Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দুই বাংলার দাম্পত্য কলহের শত কাহিনী – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ও ইমদাদুল হক মিলন সম্পাদিত

    ইমদাদুল হক মিলন এক পাতা গল্প1423 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কালার টি.ভি. – সুদীপ্ত বন্দ্যোপাধ্যায়

    কালার টি.ভি. – সুদীপ্ত বন্দ্যোপাধ্যায়

    ‘পই পই করে বলেছিলাম ভাড়া দিও না। নিজেদেরই জায়গা কুলোয় না। নাঃ ভাড়া না দিলে আর চলছিল না। যদিও বা দিলে তা সেখানে ছুতোয় নাতায় যাবার কি হয়েছে। মনে রেখো জামাই ছেলে হয় না, বউ মেয়ে হয় না আর ভাড়াটে কোনদিন আপন হয় না। বলি তোমাকে কি তুকতা করল নাকি! তুমিতো এমনটি ছিলে না। আজকাল বাবুর আবার কালার টি.ভি.র ব্যামো হয়েছে। ব্ল্যাক এন্ড হোয়াইট নাকি মানুষের দেখার নয়। কালে কালে দেখব কত রাধার গায়ে থতমত! হুঁ:।

    একনাগাড়ে কথাগুলো বলে অমলা কাঁধের গামছায় হাত মুছতে থাকল। আর যাকে উদ্দেশ্য করে এই কথার বৃষ্টিপাত সে কিন্তু ভিজেছে বলে মনে হ’ল না। বক্স জানালায় বসে উদাস হয়ে বাইরের দিকে তাকিয়ে আকাশ দেখছে। আর এই ঔদাসীন্য অমলাকে যেন আরও তাতিয়ে তুলল।

    কে বলবে কথা কানে যাচ্ছে। বধির না কি! বিয়ে হয়ে ইস্তক এই এক জ্বালায় আমি জ্বলছি। বাবা যে কি দেখেছিল এই পাথরে! কালা হলেও নয় বুঝতুম। ও বাঃ এ তো শেয়ান পাগল রে। ভাড়াটের ঘরে যেতে বলতে হয় না। দাঁড়াও আমি দেখাচ্ছি মজা। উঠুক একবার। আর ভাড়া দেয় কোন হারামজাদা। পয়সা আমার দরকার নেই। হায় ভগবান দুটো পয়সার মুখ দেখতে গিয়ে শেষে কি মানুষটাই বেহাত হয়ে যাবে নাকি! বলছি অফিস থেকে তো অনেকক্ষণ এসেছ এবারে চা করি? নাকি সেটাও ভাড়াটের ঘরে সারবে?

    বক্স জানালা থেকে অর্ণব নামতে নামতে শুধু বলল, ‘অমলা! এবার রেকর্ডটা বদলাও। ব্যাস তেতে ওঠা কড়াতে তেল পড়ল যেন। ছাত্ করে উঠল অমলা। হ্যাঁ তা তো বলবেই তোমার পিন যে ঐ ফাটা রেকর্ডেই আটকেছে।

    অর্ণব প্রসঙ্গ বদলে জানতে চায়, অম্বলের ওষুধটা খেয়েছিলে তো? এত বলি জল খাও বেশী করে কে কার কথা শোনে। সাধে কি মেয়েদের কোলাইটিস হয়।

    চা দিতে দিতে বলল, অমলা, হলে তো বাঁচতাম। রেকর্ড বন্ধ হয়ে যেত। তোমারও মুক্তি হত। আমি কি আর বুঝি না সেই সকালে বেরোও আর রাতে ফের। এসব কচকচানি কি কারো ভাল লাগে। নাও চা খেয়ে হাত-পা-মুখ ধুয়ে একটু বিশ্রাম নাও।

    চা খাওয়া সেরে অর্ণব বলল, যাই একটু খবরটা—

    মুখের কথা কেড়ে নিয়ে অমলা ঝামরে উঠল, দেখে আসি তাই তো? আমি তো জানতাম। বলি ঘেন্না পিত্তির মাথা খেয়েছ নাকি!

    অর্ণব জামাটা গলাতে গলাতে বলল, কেন তোমার গুরুদেবই তো বলেছে–লজ্জা-ঘেন্না-ভয়, তিন থাকতে নয়। আমি কি তোমার গুরুদেবের কথা কক্ষনো অমান্য করতে পারি?

    জোঁকের মুখে যেন নুন পড়ল। চুপসে গেল অমলার হম্বিতম্বি। ফ্যা ফ্যা করে তাকিয়ে রইল পায়ে পায়ে সিঁড়ি ভেঙে নেমে যাওয়া অর্ণবের দিকে।

    সিঁড়ির শেষ ধাপে পৌঁছে অর্ণব চেঁচিয়ে বলল, তুমি আবার খেয়ে দেয়ে শুয়ে পোড় না। আমি এই যাব আর আব।

    অমলা উত্তর দেয় না। কটমট করে তাকিয়ে থাকে।

    আবার পিছনে এসে অমলাকে চেঁচিয়ে অর্ণব বলে, বনে বনে জলে জঙ্গলে আমাকে স্মরণ করিও আমিই রক্ষা করিব।’ বলে আর দাঁড়ায়নি। কি জানে আবার কি বলে।

    অমলা রাগে গজগজ করতে করতে ফ্রিজ খুলে অবাক! মাছভাজার বাটিটাই হাওয়া। মনে মনে ভাবে নির্ঘাৎ অর্ণব নিয়ে গেছে তলায়। তলার বউটিও হয়েছে বড্ড গায় পড়া। দাদা দাদা করে আর রাখছে না। এবার যদি ফোঁটার ঘটা কেউ দেখত। যত সব আদিখ্যেতা। আমারটি বোধহয় রূপদেখে গলে জল। উঃ উঠলে বাঁচি। কি সাংঘাতিক! শেষ পর্যন্ত স্বামী টপকে হেঁসেলে ঢুকে পড়েছে দেখছি! রান্নাঘরে ফিরে এসে খুব লজ্জায় পড়ল অমলা। একদম ভুলেই গেছে গ্যাসে মাছ বসিয়ে সে। পাগলের মত খুঁজছে।

    .

    ২.

    সকাল থেকেই আকাশের মুখ গোমড়া। যে কোন সময়তেই তুমুল বৃষ্টি নামবে। বেলা তখন এগারোটা। ভাড়াটে গিন্নি অনিতা এসে হাজির।

    –কি করছেন দিদি? রান্না বান্না হ’ল? দাদা বেরোয়নি বুঝি আজ?

    -না ভাই। ও ছেলেকে আনতে গেছে। তা তুমি এ সময়ে কি মনে করে?

    -এলুম। কত্তা বেরিয়ে গেছে। সে বেরিয়ে গেলে তো ঝাড়া হাত পা। কোন্ ছেলেকে আনতে গেছে?

    -আমার দেওরের ছেলে। আমার তো কপাল পোড়া তা তো তুমি জান ভাই। ছেলেপুলে তো হ’লই না।

    -তাতে কি হয়েছে। দাদার মত স্বামী পেয়েছে।

    —দেখ অনিতা ঘরে একটা ছেলেপুলে না থাকলে সংসার শূন্য মনে হয় বুঝলে।

    -হবে হবে অত ভাববেন না। মা ষষ্ঠি ঠিক দয়া করবে।

    -তা তুমি কিছু বলবে?

    -না বলছিলুম দাদা যখন আজ বেরোয়নি। আমি একটু বাপের বাড়ি যাব—

    —তা যাও না। দাদা কি করবে?

    -না বলছিলাম যদি একটু ধর্মতলা থেকে দীঘার বাসে তুলে দিয়ে আসে।

    —কেন তোমার কতা এটুকু পারল না।

    –তাহলে তো হয়েইছিল। যে যাকে নিয়ে ঘর করে সে বোঝে হাড়ে হাড়ে।

    —দেখ অনিতা! পরের বউ পরের স্বামী চিরকালই ভাল হয় বুঝলে।

    –একি বলছেন দিদি! আমি দাদাকে—

    —ফোঁটা দিয়ে ভাই বানিয়ে তিন মাসের ভাড়া বাকি রেখেছ তাইতো?

    —সে টাকা আপনাদের দিয়ে দেব। আপনি এসব কি বলছেন?

    —যা বলছি ঠিকই বলছি। স্পষ্ট বলে দিচ্ছি সামনের মাসের মধ্যে ভাড়া না দিলে অন্যত্র উঠে যাও। আমার তো হরিহর ছত্রের মেলা নয়। তোমার দাদার আর কি, সে তো সংসারে হর্ষবর্ধন সেজে বসে আছে।

    —ছিঃ আপনার মন এত নীচ।

    —আর তোমার মন উঁচু।

    –লজ্জা করে না পরের স্বামীকে বশ করতে চাও।

    —দিদি ভুল বুঝছেন। দাদা টি.ভি.টা একটু দেখতে যায়।

    —ঐ কালার টি.ভি. টাই তো আমার সংসার ডিকালার করে দিচ্ছে। এত টি.ভি. খারাপ হয়, ওটা কি খারাপও হয় না। তবে বাঁচতুম।

    —আমি ভাবতেই পারছি না। আপনি দাদাকে সন্দেহ করেন?

    —মুখ সামলে কথা বল। আমি কি করি তোমায় বলতে হবে আঁ! বিকেল হলেই সাজুগুজু। খোঁপায় মাছে দাঁতের মত ক্লিপ, কপালে টিপ, নখে রঙ, ঠোঁটে রঙ। কই তোমার কত্তাকে দেখেতো আমি অমন হ্যাংলাপনা করি না।

    —আমি হ্যাংলা? আপনি অনেক কথাই বললেন। তা আপনিও তো পারেন আপনার স্বামীটিকে বশ মানাতে!

    —যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা। তুমি যাও, যাও বলছি। একটি কথাও আর বলবে না। আজ আসুক। ভগবান! কপালে এও ছিল। শেষপর্যন্ত কিনা ভাড়াটে এসে বাড়িওয়ালাকে স্বামী মানুষ করা শেখাচ্ছে।

    অনিতা নেমে যেতে যেতে শুধু বলল বিড় বিড় করে, দাদার মত মানুষ হয় না। দাদা যদি শিব হয় তো আপনি নন্দীভূঙ্গি। বাব্বাঃ এমন বউ নিয়ে মানুষে ঘর করে!

    .

    ৩.

    অর্ণব ইলিশ মাছ এনে বলল, আজ যখন বেরোলামই না। তিন কিসিম ইলিশ কর। তোমার হাতের ভাপা কি যে স্বাদ হয়! আহা অপূর্ব।

    অমলা পাশে এসে দাঁড়ায়। গামছা এগিয়ে দিয়ে বলে, ঘামটা মোছ। মুছে মুখ হাত পা ধুয়ে ফ্রেশ হও দেখবে ভাল লাগবে। একটু চা দেবো?

    না চাইতে চা, গামছা, মিষ্টি মিষ্টি সোহাগ মাখা কথা শুনে অর্ণবের তো ভিরমি খাবার জোগাড়। মনে মনে ভাবে চোরা অম্বল নয় তো! আজ হ’ল কি! তাহলে নির্ঘাৎ তলার সঙ্গে উপরের একটা জবরদস্ত পাঞ্জা কষাকষি হয়েছে।

    চা এনে অমলা পাশে এসে গা ঘেঁসে দাঁড়িয়ে আব্দারের সুরে বলে, চল না গো আজ কোথাও বেড়াতে যাই।

    অর্ণব তো অবাক! বলল, বেশ তো কোথায় যাবে? তুমিই বল।

    অমলা আরও ঘনিষ্ঠ হয়ে বলল, গঙ্গাস্নান ছাড়া তো যাইনি কখনো, চল আজ গঙ্গার পাড়ে ঘুরে আসি। যাবে গো!

    অর্ণব বলল, এ আর এমন কি যাব।

    অমলা গুন গুন করে গাইতে গাইতে রান্না ঘরের দিকে হেঁটে গেল, লাজবতী। নূপুরের রিনিঝিনি রিনি, ভাল যদি লাগে তবে দাম দিয়ে কিনি, বেশী তো নেব না…। বেশ গায় অমলা। একান্নবর্তী পরিবারের হ্যাপা সামলাতে গিয়ে কত সাধ আহ্লাদ যে গলা টিপে মেরেছে সে।

    অমলা হঠাৎ সরষে বাটা থামিয়ে রান্না ঘর থেকে চেঁচাল, তার চেয়ে ভিক্টোরিয়ায় চল। দারুণ মজা হবে।

    অর্ণব ঠোঁটে হাসি ঝুলিয়ে বলে, ধ্যস্‌ ছেলে ছোঁকড়ারা প্রেম করে ওখানে একটু নিরিবিলি। জানতে এই কাজে যে বাধা দেয় সে সুখী হয় না।

    কাটা ঘায়ে নুনের ছিট পড়ল। বিষম খেল জোর অমলা। অর্ণব দৌড়ে এসে মাথা চাবড়াতে লাগাল। অমলা মনে মনে ভাবে এ কথা তাকেই বলল, ঝি মেরে বৌ শেখানো আর কি। তার মানে ভাড়াটে বউয়ের সঙ্গে ফস্টিনস্টিতে আমি বাঁধা না দিই। ভাবতে ভাবতে সাধের ইলিশ পুড়ে ছাই। অর্ণব দৌড়ে এসে দেখে আঁচলে চোখ মুছছে অমলা। ইলিশ, বালিশ ফাটা তুলোর মত ছত্রাখান।

    অর্ণব চেঁচাল, কি হ’ল কি আবার? সব যে পুড়ে গেল!

    অমলা ঝাঁঝিয়ে উঠল, যাক সব ছাই হয়ে যাক। কপাল পোড়ার আর পুড়তে কি বাকি আছে!

    অর্ণব পিঠে হাত দিয়ে বলে, একটু শান্ত হও অমলা।

    তোমার ঐ নীচের ঘরের টাইফুনটাকে শান্ত হতে বল গে যাও। বেশ ছিলুম। সংসারটা তছনছ করে দিল আমার। বলে আবার কাঁদতে থাকে।

    অর্ণব অপ্রস্তুত হয়ে বলে, আরে বাবা এই তো গঙ্গার ঘাটে যাব। আবার কি এমন হল?

    তুমি ঐ অনিতা কে নিয়ে যাও ঘুরে এসো গিয়ে খুশী হবে। ভেবেছিলুম বয়স বাড়লে স্বস্তি হবে ও ব্বাবাঃ কোথায় কি রস একদম গইড়ে পড়ছে। ছিঃ ছিঃ ছিঃ। সাধে কি আর কেউ ভাড়া দিতে চায় না। বলেই খস খস করে শিলের উপর নোড়াটাকে ঘসে ব্যাপ করে একদলা সরষে মাছের উপর ছুঁড়ে দিয়ে উঠে পড়ল অমলা।

    অর্ণব জিজ্ঞাসা করে, কি হয়েছে বল তো?

    অমলা ঝাঁঝিয়ে ওঠে, আর মিষ্টি কথায় দরকার নেই। গোড়া কেটে উনি এলেন আগায় জল দিতে। এসব মেয়ে মানুষের ঝেটিয়ে বিষ ঝেড়ে দিতে হয়। এসে বলে কিনা বাপের বাড়ি যাব, দাদাকে একটু এগিয়ে দিতে বলবেন। বাপের চাকর যেন। আজ তোমার দুর্বলতার জন্যে ভাড়াটে বউয়ের এত আস্পর্ধা। ঘরে স্বামীর পায়ে শিকলি বেঁধে, পরের স্বামী নিয়ে টানাটানি। আমি বরদাস্ত করব না বুঝলে।

    ব্যাপারটা বুঝে অর্ণব হেসে বলল, শোন মানুষকে ভালবাসা কোন পাপ কাজ নয় গো। আস্তে কথা বল। লোকে শুনলে কি ধারণা হবে। আমি একটু টি ভি দেখতে যাই, তাও কালার টি.ভি. বলে। তাতে এত চেঁচামেচি করছ কেন?

    অমলা হাসতে হাসতে বলল, দেখ রাগ কোর না। পাঁচজনে কি বলে বলতো, তুমি কি একবার ভাব না।

    অর্ণব বলল, তুমিও কিছু মনে কোরনা একটা কথা বলি। আমি যে নীচের ঘরে টি.ভি. দেখতে যাই তা তো তোমার পঁয়ষট্টি ডেসিব এর বেশী চিল চিৎকারে সারা পাড়া জেনে গেছে।

    অমলা অর্ণবের হাতটা ধরে বলে, আমি ওসব জানিনা, তুমি ও ঘরে আর যাবে। এই নাও গলার হার। বন্ধক দিয়ে একটা কালার টি.ভি. নিয়ে এসো। তবে তো হবে। নাকি টি.ভির সাথে চাঁদ মুখও চাই-ই?

    অর্ণব উত্তেজিত হয়ে বলল, দেখ রমলা সহ্যের একটা সীমা আছে। তুমি অনেক কথাই বললে আমি আপত্তি করিনি। তুমি আমাকে বিয়ের রজতজয়ন্তী বর্ষ উদযাপনের পরেও সন্দেহ কর আমি ভাবতেই পারছি না। এই জন্যই বলে স্ত্রী চরিত্র দেবা ন জনন্তি। বুঝলে। খেয়ে দেয়ে রেডি হয়ে নেবে তাড়াতাড়ি। বেরোবো।

    অমলার গলায় কপোট অভিমান ঝরে পড়ল, না আমি যাব না। সব মাটি হয়ে গেল। না আছে একটা ছেলেপুলে। না আছে শখ আলাদ। নিজেরা পুরুষ মানুষ বাইরে বাইরে থাক বুঝবে কি! আমিই এখন সংসারের দায় হয়ে উঠেছি। আমাকে সরাতে পারলেই তোমার পোয়াবারো। ‘প্রৌঢ়ের তরুণী আসক্তি’ পালাটা বেশ জমজমাট হয়ে ওঠে আর কি! একটা দিন নিজে থেকে বলেছ, যে ভাড়াটা সময়মত দিন। তাতে কি মান যাবে? তিন মাসের ভাড়া বাকি কিন্তু ফস্টি নস্টির তো কিছু বাকি নেই। কাল, কাল যখন তুমি খবর দেখে বেরোচ্ছ তখন হাসতে হাসতে অনিতা এসে দরজা পর্যন্ত পৌঁছে দেয়নি? আমি সব দেখেছি; বুঝলে। নিজের কপাল পুড়ছে নিজের চোখে দেখে কি আর চেঁচানো যায়!

    অর্ণব মুখ ফসকে বলে ফেলল, দেখ অমলা! আজ দু বছর ওরা এসেছে ওর কোনদিন চিৎকার শুনেছ? বড় শান্ত স্বভাব। মেয়েদের স্বভাবে কোমলতা হচ্ছে সবচেয়ে বড় অলংকার। যেটা ওর আছে।

    অমলা চোখ মুছে আগুন ঝরিয়ে তাকায়। চেঁচিয়ে ওঠে, ও তাহলে তলে তলে এত! আজ আমার সব খারাপ। আমার কিছুই নেই? পঁচিশটা বছর তো এই রূপের দাঁড়ে আটকে দোল খেয়েছ। ভীমরতিতে এসে ধরল শেষ বয়সে! তা যাও আবার

    তলায় যাও চাঁদ মুখ না দেখলে যে মূৰ্ছা যাবে।

    অর্ণব রাগতস্বরে বলল, এর থেকে অফিস গেলেই ভাল ছিল।

    হঠাৎ নীচে কড়া নাড়ার শব্দ কানে ভেসে এলো। অমলা বলল, যাওনা দেখ কে এল আবার।

    অর্ণব বলল, না আমি আর নীচে নামব না। এই তো বললে ভাড়াটে আছে নীচে যাবে না। যাব না। নিজে যাও।

    অমলা গজ গজ করতে করতে নামতে থাকে। মুখেই অনিতার সঙ্গে দেখা হতেই মুখ বাঁকিয়ে চলে গেল দরজা খুলতে। যেন শত জন্মের রাগ।

    দরজা খুলে থ্‌!

    কাঁধে এক পেল্লায় বাক্স নিয়ে এক মুসলিম ভদ্রলোক বললেন, মা অর্ণব দত্তর বাড়ি এটা?

    অমলা বিস্মিত চোখে খানিক চেয়ে থেকে বলল, হ্যাঁ। কিন্তু এটা কি ভাই? ছেলেটি ঘরে ঢুকতে ঢুকতে বলল, টি.ভি.।

    অমলা বলল, উপরমে চলিয়ে।

    ছেলেটি টি.ভি. কাঁধে ঘরে ঢুকে নামিয়ে কাঁধের গামছায় মুখ মুছতে মুছতে বলল, বকশিস দিন বাবু। এটা কি কম ভারী বলুন!

    অর্ণবও অবাক!

    এমন সময় অনিতা পিছন থেকে ঢুকে অর্ণবের সামনে গিয়ে দাঁড়াল। হাতে ছোট পিতলের থালায় মিষ্টি। আর একটা রাখী। বলল, আজ রাখী পূর্ণিমা তাই দিদিকে মিষ্টি মুখ করাতে এলাম। আর দাদা হাতটা বাড়ান রাখীটা পড়িয়ে দিই।

    অমলা অবাক হয়ে অনিতার আব্দারের দিকে তাকিয়ে থাকে।

    অনিতা বলে, ছাপোসা ঘরে কালার টি.ভি. চট করে কি কেনা যায়! তিনমাসের যে ভাড়ার টাকা সেটা অ্যাডভান্স দিয়ে দাদার জন্য এই কালার টি.ভি.টা এনে দিলাম।

    অমলা লজ্জায় কুঁকড়ে লাল। হাত দুটো জড়িয়ে ধরে বলে, তুমি কিছু মনে কোর না অনি! আমি হয়তো মাথা গরম করে ফেলি। কিন্তু এ আমার মনের কথা নয়।

    অনিতা অর্ণবের কাছে গিয়ে দাঁড়ায়। তারপর ধীর অথচ শান্ত গলায় বলে, দাদা ও ট্রান্সফার হয়ে গেছে নর্থ বেঙ্গল। আমরা এ মাসটা আর থাকব। যাক এবার অন্ততঃ আপনাদের দাম্পত্য কলহর অবসান হবে। দাদাকেও আর কালার টি.ভি. দেখতে পাঁচবাড়ি যেতে হবে না।

    অর্ণবের চোখের কোল ভিজে উঠতে দেখে অনিতাও চোখের জল সামলাতে পারল না। অমলাও কেমন যেন ভিতরে ভিতরে ভিজে উঠতে লাগল।

    অনিতা অস্ফুটে বলল, দাদা! দিদি! প্রিয়জনের বিদায়বেলায় চোখের জল ফেলতে নেই। দিদি চা করুন। দাদা! টি.ভি.টা লাগান। তারপর চালিয়ে দিন। আজ আপনার টি.ভি. দেখতে দেখতে জমিয়ে গল্প করি।

    অমলা চা করতে উঠতে উঠতে বলল, তোমরা বসে গল্প কর। আমি এক্ষুনি চা আর পাঁপড় নিয়ে আসছি কেমন।

    অর্ণব কালার টি.ভি.টা সেট করতে করতে ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে দেখতে থাকে কলহপ্রিয় গুটিপোকার ভিতর থেকে বেরিয়ে অমলা যেন আজ আনন্দ প্রজাপতি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রিয় – ইমদাদুল হক মিলন
    Next Article গোপনে – ইমদাদুল হক মিলন

    Related Articles

    ইমদাদুল হক মিলন

    ইমদাদুল হক মিলনের বিবিধ রচনা

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    অন্তরে – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    এসো – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    প্রিয় হুমায়ূন আহমেদ – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    গোপনে – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    প্রিয় – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }