Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দুই বাংলার দাম্পত্য কলহের শত কাহিনী – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ও ইমদাদুল হক মিলন সম্পাদিত

    ইমদাদুল হক মিলন এক পাতা গল্প1423 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অষুধ – শহীদ আখন্দ

    অষুধ – শহীদ আখন্দ

    কিছুদিন ধরে ঘটছিল কাণ্ডটা। রাতের খাবারটা কোনমতে গিলে কুলিটা মুখে নিয়েই সেই যে ঘর থেকে একলাফে নিচে নামে তারু মিয়া আর পাত্তা পাওয়া যায় না তারপর। ফেরে অনেক রাতে চোরের মতো। কপাটের উপরের ব্যাঙটা আর লাগায় না। সুরুয বানু, মানুষটা বাইরে আছে যখন কি জানি কত রাত হয় ফিরতে, নিচের ব্যাংটা বরং বাইরে থেকে খোলা যায়। চোরের মত কখন ফেরে রাতে, সুরুয বানু টের পায় মাঝে-মাঝে, টের পায়না কোনদিন। প্রথম দিকে পাত্তা দেয়নি সুরুয বানু, সারাদিন খাটে বন্ধে বাইরে, সন্ধ্যেবেলায় কোথাও একটু গিয়ে তামাক টানল, গপ্পো-টপ্লো মারল তাতে গা চুলকানোর কি আছে! কিন্তু আস্তে আস্তে ঘটনাটা কেমন চোখে ঠেকছে। মনে ঠেকছে। সন্ধ্যা থেকে এত রাত পর্যন্ত কোথায় কোন রসের এমন ভাণ্ডার আছে যে, খালি বিছানায় তাকে এমন খালি গড়াগড়ি খেতে হবে আর বার বার দরজার দিকে কোন পরিচিত শব্দের জন্য কান পেতে পেতে কাহিল হয়ে পড়ে ঘুমাতে হবে? সে জায়গাটা কোথায়? সুরুয বানু একদিন জিজ্ঞেস করেছিল, খায়া কুলিটা ফালানির তর সয়না কই যাওয়ার জন্য এমুন পাগল হন, রুজ রুজ রাইতের বেলা?

    উঠানে নেমে ডালিমতলায় চলে গেছে ততক্ষণে তারু মিয়া। ওখান থেকে কি রকম একটা মিনমিন করে চিবানো জবাব দিল টের পাওয়া গেল না। পরদিন সারাদিন সুরুয বানু তক্কে তকে থেকেছে ভাল করে কথাটা জিজ্ঞেস করার জন্যে ভাল করে। একটা জবাব পাওয়া পর্যন্ত বুকের ভিতরে একটা অচেনা দুপদাপকে কিছুতেই দূরে সরাতে পারছে না। কিন্তু সারাদিন তাকে একান্তে পাওয়া খুব কঠিন কাজ। শাশুড়ি আছে, দেবর ননদ আছে, আছে সারাদিন গুচ্ছের কাজ। হাঁড়ি ঠেলাঠেলি, ধান শুকানো, রকারি সাজানো। অথচ সারাটা দিন তার কিছু ভাল লাগেনি। মনে হয়েছে ডালিম গাছের পাতাগুলো হঠাৎ কবে-হলদেটে হয়ে গেছে। ধরতে ধরতে সেই রাতে খাবার সময়। ভাত দিয়েই প্রশ্নটা করল সুরুয বানু, কই যান কইলেন না?

    কইলাম যে কালকে! অবাক হয় তারু মিয়া।

    কি কইলেন, বুঝলাম না। ভাল কইরা কন।

    আমার কথা তুমি বুঝ না?

    তারুমিয়া তার বড় বড় চোখ মেলে এমন করে তাকাল, মুহূর্তে বিভ্রম হলো সুরুয বানুর। এবং তার ফলে একটু হেসে বিষয়টাকে হালকা করতে চায় সে, বলে, কথা পরিষ্কার কইরা না কইলে কেমনে বুঝব কন।

    তারু মিয়া বলে, সব কথা পরিষ্কার কইরা কওয়া যায়?

    ঘরে এসে আবার ঢোকে তারু মিয়া। ফিসফিস করে বলে, বাজারে নতুন এক বুড়া আইছে কবিরাজ। অনেক রকমের অষুধ জানে।

    ব্যস এক কথায় সুরুয বানুর সমস্ত দ্বন্দ্ব কেটে ফর্সা হয়ে গেল। পেটের ভিতর কোন গুমর রাখতে নেই। রাখলে নিজেরও কষ্ট পবেরও কষ্ট।

    কিন্তু প্রতিদিন যেতে হবে কেন? কিছু কিছু কথা কানে আসছে তার যার ফলে সমস্ত ব্যাপারটাকে আর হালকা করে দেখা যাচ্ছে না। সত্য, তাদের সাড়ে দশ বছরের বিবাহিত জীবনে কোন আনন্দ আসেনি কোলে-পিঠে। যখনই গরীব মানুষের কোন বউয়ের দিকে তাকায় সুরুয, মনটা খাঁ-খাঁ করে ওঠে। অভাগিদের এতো এতো তার একটাও নেই। পাড়ার কোন মেয়েকে বাচ্চা-কোলে দেখলে তার তলপেটে মোচড় দিয়ে ওঠে, হাত প্রসারিত হয় আপনা-আপনি। স্বামী আর শাশুড়ি বিশেষ করে এই দুজন মানুষ তাকে যত ভালবেসেছে এমন আর কেউ বাসেনি। এই দুজন মানুষ এখন যেন সমস্ত মায়া মহব্বত প্রত্যাহার করে নিয়েছে। শিকেয় যত্ন করে সাজিয়েছিল যেন এক বিচিত্র সুন্দর বৈয়ম এখন কে যেন শিকে খালি করে ফেলেছে, বৈয়ম নেই। বয়সের ভারে, বাতাসের ভারে ঝুলছে ন্যাংটা শিকে।

    তারু মিয়া চেষ্টা করছে করুক। কিন্তু রোজ রাতের বেলা এত রাত পর্যন্ত। কবিরাজ বাড়িতে কি করতে হয় তার?

    সুরুয বানুর এখানে বিশ্বাসী মানুষ নেই। বাপের বাড়ি থেকে খবর দিয়ে একটা মানুষ আনতে হলো। মদন। বিশ একুশ বয়েস। বড় চটপটে। কাজের। বিশ্বাসী।

    বাজার বেশি দূরে নয়। বাড়ি থেকে বাইরের উঠান পার হয়ে উত্তরদিকে মোড় নিলেই তো আব্বার কবর। যেখানে এলে দিন হোক রাত হোক গা ছমছম করে। তারপর বুড়ি আম গাছ। কতোকাল ওর আম খেয়েছে তারু, ওর গায়ে চড়ে, ঘাড়ে চড়ে বুকে বসে। অন্ধকারে গাছটাকে ভূত-ভূত লাগে। তারপরই জেলা বোর্ডের রাস্তা, পুবে-পশ্চিমে। না এই রাস্তায় রাত হোক বিরাত তোক কোন ভয় নেই এলাচিপুরের মানুষের। এখানে না আছে কোন গোপনীয়তা, না কোন ফাটাফাটি। দদিকের ধান ক্ষেত রোদের মতো ফর্সা। রাতে শীতল বাতাস। পশ্চিম দিকে ফার্লং খানেক হাঁটলেই হাট বাজার। শনি-মঙ্গল হাট বসে। রোজ সকালে বসে দধের হাট। আর সকাল সন্ধ্যা কয়েকটা চায়ের দোকান, একটা অষুধের দোকান হা করে থাকে। ইস্কুল কলেজের কিছু নতুন ছেলেছোঁকরা ওখানে গুলতানি মারে। অদূর যেতে হয় না তারু মিয়ার। বাজারে ঢুকতেই আগে যে একটা ঘর ছিল ছোট, হরদম মজত থাকতো নানান জাতের জিনিসপত্র। আর পঞ্চাননের হাসি মুখ, সেইটে। ঘরটা একটু বড় হয়েছে। এখন। ঘরটার সামনে দিয়ে গেলেই বিভিন্ন অদ্ভুত জিনিসের আনচান করা গন্ধ নাকে লাগে। সেই গন্ধের টানে ঘরে ঢুকতে ইচ্ছে করে। না, তারু মিয়া ওখানে নিজের ইচ্ছায় ঢোকেনি।

    বাজার হইল বড় মানুষের পুত?

    কথা শুরু করার কায়দা বটে।

    হ-হ, চাচা।

    তামুক খায়া যাবা একখান?

    মন্দ কি? ঢুকল তারু মিয়া, ঘরটা ঠাণ্ডা। মেঝেয় খালি পা পড়তেই সমস্ত শরীর যে জুড়িয়ে গেল তা নয়, মেঝের ঠাণ্ডা পা দিয়ে ঢুকে সমস্ত শরীরে ছড়িয়ে পড়ল। এবং বিভিন্ন অষুধের মিশ্রিত গন্ধ নাকের ভিতর দিয়ে একেবারে বুকে এসে বসে গেল, মনে হলো, কোন মাতোয়ালীর নাঙ্গা বুকে তার বুক মিশল বুজি।

    তারু মিয়া টুকেই বলে সরল মনে, ঘরটা ত আপনার খুব ঠাণ্ডা চাচা, মনে হয় শরীর জুড়াইল।

    খিল-খিল করা বুকের পোকা-সাফ করা একটা হাসি ভিতর থেকে বের হয়ে এল তখন। কান গরম হয়ে উঠল তারু মিয়ার। একে শীতল মেঝে, তারপর কোবরেজি গন্ধের বাহার, তারপর সেই হাসি।

    কন্ধেয় টিকে লাগিয়ে ফুঁ দেয় আরজান কবিরাজ। লম্বাটে মুখ, পাতলা দাড়ি, টানা-টানা তরল চোখ আর কেমন স্যাঁত-সেঁতে গলা। টানে খুব। কাটা তার দিকে বাড়িয়ে দিয়ে আরজান কবিরাজ প্রশ্ন করেছিল, সুখ ও শান্তি কও, টাকা কও পয়সা কও; তদবির ছাড়া কিছু হয় না। ঘরে বইসা থাকলে কাম হয় না, তদবির করন লাগে। এই যে অত বড় সংসার, এত ধান চাউল, তুমি না থাকলে খাইবো কেডায়?

    কি করুম চাচা, আল্লায় দেয় নাই।

    তদবির না করলে আল্লায় কেমনে দিব? ভালা কইরা চাও তার কাছে।

    অষুধ-টষুধ খাইছো কুনদিন?

    অষুধ আছে? আপনার কাছে?

    হাসলেন আরজান কবিরাজ। অষুধ নেই আবার! সব রোগের অষুধ আছে। সাপের বিষ আছে না? সাপের বিষ দিয়া অষুধ হয়। সেই অষুধে অমৃত পয়দা হয়। সেই অষুধে হয় না হেনো কাজ নেই। কতো মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়েছে তার অষুধ।

    অষুধ, বিচিত্র গন্ধ এবং নেপথ্যের খিলখিল করা বুকে-তালা মারা হাসি তারু মিয়াকে বিদিশা করে ফেলেছিল। এবং আরেকদিন যখন হ্যারিকেনের টিমটিমে আলোয় নদিনাকে দেখল আর হুঁশ রইল না তার। তার দীর্ঘ শক্ত সমর্থ ধ্বটা দেহ যেন সাপের বিষের ভারে অবশ হয়ে গিয়েছিল।

    বাতাসে টিম টিম করে ঝিমানো হ্যারিকেনে কাঁপন লাগে, মাঝে-মধ্যে দপ করে জ্বলে ওঠে, কিন্তু তাতে কোন সাহায্য হয় না। পর্দার আড়াল থেকে করে জ্বলে ওঠে, কিন্তু তাতে কোন সাহায্য হয় না। পর্দার আড়াল থেকে মধ্যে মধ্যে নদিনা কথা বলে, মাঝে মধ্যে বলে ওর মা। কি একটা পান বানিয়ে দেয় নদিনা, নাকি তার মা, মুখে দিলে মিলিয়ে যায়। আর রাজ্যের গন্ধ; মুখের ভিতরে যেন একেবারে বেচায়েন অবস্থা। হুঁকোর গুড়ুক গুড়ুক শব্দ। প্রতিদিন সন্ধ্যায় আসতে আসতে একদিন এসে দেখল কবিরাজ চাচা গেছে সদরে অষুধ আনতে। সেই কথা বলল নদিনা। দরমার দরজা ভেদ করে একেবারে দোকান ঘরে এসে হ্যারিকেনের টিমটিমে আলোয় নদিনাকে দেখামাত্র বেহুঁশ হয়ে মাটিতে পড়ে যেতে পারলে যেন শান্তি পেত তারু মিয়া, সন্তানহীন সুখি কৃষক; গরব্বিী সুরুয বানুর প্রাণের মানুষ তারু মিয়া।

    কিয়ের অষুদ লাগবো কন।

    কান লাল হয়ে গেল তারু মিয়ার। তাহলে জানে, কিসের অষুধের জন্য রোজ এখানে তামাক খায় এসে সে। কিন্তু চাষা-ভূষা মানুষ কি কথা কইবে সে! কথা তো কতো কিছুই বলতে চাইল, জমা রইল পেটে, কিন্তু মুখের আব্রু ভেদ করে কথাকে বাইরে আনা কী যে কষ্ট সে নদিন বুঝবে না।

    –হর হর কইরা কথা কয় বাবার সাথে, আমার সাথে একটা কথাও কইতে পারে না-কি মানুষ।

    ভিতর থেকে ওর মা সাহায্য করে, তুমি বইসো বাবা, নদি তামুক দে বাবারে।

    তামাক নিয়ে আসে নদিনা। পান নিয়ে আসে। ওর বাবার গদিতে গিয়ে বসে। তারু মিয়া চোখ মুখ বন্ধ করে পান চিবোয় আর হুঁকোয় টান দেয়। যা একখানা শরীর কাঁপানো আরাম লাগছে না তার! তার মধ্যে কি কথা?

    নদিনা আস্তে আস্তে সরল গলায় বলে, একটু বা ফিসফিসানির টান আছে গলায়, ফিসফিসানির বাতাস বুঝিবা মুখের পানের গন্ধের সঙ্গে কানে এসে লেগে যায়, বলে, অষুদে কোন কাজ হইলো?

    লজ্জা নেই শরম নেই কিছুই আটকায় না তার মুখে। ওকি জানে কিসের অষুদের জন্য তারু মিয়া এখান আসে যায়?

    জান? জিজ্ঞেস করবে তাকে? দূর, তাও কি সম্ভব?

    নদিনাই, বলে, আবার দোষ কার, ঘরের না বাইরের সেইটা আগে বাইর করেন, বুঝছেন? তারপর জায়গা মতো অষুদ দেন। আতারে পাতারে খালি গুতাগুতি করলে লাভ হইবো না।

    বলে কি! ছি ছি ছি। হুঁকো থেকে মুখ তুলে ওর দিকে তাকালো যখন তারু মিয়া, দেখল অন্ধকারে জ্বল জ্বল করছে এক জোড়া চোখ, দেখল ঘাড় পেঁচানো শাড়ির আঁচল দুই হাতের আঙুলে কুটছে বটে, কিন্তু চোখ তার তারই দিকে ধরে কেমন রহস্যময় এলোমেলো বাউরি বাতাসের মতো উদাসকরা।

    নদিনা বলে, ধরেন আরেকটা পান খান।

    অনেক রাতে ও যখন ওদের ঘর থেকে বের হয়ে পথে নামল, জেলা বোর্ডের রাস্তার দুধারে ধান ক্ষেতে তখন মিঠে বাতাস। ওর লুঙ্গি উড়িয়ে নিচ্চে। পাঞ্জারি বুকে ওম দিচ্ছে কইর পাখি। একটা গান ধরল, তারু মিয়া ও জ্বালায়ে চান্দের বাতি, জেগে রব সারারাতি গো, কর কথা শিশিরের সনে ওর ভমরা; নিশিতে যাইয়া ফুলবনে। না, গলা ছেড়ে নয়, চাপা গলায়, এমন করে, যেন সে গান সে কেবল নদিনাকেই শোনাচ্ছে।

    হঠাৎ ওর মনে হলো, কে যেন পেছন পেছন আসছে। পায়ের শব্দ। কে! নদিনা! অসম্ভব! মনের ভুল।

    একটু পর আবার পষ্ট শব্দ। মনের ভুল নয়। দাঁড়িয়ে পড়ে, তাকায় পেছন দিকে। সাবধানে পরিষ্কার গলায় বলে, কেডায়?

    একটা দলাদলা অন্ধকার কাছে এল। এসে একটা মানুষের আকৃতি নিল। চিনতে পারল না তারু মিয়া, প্রশ্ন করল একটু জোরে, কেডা?

    আমি।

    আমি-র নাম নাই?

    আমি-র নাম মদন, আপনের শালা।

    মদন!

    বিস্ময়ের পার নেই। মদন, শ্বশুরবাড়ির লোক। কিছুদিন হলো তাদের বাড়িতে এসেছে। বাইরের ঘরে থাকে খায়। ড্যাবড্যাবে চোখ, উনিশ বিশ বছর বয়স কিন্তু গায়ে গতরে আছে বেশ।

    তুমি মদন! কই গেছিলা?

    বাজারে। বুজির লই অযুদ আনতে গেছিলাম।

    এত রাত্রে? কিয়ের অষুদ?

    মাথা ধরার।

    এত রাত্রে?

    মদন সে কথার জবাব দেয় না। পাল্টা প্রশ্ন করে সন্দেহবিহীন গলায়, আপনে কই গেছিলেন এত রাত্রে দুলা ভাই?

    প্রশ্নটাকে বিশ্বাস করে না তারু মিয়া। প্রশ্নটা মিথ্যা। মাথা ধরা, অষুদ এবং এই প্রশ্ন সবগুলো ভুয়া। ফাঁকি। আসলে সুরুয বানু তার পেছনে চর লাগিয়েছে। ছোঁকরা চালাক চতুর বেশ। নিশ্চয়ই আড়ি পেতে সব শুনেছে। সুরুয বানুর কাছে গিয়ে বলবে, রিপোর্ট করবে সব। মনে মনে বিপদ গুনল তারু মিয়া। সুরুয বানুর কোন সন্তান হয়নি, এটিই তার একমাত্র দোষ, ওর আর সব গুণ। বড়লোক বাপ, অঢেল সম্পত্তি। একমাত্র মেয়ে। বাপ মরলে সব সম্পত্তি এই সুরুয বানুর। এটা খুব হাল্কা চিন্তার কথা নয়। অবশ্য সম্পত্তি তারু মিয়ারও আছে অনেক, তা থাকলেই বা। আছে বলে আরও হবে না কেন? আরও হবে, সঙ্গতভাবে যা পাবার সব পবে। তবে, কোন ওয়ারিশ যদি না থাকল তাহলে কার জন্যে করবে এত সম্পত্তি? আর এটা কি রকম কাজ হলো? সুরুয বানু তার পেছনে নোক লাগিয়েছে।

    প্রশ্ন করে তারু মিয়া, আসল কথাটি কি মদন?

    মদন চুপচাপ পেছ পেছ হাঁটতে লাগল। মদনকে তার পেছনে লাগানো হয়েছে, এটা সে টের পেয়েছে, এটা সে পছন্দ করছে না, এসব কথা এই মুহূর্তে মদনকে বলা হবে কিনা ভাবল খানিক তারু মিয়া। মদনকে সে সাবধান করে দিতে পারে, ভবিষ্যতে যদি তার পেছনে পেছনে আসতে দেখে তাহলে দুটো পার একটাও আস্ত থাকবে না, কিন্তু, এতো তাড়াহুড়ো করে কিছু করা ঠিক হবে না। বিষয়টা ঘোলাটে হোক তা সে চায় না। বরং ভালয় ভালয় এর শেষ দেখতে চায় সে।

    মদন?

    জি দুলাভাই?

    আমাকে পাহারা দেওয়ার লাগি পাঠায় তোমার বুজি?

    জে, রাইতে আন্ধাইরে কত কি হইতে পারে ত, তয় বুজি কয় থাকিস মদনা তানির লগে লগে।

    ২.

    কোন ওজর-আপত্তি অশ্রুর মিনতি, চিৎকারের শাসানি টিকল না। নদিনা ভর বয়সী, মাছের মত শক্ত আর পিচ্ছিল শরীর, বেহায়া যৌবন আর আদরের রসে ভেজাগলা নিয়ে তারু মিয়ার সংসারে প্রবেশ করল, তারু মিয়ার কোন উপায় ছিল না। পৃথিবী একদিকে থাকলেও অন্যদিকে থাকতো নদিনা আর তারু মিয়া। আরে জীবনে সুখই না পেলাম তো কি দরকার সে জীবন দিয়ে। তাছাড়া, একটা অজুহাত যখন আছেই। অজুহাত, আবার ভয়। বাইরে সে যতই বলুক সে কাউকে পরোয়া করে না, সে নিজের বংশরক্ষার জন্য যা ভালো মনে করেছে তাই করেছে, ভিতরে ভিতরে ভয়টা ছিলই। সুরুয বানুর সঙ্গে তার অন্যরকম সম্পর্ক। অভ্যাসের সম্পর্ক, সংসারের সম্পর্ক, সুরুয বানু, এ সংসারে নেই একথা তার পক্ষে চিন্তা করা কঠিন।

    ভাবনা ছিল, নদিনাকে সুরুয বানু গ্রহণ করবে না, কিংবা দু’জনে খুব লাগবে। বলে না দুষ্টলোকে কারো সঙ্গে দুশমনি থাকলে তাকে দুই বিয়ে করিয়ে দাও? সেরকম অশান্তি হবে ভেবেছিল। দু’জনের ঝগড়ার ঠেলায় বাড়িতে কোন কাক আসবে না, কুকুরগুলো ভেগে যাবে। এ গাছ লাগাবে তো সে গাছ কাটবে। এ শুকাবে তো সে ভিজাবে। এমনি।

    কিন্তু না, সুরুয বানু সেদিন দিয়েও গেল না।

    বরং ছোটবোনকে যেমন, তেমনি নদিনাকে বরণ করে নিল। ওক বলল, তুমার কি দোষ? তুমি তো তুমার সংসারে আসছে। দোষ আমার, আমার কপালের। লক্ষ্মী হইয়া আসছে, লক্ষ্মী হইয়া থাকবা।

    কিন্তু তারু মিয়ার সঙ্গে কোন কথা নেই তার। তার দিকে ভুলেও তাকানো নেই। সংসারের কোন কথা নেই।

    শাশুড়ি বানেছ। বিবি কেবল মাথা চাপড়ান, আমার সুখের সংসার আছিল, কি শাস্তি আছিল, সংসারে এখন শয়তান আসছে আমি টের পাইতাছি। কপালে শাস্তি না থাকলে জ্বর কইরা মানুষে শান্তি পায়?

    তিনি কি যে দেখেছিলেন সংসারে, কিসের ছায়া তা তিনিই জানেন।

    এমন করে আদর দিল নদিনাকে সুরুবানু সে গলে গেল। সবাই অবাক হলো, অবাক হওয়ার কথা। জিনিসটা অস্বাভাবিক, বড় সতীনের জান হয়ে গেল ছোট সতীন এটা কে কবে কোথায় শুনেছে। কিন্তু এই কথাটি কারো মনে ঢুকল না। বাইরের চেহারা দেখে মানুষ বিচার-আচার করে বটে।

    ৩.

    আরজান কবিরাজ মদনকে পাত্তাই দিল না। তার মতো পোলাপানের আবার সাংসারিক সমস্যা কি? মদন বলল যে বিষয়টা তার নয়, তার বোনের। বোন তো পর্দানসীন, তায় অনেকদূরে বাড়ি। তার পক্ষে সম্ভব নয়। আসলে অসুখ তার নয়, অসুখ তার বোনের। আরজান কবিরাজ বলল, যার অসুখ তাকে আসতে হবে, রোগী। না দেখে অযুদ কিসের?

    মদন নাছোড়বান্দা, বলল, সকলেই বলে, আপনে বড় ভালো কব্রিজ। এখন বুঝতেছি কেন আপনের এত নামডাক।

    হাসল আরজান কবিরাজ, বলল, বুঝতাছে?

    হ।

    তাহলে যাও, বইনরে লইয়া আস গিয়া।

    মদন একটু ইতিউতি করে। বলে, আমার নিজের একটা অসুখ আছে।

    কি অসুখ?

    মদন লজ্জা পাওয়ার ভান করে। তারপর সঙ্কোচ করে। যেন কিছুতেই কথাটা মুখ দিয়ে রে হচ্ছে না। কব্রিজ উৎসাহ দেয়, বলে, কও কইয়া ফালাও।

    শরম লাগে।

    অসুখ নিয়া শরম কি? কও।

    পকেট থেকে একটা একশ টাকার নোট বের করে দেয় মদন। সঙ্গে সঙ্গে প্রসন্ন হয়ে ওঠে কব্রিজের চেহারা। দ্বিগুণ উৎসাহে হুঁকোয় টান দেয় আর তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে দেখ ছোঁকরাকে। নিশ্চয়ই ভালবাসার অসুখ। কাউকে সমস্তটা মন দিয়ে আছে কিন্তু তার মন পাচ্ছে না। এই বয়সে কবিরাজ প্রশ্ন করে, কাউকে ভালবাস?

    মাথা দোলায় মদন।

    সে তুমারে বাসে না?

    বাসে।

    তবে?

    আরেকজন আছে। সে থাকতে আমার কোন আশা নাই।

    তারে কি করতে চাও?

    মদন বলে, সে জন্যই ত আপনার কাছে আসছি।

    কবিরাজ অনেকক্ষণ চিন্তা করল। নতুন তামাক ভরল। টিকা লাগিয়ে ফু দিল। তামাকের ধোঁয়ার ভুরভুর গন্ধে ঘর ভরে গেল। আবার নতুন উদ্যমে বেশ কয়েকবার ঘন ঘন টান দিলে ওর চোখের দিকে তাকিয়ে যেন অনেক দূরের কি দেখলে।

    বললে, তারে সুরাইয়া দিবা একেবারে?

    জে?

    কিন্তু–

    গলার স্বর নামিয়ে আনল কবিরাজ আরজান, কিন্তু তাতে অনেক খরচ হবে, অনেক বিপদ।

    মদন পকেট থেকে আরো একশ টাকার একটা নোট বের করে হাতে দেয়। কবিরাজের চোখ চকচক করে ওঠে।

    বলে, ওর সাথে খারি দিবা। দাওয়াত কইরা খাওয়াইবা। প্যাঁচা আছে না? পাচার কলজা খাওয়াইবা।

    খাওয়াইলে?

    ব্যস। সাবধান, কেউরে কইবা না। কইলে তুমিই বিপদে পড়বা। আমি তুমারে চিনি-টিনি না। যাও।

    ৪.

    কোনদিক দিয়ে যে সময় বয়ে যায়। আজকে কালকে করতে করতে কেমন করে একটি বছর পার হয়ে যায়, কেমন করে সহ্যের সীমা আর ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গিয়ে নিজেই দড়ি নিয়ে ঝুলে পড়বে কিনা সিদ্ধান্ত নিতে বসে সুরুয বানু, নিজেই টের পায় না। নদিনার পেটের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকে অধৈর্য হয়ে যায় তারু মিয়া, বানেছা বিবি। প্যাচা ধরা সে যে কী ভীষণ কঠিন কাজ তা হাড়ে হাড়ে জানে মদন। এর মধ্যে ওকে আর ছেলেমানুষ লাগে না, পুরু গোঁফ প্রায় মুখ ঢেকে ফেলেছে। প্যাচার কলিজা খাইয়ে এমন একটা সোনার টুকরো মানুষকে মারবে, যতই সে ভাবে আর। নদিনাকে দেখে, নদিনার জন্যে একটা কাঁচা কচি মায়ার ভাব তার বুকে ভিতর কান্নাকাটি শুরু করে। একটা মানুষকে কেমন করে মারবে সে যেখানে নিজেই সে মরে আছে। নদিনার কথারও কোন ট্যাকসো নেই। সেদিন তাকিয়ে ছিল তার মুখের দিকে অনেকক্ষণ, ও যে কেমন করে ওর অমন বাণ-মারা চোখে বিদ্ধ করে, হু হু করে তখন বুক কেঁপে উঠল, ওকে প্যাচার কলজে সে খাওয়াতে পারবে না, তখনই নদিনা ওকে এক অসম্ভব লোমকাঁপানো প্রশ্ন জিজ্ঞেস করে বসল, অমন আর কতদিন খালি তাকাইয়া থাকবা? এবং তখন মদন একটু সাহস করে প্রশ্ন করল, আর কি করব? নদিনা মাথা সোহাগভরে মৃদু নাড়িয়ে চোখে ঢেউ তুলল এবং একটু এদিক-ওদিক তাকিয়ে বলল ক্যান আর কিছু করার নেই? সব রোগের দাওয়াই আছে, খালি আমার রোগের নেই।

    সুরুযবানু ওকে আবার পাঠাল কবিরাজের কাছে। প্যাচা যোগাঢ় করা খুব কঠিন কাজ। উনি পোকার (ছোট্ট অণুর মতো কালো পোকা বর্ষাকালে মশার মতো। কামড়ায়) নয় মণ দুধও হবে না রাধাও নাচবে না। মদন আবার যাক, সহজ কোন অযুদ আছে কিনা জিজ্ঞেস করে আসুক। টাকা যতো লাগে, সে দেবে—আর না হয় যদি এমন কোন দাওয়াই হারে কাছে থাকে খেলেই ঘুম আসে, আর ভাঙে না সে ঘুম সেই দাওআই যেন দিয়ে দেয়, সে নিজেই খেয়ে নেবে। কাঁদতে কাঁদতে চোখ ফুলে গেছে সুরুয বানুর। বুজি তারা সারা রাত ঘুমায় না। কান্দে। সোনার শরীর কি হয়ে গেছে। না, আত্মীয় নয় পাড়ার ছেলে মদন কিন্তু সুরুয বানুদের সঙ্গে এমন একটা বংশানুক্রম সম্পর্ক সুরুবানুদের জন্য চিরকাল প্রাণ দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থেকেছে। মদনরা। সেই কথা বুজিয়ে দেখে মনে এল মদনের, নবীন যুবক মদন। সেদিন ভোরে যখন ওরা সবাই আবিষ্কার করল বাড়িতে তারু মিয়ার এক বছরের পুরনো নতুন বিছানায় নদিনা নেই, মদন নেই, তখন অনেকদিন পর স্বামীর সামনে এসে দাঁড়াল সুরুয বানু। স্বামীর মুখের দিকে তাকিয়ে রীতিমতো সহজ সুরে বলল, একটা মানুষ পালাইয়া কই যাইবো। আপনে লোক পাঠান, যেখানে পায় ধইরা আনবো।

    তারুমিয়া কথা শুনে চমকে উঠল। এই একটি বছর একবারও সুরুয বানুর কথা, সুরুব্বানুর মনের কথা ভাব্বার কথা মনেও আসে নি। সে যে ভিতরে অনেক নিদারুণ কষ্ট পেতে পারে সেকথা একবারও মনে আসেনি। সতীনকে ছোট বোনের মতো আদর করেছে তাতেও অসঙ্গতি দেখেনি। কিন্তু নদিনার চলে যাওয়ায় তার খুশি হওয়ার কথা নয়? কিন্তু ও কোন্ কথা বলছে সে?

    তারু মিয়া বলল, যে চইলা গেছে তারে ধইয়া আনলে তুমি খুশি হইবা?

    সুরুয বানু বলল, আমি অই বা না হই আপনে তো খুশি হইবেন। ব্যাস তাইলে হইলো। আপনের সুখ ছাড়া আমার আলাদা কুন সুখ নাই।

    এর জবাব তারুমিয়া দিনের বেলা এত মানুষের ভিড়ে দিতে পারেনি কান্নার মতো যে মহব্বতের দলাটা সমস্ত শরীরে জমেছিল, তাকে নামিয়ে দিল রাত্রে দুজনে একসঙ্গে। নামাজের পরে অবসন্ন কন্ঠে তারু মিয়া বলল, আমরা দুজনেই শহরে যাব, ডাক্তার দেখাব, কতো জাতের অষুদ বাইর হইছে আজকাল। ডাক্তার পরীক্ষা কইরা কইতে পারবো, কার দোষ।

    তখন সুরুয বানু ভাল একটা প্রশ্ন করল, যদি আপনের দোষ থাকে, তাহলে? তাহলে আমি অষুধ খাব।

    অষুধ যদি না থাকে?

    তারু মিয়া ওকে আবার জড়িয়ে ধরে। সত্যিই কিইবা আর করতে পারে সে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রিয় – ইমদাদুল হক মিলন
    Next Article গোপনে – ইমদাদুল হক মিলন

    Related Articles

    ইমদাদুল হক মিলন

    ইমদাদুল হক মিলনের বিবিধ রচনা

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    অন্তরে – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    এসো – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    প্রিয় হুমায়ূন আহমেদ – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    গোপনে – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    প্রিয় – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }