Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026

    একটি পেরেকের কাহিনী – সাগরময় ঘোষ

    August 11, 2026

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প736 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৯. থাকোমণি

    থাকোমণিকে খুব সহজে স্থানচ্যুত করা গেল না। একেই তো গ্ৰাম্য রমণীর জেদ, তার ওপর ভয়ে ও পরাজয়ে সে একেবারে মরীয়া হয়ে উঠেছে। দেখতে দেখতে কৌতূহলী পথচারীদের ভিড় বাড়তে লাগলো, ওলাবিবির শিকার দেখে কেউ অবশ্য খুব কাছে আসছে না, কিন্তু তাদের কথাবার্তা ক্রমেই উচ্চগ্রামে উঠছে। কেউ বলছে, এই মাগী উঠে আয়! কোথায় বসিচিস খেয়াল নেই! এখুনি কোৎকা খাবি! কেউ বলছে, মুদ্দোফরাস ডেকে এখুনি সাফ করে দাও, নইলে সাহেবরা দারুণ ক্ষেপে উঠবে। কেউ বলছে, মত্তে আর জায়গা পেলে না। এখন মহল্লা সুন্ধু রোগ ছড়াবে। কেউ এক মুঠো কড়ি ছুঁড়ে দিয়ে বললো, রক্ষে করে মা, ওলাবিবি, রক্ষে করো!

    সব ভিড়ের মধ্যেই একজন আলাদা মানুষ থাকে। সে বললো, আহা রে, ছেলেটারও মুখ শুকিয়ে গ্যাচে, ওকেও রোগে ধরলো বোধহয়। এই ছেলে, পালা, এখনো পালা!

    দুলালচন্দ্র এত লোক দেখে ঘাবড়ে গিয়ে তার মায়ের হাঁটু ধরে জড়োসড়ো হয়ে বসে আছে।

    ঝমাঝম শব্দে বড় ঝাঁটার আওয়াজ করতে করতে এগিয়ে এলো দুজন ঝাড়ুদার। তাদের পেছনে পেছনে গাঁজাখের চৌকিদার। সেই চৌকিদার শেষ রাতে ফিরে তার ঝুপড়িতে ঘুমিয়ে ছিল, কিছুই টের পায়নি। এখন সে শুরু করে দিল দারুণ হল্লা।

    সুপ্রিম কোর্টের বারান্দায় এরকম একটা নোংরা ঘটনা অকল্পনীয় হলেও কী করে যেন ঘটে গেছে। চতুর্দিকে চিঁড়ে, গুড়, ছেড়া কাপড় আর বমি ছড়ানো, তার মধ্যে এক মৃত বালিকা।

    —এই নিকালো, আভি নিকালো। কাঁহা কা বেহুদা।

    জঙ্গল থেকে লোকালয়ে ছিটকে আসা কোনো বন্যপ্ৰাণী যেমন এক কোণে বসে ফ্যাস ফ্যাস করে, থাকোমণিও সেই রকম রোঁয়া ফুলিয়ে রইলো। বুকের ওপর শক্ত করে চেপে ধরে আছে তার মরা মেয়েকে।

    ঝাড়ুদারদ্বয় সিঁড়ির ওপর দু চার ধাপ উঠে আবার হঠাৎ ফিরে দাঁড়িয়ে একটি নীতিগত আপত্তি তুললো। তারা মুদা ছোবে না, তাদের কাজ শুধু ঝাড়ু দেওয়া। তাছাড়া কোন না কোন জাতের মড়া তার কি কোনো ঠিক আছে? তারা থাকোমণি এবং তার দুই বাচ্চা সমেত খানিকটা জায়গা বাদ দিয়ে ঝাঁটা চালিয়ে প্রস্থান করলো।

    মুদ্দোফরাসকে খবর দিয়ে নিয়ে আসতে আসতে অনেক দেরি হয়ে যাবে, তাই চৌকিদার দৌড়ে গিয়ে দুজন মেথরানীকে ধরে আনলো। এই মেথরানীরা এ শহরে রীতিমতন প্রতাপশালিনী। এদের মধ্যে যারা সাহেবপাড়ায় শৌচাগার পরিচ্ছন্ন রাখার ভার পেয়েছে, তাদের উপার্জন বেশ ভালোই। সকালে সন্ধ্যায় এরা সাহেবদের পুরীষের পাত্ৰ মাথায় করে বয়ে নিয়ে গিয়ে পুণ্যসলিলা গঙ্গায় ঢেলে ফেলে দিয়ে আসে। বাকি সময়টা এদের ছুটি। এরা রঙীন ড়ুরে শাড়ি পরতে ভালোবাসে। এদের সরু কোমর, ভারী বুক এবং জিভগুলি ছুরির মতন। এদের জিভকে ভয় পায় না। এমন মানুষ মেলা দুষ্কর। এরা পথেঘাটে নোংরা বইবার সময় মানুষজনকে ছুঁয়ে দিলেও, এবং প্রায়ই দেয়, তার কোনো সুরাহা নেই।

    মেথরানী দুজন সিঁড়ির ওপর উঠে পযায়ক্রমে থাকোমণি, জনতা এবং চৌকিদারকে উদ্দেশ করে দুর্বোধ্য ভাষায় ঝড়ের বেগে কী যেন বলে গেল। যেন ওরা সবাইকে ধমকাচ্ছে। সেই সঙ্গে তাদের রভীন শরীরে খেলে যাচ্ছে নানা তরঙ্গ। এমতপ্রকার রমণীদের কণ্ঠের ঝাল-বাক্যও দূর থেকে বেশ উপভোগ্য হয়। তাই বেশ কৌতুক পেয়ে গেল। জনতা। থাকোমণি এবং তার মৃত শিশুর বদলে মেথরানী দুটিই তখন প্ৰধান লক্ষ্যবস্তু হলো।

    হঠাৎ সকলের কণ্ঠ আবার থেমে গেল একসঙ্গে। পেছনে এসে দাঁড়িয়েছে এক সাহেব। ইনি এই আদালতের প্রধান বেইলিফ, খুব কাছেই থাকেন। এর নাম অ্যাভূজ, কিন্তু সাধারণ নেটিভরা এঁকে ইদুস সাহেব বলে ডাকে। ইনি নিষ্ঠুরতার জন্য বিখ্যাত। যে সব সাহেব নেটিভদের ঘৃণায় স্পর্শ করেন না, ইনি তাঁদের দলের নন। ঐর হাতের চড়-চাপড় অনেকেই খেয়েছে। একবার নিজের বাগানের মালির পেটে ইনি এমন লাথি মরেছিলেন যে, সে লোকটি পরে দেড়দিন ধরে রক্ত বমি করেছিল। সেবার সকলেই খুব প্রশংসা করেছিল। ইদুস সাহেবের পায়ের জোরের।

    ইদ্রুস সাহেবকে একটি কথাও খসাতে হলো না, তাঁর কটমট চক্ষুতেই কাজ হলো।

    মেথরানী দুজন এবার তড়িৎগতিতে ছুটে গিয়ে একজন খপ করে ধরলো থাকোমণির মাথার চুল, অন্যজন মৃত কন্যাটিকে কেড়ে নিতে গেল। শুরু হয়ে গেল ঝটাপটি। তার স্বামী ফিরে না এলে থাকোমণি যে কিছুতেই এখান থেকে উঠতে পারে না, সে কথা কেউ বুঝলো না।

    মাতৃস্নেহের শক্তি মেথরানীদের সবল বাহুর তুলনায় কিছুই নয়। অবিলম্বেই তাদের একজন থাকোমণির কোল থেকে মৃত কন্যাটি কেড়ে নিতে সমর্থ হলো এবং দৌড় লাগালো। মেয়েটি যে মারা গেছে সে বোধই এখনো হয়নি থাকোমণির। সে কিছুই বুঝতে পারছে না। এ কেমন জায়গা, যেখানে স্বামী জল আনতে গেলে আর ফেরে না, অচেনা লোকেরা দূরে দাঁড়িয়ে হাসে আর ডাকিনী যোগিনীরা এসে কোলের সন্তান কেড়ে নিয়ে যায়!

    থাকোমণিও ছুটলো সেই মেথরানীর পিছু পিছু। তার পায়ে পায়ে লেগে রইলো দুলালচন্দ্র। এরপর এক একবার থাকোমণি সেই মেথরানীর কাছ থেকে মেয়েকে কেড়ে নেয়, আর মেথরানী ছিনিয়ে নেয় তার কাছ থেকে। পথের লোক এই দৃশ্য দেখছে, কেউ একটি কথাও উচ্চারণ করছে না। কয়লাঘাটা অঞ্চল পেরিয়ে তারা চলে এলো গঙ্গার ধারে। তিন চারবার কড়াকড়ির পর মেথরানীটি এক সময় মৃত শিশুটিকে জোরে আঁকড়ে ধরে খুব দ্রুত দৌড়ে শেষে ঝপাস করে সেটিকে ফেলে দিল নদীতে।

    থাকোমণি সঙ্গে সঙ্গে জলে ঝাঁপিয়ে পড়ে আবার তাকে তুলে নিয়ে এলো। এবং এবার সে নিজেই ভয় পেয়ে ছুটতে লাগলো বিপরীত দিকে। যেন এইভাবেই ছুটতে ছুটতে এই শহর ছেড়ে সে ফিরে যাবে নিজের গ্রামে।

    গঙ্গার পর জুড়ে একটানা শ্মশান। সাধারণ গরীবগুবো লোকেরা মৃতদেহ দাহ করে না, জলে ফেলে দেয়। প্রতিদিন নদীর বুকে এরকম অসংখ্য মৃতদেহ ভাসে। অনেকে যথেষ্ট কাঠের অভাবে মৃতদেহ অর্ধদগ্ধ অবস্থায় ফেলে রেখে চলে যায়। সেইজন্যই এখানে হাড়গিলে আর শকুনির রাজত্ব। পরিত্যক্ত মৃতদেহ দেখলেই ওরা এসে ঝাঁপিয়ে পড়ে। বিশাল বিশাল হাড়গিলেগুলো মাটির ওপর দিয়ে খপাৎ খপাৎ করে লাফিয়ে চলে। এক এক সময় শকুনির দলের সঙ্গে হাড়গিলেদের লড়াই বেঁধে যায়। সে এক রোমহর্ষক দৃশ্য। আর মাঝে মোঝ কেল্লা থেকে যে সময়সূচক তোপ দাগ হয়, সেই শব্দে তারা ডানা ঝটপটিয়ে উড়ে গিয়ে কিছুক্ষণের জন্য কালো করে দেয় আকাশ।

    চতুর্দিকে মানুষের হাড় আর করোটি ছড়ানো। এখান দিয়ে হাঁটতে গেলে পায়ে হাড় বিধে যায় অনেক সময়। মাঝে মাঝে একটুখানি জায়গা সাফ-সুতরো করে স্নানের ঘাটে যাবার পথ বানানো হয়েছে। সেই সব পথেও অনেক সময় পড়ে থাকতে দেখা যায় মানুষের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ।

    গঙ্গার বুকে অসংখ্য জাহাজ। অধিকাংশই কাঠের তৈরি। অতি সম্প্রতি দু একটি কলের জাহাজ আসতে শুরু করেছে। জাহাজের আনাগোনায় এই জলপথ এখন সদা ব্যস্ত। মাঝে মাঝে জাহাজে জাহাজে ঠোকাঠুকি লাগে, কিংবা ঝড়বাদলের জন্যও, এক একটা জাহাজ হঠাৎ উল্টে যায়। তখন সেই ড়ুবে যাওয়া জাহাজ সমস্ত মালপত্ৰ সমেত নিলাম হয়, সেই নিলামে ডাক দেবার জন্য বেনীয়া আর শিপ-সরকাররা ভিড় করে জাহাজঘাটায়।

    ভিজে কাপড়ে দৌড়তে দৌড়তে থাকে।মণিও এক সময় ক্লান্ত হলো। দুলালচন্দ্রও অনেকটা পিছিয়ে পড়েছে। সুতরাং এক জায়গায় বসে পড়ে মা ও ছেলেতে গলা জড়াজড়ি করে কাঁদতে লাগলো।

    কাছাকাছি এত শ্মশান, এখানে কারুর কান্নাই বিসদৃশ লাগে না। থাকোমণি বসে আছে একটি স্নানঘাটের পথের পাশে। সে পথ দিয়ে যাবার সময় কিছু কিছু লোক দুটো চারটে কড়ি বা একটা আধলা ছুড় দিয়ে যাচ্ছে থাকোমণির কোলে। এসব দয়ার দান নয়, স্বৰ্গলোভীদের পারানি।

    মৃত সন্তানকে কোলে নিয়ে শ্মশানে বসে কাঁদছে থাকোমণি, চিৎকার করে আহ্বান জানাচ্ছে তার নিরুদ্দিষ্ট স্বামীর উদ্দেশ্যে। এ যেন হরিশ্চন্দ্ৰ পালার এক দৃশ্য। কিন্তু চণ্ডালবেশী ত্ৰিলোচন দাস হঠাৎ দেখা দিল না, বরং অপরাপর চণ্ডালরা থাকোমণির প্রতি কুদৃষ্টি দিতে লাগলো।

    একটু পরেই হুমহাম করে একটি চার বেহারির পালকি এসে থামলো সেখানে। পালকির দু ধারেই পদ। ফেলা। বেহারারা পালকি একটু মাটিতে রাখতেই এক ধারের পদ একটু ফাঁক হলো। সেখান থেকে একটি শিশুকে কোলে করে নেমে এলো একজন দাসী।

    পালকির মধ্যে বসে রয়েছেন বিম্ববতী। পূর্ণিমা-অমাবস্যায় তাঁর গঙ্গাস্নানে আসা চাই-ই। ইদানীং তিনি ছেলেকেও সঙ্গে নিয়ে আসেন। মাত্র দু বছর বয়েস পেরিয়েছে নবীনকুমার, কিন্তু এর মধ্যেই তার দুরন্তপনার শেষ নেই। সেইজন্য বিম্ববতী এক মুহুৰ্তও ছেলেকে চোখের আড়াল করতে পারেন না। গঙ্গারঘাটে এনেও স্বস্তি নেই, যেটুকু সময় বিম্ববতী স্নান করতে নামেন একদিন তারই মধ্যে ছেলে দাসীর হাত ছাড়িয়ে জলের দিকে ছুটি লাগিয়েছিল। সে কারণে এখন দাসী ছাড়াও পাল্কির পিছু পিছু আসে বাড়ির গোমস্তা দিবাকর এবং একজন পাইক। তারা সর্বক্ষণ নবীনকুমারের ওপর নজর রাখে।

    দাসী ও শিশু নেমে যাবার পর বেহারারা আবার পাব্ধি তুলে নেমে গেল ঘাটের দিকে। স্ত্রী-পুরুষের আলাদা ঘাট নেই, যে-যেখানে পারে জলে নামে। বেহারির লোকজন সরাবার জন্য চেঁচাতে লাগলো, হঠ যাও, হঠ যাও!

    নিয়মিত স্নানার্থীরাও বড় বড় বাবুদের বাড়ির পালকি দেখে চিনে ফেলে। সিংগী বাড়ির পালকি এসেছে দেখে সবাই পথ ছেড়ে দিল। লোকেরা এই রকম ঘেরাটোপ দেওয়া পাল্কি দেখলেই বোঝে যে ভেতরে রয়েছে কোনো সুন্দরী রমণী। তাই তারা সেদিকে তাকিয়ে থাকে উৎসুক চোরা চোখে। যদি দৈবাৎ কখনো পদার ফাঁক দিয়ে সেই রূপবতীর দর্শন পাওয়া যায়। অনেক সময় ঠকতেও হয় তাদের। হাওয়ায় পদাৰ্ণ উড়লো একটু, আর দেখা গেল ভেতরে বসে আছে দোমড়ানো মোচড়ানো চেহারার কোনো তিনকেলে বুড়ি।

    পাল্কিসমেত বেহারারা নেমে গেল বুক জলে। তারপর বিম্ববতী সমেত সেই পালকি এক একবার করে জলে চুবিয়েই আবার তুলে নিতে লাগলো। গুনে গুনে ঠিক এরকম সাতবার করার পর তারা ডাণ্ডা কাঁধে নিয়ে দাঁড়ালো স্থির হয়ে। এখন একটুক্ষণ বিম্ববতী সূর্য প্ৰণাম করবেন।

    স্বর্ণ প্রতিমার মতন স্থির হয়ে বসে বিম্ববতী যুক্ত কর ঠেকালেন ললাটে! তাঁর মুখমণ্ডলে প্রশান্ত তৃপ্তি। জীবনে তাঁর আর কোনো অপূর্ণতা নেই।

    অকস্মাৎ দিকমণ্ডল কাঁপিয়ে পর পর তিনবার তোপের আওয়াজ হলো। নদীতে বান ডাকবে, তার সতর্কতা। বেহারারা চঞ্চল হয়ে উঠলো।

    আবার পালকি উঠে এলো ওপরে। চিন্তা দাসী নবীনকুমারকে কোলে নিয়ে নদীর দৃশ্য দেখাচ্ছিল, দিবাকরের ডাক শুনে ফিরে এলো পাল্কির কাছে। পদাৰ্ণ সরিয়ে সে ভেতরে ঢুকবার পর বিম্ববতী জিজ্ঞেস করলেন, এখানে কে কাঁদে রে?

    থাকোমণি চুপ করে গেছে কিন্তু দুলালচন্দ্র তখনো কেঁদে চলেছে। বিম্ববতী সেই কান্না শুনতে পেয়েছেন। কোনো শিশুর কান্না শুনলেই তাঁর বুক কাঁপে। নিজের একটি সন্তান জন্মাবার পর তিনি জগতের সব শিশুর প্রতিই জননীমোহ অনুভব করেন এখন।

    চিন্তা দাসী বাইরে উঁকি দিয়ে বললো, এক মাগী মেয়ে কোলে নিয়ে পাতর হয়ে বসে আচে, আর তার কচি ছেলেটা কাঁনচে।

    বিম্ববতী জিজ্ঞেস করলেন, কেন?

    এর আর কী উত্তর দেবে চিন্তা দাসী! সে ঠোঁট উল্টে বললো, খেতে পায় না বোধহয়।

    বিম্ববতীর মুখে একটা পাতলা বেদনার ছায়া পড়লো। এই পৃথিবী এত সুন্দর, তবু এখানে মানুষ এত কষ্ট পায় কেন, কেন লোকে খেতে পায় না? বড়রা তবু না হয় না খেয়ে থাকতে পারে, কিন্তু শিশুদের অনাহারে রাখা ভারী অন্যায়।

    -দিবাকরকে ডাক।

    চিন্তা দাসী মুখ বাড়িয়ে দিবাকরকে ডাকতেই সে এসে দাঁড়ালো পাল্কির পাশে। বিম্ববতী প্রত্যক্ষভাবে দিবাকরের সঙ্গে কথা বললেন না, কিন্তু তাকে শুনিয়ে শুনিয়ে বললেন, চিন্তে, তুই দিবাকরকে বল, ঐ যে ছেলেটি কাঁদচে, ওকে ওর মাকে আর সঙ্গে যারা আচে, সবাইকে আমাদের বাড়িতে নিয়ে আসতে। আমার বেহারাদের যেতে বল, ওরা পরে আসুক।

    দিবাকর বললো, যে আজ্ঞে।

    বিম্ববতীর পালকি চলে গেল, কিন্তু দিবাকর পড়লো মহা বিপদে। রাস্তা থেকে যাকে তাকে তুলে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া এক বাতিক হয়েছে গিন্নীমার।

    দিবাকর গিয়ে উবু হয়ে বসলো থাকোমণির সামনে। তারপর জিজ্ঞেস করলো, অ মেয়ে, ঐ বাচ্ছাটা তো মরে গ্যাচে, ওকে কোলে নিয়ে বসে রোয়্যোচো কেন? কী হয়েছেল?

    জুতো সেলাই থেকে ঠিক চণ্ডীপাঠ না হলেও দলিল দস্তাবেজ পড়া কাজ দিবাকরের। সে সাতঘাটের জল খেয়েছে। সে নানা রকম কথায় ভুলিয়ে ভালিয়ে থাকোমণি আর দুলালচন্দ্রের কাছ থেকে ওদের ঘটনাটা জেনে নিল। দুজন পুরুত এবং কয়েকজন স্নানার্থীকে জুটিয়ে এনে সে একথাও থাকোমণিকে বুঝিয়ে দিতে সমর্থ হলো যে তার কোলের শিশুটি সত্যিই মরে গেছে। ওকে আর বেশীক্ষণ এমনভাবে ফেলে রাখলে ওর আত্মার অকল্যাণ হবে।

    তখন থাকোমণি আর এক প্রস্থ কান্নাকাটি করলো ও কিছু পরে মেয়েকে জলে বিসর্জন দিয়ে এলো। এবং দিবাকরের দয়ালু বাক্যে বিশ্বাস করে তার সঙ্গে সঙ্গে চললো। অবশ্য একথা থাকোমণির পক্ষে সুদূরতম কল্পনাতেও জানা সম্ভব নয় যে, তার স্বামী ত্ৰিলোচন দাস যে জমিদার প্রভুর দর্শন মানসে গ্রাম ছেড়ে এই শহরে এসেছিল, এখন সে আর তার ছেলে চলেছে সেই জমিদারেরই বাড়িতে।

    জোড়াসাঁকোয় পৌঁছে দিবাকর দেখলো সিংহ বাড়ির সদর দেউড়ির কাছে একজন মোটাসোটা মধ্যবয়স্ক সাহেব দাঁড়িয়ে। হাতে একটি বড় লাঠি। দিবাকর চমকে উঠলো। সে বহুদর্শী লোক। সে এই সাহেবটিকে চেনে। ইনি হেয়ার সাহেব।

    পাইক দারোয়ানদের চোখ এড়িয়ে কারুর পক্ষে ভিতরে ঢোকা সম্ভব নয়। অচেনা লোক দেখলে তারা ঘাড় ধাক্কা দেয় কিংবা আগেই কিছু সেলামী আদায় করে। সাহেব দেখে তারা একটু ঘাবড়ে গেছে। সাহেবের কথাও তারা বুঝতে পারছে না কিছুই।

    দিবাকর দ্রুত গিয়ে সাহেবের পায়ে হাত দিয়ে প্ৰণাম করে ফেললো।

    হেয়ার সাহেব চমকে উঠে সরে গিয়ে বললেন, আরে, করো কী, করো কী!

    —সার, আপনি এখানে?

    হেয়ার সাহেব বললেন, ইহা গঙ্গানারায়ণের বাপের কুঠি? আমি তাহাকে চাই।

    এদিকে থাকোমণি আর দুলালচন্দ্র এত বড় বাড়ির দেউড়ি দেখে আবার থমকে দাঁড়িয়ে পড়েছে। ভেতরে ঢুকতে চাইছে না। দিবাকর তাদের দিকে ফিরে বললো, এসো, ভিতরে এসো, ভয় কী? গিন্নীমা তোমাদের আশ্রয় দিতে চেয়েচেন, তারপর আর কী কতা! যাও বাছা, ভেতরে যাও! থাকোমণি আবার কেঁদে উঠলো, আমাদের সে নেই। ওগো, সে মানুষটা আমাদের কোতায় খুঁজে পাবে?

    সাহেবের সামনে একটু বিব্রত হয়ে দিবাকর বললো, হবে, হবে, সব হবে, তাকে খুঁজে পাওয়া যাবে, ভেতরে এসো, গিন্নীমার সঙ্গে কতা বলো।

    হেয়ার সাহেবের সব ব্যাপারেই কৌতূহল। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, ইহারা কাঁদে কেন? কী হইয়াছে?

    দিবাকর বললো, হাজব্যাণ্ড লস্ট সার, গঙ্গার ঘাটে ক্রায়িং ক্রায়িং আর একটা ছোট মেয়ে, মানে ডটার সার, ডাই দিস মর্নিং:–ভেরী পুয়োর সার—

    বাঁ পায়ের ওপর ডান পা রেখে কেষ্ট ঠাকুরের ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে হেয়ার সাহেব সব শুনলেন। তাঁর চোখ দিয়ে টপটপ করে জল পড়তে লাগলো। বয়েস হয়েছে, হেয়ার সাহেব আজকাল মানুষের দুঃখ কষ্টের কথা একেবারে সহ্য করতে পারেন না।

    দুলালচন্দ্ৰ কান্না থামিয়ে হাঁ করে চেয়ে আছে। তার ক্ষুদ্র জীবনে এত অল্প সময়ের মধ্যে এত রকম ঘটনার বিপর্যয়ে এক দারুণ আলোড়ন চলছে। সকালবেলা সে একটি রক্তচক্ষু সাহেব দেখেছিল, তার সামনে ডাকিনী যোগিনীরা তার মাকে মারছিল। আর এই একজন সাহেব কাঁদছে।

    পকেট থেকে রুমাল বার করে হেয়ার সাহেব চোখ মুছলেন। ধরা গলায় বললেন, তোমরা ইহাদের আশ্রয় দিবে? অন্ন দিবে? ভেরি কাইণ্ড-মোস্ট গ্রেসাস–

    অন্য পকেট থেকে একটি মুদ্রা বার করে দুলালচন্দ্রের হাতে দিয়ে বললো, লাও! কয়েক বৎসর পর একটু লায়েক হইলে আমার নিকট আসিও, আমি তোমাকে স্কুলে ভর্তি করিয়া নিব।

    দিবাকর পাইককে বললো, এদের ভেতরে নিয়ে যা। গিন্নীমা এরপর ব্যস্ত হয়ে উঠবেন। আপনি আসুন সার। এদিকে আসুন। দয়া করে এ বাড়িতে পায়ের ধুলো দিয়েচেন–

    দিবাকর হেয়ার সাহেবকে নিয়ে এলো বৈঠকখানা ঘরে। সেখানে বিধুশেখর এবং রামকমল আলবোলার, নল হাতে নিয়ে বিষমকর্মের আলোচনা করছিলেন। হেয়ারকে দেখে তাঁরা অবাক হয়ে উঠে দাঁড়ালেন। দিবাকর পরিচয় করিয়ে দিতে যাচ্ছিল, তার আগেই তিনি হাত তুলে নমস্কার করে বললেন, আমি ডেভিড হেয়ার। আপনাদের সেবক।

    ঢোলা প্যান্ট, আর সাদা লম্বা কোট পরা, মাথার চুলগুলি প্রায় সব পেকে গেছে, তাতে চিরুনির ছোঁয়া লাগে না মনে হয়। প্রশস্ত কপালে তিনটি স্পষ্ট ভাঁজ। বয়েস যথেষ্ট হলেও এখনো বেশ বলশালী চেহারা হেয়ার সাহেবের।

    হাতের লাঠিখানা দরজার পাশে রেখে তিনি একটি কৌচে বসে পড়ে বললেন, গঙ্গানারায়ণের খোঁজে আসিয়াছি। সে দুই সপ্তাহ কলেজে যায় না। সে কি ভুগিতেছে?

    রামকমল বললেন, না তো, গঙ্গা তো সুস্থই আচে।

    হেয়ার সাহেব বললেন, তবে সে কলেজে যায় না কেন?

    রামকমল পুনরায় বিস্ময় প্রকাশ করে বললেন, কলেজে যায় না? কই জানি না তো!

    বিধুশেখর চুপ করে আছেন। তিনি গঙ্গানারায়ণকে কলেজে যাওয়ার ব্যাপারে তাঁর বিরূপতা জানিয়েছিলেন, গঙ্গানারায়ণ যে তা সঙ্গে সঙ্গে মেনে নিয়েছে, তিনি জানতেন না। তিনি হেয়ার সাহেবকে এত সামনা-সামনি দেখেননি আগে। এর কার্যকলাপ তিনি বিশেষ সুনজরে দেখেন না। বলতে গেলে এরই প্ররোচনায় ইদানীং ডাক্তারি শেখার নামে অজাত-কুজাতের মড়া কাটছে হিন্দুঘরের ছেলেরা। আর এদিকে কলেজে চালাচ্ছেন এক বিজাতীয় শিক্ষা, যেখানে ধর্মের কোনো স্থান নেই। ছেলেগুলি দিন দিন দুবিনীত আর উগ্র হয়ে উঠছে। এর ফল কখনো শুভ হতে পারে না।

    কিন্তু এ সাহেবের মুখের ওপর তিনি সে ধরনের কোনো কথা বলতে পারলেন না। হাজার হোক সাহেবের জাত তো। তিনি বললেন, গঙ্গানারায়ণের বিবাহ হবে শীঘ্রই, তাই বুঝি সে কলেজে যায়

    হেয়ার সাহেব একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। আজকাল তাঁর ধৈর্য কমে গেছে। বয়স্ক লোকদের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা দেখলে তিনি হঠাৎ মেজাজ গরম করে ফেলেন। এরা দুজন জানেই না যে এদের ছেলে কোনদিন কলেজে যায় কিংবা বাড়িতে বসে থাকে।

    তিনি মাথা নীচু করে নিজেকে শান্ত করলেন। তারপর একটু হেসে বললেন, গঙ্গার বিবাহ-খুব ভালো কথা-আমাদের মিঠাই দিতে ভুলিবেন না-কিন্তু সে কয়দিন বিবাহ করিবে, দুই সপ্তাহব্যাপী?

    রামকমল বললেন, আজ্ঞা, না। বিবাহের এখনো কিছু দেরি আচে।

    হেয়ার সাহেব বললেন, তবে কি বিবাহের চিন্তাতেই সে মজিল? এখন হইতেই কলেজে যাওয়া বন্ধ করিল?

    রামকমল ব্যস্ত হয়ে বললো, না, না, কলেজ যাবে না কেন! সে কি কথা! নিশ্চয় যাবে।

    বিধুশেখর একটু বিরক্ত হয়ে বন্ধুর দিকে তাকালেন। রামকমলের আগ বাড়িয়ে কথা বলার কী দরকার। সব কথাবার্তা তো তিনিই বলবেন।

    রামকমল বললেন, মিঃ হেয়ার, স্যার, আপনি কী খাইবেন? প্রথমে একটু তামাকু সেবন করিবেন?

    হেয়ার বললেন, আমি ধূমপান করি না।

    —তবে কি একটু মদিরা ইচ্ছা করেন? ব্র্যাণ্ডি, বীয়ার, ওয়াইন?

    —ধন্যবাদ, আমি মাদক গ্ৰহণ করি না।

    —সে কি স্যার, আপনি ড্রিংক করেন না?

    —সুরা ব্যতীত অন্য পানীয় গ্রহণ করি। কিন্তু এখন কোনো কিছুর প্রয়োজন নাই।

    রামকমল সিংহ চমৎকৃত হলেন। জাতিতে সাহেব, অথচ বলে কিনা সুরাপান করে না? কবে শোনা যাবে বাঘ-সিংগী নিরামিষ খায়! ডেভিড হেয়ার সাহেবটি সত্যিই বড় অদ্ভুত!

    —তবে সামান্য কিছু মিঠাই? হেয়ার সাহেব বললেন, একবার গঙ্গার সহিত দেখা হইতে পারে কী?

    —নিশ্চয়, নিশ্চয়। বলে রামকমল তৎক্ষণাৎ উঠে গিয়ে ভেতর বাড়ির দিকে মুখ করে ডাকলেন, গঙ্গা! গঙ্গা! ওরে, কে কোথায় আচিস, গঙ্গাকে একবার খপর দে!

    ফিরে এসে রামকমল বললেন, আপনি এসেচেন বলে আমরা ধন্য হয়িচি। আপনি মহাদাশয়, নিঃস্বার্থভাবে এ দেশীয় বালকদের শিক্ষার জন্য যা পরিশ্রম করচেন!

    বিধুশেখর ভ্রূ কুঞ্চিত করে এক মনে আলবোলা টেনে যেতে লাগলেন।

    হেয়ার সাহেব নিজের প্রশংসা শুনে মুচকি মুচকি হাসতে লাগলেন। তারপর হাত তুলে রামকমলকে থামিয়ে দিয়ে বললেন, আপনারা দেশের প্রধান ব্যক্তি, আপনাদের সাহায্য ছাড়া কিছুই সম্ভবে না। আপনারা আর একটু যত্ন লউন।

    সাহেবদের সাহচর্যে এলেই রামকমল বিগলিত হয়ে যান। তিনি হাত জোড় করে বললেন, আমি তো কলেজ স্থাপনের সময় বড় ডোনেশান দিয়িচি। পুনরায় যদি বলেন

    হেয়ার সাহেব বললেন, সে কথা ঠিক, আপনার সাহায্য দিতে কাপণ্য করেন নাই। কিন্তু আরও প্রয়োজন নৈতিক সাহায্যের।

    এই সময় লাজুক মুখে গঙ্গানারায়ণ এসে ঢুকলো। হেয়ার সাহেব সঙ্গে সঙ্গে উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, চলো, তুমি আমার সঙ্গে কিছুক্ষণের জন্য বাহিরে যাইবে। জেন্টেলমেন, আমি যদি ইহাকে সঙ্গে লই, আপনাদের আপত্তি আছে কি?

    এবারও বিধুশেখর কিছু বলার আগেই রামকমল বললেন, বিলক্ষণ না! আপনার সঙ্গে যাবে, তা আবার আপত্তি!

    হেয়ার সাহেব কড়া গলায় গঙ্গানারায়ণকে বললেন, বিনা খবরে তুমি কলেজ যাওয়া বন্ধ করিলে কেন? চলো, আজ তোমার শাস্তি হইবে-।

    সাহেব এসেছে শুনে চিন্তা দাসী নবীনকুমারকে কোলে নিয়ে দেখতে এসেছে। নবীনকুমার হাত বাড়িয়ে ঝাঁপিয়ে এলো, যেন সে হেয়ার সাহেবের কোলে উঠতে চায়।

    হেয়ার সাহেব তাকে অমনি কোলে টেনে নিয়ে শিশু শরীরের গন্ধ শুর্কতে লাগলেন। তারপর খুশী হয়ে বললেন, এ কুঠিতে পরিচ্ছন্নতা আছে বটে! এ কার সন্তান?

    রামকমল বললেন, আমার। এ আমার কনিষ্ঠ সন্তান।

    হেয়ার সাহেব বললেন, বাঃ, বড় সুন্দর শিশুটি। ইহার খুব বুদ্ধি হইবে।

    একটুক্ষণ নবীনকুমারকে আদর করে তিনি তাকে ফিরিয়ে দিলেন পিতার কাছে। তারপর গঙ্গানারায়ণের কাঁধে হাত রেখে বললেন, চলো!

    সকলে সদর দেউড়ি পর্যন্ত গেল হেয়ার সাহেবের সঙ্গে। তিনি যখন বেরিয়ে যাচ্ছেন তখন কান্না জুড়ে দিল নবীনকুমার। সেও যেন হেয়ার সাহেবের সঙ্গে যেতে চায়।

    হেয়ার সাহেব। আবার ফিরে এসে নবীনকুমারের গাল টিপে দিয়ে বললেন, আবার আসিবো। আমি ঘোড়া হইলে তুমি আমার পিঠে চড়িতে পরিবে কি?

    নবীনকুমার হেয়ার সাহেবের স্কন্ধ শক্ত করে চেপে ধরলো। এই শ্বেতাঙ্গ ব্যক্তিটিকে তার খুব পছন্দ হয়েছে।

    হেয়ার সাহেব নবীনকুমারকে দু হাতে তুলে শূন্যে ছুঁড়ে দিয়ে আবার লুফে নিলেন সঙ্গে সঙ্গে। নবীনকুমার বেশ মজা পেয়ে হাসতে লাগলো। হেয়ার সাহেব বললেন, বাঃ, ভয় পায় না। আমি বলিতেছি, পরে মিলাইয়া দেখিবেন, এই সুশ্ৰী বালকটি কালে কালে অসাধারণ হইবে!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্রিস-ক্রস – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    Next Article একটি পেরেকের কাহিনী – সাগরময় ঘোষ

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    কৈশোর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    অর্ধেক মানবী – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    বাড়ির খবর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ফুলমণি-উপাখ্যান – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 10, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026
    Our Picks

    স্বাধীনতা যুদ্ধে অচেনা লালবাজার – সুপ্রতিম সরকার

    August 11, 2026

    একটি পেরেকের কাহিনী – সাগরময় ঘোষ

    August 11, 2026

    সেই সময় ১ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 11, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }