Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026

    একটি পেরেকের কাহিনী – সাগরময় ঘোষ

    August 11, 2026

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প736 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩৬. সংস্কৃত কলেজের দ্বিতলের বারান্দা

    সংস্কৃত কলেজের দ্বিতলের বারান্দায় দাঁড়িয়ে আছেন বিদ্যাসাগর। প্রায়ই ছাত্রদের মধ্যে মারামারি লাগে। বিশেষত, পিঠোপিঠি ভাই-বোনের মতন, পাশাপাশি সংস্কৃত ও হিন্দু কলেজের ছাত্ররা তুচ্ছ কারণে বিবাদে প্রবৃত্ত হয়। বয়েসসুলভ চাপল্যে ছাত্ররা এরকম পারস্পরিক লড়াই মাঝে মাঝে করবেই, অধিকাংশ সময়েই বিদ্যাসাগর ওপর থেকে সে দৃশ্য উপভোগ করেন, কখনো চেঁচিয়ে বলেন, দেখি, কে জেতে! মারামারি গুরুতর আকার ধারণ করলে অবশ্য তিনি নিজে নেমে যান তাদের থামাতে, দু-একবার পুলিসও ডাকতে হয়েছে।

    রসময় দত্ত ইস্তফা দেবার পর বিদ্যাসাগর সংস্কৃত কলেজের সেক্রেটারি হয়েছিলেন, এখন সেক্রেটারির পদ উঠে গেছে, বর্তমানে বিদ্যাসাগর এই কলেজের অধ্যক্ষ। এবং দেশে শিক্ষা বিস্তারের ব্যাপারে ভারতের ইংরেজ সরকার বিদ্যাসাগরের ওপরে অনেকখানি নির্ভরশীল।

    আজ অবশ্য মারামারি বাধেনি, বিদ্যাসাগর দেখলেন হিন্দু কলেজের প্রবেশদ্বারের কাছে একটি জুড়িগাড়ি থেমেছে এবং সেখানে কিসের যেন গোলমাল হচ্ছে। ওপর থেকে তিনি সব ব্যাপারটা বুঝতে পারলেন না। তবে এটা তাঁর প্রতিষ্ঠানের ব্যাপার নয় বলে তিনি একটু পরে চলে গেলেন নিজের দপ্তরে।

    হিন্দু কলেজের প্রবেশদ্বারের কাছে গোলমাল ক্রমশই বাড়ছিল। এক বালকের হাত ধরে ঝলমলে পোশাকে ভূষিতা এক উগ্রযৌবনা রমণী কলেজের মধ্যে ঢুকতে চাইছে। এমনটি আর কখনো ঘটেনি, দেশগৌরব এই বিদ্যালয়ে এর আগে আর কোনো নারী প্ৰবেশ করেনি।

    আরে একি একি—বলে শোরগোল তুলেছে একদল বালক। সম্ভ্রান্ত বংশীয় বালকেরা চুপ করে দেখছে এক পাশে দাঁড়িয়ে। এদের মধ্যে রয়েছে রামকমল সেনের পৌত্র কেশবচন্দ্ৰ, দ্বারকানাথ ঠাকুরের পৌত্ৰ সত্যেন্দ্রনাথ, মহেন্দ্রলাল সরকার, দীনবন্ধু মিত্র, প্রতাপচন্দ্র মজুমদার ইত্যাদি। কেশব অত্যন্ত ধীর স্থির ও গম্ভীর স্বভাবের বালক, সে নিঃশব্দে তাকিয়ে রইলো স্থির দৃষ্টিতে, অন্যরা সবিস্ময়ে ফিসফিস করতে লাগলো। স্ত্রীলোকটির সঙ্গের বালকটি তাদেরই বয়েসী, লজ্জায় তার মুখ আরক্ত, সে কোনোদিকে তাকাচ্ছে না।

    হীরে বুলবুল কোনোদিকে ভ্রূক্ষেপ না করে পুত্রকে নিয়ে সোজা ঢুকে এলো ভেতরে। সিঁড়ির পাশের বাঁ দিকের প্রশস্ত ঘরটিতে কমিটি মেম্বাররা প্রয়োজনে মিলিত হন। রাইমোহনের সংবাদ সঠিকই ছিল, আজ ইংরেজ ও ভারতীয় সদস্যরা অনেকেই এসেছেন কোনো একটি জরুরি ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবার জন্য। পুত্ৰ সমেত হীরাকে প্রবেশ করতে দেখে মাননীয় দেশী সদস্যরা সবাই যেন আঁতকে উঠলেন।

    রাইমোহন যা শিখিয়েছিল, তোতাপাখির মতন গড় গড় করে বলে গেল সে কথা। সে চক্ষু নত করেনি এবং চিবুক উঁচিয়ে রেখেছে। হীরেমণি যে একজন বারাঙ্গনা, সে কথা কারুর বলে দেবার অপেক্ষা রাখে না, তাকে দেখা মাত্র বোঝা যায়।

    হীরেমণির কথার মধ্যপথেই একজন দেশী সদস্য চেঁচিয়ে উঠলো, আরো মলো যা, কী উৎপাত! দ্বারবান বেটারা কই? রামটহল! ব্ৰজবাসী!

    হীরেমণি বললো, আমার নাম হীরা বুলবুল। দারোয়ান বেটারা আমার গায়ে হাত দেবে? অ্যাতগুলোন ভদ্দরলোক এখানে বসে থাকতে?

    ইংরেজ সদস্যরা বাধা দিয়ে বললো, আগে ব্যাপারটা শোনা যাউক। হে মহোদয়া, আপনি আসন পরিগ্রহণ করুন!

    অমনি ভারতীয় সদস্যদের মধ্যেকার একজন সমাজ শিরোমণি বলে উঠলেন, সে কি মহাশয়, এক কুলটা রমণী আমাদের সম্মুখে বসিবে কি? তাহার সংস্পর্শে এই পুতঃ বিদ্যালয় অপবিত্র হইয়া যাইতেছে!

    হীরেমণি কয়েকজন দেশীয় সম্ভ্রান্ত সদস্যের মুখের ওপর স্থির দৃষ্টি ন্যস্ত করে রইলো, যেন এখনি সে বলে উঠবে, কী গো বাবু, আমায় চিনতে পাচ্চো না? কতদিন আমার গা ঘেঁষাঘেষি করোচো, তা মনে করিয়ে দিতে হবে?

    মুখে অবশ্য সে কথা বললো না হীরেমণি, যেন তার দৃষ্টিই যথেষ্ট।

    ইংরেজ সদস্যরা কৌতুক পেয়ে গেল। মুসলমান ও খৃষ্টান ছাত্রদের এ কলেজে প্রবেশ অধিকার এখনো নেই। এমনকি, কোনো হিন্দু ছাত্র বা শিক্ষক ধর্মান্তরিত হলেই হিন্দু সদস্যরা তাদের তাড়াবার জন্য উঠে পড়ে লাগে। এবার ইংরেজ সদস্যরা সুযোগ পেয়েছে। তারা একযোগে বললো, আপনাদের আপত্তির কারণ তো কিছু বুঝিতে পারিতেছি না? এই রমণী কি হিন্দু নয়? হিন্দুর সন্তান অবশ্যই হিন্দু হইবে!

    এক ভারতীয় সক্রোধে বলে উঠলেন, বেশ্যার ছেলের আবার জাত কী? ওর কি কোনো বাপের ঠিক আছে?

    হীরেমণি চোখ ঘুরিয়ে মুচকি হাসলো। তারপর বঙ্গের মুখোজ্জ্বলকারী ব্যক্তিদের প্রত্যেকের মুখের দিকে একে একে দৃষ্টি ফেলে সে বললো, বলবো? এখেনে সকলের সামনে ওর বাপের নাম বলবো? সেটা কি ঠিক হবে? ভেবে দোকুন। একবার!

    অমনি সব উজ্জ্বল মুখগুলি স্নান হয়ে গেল। মনে মনে সবাই প্ৰমাদ গুণলেন। এ পাপীয়সীর মনে কী আছে কে জানে! যদি মিথ্যেমিথ্যে যে-কোনো একজনের নাম বলে দেয়? একবার কলঙ্ক রটে গেলে তা আর সহজে ফেরানো যায় না। বেশ্যার মুখের কথা সারা শহর রসিয়ে রসিয়ে উপভোগ করবে। দুরাচার, সংবাদপত্রের মসিজীবীরা তাই নিয়ে বানাবে সাত কাহন।

    হীরেমণি বললো, বলচি তো, লিকে নিন, ওর বাপের নাম ভগবান!

    ভারতীয় সদস্যরা সদলে একযোগে প্ৰতিবাদ স্বরূপ সভাস্থল পরিত্যাগ করে চলে গেলেন। ইংরেজ সদস্যরা পরীক্ষা করে দেখলো হীরেমণির সন্তানের শিক্ষাগত যোগ্যতা। চন্দ্ৰনাথের মেধা সম্পর্কে কোনো সন্দেহের অবকাশ থাকবার কথা নয়। ইংরেজরা একতরফাভাবে চন্দ্রনাথকে হিন্দু কলেজের তৃতীয় শ্রেণীতে ভর্তি করে নেবার সিদ্ধান্ত নিল। তদণ্ডেই কলেজের অধ্যক্ষ চন্দ্রনাথের হাত ধরে নিয়ে গিয়ে বসিয়ে দিয়ে এলেন ক্লাসে।

    বিজয়িনীর ভঙ্গিতে বেরিয়ে এলো হীরেমণি। কিছু দূরে অপেক্ষা করছিল জুড়িগাড়িটি, তার মধ্যে ঘাপটি মেরে বসে আছে রাইমোহন। হীরেমণি একা এসে গাড়িতে উঠতেই রাইমোহন সেই বসা অবস্থাতেই নৃত্য শুরু করে দিল যেন। দন্তপাটি বিকশিত করে সে বলতে লাগলো, কেমন, ফললো কি না! ফললো কি না! দিয়িচি সব ব্যাটার থোঁতা মুখ ভোঁতা করে। কেমুন ল্যাজ গুটিয়ে ভোগে পড়লো সব!

    গাড়ি ঘরঘরিয়ে চললো, আর তার মধ্যে উল্লাসে লাফাতে লাগলো রাইমোহন।

    সেদিন হিন্দু কলেজের তৃতীয় শ্রেণীর বাকি সব ছাত্রদের বাড়িতে এসে স্নান করে মাথায় গঙ্গাজল স্পর্শ করতে হলো। তাদের সেদিনকার পরিধেয় বস্ত্র ফেলে দেওয়া হলো পথে। অভিভাবকদের মধ্যে সৃষ্টি হলো সাংঘাতিক উত্তেজনার। দেশ বুঝি রসাতলে যেতে বসেছে। একি অনাচার! একি অনাচার! শোভাবাজারে রাধাকান্ত দেবের প্রাসাদে, জোড়াসাঁকোয় দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের অট্টালিকায় এবং তালতলায় রাজেন্দ্রনাথ দত্তের ভবনে পৃথক পৃথক ভাবে বড় মানুষদের সভা বসলো। এর প্রতিবিধান না করতে পারলে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যাবে। হিন্দু কলেজের প্রতিষ্ঠা করেছিলেন দেশের বড় বড় হিন্দুরাই, আজ সে প্রতিষ্ঠান ইংরেজদের কুক্ষিগত।

    পরদিন হিন্দু কলেজে বহু ছাত্রই অনুপস্থিত হলো। তৃতীয় শ্রেণীতে চন্দ্রনাথ ছাড়া আর একজনও আসেনি। বই ও খাতা নিয়ে চন্দ্রনাথ এক চুপ করে বসে রইলো ক্লাস ঘরে। হিন্দু অধ্যাপকরা অনেকেই তৃতীয় শ্রেণীতে গিয়ে চন্দ্রনাথকে পড়াতে রাজি নয়। কিন্তু ইংরেজ অধ্যক্ষ অনড়। যে-সব অধ্যাপক পড়াতে রাজি নন, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্ৰহণ করা হবে। চন্দ্রনাথকে ভর্তি করানো হয়েছে যখন, তখন সে পড়বেই। একজন ইংরেজ অধ্যাপক তৃতীয় শ্রেণীতে এক চন্দ্রনাথকে পড়বার উদ্দেশে এসে বললেন, কাম অন, মাই বয়, উই শ্যাল রীড পোয়েট্রি টুডে। তুমি বায়রনের নাম শুনিয়াছ?

    চন্দ্রনাথ নম্রভাবে উঠে দাঁড়িয়ে আবৃত্তি করলো, ও টক নট টুমী অফ এ নেম গ্রেট ইন স্টোরি; দি ডেইজ অফ আওয়ার ইউথ আর দি ডেইজ অফ আওয়ার গ্লোরি…

    সাহেব শুনে চমৎকৃত হয়ে গেলেন।

    দেশীয় সমাজের প্রবল প্রতিবাদের উত্তরে ইংরেজ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য হলো এই যে, বারবনিতারা নিজে থেকে জন্মায় না। এই সমাজই বারবনিতা তৈরি করে। যে সমাজ বারবনিতাদের পোষণ করতে পারে, সে সমাজ তাদের সন্তানদের শিক্ষার সুযোগ দেবে না কেন? ইংলণ্ডেও বারবনিতা আছে। সেখানে তাদের সন্তানদের বিদ্যালয়ে যাওয়ার কোনো বাধা নেই।

    দ্বিতলে বসে ঈশ্বরচন্দ্ৰ বিদ্যাসাগর যথাসময়ে শুনলেন হিন্দু কলেজের ঘটনা। তিনি কোনো মন্তব্য করলেন না। হিন্দু কলেজের সঙ্গে তাঁর কোনো সংশ্ৰব নেই, শুধু সেখানকার দু-একজন ইংরেজী ভাষার শিক্ষকের কাছে তিনি ছুটির পর নিয়মিতভাবে ইংরেজী সাহিত্যের পাঠ নিতে যান। সুতরাং সেখানকার সব কথাই তাঁর কানে আসে।

    সেদিন কাজ সেরে বেরুতে তাঁর অনেক দেরি হয়েছে। কলেজ থেকে বেরিয়ে তিনি গেলেন সুকিয়া স্ট্রিটে তাঁর বন্ধু রাজকৃষ্ণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে। এখানে তিনি প্রায়ই আসেন। সর্ব ব্যাপারে রাজকৃষ্ণ তাঁর সহচর। রাত্রের আহার সেখানেই সেরে বিদ্যাসাগর আবার বাড়ির দিকে রওনা হলেন। রাজকৃষ্ণ একটি গাড়ির ব্যবস্থা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বিদ্যাসাগর রাজি হননি। তাঁর পায়ের তলায় শর্ষে, তিনি হেঁটে হেঁটেই দুনিয়া ঘুরতে পারেন। সুকিয়া স্ট্রিট থেকে বউবাজার আর কতখানিই বা দূরত্ব। একটু একটু বৃষ্টি পড়ছে, তবু তিনি ভ্রূক্ষেপ করলেন না।

    পথে এক স্ত্রীলোক তাঁর পিছু নিল। সে হতভাগিনী মানুষ চিনতে পারেনি। কিংবা বেশী রাতে একা পথচারী দেখে সে উপযুক্ত খরিদ্দারই মনে করেছে। প্রথমে কিছুক্ষণ সে কানের কাছে প্যান প্যান করলো, তারপর একবার মরিয়া হয়ে ঈশ্বরচন্দ্রের হাত চেপে ধরলো।

    ঝটকা দিয়ে হাত ছাড়িয়ে নিয়ে বিদ্যাসাগর হেঁটে গেলেন হন হন করে। একটু দূরে গিয়ে থামলেন। তারপর আবার ফিরে আসতে লাগলেন মেয়েটির কাছে। হঠাৎ তাঁর চোখে জল এসে গেল। এই এক তাঁর রোগ, যখন তখন কান্না এসে যায়। যুক্তি দিয়ে তিনি মস্তিষ্কে সব বোঝেন, তবু হৃদয়দৌর্বল্য কিছুতেই কমে না।

    স্ত্রীলোকটি অল্পবয়েসী, রোগা ছিপছিপে চেহারা, মুখখানি শুকনো। ঈশ্বরচন্দ্র তার সামনে এসে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করলেন, এত রাত্রে বৃষ্টির মধ্যে আর পথে পথে ঘুরছে কেন? বাড়ি যাও! ঈশ্বরচন্দ্ৰকে দেখে মেয়েটি একটি হতাশ নিশ্বাস ফেললো। চেহারা দেখলেই মনে হয় কোনো বাড়ির রসুই বামুন, কিংবা পুজুরী। পয়সাকড়ির মুরোদ নেই। মেয়েটির ভাগ্যে এত রাতে একটি ভুল লোকই জুটেছিল।

    মেয়েটি বললো, কী করবো ঠাকুর। আজ একটা খদেরও জোটেনি। বাড়িতে একটা আধলাও নেই, খাবো কী?

    ঈশ্বরচন্দ্ৰ চোখ নীচু করলেন। কোন মুখে তিনি এই ভাগ্যহীনা রমণীকে তিরস্কার করবেন? আবার তিনি একা এই সমস্যা দূর করবেনই বা কী করে? এই সমাজ স্ত্রীলোকদের লেখাপড়া শেখাতে দেয় না। এই সমাজ স্ত্রীলোকদের অতি শৈশব অবস্থায় বিবাহ করতে বাধ্য করে। তারপর দৈবাৎ কোনো স্ত্রীলোকের স্বামী মারা গেলে, সে বিধবার সমস্ত সাধ আহ্লাদ ঘুচে যায়। সারা জীবনের মতন। মৃত স্বামীর বিষয়-সম্পত্তি লুটে পুটে নেয় পাঁচ ভূতে। তারপর সেই স্ত্রীলোক যদি গ্রাসাচ্ছাদনের জন্য পথে নামতে বাধ্য হয়, অমনি সেই সমাজ তাকে পতিতা বলে ঘোষণা করে দেয়। হীরা বুলবুল তার সন্তানকে হিন্দু কলেজে ভর্তি করে সমাজের নীচের তলার অনেক ক্লেদ প্রকাশ্যে এনে দিয়েছে। হীরা বুলবুলের সন্তানের জনক কে, সমাজেরই কোনো বড় মানুষ নিশ্চয়ই।

    ঈশ্বরচন্দ্রের সঙ্গে যা পয়সাকড়ি ছিল মেয়েটির হাতে তুলে দিয়ে বললেন, আজ আর বৃষ্টিতে ভিজো না। আজ বাড়ি যাও।

    মেয়েটি বললো, তুমি আমায় এমনি এমনি পয়সা দিচ্চো কেন? তুমি কে গা?

    ঈশ্বরচন্দ্ৰ বললেন, আমি কেউ না।

    তারপর তিনি হন।হন করে হাঁটতে শুরু করলেন। মেয়েটি চিৎকার করতে লাগলো, ও ঠাকুর, চলে যাচ্চো কেন, লজ্জা কী? আমি তোমায় ভালো করে সুখ দেবো! ও ঠাকুর…

    ঈশ্বরচন্দ্র দু হাতে কান চাপা দিয়ে ছুটতে লাগলেন প্রায়।

     

    হিন্দু কলেজে ছাত্রসংখ্যা প্রতিদিনই কমতে লাগলো। অনেক ছাত্র বই খাতা নিয়ে এসে বিপরীত দিকে দাঁড়িয়ে থাকে, চন্দ্রনাথকে ঢুকতে দেখলে তারা বিদ্রুপ ধ্বনি দেয়। চন্দ্রনাথ গ্রাহ্য করে না।

    সাতদিন পরে একদিন কলেজ থেকে বাড়ি ফেরার পথে তিন-চারজন লাঠিধারী জোয়ান পিছন থেকে অকস্মাৎ মারতে লাগলো চন্দ্রনাথকে। চন্দ্রনাথ দৌড়ে পালাবারও সময় পেল না, রক্তাপ্লুত অবস্থায় পড়ে গেল মাটিতে। দুৰ্বত্তরা চম্পট দিল অবিলম্বে। চন্দ্রনাথ পড়েই রইলো। সেখানে, একটা কুকুর এসে গন্ধ শুকে গেল। কিন্তু কোনো মানুষ তাকে স্পর্শ করলো না।

    সেদিন আবার সন্ধের আগেই রাইমোহন মাতাল হয়ে বসে আছে। হরচন্দ্ৰ কোথা থেকে কিছু টাকা জোগাড় করেছে, সে-ই ক্রয় করে এনেছে বোতল, তারপর দুজনে মিলে উচ্চণ্ড মাতলামি শুরু করেছে। এদিকে বেলা পার হয়ে আঁধার হয়ে আসার পর হীরেমণি উতলা হয়ে উঠলো ছেলের জন্য। সে রাইমোহনের কাছে এসে কিছু বলতে এলে রাইমোহন হেসে উড়িয়ে দেয়। চন্দ্রনাথ তো আর তেমন ছেলেমানুষটি নয় যে পথ হারিয়ে ফেলবে। সাহেবরা তাকে একলা একলা পড়ায়, সেইজন্য বোধহয় সময়ের ইশবোধ নেই।

    শেষ পর্যন্ত এক গাছ মুড়ো ঝাঁটা এনে হীরেমণি সপাসপ করে পেটাতে লাগলো। ওদের দুজনকে। তখন ওরা দৌড়ে বেরিয়ে পড়লো পথে। গলা ধরাধরি করে দুই মাতাল চলতে লাগলো, আর মাঝে মাঝে পথের মানুষদের ডেকে ডেকে জড়িত কণ্ঠে শুধোয়, ওগো, তোমরা কেউ চাঁদুকে দেখেছে? লোকেরা কোনো উত্তর না দিয়ে ভয়ে পালিয়ে যায়। একবার পটলডাঙ্গায় হিন্দু কলেজ পর্যন্ত গিয়েও তারা ফিরে এলো, কলেজের দ্বার বন্ধ, সেখানে কেউ নেই। গোলদীঘিতে বসে আরও সুরাপান ও সামনের দোকান থেকে কাবাব এনে ভক্ষণের প্রস্তাব দিল হরচন্দ্ৰ, কিন্তু রাইমোহন বললো, না, চল, বাড়ি যাই। গিয়ে দেকবো, চাঁদু পৌঁচে গ্যাচে, আর হীরেকে বলবো, নে, এখন সব ঝাঁটার বাড়ি ফেরৎ নে।

    ফেরার পথে তারা দৈবাৎ আবিষ্কার করলো চন্দ্রনাথকে। রক্তমাখা নিষ্পন্দ চন্দ্রনাথকে দেখেই তারা কেঁদে উঠলো ড়ুকরে। পথের ওপর বসে পড়ে ওরা প্রকৃতপক্ষেই শোকে আকুল হয়ে উঠলো, ওরা দুজনেই চাঁদুকে খুব ভালোবাসে। এই সংবাদ এখন হীরেমণিকে জানাবেই বা কী করে? রাইমোহনের শোক রূপান্তরিত হলো ক্ৰোধে, সে শহরের সব বড় মানুষের নাম উচ্চারণ করে করে বাপান্ত করতে লাগলো।

    তার সেই গালিগালাজেই আকৃষ্ট হলেন দুর্গাচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এখন শহরের নামকরা চিকিৎসক, রুগী দেখে ফিরছিলেন নিজের পালকিতে, মুখ বাড়িয়ে দেখলেন এক কিশোরের শায়িত দেহের পাশে বসে চিল্লাচ্ছে দুজন মাতাল। তিনি ভর্ৎসনা করে বললেন, এই! চুপ করবি, না পুলিসে এত্তেলা পাঠাবো!

    দুর্গাচরণ পালকি থেকে নেমে কিশোরটির উপুড় হওয়া দেহটি উল্টে দেখলেন। চন্দ্রনাথের মৃত্যু হয়নি, মস্তিষ্কে প্ৰচণ্ড আঘাত পেয়ে সে অচৈতন্য হয়ে আছে।

    দুর্গাচরণ প্রশ্ন করলেন, একে এমনভাবে কে মেরেছে? তোরাই মারিসনি তো?

    রাইমোহন উন্মাদের মতন বললো, একে মেরেচেন আপনি! আর এই চারদিকের বাড়িগুলানে, এ শহরে যত ভদ্দরলোক আচে, তারা সবাই মিলে মেরেচে।

    দুর্গাচরণ বললেন, তোরা এখেনে জুটলি কোন চুলো থেকে? শেয়ালকুকুরের মতন অলুক্ষণে কান্না জুড়েচে। এ ছেলেটার চিকিৎসা করালে তো এখনো বেঁচে যাবে। নে, একে পালকিতে তোল!

    রাইমোহন তবু তেড়িয়া গলায় বললো, দেখুন মশায়, আগে থেকেই একটা কতা বলে দি। এ কিন্তু বেশ্যার ছেলে। একে ছুঁলে আপনার আবার জাত যাবে না তো?

    হরচন্দ্র বললো, হি ইজ এ পিউপিল অব দি হিন্দু কলেজ। হিজ মাদারস নেম ইজ হীরা বুলবুল!

    দুর্গাচরণও শহরের এই চাঞ্চল্যকর বৃত্তান্তটি শুনেছেন। এক নিমেষেই তিনি সব বুঝে গেলেন। তিনি বললেন, আমি ডাক্তার, আমি জাত-বিজেত বুঝি না। নে, নে, আর দেরি করিসনি। শিগগির তোল।

    দু-দিনের মধ্যেই চন্দ্রনাথ সুস্থ হয়ে উঠলো। তার মাথায় বাঁধা রইল মস্ত বড় ফেটি। সেই অবস্থাতেই চন্দ্ৰনাথ বললো যে সে কলেজে যাবে।

    এমন অসম্ভব কথা শুনে হীরেমণি প্রবল আপত্তি তুললেও রাইমোহন বললো, এই তো বাঘের বাচ্চার মতন কতা! কোন যাবে না। নিশ্চয় যাবে। মাতায় অমনি ফেটি বেঁধেই যাবে। সকলকে বলবে, দ্যাক, আমি পরোয়া করি না। আমি নিজে দু-বেলা ওকে দিয়ে আসবো, নিয়ে আসবো। দরকার হলে আমরাও লাঠিয়াল রাকবো। তুই একটা জুড়িগাড়ি কেন তো হীরে। আমি নিজে সেই গাড়ির কোচোয়ানের পাশে বসে থাকবো।

    তারপর হরচন্দ্রর দিকে ফিরে বললো, ফের যদি কোনোদিন সন্ধ্যের আগে আমায় মদ ধারাবি তো আমি তোরই মাতা ভাঙবো, হারামজাদা!

    রাইমোহনেরই জয় হলো শেষ পর্যন্ত। চন্দ্রনাথের কলেজে যাওয়া আটকাতে পারলো না। এতদিনের হিন্দু কলেজ ভেঙে পড়বার উপক্রম হলো এই এক ধাক্কায়। সম্ভ্রান্ত ঘরের ছেলেরা সবাই ছেড়ে গেল হিন্দু কলেজ। তালতলার রাজেন্দ্ৰ দত্ত রাতারাতি আর একটি কলেজ খোলার প্রস্তাব তুললেন, তাঁকে সাহায্য করতে এগিয়ে এলেন অনেকেই। রানী রাসমণি দিলেন দশ হাজার টাকা, আরও অনেকের দানে স্থাপিত হলো হিন্দু মেট্রোপলিটন কলেজ, হিন্দু কলেজ থেকে বিতাড়িত ক্যাপ্টেন রিচার্ডসনকে আনা হলো এই কলেজের অধ্যক্ষ করে। কেশব সেনের মতন ছাত্ররা সবাই যোগ দিল এই নতুন কলেজে।

    রাইমোহন সেদিন হীরেমণিকে বললো, আজ শুধু আমার জন্য একটা আলাদা মাইফেল বসাবি, হীরে? আর কেউ আসবে না, শুধু আমার জন্য তুই সাজবি, চোখে সুমা লোগাবি, আমার জন্য জ্বলবে ঝাড় লণ্ঠন। ঘরে মা মা করবে। আতরের গন্ধ। আমি তাকিয়ায় ঠেসান দিয়ে বসে আলবোলা টানবো চোখ বুজে, তুই আমার হাতে সুরার পাত্তর তুলে দিবি, আর গান গাইবি! হোক না, আজই!

    হীরেমণি বললো, মরে যাই, মরে যাই, বাবুর শক কত!

    রাইমোহন বললো, দ্যাক আমি শহরের এতগুলান বাবুর থোঁতা মুখ ভোঁতা করে দিলুম, আজ আমার একটু বাবু হতে শক যাবে না? আমার প্রাণ চাইচে।

    —অত যদি প্ৰাণ চায় তো রামবাগানে যাও না! মেয়েমানুষের কি অভাব রয়েছে কলকাতায়! ভারী আমার দু পয়সার ফুলবাবু এলেন রে!

    —তুই আমায় টাকার খোঁটা দিলি? আমি টাকা রোজগার করি না? তোকে অনেক টাকা দিতে পারি না! দেকবি, আজই। টাকা রোজগার করে আনবো?

    —থাক, আবার কোতও চুরি-চামারি করতে যেতে হবে না! কোন দিন রামঠ্যাঙনি খাবে!

    —আমি চুরি করি না, আমি বুদ্ধি খাটাই! লোকে আমার বুদ্ধির দাম দেয়।

    —হয়েচে! আমি ঢের জানি।

    —তুই আমায় অন্য মেয়ের কাচে যেতে বললি? সেই কবে থেকে তোর এখেনে এসে হত্যে দিয়িচি, তারপর আর কোনোদিন আর কোনো মেয়েমানুষের দিকে তাকিয়েচি? তোর মন পাবার জন্যিই তো আমার এত সাধনা। তুই আমার দিকে থাক, তারপর দ্যাক না আমরা দুজনায় মিলে কত কী করি!

    হীরেমণি হাই তুলে বললো, সারেঙ্গীওয়ালা এখুনি এসে যাবে, আমার রেওয়াজ করতে হবে, তুমি এখন বিদেয় হও!

    রাইমোহন একটুও আহত না হয়ে বললো, লাথি ঝ্যাটা খেয়ে তোর এখেনে পড়ে রয়েচি, তবু এই আমার পরম সুখ। আজ আমি কিচুতেই যাচ্চিনি।

    হীরেমণি তাকে আরও কিছু বাক্যবাণে বিঁধলো, তার হাত ধরে টানাটানি করলো, তবু রাইমোহন কোনোক্রমেই নড়লো না। হীরেমণির গান সে অহরহ শোনে, হীরেমণি অধিকাংশ রাতেই তার শয্যাসঙ্গিনী, তবু আজ রাতে সে হীরেমণির বাবু সাজতে চায়।

    তার ঝুলোঝুলিতে হীরেমণিকে ধড়াচুড়ো পরতেই হলো। বাজার থেকে ফুলের মালা এনে রাইমোহন সাজালো হীরেমণিকে। সি নিজেও লপেটা ধুতি ও ফিনফিনে কাপড়ের বেনিয়ান পরে, গোঁফে লাগালো আতরের ছোঁয়া। মাথার চুল তেল চপচপে করে চিরুনির দিয়ে সামনে টেনে সাজিয়ে দিল কপালের ওপর। তিরিশটা মোমবাতির নতুন ঝাড় লণ্ঠন বসানো হয়েছে। ঘরে, তার উজ্জ্বল আলোয় বোঝা যায়, রাইমোহনের মুখে এতদিন পরে বয়েসের ছাপ পড়েছে। চুল পাতলা হয়ে এসেছে, মখের চামড়ায় সেই মসৃণতা নেই, চোখের দু পাশে কাকের পায়ের চিহ্ন।

    সারেঙ্গীওয়ালাকে বিদায় করে দেওয়া হয়েছে। চন্দ্ৰনাথ ঘুমিয়ে পড়বার পর শুরু হলো ওদের একা মজলিস। শ্যাম্পেনের বোতল খোলা হয়েছে একটা, দুটি পাত্রে তরল সুরা ঢেলে ঠুকলো একবার, তারপর দুজনে চুমুক দিল।

    তাকিয়ায় হেলান দিয়ে আলবোলার নলটি মুখে দেবার পর সত্যিই যেন আরামে রাইমোহনের চোখ বুজে আসছে। কত রাত্রে এই কক্ষে, এই গালিচার ওপর ঠিক এই ভঙ্গিতে বসেছে শহরের কেষ্ট বিষ্ট্ররা। রাইমোহনকে চোরের মতন লুকিয়ে থাকতে হয়েচে।

    রাইমোহন আবেশজড়িত কণ্ঠে বললো, এবার গান গা। সেই যে প্রথম যে গানটা শিখ্যেচিলুম, অনেকদিন আগে, সেই যে রে, তুষিতে তোমারে এ যমুনারই পারে—

    গান চললো একটার পর একটা। গানে হীরেমণির ক্লান্তি নেই। আর যত শ্যাস্পেনের মাত্রা বাড়ে, তত রাইমোহনের তারিফও বেশী বেশী হয়। কখনো সে গানের দু-একটা বাণী সংশোধন করে দেয়। রাইমোহনকে দেখে মনে হয় সে আজ সত্যিকারের পরিতৃপ্ত।

    রাত্রে এ পল্লী রীতিমতন সরব। গাড়ি ঘোড়া যাতায়াতের বিরাম নেই। এক এক সময় মনে হয় বুঝি কোনো গাড়ি এ বাড়ির দোরগোড়াতেই থামছে। তখন হীরেমণি উৎকৰ্ণ হয়ে ওঠে, গান থেকে মন চলে যায়। আর অন্যমনস্ক গানের সুরের অসঙ্গতি ঠিক ধরা পড়ে রাইমোহনের কানে।

    সে ধড়ফড় করে উঠে বসে জিজ্ঞেস করে বলে, কেউ এলো?

    তারপরই সে চোখ ঘূর্ণিত করে বলে, আজ যদি কেউ আসে, সে যত বড়ই বাবু হোক, আমি তাকে অর্ধচন্দ্ৰ দিয়ে বিদেয় করবো।

    তারপর সে হীরেমণিকে কাছে টেনে নিয়ে আলিঙ্গনবদ্ধ করে বলে, ওসব কিচু তুই শুনিসনি। হীরে। মনে কর, আজ পৃথিবীতে আর কোনো শব্দ নেই, কোনো বাবু নেই, শুধু তুই আচিস আর আমি আচি। আজ শুধু তোর জন্য আমি আর আমার জন্য তুই। আমি গান বাঁধবো, তুই গাইবি। একদিন এসব ছেড়ে ছুঁড়ে তোতে আমাতে বেরিয়ে পড়বো, পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে ঘুরে গান গাইবো। তারপর বুঝলি হীরে, ওরকমভাবে গান গাইতে গাইতে দুজনে হাত ধরাধরি করে একদিন স্বৰ্গে চলে যাবো। কেমন? কী, বিশ্বেস হচ্চে না? দেকিস, তুই দেকে নিস, তোর জন্যে আমি স্বর্গেও একটা জায়গা করে দেবো।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্রিস-ক্রস – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    Next Article একটি পেরেকের কাহিনী – সাগরময় ঘোষ

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    কৈশোর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    অর্ধেক মানবী – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ফুলমণি-উপাখ্যান – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026
    Our Picks

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026

    একটি পেরেকের কাহিনী – সাগরময় ঘোষ

    August 11, 2026

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }