Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দুই বাংলার দাম্পত্য কলহের শত কাহিনী – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ও ইমদাদুল হক মিলন সম্পাদিত

    ইমদাদুল হক মিলন এক পাতা গল্প1423 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ফাঁদ – আবুল খায়ের মুসলেহউদ্দিন

    ফাঁদ – আবুল খায়ের মুসলেহউদ্দিন

    টেলিফোনের রিসিভারটা মুখের কাছে এনে আস্তে আস্তে টেনে কথা বলছিল আতিক চৌধুরী। পা দুটো জুতো সমেত তুলে দিয়েছে টেবিলের ওপর। চকচকে নতুন জুতো। আগাটা বেশ চোখা। ব্যালি সু। হাঁটু নাচাচ্ছিল আরামের ভঙ্গিতে। চোখে মুখে ওর আনন্দের আভাস। উজ্জ্বল শীতের রোদের মত ঝলমলে আনন্দ। ভাবখানা, অফিসে কোনও কাজ নেই আজ।

    স্যার, সোবহান সাহেব এসেছেন। এয়ার কন্ডিশন্ড অফিস ঘরের দরজাটা সামান্য খুলে মাথা ঢোকায় পিওন।

    মৃদু গভীর আলাপে বাধা পড়ায় নাক কুচকে ওঠে আতিক চৌধুরীর। ফোনের রিসিভারটা মুখের কাছ থেকে সরিয়ে শুকনো স্বরে বলে, সোবহান সাহেব? হাঁ নিয়ে আসো।

    এই শোনো। একজন ভিজিটর এসে গেছে।…পাকা আধ ঘন্টা একটানা কথা বললাম কবুতরের মতো, তাও তোমার মন ভরল না…ঠিক আছে পরে আবার ফোন করব।

    …হাঁ ঠিক এগারোটার দিকে। টেলিফোনটা রাখতেই ঘরে এসে ঢুকল সোবহান। রুক্ষ সূক্ষ্ম মেটে রং চুল, মুখ ভর্তি শিমুল কাঁটার মতো খসখসে দাড়ি। শার্টের কলারে ময়লার দাগ। জুতোয় পালিশ পড়েনি দুতিন সপ্তাহ।

    ঢুকতে ঢুকতে বলে সোবহান, আতিক ভাই দেখি আজ বেশ রিলাক্স মুডে আছেন। টেবিলের ওপর পা তুলে নিয়ে চ্যাংদোলা হয়ে টেলিফোনে জমিয়ে গল্প করছেন। কে ওপারে? ভাবী না তো?

    হাঁ-না-র মাঝামাঝি শব্দ করে সোজা হয়ে বসল আতিক চৌধুরী। সোবহানের মুখের দিকে কয়েক মুহূর্ত একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকল।

    তুমি কোত্থেকে অসময়ে? আর অমন অগোছালো অবস্থা কেন তোমার? মনে হয় সাতদিন পেটে দানা পড়েনি।

    ঠিকই বলেছেন আতিক ভাই। আগে ভাল করে চা খাওয়ান। খিদেয় আমার নাড়িভুড়ি পাক খাচ্ছে। ভোরে ব্রেকফাস্ট হয় নি আজ। মলিন পাংশু মুখে বলে সোবহান।

    কলিং বেল টেপে আতিক চৌধুরী।

    সাহেবের জন্যে কিছু স্যান্ডউইচ আর পটে চা নিয়ে আসো।

    হাটখোলা রোডে একটা বিজ্ঞাপন সংস্থায় চাকরি করত সোবহান। বিজ্ঞাপনের বিষয়বস্তু ড্যান্ট করে দেওয়া, টেলপিস লেখা, বিলের জন্য দৌড়াদৌড়ি করা, কাজটা বেশ ভালই লাগছিল। আতিক চৌধুরী ফোন করে জোগাড় করে দিয়েছিল। মাস আটেক আগে।

    ওরা আমাকে ছাঁটাই করে দিয়েছে গত সপ্তাহে। মালিক বলল, ওরা নিজেরাই নাকি আমার কাজটা চালিয়ে নিতে পারবে। দুমাসের বেতনও বাকি পড়েছে। বলল আগামী মাসে দেখা করতে। বিরক্তি আর হতাশা সোবহানের কণ্ঠস্বরে, মেসের গতমাসের ভাড়াটা দিতে পারিনি। ওটাও ছাড়াতে হবে আজকের মধ্যে।

    তারপর?

    পাঁচ ছয় দিন এখানে ওখানে অনেক হাঁটাহাঁটি করলাম। ধর্ণা দিলাম অনেক অফিসে। মতিঝিল, সেক্রেটারিয়েট কোথাও বাদ রাখিনি। আমার মত আধা-সাহিত্যিক সাংবাদিককে কে চাকরি দেবে বলুন আতিক ভাই।

    নখ দিয়ে মেহগনি টেবিলের ওপর মৃদু টোকা দিয়ে যোগ দেয় সোবহান, আপনার কাছে আসতে খুব সঙ্কোচ হচ্ছিল। আপনি আমার কতবার উপকার করেছেন। অল্প অল্প করে কত টাকা যে ধার দিয়েছে, তার হিসেবও রাখিনি আমি। তাছাড়া এ চাকরিটাও

    গম্ভীর মুখে চুপ করে থাকে আতিক চৌধুরী। একটা সোনালি টিপওয়ালা দামি সিগারেট ধরায়। তারপর উদাস চোখে জানালা গলিয়ে আকাশ দেখে। মঝিলের উঁচু বিল্ডিংয়ের দশতলায় অফিস। অনেকটা আকাশের কাছাকাছি। একটা লাল রঙের ঘুড়ি উড়ছে শীতের উত্তরে বাতাস কেটে কেটে। সেদিকে চেয়ে থেকে কী যেন ভাবে মনে মনে তারপর চোখ নামিয়ে এনে খুঁটিয়ে দেখে সোবহানকে। সুন্দর সুপুরুষ সোবহানকে। উজ্জল গৌরবর্ণ, লম্বাটে চেহারা, চওড়া কপাল, চোখা নাক, বুদ্ধি ও মেধার প্রতীক যেন। ভাল খেতে পরতে পেলে গ্রিক মাইথোলজির দেবদূতের ভূমিকায় চমৎকার অভিনয় করতে পারবে।

    হঠাৎ যেন অকারণে কৌতুক খেলে গেল আতিক চৌধুরীর চোখের কেন্দ্রবিন্দুতে। ঘাড় কাত করে মৃদুস্বরে বলে, তা এখন কী করতে চাও? প্ল্যান কী তোমার? চেহারা তো লাওয়ারিশ বোহেমিয়ানের।

    কিছু ঠিক করিনি এখনও। নিরুপায় হয়ে দেশের বাড়িতেই ফিরে যাব। গ্রামের স্কুলে একটা মাস্টরি,–

    একটু থেমে যোগ দেয় সোবহান, আপাতত আপনি আমাকে কিছু টাকা যদি দিতেন তাহলে মেসের বিলটা চুকিয়ে দিতাম। ওদের পাওনা চুকাতে না পারলে ওরা আমার স্যুটকেস আর বিছানাটা আনতে দেবে না।

    বলতে বলতে অধোমুখ হয়ে থাকে সোবহান। করুণার ভিখারি ও সোজা হয়ে তাকাতে পারে না আতিক চৌধুরীর মুখের দিকে।

    একটা ফাইলে সই করছিল আতিক। আবুধাবিতে চিংড়ি এক্সপোর্ট করছে কয়েক টন। মেয়ে সেক্রেটারি ফাইলের পাতা উল্টিয়ে ধরছিল ওর চোখের সামনে। একটু চোখ বুলিয়ে সই করছে গম্ভীর মুখে।

    জরুরি কাগজের গাদা নিয়ে সেক্রেটারি বেরিয়ে যেতেই কয়েকটা একশ টাকার নোট সোবহানের হাতে গুঁজে দিয়ে উদার হাসি হাসল আতিক চৌধুরী।

    পাগল নাকি তুমি। গ্রামে গিয়ে মাস্টারি করবে কেন? লেখালেখিতে তোমার দারুণ হাত। একটা চাকরি গেছে আরেকটা পাওয়া যাবে।

    কোথায় পাব চাকরি? ঝড়ে ভেজা কাকের মতো মাথা নিচু করে বলে সোবহান।

    সে ব্যবস্থা পরে হবে। একটু থেকে আবার ওর আপাদমস্তক নিরীক্ষণ করে আতিক চৌধুরী। সোবহানের চোখের কোণে অসহায়ত্বের কালি। আপাতত তুমি মেসের দেনা চুকিয়ে আমার বাসায় এসে ওঠ। যতদিন কাজ না পাও, আমার ওখানেই থাকবে তুমি। সায়মাকে ফোনে বলে দিচ্ছি, গেস্টরুমটা তোমার জন্য ঠিক করিয়ে রাখবে।

    সোবহানের নিষ্প্রভ মলিন মুখটা উজ্জ্বল হয়ে ওঠে আস্তে আস্তে। কৃতজ্ঞতার নীরব ভাষা ওর গাঢ় দৃষ্টিতে।

    উদারভাবে হাসে আতিক চৌধুরী, যুগবার্তা মোটা বিজ্ঞাপন পায় মাসে মাসে আমার ফার্মের। ওদের বলে দেখি, তোমার একটা ব্যবস্থা করতে পারে কিনা। আরে জার্নালিস্ট, টেক হার্ট, নো ওয়ারি।

    স্ফটিকের মতো নির্মল আর স্বচ্ছ হাসি সায়মার মুখে। ব্যস্ত যেন প্রজাপতি। ঘরময় ঘুরঘুর করে সারাদিন। ড্রইং রুমের জিনিসপত্র মোছে, রান্নাঘরে গিয়ে অকারণে আয়ার কাজের তদারকি করে, আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ঠোঁটে রং লাগায়। গুণগুণ করে আবার গান গায় ডায়নিং টেবিলের ন্যাপকিন বদলাতে বদলাতে।

    পর্যাপ্ত অবসর সায়মার। সময় যেন কাটতে চায় না। বাইরে ঘুরঘুর করার অভ্যেস নেই ওর। গল্পের বই পড়তেও তেমন ভাল লাগে না।

    রাতে পাশে শুয়ে আঙ্গুল দিয়ে সায়মার কানের লতি খুঁটতে খুঁটতে বলে আতিক চৌধুরী, সোবাহানটা আসাতে ভালই হল। কথা বলার লোক পাওয়া গেল একটা। তোমার বোরনেসও কাটবে।

    বাইরের লোক। আমাদের প্রাইভেসি নষ্ট হবে না বুঝি? আমার কেমন যেন সঙ্কোচ লাগে ওর সামনে বেরুতে।

    ওমা সঙ্কোচ কীসের? ও তো আমার বন্ধু মানুষ, ছোট ভাইয়ের মতো। ইউনিভার্সিটিতে আমার এক ক্লাস নীচে পড়ত। চমৎকার কবিতা লিখত তখন। আবৃত্তিতে অনেকগুলো প্রাইজ পেয়েছে সোবহান। খুব ট্যালেন্টেড। ভাল একটা কাজ জুটাতে না পেরেই বেচারা বেশ দমে আছে। না হলে খুব হাসিখুশি ছেলে।

    দিন দশেকের মধ্যে চাকরি জুটে গেল সোবহানের। যুগবার্তা পত্রিকায়। অবশ্য আতিক চৌধুরীর ফোনের জোরেই কাজটা পাওয়া গেল।

    নাইট শিফটের কাজ। সন্ধ্যায় খেয়ে দেয়ে বেরিয়ে পড়ে সোবহান। ফিরতে ফিরতে ভোর আটটা নয়টা। এসে নাকে মুখে নাস্তা খুঁজে বাদুরেরমতো লম্বা ঘুম। জাগতে জাগতে দুপুর গড়িয়ে যায়। কখনো কখনো সন্ধ্যা।

    চোখ মুখ চাঙ্গা হয়ে উঠেছে সোবহানের। এত অল্প সময়ে একটা পছন্দসই চাকরি জুটে যাবে, ভাবতেও পারেনি ও। সাংবাদিকতায় ওর নেশা খুব সেদিক থেকে খুব খুশি। খাওয়া দাওয়াও ভাল করে জুটেছে এখানে।

    ভোরে তড়িঘড়ি পোশাক পরে বেরিয়ে যায় আতিক চৌধুরী। চা-টা ভাল করে খাবারও সময় পায় না। একটু দেরি হলে অফিস থেকে ফোন আসতে থাকে। টেলেক্স যাবে জাপানে, মালের অর্ডার এসেছে অ্যামসটারডাম থেকে, ব্যাঙ্কে এল. সি. নিয়ে গোলমাল বেধেছে। আরো কত কী।

    কনকর্ড প্লেনের মতো খাড়া উন্নতির শীর্ষে উঠছে আতিক। প্রথম বছর দুই স্ট্রাগল করেছে। কাজ রপ্ত করতে যা সময় লেগেছে। এখন তো ব্যবসার জারিজুরি ওর নখদর্পণে। অহংকার করে বলে সহযাত্রীদের, টাকা? টাকা তো বাতাসে ভাসছে লাখে লাখে। শুধু হাত বাড়িয়ে ধরতে জানলেই হল। এতদিন উর্দুওয়ালারা জানত ট্রিকসটা। এখন আমরা বাঙালিরা লাইন পেয়ে গেছি।

    সোবহানের সঙ্গে কমই দেখা হয় আতিক চৌধুরীর। ও ফেরবার আগেই বেরিয়ে যায়। ফেরে রাত নয়টা দশটায়। ততক্ষণে ডিনার খেয়ে সোবহান চলে গেছে। প্রেসে। প্রায় দুপুরের খাওয়া হালকা স্যান্ডউইচ দিয়ে অফিসেই সেরে নেয় আতিক। মাড়োয়ারি ব্যবসায়ীর মতো মোটা হওয়ার ইচ্ছা নেই, ওর। চমৎকার ফিগার। যেমন লম্বা, তেমনি স্লিম। হাসতে হাসতে বলে, শরীর পাতলা আছে বলেই এত খাটতে পারি অসুরের মতো।

    রোব্বার বার ছুটি। বাড়ি থাকে আতিক চৌধুরী। সোবহান একটা খদ্দরের চাদর জড়িয়ে বারান্দায় পায়চারি করে। কবিতা আবৃত্তি করে শোনায় সায়মাকে। রাজনীতি নিয়ে দুই বন্ধু তর্কের তুফান তোল। ঘন ঘন চা আর চানাচুর খায়।

    ছুটির দিন বলে আরও এক আধ জন বন্ধুবান্ধব আসে তাস খেলতে। রামি কি কাজু। খেলতে গিয়ে রোজ হারে আতিক চৌধুরী। হারে সায়মাও। খুব সিরিয়াস মুখ বানিয়ে খেলে সোবহান, যেন সংবাদপত্রের পুফ দেখছে অতি সাবধানে। জেতেও প্রায়ই।

    নদীর ঢেউয়ের মতো কল কল করে হাসে সায়মা, সোবহান ভাই একটানা জিতেই যাচ্ছেন। লাকি ইন কার্ডস কিন্তু আনলাকি ইন লাভ।

    সর চুরি করা বেড়ালের মতো মিটমিটিয়ে হাসে সোবহান। কৌতুকের দীপ্তি ওর চোখে, কী যে বলে ভাবী, প্রেমে যদি একবার কোমর বেঁধে ঝাঁপ দেই, হারব না আমি নিশ্চয়ই। আমার শকল সুরত তো আর শিম্পাঞ্জির মতো নয় যে, মেয়েরা দেখে ছুট দেবে। কলেজে রািজউদ্দৌলার ভূমিকায় অভিনয় করেছি আমি।

    তাদের ওপর চোখ নিবদ্ধ রেখেই বলে আতিক চৌধুরী, শিম্পাঞ্জির মতো হতে যাবে কেন? অযোধ্যার নবাবের চেহারা আমাদের সোবহানের। চেষ্টা করলে নবাব পতৌদীর মতো আরেকটা শর্মিলা ঠাকুর বাগাতে পারবে ও।

    আজকাল দুপুর না হতেই ঘুম ভেঙে যায় সোবহানের। শুয়েশুয়ে শোনে, ড্রইং রুমে পায়চারি করছে সায়মা। মিউজিক সেন্টারে ডিক্স চাপিয়ে ডিসকো মিউজিক শুনছে। তড়কপূজার ধূমধাড়াক্কা যেন সারা রময়। দালানটা যেন লাফাতে থাকে বাদের আওয়াজে।

    অনেকক্ষণ ধরে সায়মার পদচারণা শোনে সোহবান। তারপর গেস্ট রুমের দরজা খুলে বেরিয়ে আসে। একটা নীল পুলওভার বুনছে সায়মা। হলুদ আভা ওর চাপারং আঙ্গুলে। বোনার কাঁটা দুটো আলোতভাবে ধরা চিকন আঙুল দিয়ে। নিবিষ্ট মনে বোনা দেখে সোবহান। অজান্তেই বলে ফেলে, কী দ্রুত বুনতে পারেন আপনি ভাবী। অপূর্ব!

    কী অপূর্ব?

    আপনার আঙুলগুলো।

    কথাটা বলে ফেলেই লজ্জায় লাল হয়ে ওঠ সোবহান। একটা মৃদু রোমাঞ্চ যেন ওর বুকের ভেক্স ধাক্কা দিতে থাকে। নিচু হয়ে বুনতে থাকে। শিথিল হয়ে আসে ওর হাতের গতি। বিষণ্ণ আকাশের ছায়া ওর অবয়বে মৃদু কাঁপন তোলে। রাতে ডিনার খেতে বসেছে আতিক চৌধুরী আর সায়মা। প্রায়ই বাইরে খেয়ে আসে আতিক। নানা পার্টি, ফাংশন। বিদেশি পার্টনারদের নিজে নিয়ে গিয়ে চাইনিজ খাওয়ায় দামি দামি উপঢৌকন দেয়। মাঝে মাঝে সন্দেহের বুদবুদ উঁকি দেয় সায়মার মনে। আতিকের মুখের দিকে নিবিষ্ট ভাবে চেয়ে থেকে বলে, এত রাত পর্যন্ত বাইরে থাকো তুমি। আমার দারুণ অস্বস্তি লাগে। আমাকেও পার্টি-টার্টিতে নিয়ে গেলেই পারো।

    কী যে বলো সায়মা, ওসব বিজনেস ডিল উপলক্ষে যত ডিনার আর পার্টি। ওসবের সঙ্গে ঘরের বউকে জড়াতে চাই না আমি। ওতে গেলে ডাঙ্গায় ওঠা মাছের মতো তড়পাবে তুমি। তার চেয়ে ঘরে বসে গান শোনো, বাটিক করো, বাগানের তদারক করো, দুএকটা ডিস রান্না করো। দু’এক বার মীনাবাজারে ঢু মারো। ফুর ফুর করে দিন কেটে যাবে।

    একটা মাংসের টুকরো মুখে পুরতে পুরতে যোগ দেয় আতিক, তাছাড়া দিনের বেলা সোবহান তো আছে কুঁড়ে লোকটা তো তেমন সোশাল নয়। ওর সঙ্গে গাল গল্প করে সময় কাটিয়ে দিলেই তো পারো। পাইথনটা বোধ হয় সারাদিন ঘুমোয়।

    সোহান ভাই। ও তো বলেছে, আগামী মাসের পয়লা তারিখে অন্যখানে চলে যাবে। অ্যাপার্টমেন্ট খুঁজছে। ওর আগের মেসেও যেতে পারে। ওর একটা গতি করে দিয়েছ তুমি। তাতেই কৃতজ্ঞ। আর কত থাকবে আমাদের ঘাড়ে?

    না না ও যাবে না। ও সঙ্কোচের কোন দরকার নেই আমাদের সঙ্গে। ও থাকলে রং বাসাটা পাহারার কাজও হবে। পেটে ভাতে চৌকিদার। ভোরে অফিস যাবার পথে আমিই সোবহানকে বলে দেব। কাল একটু দেরিতে বেরুলে ততক্ষণ ও প্রেস থেকে এসে যাবে।

    চুপ করে খেতে থাকে সায়মা। টেপরেকর্ডারে একটা গজল হচ্ছিল ড্রইংরুমে। উৎকর্ণ হয়ে শোনে প্রেমের আকুতি মেহদি হাসানের ললিত কণ্ঠে। ভাবে, ভারী আমুদে লোক সোবহান ভাই। দারুণ আলাপি। ও আছে বলেই তো একটুও আলসেমি আসে না আমার। কবুতরের মতো বকম বকম করে দিন কেটে যায়।

    রান্নাঘরে আলুর চপ ভাজছিল সায়মা। কপালে ওর কনক ঘাম। চুলোর আগুনে আরও মোহনীয় হয়ে উঠেছে ওর চেহারার সোনালি আভা। পাশে মাটিতে পা মেলে মটরশুটির খোসা ছাড়াচ্ছে আয়া মরি মা। দুপুরে রান্নার আয়োজন।

    কখন যে নিজের ঘর থেকে বেরিয়ে ওর পেছনে এসে দাঁড়িয়েছে সোবহান, একটু টের পায়নি সায়মা। চমকে উঠল ছায়া দেখে।

    আরে সোবহান ভাই, আপনি হেঁসেলে কেন? আপনি না ঘুমুচ্ছিলেন লেপের নীচে অজগরের মতো কুণ্ডলি পাকিয়ে?

    আপনাকে খুঁজে না পেয়ে এদিকে এলাম। আমার ভারী খিদে পেয়েছে। কিছু খেতে দেবেন ভাবী?

    খিদে পেয়েছে, এগারোটা না বাজতেই? বলেন কী? পত্রিকার অফিসে রাত জেগে কি হাডুডু খেলেন নাকি যে পেটে আগুন জ্বলছে।

    আগুন তো জ্বলছে। ভাবতে ভাবতে হঠাৎ গম্ভীর হয়ে যায় সোবহান। কিচ্ছু একটা বলতে গিয়ে থেমে যায়।

    ওর পেছনে এক প্লেট আলুর চপ হাতে করে বেরিয়ে আসে সায়মা।

    খান সোবহান ভাই। শরৎ চ্যাটার্জি বলেছেন, পুরুষকে খাওয়ানোতেই নারীর আনন্দ। পুরো প্লেটটা আমাকে শেষ করতে হবে।

    একটা ক্ষীণ নিশ্বাস ফেলে সায়মা, আপনার বন্ধুতে সপ্তাহে তিন বেলাও বাসায় খায় না। শুধু ব্যবসা আর ব্যবসা। জানিনা, কিরে পেছন ছুটছে লোকটা দিনরাত? টাকার পাহাড় দিয়ে কি হবে আমার? ওকে যে বসিয়ে যত্ন করে খাওয়াবো, সে কপালটা কোন দিনই হলো না আমার।

    বাইরের লনে শীতের ফুল ফুটেছে। দেদার রঙের বাহার ওদের পাপড়িতে, রঙের বাহার ফুলে ফুলে উড়ে যাওয়া। প্রজাপতিদের পাখনায়। এক দঙ্গল চড়ুই শেফালি গাছের ডালে বসে একটানা লড়াই করছে।

    বারান্দায় বেতের চেয়ার পেতে বাইরের সোনালি রোদ দেখছিল সায়মা। গায়ে ওর বুটিদার পশমি শাল। শেষের কবিতার লাবণ্য যেন।

    আরে ভাবী, বাইরে কী দেখছে এত মন দিয়ে আমার মতো কবিতার রোগে ধরেনি তো আপনাকে? সোবহানের কথার জবাব দেয় না সায়মা। উদাস চোখ মেলে বলে, সোবহান ভাই, আমি আপনার কত ছোট। ‘ভাবী’ ‘ভাবী’ করে আপনি কি আমাকে দাদি বুড়ি বানিয়ে ছাড়কেন? আমাকে তুমি বলে ডাকবেন এখন থেকে। আদরের ধমক কণ্ঠে।

    সায়মার চোখের ঝিলে অপলক চেয়ে থাকে সোহবান। গায়ে ওর বিদ্যাসাগরের মতো শাদা খদ্দরের চাদর। আঙ্গুল দিয়ে চাদরের কোণে গেরো দেয় অজান্তে।

    ‘সায়মা!’ চাদরের গিট খুলতে খুলতে বলে সোবহান, তুমি ঠিকই বলেছ, আমাদের মধ্যে আপনি সম্পর্কটা আরা নিজের অজ্ঞাতেই পেরিয়ে এসেছি। অনেক দূর যেন পাশাপাশি হেঁটে এসেছি মেঠো পথ ধরে। কচি কচি বুজ পাট খেরে মাঝদিয়ে দীর্ঘ মেঠো পথ। অনেক কাছাকাছি এসে গেছি সমান্তরাল হেঁটে।

    আবেগের ভারে গভীর হয়ে ওঠে সোবহানের কণ্ঠ, চলো, আজ থেকে সম্ভাষণের শেষে ‘দন্ত্য ন’ উঠিয়ে দেই আমরা। কী বলো? কথাটা বলেই উদাস হয়ে ওঠে সোবহান। বাইরের চিল-ওড়া আকাশের দিকে অপলক চেয়ে থাকে চোখ মেলে।

    চলো। ভেতরে চলো। কফি খাবে। পায়ের বুড়ো আঙুল দিয়ে মেঝে খুঁটতে খুঁটতে বলে সায়মা। একটা ক্ষীণ দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে আসে ওর বুক থেকে।

    উচ্ছল চঞ্চল ঝর্নার মতো আজকাল কলকল করে সায়মা। বেদেরি মতো পাতলা কোমরে আঁচল পেঁচিয়ে কাজ করে। ঝাড়ামোছা করে, চেয়ার টেবিলের জায়গা বদল করে, গাদা গাদা কাপড় ধোয়, কখনো ঘর মুছতেও লেগে যায়। শোয়া থেকে উঠে আধ ঘন্টা যোগাসন করে। খুব ভোরে উঠে যায় আজকাল। আতিক চৌধুরী ওঠার ঘণ্টা দেড়েক আগে। নিজেই নাস্তা বানাতে লেগে যায় কিচেনে।

    ওর কাণ্ড দেখে হাসে আতিক। হাসে সোবহানও। একলা পেয়ে বলে, এমনিতেই তো তোমার স্লিম ফিগার। অর্ডে হেপবার্নের মতো। তা আবার অত পরিশ্রম করে কমানোর চেষ্টা কেন? এমনিতেই ফেদার ওয়েট! আরো শুকোলে তো তুলো হয়ে যাবে।

    রেশমী চুলে গোছা নাচিয়ে হাসে সায়মা, ফেদার ওয়েট না হাতির ওয়েট। তুমি বুঝলে কেমন করে সোবহান ভাই?

    বুঝবো একদিন। বলতে বলতে প্রগাঢ় হয়ে উঠে সোবহানের স্বর। ঝকঝকে হাসিটা হঠাৎ বিষণ্ণ হয়ে ওঠে ওর ঠোঁটের প্রান্তে। শ্রাবণের আকাশের মত বিষয়।

    মাঝে মাঝে দোকানে ঘুরতে যায় সায়মা। ওর নতুন শখ। সঙ্গে সোহান। শাড়ির দোকান, চুড়ির দোকান, ফুটপাথের কাটা কাপড়, স্ব কিছুতেই এখন উৎসাহ সায়মার।

    পারফিউমের দোকান থেকে একটা ছোট্ট শিশি কিনে ওকে উপহার দেয় সোবহান। খুশিতে ঝলমলিয়ে উঠে সায়মা। সুগন্ধিটার কাছে নাক নিয়ে মুখ বাঁকিয়ে বলে, একদম পাটনাই গোটের গন্ধ।

    আর আমিই সেই পাটনাই গোট। উচ্ছলভাবে হাসে সোহবান। পারফিউমের শিশিটা তে গিয়ে সায়মার হাত ছুঁয়ে ফেলে আলগোছে। ওর পাশে ঘনিষ্ঠ হয়ে দাঁড়ায় দোকানির সামনে। কাকরা চুলের গন্দ শোঁকে শাস টেনে।

    চন্দ্রায় পিকনিক করতে এসেছে আতিক চৌধুরীরা। একদঙ্গল বন্ধুবান্ধব, কাচ্চা বাচ্চা, খাবার-দাবার, গানবাজনার লটবহর নিয়ে। অনেককে চেনে না সোবহান, আসতে চায়নি সোহবান। হেসে বলেছে ভালই হল আতিক ভাই। আমি বাড়ির চৌকিদারি করি রোব্বারটা। আর একটা আর্টিকেল লিখব বিশ্ব রাজনীতির ওপর। বাসাটা খালি পেলে সিরিয়াসলি কাজ করতে পার সারাদিন।

    আড়ালে একা পেয়ে সোবহানকে চেপে ধরে সায়মা, তুমি চলো আমাদের সঙ্গে। একটুও ভাল লাগবে না আমার তুমি না থাকলে।

    ঘাড় কাত করে সায়মার চোখের দিকে অপলক চেয়ে বলে সোবহান, সত্যি?

    সত্যি। সজল মেঘের ছায়া সায়মার চোখে।

    চন্দ্রা ফরেস্টের গাছ-পালা কাপিয়ে গান বাজছে একটানা। শীতের আকাশে মিষ্টি নরম রোদ। বাচ্চারা ছুটোছুটি করছে শালিক পাখির পেছনে। নেট টাঙ্গিয়ে ব্যাডমিন্টন খেলছে পুরুষেরা, মেয়েরা কেরাম। তারে আসরে জমে বসেছে আতিক চৌধুরী। স্টেকের খেলা। দার্শনিকের মতো মুখ বানিয়ে খেলছে মাথা ঝুঁকিয়ে। দুনিয়ার হুঁশ নেই ওর।

    এই চলো না জঙ্গলটা ঘুরে ঘুরে দেখে আসি। শাল গাছের ফাঁক দিয়ে লাল মাটির অনেকগুলো কাঁচা পথ রয়েছে। হেঁটে বেড়াতে খুব ইচ্ছে করছে আমার। আতিকের কাঁধের কাছে ঝুঁকে পড়ে বলে সায়মা।

    চোখ দুটো পাকা শিকারির মতো তারে ওপর নিবদ্ধ রেখে আতিক বলে, হু।

    হুঁ কী? আতিকের পিঠে মৃদু চাপড় দিয়ে কোমর দুলিয়ে বলে সায়মা, এ ডিলটা শেষ করে চলো ঘুরতে যাই।

    ঘুরতে যাবে? মাথা একটু তোলে আতিক, সোবহানটাকে নিয়ে যাও। ওটাতো দেখলাম বাট্রেন্ড রাসেলের মোটা বই নিয়ে এসেছে পড়ার জন্য। ভাবখানা যেন কালকেই ওর অনার্স পরীক্ষা।

    সত্যি বই পড়ছিল সোবহান মুখ গোমড়া করে। একটা গাছের ছায়ায় পা গুটিয়ে বসে। কারুর সঙ্গে যেন মিশতে পারছে না আজ।

    শালবন পেরিয়ে একটা ছোট্ট নিচু ডোবা। তার পাড়ে কাটাবনের ঝোঁপঝাড়। গাছের ছায়া পড়ে ডোবার পানি কালো হয়ে উঠেছে কষ্টিপাথরের মতো। হাঁটতে হাঁটতে তার পাড়ে এসে বসল সায়মা আর সোবহান। শান্ত জলে ওদের ছায়া পড়েছে। কয়েকটা বেগুন খেত পেরিয়ে একটা গোপাট। তার কিনারে বসে হুঁকো ফুঁকছিল এক বুড়ো খেতমজুর। দূর থেকে লক্ষ্য করছিল সায়মাদের মিটি মিটি দৃষ্টি যেন ও পদ্মার চরে রোদপোহানো কুমিরের মতো।

    লোকটা দেখছ কেমন হাঁ করে তাকাচ্ছে আমাদের দিকে? বলে সায়মা, যেন আস্ত গিলে খাবে।

    তাকাতে দাও। ও গাঁও গেরামে তোমার মতো কয়টাই বা সুন্দরী দেখেছে? ও তো আর জঙ্গলের বাঘ নয় যে হালুম করে ঝাঁপিয়ে পড়বে।

    বাঘ হলেই বা কী? তুমি তো পাশে আছ। তুমি বাঁচাবে না?

    বাঁচাব? না। তোমাকে বাঘে খেলে আমার কী? অভিমানের বিষণ্ণতা সোবহানের কণ্ঠস্বরে! হাসতে হাসতে হঠাৎ গভীর হয়ে যায় আজকাল।

    খাপছাড়া কথা বলতে বলতে সায়মার একটা হাত কোলে তুলে নেয় সসবহান। বাধা দেয় না সায়মা। হারে পাতা মেলে ধরে ওর লাভ লাইনটা নখ দিয়ে খুটতে থাকে আস্তে আস্তে। ওটাকে যেন খুঁটে গভীর আর দীর্ঘ করে ছাড়বে। বেলা বাড়ে। ডোবার জলেতে গাছের ছায়া খাটো হয়ে আসে। উঠি উঠি করেও উঠতে পারে না ওরা। দূরে একটা কই গাছে একটানা ডাকতে থাকে ক্লান্তিহীন একজোড়া ঘুঘুপাখি।

    পেছন থেকে কথা শোনা যায় আতিক চৌধুরী আর অন্য কয়েকজরে। আলাদা হয়ে বসে সোবহান। সম্মানজনক দূরত্ব বজায় রেখে।

    এই তোরা করছ কী এখানে? এঁদো ডোবার ধারে? দিল খোলা সরল হাসি আতিকের টোপ গেথে বড়শি ফেলছ না তো?

    উঠে দাঁড়ায় সোবহান, সায়মা ভাবীকে সোনা ব্যাঙ দেখাচ্ছি। অসংখ্যা ব্যাঙ ডোবাটায়। কলমি দামের ফাঁকে ফাঁকে ভাসছে আরামসে। ডোবার ব্যাঙ শহরে দেখনি কখনো।

    বলে কী? ব্যাঙ? ঝুঁকে পড়ে ব্যাঙ দেখে আতিক, বাহু, সত্যি তো অসংখ্য ব্যাঙ ডোবাটায়। গ্রামের লোকগুলো করে কী? ধরে ধরে আমাদের কাছে বেচলেই তে পারে। যা ডিমান্ড ব্যাঙের ঠ্যাংয়ের সারা দুনিয়া জুড়ে? ফ্রগ লেগ ডেলিকেসি।

    হাসে সায়মা, আপাদমস্তক ব্যবসায়ী আমার হাসবেন্ড। মগজের প্রতে পরতে ব্যবসার ধান্দা। পিকনিকে এসেও পয়সা কামাইয়ের চিন্তা। বলতে বলতে হঠাৎ গভীর হয়ে ওঠে, একটা দীর্ঘশ্বাস টুকরো টুকরো হয়ে বেরিয়ে আসে সায়মার বুক থেকে। আতিক দেখে না। সোবহান লক্ষ করে সেটা, আতিক চৌধুরীর ব্যবসায়ী মনে রোমান্সের নামগন্ধও নেই।

    ড্রইংরুমে বসে কফি খাচ্ছিল ওরা। কাপড় পরে নিয়েছে সোবহান। পত্রিকার অফিসে যাবে। হঠাৎ সন্ধ্যার আকাশ আচ্ছন্ন করে কালবোশেখির মহাতাণ্ডব শুরু হল। ধন ঘন বিজলির চমক আর বজ্রপারে বিকট আওয়াজ। টি. ভি.টা অফ করে দিয়ে একটা মহিলা ম্যাগাজিন হাতে নিয়ে বসল সায়মা। কভার পৃষ্ঠায় গ্রিক দেবীর দীর্ঘাকার ছবি। সুন্দর নিটোল স্বর্ণাভ বক্ষ। পরিপূর্ণ স্বাস্থ্যের প্রতীক। অকারণে ম্যাগাজিনটার পাতা ওল্টাতে লাগল নীরবে।

    বাইরে ঝড়ের দাপট বাড়ছ। কফির পেয়ালা উঠিয়ে নিতে এলে আয়াকে বললো সায়মা, ওদের ঘরে গিয়ে জানালাগুলো বন্ধ করে আসো। নইলে ধুলো ঢুকে ব ভরে যাবে। বালির ঝড় উঠেছে বাইরে।

    ভীষণ শব্দ করে কাছাকাছি কোথাও বাজ পড়ল। আর সঙ্গে সঙ্গে বিজলি চলে গিয়ে সারা শহর অন্ধকার হয়ে গেল। ঘন কালো অন্ধকার। অজন্তা গুহারনিবিড় অন্ধকারের মতো। সরীসৃপের গায়ের মতো ঠাণ্ডা অন্ধকার।

    চুপ করে বসে আছে সোবহান আর সায়মা। যেন দুই বাত্যাহত নিশাচর পাখি। বাইরে অশনি বিধ্বস্ত গাছগাছালির আর্তনাদ। বাজ পড়ছে বার বার।

    হঠাৎ উঠে দাঁড়াল সোবহান। অন্ধকারে এগিয়ে গেল সায়মার দিকে। অসমঞ্জস পায়ে। বুকে ওর দেয়ালঘড়ির ঢিপঢিপানি।

    শরতের শিউলির মতো ঝরার জন্যই তো ব্যাকুল হয়ে উঠেছিল সায়মা। দিনে দিনে, রাতে রাতে। শিউলির মতো ছুতেই সোবহানের উষ্ণ বাহুতে ঝড়ে পড়ল ও। সারা শরীর কাঁপছে গভীর আবেগে। অন্ধকারে ওর উন্মুখ অধরের পাপড়ি খুঁজে নিল সোবহান। কালবোশেখির মহাতাণ্ডব সোবহানের পেশিতে স্নায়ুতে, রক্তের প্রতি কণিকায়। অশনির কঠিন প্রহরে যেন বিধ্বস্ত হচ্ছে তার শালবন, ডোবার পাড়ে ঘন সবুজ গাছের সারি। সোবহানের উন্মাদ পেষণে বিধ্বস্ত হয়ে গেল সায়মা।

    দেড় ঘণ্টা পর আলো এল। সমস্ত শহর আবার ঝলমলিয়ে উঠেছে বিদ্যুৎ সজ্জায়। ততক্ষণে অন্ধকারে পথ হাতড়ে অফিসে চলে গেছে সোবহান। ক্লান্ত, অবিন্যস্ত সায়মা। কোলে ফিল্ম ম্যাগাজিনটি আলতো করে ধরা। কভারে উন্নত গ্রীক দেবীর অপরূপ মূর্তি। সুঠাম সুডৌল স্তনযুগল তার। নত দৃষ্টিতে চেয়ে আছে সায়মা দেবমূর্তিটির দিকে। চোখে ওর হিজল ছায়ার গভীর স্নিগ্ধতা। তৃপ্তির নিবিড় আবেশ ওর সারা অঙ্গ জুড়ে। ঘুম ঘুম দৃষ্টি সায়মার। ব্লাউজের বোতাম লাগাতে লাগাতে একটা বড়ো হাই তুলল শব্দ করে।

    শীতের পর গ্রীষ্ম, গ্রীষ্মর র বর্ষা! মারে পর মাস পেরিয়ে গেল। গাছে গাছে এখন কৃষ্ণচূড়ার লাল আগুন। সবুজের সমারোহ পাতায় পাতায়। চন্দনার নাচন পার্কের কচি দূর্বাঘাসে। কাকেরা মিটিং করছে ইলেকট্রিক তারে।

    দুপুরের অবেলায় লেকের ধারে এসে একাকি বসে পড়ে সোবহান। পত্রিকার অফিস থেকে আজ আর ঘরে ফেরেনি। কার ঘরে ফিরবে? আতিক চৌধুরীর সংসার। আর কত দিন পরগাছা হয়ে থাকবে ও।

    আর যাবেই বা কেমন করে অন্যত্র। ওর সমস্ত স্নায়ু জুড়ে রয়েছে সায়মা। কী এক অদৃশ্য গ্রন্থি দিয়ে ওকে বেতলতার মতো বেঁধে রেখেছে সায়মা। আষ্টেপৃষ্টে বেঁধে রেখেছে। যাদুর সম্মোহন ওর চোখে, নাকের তিলে, দেহের প্রতিটি বাকে!

    তবুও মাঝে মাঝে কথা তোলে সোবহান আতিকের সঙ্গে দেখা হলে, অনেক দিন তে থাকলাম আতিক ভাই আপনার ওপর। এবার একটা আলাদা বাসা করি।

    ওর কথা শুনে মুখ শুকিয়ে কঠোর হয়ে যায় সায়মার। মাথা নিচু করে বসে থাকে চুপচাপ। অজানা ভয়ে বুকের ভেতর কেমন করে অকারণে জিভ ভেজায় স্যালাইভা দিয়ে। লম্বাটে নখ দিয়ে কপাল খোটে।

    উদার হাসি হাসে আতিক চৌধুরী, অত ব্যস্ত হচ্ছো কেন সোবহান? যাবে আর কি আরে কিছুদিন থাকে না। বিনা বেতনে তুমি যে দিনের বেলা আমার বাড়ি পাহারা দিচ্ছে, সেটা তো আমাদেরই ফাও লাভ।

    কথা বলতে বলতে সোবহানের পিঠে আদরের সঙ্গে চাপড় মারে আতিকচৌধুরী। চোরা চোখে তাকায় সায়মা, উদ্বেগের ভার কেটে গিয়ে প্রশান্ত হয়ে ওঠে ওর মুখমণ্ডল। সোবহানকে থাকতে বলছে আতিক চৌধুরী। আরও কিছুদিন থাকবে ও।

    লোহা কাঠের কাঠি আজ আতিক চৌধুরীর চেহারায়। হিমালয়ের মতো গম্ভীর মুখে অফিসের কাগজপত্র দেখছিল চুপচাপ। বেলা বারোটার দিকে বাসায় ফোন করল হঠাৎ করে। বেশ কিছুক্ষণ অপর দিক থেকে রিসিভার ওঠাল সায়মা।

    হ্যালো, কে, সায়মা? কী করছ তুমি? এতক্ষণ ফোন ধরলে না যে?

    ফোন? এতক্ষণ? এতক্ষণ কেথায়? ও বাথরুমে ছিলাম। শুনতে পাইনি।

    কম্পিত কণ্ঠস্বর সায়মার। একটু নার্ভাস যেন।

    কী করছো বাসায়? সোবহান নেই?

    ততক্ষণে গলার আয়োজ সহজ হয়ে আসে সায়মার, কী আর করব? একা একা বোরড় হচ্চি। সোবহান ভাই? ও তো ব্রেকফাস্ট খেয়েই বেরিয়ে গেছে। মীরপুর বোটানিক্যাল গার্ডেনের ওপর কী একটা ফিচার লিখবে।ওখানে গেছে ডাটা কালেক্ট করতে।

    ও! আচ্ছা! আমি ফোন করলাম হঠাৎ সিঙ্গাপুর যাওয়ার দরকার হয়ে গেল। কাল আটটায় ফ্লাইট তুমি আমার স্যুটকেসটা গুছিয়ে রেখা। বাসায় ফিরতে ফিরতে আমার বেশ রাত হয়ে যাবে। ব্যাংক থেকে টাকা ওঠাতে হবে। অফিরে অনেক কাগজপত্র গুছিয়ে সঙ্গে নিতে হবে।

    টেলিফোন নামিয়ে রেখে সোজা লিফট বেয়ে নীচে নেমে আসে আতিকচৌধুরী। নিজের গাড়িতে উঠে না। একটা স্কুটার ডেকে নেয় হাত বাড়িয়ে।

    পা টিপে টিপে বাসায় ঢোকে। বেল টেপে আতিক। মৃদু টুং টুং শব্দ হয় বিলেতি কায়দার কলিং বেলের।

    আয়া এসে দরজা খুলে দেয়। মাঝবয়সী আয়া। মাথায় ওর লম্বা ঘোমটা টানা। সাহেবের চোখাচোখি হতে চায় না মরি মা।

    লম্বা লম্বা পা ফেলে ড্রইং রুম পার হয়ে ওপর তলায় উঠে যায় আতিক চৌধুরী। তারপর শোবার ঘরে নক করে জোরে জোরে। বার বার।

    ধরা পড়ে গেছ তোমরা চিবিয়ে চিবিয়ে বলে আতিক, এত বড় ট্রেজারি এত জঘন্য বিশ্বাসঘাতকতা।

    মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে থাকে সোবহান। অবিন্যস্ত ওর মাথার চুল। কপালে ঘামের কণা। হিমেল হাওয়ায় বটপাতা যেমন করে কাপে, তেমনি কাঁপছে সায়মা। ভয়ে মুখ রফের মত শাদা হয়ে গেছে। শাড়িটা গুছিয়ে নিতেও ভুলে গেছে। ব্লাউজের নিচে অৰ্বাস নেই। পিঠের বোম খোলা।

    বিচারকের মতো গম্ভীর কণ্ঠস্বর আতিকের, ‘কেমন চমৎকার মিথ্যা’ গল্প ফাঁদলে তুমি, সোবহান ভাই বোটানিক্যাল গার্ডেনে গেছে। আমি একা একা বোরড় হচ্ছি।

    সায়মার দিকে না ফিরেই বলে গেল, ‘এরপর তো আর আমাদের একসঙ্গে ধ্ব করা চলে না। এত বড় স্ক্যান্ডালের পর। এ লোকটাকে আমি চাকরি দিয়েছি নিজের ঘরে আশ্রয় দিয়েছি। আর সে কিনা’ ঘৃণায় নাক শিটকায় আতিক চৌধুরী।

    সারা ঘরময় থমথমে নীরবতা। অস্থিরভাবে পায়চারি করছে আতিক।দেয়ালের ঘড়িটা একটানা শব্দ করে যাচ্ছে টিক টিক টিক। সময় এগিয়ে যাচ্ছে দ্রুত তালে।

    মাথা তুলে সোজা হয়ে দাঁড়ায় সোবহান। হাত দিয়ে চুল ঠিক করে। তারপর আস্তে আস্তে বলে, আপনি ঠিকই বলেছেন, এরপর এক সঙ্গে ঘর করতে পারবেন না আপনি সায়মাকে নিয়ে ওকে আমি ভালবাসি। ওকে আমি নিয়ে যেতে চাই। ওকে আমি বিয়ে করতে চাই।

    একটু থেকে টেনে বলে, এ কলঙ্কের আঁচ একটুও আপনার গায়ে লাগবে না। ধ্ব দায়দায়িত্ব আমার আর সায়মার। সব স্ক্যান্ডাল মাথায় নিয়ে আমরা বেঁচে থাকতে চাই। এগুতে চাই। বলতে বলতে সায়মার পাশে গিয়ে দাঁড়ায় সোবহান। ওর গা ঘেঁষে।

    হ্যাঁ, চলে যাও। তোমরা, আজই এক্ষুণি। ডাইভোর্সের ফরমালিটি আমি কালই সেরে ফেলব। আরও দ্রুত পায়চারি করছে আতিক চৌধুরী। রাগে দগদগে ঘায়ের মতো লাল হয়ে উঠেছে ওর চোখ দুটো।

    .

    আজ আর টেবিলের ওপর পা দুটোদুলে ঝুলন্ত বাদুড় হয়ে বসেনি আতিক চৌধুরী। লোদা হয়ে বসেছে টিল্টিং চেয়ারটা?। পায়ে আগের মতই চকচকে ব্যালি সু। দারুণ রিলা ওর চোখমুখ। টেলিফোন ডায়েল করে আস্তে আস্তে।

    হ্যালো, ফাওজিয়া, আমি আতিক। …..এ কয়টা দিন ব্যস্ত ছিলাম। তাই ফোন করতে পারিনি। হাঁ চলে গেছে ওরা…..জানি না কোথায় উঠেছে…হয়তো সোবহানের দেশের বাড়িতে…আজ এসো সন্ধ্যার পর….বাসা তো খালি…আর কেউ নেই…ঠিক দাঁড়ানো পাবে আমাকে দরজার সামনে….আরে বাবা, ছয়টা মাস তো সময় দাও….নইলে লোকে আমাদের সন্দেহ করবে…হ্যাঁ, উইথ এ ক্লীন সেট…..।

    ফোনটা নামিয়ে রেখে বলে আতিক, গুড।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রিয় – ইমদাদুল হক মিলন
    Next Article গোপনে – ইমদাদুল হক মিলন

    Related Articles

    ইমদাদুল হক মিলন

    ইমদাদুল হক মিলনের বিবিধ রচনা

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    অন্তরে – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    এসো – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    প্রিয় হুমায়ূন আহমেদ – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    গোপনে – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    প্রিয় – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }