এগিয়ে দিয়ে আবার ফিসফিস করে হীরেমণির কানে কানে বললো, সব ঠিক ঠিক মনে আচে তো? চিবুক উঁচিয়ে একেবারে সক্কিলের সামনে গিয়ে দাঁড়াবি। বলবি, আমার ছেলেকে ভত্তি করাতে এনিচি। আমার নাম হীরা বুলবুল, আমাকে আপনার চেনেন না? তারপর ওনারা যখন শুধোবেন, ছেলের বাপের নাম কী, তুই একে একে সকলের মুখের দিকে তাকবি। তারপর কচাং করে একবার চোখ মেরে, আলতো করে হেসে বলবি, বলবো? ওর বাবার নাম এখেনে বলাটা কি ভালো হবে? তার চেয়ে বরং লিখে নিন, ওর বাবার নাম ভগবান।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্রিস-ক্রস – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    Next Article একটি পেরেকের কাহিনী – সাগরময় ঘোষ

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    কৈশোর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    অর্ধেক মানবী – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ফুলমণি-উপাখ্যান – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026
    Our Picks

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026

    একটি পেরেকের কাহিনী – সাগরময় ঘোষ

    August 11, 2026

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }