Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026

    একটি পেরেকের কাহিনী – সাগরময় ঘোষ

    August 11, 2026

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প736 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০২. দোকান বন্ধ হয়ে গেছে

    দোকান বন্ধ হয়ে গেছে, তবু ভেতরে বসে গুপী স্যাকরা দুর্গাপ্ৰদীপ জেলে রাংঝালের কাজে মগ্ন। সেই সময় ঝাঁপ ঠেলে ঢুকলো রাইমোহন। সে এতই লম্বা যে ছোট দোকান ঘরটিতে সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারে না, মাথা ঝুঁকিয়ে রইলো। তার পরণে সিমলের ফিনফিনে ধুতি, হলুদ রঙের বেনিয়ান, গলায় শান্তিপুরের ড়ুরে উড়নি আর পায়ে ইংলিশ জুতো। বাঁ হাতের মণিবন্ধে এক ছড়া গোরের মালা জড়ানো। সে মাঝে মাঝে এই রকম সময়েই দোকানে আসে, তাই গুপী স্যাকরা অবাক হলো না, একটা ছোট কাঠের টুল এগিয়ে দিয়ে বললো, বসুন ঘোষালমশাই।

    রাইমোহন বসলো, হাঁটু দুটো উঁচু হয়ে রইলো। জেব থেকে পিতলের পানের কৌটো বার করে তার থেকে একটা পান মুখে পুরলো, একটা গুপীর দিকে এগিয়ে দিয়ে বললো, নিবি নাকি?

    বহুক্ষণ আগুনের শিখার সামনে বসে থাকার জন্য গুপীর কপাল থেকে টপটপ করে ঘাম ঝরছে। বাঁ হাত দিয়ে ঘাম মুছে, ডান হাত বাড়িয়ে বললো, দেন একটা। আর কী সংবাদ বলেন। অনেকদিন আপনি ইদিকে আসেননি, তাই পাড়া-বেপাড়ার অনেক খবরও শুনিনি।

    রাইমোহন বললো, সবচে জবর খবর হলো গে চূড়ো দত্তর রাঢ়কে কাল কে যেন ছুরি মেরে পালিয়েচে, আজ সকালে দেখা গেল সে মুখ ভেটকে পড়ে আচে।

    গুপী বললো, চুড়োবাবুর কোন রাঢ়? তেনার তো একটি নয়, গণ্ডাখানেক।

    —ইটি হলো গে বৌবাজারের। আমার হীরেমনির পাশের কোঠায় থাকতো।

    —আহা হা, সে তো শুনিচি অপরূপ সুন্দরী ছেল।

    —হ্যাঁ, কলকেতা থেকে একটা তারা খসে গেল। চুড়ো দত্তর কি ভেউ ভেউ করে কান্না! নিজের বাড়ির মাগ মলেও কেউ অমন কাঁদে না।

    —কে মারলে? চুড়োবাবুর রাঢ়ের কাছ ঘেঁষা তো কম সাহসের কথা নয়।

    —তুই কখনো ঘ্যৗষবার চেষ্টা করিছিলি নাকি?

    —আরে রাম রাম! আমি তো চুনোপুঁটিস্য চুনোপুঁটি! আপনার মুখেই শুনিচি এসব।

    —চুড়োর কান্নার বহর দেখে মনে হচ্চে, সে-ই গুণ্ডা ভাড়া করে মারিয়েচে। পাখি নাকি উড় উড়ু কচ্চিল, রসিক দত্তরও চোখ পড়েচিল ঐ মেয়েছেলেটির ওপর। চূড়োবাবুর হাত ছাড়িয়ে কারুর পালাবার সাধ্য আচে?

    —রাম কহো, রাম কহো! এসব নোংরা কথা শুনলেও পাপ। আর কী সংবাদ বলেন!

    —চেতলাগঞ্জে আজ অনেকগুলো চালের নৌকো ভিড়েচে দেকলুম, চালের দর। এবার একটু পড়বে মনে হয়।

    —এয়েচে চালের নৌকো? দু-তিন মাস ধরে যা অখাদ্য চাল জুটছিল।

    —না রে, বাঙালদেশ থেকে বেশ ভালো চাল এয়েচে।

    —আজ বিকেলে কেল্লা থেকে গুপুস গুপুস করে অনেকবার তোপ দাগলো। বিলেত থেকে কেউকেটা একজন এলো মনে হয়।

    —কোম্পানির ডিরেকটির বোর্ডের একজন জবর মেম্বর এয়েচে। কী নাম যেন, ভুলে গেলুম ছাই।

    —আপনি কি এখন বেরুচ্চেন না বাড়ি ফিরচেন, ঘোষালমশাই?

    —এই সন্ধেরাতে বাড়ি ফিরবো কি রে! আমার কি নোনা লেগেচে যে বাড়িতে বসে কাঁচা থোড় চিবুবো! একটা বাজনা শুনতে পাচ্চিস?

    —হ্যাঁ, অনেকক্ষণ থেকে শুনচি। কিসের বাজনা বলুন তো!

    —আজ যোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে খুব ধূমধাম। দ্বারকানাথ ঠাকুরের নাতি হয়েচে, তাই গোড়াদের ব্যাণ্ড পার্টি আনিয়েচে।

    —তা আপনার নেমন্তন্ন নেই?

    —আজ শুধু সাহেবদের। বাঈ নাচ হবে। দিশি লোকদের নেমন্তন্ন হলো গে কাল। আমার তো নেমন্তন্ন লাগে না, খাওয়া-দাওয়া দেখলেই ঢুকে পড়ি।

    —ছেলে হলো করি?

    —দেবেন্দ্রবাবুর। দ্বারকানাথের বড় ছেলে। দেবেন্দ্রর এক মেয়ে হয়ে মারা গিইছিল। এবার প্রথম ছেলে জন্মালো। নতুন বংশধর এলো, খুব ধুমধাম তো হবেই।

    —দেবেন্দ্রবাবু তো বড়মানুষীতে বাপকেও ছাড়িয়ে যাবেন বোধহয়।

    —ব্যাপকে টেক্কা না দিলে আর বড়মানুষী কী? মনে নেই, একবার শুধু সরস্বতী পুজো করেই এক লাখ টাকা ওড়ালো? খরচের বহর দেখে দ্বারকানাথ পর্যন্ত হাঁ!

    —উনি তো আবার হীরে মুক্তেগ গলায় পরেন না, পায়ে।

    —পায়ে কি বলচিস? জুতোয়। জুতের ওপর হীরে মুক্তে বসিয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেল!

    —কালে কালে কত কী দেকবো!

    —ওরা তো টাকার ওপর গড়াগড়ি দেয়। দ্বারকানাথের বাড়িতে টাকার গোনাগুণতি হয় না, দাঁড়িপাল্লায় ওজন করে। দেবেন্দ্ৰ হিন্দু কলেজে ভত্তি হয়েছেন। ও কলেজটা তো একটা স্নেচ্ছদের আড্ডা। কেউ জাত ধম্মো মানে না। দুজো সাহেব মারা গেলেও তেনার চেলা-চামুণ্ডোগুলান রয়ে গ্যাচে। সেগুলো আবার এককাঠি বাড়া। দেবেন্দ্র যাতে বয়াটে হয়ে না যায়, তাই দ্বারকানাথ ছেলেকে কালেজ ছাড়িয়ে এনে বিষয়কন্মে লাগালেন, আর ছেলেও পুজো-আচ্চার নাম করে দু হাতে দেদার টাকা উড়াচে। বয়েস তো সবে তেইশ চব্বিশ, এর মধ্যেই দেবেন্দ্র যা খেল দেখাচে, কাপ্তেনীতে সবাইকে ছাপিয়ে যাবে।

    গুপী বললো, তাতে আপনাদেরই লাভ।

    রাইমোহন বললো, এদিকে আমাদের রামকমল সিংগীরও এক ছেলে হলো। এতকাল তো পরের ধনে পোদ্দারি কচ্ছেল, এবার নাকি নিজের মুরদেই—

    —নাকি বলছেন কেন?

    —যা শুনবো, তাই বিশ্বোস করবো, এমন বান্দা আমি নই! রামকমল সিংগীর বোয়ের ছেলে হয়েচে কিন্তু সে ছেলে রামকমল সিংগীর না। কার, তা কে জানে!

    —আরে ছি ছি ছি ছি। রাম কহো। ও-কতা বলবেন না। পাড়াশুদ্ধ সকলে জানে, আর যেখানে যাই গণ্ডগোল থাক, রামকমল সিংগী মশায়ের পরিবার অতি সতী সাধ্বী মেয়েছেলে।

    —আরো রাখা রাখা। সতী! বেণ্টিঙ্ক সাহেব এমন কানুন করে গেলেন তা গোটা দেশটার পোঙা মারা গেল।

    —কী করেচেন, সে সাহেব?

    —ঐ যে খানাকুলের ম্লেচ্ছটি সাহেবদের জপালো আর সাহেবরাও তার কতা শুনে নেচে উঠলো। সতীদাহ রদ করে গেলেন বেণ্টিঙ্ক, তার ফলে দেশ থেকে সতীই উধাও হয়ে গেল। একটা সতী মেয়ে আমায় দেকা তো?

     

    গুপী চুপ করে গেল। এ-সব কথা নিয়ে আলোচনা করতে সে ভয় পায়। রাইমোহন ঘোষালের না। হয়। জিভের আড় নেই। কিন্তু সে ছাপোষা মানুষ।

    —এবার আপনার নিজের সংবাদ বলেন ঘোষালমশাই।

    অন্য জেব থেকে এক ছড়া সোনার হার বার করে রাইমোহন বললো, এটা দ্যাক তো, এটার জন্য কত দিতে পারবি?

    হার ছড়া হাতে নিয়ে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখে গুপী বললো, এটা আবার কোথা থেকে আনলেন? আপনার কি জিনিস ফুরোয় না?

    —এটা আমার নাতির।

    —নাতির জিনিসটে বিককিরি করবেন? আহা, সে বেচারি মনে দুঃখু পাবে না?

    —সে দুঃখু পেল তো আমার বয়েই গেল। সে কি এখানে আচে, গত বছর সে স্বগ্‌গে গ্যাচে, সেখেনে সোনাদানার কত ছড়াছড়ি! নে, ওজন করে দ্যাক!

    এটা একটা খেলা। গুপী বেশ ভালোই জানে যে এটা রাইমোহনের নাতির গয়না নয়, আর রাইমোহনও জানে যে বিক্রির জন্য যে-সমস্ত গয়না সে আনে তা কোথা থেকে আসে, গুপীর জানতে বাকি নেই। তবু প্ৰত্যেকবারই একটু এ-রকম গল্প কথা হয়।

    গুপী নিক্তি বার করলো। সেদিকে তীক্ষ্ণ চোখে চেয়ে রইলো রাইমোহন। এই লোকটির বয়েসের গাছ-পাথর নেই। কেউ বয়েস জিজ্ঞেস করলে রাইমোহন হাসে। কিংবা রসিকতা করে বলে, এই ধরে না কেন বারো কি তেরো! দেকাছে না, বগলে চুল গজায় নি এখনো?

    রাইমোহন মাকুন্দ, শরীরখানা শুধু শক্ত হাড়ের ওপর চামড়া দিয়ে মোড়া, সেইজন্যই তার উচ্চতা যতখানি, তার চেয়েও ঢাঙা দেখায়। খড়গনাসা, অতিশয় ধূর্তের মতন চোখ, কথাবাতায় দারুণ তুখোড়। রাইমোহন এ শহরে যজ্ঞের বিড়াল।

    —আপনার সোনা আচে ডেড় ভরি টাক!

    রাইমোহন আমনি ধমক দিয়ে উঠলো, কতটা হাত ঝোলালি? অ্যাঁ?

    গুপী বললে, হাত ঝুলিয়েচি? এই দেকুন না।

    —আরো রাখা রাখা। কতায় আচে, স্যাকরার ওজন আর মামুদপুরের গাজন। মারামারি কাটাকাটি হবেই! ভালো করে দ্যাক!

    —পুরো ডেড় ভরি! তা আপনার উনিশ টাকা দর ধরলে—

    —উনিশ টাকা কি রে ব্যাটা? বিশ টাকা দর উঠেচে।

    — সে হলো পাকা সোনার দর।

    —আমি কি তোর কাচে কাঁচা সোনা এনেচি!

    অনেকক্ষণ দরদরি হলো। গুপী কিছুতেই সাড়ে আঠাশ টাকার বেশী দেবে না, রাইমোহনও তিরিশ টাকা না নিয়ে ছাড়বে না, শেষ পর্যন্ত উনত্ৰিশে রফা হলো। টাকাগুলো গুণে নিয়ে উঠে দাঁড়াতে গিয়েই রাইমোহন গুতো খেল ঘরের চালে। মাথায় হাত বুলোতে বুলোতে বেরিয়ে পড়লো।

    শনিবারের রাত, রাস্তায় বেশ ভিড়। জ্যোৎস্না রাত বলে অন্ধকার তেমন মিশমিশে নয়, কাছাকাছি বাড়িগুলো থেকেও আলোর রেশ এসে পড়েছে, অনেক পথচারীর হাতে লণ্ঠন। দুই গরুর গাড়ির মাঝখানে আটকা পড়েছে একটা ফিটন গাড়ি, তার ওপর থেকে চ্যাঁচাচ্ছে সহিস আর ভেতরে বসে এক সৌখিনবাবু বলছেন, আঃ সর না, কী আপদ! গরু এমন ল্যাজের ঝাপটা মারছে, তা প্ৰায় বাবুর মুখে এসে লাগে। গাড়োয়ানের জোর ছপটি খেয়ে হঠাৎ একটা বলদ এত জোরে ছুটলো যে গাড়িশুদ্ধ গিয়ে পড়লো রাস্তার ধারের পুকুরে। লোকেরা আরো মলো মলো, গ্যালো গ্যালো, ধর ধর বলে চেঁচিয়ে উঠলো। সেই সুযোগে ফিটন গাড়ি বেরিয়ে গেল খাপখপিয়ে। চিৎপুরের রাস্তার দু পাশে বিরাট বিরাট নর্দমা। গাড়ি ঘোড়ার আওয়াজ ছাপিয়েও শোনা যায় মানুষের গলা। রাস্তা দিয়ে যাবার সময় কেউ চুপচাপ হাঁটে না, কে কার কথা শুনছে ঠিক নেই, তবু সকলেই কিছু না কিছু বলছে।

    এরই মধ্যে চলেছে একটা ছোট মিছিল, তাতে দুজন ঢোল বাজাচ্ছে। একজনের হাতে একটা দাউ দাউ করা মশাল আর বাকি লোকরা গান জুড়েছে, ভোলা বোম ভোলা বড় রঙ্গিলা লেংটা ত্রিপুরারি শিরে জটাধারী ভোলার গলে দোলে হাড়ের মালা।

    রাইমোহনের ঠোঁটে সব সময় একটা বাঁকা হাসি থাকে। সে ভিড়ের মধ্য দিয়ে চলেছে পাশ কাটিয়ে কাটিয়ে। হঠাৎ একজন লোকের সঙ্গে তার ধাক্কা লেগে গেল। সে রাইমোহনের আপাদমস্তক দেখে নিয়ে স্থলিত গলায় বললো, আমি ছিকেষ্ট বাগানের পেয়ারা, না না, ভুল বল্লম গো, আমি পেয়ারা বগানের ছিকেষ্ট, তুমি কে বাবা, তাল গাছ??

    লোকটির মুখ দিয়ে ভুরিভুরিয়ে বেরুচ্ছে সরাবের গন্ধ। তার কথা শুনে খিলখিল করে হেসে উঠলো। অদূরে দাঁড়ানো তিনটি মেয়ে। তাদের তিনজনেরই হাতে লাল রঙের রুমাল।

    রাইমোহন জিজ্ঞেস করলো, মশায়ের লেগেচে?

    লোকটি বললো, না, না, লাগবে কেন? যেন গাদা বোটের গায়ে নদীর ঢেউ, একটু দুলে উঠিচি শুধু।

    রাইমোহন ডিবেটা বার করে বললো, নিন। একটা পান আজ্ঞা করুন।

    অমনি মেয়ে তিনটি আমায়-দাও, আমায় দাও বলে এগিয়ে এলো। খালি হয়ে গেল রাইমোহনের ডিবে। সে এক হাতে চেপে জেব সামলে রইলো যাতে টাকাগুলো না। এই তলে-গোলে অদৃশ্য হয়ে যায়।

    একটি মেয়ে বললো, হাতে গোরের মালা, কার গলায় পরাবে গো?

    অন্য একটি মেয়ে তার হাত চেপে ধরে বললো, আমার ঘরে চলো।

    আর একটি অন্য হাত চেপে ধরে বললো, না গো, আমার ঘরে এসো, আমার ঘর খুব কাচে।

    মাতালটি বললো, যাব বাবা! আমি কি এঁটো–কলাপাতা? আমায় কেউ দেকাচে না। মেয়েগুলোর কাছ থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নিয়ে, তাদের থুতনি ধরে একটু আদর করে আবার এগিয়ে গেল রাইমোহন।

    হেদোর কোণে কুচকুচে কালো রঙের একটি দিশি খৃস্টান প্ৰভু যীশুর মহিমাকীর্তন করছে। তার পাশে হাতে বিলিতি লণ্ঠন নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে গোলগাল মুখ একজন সাহেব। কাছেই ভুর করে রাখা আছে অনেকগুলো বাইবেল। একটু পরেই যখন ঐ বাইবেল বিলি হবে, তখন এক অক্ষরও ইংরেজি পড়তে পারে না। এমন লোকেরা ওগুলো নেবার জন্য কড়াকড়ি করবে। অনেক সময় রাস্তার ধারের নর্দমায় ডানা উল্টে পড়ে থাকতে দেখা যায় ভালো মরোক্কো চামড়ায় বাঁধানো বাইবেল। তবু পাদ্রীদের উৎসাহে ঘাটতি নেই।

    বউবাজার পাড়ার একটি দোতলা বাড়িতে ঢুকে সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে রাইমোহন হাঁকলো, হীরেমনি, ও হীরোমনি! আসবো?

    নীল রঙের জমকালো শাড়ি পরা একটি মেয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে এসে বললো, তুমি আজ এয়েচো? তোমার কি ভয় ডর নেই গা?

    রাইমোহন হাসতে হাসতে ওপরে উঠে এসে বললো, ভয় পেলে আর কোথায় নুকোবো? তোমার কাচে ছাড়া? কেন, কী হয়েচে? পাড়া একদম ফাঁকা দেকচি যে!

    হীরোমনি বললো, কাল রেতে অমন কাণ্ড হলো, আজ আর কেউ এ পাড়ায় আসবে? এক তুমিই আচো ঘাটের মড়া।

    রাইমোহন বললো, কেউ আসবে না, বা বা বা বা। শুনে প্ৰাণ জুড়িয়ে গেল, তা হলে আজ আমি একই জমাবো।

    ঘরের মধ্যে জাজিমের ওপর ফরাস পাতা। দরজার ঠিক সামনের দেয়ালে ঝুলছে একটি কালীঘাটের পট, একটা বেড়াল মাছ মুখে নিয়ে পালাচ্ছে। ফরাসের ওপর তিন চারটে লাল ভেলভেট মোড়া তাকিয়া, তার একটাতে মাথা রেখে ঘুমোচ্ছে একটি এক বছরের বাচ্চা ছেলে।

    বেশ মৌরসীপাট্টা করে বসে রাইমোহন বললো, সকালে একবার উঁকি মারতে এয়েছিনু এদিকে। অনেক পাহারোলা দেকলুম। পাহারোলা পাহারোলায় ছয়লাপ একেবারে।

    হীরোমনি বললো, দুজন সাহেব পুলিশও এয়েছিল!

    —তা আসবে না? একি তোর আমার মরণ, চুড়ো দত্তর রাঢ়, স্বয়ং গবৰ্ণর জেনারেল যে আসেননি-মোতিবিবির কত বড় ভাগ্য বল, সাহেবরা পর্যন্ত তার লাশ দেখতে এয়েছেল!

    —আহা গো, সে চোকে দেকা যায় না! কী নিদায়ের মত মেরেচে, শরীলটা একেবারে ফাল-ফালা করে দিয়েচে।

    —ঐ জন্যই তো তোকে বলি, কখনো বাঁধা বাবু রাকবি না। ছাড়া পাখি হয়ে থাকবি, এ ডালে বসবি, ও ডালে ঠোকরাবি।

    —আমি মোতিকে বলিচিলুম, চুড়োবাবু বড় বদরাগী লোক, ওঁয়াকে চটাতে যাসনি—তা তো শুনলো না, ফাঁট দেখিয়ে বললো, কোন পরোয়া করে তুহার চুড়োবাবুক! এখন বোঝা!

    —যাক গে, গেচে তো গেচে। আচ্ছা হীরেমনি, তুই যে বললি আজ আর কেউ আসবে না। ভয়ে, তা হলে তুই অ্যাত সেজেগুঁজে বসেছিলি কোন নাগরের জন্যে র্যা? আমার জন্যে বুঝি?

    —আহা হা, সাজ করেচি, সে আমার অব্যেশ। ওনার জন্যে! ভারী মুরোদ! হাতে নেই কানাকড়ি দরজা খোলো বিদ্যোধরী।

    রাইমোহন বেনিয়ানের ওপর হাতের থাবড়া মারতেই রূপোর টাকা ঝনঝনিয়ে উঠলো। এক গাল হেসে বললো, মুরোদ নেই! আজি একশো সিক্কা টাকা এনিচি। নোকরকে ডাক, বোতল আনা।

    হীরোমনি বললো, আবগারির দোকান বন্ধ হয়ে গেচে, এখন আবার কোতায় বোতল পাবে?

    রাইমোহন হেসে বললো, ওর কাচেই বোতল রাকা থাকে, একটু ঘুরে ঘেরে এসে নিজেরই নুকোনো বোতল বার করে দেবে। দুটো পয়সা বেশী নেবে, এই যা!

    —দাঁড়াও বাপু, ছেলেটাকে রেখে আসি পাশের ঘরে। তুমি তো পেটে একটুখানি পড়লেই অমনি হল্লা শুরু করবে।

    —হল্লা কি রে, গান শোনাবো। তোকে নিয়ে আমি নতুন গান বেঁধেছিা!

    —থাক, আর আমায় নিয়ে গান বাঁধতে হবে না। বড় বড় বাবুদের নিয়ে গান বাঁধে, তাই করো গে।

    —বাবুদের নিয়ে গান বাঁধি তো রোজগারের জন্য, আর তোকে নিয়ে বাঁধবো রসের গান। তোকে শিকিয়ে দেবো, তুই গাইবি। তোর গলাটি এত মধুর।

    হীরোমনি ঘুমন্ত ছেলেকে পাঁজাকোলা করে তুলে নিল। রাইমোহন বললো, দিব্যি চাঁদপানা মুখখানি হচ্চে দিন দিন। হ্যাঁরে হীরেমনি, এ ছেলে কার রে?

    —কার আবার, আমার!

    —সে তো বুঝলুম। ওর বাপ কে?

    —তা জেনে তোমার কী দরকার। ভগমন আমাকে দিয়েচেন ছেলে।

    —ভগবান? কোন বাড়ির ভগবান? দত্তবাড়ি, ঠাকুরবাড়ি, শীলবাড়ি, দেবেদের বাড়ি, মল্লিকদের বাড়ি, কত ভগবান আচে। এর ওপর আবার আচে সাহেব-ভগবান! তা কোন ভগবান তোকে দিলে?

    —তুমি চুপ মারো তো।

    —ছেলে আমার নয় তো রে? আমি অবশ্য ভগবান নই, আমি ওনাদের পায়ের কুকুর।

    —মুখে মারবো মুড়ো ব্যাটা! ঘরের মাঝখানে একটা কাটা দরজা, সেখানে ঝুলছে ভারি মখমলের পদাঁ। সেই পদাৰ্থ ঠেলে হীরোমনি ছেলেকে নিয়ে গেল পাশের ঘরে।

    একটু পরেই এলো মদের বোতল। অন্য দিনের তুলনায় আজ এ পাড়া সত্যি বেশ নিস্তব্ধ। প্রত্যেক সন্ধ্যেতে এদিকে হাসির ফোয়ারা আর ঘুঙুরের ঝমোঝমানিতে বাতাস কাঁপে।

    রাইমোহন সাধারণত কোনো কাপ্তেনের স্যাঙাত হয়ে এ সব জায়গায় আসে। খরচ খচা সব সেই কাপ্তেনের। তাদের সঙ্গে থাকতে থাকতে রাইমোহনের এমন অভ্যোস হয়ে গেছে যে সন্ধ্যেরাতে আর কিছুতেই নিজের বাড়িতে মন টেকে না। একমাত্র হীরেমনির কাছেই সে মাঝে মাঝে একা আসে। হীরোমনি এ পাড়ায় এসেছে বছর চারেক, বয়েস মাত্ৰ সতেরো-আঠারো।

    আজ নিজেই কাপ্তেনের ভঙ্গিতে তাকিয়া হেলান দিয়ে পা ছড়িয়ে বসে হাতের গেলাসে চুমুক দিতে দিতে রাইমোহন বললো, একটা গান ধর না—

    হীরোমনি বললো, তুমিই তো আজ গান শোনাবে বললে—

    রাইমোহন চোখ বুজে খানিকক্ষণ চুপ করে থেকে তান ধরলো, সোনার বৃক্ষে রূপের পাতা, সেথা বসেছে এক হীরেমন পাখি–

    হাতটা এগিয়ে এনে সে হীরামনির গাল টিপে আদর করলো।

    কিন্তু এই আসর ভেঙে গেল অকস্মাৎ।

    হীরেমনিকে সবে মাত্র দু-এক লাইন গানের আখির শুনিয়েছে রাইমোহন, এই সময় বাড়ির সদরে একটা গাড়ি থামার আওয়াজ হলো। হীরেমনির নোকর রামদাস ছুটতে ছুটতে ওপরে এসে দরজায় ঘা দিয়ে বললো, সরকারবাবু আয়ে হেঁ, সরকারবাবু!

    রাইমোহন শায়িত অবস্থা থেকে ধড়মড় করে উঠে বসে বললো, নিশ্চয়ই জগমোহন সরকার!

    হীরোমনি ভুরু কুঁচকে বললো, তুমি উঠচো কেন, তুমি বসো!

    রাইমোহন জিভ কেটে উত্তর দিল, মাতা খারাপ! আর এখানে আমার ঠাঁই আচে! জগমোহন সরকার এয়েচে, আমি তো তার তুলনায় একটা ছারপোকা।

    হীরোমনি তার হাত চেপে ধরে বললো, না তুমি বসো। রামদাস, বাবুকে বলে দে, আজ দেকা হবে না। আজ আমার শরীল। খারাপ।

    –অমন করিস নি, হীরে! বাবু ফেরাতে নেই। বাবু হলো গে লক্ষ্মী, এমন হাতের লক্ষ্মী কি পায়ে ঠেলতে আচে?

    —ওসব বাবু আজ ফিরে গেলে আবার কাল আসবে। তুমি সৌন্দর গান শোনাচ্চিলে, আজ তুমিই থাকো।

    —আরে আমি কি কখনো বাবু হতে পারি? আমার বাপ ঠাকুরদা তো আর নুনের দেওয়ানি করেনি বা সাহেবদের তল্পি বইতেও পারেনি। আমি তো তোর পড়ে পাওয়া চোদ্দ আনা। তুই টাকার খোঁটা দিচ্চিলি, আমি বল্লুম, এক শো টাকা এনিচি। আরো এক শো টাকা একসঙ্গে কি আমি চোখে দেকিচি কখনো? আমি বড়জোর বিশ-পঁচিশের খদ্দের!

    —এই নিমকহারামের মতন কতা বলো না। তোমার ঠেঙে কখনো আমি টাকা নিইচি? ভগমনের দয়ায় আমার টাকার অভাব নেই।

    —কতার কতা বললুম। আমি পালাই, তুই বাবুকে ডাক। জুতো জোড়া আবার কোতায় গেল!

    —তুমি পালাতে চাইচো কেন? আমার টাকার দরকার নেই। আমি বলচি তুমি থাকো।

    —জগমোহন সরকারকে ফেরাসনি। উনি আবার ফিমেল উদ্ধারের ব্ৰত নিয়োচেন, মনে বড় দুঃখু পাবেন। মানী লোক!

    —তবে যাও, বেরোও! দূর হও!

    —আহা, তা বলে আমনভাবে ভাগিয়ে দিসনি। সবাই নাতি ঝাঁটা মারে বলে কি তুইও মারবি? একটু আদর করে যেতে বল। এখন আমি যাই-ই বা কী করে। জগমোহন সিঁড়ি দিয়ে উঠে আসচেন, নামতে গেলে ওঁর ঘাড়ে পড়বো।

     

    সিঁড়িতে দুপদাপ শব্দ হচ্ছে। জগমোহনের বিশাল বাপু, নেশার ঝোঁকে পা দুটিও এখন টলমল, রামদাসের কাঁধে হাত দিয়ে উঠছেন উনি। ওপরে এসে হীরেমনির ঘরের বন্ধ দরজায় দুম দুম করে কিল মারতে লাগলেন।

    হীরোমনি বললো, যাও, দরজা খুলে দাও গে?

    রাইমোহন ফিসফিস করে বললো, বাবু আমাকে এখানে দেকালে মহা চটিতং হয়ে যাবেন রে!! পক্ষী হলে জানলা দিয়ে উড়ে যেতুম। এখন কী করি!

    —শালিক পাখির মতনই তো ভয়ে কাঁপচো।

    রাইমোহন চোখ বুজে ঠোঁট ফাঁক করে নিঃশব্দে হাসলো একটুক্ষণ। তারপর কোমর দুলিয়ে নাচতে শুরু করলো।

    —ভয়ে তোমার মাতাটাতা খারাপ হয়ে গেল নাকি গো?

    –ভয়ে নয় রে, ভয়ে নয়, আনন্দে। আজ জগমোহন সরকারকে বাগে পেয়িচি। শোন, আমি পাশের ঘরে নুকিয়ে থাকবো, তুই যেন কিছু ফাঁস করে দিসনি।

    জগমোহন হেঁড়ে গলায় বললো, কইগো হীরেমনি, দরজা খোলো!

    হীরোমনি বললো, আজ আপনি ফিরে যান। আজ আমার শরীল ভালো নেই।

    জগমোহন সরকার বললেন, আমি তোমার শরীর মন সব ভালো করে দেবো। আমার কাছে মোক্ষম দাওয়াই আছে।

    হীরেমনিকে চোখ দিয়ে দরজা খোলার ইঙ্গিত করে রাইমোহন সুড়ৎ করে চলে গেল পাশের ঘরে। ভেজিয়ে দিল দরজাটা।

    জগমোহন সরকার ঘরের মাঝখানে এসে দাঁড়িয়ে একটি মস্ত বড় ঢেঁকুর তুললেন। হাতের ছড়িটা মাটিতে ফেলে ভূড়ির ওপর দু হাত রেখে পরম তৃপ্তির মুখভঙ্গি করে বললেন, কই হীরেমনি, তোমার শরীর তো কিছু খারাপ নয়। বদনকমলটি যেন আরও প্রস্ফুটিত হয়েছে, ইচ্ছে হয় ভ্রমর হয়ে গিয়ে আমি বসি। আমি অনেকদিন পর এলুম, অনেক দিন পর তোমায় দেকলুম।

    হীরোমনি বললো, তাই তো ভাবচি। কলকেতা শহরে মেয়েমানুষ গিসগিস কচ্চে, হঠাৎ এই অধীনাকে আপনার মনে পড়লো?

    জগমোহন সরকার বললেন, মনে তো সততই পড়ে। কিন্তু বড় বেশী কাজে জড়িয়ে পড়েছি এদানি। মুখ তুলবারও সময় পাই না। আজ তোমার সঙ্গে দুটি মনের কথা কইতে এলুম।

    —বসুন। বাতাস করবো? একটু সরবৎ বানিয়ে এনে দোবো?

    —সরবৎ! সুধাপান করতে এলুম, আর তুমি বলছে সরবতের কথা! শরীর খারাপের কথা তুলে আমাকে ফেরাতে চাইছিলে কেন, প্রিয়ে?

    —অনেক রাত হয়েচে তো, শোবার উদ্যুগ কচ্চিলুম!

    —বেশী রাত না হলে আমি আবার বেরুতে পারি না। ছোঁড়ার দল ঘোরাঘুরি করে, কে কখন দেকে ফেলবে। মহৎ কাজে নামার অনেক বিপদ, বুঝলে হীরেমনি, সব সময় পেছনে ফেউ লেগে থাকে।

    জগমোহন সরকার বসলেন। হীরেমনি তখনো দূরে দাঁড়িয়ে আছে দেখে বললেন, এসো, কাছে এসো, একটু আলিঙ্গন দাও, বুকটা জুড়োক। বুকটা বড় খাঁ খাঁ করে আজকাল।

    ভেজানো দরজাটা চুলের মতন ফাঁক করে সেখানে চোখ দিয়ে দাঁড়িয়ে রইলো রাইমোহন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্রিস-ক্রস – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    Next Article একটি পেরেকের কাহিনী – সাগরময় ঘোষ

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    কৈশোর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    অর্ধেক মানবী – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ফুলমণি-উপাখ্যান – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026
    Our Picks

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026

    একটি পেরেকের কাহিনী – সাগরময় ঘোষ

    August 11, 2026

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }