Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দুই বাংলার দাম্পত্য কলহের শত কাহিনী – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ও ইমদাদুল হক মিলন সম্পাদিত

    ইমদাদুল হক মিলন এক পাতা গল্প1423 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    হেনস্থা – তপনকুমার দাস

    হেনস্থা – তপনকুমার দাস

    এ মাসের ফর্দে ওভার নাইট ক্রিম আর হেয়ার রিমুভার লেখার কথা ভুলো না কিন্তু। ওভারনাইট ক্রিমের একটা দলা হাতের তালুতে পিষতে পিষতে কথাগুলো ছুঁড়ে দেয় চন্দ্রা। প্রথম শীত্রে কচি ঠাণ্ডা ঘেরা থমথমে ঘরে শব্দগুলো ভাসতে ভাসতে এসে আছড়ে পড়ে মিহিরের কানে। কথা তো নয় আদেশ। রস কষ হীন নিরেট নির্দেশ।

    রাতের এই সময়টা বড় একান্ত সময়। চাকরির ঝনঝনানি নেই-কৌতূহল কোলাহলের হুল্লোড় নেই। বাস মোটরের হর্ণ নেই। ফাইল নেই। উপরওয়ালার হম্বি তম্বি নেই। ইউনিয়নের চলছে চলবে চিৎকার নেই। যা আছে তা হলো দুচারটে ঝি ঝি পোকার কি কি শব্দ। আর দু’জনকে দু’জনের নীরব চোখে দেখে নেওয়া। কিন্তু–

    রাতের এই সময়টা বিছানায় আধশোয়া বসে সিগারেটের ধোঁয়া ছেয়ে ফুসফুস ভরাতে ভরাতে মিহির আজকাল বাসি খবরের কাগজের বুকে চোখ বুলায়। কয়েক বছর আগেও মিহির আধবোজা চোখে তারিয়ে তারিয়ে চার শরীর জোড়া খাজুরাহের শ্রাবন্তী খুঁজতো। এই সময়টা চন্দ্রারও একান্ত নিজস্ব ছিলো। একরাশ পোষাকের জঞ্জালমুক্ত দেহটাকে কোনমতে একটা সুরি পাতলা নাইটিতে জড়িয়ে একের পর এক প্রসাধনের প্রলেপ ঢেলে দিয়ে ড্রেসিং টেবিলের সাড়ে তিন ফুট আয়নার সামনে বসে থাকতো অনেকক্ষণ।

    সংসারের টুকিটাকি কথাবার্তা বিনিময় করা ছাড়া এখন আর আগের মত কোন কথা বা গল্প খুঁজে পায় না ওরা। সংসার বলতে সাড়ে ছ’শো স্কোয়ার ফুট ফ্ল্যাটে মাত্র দু’জনের বসবাস। চন্দ্রা আর মিহির। মৌমিতা এখন আর ওদের কাছে থাকে না। কালিম্পঙের একটা স্কুলে এবছরই কেজি ওয়ানে ভর্তি হতে পেরেছে। গত মাসেই ওরা দেখে এসেছে বাবা-মাকে ছেড়ে এতটুকু মেয়ের হোস্টেলে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা।

    মৌমিতার জন্য মাঝে মধ্যে মিহিরের মন খুব খারাপ হতো। এখন অনেকটা গা সওয়া হয়ে গেছে। চন্দ্রা রং তুলনায় অনেক কঠিন। মেয়েকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রথম সারিতে দাঁড় করাতে হবে-তাই অত মায়া দয়ার ধার ধারে না সে। আদর দিয়ে বাঁদর গড়ার চাইতে শাসন করে মানুষ গড়ে তোলাই তার একান্ত ইচ্ছে।

    ভাল কথা! কাল আমাদের এসিকিউটিভ কমিটির মিটিং চুলের গোড়ায় ব্রাশ বোলাতে বোলাতে বলে চন্দ্রা, সুজাতাকে কিন্তু অযথা আটকে রেখো না।

    ম্যানেজমেন্টের কাছ থেকে কোন স্পেশাল লাভের অর্ডার আসে নি। সিগারেটে শেষ টান দিতে দিতে বলে মিহির।

    তোমরা খালি শিখেছ ম্যানেজমেন্ট আর অর্ডার। চুলের ব্রাশটাকে তর্জনীর মত উঁচিয়ে ধরে চন্দ্রা।

    চন্দ্রা আর মিহির ফ্ল্যাটের এই ঘরটায় এখন এক ছাদের নীচে—ওরা স্বামী-স্ত্রী। গত এপ্রিল মাসে ওদের বিবাহিত জীবন নয় গড়িয়ে দশে পড়েছে। বস্ত্র দুয়েক আগেও দাম্পত্য জীবনের এই দিনটির কাহিনী নিয়ে হো হো করে রসিকতা করতো মিহির। বলতো, সাত বছ যে প্রেম করলাম সেটা বেমালুম উঠে যাবে? চন্দ্রা যুক্তি দিয়ে বোঝাতো, প্রেমের তো আর কোন লেখা জোখা তারিখ থাকে না। না থাক লেখা জোখা তারিখ, চন্দ্রা যেদিন কানুনগো সাহেবের কাছে তার বিরুদ্ধে নালিশ করেছিলো, সেটাই নাকি প্রেমের শুরু—মনে করে মিহির। একপাল আত্মীয়স্বজনের দঙ্গলে হঠাৎ লাজুক হয়ে ওঠা চন্দ্রার গলায় সাদা রজনীগন্ধার মালাটা টুক করে যেদিন পরিয়ে দিয়েছিলো, সেদিনের তারিখ মনে করতে এখনও সময় লাগে মিহিরের। কিন্তু কানুনগো সাহেবের কাছে বকুনি খাওয়ার তারিখটা তার জিভের আগায় সব সময় ভিড় করে থাকে–২১শে মে, মঙ্গলবার।

    উফ! কি সাংঘাতিক। লাজুক লাজুক মেয়েটার বুকের ভেতর যে এমন তেজের আগ্নেয়গিরি ছিলো স্বপ্নেও সেদিন ভাবেনি মিহির। টাইপিস্টের কাজে নতুন যোগ দেওয়া মেয়েটার বসার টেবিল ছিলো ঠিক ওর সামনে। আর পাঁচ জোড়া কৌতূহলী চোখের মত মিহিরও চোখ মেলে দিয়েছিলো নবাগতা চন্দ্রা চৌধুরীর চালচলনের উপর। ব্যাস! তারপরই তুলকালাম। একুশে মে, মঙ্গলবার। মাত্র তিনদিনের কর্মচারী সারা অফিস দাপিয়ে মাথায় করে তুলেছিলো-বারুদ ফাটিয়েছিলো দুম করে কানুনগো সাহবের ঘরে। মিহিরের চোখে মনে বিন্দুমাত্র প্ররোচনা ছিলো না ছিলো না কোন আবেদন কিংবা নিবেদন। আর ভাগ্যি ভালো সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ তখনও দানা বাঁধে নি। তাছাড়া ভাল গোবেচারা ছেলে হিসাবে অপিসে একটা সুনাম ছিলো মিহিরের। তবুও হাতজোড় করে ক্ষমা প্রার্থনা করতে হয়েছিলো পুঁচকে ঐ মেয়েটার কাছে।

    আজ রীতাদি বলছিলো তুমি নাকি ওকে জেনারেল সেকসানে ট্রান্সফার করার হুমকি দিয়েছ? ড্রেসিং টেবিল ছেড়ে চন্দ্রা উঠে এসেছে বিছানার কাছে। উবু হয়ে বসে বক্স খাটের ড্রয়ার খুলে একে এক বের করে আনছে বালিশ মশারি।

    না ব্যাপারটা ঠিক সে রকম নয়, বিছানা ছেড়ে নেমে এ্যাসট্রেতে সিগারেটের টুকরোটা চেপে ধরে মিহির, আসলে জেনারেল সেকসানে সিনিয়ার ক্লার্কের দরকার। তাছাড়া রীতা নন্দী একজন এফিসিয়েন্ট ওয়ার্কার।

    এফিসিয়েন্সির নামে তোমাদের জারিজুরি সব আমার জানা আছে, ঝঝন করে বিছানার উপর পাতা বেড় শিটটা তুলতে তুলতে বলে চন্দ্রা।

    আচ্ছা চন্দ্রা, তুমি মানে তোমরা কি চাও না অফিসের উন্নতি হোক….

    থামো! তোমার গালভরা সব বকুনি। দু দিন আগে তুমিও তো ওদের মত হলঘরের কোনে বসে ফাইল আগলাতে। বদলে ফেলা বেডশিটটা ভাজ করতে করতে ধমকে ওঠে চন্দ্রা।

    কথাটা অবশ্য মন্দ বলে নি। এই অফিসে মিহিরের প্রবেশ ইউ ডি ক্লার্কের বেশে। বছর পাঁচেক আগে মানব সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বিভাগীয় পরীক্ষায়। আজ অফিসের মালিক হয়ে বসতে পেরেছে। অফিসার হিসাবে কানুনগো সাহেবের চেয়েও নাকি মিহিরের দাপট অনেক অনেক বেশি। তাছাড়া ওর আমলে সারা অফিসের হাল হকিকতু বদলে গেছে। কলকাতায় যে অফিসের সবচেয়ে বেশি বদনাম ছিলো সেই অফিস গতবছর জাতীয় স্তরে প্রথম পুরস্কারে পুরস্কৃত হয়েছে। কিন্তু সবটাই তো সম্ভব হয়েছে অলক্ষ্যে চন্দ্রার ভালোবাসায়, প্রশ্রয়ে আর নীরব উৎসাহে।

    তাই চন্দ্রার কাছে এমন চাচাছোলা বুলি আশা করেনি মিহির। যতই ইউনিয়নের পাণ্ডা হোক না কেন সেকশন ম্যানেজারের স্ত্রী তো বটে। চন্দ্রার এই চাচাছোলা চরিত্র সেদিনের সেই একুশে মে মঙ্গলবারই উপলব্ধি করতে পেরেছিলো মিহির। কানুনগো সাহেবের ধমক খেয়ে পরদিন থেকে বন্ধ করে দিয়েছিলো অফিসে আসা। লজ্জায় অপমানে কয়েকদিন পরে রেজিষ্ট্রি পোষ্টে পাঠিয়ে দিয়েছিলো ইস্তফার অগ্রিম নোটিস। অন্য সহকর্মীদের পই পই বারনেও বিন্দুমাত্র বিচলিত হতে দেয় নি মনকে। অন্য একটাও চাকরীও পেয়ে গেছিলো কেন্দ্রীয় সরকারি অফিসে-ধানবাদ খনি এলাকায়। কিন্তু বাদ সেধেছিলো চন্দ্রা নিজেই। অফিস ফেরত সন্ধ্যের সময় দুমদাম এসে সোজা ঢুকে গেছিলো ঠাকুর ঘরে-বিধবা মায়ের কোলের কাছে, ছেলেকে একটু শাসন করতে পারেন না। অফিসের বস কিনা কি বলেছে তাই চাকরি ছেড়ে হাত পা গুটিয়ে বসে থাকতে হবে ঘরের কোণে?

    তুলসীর মালা আর নামজপ ভুলে ফ্যালফ্যাল করে বাঁশি হাতে বসে থাকা গোপালের দিকে চোখ রেখে থাকা ছাড়া সেদিন কোন ভাষা জোটে নি বাল্যবিধবা মিহিরের মায়ের মুখে। পাশের ঘর থেকে সব শুনছিলো, সব দেখেছিলো মিহির। অনর্গল খই ফোঁটানো চন্দ্রার শাসানি কানের লতি গরম করে দিয়েছিলো সেদিন, জমিদারি থাকলে আমার কিছু বলার নেই। ছেলেকে ঘরে বসিয়ে বোতলে করে দুধ খাওয়ান। আর তা না থাকলে শাসন করুন, অফিসে যেতে বলুন। শেষের শব্দগুলো এখনও মিহিরের কানে ইলশে গুঁড়ির মত ঝিরঝির করে বাজে। কারণ চন্দ্রার গলায় তখন ছিলো দলা পাকানো অম্বলের মতো কান্না মেশানো তেজ। যা একমাত্র চন্দ্রাকেই মানায়।

    কিরে খোকা মেয়েটা কি বলছে—তুলসীর মালা ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়েছিলো মা। ততক্ষণে চন্দ্রা এসে টানটান থমকে পড়েছিলো মিহিরের সামনে লম্বা শরীরটা ঢেকে দিয়ে—অসভ্যের মত মেয়েদের দেখলে উপরওয়ালার বকুনি একশো বার খেতে হবে। কিন্তু কাল অফিসে না গেলে সারা পাড়ায় পোষ্টার লটকে দেব যে তুমি আমায় বিয়ে করতে চেয়েও কথা রাখ নি। বলে আর এক মুহূর্ত অপেক্ষা করে নি চন্দ্রা। হু হু করে চৌকাঠ পার হয়ে সোজা রাস্তায় দাঁড় করিয়ে রাখা রিক্সার বুকে নিজেকে সঁপে বিলীন হয়ে গেছিলো অন্ধকারের দেশে হিন্দি সিনেমাকেও হার মানিয়ে।

    ফ্যাসাদ, বড় জ্বালা। হাজার চেষ্টা করেও মাকে বোঝাতে পারে নি মিহির। আর শেষ পর্যন্ত পুরানো অফিসে ফিরে আসতে হয়েছিলো কাজে। সবাই সেলিব্রেট করেছিলো ওর ফিরে আসা। এমন কি চন্দ্রাও। সময়ের ঢেউ ঠেলে অনেক কটা দিন পার হয়েছে ওদের জীবনে। মিহির ছুটছে ক্যারিয়ারের পেছন পেছন আর চন্দ্রাকে ছুটিয়েছে ইউনিয়ন। অফিসার হবার পর কর্মক্ষেত্রে যাতে দু’জনের সংঘাত ক্রমাগত দানা বেঁধে না ওঠে তার জন্য রানাঘাটে বদলির চেষ্টা করেছিলো মিহির–কিন্তু ম্যানেজমেন্ট মেনে নেয় নি।

    ছিঃ চন্দ্রা তোমার মুখে একথা সাজে না, মৃদু অথচ দৃপ্ত হয়ে ওঠে মিহিরের গলার স্বর।

    বিছানায় নতুন চাদর বিছানো ছেড়ে থমকে দাঁড়ায় চন্দ্রা কোন কথা?

    অফিসার হবার খোটা, আয়নার সামনে গিয়ে চিরুনি তুলতে তুলতে বলে মিহির, তোমারই তো শখ ছিলো কানুনগো সাহেবের চেয়ারে আমাকে দেখার। বিপিন বাবু ঠিকই বলছিলো আজ…

    কি বলছিলো বিপিনবাবু?ধনুকের ছিলার মত ভ্রু বাঁকায় চন্দ্রা, একটা আস্ত দালাল…

    ভুলে যেও না বিপিনবাবু তোমার বাবার সহপাঠী ছিলেন।

    ব্যাস-অমনি মাথা কিনেছেন কি? অসভ্য বেয়াদপ, দপ করে জ্বলে ওঠে চন্দ্রা, মেয়েদের গায়ে মা মা বলে হাত বোলান কি পিতৃস্নেহে….আমরা কি কিছুই বুঝিনা?

    সুন্দরী মেয়েদের গায়ে হাত বোলাতে কোন পুরুষের না ইচ্ছা করে বলো? পরিস্থিতি এবং পরিবেশে হাল্কা প্রলেপ দিতে চায় মিহির।

    ওসব ছেলেভুলানো কথা ছেড়ে আসল কথায় এসো, বিছানার উপর পাট-পাট চাদর ছড়াতে ছড়াতে বলে চন্দ্রা, কি বলছিলো বুড়ো ভামটা?

    খারাপ কিছু বলে নি বিপিনবাবু। চেম্বারে বসে মিহিরও নিজের কানে শুনেছে আজ চন্দ্রার শ্লেষ ছড়ানো কথাগুলো। টিফিনের অবসরে মহিলা সহকর্মীদের উদ্দেশ্যে চন্দ্রার বাণী ছিলো, সুপ্রিম কোর্ট কর্মক্ষেত্রে যৌন হেনস্থার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। কর্মক্ষেত্রে মেয়েদের প্রতি হেনস্থা মানবাধিকার লঙঘন হিসাবে গণ্য হবে, পুরুষ শাসিত সমাজ ব্যবস্থায় মেয়েরা যাতে কর্মক্ষেত্রে কোন বৈষম্যের শিকার হয় সেজন্য সুস্থকাজের পরিবেশ তৈরি করতে কর্তৃপক্ষকে বাধ্য করাতে হবে কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি বা বাড়তি সুযাগ সুবিধা পাওয়ার জন্য আমরা কোন মতেই যেন পুরুষ কর্তৃপক্ষকে হেনস্থা করার সুযোগ করে না দিই বন্ধুগণ ঠাট্টা ইয়ার্কির মাধ্যমে আমাদের উপরওয়ালারা যেন কোন মতেই কোন বৈষম্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে। আপনারা জানেন মিহির বোস আমার স্বামী তা সত্ত্বেও কর্মচারী বন্ধু এবং বান্ধবীদের সামগ্রিক কল্যাণে ন্যায় এবং স্বার্থরক্ষার লড়াইয়ে তার বিরুদ্ধেও আন্দোলন করতে আমি বিন্দুমাত্র পিছপা হই নি এবং ভবিষ্যতেও হবো না

    তারপরেও আরও কি যেন বলতে চেয়েছিলো চন্দ্রা কিন্তু শোনা যায় নি—চটপটাপট হাততালির দৌলতে। হাততালি শেষ হবার পর যেটুকু শুনেছিলো তা হলো— প্রয়োজনে ঘরে এবং সংসারেও আমি প্রতিবাদের বন্যা বইয়ে দেব যদি আপনারা এবং আপনাদের সার্বিক সমর্থন আমার সাথে থাকে….

    কি হলো ভিজেবেড়ালের মতো ঘাপটি মেরে গেলে যে? সত্যি কথা বললে অমনই হয়। পাশাপাশি দুটো বালিশ রাখতে রাখতে বলে চন্দ্রা।

    বিপিনবাবু খারাপ কিছু বলেনি, উলের পাপোষে পা মুছে বিছানায় উঠে পড়ে মিহির।

    ভালটাই বা কি বললো শুনি, মশারিটা খাটের বাইরে ঝেড়ে নেয় চন্দ্রা।

    বলছিলো, আজ দুপুরে তোমার বক্তৃতার কথা।

    খুব আঁতে লেগেছে বুঝি?

    দেখ চন্দ্রা, আমাদের ভেতর একটা বোঝাপড়া করে নেওয়া উচিত। বিছানায় চিৎ হয়ে নিজেকে এলিয়ে দেয় মিহির।

    কিসের বোঝাপড়া? খাটের কোণে মশারির দড়ি ঝুলিয়ে দিতে দিতে প্রশ্ন করে চন্দ্রা।

    যেমন ধরো আমরা প্রফেশনালি দু’জনে দুই মেরুর উপর দাঁড়িয়ে–আমি ম্যানেজমেন্ট সাইডে, তুমি কর্মচারীর পক্ষে। আবার এ্যাকসিডেন্টালী ব্যক্তিজীবনে আমরা স্বামী স্ত্রী। সুতরাং আমাদের মধ্যে একটা ক্লিয়ার আন্ডারস্ট্যান্ডিং থাকা একান্ত প্রয়োজন। নিজের বক্তব্য বেশ জোরালো ভাবে বলতে পারায় তৃপ্তির নিঃশ্বাস ফেলে মিহির।

    কি আন্ডারস্ট্যান্ডিং চাইছো? মশারি গোঁজা ফেলে থমকে বসে চন্দ্রা।

    দেখ নারী পুরুষ আকৃতিগত পার্থক্যে গড়া দুটো জীবন হলেও মূলত তারা মানুষ। সমাজে, সংসারে কিংবা অফিসে উভয়েরই সমান সমান অবদান আছে। আছে আলাদা এবং স্বতন্ত্র ভূমিকা, বলতে বলতে উঠে বসে মিহির, স্বাধীন এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের মধ্যেই যে যার ভূমিকা সঠিকভাবে পালন করতে পারবে।

    তাই বলে তোমরা পুরুষেরা, দিনের পর দিন মেয়েদের হেনস্থা করবে, মুখ বুজে সহ্য করে যাব?

    সেকথা আমি বলি নি। বোঝাতে চেষ্টা করে মিহির, বিপিনবাবু আমাদের পিতৃস্থানীয়। অপত্য স্নেহে সে যদি কারও মাথায় হাত রাখে—

    আগাছা প্রথম দিনেই বিনাশ করতে হয় বুঝলে, ফোঁস করে ওঠে চন্দ্রা, নইলে জঙ্গল হয়ে যায়। আজ মাথায় হাত রাখছে কাল বুকে হাত দেবেন পরশু…..

    আহ! চন্দ্রা! অহংকার তোমাকে সীমানার অনেক বাইরে নিয়ে চলেছে। নিজের ওজন বুঝে চলার চেষ্টা করো— শাস্তি পাবে। বোঝায় মিহির।

    উচিত কথা তো অহংকারের মতই শোনাবে। বেড সুইচ অফ করে দেয় চন্দ্রা। গাঢ় অন্ধকারে হঠাৎ ডুবে যায় সারা ঘরটা। মিহির বুঝতে পারে চন্দ্রা বালিশে মাথা রেখে বিছানায় গড়িয়ে দিয়েছে নিজেকে। কথা না বাড়িয়ে নিজেও টুক করে শুয়ে পড়ে চার পাশে রাখা বালিশে। এতক্ষণে ঘরে অন্ধকার একটু ফিকে করতে ঘুলঘুলির ফাঁক দিয়ে চুইয়ে এসেছে রাস্তার একচিলতে আলো।

    তুমি কি চাও আমি ইউনিয়ন করা ছেড়ে দিই? ভীষণ গম্ভীর শোনায় চন্দ্রার গলা।

    মোটেও না। সংক্ষিপ্ত জবাব মিহিরের।

    তুমি চাইলেও আমি ছাড়তে পারবো না, কারণ প্রতিবাদ আমার রক্তে মিশে গেছে আপাতত যৌন হেনস্থার বিরুদ্ধে আমাদের সংগ্রাম চলবে আন্দোলন চলবে। বিপিবাবুদের মত বুড়ো শয়তানদের বিরুদ্ধে। শক্ত টানটান গলায় ঘোষণা করে চন্দ্রা। কোন জবাব না দিয়ে পাশ ফিরে শোয় মিহির—অন্ধকারে নিজেকে ঢেকে।

    কি হলো? সাড়া শব্দ দিচ্ছে না যে? মিহিরের পিঠে ঠেলা দেয় চন্দ্রা।

    প্রকৃত কোন অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াইতে আমার কোন আপত্তি নেই। কিন্তু কোন ইলুউশনের পেছনে দৌড়ে কেউ যদি অফিসের ওয়ার্ক কালচার আর ডিসিপ্লিন নষ্ট করে।

    ইউনিয়ন এ্যাকটিভিটি তোমার মতে ডিসিপ্লিন নষ্ট করা? আবার ফোঁস করে ওঠে চন্দ্রা।

    আমি সে কথা বলিনি। ব্রফ গম্ভীর স্বরে জবাব দেয় মিহির। অফিসের ইস্যু অফিসেই সেটেল করা ভালো সংসারে এক বিছানায় শুয়ে নয়।

    বেশ তাই হবে।

    আমি বরং এখান থেকে ট্রান্সফার নিয়ে নিই, অনেকটা স্বগতোক্তির মত বলে মিহির, তাতে অন্তত তোমার আমার মধ্যে সাংসারিক শান্তি কবে।

    এ্যাই। বাজে কথা বলবে না, আমি কোন অশান্তি করি নি।

    বিপিনবাবুও সেই কথাই বলছিলেন—অগ্নিকন্যাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখা যায় সংসার করা যায় না।

    কি? বিপিনবাবু আমাকে অগ্নিকন্যা বলেছে? মুখে ফুঁসে উঠলেও মনে মনে খুশি হয় চন্দ্রা। আর কোন কথা না বাড়িয়ে চুপ করে শুয়ে থাকে। ঘুম আসতে চায় না। হঠাৎ মনে পড়ে মৌমিতার কথা। মনটা কেমন খারাপ হয়ে যায়। মানসিক দুর্বলতাই যে কোন মনখারাপের কারণ। হঠাৎ চন্দ্রা বুঝতে পারে তার ভেতর একটা মা আছে—যে মা সন্তানের জন্য কাঁদে। বুঝতে পারে তার ভেতর একটা মেয়ে আছে, যে মেয়ে স্বামীর কোলে ভালবাসার তাপ পেয়ে পেয়ে পুড়ে যেতে চায়। ঘুম না আসা চোখ কড় কড় করে ওঠে চন্দ্রার—আর মিহির পরম শান্তিতে পাশে শুয়ে নাক ডাকিয়ে চলে ঘোতর ঘোতর

    এ্যাই! ঘুমিয়ে পড়লে? মিহিরের গায়ে টোকা দিয়ে নিবিড় হতে চায় চন্দ্রা, কি গো? ঘুমুলে?

    ইউনিয়ন আর ম্যানেজমেন্টের কচকচানি আমার একটুও ভালো লাগছে —আমার ঘুম পাচ্ছে…জড়ানো গলায় জবাব দেয় মিহির।

    বাড়িতে এসব আলোচনা না করাই ভালো। কি বলো? চন্দ্রা তার ডান হাতটা দেয় মিহিরের শরীরে। রাগ হয়েছে? আমার দিকে ফিরবে না?

    এই মুহূর্তে কি করা উচিত বুঝতে পারে না মিহির। চন্দ্রা যে দিন দিন অনেক অনেক দুরে সরে গেছে। এই পরিস্থিতিতে চার দিকে ফিরে চন্দ্রাকে জড়িয়ে ধরে আদর করলে যদি কোন অন্যায় হয়, হেনস্থা করা হয় অধস্তন কোন কর্মীকে। কারণ চন্দ্রা তো কেবলমাত্র তার স্ত্রী নয়, অফিসের একজন মহিলা টাইপিষ্টও বটে। পাশ ফিরে কাত হয়ে শুয়ে থাকা চন্দ্রাকে এক ঝলক দেখতে চেষ্টা করে মিহির— কিন্তু পারে না। ঘুলঘুলি দিয়ে চুইয়ে পড়া আলোয় সে জোর নেই যা অন্ধকারকে ঠেলে আপাত বিবাদমান দুটো মনকে একাকার করে দিতে পারে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রিয় – ইমদাদুল হক মিলন
    Next Article গোপনে – ইমদাদুল হক মিলন

    Related Articles

    ইমদাদুল হক মিলন

    ইমদাদুল হক মিলনের বিবিধ রচনা

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    অন্তরে – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    এসো – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    প্রিয় হুমায়ূন আহমেদ – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    গোপনে – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    প্রিয় – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }