Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দুই বাংলার দাম্পত্য কলহের শত কাহিনী – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ও ইমদাদুল হক মিলন সম্পাদিত

    ইমদাদুল হক মিলন এক পাতা গল্প1423 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দাম্পত্য – সুব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়

    দাম্পত্য – সুব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়

    বাচ্চা ছেলেটা ঘুড়িটা ঠিক সামলাতে পারছে না। একটু উঠে লতপত করে নেমে আসছে। বেশ বড় ঘুড়ি। হলুদ গেঞ্জি নীল শর্টস পরা সিনেমার নায়কের মত সুদর্শন একজন বারবার ঘুড়িটা তুলে ধরতাই দিচ্ছে। দু-একবার ফরফর করেই গোত খেয়ে নেমে আসছিল ওটা। ভদ্রলোক তুলে আবার … ওপাশে ফুটবল ক্রিকেট চলছে। ফ্লাইং সসার ছুঁড়ে ধরার চেষ্টা চালাচ্ছে কেউ কেউ। শীতের নরম রোদ মিঠে আমেজ ছড়িয়ে দিচ্ছে। নীল আকাশে খণ্ড খণ্ড মেঘের উদাস ঘোরাফেরা। একপাশে রাখা জেন থেকে হর্ন বাজে আর তা শুনে সচকিত ভদ্রলোক তাড়াহুড়োয় ঘুড়ির কোণ বোধহয় ছিঁড়ে ফেললেন। বাচ্চাটা কান্না জুড়েছে। ওর বাবা, বাবাই মনে হয়, ভোলাবার জন্য বলে, আবার ঘুড়ি কিনে দেব, … আজই।

    —ঠিক? ঠকাবে না কিন্তু, প্রমিস?

    —প্রমিস। ভদ্রলোক ছেলেকে নিয়ে গাড়ির দিকে এগোল। সেদিকে চেয়ে থাকা জয়ন্তর মুখ ধার থেকে দেখে নন্দিনী বলে, অ্যাই তোমার সাইড প্রোফাইলটা ঠিক শুভেন্দুর মত। চৌরঙ্গী সিনেমায় যেন এমনি …

    —আর তোমার মুখটা? জয়ন্ত মুচকি হাসছে।

    –না আমারটা মোটেও তেমন সুন্দর নয় যে কারো সঙ্গে মেলানো যাবে।

    —মানে তোমারটা ঠিক নন্দিনী রায়ের মত।

    একথায় শব্দ করে হাসে দুজনে। নন্দিনী বলে, তুমি ভীষণ চালাক। শেষ মুহূর্তে শেন ওয়ার্নের মত ডেলিভারি বদলে দাও। কী দিয়ে শুরু করে কোথায় যে শেষ কর!

    তাহলে তোমাতে শেষ নয় বলছ। আরো কেউ আছে কপালে। কে সে তাকে তো কখনো দেখিনি।

    —অ্যাই না, কথা অন্যদিকে ঘোরানো যাবে না। অন দ্য ট্র্যাক প্লিজ ….

    ফোর্ট উইলিয়ামের দিকে ব্রিগেড়ে বসে কথা বলছিল জয়ন্ত নন্দিনী। এক অফিসে কাজ করে। ইন্টারন্যাশনাল ব্যাঙ্কে। দুপুরে টিফিনের সময় অফিসে সবুজ একটা শাড়ি দেখাচ্ছিল নন্দিনী। দিন দুই আগে ময়দানের টেক্সটাইল ফেয়ার থেকে কিনেছে। পছন্দ করেই কিনেছে এবার অপরের চোখ দিয়ে যাচাই করে নিচ্ছে কেমন হয়েছে। দু-চারজন তারমধ্যে বেশিরভাগ মহিলা জড়ো হয়ে মতামত জানিয়ে যাচ্ছে। ভিড় একটু পাতলা হতে জয়ন্ত শাড়িটা হাতে নেয়। তারপর চারপাশ দেখে নিয়ে বলে, কাকে প্রশংসা করব শাড়ি না যে কিনেছে তাকে বুঝতে পারছি না।

    —আহা তেমন ভালো হয়নি বুঝি?

    —এক্সসেলেন্ট। তাই তো বলছি এ জিনিস যে সে কিনতে পারে না। নন্দিনীকে ভালো করে দেখে নিয়ে যোগ করে, আজ খানিক খোশগল্প হবে নাকি?

    —আজ আবার? নন্দিনী প্রথম বলাতেই রাজি হয় না। একটু অনুরোধ উপরোধ না হলে ….. আবার জোরও দিচ্ছে না যদি একদম কেটে যায়।

    —থাক তাহলে। আর একদিন না হয়, যখন অসুবিধে আছে, জয়ন্ত আস্তে বলে।

    –অসুবিধে তেমন নেই। তাহলে কখন?

    —যেমন হয়। ওই চারটে নাগাদ।

    —অ্যাই আজ মনে আছে তো? সাড়ে পাঁচের মধ্যে বাড়ি আসা চাই-ই।

    —কি বলেছিলে যেন ….. এখুনি ঠিক মনে পড়ছে না … আসলে এত কিছুর ভিড় মাথায় ….. কোনটা ছেড়ে কোনটা যে ধরি ….. জয়ন্ত মনে করার চেষ্টায় দিশেহারা।

    —ওহো ডিসগাসটিং। কবে থেকে বলছি আজ আনন্দদার ম্যারেজ অ্যানিভারসারি। সেদিন বাড়ি এসে বলে গেছে, তমালিকা খুব বলেছে, এরপরও মিস হলে ওরা …..

    —ঠিক আছে, চলে আসব সময়ে, জয়ন্ত প্রসঙ্গ এড়াতে চায়।

    সুতপা চোখ বড় করে, উহঁ অত ক্যাজুয়াল হলে হবে না। দুদিন পরই চলে যাবে আনন্দদা মেরিল্যান্ডে। এরপর কবে আবার …..

    –এটা ঠিক যাবই যাব, তুমি দেখে নিও। জয়ন্ত বউয়ের গালে ঠোনা মারে। সুতপা খুশি হয়, মনে করে এসো কিন্তু। নইলে আমার প্রেস্টিজ পাংচার।

    তা এভাবেই চলতে থাকে। আজ অ্যানিভারসারি, কাল অন্নপ্রাশন, পরশু গেটটুগেদার ….. এখানে যাওয়া সেখানে যাওয়া। চোখের পলকে দিন ফুরিয়ে যায়, রাত কেটে যায় ঝড়ো হাওয়ায় …. দামাল হলেও ভেসে যাওয়া যায় না, কোথায় আবার কী বেঁধে যায়! কত কিছু ঝামেলা এই জীবনে। সুতপার নাচের প্রোগ্রাম, স্কুলের চাকরি ….. জয় অফিসের চাপ, প্রমোশন, এর মাঝে আবার পাহাড় হাতছানি দেয় তাকে। এত সবের উপর আবার নতুন কোনও ঝামেলা এলে সামলাবে কী করে? তা কেমন করে হয়? তবু কি করে যেন হয়ে যায়। সব জিনিস তো নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলে না। হয়তো দামাল হওয়ার প্রম আবেগে ভেসে গেছে তারা ….. হয়তো কিছুই নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা দেয় না। যে করেই হোক ছোট নবীন প্রাণ আভাস দেয় তার সলাজ উপস্থিতির। কিন্তু সে তো এক চরম ক্ষণ দুজনেরই জীবনে! জয়ন্তর সামনে রুরাল অ্যাসাইনমেন্ট, ঠিকঠাক সেরে আসতে পারলে চারদাঁড়ির ভারি চেয়ার, সুতপার ঠাসা প্রোগ্রাম নাচের। এসবের মাঝে অনাগত সেই নবীন মুকুলিত প্রাণ বড়ই অবাঞ্ছিত। তড়তড়ে এগোনোর পথে ভীষণ বাধা। ঝরঝরে হয়ে নাও, ফরফরে জীবন ডাকছে। সবে তো সন্ধে, সারা জীবন পড়ে আছে সংসারে জড়ানোর জন্য। সাত তাড়াতাড়ি জড়িয়ে পড়ার নেই প্রয়োজন। ফলে সেই বীজ জরায়ুর অন্ধকার থেকে চলে যায় গাঢ় অন্ধকারে, হিম শীতলতার জমাট আস্তরণে। ডাক্তারবাবু রাজি ছিলেন না। প্রথমবার এটা, ভালয় ভালয় হয়ে যাক, তিনি বলেছিলেন।

    তা হয় না … এটা ঠিক হলে কত কিছু বেঠিক হয়ে যাবে যে! ঝরঝরে হয়ে যায় সুতপা। তারপর দুজনেই চলেছে নিজ কক্ষপথে। আবর্তিত হতে হতে কখনও সখনও কাছে এসেছে, কিন্তু ক্রমাগত ঘূর্ণনে খুব কাছে আসা যায় না। সংঘাতের ভয় দুজনকে ছিটকে দিয়েছে। এখন বিয়ের সাত বস্ত্র পর নিজের নিজের কাজ নিয়ে তারা আছে। পারিবারিক, সামাজিক নানা উৎসবে একসঙ্গে যাওয়া আসা, কথাবার্তা, হালকা লোক-দেখানো সোহাগ বিবাগ এই পর্যন্ত। ভেতরে ভেতরে মাটি আলগা হয়ে গেছে। এখন চাইলেও কোনও নবীন প্রাণ মুকুলিত হবে না এই শুষ্ক, উষর বাগানে। চরম উৎকণ্ঠা, চাপা টেনশনে অতিবাহিত রাত্রিদিন কখন কেড়ে নিয়ে গেছে সেই সব সজীব, সক্ষম ডিম্বাণু শুক্রাণুদের কে জানে!

    নন্দিনীর মাঝে মাঝে নিজেকে খুব ক্লান্ত, একা মনে হয়। তিরিশটা বসন্ত চলে গেল বু সে যে সেই কাঙাল রয়ে গেল। কোন অশুভ ক্ষণে যে বড় সন্তান হয়ে জন্মেছিল! সাপ যেমন করে জড়ায় সেইরকম পাকে পাকে জড়িয়ে গেল এই সংসারে। এখন যে এখান থেকে সটকে পড়বে উপায় নেই। ভালো না লাগলেও, মনের বিন্দুমাত্র সায় না থাকলেও টেনে যেতে হচ্ছে এই ভীষণ ভার। যবে থেকে বাবার চাকরিতে যোগ দিল তার স্বতন্ত্র অস্তিত্ব মুছে গিয়ে নতুন পরিচয় স্থান করে নিল সেখানে। সে এখন আর কোনও তিরিশ বছরের প্রত্যাশামুখী নারী নয়, সংসারের ছেঁড়া সুতো জোড় লাগানোর যন্ত্ৰী মাত্র। চাহিদার জোগানদারের জীবনে পযুদস্ত তার জীবন মনন। সংসারের তার উপর এই কঠিন দাবির কারণও রয়েছে অবশ্য। চাকরি করতে করতে বাবার হঠাৎ দুর্ঘটনা ….. সেই জায়গায় সে বহাল হয়েছে। মা সরাসরি

    বললেও চাপা থাকে না যে বাবার চাকরি যখন তুমি নিয়েছ তার দায়িত্ব সমানভাবে পালন করতে হবে। এই দায়িত্ব পালন সে করেছে সাবলীল স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে যতদিন পর্যন্ত তার বোন জয়িতা স্বাবলম্বী না হয়ে উঠেছে। কিন্তু একটা সময়ে সে বিস্মিত ও মর্মাহত হয় যখন জয়িতার বিয়ের জন্য মা প্রাণপণ চেষ্টা করে। তার জন্য কিছু করা তো দুরের কথা, সামান্য সম্মতির শিষ্টাচারটুকু কেউ দেখায়নি। সংসার বড় বিচিত্র, মাঝে মাঝে হিংস্রভাবে স্বার্থপর। নন্দিনী যে রোজগারের টাকা, ভিত্রে মাটি, সেটা আলগা করার মত মুখামি কেউ করে? বু যেদিন মা তাকে জানায় জয়িতার বিয়ে স্থির, সেদিন মুখে কিছু না বললেও দৃষ্টি, চোখের সেই চাহনি বোধহয় অনেক বার্তা পৌঁছে দিয়ে থাকবে। মা মিষ্টি হেসে গাল টিপে বলেছিল, তোর জন্য কোনও ভাবনা নেই। এত গুণ যে পাবে বর্তে যাবে। শুধু ভাই দাঁড়ানো পর্যন্ত অপেক্ষা কর।

    সবাই বড় হবে, দাঁড়াবে। শুধু নন্দিনীর জন্য থাকবে চিরকালীন অপেক্ষা। আর সংসার টানা ….

    ভাই একটু বড় হতে নন্দিনী নিজেই মরিয়া হয়ে চেষ্টা চালাচ্ছে। জয়ন্ত প্রথম যখন তাদের ব্রাঞ্চে আসে তার স্মার্টনেস নন্দিনীকে টানে। চেহারার জৌলুসে মোহাবিষ্ট সে তলিয়ে ভাবেনি বিবাহিত কিনা। যখন বুঝেছে তখনও সরে আসেনি। কেনই বা আসবে? জীবন কি দিয়েছে তাকে? তবু এই সাহচর্য, এই আদানপ্রদান খুব। উপভোগ্য মনে হয়। মাঝে মধ্যে জয়ন্তর সঙ্গে সিনেমা চলে যায়। ইংরিজি সিনেমা বেশি থাকে তালিকায়। অন্ধকার হলে পর্দার সাহসী দৃশ্য হয়তো তাদের মাতিয়ে। তোলে। জয়ন্ত আলিঙ্গনে জড়ায় তাকে। চুম্বনেও আপত্তি করে না নন্দিনী। বরং বেশ উপভোগ করে। এই জীবন কিছুই দেয়নি তাকে ….. পুরুষের স্বাদ এই সহকর্মীই নিয়ে এসেছে তার কাছে, একে কী করে ঠেলে সরিয়ে রাখবে। আজকাল সিনেমা হলে ভিড় হয় না। বেশি দামের সিট ফাঁকা থাকে। সেখানে সিনেমা দেখে বা না দেখে বেশ কিছুক্ষণ অন্তরঙ্গ হবার সুযোগ অনেকে নিচ্ছে তাদের মত।

    মুশকিল হচ্ছে বাড়ি ফিরতে দেরি হলে মা মুচকি হেসে বলে, সিনেমা দেখলি বুঝি? তখন এত রাগ আসে সারা শরীর জুড়ে! উত্তর না দিয়ে গটগট করে সরে যায়। এই প্রশ্নের উৎস কোথায় তাও জানে। একবার হল থেকে বেরুচ্ছে জয়ন্তর সঙ্গে, মুখোমুখি পড়ে যায় জয়িতার। সেই বোধহয় রাষ্ট্র করেছে ব্যাপারটা, হয়তো বা রং চড়িয়ে। তাই প্রশ্নবাণে জর্জরিত হতে হয় এই নিঃসঙ্গ একাকি তরুণীকে। কেউ তাকে বোঝার চেষ্টা করে না, কেউ তার ব্যথার কথা জানতে চায় না।

    —অ্যাই তোমাকে অফিসে পাওয়া যায় না কেন বল তো?

    –কবে আবার পেলে না? জয়ন্ত সতর্ক ভঙ্গীতে বলে।

    —এই তো গতকাল। স্কুলে চন্দনাদি মাস্টার ডিগ্রি পাওয়ায় তাড়াতাড়ি ছুটি হয়ে গেল। কী করা যায় ভাবছি মনে এল হ্যান্ডিক্রাফটস ফেয়ারের কথা। তখন ফোন করলাম, যদি এসে যাও তবে একসঙ্গে … তা অফিসে বলে দিল উনি তাড়াতাড়ি বেরিয়ে গেছেন।

    —ওহ্ হ্যাঁ, মনে করার ভঙ্গীতে বলে জয়ন্ত, আসলে হেড অফিসে গেছিলাম মান্থলি রিটার্ন দিতে। বেমালুম মিথ্যেটা মাথায় জোগাতে আত্মবিশ্বাস আসে তার, জানই তো ব্যাঙ্কের চাকরিতে হাজার হ্যাপা। মনে মনে বলে, দারুণ ঝামেলা, সুন্দরী কলিগের সঙ্গে বৈকালিক আল্ডার ঝামেলা।

    —তা হ্যাপা পোহাতে কে বলেছে? বদলে নিলে তো হ্যাপি হয়ে যাও।

    -ওরেব্বাস এই বয়সে বদলানো? তাছাড়া এই সিকিউরিটি, এই পারকুইজিট কে দেবে বল?

    —তাহলে? এত সব পেতে গেলে তো হ্যাপা হয়ই মশাই। জয়ন্ত খুশিতে সুতপার নাক নেড়ে দেয়।

    .

    ধাতব বিশ্রি শব্দে তন্দ্রা থেকে উঠে বসে সুতপা কয়েক মুহূর্ত সময় লাগে বুঝতে শব্দের উৎস বের করতে। তারপর বোধে আসে কলিং বেল টিপছে কেউ। মর্নিং স্কুল ফিরে একটু গড়িয়ে নেওয়া বরাবরের অভ্যেস। আজ ঘুম হয়েছে গাঢ়। দরজার আই হোলে চোখ রাখে দীর্ঘদেহী, ফর্সা রং পুড়ে তামাটে হয়ে যাওয়া এক পুরুষ। একটু থমকে মনে পড়ে যায় পরিচয়—তমাল সেন। দরজা খোলে। এই সেই তমাল আর একটু হলেই যে সুতপার জীবনে প্রথম পুরুষ হয়ে যাচ্ছিল। একসঙ্গে পড়ত আশুতোষ কলেজে বটানি অনার্স নিয়ে। তমালের লম্বা কাঠামো, রুখুসুখু হাবভাব, চেতানো বুক আর দৃঢ় চিবুকে কেমন এক বন্য আদিমতা ছেয়ে থাকত। সবচেয়ে টানত ওর চোখ দুটো। বড়, ভাসা ভাসা কিন্তু ঠিক ভাবালু নয়, অনেকটা ঝিন্দের বন্দীর ময়ূরবাহনবেশে সৌমিত্রকে মনে পড়ায়। ঝুঁকে ছিল সুতপা। এক্সকারশনে গিয়ে আলাদা হয়ে হারিয়ে ছিল লতাপাতার জঙ্গলে। তমালের দৃঢ়। হাতের বলিষ্ঠ আলিঙ্গনে পিষ্ট হতে হতে ভেবেছিল পৌরুষ বুঝি এরই নাম। তবে ওই পর্যন্ত। কিছুদিন যেতে সুতপা রাশ গুটিয়ে নেয়। তমালের সব কিছু কেমন খাপছাড়া, অসংলগ্ন ….. ওর সঙ্গে হয়তো দামাল হওয়া যায়, কিন্তু নোঙর ফেলা যাওয়া যায় না। বড় নরম মাটি ….. নোঙরের টান এ নেবে না। তার চেয়ে বাবা মায়ের পছন্দকরা জয়ন্ত অনেক নিশ্চিত স্থল ….. ঢেউয়ে, ঝড়ে এ ধোবে কিন্তু মুছবে না, ভাসবে কিন্তু ভাসাবে না

    তমাল কিন্তু বেশ স্পোর্টিংলি নিয়েছিল ব্যাপারটা বা নেবার ভান করেছে। এমনকি বিয়েতে পর্যন্ত এসেছিল।

    –কি দরজায় দাঁড় করিয়েই রাখবে? ভেতরে যাব না?

    —ওহ্ তোমাকে কি ডাকলে তবে আসবে? সুতপা সাড়ে ফিরে সচকিত। একপাশে সরে ভেতরে আসার জায়গা করে দেয়।

    বসার ঘরে সিগারেট টানতে টানতে তমাল বলে, এত বড় ফ্ল্যাটে তুমি একা?

    –একা কেন? আমরা দুজন আছি।

    —কোনও ইস্যু নেই?

    –না।

    –বাহ্ বেশ আছো–নিরালা বাসা, দুজনে ভালবাসা।

    তোমায় খারাপ থাকতে কে বলেছে। দোকা হয়েছ নিশ্চয়।

    -না তা আর হতে পারলাম কই? আমার দোকা ….. বাক্যটা শেষ না করে চুপ করে যায় তমাল। সুতপাও এগোয় না ওই পথে। ক্ষণিক বিরতি দিয়ে বলে, বস চা করে আনি।

    জলে চা পাতা দেবে কৌটৌ খুলেছে তামাকের তীব্র গন্ধে পাশ ফিরে তমালকে দ্যাখে সুতপা। তমাল উষ্ণ আলিঙ্গনে জড়ায় তাকে। তামাকের ঝাঝালো গন্ধে ঝিমধরা মাদকতা মাখানো ….. সেই বন্য আদিমতা ….. কঠিন নিষ্পেষণ …. হারিয়ে যেতে জলপ্রপাতের গর্জন কানে আসে ….

    ঠিক পঁচিশ মিনিটের মাথায় সুতপা বলে, কিছু হবে না তো? হো হো হাসে তমাল, কেন তুমি হওয়ার ভয় পাও নাকি?

    জবাব না দিয়ে নীরবে আনমনা সুতপা। সময় গড়ায়।

    .

    অফিস থেকে ফিরে চা খেতে খেতে কথা বলছিল জয়রা। বসার ঘরে যামিনী রায়ের গণেশ জননী ছবির সঙ্গে দেয়ালের ডিপ গ্রিন রঙের বৈপরীত্যে খুলেছে চমৎকার। ছবির নিচে সোফায় কেউ বসলে হঠাৎ দেখলে মনে হয় যেন মা দুর্গার কোলেই বসেছে। জয়ন্তকে এখন প্রায় সেরকম লাগছে। তার দিকে সুতপার ওই নিবিষ্ট দৃষ্টিতে জয়ন্তর অস্বস্তি হয়। সে বলে, কী দেখছ, মুখটা অন্যরকম লাগছে? চুল কেটেছি বলে। হাত দিয়ে অদৃশ্য ছোট চুল সরাতে ব্যস্ত হয় সৈ। তখন চোখে পড়ে টেবিলে ছাইদানে পোড়া সিগারেট ভর্তি। কি ব্যাপার শ্বশুরমশাই এসেছিল নাকি রায়গঞ্জ থেকে? ভাবনার ঝিলিক আসে। জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকায় স্ত্রীর দিকে, পোড়া সিগারেট, কি ব্যাপার?

    সুতপা থমকায় মুহূর্তমাত্র। পরক্ষণেই সামলে নিয়ে বলে, আমি খেয়েছি। ভীষণ ইচ্ছে করছিল। মনে নেই সেই গ্যাংটকে? হানিমুনে ….

    তাই? বিস্মিত চোখে তাকে দেখতে থাকে জয়ন্ত। বিয়ের এত বছর বাদেও এমন অবাক করে দেবার ক্ষমতা আছে সুতপার!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রিয় – ইমদাদুল হক মিলন
    Next Article গোপনে – ইমদাদুল হক মিলন

    Related Articles

    ইমদাদুল হক মিলন

    ইমদাদুল হক মিলনের বিবিধ রচনা

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    অন্তরে – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    এসো – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    প্রিয় হুমায়ূন আহমেদ – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    গোপনে – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    প্রিয় – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }