Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দুই বাংলার দাম্পত্য কলহের শত কাহিনী – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ও ইমদাদুল হক মিলন সম্পাদিত

    ইমদাদুল হক মিলন এক পাতা গল্প1423 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মানব-মানবী – শিহাব সরকার

    মানব-মানবী – শিহাব সরকার

    পুরো এক সপ্তাহ মনোযোগ দিয়ে লক্ষ করার পর শায়লার চোখে স্বামীর চলাফেরা ও আচার ব্যবহারে কিছু পরিবর্তন ধরা পড়লো। নটা-পাঁচটা অফিস আরিফের। মাঝারি গোরে বিজ্ঞাপনী সংস্থায় অ্যাকাউনট্যান্টের চাকরি—নেহাত অসুস্থ না হয়ে পড়লে বা বাড়ি থেকে হঠাৎ কোনো দুঃসংবাদ না এলে পাঁচটা বাজার এক মিনিট আগেও অফিস ছাড়ার উপায় নেই। সারাদিনের হিসেব-নিকেশ মিলিয়ে বেরুতে বেরুতে ওর প্রায়ই ছ’টা-সাতটা হয়ে যায়। তারপরও যে সোজা বাড়ি ফেরে তা-ও নয়। শায়লা জানে আরিফ বারে যায়। অবশ্য এতে ওর কোনো আপত্তি নেই। অভ্যাস। তাছাড়া ওর বাবাকেও দেখে আসছে ছোটবেলা থেকে—একটা হালকা বুজ রং-এর গ্লাস থেকে চুক চুক করে খাচ্ছেন, ছেলেমেয়েদের সঙ্গে গল্প করছেন ড্রইংরুমে, ঠাট্টা-মস্করা করছে টিভির কোনো প্রোগ্রাম নিয়ে। সুতরাং এ ব্যাপারে শায়লার সংস্কার ভেঙেছে। বিয়ের অনেক আগেই।

    বারে যাওয়া সম্ভব না হলে অফিসেরই কপিরাইটার আমজাদের খালি বাসায় আসর শেষ করে বাসায় ফিরতে ফিরতে আরিফের রাত এগারোটা হয়ে যায়। প্রায় নিত্যদিনের ব্যাপার। বিয়ের নি বছরের মধ্যে একবার জন্ডিসে ভুগে এক নাগাড়ে দশদিন বিছানায় পড়ে থাকা ছাড়া বছরে একটা দিনও এর আগেও বাড়ি ফেরে না। বিয়ের পর একদিন ব্যাপারটা নিয়ে ওর সঙ্গে শায়লার কিছু মন কষাকষি হয়েছিলো। রাগ করে একবার পর পর দু’রাত আরিফ বাড়িই ফিরলো না। এরপর থেকে শায়লা চুপ। আরিফ চরিত্রহীন নয়। বউ এবং ছেলে রিকুকে আর দশজন পুরুষের চেয়ে বেশিই ভালোবাসে।

    ১২ জুন দুপুরে খাওয়া-দাওয়ার পর শায়লা শুয়ে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের একটা উপন্যাস পড়ছিলো। স্কুলে গরমের ছুটি। পাশে এক বছরের রিঙ্কু খুব আগ্রহ নিয়ে একটা বই ছিড়ছে। এমন সময় কলিং বেলের শব্দ। উঠে দরোজা খুলতেই শায়লা অবাক। আরিফ। কী হলো তোমার? চলে এলে যে? কোনো কথা না বলে আরিফ ঘরে ঢোকে। তারপর ফুলস্পিডে ফ্যান ছেড়ে দিয়ে বলল, মাথা ঘুরছিলো। অফিসে বসতে পারছিলাম না। শায়লা ভয় পেয়ে যায়। আবার জন্ডিস নয় তো? দেখি, তোমার চোখ দেখি বলতে বলতে শায়লা স্বামীর বুকের সঙ্গে লেগে গিয়ে ওর এক চোখের নিচের অংশটুকু টেনে ধরে। নাহ! চোখ তো ঠিকই আছে। জ্বর জ্বর লাগছে? শায়লা একই সোফায় আরিফের পাশে বসে পড়ে।

    না, তেমন কিছুই হয় নি। বারোটার দিকে মাথাটা কেমন জানি হঠাৎ ঘুরে উঠলো। রিঙ্কু কই? আরিফ দু’হাতে কপালের দু’পাশ চেপে ধরে বললো।

    রিঙ্কু খেলছে। তুমি শুয়ে পড়ো। বলতে বলতে শায়লা গেলো রান্নাঘরের দিকে। সেদিন আরিফ আর বেরুলো না।

    দ্বিতীয় দিনও একই ব্যাপার। আরিফ ফিরলো চারটের দিকে। বললো, মাথা ঘুরছে। কিন্তু দুদিন তারিফের চেহারায় শরীর খারাপ বা অসুখের কোনো লক্ষণ চোখে পড়লো না শায়লার। সাতটা পর্যন্ত সটান, নিশ্ৰুপ শুয়ে থেকে ও ড্রইংরুমে গিয়ে বসে টিভির সামনে। রোববারে সকালের দিকে ছাড়া টিভি দেখে না ও। এ দুদিন আরিফকে খুব মনোযোগ দিয়ে পরিবার পরিকল্পনা ও শিশুদের প্রোগ্রাম দেখে শুরু করে বাংলা-ইংরেজি খবর, বিদেশি ছবি, রাজ্যের বিজ্ঞাপন, সাক্ষাৎকার ইতাদি প্রায় সবকিছু দেখতে দেখে দারুণ অবাক হয় শায়লা। ভালোও লাগে। এতো দীর্ঘ সময় ধরে স্বামীকে কাছে পায় নি ও অনেকদিন।

    ১৪ জুন রাতে বিছানায় আরিফকে জড়িয়ে ধরে শুতে গিয়ে একটা ধাক্কা খেলো শায়লা। সেই পুরনো মিঠেকড়া গন্ধটা নেই। নিটে বছর প্রায় প্রতিদিন এই বিশেষ গন্ধটা অতিক্রম করে ও আরিফের আগুন স্পর্শ করেছে। এই গন্ধ তাকে ঘুম পাড়িয়েছে রোজ। মুখ ফিরিয়ে শুয়ে ছিলো আরিফ। ওর মুখের ওপর কুঁকতে গিয়ে সিগারেটের গন্ধ পায় শায়লা। আরিফ চোখ বুজে পড়ে ছিলো। মুখের ওপর শায়লার খোলা চুলের এক গোছা ঝপ করে পড়তেই ও চোখ খুললো।

    কী খাও না আজকাল? শায়লা ডিম লাইটে মদু হেসে জিগ্যেস করে।

    ভাল্লাগে না। আরিফও হাসলো বলে শায়লার মনে হয়।

    চারদিন পর একটা বোতল নিয়ে আমজাদ এসে হাজির। তখন সবে সন্ধে হয়েছে। বাইরে বৃষ্টি। অফিসের কলিগকে দেখে কোনোরকম উচ্ছ্বাস দেখালো না আরিফ। বৃষ্টিতে ভিজে গিয়েছিলো আমজাদ। উদাস এক জোড়া চোখ মেলে আরিফ শুধু ওকে একবার মাথা মুছে নিতে বললো। পাশে বসা শায়লার সঙ্গে চোখাচোখি হয় আমজাদের। আরিফ মন দিয়ে টিভি দেখছে। পায়ের কাছে হামাগুঁড়ি দিচ্ছে রিঙ্কু। সেদিনই: আমজাদের মুখে শায়লা শুনলো, অফিসে ওর স্বামীর ওপর কারণ দর্শাও নোটিস জারি হয়েছে। অফিসের মতে, আরিফুল হকের যুক্তিহীন অনিয়মের জন্য কোম্পানিকে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। দু’দিনের মধ্যে নোটিশের জবাব না দিলে কর্তৃপক্ষ ওকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দিতে বাধ্য হবে। শায়লার মুখ এক মুহূর্তে ফ্যাকাশে। চোখে পানি এসে যাচ্ছিলো। মরিয়া হয়ে শেষে ও কাঁদো কাঁদো গলায় আমজাদকে জিজ্ঞেস করে, কী হলো বলুন তো? একটা কিছু বলার জন্য আমজাদ অনেক পীড়াপীড়ি করার পর আরিফ একবার ওর দিকে তাকিয়ে হাসলো। শুকনো ও দুঃখী-দুঃখী হাসি। এক পলকের জন্য আরিফকে আমজাদের ভীষণ একা ও অসহায় মনে হলো। কিন্তু ও একবার টিভি, একবার শায়লার মুখ—এরকম বার কয়েক তাকিয়ে কোনো কারণ বের করতে পারে না। কাল একবার ফিসে যাস আরিফ। আর এটা রেখে গেলাম। সাদা জিনের বোতলটা টিপয়ে ঠক করে রেখে আমজাদ দরোজার দিকে এগুলো। শায়লা কিছু বলার আগেই লম্বা লম্বা পা ফেলে ও রাস্তায়। তখনো বৃষ্টি হচ্ছে।

    আহ্, হাবিব ছাড়োয় পরিষ্কার শায়লার কণ্ঠ। নিজের কানে শুনেছে আরিফ। রাত তিনটেয় শায়লা, আমি তোমার গলায় পরিষ্কার শুনেছি—পরিষ্কার শুনেছি, বিড় বিড় করতে করতে সায়েন্স ল্যাবরেটরির পাশ ঘেঁষা ফুটপাত ধরে আরিফ হেঁটে যাচ্ছিলো। ধু ধু করছে বেলা দুটোর দুপুর। একটা খালি রিকশাও চোখে পড়ে না। রায়ের বাজার। থেকে এতোটা পথ ও হেঁটে এসেছে। ঘামে জবজব করছে গা। হাবিব, হাবিব। আরিফ আবার বিড়বিড় করে অজান্তেই ওর হাঁটার গতি বেড়ে যায়।

    তিনদিন ধরে খাওয়া একটু বেশি হয়ে যাচ্ছিলো। জার্মানি থেকে সুহাস এসেছে পাঁচ বছর পর। উঠি উঠি করেও আরিফ আমজাদ ওখান থেকে ছুটতে পারছিলো না। সুহাস পুরনো বন্ধু। একসঙ্গে স্কুল, কলেজ ও ইউনিভার্সিটিতে পড়েছে। ওর সঙ্গে খেতে খেতে মন খুলে পুরনো দিনের গল্প করার লোভ ছাড়াও সহজ নয়। এমনিতে আরিফ চাপা স্বভাবের। কিন্তু দুতিনটে পেটে পড়ার পর ওকে আর চেনাই যায় না আমজাদও সঙ্গী হিসেবে চমৎকার। চুটিয়ে আড্ডার পর তিনটে রাত আরিফের বাসায় ফিরতে ফিরতে রাত প্রায় একটা হয়ে যাচ্ছিলো।

    আজকাল ওদের একবারের বেশি হয় না। কিন্তু সেদিন প্রথমবারের পর আরিফ বিছানা ছেড়ে উঠে এলো ড্রইংরমে। খুব হালকা এবং ফুরফুরে লাগছিলো। টু-ইন ওয়ানে ডোনা সামার চড়িয়ে দিয়ে কিছুক্ষণ বইপত্র ঘাঁটঘাঁটি করে। ঘন্টা দুয়েক কিছু পাঁচমিশেলি গান শোনার পর আরিফ আবার শুতে যায়। ঘুম আসছিলো না। রিঙ্কু দলামলা পাকিয়ে খাটের একেবারে কিনারে শুয়ে আছে। ওকে কিছুটা ভেতরের দিকে টেনে আনলো আরিফ। শায়লা ওর পুরনো ভঙ্গিতে ডানদিকে ফিরে শোয়া। মাথার কাছে ধবধবে সাদা ব্রা ডিমলাইটেও স্পষ্ট দেখা যায়। হাঁটুর অনেকদূর পর্যন্ত শাড়ি উঠে আসায় ওর ফরসা পা দুটো ঠাণ্ডা সাদা বাতির মতো আভা দেয়। তাকিয়ে থাকতে থাকতে আর পারলো না আরিফ। প্রথমে শায়লার পায়ের পাতা থেকে আলতো হাত বুলিয়ে উরু পর্যন্ত টেনে আনলো। আহ্, কী গরম। তারপর ওকে দুহাতে জড়িয়ে ধরলো আচমকা। আর ঠিক তক্ষুণি, রাত তখন তিনটে (দুরে ঘন্টা বাজছিলো)—আহ্ হাবিব ছাড়ো। প্লিজ ছাড়ো! শায়লার কণ্ঠ। ছিটকে উঠে আসে আরিফ। কিছুক্ষণ ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে তাকিয়ে থাকে ঘুমন্ত স্ত্রী দিকে। ধ্রুপদী ভঙ্গিতে একটা অদ্ভুত তরঙ্গ শায়লার শরীরে দোল খায়, ঠোঁট ফুরিত হয়, দেখা যায় ওর ঝকঝকে দারে মুক্তো। দৃশ্যটা আরিফ উপভোগ করছে না, ওর শরীরে কোষে কোষে ছড়িয়ে যাচ্ছে বিষ—আরিফ সে মুহূর্তে বুঝতে পারলো না।

    হাঁটতে হাঁটতে আরিফ যখন পুরনো রেসকোর্সের কাছে এলো, হঠাৎ ঝমঝম বৃষ্টি। অনেকক্ষণ ধরে আকাশ কালো হয়ে আসছিলো, ও খেয়াল করে নি। আর্ট কলেজের একপাল ছেলেমেয়ে হৈচৈ করতে করতে ঢুকে গেলো গেটের ভেতরে। বৃষ্টিতে ভেজা সহ্য হয় না আরিফের। এছাড়া চুলের ব্যাপারে ও এতো সচেতন যে, রাস্তায় চলার সময় আকাশে কালো মেঘের ছিটেফোঁটা দেখলে ও রুমালে মাথা ঢেকে নেয়। আজ ও কিছুই করলো না। কলেজের বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা প্রায়-ডজন দুয়েক মানুষের চোখের সামনে দিয়ে ও নেমে গেলো মাঠের ভেতরে। আষাঢ়ে ঢল। পাঁচ মিনিটে ও ভিজে ন্যাতা হয়ে যায়। সিমেন্টের পেল্লাই সাইজের ছাতার নিচে কয়েকটা পাতাকুড়ুনি ছেলেমেয়ে দাঁড়িয়ে ছিলো। আরিফের এমন নিশ্চিন্তে, বৃষ্টির ভেতরে হেঁটে যেতে দেখে খি খি করে হেসে উঠলো একটা পিচকে ধরনের কিশোরী। সঙ্গে সঙ্গে হাসির ছররা। অই সার, কই যান এই ম্যাগের মাইজে। পাগল অইলেন নি?’ বয়সে কিছু বড়ো একটা ছেলে ওকে চিৎকার করে বলল। উত্তরে ওদের দিকে তাকিয়ে আরিফ সামান্য হাসার চেষ্টা করে। ওরা কী বুঝলো কে জানে। আর কোনো ডাকাডাকি হয় না। ভেজা সবুজ ঘাসে ছপ ছপ শব্দ তুলে আরিফ মাঠের ভেতরে ঢুকে গেলো।

    ইউনিভার্সিটিতে একট ডিবেট কম্পিটিশনে শায়লার সঙ্গে ওর আলাপ হয়েছিলো। দেখতে আহামরি কিছু নয়, কিন্তু সারা মুখ জুড়ে এমন একটা মায়ামাখানো যে, প্রথম দেখাতেই আরিফ আটকে গেলো। শায়লা দলের মধ্যে সবচেয়ে ভালো বলে। কথা অল্প, যুক্তি বেশি। তবুও ডিবেটে জিতলো আরিফরা। রেজাল্টের পর শায়লাকে একটা সান্ত্বনাসূচক ধন্যবাদ জানাতে গিয়ে আরিফের ভীষণ খারাপ লাগে কী দরকার ছিলো জেতার! ও আমার চেয়ে ভালো বলেছে। অন্য মেয়ে। নিটেও মন্দ নয়। আপনি চমৎকার বলেছেন, প্রায় ফাঁকা অডিটোরিয়ামের এক পাশে দাঁড়িয়ে কথাগুলো বলার সময় আরিফ দু’চোখ স্থির রেখেছিলো শায়লার চোখের ওপরে। মন্ত্রমুগ্ধের মতো তাকিয়ে থাকে মেয়েটা। এক চুল নড়তে পারে না।

    একটা উদোম পাগল মাঠময় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। মাঠের মাঝখানে গভীর ডোবাটা পানিতে টইটুম্বুর। বিশাল কালীমন্দিরটা ডোবার ডানে না বাঁয়ে ছিলো, আরিফ ভাবতে চেষ্টা করে। একাত্তরে সাতাশে মার্চ সকালে মন্দিরের উঠোনের দৃশ্যটার কথা মনে হলে এখনো গায়ে কাঁটা দেয়। একসঙ্গে এতোগুলো লাশ এর আগে ও কখনো দেখে নি। বীভৎস। বৃষ্টির ছাট কমে আসে। ঝাকড়া চুল জট পাকিয়ে আরিফের। কপালে এসে পড়ে। গা কুট কুট করছে। হাঁটা যাচ্ছে না। ঘাস এবং পানিতে স্যান্ডেল কেবল আটকে যায়। পাগলটা হঠাৎ দেখে ফেলে আরিফকে। তারপর তেড়ে ছুটে আসে। কী যেন চিৎকার করে বলে, আরিফ বুঝতে পারে না, দৌড় দেয় ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউটের সামনে এসে ও থামলো। পাগলটা এতোদুর আসে নি। আবার আগের জায়গায় দাঁড়িয়ে ওকে দু’হাত আড়াআড়িভাবে দু’পাশে তুলে দিয়ে রকির মতো ঘুরতে দেখলো আরিফ। শালার পাগল। মনে মনে বললো ও।

    ঐদিন রাতের ঘটনার পর সকাল পর্যন্ত আরিফ ঠায় জেগে থাকলো। ভোরের সামান্য আগে ও চোখ বোজে। সাতটার দিকে শায়লা যখন রোজকার মতো খাটের পাশে টিপয়ে শব্দ করে চায়ের কাপ রাখে ও চোখ খুলে তাকায়। গোসল সেরে এসেছে শায়লা। সাবানের গন্ধে ভুরভুর করে সমস্ত ঘর। ফিকে গোলাপি শাড়ির মধ্যে ওর সদ্য ঘুম ভাঙা মুখখানা বড় কচি এবং পবিত্র মনে হয়। ঐ মুহূর্ক্সে জন্য রাত্রে ব্যাপারটা ভুলে যেতে চেষ্টা করে আরিফ। নাস্তা খেয়ে অফিসে যাওয়ার সময় অনেকদিন পর ও শায়লাকে চুমু খেলো।

    কেউ রাস্তার ওপাশে অন্য এক রিকশা থেকে আরিফের নাম ধরে ডাকলো। বোঝা গেলো না। এবার সামান্য বিব্রত বোধ করে ও। অফিসের কেউ এ অবস্থায় দেখে ফেললে একটা বিতিকিচ্ছিরি কাণ্ড হয়ে যাবে। শাহবাগের কাছে এসে রিকশাকে রায়ের বাজার যেতে বলে যতটা সম্ভব রাস্তার বাঁদিকে মুখ ঘুরিয়ে বসলো আরিফ।

    ইউনিভার্সিটিতে ও ছাড়াও দুটো ছেলের সঙ্গে শায়লার আলাপ ছিলো। এদের কোনটা হাবিব? একজনকে জানতো ক্রিকেট খেলে। অপরজন একটু উদাসীন ধরনের। ইচ্ছে করলে ও নাম জেনে নিতে পারতো। পরিচয়ও হয়তো হতো? কিন্তু একটা অস্তলীন ঈর্ষা ওকে শায়লার সামনে ছেলে দুটোর ব্যাপারে কোনো আগ্রহ দেখাতে দেয় নি। পরে অবশ্য শায়লা সবার থেকে ধীরে ধীরে নিজেকে সরিয়ে আনে। ও তখন পুরোপুরি আরিফের।

    হুবহু শায়লার মতো দেখতে একটা মেয়ের মুখ দেখা গেলো দ্রুত ছুটে যাওয়া একটা গাড়ির ভেতর। পাশে বসা লোকটা ঐ দুই স্কাউড্রেলের একজনের মতো দেখতে। ঘাড় ঘুরিয়ে অনেকক্ষণ তাকিয়ে থাকলো আরিফ। মনে মনে ও এক ঝলক শায়লার আপাদমস্তক খুঁটিয়ে দেখে নেয়। গত ক’দিন ওর অদ্ভুত ব্যবহারে ভয় খেয়ে যাওয়া একটা মুখ। চোখদুটো পানিতে টলটল করছে। বাহ্ বাহ্ চমৎকার। লে লাপাকে, জোরে বলে উঠলো আরিফ। রিকশাঅলা চমকে পিছনে ফিরে তাকালো, ‘কী কইলেন সাব, লেকের পার?’ ‘ওনা কিছু না। তুমি যাও’, বোকার মতো হাসলো আরিফ।

    ক্ষিদেয় মরে যাচ্ছিলো শায়লা। টেবিলে রাখা খাবার আর কিছুক্ষণ পর মুখে দেয়া যাবে না। এমন বৃষ্টি। ভাতে ছাতা পড়ে যাচ্ছে হয়তো।

    দেড়টার দিকে হঠাৎ কাপড় চোপড় পরে ঘরে পায়চারি করছিলো আরিফ। সে কী, এখন বেরুবে না-কি? লাগোয়া রান্নাঘর থেকে গলা বাড়িয়ে শায়লা জিজ্ঞেস করে। একটু আমজাদের ওখানে যাচ্ছি। এক্ষুণি চলে আসবো।

    রান্না হয়ে গেছে। খেয়ে যাও। স্বামীর এই আচরণের কোনো কারণ খুঁজে পায় শায়লা। না, এসে খাবো। আর আমার দেরি হলে তুমি খেয়ে নিও। বলে আর এক মুহূর্ত দাঁড়ায় না আরিফ। দ্রুত ঘর থেকে বেরিয়ে যায়।

    সাধারণত দুটোর মধ্যে খাওয়া সেরে নেয় শায়লা। স্কুল থেকে কোনোদিন ফিরতে দেরি হলে বড় জোর তিনটা। আরিফ তখন অফিসে থাকে। খায় পাশের কোনো রেস্তোরাঁয়। ওর লাঞ্চ আওয়ার এক ঘন্টা। রায়ের বাজার থেকে মতিঝিলে আপ-ডাউন এবং খাওয়া ব মিলিয়ে সময় লাগে দেড় ঘন্টার বেশি। সুরাং দুপুরে বাসায় যাওয়ার প্রশ্ন ওঠে না। শুধু রোবার দিন একসঙ্গে খাবার জন্য সপ্তাহ ধরে প্রস্তুতি নেয় শায়লা। এখন বিকেল পাঁচটা। মাথা ধুরছিলো শায়লার। রিঙ্কু ঘুমুচ্ছে প্রায় দু’ঘন্টা ধরে। ছটফট করতে করতে ও বারান্দায় চলে এলো। কোথায় গেল মানুষটা? এমন সময় দূর থেকে একটা রিকশায় আরিফকে দেখা যায়। আজ একটা এসপার ওসপার হয়ে যাবে। প্রেম করে বিয়ে করেছে বলে মাথা কিনে নেয় নি। বারান্দার রেলিং ধরে দাঁড়িয়ে ভেতরে ভেতরে ফুঁসতে থাকে শায়লা। আরিফের রিকশা বাসা থেকে বেশ কয়েক গজ দূরে এসে থামলো। আর এগুবে না। বৃষ্টির পানি জমে ঢাল রাস্তা, পাশের মাঠ, ডোবা একাকার।

    রিকশাওয়ালাকে ভাড়া দিয়ে আরিফ শায়লার দিকে মুখ ঘুরিয়ে অনেকক্ষণ তাকিয়ে থাকলো। স্বামীর ভেজা উদভ্রান্ত অবস্থা দেখে চমকে যায় শায়লা। বৃষ্টিতে ভেজার লোক নয় আরিফ, পানি লাগার ফলে ওর চুল চুপসে গিয়ে মাথার সঙ্গে লেপ্টে আছে। রোকেয়া হলের সামনে এক শ্রাবণের বিকেলে একটা কাক-ভেজা পাগল গাড়ি চাপা পড়েছিলো। মেয়েরা বলছিলো আত্মহত্যা।

    প্যান্ট না গুটিয়েই আরিফ আধ হাঁটু পানি ভেঙে বাসার দিকে আসতে থাকে, শায়লার চোখে চোখ পড়তে ও হাসলো। হাসিটা শায়লার কাছে অচেনা লাগে। সঙ্গে সঙ্গে ও টের পায়, ওর শিরদাঁড়া দিয়ে একটা সরু হিমেল স্রোত বয়ে যাচ্ছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রিয় – ইমদাদুল হক মিলন
    Next Article গোপনে – ইমদাদুল হক মিলন

    Related Articles

    ইমদাদুল হক মিলন

    ইমদাদুল হক মিলনের বিবিধ রচনা

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    অন্তরে – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    এসো – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    প্রিয় হুমায়ূন আহমেদ – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    গোপনে – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    প্রিয় – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }