Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দুই বাংলার দাম্পত্য কলহের শত কাহিনী – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ও ইমদাদুল হক মিলন সম্পাদিত

    ইমদাদুল হক মিলন এক পাতা গল্প1423 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বন্ধন – ভাগ্যধর হাজারী

    বন্ধন – ভাগ্যধর হাজারী

    পাড়ায় মুখুজ্জে গিন্নির দুর্নাম বড় একটা কম ছিল না। তবুও পাড়ার লোকে কখনও কখনও সজ্ঞানে তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হতো কারণ মুখজ্জে গিন্নির কৃপায় পাড়াতে কাকচিলের উৎপাত ছিল না বললেই চলে। তাঁর গালিবর্ষণের লাভাস্রোতের ঠ্যালায় ঘরজ্বালানি পক্ষীকূলও মুখুজ্জে বাড়ী ও অসংলগ্ন অঞ্চল সভয়ে এড়িয়ে চলত।

    মুখুজ্জে গিন্নির বয়স প্রায় সত্তরের কাছাকাছি। মা বাবা বড় সাধ করে মেয়ের নাম রেখেছিলেন সুভাষিনী। তা তাদের দেওয়া নাম সার্থক হয়েছে বটে; সুভাষিনী দেবী কদাপি সেই নামের আংশিক অমর্যাদাও করেননি এ যাবৎ কাল। কারণে অকারণে যে কোন জায়গায় তিনি অপদস্থ হলেই গৃহে প্রত্যাবর্তন করে স্বামীকে তীব্র বাক্যবাণে জর্জরিত করতে তিনি ভয় পেতেন না। ঘরের বাইরে তিনি যত অন্তর্মুখী, স্বামীসান্নিধ্যে তিনিই আবার রণরঙ্গিণী চামুণ্ডাসদৃশা।

    পক্ষান্তরে, মুখুজ্জেমশাই নিতান্তই গোবেচারা ধরনের জীব। সমাজে একপ্রকার নোক থাকে যারা ভেবে থাকেন বিবাহের পরমক্ষণ থেকেই স্বামীগণ স্ত্রীর নিকট বলিপ্রদত্ত। আমাদের মুখুজ্জেমশাইও সেই ধরনের। তাই কাদায়পড়া গরুর মত গাড়োয়ানের পাঁচনের শত আঘাত সহ্য করেও কোনদিন তিনি কাঁধ ঝাঁকালেন না অথবা পুচ্ছ তাড়না করে স্ত্রীর রোষবহ্নিতে ইন্ধন জোগালেন না। দিকচক্রবালকে স্পর্শ করার আশায় যতই এখোন যাক না কেন তা যেমন অধরাই থেকে যায়, মুখুজ্জেমশাইও দাম্পত্যসুখের স্পর্শানুভূতি লাভের চেষ্টা করে সেরকমই পুনঃপুনঃ ব্যর্থ হন।

    মুখুজ্জেদম্পতি নিঃসন্তান। মুখুজ্জেমশাই সরকারের উচ্চপদে চাকুরী করনে একসময়। এখন মাসে মাসে পেনশন হিসেবে যা পান তাতে বুড়োবুড়ির ভালভাবেই চলে যায়। তাছাড়া বসতবাড়ির কয়েকটা ঘর ভাড়া দিয়েও বেশ কিছু টাকা ঘরে আসে। সংসারে আর্থিক অনটন বলতে যা বোঝায় তা তাদের ছিল না। তবু অভাব ছিল—ভাবের অভাব।

    যৌনবয়সে মুখুজ্জেমশাই স্ত্রীর মনোরঞ্জনের জন্য কম চেষ্টা করেননি। কিন্তু বিধি বাম থাকার জন্য আর তাঁর সর্বদা ডানপন্থা অবলম্বন করার কারণে তিনি বামাজাতির মনোহরণ করতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। ইয়ার বন্ধুরা এই ব্যাপারে কটাক্ষ করলে তিনি হাসিমুখে বলতেননাঃ ভাই, মনোচোরা হয়ে ফাঁসি যেতে পারব না। এই বেশ আছি। হজম না করতে পারি, বদহজমের জ্বালা থেকে তো বেঁচেছি।

    তিনি স্ত্রীর হাত থেকে সত্যিই বেঁচেছিলেন না কি বেঁচে মরার স্বাদ পাচ্ছিলেন তা তর্কের বিষয়। সত্য এই, স্ত্রীর প্রতি তার ভালবাসা বিন্দুমাত্রও কমেনি; লাঞ্ছনাগঞ্জনা, কটুক্তি বই তার ভবিতব্য বলে মেনে নিয়েছিলেন।

    প্রতিবেশিরা এসবের সব খোঁজই রাখতে। তাই সকালসন্ধ্যা কলহপ্রিয়া স্ত্রীর অমধুর লাভাস্রাবী বাক্যস্ফুরণে শব্দদূষণের মাত্রা তীব্রতর হলেও তারা প্রায়শই নীরব থাকতেন। কখনও তাদের বিরক্তির কথা কেউ যদি প্রকাশ করে ফেলত সুভাষিণী দেবী ঘরের ভেতরে গোবধের পালা মাঝপথে থামিয়ে সম্মার্জনী হস্তে বার হয়ে প্রতিবাদীর ঝুলিঝাড়নের কাজে প্রবৃত্ত হতেন। আমরা সচরাচর সে বাড়ির ছায়া মাড়াতাম না।

    সেদিন কি একটা কারণে মুখুজ্জেবাড়ির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম। বাড়ির পরিবেশ আজ যেন কিছুটা আলাদা। ঝগড়াঝাটি, গালিবর্ষণ, আক্ষেপোক্তি এসবই আজ অনুপস্থিত। কিন্তু বাড়ির ভেতরে প্রতিবেশিদের জটলা দেখে কেমন যেন কৌতূহলী হয়ে উঠলাম। ঘরের বাইরে প্রতিবেশিদের বিষণ্ণ কথাবার্তা আর ঘরের ভেতরে মুখুজ্জেগিন্নির করুণ বিলাপধ্বনি শুনে বাড়িতে না ঢুকে আর পারলাম না। এ আবার মুখুজ্জে গিন্নির কি নতুন রঙ্গ। যা তোক বাড়িতে ঢুকলাম।

    দাদা বুঝি এইমাত্র খবরটা পেলেন? আমি কিছু বুঝে উঠার আগেই অন্য একজন দুঃসংবাদটা শোনাল আমায়। জানেন দাদা, গত রাতে হার্টফেল করে মুখুজ্জেমশাই মারা গেছেন।

    একথা শুনে মনটা বাস্তবিকই খারাপ হয়ে গেল। সান্ত্বনা বলতে একটা কথাই বারবার মনে হতে লাগলো যে এবার যেন মরার পর মুখুজ্জেমশাই একটু শান্তি পান। চিন্তার স্রোত আমার থেমে গেল হঠাৎ। কানে এলো মুখুজ্জে গিন্নির করুণ বিলাপধ্বনি—ঘাটের মড়া, হাড় হাভাতে। বজ্জাত মিনসে—তুই তো মরে বাঁচলি। আমাকে কোন যম দুয়োরে রেখে গেলি?

    স্বামীর প্রতি মুখুজ্জে জায়ার সশ্রদ্ধ প্রেম ও প্রণয়ের ঘটা দেখে চমকে উঠলাম আমি। মুশুজ্জে মশাই সত্যিই মরে বেঁচেছেন।

    শ্রদ্ধশান্তি চুকে গেল নির্ধারিত সময়ে। বৃক্ষের পতনে লতার যে দশা হয় স্বামীর মৃত্যুর পর সুভাষিনী দেবীরও তদনুরূপ দশা হলো। প্রতিপক্ষের অভাবে কেমন যেন বিমর্ষ আপাতগম্ভীর ভাব ধারণ করলেন তিনি। নিন্দুক প্রতিবেশিজন বলতে লাগলোবুড়ো কুচুটে বুড়ির হাত ও মুখ থেকে নিষ্কৃতি পেয়েছে। আর আমরা মুক্তি পেয়েছি বুড়ির বাক্যযন্ত্রণা থেকে। যারা বয়সে নবীনা সেই লাস্যময়ীর দল বুড়িকে দেখে বিদ্রূপ করতো—দেখ, দেখ বুড়ি বুড়োকে জ্বালাতে না পেরে কেমন শুকিয়ে যাচ্ছে। আহা রে! বুড়ির কষ্ট দেখে আর বাঁচি না। বুড়ো নিজে মরে বুড়ির আজ এ কি দশা করলো।

    তা পরনিন্দা করা যাদের স্বভাব তারা তো করবেই। তবে প্রকৃত তথ্য ছিল এই যে বুড়ি সত্যিই প্রাণের চেয়ে বুড়োকে ভালবাসত। বুড়োর প্রতি বুড়ির প্রেম ও অনুরাগ যে কত গভীর ছিল তা আমরা টের পেলাম কয়েকমাস বাদে। নারকেলের। বহিরঙ্গের ছোবড়া দেখে ভেতরের শাঁসের খবর মেলে না। ঠিক তেমনি মুখুজ্জে গিন্নির উপরের দুর্ব্যবহারের ঘটা দেখে স্বামীর প্রতি তার আবেগ-প্রণয়ের হ্রাসের কথা বিবেচনা করা মূখতার নামান্তর হলো।

    মুখুজ্জে গিন্নি অকস্মাৎ একদিন তার ভবলীলা সাঙ্গ করলেন স্বামীবিরহ সহ্য করতে না পেরে। বুড়ির জন্য শোক করার কেউ ছিল না—প্রকৃত সত্যানুসন্ধান না। করার ফলে কেউ দু-ফোঁটা চোখের জলও ফেলল না। নিতান্ত আমাদের অবহেলায় সেই উপেক্ষিতার শেষকৃত্য সমাধা হলো। জগৎসংসার যেমন চলছিল তেমনই চলতে লাগলো। কেবল তার বাক্য বর্ষণের অভাবে পাড়ায় পুনরায় কাক চিল শকুনের উৎপাত বৃদ্ধি পেতে লাগলো। পাড়ায় স্ত্রীলোকেরা কেবল কাক চিলের জ্বালা থেকে মুক্তিপাবার জন্য মুখুজ্জেগিন্নির কথা—তার অনর্গল গালিস্রোতের কথা সংসারে তার প্রয়োজনের কথা স্মরণ করে গোপনে অশুবর্ষণ করতে থাকলো।

    ***

    মৃত্যুর পর বিধবা মুখুজ্জেগিন্নি প্রেতযোনি প্রাপ্ত হয়ে সধবা পেত্নীরূপ পরিগ্রহ করলেন। ইহলোকে এতকাল যিনি আপন সংসারের সর্বময় কীরূপে সংসার পরিচালনার চাবি নিজের অধিকারে রেখে দিয়েছিলেন, মৃত্যুর পর স্বর্গের চাবির হদিশ করতে পারলেন না তিনি। নরলোকের কর্মফলতঃ তাকে পেত্নীরূপধারণ করতে বাধ্য হতে হলো। এতদিন দোর্দণ্ডপ্রতাপশালিনী হয়ে গোবেচারা স্বামীর উপর নির্মমভাবে ছড়িচালনা করে তিনি এতই প্রীতি ছিলেন যে আজ একাকিনী শ্যাওড়াগাছ নিবাসিনী হয়ে নিরন্তর অন্তর যন্ত্রণা হাড়ে হাড়ে টের পেতে লাগলেন। হাড়ছাড়া দেহের আর কীই বা অবশিষ্ট আছে এখন! কঙ্কালদেহ ধারিনী হয়ে বিগতজন্মের সুখস্মৃতি স্মরণ করে অতিশয় কার হয়ে পড়তে লাগলেন মুখুজ্জে পেত্নী।

    ইহলোক সুন্দরী ছিলেন তার মনে যথেষ্ট আত্মশ্লাঘা ছিল। কঙ্কালসার হলেও পূর্বজন্মের ন্যায় রূপাভিমান প্রেতলোকেও তাঁর বড় কম ছিল না। বরং রাতে রাতে তাঁর দুশ্চিন্তা বাড়তে লাগলো এইভাবে যে নবজন্মের এই দুরন্ত রূপযৌবন কোন প্রেতপুরুষের পায়ে অর্পণ করবেন। দিনের বেলায় প্রেতলোকের অস্তিত্ব থাকে না। তাই রাতে রাতে নব প্রেতযোনি প্রাপ্তা সুন্দরী পুরুষ বিরহে ক্রমশ ক্ষীণতনু আর কৃশ হতে শুরু করলেন। তিনি যতই কৃশ হতে থাকেন ততই তার রূপের জেল্লা বাড়তে থাকে। নিশীথ রাত্রির অভিসারে একাকিনী কান্তারে বসে এজন্মের ভাবী কান্তারের জন্য অন তার অন্তর বারংবার উদ্বেলিত হতে থাকে।

    পেত্মীরূপ ধারণ করার জন্য লোকলজ্জার কোন ভয় নেই তার। এখানে তো ইহলোকের মত নিন্দুক লোকই নেই—তো লোকলজ্জা! তার ইহকাল গেছে; কিন্তু পূর্বজন্মের মুখরা স্বভাবের ন্যায় এজন্মেও সেই দোষের কারণে পরকালেরও প্রায় যায় যায় অবস্থা।

    মুখুজ্জে পেত্নী যৌবনের তাড়নায় অস্থির। কত রাত না জানি কত কাল ধরে অনন্ত যৌবনমদরসে মত্ত নবীন ভূবাবাজীদের কাছ হতে একটু প্রেম সদ্ভাষণ শানবার জন্য মুখুজ্জে পেত্নীর অন্তরের জ্বালা বেড়েই চলল। কিন্তু ইহলোকে যুবার দল যা করে প্রেতলোকে নবীন ভূরে দল তা করে না। পেত্নী সুন্দরী মনে মনে আক্ষেপ করেন—আমরণ, ছেঁড়াগুলোর ভেতরে সম্ভোগ বাসনা বলে কিছুই নেই। নাকি। আমার মতন যুবতীকে দেখে মর্তের মাসেরা চোখের পলক ফেলত না—আর এখানে ড্যাকরার দল আমাকে দেখেই যেন পালাতে পারলে বাঁচে।

    অবশেষে এক অমাবস্যার রাতে চারদিক যখন শুনশান তখন মুখুজ্জে পেত্নী, স্বামীর অভাব তথা পুরুষলালসায় স্বয়ংবরা হবার জন্য ঝোঁপ-জঙ্গল, জলায়-বিলে, পোড়োবাড়িতে হানা দিলেন। চারদিকে অথৈ আঁধারের বন্যা। অন্তরে তার রূপের বন্যা হৃদয়ে পতিবিরহের জ্বালা। মুখুজ্জে পেত্নী রাজজাগা নিশাচর পাখির কর্কশ সুরের টানে বেভুল হয়ে জোনাকির টিপিটিপি আলো জ্বলার মৃদুমন্দ তালে তালে ঝিঝির করুণ রাগিনীতে আপন বেদনা মিশিয়ে দিয়ে ব্যাকুলা-বিহুলা হয়ে পথ চলতে লাগলেন। তাঁর পাগলিনী আলুথালু রূপ দেখে ছানাপোনা কচিকাচা ভূতের দল তার সংস্পর্শ এড়াতে সবেগে স্থান ত্যাগ করতে লাগলো। কেবল এক বৃদ্ধ খঞ্জবধির মেছোভূত জলায় মাছধরার কাজে এত মনোযোগী ছিল যে কামবিধুরা পতিলোভী পেত্নীর আগমনের কোন শব্দ শুনতে পেল না।

    মুখুজ্জে পেত্নী অগ্রপশ্চাৎ ভুলে খঞ্জ বধির মেছোভূতকে এইজন্মের পতি হবার জন্য প্রস্তাব নিবেদন করলেন। কানে কিছু না ঢোকার কারণে মেছোভূত নীরব থাকলো পেত্নীসুন্দরীর প্রস্তাবে। মৌনতা সম্মতির লক্ষণ ধরে নিয়ে পেত্নী সুন্দরী শীর্ণবাহুযুগল দিয়ে মেছোভূতের কণ্ঠলগ্না হবার চেষ্টা করামাত্র সে পেত্মীর মুখে ছুঁড়ে মারলো পচা মাছের গলা দেহ।

    ঘরে আমার রূপসী শাঁকচুন্নী বউ থাকতে আমাকে ফুসলোনর মতলব আঁটছিস হতচ্ছাড়ি? তোর সাথে আমাকে শাকচুন্নী যদি একবার দেখে তবে তুই মরবি—আমি তো মরবই। যা-যা পালা, রসবতী হয়েছিস, রসিক নাগর চিনতে পারছিস না?

    রসবতী আর নাগর কথাগুলো মনের আগুন বাড়িয়ে দিলো পেত্নীর। কিন্তু পচামাছের আঘাতের যন্ত্রণা তাতে কমল না। এতকাল এইভাবে তিনি অপরকে শাসন করে এসেছেন একতরফা ভাবে। আজ ভাগ্যের পরিহাসে একটা ল্যাংড়া ভূতের কাছে তার প্রেম নিবেদন ব্যর্থ হলো। অপমান বোধ তাকে কুরে কুরে খেতে লাগলো। কিন্তু, এত সহজে হাল তিনি ছাড়বেন না। তিনি জানেন প্রেমের পথে হাজারো বাধা। এত অল্পে হাল ছেড়ে দিলে তার পতিলাভের আশায় যে ছাই পড়বে।

    কিছু রাত বাদে প্রথম প্রেমের ব্যর্থতার জ্বালা কিছুটা প্রশমিত হবার পর তিনি দ্বিগুণ উৎসাহে পতিশিকারে ব্রতী হলেন। একরাতে ঘুরতে ঘুরতে অসংবৃতা হয়ে এক। পরমসুন্দর যৌবনোচ্ছল ব্রহ্মদৈত্যর সাক্ষাৎ পেলেন। ব্রহ্মদৈত্যর অনিন্দকান্তি দর্শন করে মুখুজ্জে পেত্নীর অন্তরের বিরহজ্বালা দাউদাউ করে জ্বলে উঠলো। ‘প্রেম দাও, প্রেম দাও’ আকুতিতে তার অন্তঃকরণ প্রেমরসসিক্ত হতে আরম্ভ করলো। স্থান কাল ভুলে মোহিত হয়ে তিনি ব্রহ্মদৈত্যিকে প্রেম নিবেদন করে বসলেন।

    আর যায় কোথা, প্রথমবারে পচামাচ্ছে মৃদু আঘাতে প্রেমের লীলা সাঙ্গ হয়েছিল। কিন্তু এবারের আঘাত আরও নির্মম, আরও নিদারুণ। পেত্নীর স্বয়ং হবার আশায় জলাঞ্জলি দিয়ে ব্রহ্মদৈত্য সহসা তার পায়ের একপাটি খড়ম ধই করে ছুঁড়ে মারলো পেত্নীর মুখের উপর। খড়মটা ঠকাং করে পেত্নীর অন্তঃপাতী নাকে এসে আঘাত করলো। কিছুক্ষণের জন্য মুখুজ্জে পেত্নীর চিন্তাশক্তি লোপ পেল। বোধকরি তিনি জ্ঞান হারালেন।

    তিন সংখ্যাটা নরলোকে যত অশুভই হোক না কেন প্রেতলোকে তিনের বড়ই কদর। তিনবার চেষ্টা করলে নাকি সফলতা আসবেই আসবে। মুখুজ্জে পেত্নীর এখন। আশাভরসা বলতে সেই তিন। আজ তৃতীয় পর্বে স্বামী ধরতে বেরিয়েছেন তিনি। বহু্যত্নে ঘেঁটুফুলের মালা গেঁথেছেন। সেই মালা হাতে দুলিয়ে দুলিয়ে পথ চলছে তিনি। আজ তার মনে আশা ও প্রতিজ্ঞার যুগল মিলন। একটা হেস্তনেস্ত করে ছাড়বেন আজ। ফুলমালা হাতে নিয়ে পথ চলতে দেখে কেউ তাকে বিদ্রূপ করলো, কেউ কেউ ভয়ে ছুটে পালিয়ে বাঁচলো, তামাশা দেখার আশায় গেছো ভূত, মেছোভূত, কন্ধকাটার দল নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে অনুগমন করতে লাগলো। কি জানি কি কারণে সহসা পেত্নীর হৃদয় চঞ্চল হলো। তীব্র খুশিতে ভরে গেল তার মন। তার অন্তর বলছে যাকে তিনি এজন্মে খুঁজে ফিরছেন সে এলো বলে। স্বপ্নসুখের মদিরা পান করতে করতে কম্পিত বক্ষে শঙ্কিত চরণে তিনি ইতিউতি দৃষ্টিনিক্ষেপ করতে লাগলেন। চলতে চলতে কত সময় পার হয়ে গেছে খেয়াল নেই তার। তিনি সংবিত ফিরে পেলেন দীন ভিখারি এক ভূতের গানের করুণ সুরে। তেঁতুল গাছের মোটা ডালে বসে তন্ময় হয়ে ভূতবাবাজী গাইছিলো—

    বড় সুখে দাদা           হয়েছিনু গাধা
    ঘরে ছিল রায়বাঘিনী।
    তাকে দিয়ে মালা           বেড়েছিল জ্বালা
    সাক্ষাৎ তিনি ডাকিনী।
    হাতে হাতকড়া           নাকে দিয়ে দড়া
    পিছে পিছে অনুগামিনী।
    কাঁচাখেকো দেবী           ভয়ে তাকে সেবি
    নির্ঘাত প্রাণঘাতিনী।
    রাতভোর হতে           গালি খেতে খেতে
    দিন শেষে আসে যামিনী
    কানে দেন সুধা           ভুলি সব ক্ষুধা
    সারারাত মধুভাষিণী!
    সংসারে থেকে          সং রঙ মেখে
    হাসিমুখে দুখ চাপিয়া
    সেঁতো হাসি হেসে           ভজি অবশেষে
    পেত্নীর গুন গাহিয়া।

    গান শেষ করে ঝপাং করে ভূতবাবাজী লাফিয়ে পড়ল পেত্নীসুন্দরীর সামনে। হতচকিত হয়ে কিছুটা দুরে সরে গেল পেত্নীসুন্দরী।

    ওগো, তুমি কি পথ হারিয়েছ, নাকি কিছু খুঁজছো?

    ভূতের কণ্ঠে মধুর জিজ্ঞাসা শুনে মুখুজ্জে পেত্নী বিগলিত হলেন। কত কাল তিনি এরূপ মধুশ্রাবী কথা শোনেননি। কেউ তাকে সামান্যতম প্রণয় নিবেদনও করেনি। তাই আজ যেন নিজেকে ধরে রাখতে পারছে না। কে তুমি? আমার মনের গোপন কথা, গোপন ব্যথা জানলে কি করে? সত্যিই আমি পথ হারিয়েছি গো। একা থাকার জ্বালা সইতে না পেরে স্বামী খুঁজতে বার হয়েছি।

    তাই নাকি, তাই নাকি? ওঃ, কি মধুর যোগাযোগ। গতজন্মে পত্নীসুখ জোটেনি আমার। তাই এজন্মে স্ত্রীভাগ্যশালী হবার বাসনায় পথে নেমেছি।

    শুভকাল উপস্থিত বিবেচনা করে মুখুজ্জে পেত্নী আনন্দবিহ্বল হয়ে পড়লেন। পাছে দেরী হলে নানা বাধা এসে হাজির হয় সেজন্য তড়িঘড়ি ঘেঁটুফুলের মালা পরিয়ে দিলেন সেই গাইয়ে ভূতের গলায়। গাইয়ে ভূত আবার সেই মালা প্রেমাস্পদের কণ্ঠে পরিয়ে দিল। চারচোখের মিলন হতেই কনের চক্ষুস্থির।

    সহসা তারা পরস্পরকে চিনতে পারলেন। আরে, তারা যে ইহলোকের মুখুজ্জে দম্পতি। কিন্তু মালাবদল যে হয়ে গেছে, তাই দুজনের কারও কিছুই করার রইল না। শুধু একটা সত্য তারা উপলব্ধি করতে পারলেন—স্বামী-স্ত্রীর বন্ধন হলো জন্মজন্মান্তরের চিরবন্ধন—কোন কালেই তা ছিন্ন হবার নয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রিয় – ইমদাদুল হক মিলন
    Next Article গোপনে – ইমদাদুল হক মিলন

    Related Articles

    ইমদাদুল হক মিলন

    ইমদাদুল হক মিলনের বিবিধ রচনা

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    অন্তরে – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    এসো – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    প্রিয় হুমায়ূন আহমেদ – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    গোপনে – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    প্রিয় – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }