Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026

    একটি পেরেকের কাহিনী – সাগরময় ঘোষ

    August 11, 2026

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প736 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪৩. আর একটি বালিকা

    একদিন কলেজ থেকে ফিরে নবীনকুমার দেখলো তার শয়নকক্ষে তার পত্নী কৃষ্ণভামিনীর সঙ্গে আর একটি বালিকা বসে খেলা করছে। দুজনেই সমবয়সিনী, দুজনেই রেশমী শাড়ি ও হাত ভর্তি সোনার চুড়ি পরিহিতা দুটি পুত্তলিকার মতন। ওরা খেলাও করছে কাচকড়ার বিলাতি পুতুল নিয়ে।

    নবীনকুমার ঘরে ঢুকতেই মেয়েটি মাথায় ঘোমটা টেনে পিছন ফিরে বসলো।

    নবীনকুমার কৃষ্ণভামিনীকে জিজ্ঞেস করলো, এ মেয়েটি কে গা?

    কৃষ্ণভামিনী বললো, ও তো আমার মিতেনী, আমাদের বের সময় ওকে দ্যাকেননি? সব সময়ই তো আমার পাশে ঠায় বসেছেল!

    বাসরঘরে এক সঙ্গে অনেক মেয়েই উপস্থিত থাকে বলে কারুকেই ঠিক মত দেখা যায় না। এই মেয়েটিকেও নবীনকুমারের মনে নেই।

    সে আবার জিজ্ঞেস করলো, তোমার মিতেনী? আমাদের এ পাড়ায় আবার তোমার মিতেনী কী করে হলো?

    কৃষ্ণভামিনী বললো, এ পাড়ার কে বললো? ওর বে হয়েচে হাটখোলায়, আমার ঠিক এক মাস পরে। ওদের বাড়ির পালকিতে আজ আমার সঙ্গে দেখা করতে এয়েচে।

    তারপর সে তার সখীকে বললো, আমার বরকে দেকে অত লজ্জা  কিসের লা? তোর বরকে দেকে কি আমি ঘোমটা দিই?

    মেয়েটি তবু যেন লজ্জায় একেবারে নুয়ে পড়েছে। কৃষ্ণভামিনী জোর করে তার ঘোমটা খুলে দিলো। মেয়েটির মুখখানি ফুটফুটে, অপরূপ সুন্দরী যাকে বলে। কৃষ্ণভামিনীও খুব ফর্সা, কিন্তু এ মেয়েটির রং যেন গোলাপ ফুলের পাপড়ির মতন, চোখের মণি দুটিতে নীলবৰ্ণ আভা।

    কাঁধের উড়নিটা শয্যার ওপর ছুঁড়ে দিয়ে নবীনকুমারও বসে পড়লো। ওদের পাশে। তারপর জিজ্ঞেস করলো, এই মিতেনীটির নাম কি গো?

    কৃষ্ণভামিনী তার সখীর গায়ে খোঁচা মেরে বললো, এই নাম বল না!

    মেয়েটি এখনো লাজ-কুষ্ঠিতা, মুখ খুলবে না। দু-তিনবার সাধাসাধিতেও সে নাম বললো না। কৃষ্ণভামিনী বললো, কী জানি ছাই, আমি ওর নাম ভুলেই গেচি! মিতেনী বলেই তো ডাকি! ও, মনে পড়েচে, মনে পড়েচে! কুসোম! তোর নাম কুসোম না রে?

    মেয়েটি এবার অস্ফুট গলায় বললো, আমার নাম কুসুমকুমারী!

    নবীনকুমার বললো, এঃ! কুসুমকুমারী! পচা নাম! একদম মানায়নিকো!

    বলেই সে হেসে উঠলো। হা-হা করে।

    কৃষ্ণভামিনীর মনে হলো, তার সখীকে বুঝি যথোচিত সম্মান জানানো হচ্ছে না। সে রেগে গিয়ে বললো, পচা নাম! কে বলেচে আপনাকে? সবাই বলে আমার মিতেনীর নাম আমার চেয়েও সোন্দর।

    নবীনকুমার বললো, এ তো কেষ্টযাত্রার সখীদের এরকম নাম হয়। কুসুমকুমারী, অবলাবালা, বিধুমুখা!

    কৃষ্ণভামিনী চক্ষু কপালে তুলে বললো, ও মা! আমার পিসীমার নাম বিধুমুখী! সেটা বুঝি খারাপ নাম?

    কুসুমকুমারী শাড়ির আঁচল গুছিয়ে উঠে দাঁড়িয়ে দুদিকে ঘাড় নেড়ে বললো, আমি ভাই এবার যাই? বেলা পড়ে এলো, মা এবার পুজোয় বসবেন।

    নবীনকুমার তার হাত ধরে টেনে আবার বসিয়ে দিয়ে বললো, অমনি বুঝি রাগ হলো মিতেনীর। আমি তোমায় একটা সুন্দর নাম দিয়ে দিচ্চি!

    কৃষ্ণভামিনী বললো, আপনি আপনার মায়ের সঙ্গে দেকা করে আসুন না। আমরা এখন এ ঘরে খেলাচি, আমার ছেলের সঙ্গে ওর মেয়ের এধুনি বে হবে!

    নবীনকুমার বললো, আমিও খেলবো! আমায় তোমরা খেলায় নেবে না কেন?

    নবীনকুমার বাল্যকাল থেকেই দুলালের সঙ্গে কুরুক্ষেত্রের লড়াই, তেপান্তরের মাঠ, ভূত আমার পুত, নৃসিংহ অবতার—এই সব খেলা খেলতো। বিবাহের পর কৃষ্ণভামিনী পিত্ৰালয় থেকে তার সমস্ত মেয়েলি খেলনা সঙ্গে নিয়ে এসেছে, সে একা একাই সেগুলি নিয়ে খেলতে বসতো, তা দেখে নবীনকুমারও যোগ দিয়েছে সে খেলায়। পুতুলের সংসার নিয়ে খেলা করতে সে আমোদ পেতে শুরু করেছে। ইদানীং।

    কুসুমকুমারী বললো, ব্যাটাছেলেদের সঙ্গে আমাদের খেলতে নেই। তা হলে আমার মা রাগ করবেন।

    নবীনকুমার অমনি বললো, বেশ তো, আমি মেয়েমানুষ হয়ে যাচ্চি। দোকবে, দোকবে, আমি কেমন মেয়েমানুষ হতে পারি!

    পালঙ্কের মাথায় কৃষ্ণভামিনীর একটা শাড়ি বুলিছিল, সেটা ফস করে টেনে নিয়ে নবীনকুমার শরীরে জড়িয়ে ফেললো, তারপর বাম হাতের কড়ে আঙুলটি মুখে পুরে, ঘাড় বেঁকিয়ে হেলে দুলে হেঁটে, কণ্ঠস্বর বদলে ফেলে বললো, হ্যাঁ গা মিতেনী, তুমি রাগ করেচো আমার ওপর!

    বাল্যকাল থেকেই নবীনকুমার অনুকরণপটু, তার ভাবভঙ্গি অবিকল কোনো স্ত্রীলোকের মতনই দেখায়।

    কৃষ্ণভামিনী বললো, ঢং! কত ঢংই যে আপনি কত্তে পারেন!

    কুসুমকুমারী কিন্তু ফিক করে হেসে ফেললো।

    নবীনকুমার সেই স্ত্রী সাজেই ওদের পাশে বসে পড়ে বললো, এই তো মুখে হাসি ফুটেচে। এবার থেকে ভাই আমরা তিনজনে মিলে খেলবো বেশ! তার আগে মিতেনীর একটা নাম দিয়ে দিই? তোমার নাম বনজ্যোৎনা!

    কৃষ্ণভামিনী বললো, ওমা, ও আবার কী নামের ছিরি! বনজোচ্ছনা! মেয়েমানুষের এমন নাম হয় সাতজন্মে শুনিনিকো।

    নবীনকুমার বললো, তোমার সাত সাততে উনপঞ্চাশ জন্ম আগে এমন নাম হতো। কি গো, মিতেনী, তোমার পছন্দ হয়নি!

    কুসুমকুমারী বললো, এ তো একটা লতানে ফুল গাচের নাম! মেয়েমানুষের নাম কেন হবে!

    নবীনকুমার এবার সত্যিকারের বিস্ময়ে ভুরু উত্তোলিত করে বললো, ওমা, তুমি জানো? কী করে জানলে?

    কুসুমকুমারী বললো, সেই যে শকুন্তলা বলে একটা গল্প আছে না? সেই গল্পের মধ্যে শুনিচি!

    —সে গল্প তুমি কোতায় শুনলে?

    —পোনামশাই আমার দাদাদের পড়াতেন, তখন আমি পাশে বসে থাকতাম। গল্পটা খুব দুঃখের।

    নবীনকুমার তার স্ত্রী কৃষ্ণভামিনীর দিকে তাকিয়ে বললো, দেকোচো, তোমার মিতেনী তোমার চে কত বেশী জানে!

    কৃষ্ণভামিনী বললো, আমার কি একটাও দাদা আচে নাকি যে পণ্ডিতমশাই এসে বাড়িতে পড়াবে?

    নবীনকুমার কুসুমকুমারীকে বললো, শোনো ভাই, মিতেনী, তোমাকে তো একটা লতানে ফুল গাচের মতনই দোকতে, তাই তোমার বাপ মা তোমার নাম দিয়েছিলেন কুসুমকুমারী। আমি নাম দিলাম বনজ্যোৎস্না। একই তো!

    কৃষ্ণভামিনী বললো, শুধু কতাই হবে, খেলা হবে না বুঝি?

    নবীনকুমার বললো, হ্যাঁ, এবার খেলা হোক। তোমাদের ছেলেমেয়ের বিয়ে দেবে তো! তা ছেলেমেয়ের কী নাম রেকোচো?

    দুই সখী মুখ চাওয়া-চাওয়ি করলো। নামের কথা তাদের মনে আসেনি।

    নবীনকুমার বললো, তা হলে মেয়েটার নাম শকুন্তলা, আর ছেলের নাম দুশমন!

    কুসুমকুমারী বললো, না ভাই, আমি খেলবো না! তোর বর বড্ড খারাপ খারাপ কতা বলচে! দুশমন নাকি, রাজার নাম তো ছিল দুষ্যন্ত।

    নবীনকুমার হাসতে হাসতে বললো, তোমার তাও মনে আচে? আচ্ছ বেশ, দুষ্যন্তই হলো।

    কুসুমকুমারী বললো, না। ও নাম আমি দেবো না। ওটা বড্ড দুঃখের গল্প, আমি জানি।

    নবীনকুমার বললো, শেষকালে সুখ আচে।

    কৃষ্ণভামিনী আর একটি পুতুল বার করে বললো, উনি বড় বিরক্ত কচ্চেন রে, তাড়াতাড়ি বে দিয়ে দে, এই হলো গে পুরুতমশাই।

    নবীনকুমার বললো, এ বিয়েতে পুরুতি লাগবে না। এ তো বনের মধ্যে বিয়ে, ওরা নিজেরা নিজেরাই বিয়ে করবে।

    কৃষ্ণভামিনী বললো, আমন বিচ্ছিরি বে আমি দেবো না!

    নবীনকুমার এরপর সেই খেলায় এমন মত্ত হয়ে গেল যে এখন কে বলবে এই সেই হিন্দু কলেজের অতি দুরন্ত ছাত্র। সে কখনো পুরুষ, কখনো নারীর কণ্ঠস্বর-অনুকরণ করে বিভিন্ন পত্রপাত্রীর মুখে সংলাপ বসাতে লাগলো। কৃষ্ণভামিনী সন্দেশ এনে রেখেছিল, বিয়ের শেষে পরিবেশন করা হবে বলে, নবীনকুমার আগেই সেই সন্দেশ কেড়ে নিয়ে খেয়ে ফেলে হাসতে হাসতে গড়াগড়ি দিতে লাগলো মাটিতে।

    খেলা শেষ হয়ে গেছে, এবার যেতে হবে কুসুমকুমারীকে। তার সঙ্গে এসেছে দুটি দাসী ও চার বেহারির পান্ধী। গোধূলিতে আকাশ স্নান হয়ে এসেছে, এখুনি অন্ধকার হয়ে যাবে বলে নবীনকুমার সে পালকির সঙ্গে দুজন পাইক পাঠিয়ে দিল। বিদায় দেবার আগে কৃষ্ণভামিনী তাঁর সখীর কাঁধ জড়িয়ে ধরে বললো, আবার কবে আসবি বল? কাল? পশ্যু?

    কুসুমকুমারী বললো, আহা—হা, আমিই বার বার আসতে গেলুম রে! তুই বুঝি যেতে পারিস না?

    কৃষ্ণভামিনী তার স্বামীর দিকে তাকালো।

    নবীনকুমার বললো, যাবে না কেন, নিশ্চয়ই যাবে। তা মিতেনী, আমায় যেতে বললে না যে? আমি বুঝি তোমার মিতে নয়?

    কুসুমকুমারী তার সারল্যমাখা নীলবৰ্ণ চোখ দুটি তুলে নবীনকুমারকে একবার অপাঙ্গে দেখলো শুধু। কোনো উত্তর দিল না। তার কোলে দুটি পুতুল, মেয়ে-জামাইকে সে নিজের কাছে নিয়ে যাচ্ছে। কোনোক্রমে পুতুল দুটিকে সামলে সে উঠে পড়লো পালকিতে।

    কুসুমকুমারী তাঁর সখী কৃষ্ণভামিনীর চেয়ে বয়েসে একটু বড়, তার বয়েস এখন সাড়ে দশ, আর কৃষ্ণভামিনীর নয় ছুঁই ছুঁই। তাদের দুজনেরই পিত্ৰালয় বাগবাজারে পাশাপাশি গৃহে। দুজনে একসঙ্গে বড় হয়ে উঠেছে। এ দুই বালিকা পরস্পরকে ছেড়ে থাকতে এখনো অভ্যস্ত হয়নি। কৃষ্ণভামিনী বাপের বাড়িতে যাওয়ার বেশী সুযোগ পায়, তবু পালা-পার্বণে যখন দু-একদিনের জন্য যাওয়া হয়, তখন খবর পেয়ে কুসুমকুমারীও চলে আসে বাগবাজারে, দুজনে প্ৰায় সর্বক্ষণ একসঙ্গে কাটায়।

    কুসুমকুমারীর স্বামী অঘোরনাথ, নবীনকুমারের চেয়ে বয়ঃজ্যেষ্ঠ। প্ৰথমা পত্নীর মৃত্যুর পর সে নাকি ব্ৰাহ্ম হতে গিয়েছিল, ঠিক সময়ে সে খবর পেয়ে তার মা গলার সামনে একটি বড় আশি বটি ধরে বলেছিলেন, আমার কথা শুনবিনি, তুই জোর করে যাবি? তো যা, ফিরে এসে আমার মরা মুখ দেকবি!

    মাতৃহন্তা হতে হবে বলেই অঘোরনাথ শেষ পর্যন্ত ব্ৰাহ্ম হয়নি। কিন্তু সেই সময় থেকেই নাকি সৰ্বক্ষণ সে বিষণ্ণ উদাসীন হয়ে দিন কাটায়। সে তাদের পৈতৃক জমিদারি কার্য দেখে না, কলকাতায় তাদের নিজস্ব হীসেও যায় না। দ্বিতীয় বিবাহের পরও তার মানসিক কৈব্য কাটেনি।

    পত্নীর কাছ থেকে এই সব তথ্য জানলো নবীনকুমার। ব্ৰাহ্মদের সম্পর্কে তার সঠিক কোনো ধারণা এখনো গড়ে ওঠেনি। ব্ৰাহ্ম শুনলেই তার মনে পড়ে কিছু দাড়িওয়ালা গভীর গভীর মানুষ, যারা কদাচ হাসে না, এবং অনেকেই রূপের ফ্রেমের চশমা চোখে দেয়। কুসুমকুমারীর স্বামী সে রকম মানুষ?

    কৃষ্ণভামিনীর সঙ্গে ওপরে উঠে এসে নবীনকুমার বললো, তোমার যদি ছেলে হয়। আর তোমার মিতেনীর স্বযদি মেয়ে হয়, তা হলে তোমাদের ছেলেমেয়ের সত্যিকারের বিয়ে হলে বেশ হয়, তাই না?

    কৃষ্ণভামিনী একটুও লজিত না হয়ে বললো, আমি তো তাই ঠিক করে রেখিচি!

    নবীনকুমার আড়চোখে তার বালিকা বধূর মুখের দিকে তাকিয়ে তীক্ষ্ণভাবে নজর করে দেখলো। একটি বিষয়ে নবীনকুমারের মনে খটকা আছে। সে জানে যে বিবাহিত নারী পুরুষদেরই শুধু সন্তানাদি হয়। যাদের বিবাহ হয়নি কিংবা যে স্ত্রীলোকেরা বিধবা এবং যে পুরুষরা একা থাকে, তাদের কখনো পুত্ৰ কন্যা হয় না। কিন্তু বিবাহের পর ঠিক কখন, কীভাবে এবং কেন পুত্ৰ কন্যা জন্মায়, সে সম্পর্কে তার সম্যক ধারণা নেই। প্রায়ই সে এই কৌতূহলে ছটফট করে কিন্তু কারুকেই জিজ্ঞেস করতে পারে না। সে যে-সব কেতাব পড়েছে, তার মধ্যেও এর কোনো উত্তর নেই। কলেজে ভর্তি হবার পর নবীনকুমারের মধ্যে একটা সবজান্তা ভাব এসেছে, কিন্তু এই একটি বিষয়ে অজ্ঞতা তাকে পীড়া দেয়। কৃষ্ণভামিনী তার চেয়ে বয়েসে অনেক ছোট হলেও এ ব্যাপারটা জানে নাকি?

    লজ্জাবশত এ কথাটি সে নিজের স্ত্রীকেও জিজ্ঞেস করতে পারলো না।

    কৃষ্ণভামিনী শয়ন কক্ষে ঢুকে মন দিয়ে তার পুতুলের সংসার গুছোতে লাগলো। এর মধ্যে একটি পুতুল পাওয়া যাচ্ছে না, সেটি কুসুমকুমারীরও নিয়ে যাওয়ার কথা নয়। এদিক ওদিক খোঁজাখুঁজির পরও সেটি না পেয়ে সে নবীনকুমাকে চেপে ধরে বললো, আপনি নিশ্চয়ই নুকিয়েচেন! আমার পুতুল কোতায়?

    নবীনকুমার নিরীহ মুখ করে বললো, কই, আমি তো দেকিনি।

    কৃষ্ণভামিনী বললো, তা হলে কোতায় গেল? ওটা আমার মা কালীঘাট থেকে কিনে এনেছেলেন, ঐ পুতুলটা সবচে ভালো।

    নবীনকুমার বললো, তা হলে বোধ হয় তোমার মিতেনীর খুব পছন্দ হয়েচে, সেই সেটা চুরি করে নিয়ে গ্যাচে!

    কী, আপনি আমার মিতেনীকে চোর বললেন? এ কথা বলেই কৃষ্ণভামিনী সপাটে এক চড় কষিয়ে দিল নবীনকমারের গালে।

    কয়েক মুহূর্ত স্থির হয়ে থেকেই নবীনকুমার লাফিয়ে গিয়ে কৃষ্ণভামিনীর চুলের মুঠি চেপে ধরলো এবং কণ্ঠস্বর বিকট করে বললো, রে রে, হতভাগিনী তোর এ দুমতি! আজি তোরে নরকে পাঠাইব! পরনিন্দা, অতি লোভ, স্বামী প্রহরণ, যেই নারী করে তার নরকে গমন!

    খানিকক্ষণ ঝাঁটাপটি করার পর কৃষ্ণভামিনী নবীনকুমারের পায়ে পড়ে ক্ষমা চাইলো। হঠাৎ রাগ হলে তার মাথার ঠিক থাকে না। কিন্তু স্বামীর গায়ে হাত তোলা যে মহা পাপ, তা সে জানে। নবীনকুমারের কাছে অবশ্য এ সবই কৌতুক। সারা দিনের প্রতিটি ঘটনা থেকেই সে মজার উপাদান খোঁজে। কৃষ্ণভামিনী ক্ষমা চাইবার পর সে জাজিমের তলা থেকে বার করে দিল লুকোনো পুতুলটি।

    এই দুই কিশোর-বালিকার খুনসুট, বিবাদ ও রাগ ছাড়া এই অট্টালিকার দ্বিতল সম্পূর্ণ নিস্তব্ধ। আর কোনো কক্ষে প্ৰাণের সাড়া নেই। বিম্ববতী পুত্ৰশোকে শয্যা নিয়েছেন।

    ইব্রাহিমপুর থেকে বেশ কিছুদিন আগে ফিরে এসেছে বজরা। বৃদ্ধ খাজাঞ্চি সেনমশাই অশুভারাক্রান্ত নয়নে সব কথা জানিয়েছেন বিম্ববতীকে। গঙ্গানারায়ণের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। সেনমশাই তার তল্লাশে লোক পাঠিয়েছিলেন নানা দিকে, কিন্তু গঙ্গানারায়ণ যেন কপূরের মত মিলিয়ে গেছে। শূন্যে। গঙ্গানারায়ণকে বজরা থেকে বলপ্রয়োগ করে কেড়ে নিয়ে যাওয়া কারুর পক্ষে সম্ভব ছিল না, প্রহরীরা সে রকম একটি শব্দও শোনেনি। স্বেচ্ছায় সে রাত্ৰিবেলা বজরা ছেড়ে চলে যাবে, এও যে বড় অবিশ্বাস্য ব্যাপার। সে বজরার মালিক, তার হুকুমেই বজরা যেখানে খুশী যেতে পারে, ম্যাজিস্ট্রেট সাহেবের সঙ্গে যদি তার সাক্ষাৎ করার ইচ্ছা না থাকতো, তবে সে রাত্ৰেই তো নোঙর তুলে কলকাতার অভিমুখে রওনা হওয়া যেত। এমনকি একথা সেনমশাই অনেকবার বলেও ছিলেন গঙ্গানারায়ণকে। গঙ্গানারায়ণ এক বস্ত্রে চলে গেছে। এ বড় বিচিত্ৰ ঘটনা, এমনটি আর কখনো শোনা যায়নি। গঙ্গানারায়ণ নিরুদ্দিষ্ট বা মৃত। মৃত বলেই বেশী সন্দেহ হয়।

    নবীনকুমারের জন্মের পর থেকে গঙ্গানারায়ণের প্রতি বিম্ববতীর মনোযোগ অনেক কমে গিয়েছিল। কিন্তু এক সময় গঙ্গানারায়ণও তো ছিল তাঁর অতি আদরের। এখন নবীনকুমারও তাঁর কাছ থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। গঙ্গানারায়ণের সংবাদ শুনে বিম্ববতীর মস্তকে যেন বজ্রাঘাত হয়েছিল, প্রথম পুত্রের প্রতি তাঁর সমস্ত স্নেহ ভালোবাসা ফিরে এলো শোক ও পরিতাপ হয়ে। গঙ্গানারায়ণ তাঁর আপনি গর্ভের সন্তান নয়, তবু তার প্রতি বিম্ববতীর নাড়ির টান আছে যে সে কথা বিম্ববতী আবার অনুভব করলেন।

    বিম্ববতী কয়েকদিন কেঁদে ভাসালেন। জনে জনে অনুরোধ করলেন, যত টাকাই লাগুক, গঙ্গানারায়ণের সন্ধানে আবার সারা দেশ তোলপাড় করে খুঁজে দেখা হোক। কিন্তু কারুরই গরজ নেই সে ব্যাপারে। বিধুশেখর তাঁর মন থেকে গঙ্গানারায়ণকে মুছে ফেলতে চান। কর্মচারীরা শুধু টাকা খায়, কাজের কাজ কিছুই করে না।

    অগ্রজের নিরুদ্দেশের সংবাদে নবীনকুমার খানিকটা বিস্মিত হয়েছিল বটে, কিন্তু খুব বেশী তাপ উত্তাপ বোধ করেনি। দাদা বজরা ছেড়ে কোথাও চলে গেছে, আবার নিশ্চয়ই একদিন ফিরে আসবে।

    গঙ্গানারায়ণের পত্নী লীলাবতী প্ৰথমে সংবাদ শুনে সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েছিল। তারপর সে আর একদিনও এ বাড়িতে থাকতে চায়নি। তাকে বাপের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এক মাসের মধ্যেই যেন গঙ্গানারায়ণকে সবাই বিস্মৃত হয়ে গেল। তার কক্ষটি তালাবন্ধ, সারা বাড়িতে আর কোথাও তার কোনো চিহ্ন নেই। সাতাশ বছর যে এ গৃহে কাটিয়েছে, এক বৎসরের মধ্যে সে মুছে গেল। শুধু বিম্ববতী একা এক অশ্রুপাত করে বালিশ ভিজিয়ে দেন।

    নবীনকুমারের যখন যে ঝোঁক চাপে, তখন সেটি নিয়ে মেতে ওঠে। একবার যেমন নীচতলা থেকে একটা ফুটফুটে সাদা বেড়াল একদিন উঠে এসেছিল ওপরে। বেড়ালটি দেখে তার এমন পছন্দ হলো যে তাকে সে সেদিন থেকে পুষতে লাগলো। বেড়ালটির নাম রেখেছিল মুঞ্জরী। পোষা মানে কি, সৰ্বক্ষণ বেড়ালটিকে তার সঙ্গে রাখা চাই। তার খিদমদগার দুলাল পাহারা দিত, যেন মুঞ্জরী আর কোনোক্রমেই নীচতলায় যেতে না পারে। মুঞ্জরী দু-তিন বার অকারণে ম্যাও ম্যাও করলেই নবীনকুমারের সন্দেহ হতো। ওর খিদে পেয়েছে আর দুলাল নিশ্চয়ই ওর বরাদ্দ দুধ চুরি করে খেয়েছে। সেই উপলক্ষে এক ডজন কানমলা পাওনা হতো দুলালের। রাত্রেও মুঞ্জরীকে বুকে জড়িয়ে নিয়ে ঘুমিয়ে থাকতো নবীনকুমার।

    মুঞ্জরী বেড়াল ছিল না, বেড়ালী। অত সংরক্ষণ সত্ত্বেও সে কোন ফাঁকে অভিসারে চলে যেত, তা জানা যায় না, একদিন দেখা গেল সে গর্ভবতী। তখন নবীনকুমার বিম্ববতীর সঙ্গে এক শয্যায় শুতো। বিম্ববতী বেড়াল পছন্দ করেন না, কিন্তু পুত্রের আবদারের জন্য তাঁকে মেনে নিতে হতো সবই। মুঞ্জরীর সন্তান-সম্ভাবনা দেখে তিনি বলেছিলেন, ওরে এ সময় বেড়ালকে আঁকড়ে রাখতে নেই, ওরা এ সময়টা একা একা থাকতে চায়। ওকে এখন ছেড়ে দে, ছোটকু। নবীনকুমার তা শুনবে না। মুঞ্জরীর বাচ্চা হবে শুনে তার মহা আনন্দ, সারা বাড়ি এরপর বেড়ালে ভরে যাবে।

    একদিন ভোরে জেগে উঠে নবীনকুমার দেখলো তার আলিঙ্গনের মধ্যে মুঞ্জরী মরে কাঠ হয়ে আছে। তারপর নবীনকুমারের সে কি কান্না! পরমাত্মীয় বিয়োগেও মানুষ বুঝি অমন মর্মবিদারী কান্না কাঁদতে পারে না। তিনদিন নবীনকুমার মুখে অন্ন তুলতে পারে নি। এর পর থেকে অবশ্য সে আর অন্য কোনো বেড়াল দুচক্ষে দেখতে পারে না, এ অট্টালিকার দ্বিতলে কোনো বেড়াল দৈবাৎ এসে পড়লে সে নিজে লাঠি নিয়ে তেড়ে যায়।

    কৃষ্ণভামিনীর মিতেনীর সঙ্গে পুতুল খেলাতেও নবীনকুমারের সে রকম ঝোঁক চাপলো। পরদিনই সে জিজ্ঞেস করলো, কই, তোমার মিতেনী আর এলো না? তোমার ছেলেকে কতদিন শ্বশুর বাড়ি ফেলে রাকবে? এ বাড়ির পুরুষরা কক্ষনো শ্বশুর বাড়িতে থাকে না। সিংহ কি সিংহীর কাছে যায়, না সিংহীই আসে সিংহের গুহায়?

    দু তিন দিন পর নবীনকুমার অস্থির হয়ে উঠলো একেবারে। সে কৃষ্ণভামিনীকে বললো, পত্তির পাঠাও! তোমার মিতেনীকে লেকো তোমার ছেলে আর তার বউকে সে যেন কালই নিয়ে আসে!

    নবীনকুমার নিজেই মুসাবিদা করে তার মুক্তোর মতন হস্তাক্ষরে লিখলো কৃষ্ণভামিনীর ব-কলমে চিঠি। এক পরাত সন্দেশ ও একটি বড় রোহিত মৎস্য সমেত একজন বাহক মারফত পাঠিয়ে দেওয়া হলো সেই পত্র। পরদিন কুসুমকুমারী নিজে এলো না, দ্বিগুণ তত্ত্বসমেত পাঠিয়ে দিলে পুতুল দুটিকে। সঙ্গে একটি ছোট চিঠি, বেশ গোটা গোটা অক্ষরে লেখা, কাব্যাঞ্চে নিবেদন এই যে, আমি যাইতে পারিলাম না, কবে পারিব ঠিক নাই, পরমেশ্বরের কৃপায় ইহারা সুখে থাকুক। ভবদীয়া কুসুমকুমারী বনজ্যোৎস্না মিতেনী।

    চিঠিখানা দেখে ভুরু কুঁচকে নবীনকুমার জিজ্ঞেস করলো, এ চিঠি কে লিকে দিয়েচে? ওর বর?

    কৃষ্ণভামিনী বললো, আমার মিতেনী নিজেই লিকতে পারে। সব জানে।

    নবীনকুমার তাচ্ছিল্যের সঙ্গে বললো, যেমন বিচ্ছিরি হাতের লেকা, তেমন বদ স্বভাব মেয়েটার। আবার দেমাক করে লিকেচে, কবে পারিব ঠিক নাই!

    কুসুমকুমারীর ব্ৰাহ্ম স্বামীকে দেখার খুবই কৌতূহল নবীনকুমারের। সে কৃষ্ণভামিনীকে বললো, তোমার মিতেনীর গোমড়ামুখো বর নিশ্চয়ই তার বউকে আর একলা পাঠাতে চায় না। একদিন ওদের এ বাড়িতে নেমন্তন্ন করে খাওয়াও না!

    এবার নবীনকুমার নিজেই অঘোরনাথকে সম্বোধন করে এক লৌকিকতাপূর্ণ নিমন্ত্রণ পত্র প্রেরণ করলো। কিন্তু তার উত্তর অঘোরনাথের কাছ থেকে না এসে এলো কুসুমকুমারীর হস্তাক্ষরে। সে দুঃখ প্ৰকাশ করে জানিয়েছে যে নানা কারণে এখন তাদের পক্ষে যাওয়া সম্ভব নয়। তার বদলে একদিন কৃষ্ণভামিনীরা কি আসতে পারে না?

    বাড়ির কর্তার কাছ থেকে নিমন্ত্রণ না এলে সেখানে যাওয়ার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। নবীনকুমার একদিন বাড়ির ঘেরাটোপ পালকিতে কৃষ্ণভামিনীকে পাঠিয়ে দিতে পারে বটে, তার নিজের যাওয়া শোভা পায় না। কিন্তু কুসুমকুমারীর সঙ্গে তার পুতুল খেলা অসমাপ্ত রয়ে গেছে বলে সে খুবই অসহিষ্ণু হয়ে পড়েছে। সামাজিক নিয়ম উপেক্ষা করে সে একদিন কৃষ্ণভামিনীকে বললো, চলো। আজ হাটখোলায়, তোমার মিতেনীর বাড়িটা দেকে আসি। পুতুলগুলোন সঙ্গে করে নাও—।

    সে বাড়িতে গিয়ে বড় অপমানিত হতে হলো নবীনকুমারকে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্রিস-ক্রস – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    Next Article একটি পেরেকের কাহিনী – সাগরময় ঘোষ

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    কৈশোর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    অর্ধেক মানবী – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ফুলমণি-উপাখ্যান – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026
    Our Picks

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026

    একটি পেরেকের কাহিনী – সাগরময় ঘোষ

    August 11, 2026

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }