Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দুই বাংলার দাম্পত্য কলহের শত কাহিনী – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ও ইমদাদুল হক মিলন সম্পাদিত

    ইমদাদুল হক মিলন এক পাতা গল্প1423 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রাগ অনুরাগ – শক্তিপদ রাজগুরু

    রাগ অনুরাগ
    শক্তিপদ রাজগুরু

    হরিমাধব বাবুর এমনিতে বেশ সাজানো সংসার। দুই ছেলেও কৃতি। একজন কোন কলেজের অধ্যাপক, ছোট ছেলে এলাকার নামী ডাক্তার, ভালো পোর।

    হরিমাধব বাবু নিজে এখানের বারের নামকরা উকিল। নিজের চেম্বার এদিকে। মক্কেলের ভিড় লেগেই আছে।

    ফৌজদারী কেসের বিশেষজ্ঞ। ফাঁসির আসামীকে তার সাওয়াল জবাব আর নিপুণভাবে সাক্ষীকে পড়ানোর জন্য তিনি খালাশ করে আনতে পারেন এটা বেশ কয়েকবারই দেখেছে অনেকে।

    এজলাসে দাঁড়ালে তরুণ হাকিমরা হরিমাধবকে সমীহ করেন। ভরাটি কণ্ঠস্বর, ইয়া গোল মুখে একজোড়া পুষ্ট বিড়ালের ল্যাজের মত গোঁফ, তার কণ্ঠস্বর গম গম করে এজলাস।

    আদালতে তিনি যেন রয়েল বেঙ্গল টাইগার। চেম্বারেও সেই মূর্তি।

    মক্কেল এসেছে চারাভাঙ্গানীর মামলা করতে অন্য পক্ষের নামে। তার ভাইপো নাকি জোর করে কাকার জমি দখল করতে চায়। তার রোয়া ধানগাছগুলি তছনছ করে গেছে। তাই ভাইপোর নামে মামলা করতে এসেছে শশী মোড়ল, বলে, ভাইপোকে ফাটকে পুরতে হবে উকিল বাবু। এই দুশো টাকা আগাম রাখেন, ভাইপোকে ফাটকে পুরতে পারলে আরও পাঁচশো–

    তারপরই হরিমাধব বলে–ভাইপোকে ফাটকে পুরতে হবে? তাহলে এদিকে আয়–আয়।

    শশী মোড়ল উকিলবাবুর ডাকে এগিয়ে আসতেই এবার উকিলবাবু টেবিল থেকে জম্পেশ রুল কাঠটা তুলে নিয়ে শশীর কপালেই এক মোক্ষম ঘা মারতে শশী আর্তনাদ করে বসে পড়ে কপলে হাত দিয়ে, আঙ্গুলের ফাঁক দিয়ে রক্ত চুইয়ে পড়ছে টোপ টোপ করে।

    নিজের হাতের এহেন কাজ বেশ মনদিয়ে দেখছে হরিমাধব।

    শশী বলে, মারলেন, কপাল ফাটিয়ে রক্তপাত ঘটালেন কেন? কি করেছি?

    —চোপ! হরিমাধব গোঁফ নেড়ে ধমকালেন—চোপ।

    তোর মামলা পাকা করার জন্যই এটা করেছি। ওহে মুহুরী।

    নিবারণ মুন্ত্রী জানে এরপর তার ডাক পড়বে। সে জানে তারও কিঞ্চিৎ আমদানী হবে। সে জানে কি করতে হবে এরপর। কারণ ফৌজদারী মামলা সাজাবার জন্য উকিলবাবু এসব কাজ করেন। নিবারণ বলে একে থানায় নে গিয়ে ডাইরী করিয়ে আনবো?

    —উকিলবাবু বলেন শশী, একটা মিথ্যা সাক্ষীও আমি যোগাড় করে দোব— খরচা দিয়ে যাও থানায় ডাইরী করিয়ে এসো।

    রক্তপাত-হত্যার চেষ্টা একবার উল্লেখ থাকলে তোমার ভাইপোকে হাজতে পোরা যাবে না। এবার সব ঠিক করে দিয়েছি। ফাটকে পুরছি তোমার ভাইপোকে।

    আর হরিমাধব উকিল তাই করেছে। তিনচারজন জুনিয়ার উকিল আদালত বাড়ির চেম্বারে নথিপত্র নিয়ে হরিমাধবের নোট নেয়। মামলা সাজায়। সাক্ষীদের তালিম দেয় কি কি বলে যেতে হবে দিনকে রাত করার জন্য।

    বিপক্ষের উকিলদের আনা সাক্ষীদের জেরার মুখে ধমক দিয়ে হরিমাধব ওদের সবকথাকে তাল গোল পাকিয়ে দেয়।

    মামলা উলটে দেয়, হুঙ্কার আর ধমকে হরিমাধব উকিল।

    কিন্তু এহেন পুরুষ সিংহ বাড়িতে গিন্নী হরিপ্রিয়ার কাছে একেবারে কেঁচো। হরিপ্রিয়ার বাবা মুর্শিদাবাদের কোন গ্রামের জমিদার। বিশাল চকমেলানো বাড়ি দেউড়ি, ঠাকুর দালান, কাছারিমহল, বাড়িতে জুড়ি গাড়ি সবই ছিল।

    বাবার আব্দারে মেয়ে ছোট ভাইএর চেয়ে তার আব্দারই বেশী। জমিদার বাবু দেখে শুনে মেয়ের বিয়ে দিয়েছিলেন।

    হরিমাধবের বাবাও ছিলেন জমিদার। তবে হরিমাধব কলেজে পড়ে এখন নামকরা উকিল।

    জমিদারী চলে গেছে, হরিপ্রিয়ার ছোট ভাই এখন ধানকল করে ভালো ব্যবসা করছে তবে জমিদারী না থাকায়ও জমিদারী মেজাজটা রয়ে গেছে হরিমাধবের শালা বাবুর। রয়েছে দাপটও।

    তার তুলনায় হরিমাধব বাড়িতে নিরীহ নিপাট একটি মানুষ, আর সেটা হয়েছে ওই স্ত্রী হরিপ্রিয়ার দাপটেই। জমিদারী মেজাজ তার।

    দশাসই চেহারা, এককালে সুন্দরীই ছিল, ফর্সা গায়ের রং। সেই সুন্দরী মেয়েটি এখন যেন দারোগা। হাকিম সামলাতে জানে হরিমাধব কিন্তু দারোগা সামলাতে অক্ষম, বিশেষ করে বাড়ির এই দারোগাকে।

    হরিমাধব বিকালে গাড়ি থেকে নেমে বাড়ি ঢুকছে। উঠোনে কলতলায় কাজের মেয়ে সাবিত্রী একরাশ বাসন নিয়ে মাজতে বসেছে। বাড়ি ঢুকে হরিমাধব নিচে দাঁড়িয়েছে উপর থেকে হরিপ্রিয়ার চড়া গলা শোনা যায়।

    ওখানে দাঁড়িয়ে কি হচ্ছে? উঠে এসো! এসো!

    হরিমাধব বাবুর মেজাজ চড়ে ওঠে। আদালতে আজকে হাকিমের এজলাসে বেশ তর্ক হয়েছে একটা ল’পয়েন্ট নিয়ে মন মেজাজ ভালো নেই।

    গিন্নীর এই হাকডাকে বলে হরিমাধব— যাচ্ছি।

    —উঠে এসো, এক্ষুনিই।

    হরিমাধব বাবু জুতো খুলে উঠে গেলেন দোতালার ওদিকের ঘরে। গিন্নীর হাকডাকে ওদিকে বড় বৌ শেফালী আর বড় ছেলে চাইল। শেফালী স্বামীকে বলে—এত খোঁজ করে এই কাজের মেয়েটিকে আনলাম বাবার বাড়ি থেকে মা এবার একেও তাড়াবে। কি সন্দেহ বাতিক যে মায়ের।

    হরিমাধবের বড় ছেলে অধ্যাপক মধুসূদন পরীক্ষার খাতা দেখতে দেখতে বলে— তাই দেখছি। মায়ের কি যে রোগ।

    ওদিকে ছোট বৌও দেখেছে ব্যাপারটা। তার ডাক্তার স্বামী চেম্বারে যাবার জন্য পোষাক বদলাচ্ছিল সে বলে–মায়ের এটা একটা মানসিক রোগ। ছোট বৌ আইভি স্বামীকে বলে মায়ের রোগ আবার তোমার মধ্যে সংক্রামিত হয়নি তো? দেখো বাপু?

    ডাক্তার হরগোবিন্দ স্ত্রীকে কাছে টেনে নিয়ে বলে–সে ভয় তোমার নেই।

    আইভি বলে একটা কিছু না করলে বাড়িতে কাজের মেয়েতো থাকবে না। মায়ের একি বিশ্রী রোগ। তুমি তো ডাক্তার, দ্যাখনা ওষুধপত্র দিয়ে।

    হরগোবিন্দ বলে— এরোগ সারানোর ক্ষমতা বাবা মহাদেবেরও নাই। আমি তো তুচ্ছ।

    ওদিকে হরিমাধব তখন গিন্নীর জেরায় জেরবার। হরিপ্রিয়া মুখে পানের উপর একছিটে খুসবুদার জরদা ছিটিয়ে জেরা করে।

    উঠানে হা করে ওই সাবিত্রীর দিকে চেয়েছিলে কেন?

    হরিমাধব দেখেছে, ছোটছেলের গাড়ি রয়েছে, বড় ছেলেও ফিরেছে কলেজ থেকে। বৌমারাও রয়েছে।

    হরিমাধব বলে স্ত্রীকে আস্তে, কি যা তা বলছ। ছেলে-বৌমারা রয়েছে শুনতে পাবে।

    হরিপ্রিয়া খাটে গদিয়ান হয়ে গলা আরও চড়িয়ে বলে–শুনুক। ওদের বাপের গুণের কথা শুনুক। তিনকাল গিয়ে এককালে ঠেকেছে–এখনও ছোঁক ছোঁক স্বভাব গেল না। স্বভাব যায় না মলে, ইন্নৎ যায় না ধুলে।

    হরিমাধব চাপা স্বরে বলে কি হচ্ছে। জুতো খুলছিলাম নীচে ফিতে খুলতে দেরী হচ্ছিল।

    থাক। আর সাফাই গাইতে হবে না। শেষ বারের মত বলে দিলাম এদিক ওদিক চাইবে না।

    তারপর গলা তুলে হাক পাড়ে কাজের মেয়ের উদ্দেশ্যে—এই সাবিত্রী, বাসন মাজা হলে রান্নাঘরে গিয়ে আনাজ কোট গে।

    অর্থাৎ হরিমাধব এবার চা খেয়ে চেম্বারে নামবে তার আগেই সাবিত্রীকে উঠান থেকে সরিয়ে দেবার কথাই বলা হলো।

    হরিমাধবের বয়স এখন ষাট পার হয়েছে। ওর নামে শত্রুতেও কোনদিন কলঙ্ক, অপবাদ দিতে পারেনি। চরিত্রবান সৎ মানুষ।

    ভোরে উঠে স্নান করে গুরুবন্দনা পূজা গীতাপাঠ করেন, সন্ধাতেও আধঘণ্টা গুরুপূজা ভজন করে চেম্বারে নামেন।

    বাকী সময় কাটে মক্কেল, কেস কাবারি আর আদালত নিয়েই।

    তবু গিন্নীর চোখে তার মত ভ্রষ্ট পুরুষ আর যেন কেউই নেই। ফিরতে দেরী হলে কৈফিয়ৎ চায় হরিপ্রিয়া কোথায় ছিলে এতক্ষণ।

    হরিমাধব বলে এজলাসে দেরী হয়ে গেল।

    —এজলাস? না অন্য কোন মহিলা মক্কেলের বাড়িতে? শুধচ্ছি নিবারণকে?

    হরিমাধব বলে— দোহাই তোমার, এসব ছাড়োতো? কি যে ভাবো? ছিঃ ছিঃ এসব কথা বলতে বাধে না।

    –বাধবে কেন? তোমাকে বিশ্বাস নাই।

    .

    এই নিয়ে বৌদের মধ্যেও হাসাহাসি হয়।

    —কি কাণ্ড।

    ছেলেরা বলে কাজের মেয়েটা আছে তো? মা যা শুরু করেছে আবার।

    হরিমাধব বাবুর উপর গিন্নীর কড়া নজর। রাতে হরিমাধব বাবু কোনদিন বাথরুমে যাবেন। হরিপ্রিয়ার ঘুমও সজাগ, দেখে কর্তা ঘুম থেকে উঠে দরজা খুলে বের হয়ে যাচ্ছে।

    হরিপ্রিয়ার মনে হয় নিশ্চয়ই ওর মতলব ভালো নয়। সেও পা টিপে টিপে কর্তার পিছু পিছু বের হয়ে আসে। এবার হাতেনাতে কর্তার কুকীর্তি ধরবে।

    সেকেলে আমলের বিরাট বাড়ি। দোতালার বাথরুম বারান্দার ওদিকে। হরিমাধব বাথরুম থেকে বের হয়ে আসে। দেখে থামের আড়ালে গিন্নী সজাগ দৃষ্টিতে চেয়ে আছে।

    —তুমি!

    হরিপ্রিয়া বলে–বাথরুম যাবে, বলে যাবে তো। রাতদুপুরে কোথায় যাচ্ছো দেখব না? সেই ফাঁকে দেখে হরিপ্রিয়া একতলায় নামার গেটটা সঠিক তালাবন্ধই রয়েছে। ঝি চাকররা অবশ্য একতলাতে থাকে রাতে।

    হরিমাধব বলে— এত ঠাকুর নাম করো মনের এই ময়লা বু মুছতে পারলেনা।

    এই নিয়েই অশান্তি বাড়িতে। হরিমাধব যেন বাড়ির ছেলে বৌদের সামনে একটা ক্লাউনে পরিণত হয়েছে।

    হরিমাধবের ব্যাপারটা ক্রমশঃ অসহ্য হয়ে ওঠে। হরিমাধবের নীচের তলায় নামার সময় হরিপ্রিয়াও নেমে আসে বাতের শরীর নিয়ে।

    চেম্বারে ঢুকিয়ে তবে উপরে উঠে যায় হরিপ্রিয়া। খবরটা দুচারজন মক্কেলও জেনে ফেলে।

    .

    সেদিন হরিমাধবের শ্যালক জমিদার তনয় এসেছে হরিমাধবের বাড়িতে। হরিপ্রিয়াও ভাইকে পেয়ে খুশী।

    হরিমাধবের অনেক দিনের বন্ধু ও শ্যালক। কমলবাবু রসিক ব্যক্তি। সন্ধার পর তার একটু পানদোষএর অভ্যাস আছে। জমিদারী চলে গেলেও সেই অভ্যাসটা বজায় রেখেছে কমলবাবু।

    হরিমাধব নিজে ওসব খায় না। নিষ্ঠাবান ব্যক্তি সে, তবু শ্যালকের জন্য বিলাতী মদ কাজু বাদাম, কাটলেট এসব আনিয়েছে।

    হরিমাধব কমলকেই পেয়ে আজ বলে হরিপ্রিয়ার ওই সন্দেহ বাতিকের কথাটা। বলে তোমার দিদি তো আমার মানসম্মান ধুলোয় লুটিয়ে দেবে ঘরে বাইরে। যা সন্দেহ বাতিক ওর।

    কমল তখন সবে গ্লাসে চুমুক দিয়েছে। সে কথাটা শুনে বলে–সেকি! তুমি তো একদম নিরিমিস্যি লোক, মদ মেয়েছেলে কোন বাতিকই নেই, তোমাকে সন্দেহ করে দিদি!

    –সন্দেহ বলে সন্দেহ, ছেলে বৌদের সামনে যা তা বলে? লজ্জায় মাথা কাটা যায়। বাড়ির কাজের মেয়ে—

    ওই বুড়িকে নিয়ে সন্দেহ। হেসে ওঠে কমল।

    হরিমাধব বলে তুমি হাসছ! এদিকে আমার কাঁদতে ইচ্ছা করছে। এক এক সময় মনে হয় সংসার ছেড়েই কোথায় চলে যাই। যেদিকে দুচোখ যায়।

    কমল বলে–জল অনেক দূর গড়িয়েছে দেখছি। এক কাজ করতে পারো? ফল হবে।

    —কি! হরিমাধব আশান্বিত হয়ে শুধোয় সেই পরিত্রাণের পথের কথাটা। কমল গলায় এক ঢোক মদ ঢেলে বলে— একদিন আচ্ছাসে প্রহার করো। বেদম প্রহার দেখবে মারের চোটে ওই সন্দেহের ভূত কোনদিকে পালাবে।

    আমি শুধু এদিক ওদিক করি হরিমদা, এই নিয়ে কথা বলতে দিলাম মুষ্টিযোগ প্রয়োগ করে একদিন। ব্যস তারপর থেকে ঠাণ্ডা। তাই বলছি— হরিদা, তুমিও একদিন মুষ্টিযোগ দিয়ে দাও দিদিকে বেশ কড়া ডোজেই দেবে।

    হরিমাধব শ্যালকের এহেন পরামর্শে চমকে ওঠেন, বলছ কি হে নীলকমল। এ্যা নিজের স্ত্রীকে প্রহার মারধোর করতে হবে। ছেলেরা বড় হয়েছে বৌমা, নাতি-পুতি রয়েছে। কি ভাববে তারা? নানা এ হতে পারে না। পাঁচজন শুনলে কি বলবে? ছিঃ ছিঃ করবে যে।

    কমল মদের গ্লাসে চুমুক দিয়ে বিজ্ঞের মত রায় দেয় তাহলে তোমার বাঁচার পথ আর নাই। ওই সব পাঁচালী শুনে যাও। তোমাকে বাঁচার আর কোন পথই দেখি না।

    কমল বেশ কৃতি পুরুষ। ব্যবসাতে ভালো করছে। নানা জনকে চরিয়ে খায়। সদরের নেতাদেরও সকলে কমলবাবুকে সম্মান করে। তার কাছে নানা পরামর্শ নিতে আসে আপদে বিপদে।

    হরিমাধব বলে— কমল তোমার মাথায় অনেক রকম মতলব খেলে শুনেছি। আমাকে পরিত্রাণের এক পথ বাতলাও ভায়া। নাহলে শেষ মেষ সংসার ছেড়েই চলে যাবো কোথাও।

    কমল তখন কয়েক পেগ চড়িয়েছে। নেশাটা গোলাবী রং ধরেছে। কমলের মাথায় এবার আইডিয়াটা আসে। বলে সেহরিদা, একটা পথ আছে।

    মারধোর করতে হবে না তো? হরিমাধব ওইসব অপ্রিয় কাজ করতে পারবে না। তাই ওই কথা বলে।

    না না, এ একেবারে অন্য পথ। ঠিকমত চাল দিতে পারলে দিদি একেবারে মাৎ হয়ে যাবে। তোমার পূজার ছুটেতে কোর্ট কতদিন বন্ধ থাকে।

    —তা ধরো মাসখানেক। হরিমাধব জানায়।

    -তাহলে ক’টা দিন মুখ বুজে দিদির থ্যাতলানি খাও। তারপরই ব্যস। কুমোরের ঠুকঠুক, কামারের এক ঘা। একেবারে মোক্ষম ঘা।

    —তা কি করতে হবে বলবে তো। হরিমাধব শুধোয়।

    কমল বলে, সময়েই বলবো।

    .

    হরিমাধবের জীবন যেন বিষিয়ে উঠেছে গিন্নীর ওই বাতিকে। সাবিত্রীর কাজ চলে গেছে ছেলেরা কদিন চেষ্টা করে ছোট বৌ-এর গ্রাম থেকে এক বয়স্কা বিধবাকে এনেছে কাজের জন্য। ছোট ছেলে মাকে বলে— সারা পাড়ার লোক, কাজের লোকেরা জেনে গেছে তোমার কথা। আর পাগলামী কোরো না।

    হরিপ্রিয়া বলে— তোরা আমার দোষই দেখলি, তোদের বাপ! তার গুণের কথা জানিস? আদালতে এক মানুষ আর ঘরে পাড়ায় নজর দোষ গেল না।

    ছেলে সরে পড়ে। বৌরা আড়ালে হাসাহাসি করে। হরিমাধববাবু সেদিন না খেয়েই আদালতে চলে যান। কাজে মন লাগে না। পূজার ছুটিও পড়ে গেল।

    রাতের বেলায় উঠে বাথরুম যাবেন, দেখেন তার ধুতির সঙ্গে গিন্নী জম্পেশ করে শাড়ির আঁচল বেঁধে রেখেছে। অর্থাৎ হরিমাধব বাবুকে যেন বেঁধে রাখা হয়েছে। গিন্নীও জেগে গেছে। শুধোয় কোথায় যাওয়া হচ্ছে চুপে চুপে। এা নতুন মেয়েটার দিকে নজর পড়েছে এর মধ্যে।

    —থামবে।

    —কেন থামবো। হরিপ্রিয়াও গর্জে ওঠে।

    ছেলে বৌমা জেগে গেছে। বড় ছেলে বলে মা কি পাগল হয়ে গেল। ছোট বউ বলে ডাক্তারকে কি ব্যাপার গো! রাত দুপুরেও বুড়োবুড়ির নাটক।

    হরিমাধব বাবু চুপ করে যান। অবশ্য হরিপ্রিয়া তখনও গজগজ করছে, স্বভাব যায় না মলে, ইৎ যায় না ধুলে।

    হরিমাধবের মনে পড়ে এবার কমলের কথাগুলো। এবার সেও তৈরী।

    পুজো আসছে। বাড়িতে সমারোহ শুরু হয়েছে, হঠাৎ সকাল থেকে হরিমাধবকে পাওয়া যাচ্ছে না। আদালত বন্ধ। কিন্তু লোকটা গেল কোথায়?

    হরিপ্রিয়াও ভাবনায় পড়ে। বলা নাই কওয়া নাই পুজার মুখেই লোকটা কোথায় নিরুদ্দেশ হয়ে গেল।

    বড় ছেলে, বড় বৌমা, ছোট ছেলে, ছোট বৌমা এবার মাকেই দায়ী করে।

    লোকটা শিবের মত সৎ, দিনরাত খেটেছে পয়সা এনেছে তাদের মানুষ করেছে, আর মা তুমি সেই সম্মানীয় লোকটাকে দিনরাত শুধু শাসন করেছে আর যা তা কথা বলেছো। ছোট ছেলে জানায়।

    সারা শহরের মানী লোকটাকে তুমি পদে পদে অপমান করেছে। আর তাই অতিষ্ঠ হয়ে লোকটা ঘর ছেড়েই চলে গেল।

    পুজো এসেছে, হরিপ্রিয়া এখন একেবারে নীরব। বাড়িতে যত ঝগড়া হোত তার স্বামীর সঙ্গেই। আজ সেই লোকটা নেই। উৎসব আনন্দের দিনে কোথায় রইল কে জানে।

    অবশ্য ছেলেরা পরামর্শ করে অন্যদের জানিয়েছে বাবা কেদারবদরী গেছেন। তারা আসল খবরটা জানে না।

    হরিপ্রিয়া নাওয়া খাওয়া ছেড়ে এবার চোখের জলই ফেলে, মানুষটাকে হারিয়ে আজ বুঝেছে যে সত্যিই স্বামীকে সে অকারণে লাঞ্ছনা অপমানই করেছে। এবার দেবতার চরণে মাথা ঠোকে মানুষটাকে ফিরিয়ে এনে দাও ঠাকুর।

    কিন্তু পূজা কেটে গেল হরিমাধবের কোন খবর নাই। ছেলেরাও ভাবনায় পড়ে।

    কোন বিপদ আপদ হল কিনা বাবার কে জানে।

    হরিপ্রিয়া কদিনেই আধখানা হয়ে গেছে আর কথা বলে না সে। শুধু চোখের জল ফেলে ঠাকুর দেবতার পায়ে মাথা ঠোকে। কিন্তু হরিমাধবের দেখা নাই।

    কমল এখবর পেয়ে আসে দিদির কাছে। দিদির সেই তেজ দাপট আর নাই। এখন সব ঠাণ্ডা। ভাইকে দেখে বলে আমার কি সর্বনাশ হলরে। লোকটা বিবাগী হয়ে গেল। কোথায় গেল।

    কমল বলে, তোমারই সন্দেহ বাতিকের জন্যই সংসার ছেড়ে চলে গেছে। গুরুদেবের আশ্রমে খবর নিয়েছো?

    —হ্যারে। সেখানেও যায়নি।

    —তাহলে গেল কোথায়? কমল ভাবছে।

    হরিপ্রিয়া বলে আমারই দোষ। যাতা বলেছি ওকে আর কোন দিন ওসব কথা বলব না। তুই লোকটাকে খোঁজ কমল।

    কমল বলে–কাশীপুর শ্মশানে অনেক বড় সাধু আসে। তারা ভূত ভবিষ্যৎ সব জানে।

    —সেখানেই নিয়ে চল। যদি তাঁরা ওর সন্ধান দিতে পারে। চল ভাই। হরিপ্রিয়া এখন অন্য মানুষ।

    কমল বলে সেখানে গিয়ে কি পাবে তাকে। তা এতকরে বলছ, কাল সকালে গাড়ি পাঠাবো, যাবে।

    কমল বাড়ি ফিরে দেখে হরিমাধব কাগজ পড়ছে তার বাগান বাড়িতে। হরিমাধব কমলকে দেখে বলে ও বাড়ির কি খবর হে, তোমার দিদি।

    একেবারে নেতিয়ে পড়েছে ঠাকরুণ। মনে হয় ওষুধ ধরেছে।

    হরিমাধব বলে, এভাবে আর তোমার বাগান বাড়িতে কদিন গাঢাকা দিয়ে থাকবো?

    কমল বলে— ওই তোমার দোষ, বিয়ের পয়লারাতে বৌ-এর কাছে হম্বিতম্বি দেখাতে পারেনি আমার মত, তাই ভুগছ। এবার একটা দিন বেশ জমিয়ে অভিনয় করতে হবে ব্যস। তাহলেই কিস্তি মাৎ।

    অভিনয় করতে হবে?

    কমল বলে–বার লাইব্রেরির নাটকে বাল্মিকী, বিশ্বামিত্রের পার্ট তোমার একচেটিয়াকাল কাশীপুরের শ্মশানে সাধুর রোল করতে হবে। লাস্ট সিন। মেকআপ করার লোকও এনেছি। যা যা বলবো করে যাও। ব্যস তারপর দেখবে আমার দিদি ইয়োর মোস্ট ওবিডিয়েন্ট সারভেন্ট।

    হরিপ্রিয়া ব্যাকুল হয়ে এসেছে কমলের এখানে।

    কমল বলে চলো মহাশ্মশানে। শ্মশানে এক নতুন সাধু এসেছেন। কে জানে হরিদা মনের দুঃখে সন্ন্যাসী হয়ে গেল কি না।

    ওকথা বলিসনি কমল। তার কিসের দুঃখ যে সন্ন্যাসী হবে।

    কমল বলে–মনের দুঃখে। দুঃখ তত তুমি তাকে কম দাওনি।

    আর ও বলিস না। আমার রে শিক্ষা হয়েছে। চল যদি সন্ধান পাই তার।

    .

    কাশীপুর শ্মশানে একটা নদীর ধারে বিস্তীর্ণ জায়গা জুড়ে রয়েছে শিরিষ, শেওড়া, নিম, আকাশমণি আর নিচে ঘন লতার জঙ্গল। ওরই এখানে ওখানে দু’একজন সাধু ধ্যানস্থ হয়ে রয়েছে। হরিপ্রিয়ার দামী শাড়ি ধূলায় লুটোচ্ছে। কাটা ঝোঁপ আকন্দ বনের ভিতরে সে খুঁজছে একজনকে ব্যাকুল ভাবে।

    ।কমল অবশ্য স্টেজ রেডিকরে রেখেছিল। সকালে হরিমাধবকে মেকআপ দিয়ে এখানে একটা বড় শেওড়া গাছের নীচে চালা করে বসিয়ে দিয়ে গেছে।

    ইয়া দাড়ি, পরণে রক্তাম্বর গলায় অনেক হাবি জাবি মালা গায়ে ছাইও মাখানো। হরিমাধবের দাড়ি কুটকুট করছে। হঠাৎ হরিপ্রিয়াকে দেখে চাইল।

    হরিপ্রিয়া দেখেই চিনেছে। পিছনে কমল। হরিপ্রিয়া এসে পায়ে লুটিয়ে পড়ে কান্না ভিজে গলায় বলে একি হাল হয়েছে তোমার? এই শেওড়া গাস্ত্রে নীচে বসে আছো নিজের ঘর সংসার ছেড়ে। ওগো ঘাট হয়েছে বাড়ি চলো।

    হরিমাধব এবার বাল্মিকীর সেই ডায়লগ বলে–সংসার! ওসব মায়া। অনিত্য। সেই মায়ার সংসার ছেড়ে মহামায়ার কৃপালাভের জন্যই এখানে এসেছি। তুমি বাড়ি ফিরে যাও।

    —ছেলেরা বৌমারা কত ভাবছে তোমার জন্যে দাদুভাই কত কাঁদছে।

    —দুদিন কাঁদবে তারপর ভুলে যাবে। একবার যখন অনিত্যকে ছেড়ে এসেছি আর ওখানে যাবো না। ওঁ হরি ওম বলে হরিমাধব নীরব হয়ে যায়। যেন সমাধি লাভই করেছে।

    হরিপ্রিয়া এবার পায়ে মাথা ঠোকে। আমার ঘাট হয়েছে, আর ওসব পাপ কথা কোনদিন মুখে আনবো না। তোমার পা ছুঁয়ে বলছি ওগো ঘরে চলল। তপস্যা সেখানেই করবে। কাজকর্ম করবে, এও করবে শান্তিতে আমি কোন কথা বলব না আর। পোড়া জিব আমার খসে যাবে।

    কমল বলে হরিদা, দিদি এতকরে বলছে ঘরেই চলুন সংসারই তো স্বর্গ, ঘরই তো মন্দির।

    হরিমাধব বলে–তুমি বলছ কমল? শেষে আবার সেই অশান্তি।

    হরিপ্রিয়া বলে–তোমার পা ছুঁয়ে বলছি, আমার ভুল ভেঙ্গেছে। যে এককথায় ঘর সংসার ছাড়তে পারে তার মনে কোন পাপ নেই। তুমি ঘরে চলো।

    হরিমাধব অস্ফুট স্বরে বলে–হরি ওম্ ঔৎ সৎ চলো।

    তবে কথার খেলাপ হলে এবার হিমালয়ে চলে যাবো।

    কমল বলে দিদি তুমি বাড়িতে যাও। আমি হরিদার দাড়িফাড়ি কাটিয়ে ধাপ দুরস্ত করে বাড়ি নিয়ে যাচ্ছি।

    যদি না যায়! হরিপ্রিয়া বলে।

    কমল বলে আমি তো আছি, ওকে নিয়েই বাড়ি ফিরবো। ভয় নেই।

    পাড়ার সকলে জানে হরিমাধব কেদারবদরী থেকে ফিরেছে। বাড়িতে আজ আনন্দের পরিবেশ। সন্ধ্যায় কমল আজ বেলাতী মদ নিয়ে এসেছে। হরিমাধব কাটলেট খাচ্ছে। কমল বলে— ক্যামন বুঝছে হরিদা।

    হরিমাধব বলে— অল কোয়ায়েট ইন দি হোম ফ্রন্ট। তোমার দিদি এখন একেবারে অন্য মানুষ হে। আর কোন কথা নাই। বেশ শান্তিতে কাজটা হয়েছে ঘরেও শান্তি নেমেছে।

    কমল বলে তাহলে আমার এলেম আছে বলল। হরিমাধব আজ কমলের কেরামতিকে অস্বীকার করতে পারে না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রিয় – ইমদাদুল হক মিলন
    Next Article গোপনে – ইমদাদুল হক মিলন

    Related Articles

    ইমদাদুল হক মিলন

    ইমদাদুল হক মিলনের বিবিধ রচনা

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    অন্তরে – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    এসো – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    প্রিয় হুমায়ূন আহমেদ – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    গোপনে – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    প্রিয় – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }