Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026

    একটি পেরেকের কাহিনী – সাগরময় ঘোষ

    August 11, 2026

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প736 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২৩. বাবু রামকমল সিংহ

    মানুষের জীবনে সমস্ত রাত্রিই ভোর হয় না। কোনো কোনো রাত্রি মধ্য পথে থমকে যায়। কালস্রোত নিমেষের জন্য স্তব্ধ হয়ে গিয়ে মানুষকে যেন হাতছানি দিয়ে ডাকে।

    বাবু রামকমল সিংহ জানবাজারের গৃহে কমলাসুন্দরীর আলিঙ্গনে মধুর আলস্যে নিদ্রিত ছিলেন, হঠাৎ গেলুম রে, মলুম রে বলে বিকট স্বরে চেঁচিয়ে উঠলেন। তারপরই সদ্য বলি দেওয়া মুণ্ডহীন ছাগের মতন ধড়ফড় করতে লাগলেন শয্যার ওপর।

    কমলাসুন্দরী জেগে উঠে কী হলো গা, কী হলো বলে অতি ভীতভাবে ধাক্কা দিতে লাগলো তাঁকে। কিন্তু রামকমল সিংহের মুখে আর কোনো কথা নেই। চক্ষু দুটি ঘূর্ণিত হচ্ছে, গাঁজলা বেরুচ্ছে ঠোঁটের পাশ দিয়ে।

    শব্দ শুনে ছুটে এলো দাসী-বাদীরা। পাশের মজলিশ ঘরে ইয়ার দোস্তর কয়েকজন গালিচার ওপর লম্বা হয়ে আছে, তাদের নেশার ঘুম সহজে ভাঙবে না। তবলা বাজনাদার ড়ুগিটির গলা জড়িয়েই ঘুমিয়ে পড়েছে, যেন ঐ ড়ুগিটিই তার সোহাগিনী। এদের ডেকে তোলা গেল না। কিন্তু রামকমল সিংহের নিজস্ব ভৃত্য দুখীরাম তার বাবুর এই অবস্থা দেখে হাউ হাউ করে কেঁদে উঠলো।

    রামকমল সিংহের অবস্থা দেখে ভয় পাবারই কথা। তাঁর বাকুরোধ হয়ে গেছে, মুখখানা দারুণ যন্ত্রণায় কুঞ্চিত, মাঝে মাঝে পিঠের শিরদাঁড়া বেঁকে উঠছে ধনুকের মতন। এত বড় একজন মানী লোক, যাঁর হুকুমে পঞ্চাশ-একশোটা লোক যে-কোনো সময় মাটিতে লুটিয়ে পড়তে পারে, সেই মানুষের কী অসহায় দশা।

    কমলাসুন্দরী দিশেহারা হয়ে পড়লো। বিপদের সময় মাথা ঠাণ্ডা রেখে কিছু উপায় ঠিক করা তার ধাতে নেই। সাধারণত বারবিলাসিনীদের মায়েরাই হয় তাদের পরামর্শদাতৃ, কিন্তু কমলাসুন্দরীর মা নেই, স্বজন বলতে কেউ নেই, গত কয়েক বৎসর রামকমল সিংহ যেন তাকে দাস-দাসী, আমোদের উপকরণ আর আদর-যত্ন দিয়ে তুলোয় মুড়ে রেখেছিলেন। সামান্য অবস্থা থেকে আজ কমলাসুন্দরীকে কলকাতার মানুষ একডাকে চেনে।

    কমলাসুন্দরীর দাসীরা সবাই যুবতী। রামকমল সিংহ যৌবনের পূজারী। লোলচর্ম ও পঙ্ককেশ তিনি চক্ষে সইতে পারেন না। এই সব দাসীরাও কোনো কোনো সময় তাঁর কৃপালাভে ধন্য হয়েছে। আগে তিনি দু-এক বৎসর অন্তর রক্ষিতা পরিবর্তন করতেন, কিন্তু এই কমলাসুন্দরী তাঁকে বড় মায়ার বন্ধনে বেঁধেছে। মাঝে মাঝে তিনি বলতেন, যখন সগ্যে যাবো, তখন তোকেও যে আমার সঙ্গে যেতে হবে রে, কমলা! তিনি নিশ্চিত ছিলেন তিনি স্বগেই যাবেন। হায়, সেই মানুষের আজি কী দশা!

    কমলাসুন্দরীর এক দাসীর নাম আতরবালা। সে বেশ বুদ্ধি ধরে। দিলাদরিয়া রামকমলের কাছ থেকে প্রায়ই টাকাটা সিকেটা বাগিয়ে নিয়ে সে ইতিমধ্যেই একটি মাঠকোটা বাড়ি কিনে নিজে আলাদা কারবার শুরু করার ব্যবস্থা প্ৰায় পাকা করে ফেলেছে। সেই আতরবালা দুখীরামকে বললো, আরে মিনসে, এখন কী কাঁদবার সময়। মান খোয়ালি রে, মান খোয়ালি! কতায় বলে, মরণের চেয়ে মান বড়। এত বড় মানুষটার এখানে যদি কিছু হয়, তবে আর ওয়ার মািগ-পুতের মান থাকবে? গাড়ি যুততে বল, বাবুকে চটজলদি বাড়ি নিয়ে যা।

    একথা শুনে কমলাসুন্দরী সন্ত্রস্ত হলো। রামকমল সিংহ কি সত্যিই মরতে বসেছেন নাকি? বাবু টাকা-পয়সার ব্যবস্থা তো কিছুই করে যাননি, তিনি মলে তার নিজের কী উপায় হবে? সে অসহায় স্ত্রীলোক, সবাই যদি তাকে তখন ঘাড়ধাক্কা দিয়ে তাড়িয়ে দেয়? বাবু মুখে অনেকবার বলেছেন বটে যে জানবাজারের এই বাড়ি কমলাসুন্দরীর নামেই কেনা, কিন্তু তার কাগজপত্র কোথায়?

    দুখীরাম গাড়ির ব্যবস্থা করতে যাচ্ছিল, কমলাসুন্দরী তাকে বললো, ডাঁড়া ডাঁড়া! ওরে আমার সব্বোনাশ হচ্চে, আমায় একটু চিন্তা করতে দে। বাবুর এখন তখন অবস্থা, গাড়িতে যেতে যেতেই মলে আমি দোষের ভাগী হবে না?

    আতরবালা বললো, তবে কি বাবু রাঢ়ের বাড়ি মরবে, সেটা ভালো হবে? দেশশুদ্ধ লোক জানবে যে…

    এমন সময় তবলা-বাজনদারটি ঢুলু ঢুলু চক্ষে উঠে এসে বিরক্তভাবে বললো, কী হয়েচে, অ্যাঁ, এত গোলমাল কিসের?

    তারপর রামকমল সিংহের প্রতি দৃষ্টিপাত করে সে সচমকে বললো, আরে, বাবুর এ কী অবস্থা? বাবু যে ধূকচেন। এখুনো কোবরেজ ডাকিসনি? মেয়েছেলের বুদ্ধি! অনুগ্রহ কবিরাজ ডাকার উদ্যাগ করতে গিয়ে চৌকাঠ পা বেঁধে ছড়ি খেয়ে পড়ে গেল। আর উঠলো না।

     

    এ পল্লীতে বিখ্যাত ধনী রাজচন্দ্র মাড়ের সুবৃহৎ প্রাসাদ রয়েছে। রাজচন্দ্র গত হবার পর তাঁর পত্নী রাসমণিই এখন জমিদারী চালান। শূদ্ৰজাতীয় স্ত্রীলোক হলেও তাঁকে অনেকে ইদানীং রানী বলতে শুরু করেছে। সেই রানী রাসমণির প্রাসাদে সম্প্রতি কোনো পল্লীগ্রাম থেকে একজন কবিরাজ এসে রয়েছেন। তিনি নাকি সাক্ষাৎ। ধন্বন্তরি। দাসী-বাদীরাও শুনেছে তাঁর কথা।

    কমলাসুন্দরী দাসীদের উদ্দেশে বললো, যা, শিগগির সেই কোবরেজ মশাইকে ডেকে নিয়ে আয়। যেমন করে পারিস নিয়ে আসবি। এত রেতে যদি তিনি না। আসতে চান, তেনার পায়ে ধরবি, পায়ের বুড়ো আঙুল মুখে পুরে চুষবি।

    দাসীরা গেল কবিরাজকে ডাকতে। দুখীরামও। আর দেরী করলো না। সে বাড়ি থেকে বেরিয়ে ছুটলো। একটা জিনিস সে বুঝেছে, এখন যে-উপায়ে হোক বিধুশেখরকে সংবাদ দেওয়া দরকার। এ রকম সংকটে বিধুশেখরই সব কিছু সুষ্ঠুভাবে চালনা করতে পারেন।

    রাত-বিরেতে কলকাতায় পথঘাটে এক চলা দায়। ঠ্যাঙাড়ে-বোম্বোটেদের হাতে পড়লে তো কথাই নেই, পাহারাওয়ালা সেপাইদের নজরে পড়লেও ভোগান্তি কম নয়। দুখীরাম নিশাচর প্রাণীর মতন অন্ধকার দেখে দেখে দৌড়োতে লাগলো প্ৰাণপণে। তার অতি বাল্যকাল থেকে সে নিযুক্ত আছে। রামকমল সিংহের সেবায়, বাবুর মতন এমন ক্ষমতাশালী অগাধ ঐশ্বর্যের অধিকারীও যে সাধারণ মানুষের মতন হঠাৎ মরে যেতে পারে, এ কথা তার মাথাতেই ঢুকছে না।

    এক সময় সে বিধুশেখরের বাড়ির সামনে পৌঁছেও গেল। এত রাত্রে বিধুশেখরের কাছে কোনো সংবাদ পৌঁছোনোও সহজ কথা নয়। কিন্তু দুখীরাম প্রবল হল্লা তুলে দিল। বিধুশেখরের নেশাভাঙ করার অভ্যোস থাকলে হয়তো এই মধ্যরাত্রে তাঁর ঘুম ভাঙানো কঠিনই হতো, কিন্তু তাঁর সে সব দোষ নেই এবং পাতলা ঘুম, তিনি জেগে উঠলেন। নীচে নেমে এসে সব বৃত্তান্ত শুনে তিনি কয়েক পলক মাত্র স্থির হয়ে চিন্তা করলেন, একটুও বিচলিত দেখালো না তাঁকে। সুগম্ভীর কণ্ঠে দারবানদের বললেন, সহিসালোককো উঠাও! আস্তাবলকা দরওয়াজ খুলো!

    অতি দ্রুত তৈরি হয়ে নিয়ে বিধুশেখর উঠে বসলেন তাঁর চার ঘোড়ার গাড়িতে। এ গাড়ি তাঁকে অত্যাল্পকালের মধ্যে পৌঁছে দেবে জানবাজার। শুধু চিৎপুরের রাস্তায় গাড়ি বাঁক নেবার মুখে তিনি শুধু একবার বললেন, রোখে। অদূরের সিংহবাড়ির দিকে তাকিয়ে তিনি একটুক্ষণ চিন্তা করলেন, বিম্ববতী কিংবা গঙ্গানারায়ণকে এখনই খবর দেবেন কি না। তারপরে সিদ্ধান্ত নিয়ে বললেন, না, চলো। রাসমণির বাড়ির কবিরাজটি অতি সদাশয়। বিপদের ডাক তিনি উপেক্ষা করেন না। এত রাতেও তিনি এসেছেন। মানুষটি পৌঁছেছেন বার্ধক্যের শেষ সীমায়। তাঁকে দেখলে মনে হয় তিনি নিজেই মারা যাবেন যে-কোনো মুহূর্তে।

    বিধুশেখর জানবাজারের গৃহে পৌঁছে দেখলেন সেই অতি বৃদ্ধ কবিরাজ বসে আছেন রামকমল সিংহের শয্যার পাশে, কিন্তু অনেক চেষ্টা করেও তিনি রোগীর নাড়ি দেখতে পারছেন না, এমনই ছটফট করছে রোগী, তার হাত ধরতে গেলেও ঝটুকা মেরে সরিয়ে দিচ্ছে। কবিরাজ মহাশয় কয়েকজন দাসদাসীকে বলেছিলেন রোগীকে ধরে থাকতে। তারাও চেষ্টা করে পারেনি। অবশ্য তারাও ধরেছে। বড়ই নরমভাবে। এই অবস্থাতেও প্রভুর ওপর বলপ্রয়োগ করতে তারা সাহস পায় না। বিধুশেখর এসেই কড়া গলায় হুকুম দিলেন, দুখী, পা দুটো চেপে ধর। আমি নিজে ওর হাত ধচ্চি।

    রেড়ির তেলের একটি মাত্ৰ প্ৰদীপ জ্বলছে ঘরে, তাতে অতি সামান্য আলো আর প্রায় ঘরজোড়া ছায়া, বিধুশেখর দাসদাসীদের দিকে তাকিয়ে বললেন, কেউ একজন একটা মশাল জ্বলো।

    কমলাসুন্দরী আড়ষ্টভাবে তাকিয়ে রইলো বিধুশেখরের দিকে। এই প্রথম দেখা। এই মানুষটি সম্পর্কে এত বছর ধরে অনেক কিছু শুনেছে সে, কিন্তু আগে কখনো চাক্ষুষ দেখেনি। এই মানুষটিই সিংহ পরিবারের দণ্ডমুণ্ডের কতা। এর পর থেকে কমলাসুন্দরীরও ভাগ্য নির্ভর করবে। এর হাতে? বিধুশেখর কিন্তু একবারও দৃষ্টি নিক্ষেপ করলেন না। কমলাসুন্দরীর দিকে। এই অপবিত্র গৃহে তাঁকে আসতে হয়েছে বলে তাঁর ওষ্ঠ ভঙ্গিমায় ঘৃণা ও বিরক্তি মাখানো।

    কবিরাজ কিছুক্ষণ নাড়ি ধরে রেখে মাথা নাড়তে লাগলেন। তারপর বিড়বিড় করে বললেন, আয়ু নাই, আয়ু নাই, ইহার দিন ফুরোয়ে গেচে।

    কমলাসুন্দরী তাঁর পায়ের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে বললো, আপনি ধন্বন্তরি। আপনি বাঁচিয়ে দিন গো! যত টাকা লাগে, আমার গয়নাগাটি যা আচে সব দেবো গো–

    কবিরাজ পা সরিয়ে নিয়ে বললেন, আমার সাধ্য নাই, আমি রোগের চিকিৎসা কত্তে পারি। কিন্তু মৃত্যুকে ঠেকাতে পারি না।

    বিধুশেখর বললেন, মহাশয়, ইহাকে কি এখন স্বগৃহে লয়ে যেতে পারি? গাড়ির ধকল কি এর সইবো?

    কবিরাজ দু-দিকে মাথা নাড়লেন।

    বিধুশেখর আবার প্রশ্ন করলেন, ইহার যন্ত্রণা উপশমের কি কোনো নিদান নাই?

    কবিরাজ বললেন, এই রোগের নাম ধনুষ্টঙ্কার। স্বয়ংযমও এই ব্যাধিকে ভয় পায়। যমদূতরা কাছে আসতে দ্বিধা করে, সেইজন্যই এই রোগের যন্ত্রণা দীর্ঘস্থায়ী হয়। এ বড় দুষ্ট ব্যাধি।

    তখন নিরাশ হয়ে বিধুশেখর বললেন, ইহার কি আর চেতনাও ফিরবে না? দুটো কথাও কইতে পারবে না?

    এবার সবাইকে চমকিত করে কবিরাজ বললেন, হ্যাঁ, চেতনা ফিরায়ে দিতে পারি। সে এমন কিছু শক্ত নয়। সূচিকাভরণ দিলে চেতনা হবে, তারপর সব কিছুই ঈশ্বরের ইচ্ছা।

    কবিরাজ যেন সত্যিই ধন্বন্তরি। কোন তীব্র বিষ তিনি রামকমল সিংহের ওষ্ঠে ছোঁয়ালেন কে জানে। কিয়াৎকালের মধ্যেই তাঁর হাতপায়ের খিচুনি কমে গেল। তিনি চোখ মেলে তাকালেন।

    কবিরাজ দুর্গা শ্ৰীহরি দুর্গা শ্ৰীহরি বলে কপালে হাত ঠেকিয়ে তাঁর ইষ্ট দেবতার উদ্দেশে প্ৰণাম করে উঠে দাঁড়ালেন। তারপর বললেন, কেউ একটু আলোটা দেখা তো বাবা, আমি যাই, আমার কিছু করবার নেই। এখেনে।

    কয়েক মুহূর্ত পরেই রামকমল সিংহের মুখে কথা ফুটলো। তিনি বললেন, কে, বিধু?

    কবিরাজ বলেছিলেন, ব্যথা কমবে না। কিন্তু রামকমল সিংহের মুখে রোগযন্ত্রণার কোনো চিহ্নই নেই। কণ্ঠস্বরও স্বাভাবিক। যেন কোনো অলৌকিক উপায়ে রামকমল সিংহ হঠাৎ বিপন্মুক্ত হয়ে গেছেন।

    কমলাসুন্দরী পাশে বসে ফোঁস ফোঁস করে কাঁদছে, বিধুশেখর রয়েছেন বলে সে সাহস করে রামকমল সিংহের সঙ্গে কথা বলতে পারছে না। রামকমল তার দিকে একবার দৃষ্টিপাত করে বললেন, ভয় নেই কমলা। বিধু, কমলা রইলো, দেখিস যেন ও কোনো কষ্ট না পায়।

    বিধুশেখর বললেন, তোকে আমি গৃহে ফিরায়ে নিয়ে যেতে এসিচি। বিম্ববতীকে, তোর পুত্রদের দেখতে ইচ্ছে করে না?

    রামকমল সিংহের দু চোখের পাশ দিয়ে জল গািড়য়ে পড়লো। তিনি প্রশ্ন করলেন, আজ কি তাথ?

    বিধুশেখর বললেন, একাদশী।

    রামকমল এই অবস্থার মধ্যেই ক্ষীণ হেসে বললেন, ঠিক। কাশীর সেই জ্যোতিষী কী বলেচেন তোর মনে নাই? একাদশীতেই আমি যাবো।

    বিধুশেখর বললেন, আরও অনেক একাদশী আসবে, এত ত্বরা কিসের?

    রামকমল বললেন, তোর সঙ্গে দু চারিটি কথা আচে, যদি আর সময় না পাই…।

    বিধুশেখর গলা চড়িয়ে সকলের উদ্দেশ্যে বললেন, এই, তোমরা সবাই বাইরে যাও। বাইরে যাও। দরজা বন্ধ করে দেবো।

    কমলাসুন্দরী তখনও ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছে, বিধুশেখর পরোক্ষে বললেন, দুখী, এনাকেও একটু বাইরে যেতে বল।

    কমলাসুন্দরী এবার মুখ তুলে বললো, না, আমি থাকবো। আমি কোতাও যাবো না।

    সরাসরি এই প্রথম বিধুশেখর তাকালেন কমলাসুন্দরীর দিকে। রাগে তাঁর গাত্ৰ জ্বলে গেল। কালো রঙের এই সামান্য স্ত্রীলোকটি কুহক জাল বিস্তার করে বেঁধে রেখেছে রামকমলকে। এর রূপেরই বা কী এমন চাকচিক্য? এ তো বিম্ববতীর পায়ের এক কণা নোখের যোগ্য নয়। বিম্ববতীকে ছেড়ে কোনো বুদ্ধিভাগ্যসম্পন্ন মানুষ এমন এক কুলটা মেয়েতে যে কী ভাবে মজে থাকতে পারে, তা বিধুশেখর কিছুতেই বুঝতে পারছেন না।

    তীব্রভাবে কমলাসুন্দরীর চোখে চোখ রেখে বিধুশেখর আদেশ দিলেন, আমাদের কিছু গূঢ় কথা আছে, তুই এখন বাইরে যা!

    সে আদেশ অগ্রাহ্য করার সাহস কমলাসুন্দরীর নেই। প্রায় কাঁপতে কাঁপতে উঠে চলে গেল। ঘরের বাইরে।

    তখন বন্ধুর কপালে হস্ত রেখে বিধুশেখর বললেন, ভাই, চিন্তা করিস না, সব ঠিক হয়ে যাবে।

    রামকমল বললেন, জানতুম, মৃত্যু আমার কাচে যে কোনোদিন আসবে, আমার তৈরি থাকার কথা ছিল…কিন্তু পারিনি। যেতে ইচ্ছে করে না…বড় বাঁচতে ইচ্ছে করে।

    —তুই এখন কেমন বোধ করচিস? বেদনা আর আচে কী? এযাত্রা ভালো হয়ে গেলি মনে হয়।

    —না, বিধু, আর সময় নেই। শরীরে অসহ্য বেদন। কিন্তু আমি হাত পা নাড়তে পারছিনি। আর সময় পাবো না…তোর সঙ্গে একটা কতা…

    —বিষয়-সম্পত্তি সব উইল করা আচে, নতুন কিছু ইচ্ছে যদি তোর থাকে!

    —বিষয় নিয়ে আমি মাথা ঘামাই না…তুই রইলি…জানি…সব ঠিক থাকবে…শুধু একটা কতা…সে কতা না জানলে মলেও আমার শান্তি হবে না…এতকাল সেই কতা ভেবেই ছটফট করিচি।

    –রামকমল, তোকে আমি বাড়িতে নিয়ে যাবো…এ পাপের জায়গা…বুকে সাহস আন…বাড়িতে গিয়ে বিম্ববতীর কোলে মাথা রেখে শুবি… সে সতী সাধ্বী।

    —বিধু, আমার ছেলে…নবীন…সে আমার বড় আদরের, সে কি আমার? সে কার সন্তান?

    বিধুশেখরের বুকে যেন বজ্ৰপাত হলো। মুখমণ্ডল হলো বিবৰ্ণ, রক্তশূন্য। মৃত্যুপথযাত্রীর মুখে এ কী কথা তিনি শুনলেন? তিনি সহসা কোনো উত্তর দিতে পারলেন না।

    রামকমল সিংহ বড় বড় নিঃশ্বাস নিতে নিতে বললেন, আমার মুখে আগুন দেবে-কে-গঙ্গা না নবীন, ওরা কেউ আমার রক্তের নয়।

    বিধুশেখর মুখটা ঝুঁকিয়ে এনে বললেন, কী বলচিস তুই রামকমল? নবীন তোর নিজের সন্তান-বিম্ববতী তোর সংসারের লক্ষ্মী, তোর ছেলে বংশের মুখ উজ্জ্বল করতে এয়েচে।

    —সে কি আমার, তোর নয় তো? সত্যি করে বল?

    —আমার কেন হবে? ছি, ছি্‌ ছি, এমন কথা…নবীন তোর ঔরস জাত সন্তান…

    –বিধু, আমার বুকে বড় জ্বালা-এতখানি বয়েসে-ভোমরা যেমন ফুলে ফুলে-তেমনি আমি কত নারীতে উপগত হয়িচি, সবই নিষ্ফল? কেউ আমায় একটিও সন্তান দেয়নি, তাই আমি ভেবেচি, আমার ও ক্ষমতা নেই, বিম্ব আমাকে…

    —তোর কোনো পাপের সন্তান হয়নি, সে তো ভালোই, তাতে বিষয় সম্পত্তি ছারেখারে যেত।-বিম্ববতী অনেক পুণ্য করেচে, ভগবানের কৃপায় সে তোর বংশ ধন্য করতে অমন হীরের টুকরো

    —ও ছেলে আমার? তোর নয়?

    —রামকমল, আমি তাঁবা, তুলসী, গঙ্গাজল ছুঁয়ে শপথ করে বলতে পারি…তুই একি পাগলের মতন কথা বলচিস!

    —তুই শপথ করতে পারবি?

    —হ্যাঁ…এক্ষুণি আমি আনাচ্চি সব।

    —তুই আমার মাথা ছুঁয়ে বল।

    —এই যে বললুম, নবীন তোর সন্তান–তোর রক্ত তার শরীরে বইচে, আমি বিম্ববতীকে কোনোদিন মন্দভাবে স্পর্শ করিনি।

    —আঃ! শান্তি, শান্তি…আমার বুকে বল এলো-বিধু, নবীনকে একবার দেকতে বড় সাধ হয়…একবার বিম্বকে…আমি কৃতঘ্ন…তার কাচ থেকে দূরে দূরে রয়িচি এতদিন…

    —আমি এখুনি তোকে বাড়ি নিয়ে যাচ্চি।

    কিন্তু কয়েক মিনিটের মধ্যেই রামকমল সিংহের গলা দিয়ে ঘড়ঘড় শব্দ উঠলো, হাত পায়ের খিচুনি শুরু হলো আবার। বোধহয় সূচিকাভারণের শক্তিও নিঃশেষিত হয়ে গেল। বিধুশেখর তাঁর কপাল ছুঁয়ে থেকে তারা ব্ৰহ্মময়ী, তারা ব্ৰহ্মময়ী, নাম জপ করতে লাগলেন। এই সময় বন্ধুর মুখে ফোঁটা ফোঁটা, গঙ্গাজল দিতে পারলে ভালো হতো, কিন্তু এই অবিদ্যার বাড়িতে গঙ্গাজলই বা পাওয়া যাবে কী করে?

    শেষবারের মতন মুখ ঘুরিয়ে বিধুশেখরের হাতের ওপর মুখ রেখেই শেষ নিশ্বাস ফেললেন রামকমল সিংহ।

    বিধুশেখর চিৎকার করে বললেন, দুখীরাম দরজা খুলে দে। অমনি হুড়মুড়িয়ে ঢুকে এলো সকলে। কমলাসুন্দরী এসে ঝাঁপিয়ে পড়লো মৃত রামকমল সিংহের বুকে। অন্য দাস-দাসীরাও এসে তাঁর পায়ে মাথা ঠুকতে লাগলো। ক্ৰন্দন চিৎকারে ভারী হয়ে গেল বার্তাস।

    বিধুশেখর চাইলেন, বিলম্ব না করে তখুনি রামকমল সিংহের মরদেহ সেখান থেকে সরিয়ে ফেলবেন। তাঁর বন্ধুর এই ঘৃণিত স্থানে মৃত্যু ঘটনার সংবাদ যেন কাকপক্ষীতেও না জানতে পারে। কিন্তু তা সম্ভব হলো না। স্ত্রীলোকদের কাছ থেকে মৃতদেহ সরিয়ে নেওয়াই শক্ত। তাছাড়া কী করে যেন বার্তাসের কানে কানে রটে যায় খবর। ভোরের আলো সবে মাত্ৰ ফুটি ফুটি, এখনো অন্ধকার যায়নি, এরই মধ্যে বেশ একটা ভিড় জমে গেছে বাড়ির সামনে। সেই ভিড়ের মধ্যেই সকলের মাথা ছাড়িয়ে দেখা গেল রাইমোহন ঘোষালের লম্বা, সিড়িঙ্গে চেহারা। লোকজন ঠেলতে ঠেলতে সে হাউ হাউ করে কাঁদছে আর বলছে, ওরে সর সর, কত্তাবাবুকে একবার শেষ দেখা দেকেনি। মহাদেবতুল্য লোক ছিলেন আমাদের কত্তাবাবু-আহা কত বড় দরাজ দিল!

    রাইমোহনকে দেখে তবু খানিকটা আশ্বস্ত হলেন বিধুশেখর। তিনি জানেন রাইমোহন অতিশয় চতুর ও চটপটে, যে-কোনো হুকুম তামিল করার শক্তি রাখে সে। তিনি বললেন, ওহে রাইমোহন, এই স্ত্রীলোকদের এখন সরে যেতে বলো, আগে রামকমলকে তার বাড়ি নিয়ে যেতে হবে। সেখানে শান্তি স্বাস্ত্যয়ন যা করবার

    তৎক্ষণাৎ কৃত্রিম কান্না থামিয়ে তৎপর হয়ে উঠলো রাইমোহন। শোকের বাড়ি তার খুব পছন্দ। শোকের বাড়িতে সব কিছুই অগোছালো থাকে, লোকের চক্ষু থাকে। ঝাপসা। সে অমনি মেয়েদের দঙ্গলের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে দু-হাতে ঠেলতে লাগলো তাদের। আর চিৎকার করতে লাগলো, সবাই সরো সরো, বড় কত্তামশাই রাগ কচ্চেন, সরো, জানো না এখন মড়া ছুঁতে নেই!

    এই সুযোগে সে কমলাসুন্দরীর গলা থেকে একটা আলগা স্বর্ণহারও হাতিয়ে ফেললো সুকৌশলে। এবং তারপরও তীক্ষ্ণ লোভমাখা চোখ ফেরাতে লাগলো। এদিক ওদিক। এতবড় একজন মানুষ মারা গেলেন সেই উপলক্ষে তার দু-দশটাকা রোজগার হবে না একী একটা কথা হলো! রামকমল সিংহের মৃতদেহ সে একাই পাঁজাকোলা করে তুললো গাড়িতে এবং তারই মধ্যে রামকমল সিংহের দু আঙুলের দুটি মূল্যবান আংটি চলে গেল রাইমোহনের জেবের গহ্বরে।

    এরপর রামকমল সিংহের মৃতদেহ নিয়ে শ্মশানে যাত্রা এবং পরে তার শ্ৰাদ্ধ উপলক্ষে সমারোহ একেবারে মাত্রা ছাড়িয়ে গেল সব কিছুর। লোকের মুখে মুখে কথাই রটে গেল যে, হ্যাঁ, সেই পোস্তার রাজা সুখময় রায়ের বাড়িতে দুর্গোৎসব হয়েছিল আর এই রামকমল সিংগীর ছোরাদ, এমনটি আর দেখা যায়নি। কাগজওয়ালারা চুটিয়ে লিখলে, ইংরেজি কাগজগুলোতেও ছাপা হলো রামকমল সিংহের গুণপণার বৃত্তান্ত। ল্যাণ্ড হোল্ডার্স অ্যাসোসিয়েশান বিশেষ সভা ডেকে শোক প্রস্তাব গ্রহণ করলে। তারপর সবকিছু চুকে যাবার পর জোড়াসাঁকোর সিংহ বাড়ি উৎকটরূপে স্তব্ধ হয়ে গেল একসময়। রামকমল সিংহ যখন বেঁচে ছিলেন, তখন তাঁর উপস্থিতি বিশেষ টের পাওয়া যেত না এ বাড়িতে। ইদানীং তিনি তো প্ৰায় বাড়িতে থাকতেনই না। কিন্তু এখন তিনি গত হয়েছেন শুধু এই সংবাদটির জন্যই যেন বাড়িটি খাঁ খাঁ করে।

    ঘনিষ্ঠতম বন্ধুর মৃত্যুতে বিধুশেখর যে কতখানি আঘাত পেয়েছেন, তা বাইরে থেকে বোঝা যায় না। কেউ তাঁর চোখে জল দেখেনি, কারুর সামনে তিনি দুর্বল হয়ে পড়েননি। শ্ৰাদ্ধ উপলক্ষে যে বিরাট যজ্ঞ এবং প্রায় গোটা শহরটিকেই খাওয়ানো দাওয়ানোর সব কিছু দেখাশুনো করেছেন তিনি নিজে। এতখানি ধকল অবশ্য তাঁর সহ্য হয়নি। একেবারে শেষের দিকে তিনি নিজেই খানিকটা অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন।

    আবার সামলে উঠে তিনি এলেন একদিন সিংহ বাড়িতে। কারুকে তিনি ডাকলেন না, খবর পাঠালেন না, তিনি নিজেই উঠে এলেন। দ্বিতলে। লম্বা টানা বারান্দা ধরে তিনি হাঁটতে লাগলেন। সেখান দিয়ে যেতে যেতে তিনি দেখতে পেলেন সিঁড়ির ওপর নবীনকুমার খেলা করছে দুলালচন্দ্রের সঙ্গে। নবীনকুমারের দিকে তিনি একবার সমেহ, দৃষ্টিপাত করলেন শুধু, কোনো কথা বললেন না।

    বারান্দাটা ডান দিকে ঘুরে গিয়ে শেষ প্রান্তে বিম্ববতীর নিজস্ব কক্ষ। সেখানে এসে দ্বারের সামনে দাঁড়ালেন বিধুশেখর। তারপর অনুচ্চ স্বরে তিনি ডাকলেন, বিম্ব, বিম্ববতী!

    দ্বার খুলে গেল, ভেতর থেকে বেরিয়ে এলো চিন্তামণি দাসী। বিধুশেখর কয়েক মুহূর্ত অপেক্ষা করলেন। বড়বাবুকে দেখে চিন্তামণি সলজভাবে পাশ কাটিয়ে বেরিয়ে চলে গেল বাইরে। বিধুশেখর এসে ঢুকলেন ঘরের মধ্যে।

    পালঙ্কের ওপর বসে আছেন বিম্ববতী। নতুন বৈধব্যবেশে বিম্ববতীর রূপ এমনই বদলে গেছে যে বিধুশেখর সাঙ্ঘাতিক চমকিত হলেন। কোমর ছাড়ানো বিশাল কালো চুলের গোছা ছিল বিম্ববতীর, তার চিহ্নমাত্র নেই। বিম্ববতী মস্তক মুণ্ডন করেছেন। যে দু হাত ভর্তি স্বৰ্ণালঙ্কার ও শাঁখা ছিল, সেই হাত দুটি এখন নিরাভরণ। যে সোনার অঙ্গ সজ্জিত থাকতো একসময় বালুচরী বা মসলিনে, এখন সেই অঙ্গ ঢেকে আছে একটি ফরাসডাঙ্গার সাদা থানে। পূর্ণযৌবনা বিম্ববতী যেন ধরেছেন যোগিনীর রূপ।

    পালঙ্ক থেকে নেমে দাঁড়িয়ে বিম্ববতী বললেন, আমি অভাগিনী, আমার নাবালক সন্তান…আমায় আর দোকবার কেউ নেই….

    বিধুশেখর এক পা অগ্রসর হয়ে বললেন, তোমার এই বেশ আমি সহ্য করতে পারবো না ভেবে আমি কয়েকটা দিন আসিনি। কিন্তু তুমি তো জানো, যতদিন আমি রয়িচি, তোমার কোনো চিন্তা নেই।

    বিম্ববতী বললেন, আপনার শরীর অসুস্থ হয়েছিল?

    বিধুশেখর বললেন, সে আমন কিচু না-বিম্ব, তোমার মন শক্ত করতে হবে, তোমায় সংসারের হাল ধরতে হবে…আমি যতদিন আচি, অতদিন অবশ্য…

    বিম্ববতী একটু এগিয়ে এসে বললেন, আমার ছেলে-সে যে আমার আধার ঘরের মানিক, সে যে আমার জীবনসব্বস্ব, যদি কেউ কোনোদিন তার নামে…

    বিধুশেখর দৃঢ় স্বরে বললেন, জগতে কেউ কোনোদিন জানবে না, তোমার স্বামী শান্তিতে মরেচে, সে আমায় বিশ্বাস করে গ্যাচে, এখন তুমি শুধু শক্ত হয়ে থাকো…

    বিম্ববতীর অধরোষ্ঠ কেঁপে উঠলো, শরীরে যেন লাগলো ঝড়ের বার্তাস। তিনি মুছিতার মতন এসে। পড়লেন বিধুশেখরের পায়ের কাছে। কাঁদতে কাঁদতে বললেন, আমি পারবো না-আমি পারবো না…আমি দুর্বল…।

    বিধুশেখর বললেন, পারবে, নিশ্চয়ই পারবে। আমি তো রয়িচিই, তোমার পাশে আমি সৰ্বক্ষণ আচি…তুমি যে আমার চক্ষের মণি…

    বিম্ববতীকে তুলে বক্ষে জড়িয়ে ধরে বিধুশেখর তাঁর পিঠের ওপর হাত বুলিয়ে সান্ত্বনা দিতে লাগলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্রিস-ক্রস – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    Next Article একটি পেরেকের কাহিনী – সাগরময় ঘোষ

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    কৈশোর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    অর্ধেক মানবী – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ফুলমণি-উপাখ্যান – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026
    Our Picks

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026

    একটি পেরেকের কাহিনী – সাগরময় ঘোষ

    August 11, 2026

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }