Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দুই বাংলার দাম্পত্য কলহের শত কাহিনী – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ও ইমদাদুল হক মিলন সম্পাদিত

    ইমদাদুল হক মিলন এক পাতা গল্প1423 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অঙ্কুর – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    অঙ্কুর – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

    রাত তখন কত তা বলতে পারব না। কেননা আমি ঘড়ির দিকে তাকাই নি। হঠাৎ কলিংবেলটা বেজে উঠতেই ঘুম ভেঙে গেল। জিরো পাওয়ারের আলোটা জ্বলছিল তাই সুখশয্যা ছেড়ে টিউব লাইটের সুইচটা অন করলাম। আলো জ্বলে উঠতেই কলিংবেল থেমে গেল।

    দরজা খোলার আগে সাড়া দিলাম—কে?

    বাইরে টক টক শব্দ।

    আবার বললাম—কে?

    —একবার দরজাটা খুলুন না?

    নারীর কণ্ঠস্বর শুনতে পেলাম। এই প্রচণ্ড শীতের রাতে কেরে বাবা! বললামকাকে চাই?

    —আমি ডাক্তার সেনকে চাইছি। বিশেষ দরকার।

    নিশ্চয়ই কোন ডেলিভারি কেস। গাইনি হওয়ার বড় জ্বালা। অথচ উপায় নেই। প্রসূতি এবং নবজাতকেরা জীবন মরণ সমস্যা হলে যেতেই হবে। এই মফঃস্বল শহরে। আমি আসবার পর থেকে ঠাকুরের কৃপায় একবারও ব্যর্থ হইনি। আমার হাতে যেসব শিশু জন্মগ্রহণ করেছে তারা সবাই সুস্থ। কাজেই এই অঞ্চলে ডাক্তার হিসেবে আমার যথেষ্ট সুনাম হয়েছে।

    আমি চোর ডাকাত বা দুষ্ট লোকের ভয় করি না। তার কারণ এখানকার মানুষজন খুব ভালো। এরা আর যাই করুন না কেন আমার কোন ক্ষতি করবে না। করলে এরাই বিপদে পড়বে। আমি গভীর রাতে এলাকা থেকে বহুদূরে ভাঙা বাড়ির এক কোণে পড়ে থাকা যন্ত্রণাকার ভিখারিনীকেও বিনা পারিশ্রমিকে সন্তান প্রসব করিয়ে এসেছি। আবার অনেক প্রাসাদোপম অট্টালিকার ভেতরেও বৃষ্টি বাদল মাথায় নিয়ে হাজির হয়েছি মধ্যরাতে।

    আবার টক টক শব্দ—দরজাটা খুলুন। আমি নির্ভয়ে দরজা খুললাম।

    দরজার সামনে বোরখা ঢাকা এক মহিলা দাঁড়িয়ে আছে। এই প্রচণ্ড শীতে শির শির করে কাঁপছেন তিনি।

    –বলুন।

    -আপনিই কি ডাঃ সেন? আমি একটা ব্যাপারে আপনার সঙ্গে কথা বলতে চাই।

    —ভেতরে আসুন।

    মহিলা ভেতরে এলে দরজা বন্ধ করলাম। যদিও এটা আমার নীতিবিরুদ্ধ ও করলাম রাত গভীর এবং শীতের দাপট বেশি বলে। সারা গায়ে শালটা মুড়ি দিয়ে আরামকেদারায় বসে মহিলাকে বসতে বললাম।

    মহিলা বসতে বসতে বললেন—এমন অসময়ে আপনাকে ঘুম থেকে উঠিয়ে সত্যিই খুব অন্যায় করেছি। অথচ বিশ্বাস করুন এ ছাড়া কোন উপায় ছিল না।

    আমি কিছুই বুঝতে পারলাম না ব্যাপারটা কি। কে এই রহস্যময়ী? এত রাতে আমাকেই বা তার কিসের প্রয়োজন? তবে এই মুহূর্তে আমাকে যে শীতের কামড় খেয়ে বাইরে বেরতে হবে না তা বেশ বুঝতে পারলাম।

    শুধু বুঝতে পারলাম না এই বোরখার আড়ালে যিনি লুকিয়ে আছেন তিনি কি রকম। কুমারী না সধবা? যুবতী না বিগতযৌবনা? তবে তার শ্বেত-শুভ্র দুটি হাত ও পায়ের পাতা দেখে বুঝলাম যে বোরখার আড়ালে এক বিদ্যুত্বর্ণা লুকিয়ে আছেন।

    তিনি কিছু বলছেন না দেখে আমিই বললামবলুন, এত রাতে আপনি আমার কাছে কেন এসেছেন?

    মহিলা কি যেন বলতে চাইলেন অথচ বলতে পারলেন না। তাঁর গলাটা একবার একটু কেঁপে উঠল শুধু।

    আমি বললাম-এই প্রচণ্ড শীতে এত রাতে এসেছেন, আপনার খুব কষ্ট হচ্ছে নিশ্চয়ই? একটু কফি খাবেন?

    সুরেলা গলার মহিলা বললেন—পেলে ভালো হয়। আমি উঠে গিয়ে হিটারে জল গরম করতে দিলাম।

    —আপনি একা থাকেন বুঝি।

    -হ্যাঁ। তবে আমার একজন লোক আছে। বেচারি বুড়ো মানুষ। পাশের বাড়িতে থাকে। একটু কফির জন্য তাকে আর ডাকলাম না।

    –এ ব্যাপারে আমি কি আপনাকে একটু সাহায্য করতে পারি? অবশ্য যদি আপনার সংস্কারে না বাধে।

    –না না, ও কিছু নয়। আমার কোন সংস্কার নেই। তবে আপনি আমার অতিথি। আর এই কাজে আমি অভ্যস্থ। তাই–।

    —আপনার বউ নেই?

    —আমি এখনো বিয়ে করিনি।

    কথা বলতে বলতেই কফি তৈরি করলাম। এক কাপ নিজে নিয়ে এক কাপ এগিয়ে দিলাম তার দিকে। রহস্যময়ী নারী কফির পেয়ালাটা হাতে নিয়ে উঠে দাঁড়ালেন। তারপর আমার দিক থেকে একটু সরে গিয়ে আমার দিকে পিছন হয়ে ঘরের চারিদিক দেখতে দেখতে কফি খেলেন।

    এই সময় আমার খুব ভয় হল। কে ইনি? এমন স্পর্ধা কি করে হল? রাত দুপুরে ঘরে ঢুকে ঘরের চারিদিক এইভাবে দেখার মানে কি?

    আমি একটু গম্ভীর হয়ে বললাম— শুনুন, আপনি কি বলতে চান তা চটপট বলে ফেলুন। এখন অনেক রাত। আমার চোখে ঘুম আছে তার ওপর এই শীতে আমি আপনাকে বেশিক্ষণ সময় দিতে পারব না।

    মহিলা মৃদু হেসে আমার সামনে টি-পটে কফির শূন্য পেয়ালাটা নামিয়ে রেখে বললেন—খুব ভয় পেয়ে গেছেন, না? ভাবছেন নিশ্চয়ই কোন জিন কবরখানা থেকে উঠে এসেছে। অথবা বোরখার আড়ালে লুকিয়ে আছে কোন ফুলন দেবী।

    আমার মনের ভাব ঠিক বুঝতে পেরেছেন তো? আশ্চর্য। অসাধারণ বুদ্ধিমতী মহিলা। বললামনা, মানে সারাদিন রোগিনীদের সংস্পর্শে থাকার ফলে আমি খুব ক্লান্ত। আবার সকাল থেকেই শুরু হরে পরিশ্রম। তাছাড়া এক্ষুণি এই মুহূর্তেই হয়তো কোন মরণাপন্ন প্রসূতির জীবন রক্ষার জন্য ছুটতে হবে, কিংবা কোন নবজাতককে দেখাতে হবে পৃথিবীর আলো। কাজেই আমারও তো বিশ্রামের প্রয়োজন।

    রহস্যময়ী এবার আমার মুখোমুখি বসলেন। তারপর বললেন—আমি অত্যন্ত বিপদে পড়ে আপনার কাছে এসেছি। আপনি যদি আমার একটু উপকার করেন তাহলে চিরকৃতজ্ঞ থাকব। নাহলে হয়তো আমাকে আত্মহত্যা করতে হবে।

    —সেকি।

    —হ্যাঁ। সে ভারি লজ্জার কথা।

    আমি বললাম—শুনুন। রাত দুপুরে আমি কোন অচেনা মহিলার লজ্জার কথা শুনতে রাজি নই। সবে ডাক্তারি পাশ করে মফঃস্বল শহরের এই হাসপাতালে চাকরিটা জুটিয়েছি। এটাকে আমি খোয়াতে চাই না। আপনি কে, কেন এবং কোথা থেকে এসেছেন কিছুই বুঝতে পারছি না। এই অবস্থায় কোন জরুরি কল নিয়ে হঠাৎ কেউ এসে পড়লে আমার ঘরে আপনাকে দেখবে। তাতে আমার বদনাম হবে।

    —আয়্যাম স্যরি ডক্টর। আমার বক্তব্য আমি এখুনি পেশ করছি।

    –তার আগে আপনার মুখের, ঢাকাটা সরাতে হবে। আপনার মুখ না দেখলে আমি কথা বলব না।

    বাঃ! বেশ বললেন তো? রাতদুপুরে আপনি পরস্ত্রীর মুখ দেখবেন? ছিঃ ছিঃ। আপনার মতো লোকের এ মানায় না।

    —আপনি তাহলে যেতে পারেন।

    বলার সঙ্গে সঙ্গেই নেকাবটা সরে গেল। আর এক পরমাসুন্দরীর মুখ প্রকাশিত হল সেই কালো নেকাবের আড়ালে। ঈশ্বর তার তুলির টানে এমন একটি মুখ এঁকেছেন যে সে মুখের তুলনা নেই। শুধু নেকাব নয়, বোরখার আড়াল থেকেও সেই মুর্তে রাজহংসীর মতো যে শরীরটা বেরিয়ে এলো তা দেখে অস্থির না হয়ে থাকতে পারে না কেউ। আমি চোখের পাতা ফেলতেও ভুলে গেলাম। বেশ কিছুদিন আগে এই এলাকায় একবার এই বিদ্যুত্বর্ণাকে দূর থেকে দেখেছিলাম। তখন বোরখা ছিল না। দেখে মুগ্ধ হয়েছিলাম। মনে আছে চোখে চোখ পড়তেই চোখের ভাষায় মৃদু ধমক দিয়ে বিদ্যুতের মতো সরে গিয়েছিলেন উনি। আর আজ এই গভীর রাতে যৌবনের পশরায় রূপের প্রদীপ জ্বেলে সেই তিনি যে এমনভাবে আমার ঘরে এসে হাজির হবেন তা কি ভাবতে পেরেছিলাম?

    এবার আমারই গলা কাঁপার পালা—আ-আ-আপনি।

    -হ্যাঁ আমি। মিসেস হেনা আলম।

    —আমি কিছুই বুঝতে পারছি না।

    —কি করে বুঝবেন? আমার এই রূপ যে বিধ্বংসী অগ্নিশিখা। তাই তো একে বোরখা দিয়ে ঢেকেছিলাম। দেখতে চাইলেন বলেই দেখালাম। যাক, যে কথা বলতে এসছিলাম। আপনাকে আমার একটা উপকার করতে হবে।

    —আই মাস্ট ডু ফর ইউ।

    —আমি সাত মাসের প্রেগন্যান্ট। আমার এটাকে অ্যাবরশান করাতে হবে।

    আমি শিউরে উঠলাম—মিসেস আলম। একি বলছেন আপনি?

    —যা বলছি ঠিকই বলছি ডাক্তার।

    —আমি জানি আপনি অত্যন্ত অভিজাত পরিবারের বউ। আপনার স্বামী বর্তমান। এ ক্ষেত্রে এই ব্যাপারে তাঁরই আসা উচিত ছিল। তার বদলে এই গভীর রাতে আপনি।

    —আসতে বাধ্য হয়েছি। কেননা অ্যাবরশানের ব্যাপারটা অত্যন্ত গোপনীয়। আমার স্বামীর অজান্তেই এটা আমি করাতে চাই।

    -কিন্তু ….।

    —এর মধ্যে কোন কিন্তু নেই ডাক্তার।

    —আপনি অন্যত্র যেতে পারেন। কারণ আমি এসব কাজ করি না। যদিও আমি গাইনি তবুও শিক্ষার ঐ দিকটা আমি বেছে নিইনি। তার কারণ আমার ধর্ম মানুষকে পৃথিবীর আলো দেখানোর সুযোগ করে দেওয়া। তাকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া নয়। বিশেষ করে প্রথম অবস্থায় হলেও একটু ভেবে দেখতাম। কিন্তু এখন বাচ্চাটার পুরো বডি ফর্ম করে গেছে। এই অবস্থায় ও কাজ আমার পক্ষে অসম্ভব।

    হেনা আলম দু’হাতে আমার হাত দুটি জড়িয়ে ধরলেন। ওঁর পরশে আমি দুর্বল হয়ে পড়লাম। সেটা বুঝতে পেরে আমার দুটি হাত ওঁর বুকের মধ্যে টেনে নিলেন উনি। সে কি দারুণ উন্মাদনা। আমি কাঁপা কাঁপা গলায় বললাম কিন্তু কেন আপনি এ কাজ করতে চলেছেন?

    —এই সন্তান আমার বাঞ্ছিত নয়।

    —তাহলে আগে আসেননি কেন?

    —তখন বুঝতে পারিনি সে আমাকে এইভাবে ঠকাবে বলে।

    –কে সে?

    —আপনি আচ্ছা লোক তো? কোন নারী কি পারে তার গোপন প্রেমিকের কথা পর পুরুষকে বলতে?

    এই শীতেও আমার তখন ঘাম দেখা দিল।

    হেনা আলম আমার আরো কাছে এগিয়ে এলেন। উঃ সে কি মদির উষ্ণতা। আমাকে যেন পাগল করে দিল। হেনা আলমের সুললিত করুণ কণ্ঠস্বর আবার শুনতে পেলাম—ডাক্তার!

    -বলুন।

    —আমার উপকার করবেন না?

    –না। এ কাজ আমি করি না।

    –আপনাকে আমি অনেক টাকা দেবো। আমার গায়ের সমস্ত গয়না দেবো। বিনিময়ে আপনি আমার এই উপকারটুকু করুন।

    –মিসেস আলম, আপনি একটু কষ্ট করে অন্য কোথাও চলে যান। —উপায় থাকলে যেতাম।

    —উপায় নেই বলেই এত রাতে লুকিয়ে এইভাবে এসেছি। সুইসাইড করলে এক্ষুনি আমার সমস্ত প্রবলেম সলভ হয়ে যায়; কিন্তু আমি বাঁচতে চাই ডাক্তার!

    —আমি আপনাকে বাঁচাতে পারলাম না।

    হেনা আলম উঠে দাঁড়ালেন। তারপর করুণ চোখে একবার আমার দিকে। তাকিয়ে আবার নিজেকে বোরখায় ঢেকে নিঃশব্দে চলে গেলেন।

    উনি চলে যাবার অনেক পরেও আমি দরজায় খিল দিতে ভুলে গেলাম।

    .

    পরদিন সোনাঝরা সুন্দর সকালে গত রাত্রের ঘটনাটা ঘুমের ঘোরে একটা দুঃস্বপ্নের মতোই মনে হল আমার কাছে। আমাদের হসপিটালে এক প্রসূতি কদিন ধরেই কষ্ট পাচ্ছে। আজ একবার শেষ চেষ্টা করে দেখব স্যালাইন দিয়ে পেন আনাবার। না হলে বাধ্য হয়েই সিজার করতে হবে।

    আমার কাজের লোকটি এলে তাকে রান্নার ব্যবস্থা করতে বললাম। তারপর টুক করে সামান্য কিছু বাজারও করে আনলাম। আমার এই ঘোরাফেরার মধ্যে বারবারই কিন্তু হেনা আলমের কথাটা মনে হতে লাগল। তাঁর প্রস্তাব আমার পক্ষে রক্ষা করা সম্ভব হ’ল না। তাই বলে সত্যিই কি তিনি আত্মহত্যা করবেন? যদি করেন, তাহলে কিন্তু দুটি মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী হবো আমি। অ্যাবরশনে সমস্যাটা মিটেই যায়। অথচ আমি কি করে এই কাজটা করি? একটি শিশু, প্রকৃতির নিয়মে সে আপন বিবর্তনের মধ্য দিয়ে যখন পূর্ণ রূপ পেয়ে গেছে তার হাত পা চোখ মুখ সব কিছুই যখন যথাযথ নিয়মে তৈরি হয়েছে তখন তাকে তার আত্মপ্রকাশের আগেই মাতৃগর্ভ থেকে জোর করে টেনে এনে গলা টিপে মেরে ফেলাটা…। না না না এ কাজ করলে আমি পাগল হয়ে যাবো। অর্থের লালসায় এ কাজ যারা করে করুক। আমি করতে পারব না। আমার সারা শরীর যেন সেই দৃশ্য কল্পনা করে শিউরে উঠল। অসহায় শিশুর অন্তিম আর্তনাদ যেন টা ট্যা করে আমার কানের কাছে বাজতে লাগল। এ কাজ আমাকে মেরে ফেললেও হবে না। আমি অন্যমনস্ক হবার চেষ্টা করলাম।

    ঘরে ফিরে স্নান খোওয়া সেরে চলে গেলাম হসপিটালে। নতুন একজন পেশেন্ট ভর্তি হয়েছে এই মাত্র। বাড়িতে ডেলিভারি হতে গিয়ে বিপর্যয় ঘটিয়ে বসেছে। নার্স আয়া সবাইকে নিয়ে ঢুকে পড়লাম লেবার রুমে। ভুলে গেলাম হেনা আলমের কথা! অনেক পরিশ্রমের পর যথাযথ নিয়মে ভগবানের ইচ্ছায় ডেলিভারিটা করাতে পারলাম। প্রসূতির অবস্থা ভালো নয়। তবে বাচ্চাটা ভালো আছে। লাল রক্তের ড্যালা। যেন একটা। কি সুন্দর কচি মুখ। হাত পা নেড়ে চিউ চিউ করছে দুষ্টুটা। এই রকম একটি শিশুকে কখনো মাতৃগর্ভ থেকে বার করে এনে গলা টিপে মারা যায়?

    আবার মনে পড়ল হেনা আলমের কথা। সারাদিনে বার বার চেষ্টা করেও হেনা আলমকে ভুলতে পারলাম না। হেনা আলমের প্রেমিক কে তা জানি না। তবে এটুকু জানি এই শহরের উপকেণ্ঠ পাহাড়ের গায়ে যে মার্বেল প্যালেসটা, সেটা হেনা আলমের! এখানকার দুদুটো সিনেমা হলের মালিক হেনা আলম। এ ছাড়াও একটি বস্তি, ধান কল ও অয়েল মিলের মালিক হেনা আলমরা। হেনা আলম মমতাজ সুন্দরী। মুঘল হারেমের রূপসীদের কথা যেন মনে করিয়ে দেয় হেনা আলম। কিন্তু কেন তার এই পদস্খলন? হেনা আলমের স্বামীকে আমি দেখিনি। হেনা আলমের মতো সুন্দরীকে যিনি রাজার ঐশ্বর্য দিতে পেরেছেন তিনি যেমন তেমন লোক নন। অথচ সেই মানুষকে ফাঁকি দিয়ে ঐ প্রাসাদের অভ্যন্তরে কি করে পর পুরুষের সন্তান গর্ভে ধারণ করেন উনি তা আমার বোধগম্য হল না।

    সে রাতেও অনেকক্ষণ ধরে হেনা আলমের মুখ মনে করতে করতে ঘুমিয়ে পড়লাম। রাত তখন বারোটা। শীতের রাত। প্রচণ্ড শৈত্যপ্রবাহে সারা শহর, পাহাড় পাহাড়তলি কনকন করছে! গাছ থেকে পশুপক্ষি মরে পড়ে যাচ্ছে। জঙ্গল থেকে বড় বড় গাষ্ট্রে শুকনো গুঁড়ি এনে গাছতলায় ধুনি জ্বালানো হয়েছে! যাতে অধিক সংখ্যক পশুপক্ষী মরে না যায়।

    ডোরবেলটা বেজে উঠল।

    আঃ। সেরেছে। এই রাতে আবার কোথায় যেতে হয় কে জানে?

    উঠে গিয়ে আলো জ্বেলেই সাড়া দিলাম—কে?

    —আমি।

    পরিচিত কণ্ঠস্বর। বুকটা যেন কেঁপে উঠল। লু জিজ্ঞেস করলাম কে আপনি?

    –এরই মধ্যে ভুলে গেলেন।

    হেনা আলম। হেনা আলম ছাড়া আর কেউ নয়। অপ্রত্যাশিত কিন্তু প্রত্যাশিত। সেই একই আবদার করবেন হয়তো। করুন। বু তো কিছুক্ষণের জন্যও দেখতে পাবো সেই চৌধবি কা চাঁদকে। দরজাটা খুলে দিলাম।

    আজ আর কালো বোরখা নয়। কাশ্মিরী সিল্কের ওপর নানা রকম কাজ করা বোরখা। সেই সঙ্গে এক মধুর সৌরভে গোটা ঘর ভরে গেল। এ সৌরভ কাল ছিল না।

    দরজাটা খোলা ছিল। হেনাই বন্ধ করলেন। আজ আর বলতে হ’ল না। মুখের ঢাকা নিজেই প্রালেন। তারপর একটা কৌচের ওপর বসে যেন ওনার নিজেরই বাড়ি এমনভাবে বললেন—কি হ’ল বসুন।

    আমি গত রাতের মতোই সারা গায়ে শাল জড়িয়ে নার মুখোমুখি বসলাম। হেনা বললেন আমি চলে যাবার পর কাল রাতে নিশ্চয়ই আপনি ভালো করে ঘুমোতে পারেন নি?

    –না পারিনি।

    —আসলে আমার এই দেহতে এত রূপ কিভাবে যে তৈরি হয়েছিল তা নিজেই আমি ভাবতে পারি না। আয়নায় যখন নিজেকে দেখি তখন মনে মনে হিন্দুদের মতো পঞ্চপ্রদীপ জ্বেলে নিজেকে আরতি করি। তাই মরতে আমার ইচ্ছে করে না ডাক্তার। এর পরে আবার যদি কখনো রদেহ নিয়ে পৃথিবীতে আসি তখনো কি এই রূপ আমি পাবো?

    আমি মুগ্ধ দৃষ্টিতে চোখের পাতা না ফেলে ওর দিকে তাকিয়ে রইলাম।

    হেনা আলম কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন–কি ঠিক করলেন ঐ ব্যাপারে?

    আমি যেন কিছুই জানি না এমনভাবে বললাম–কোন ব্যাপারে?

    —সেকি! কাল যে ব্যাপারে কথা বললাম। মানে যে ভাবেই হোক ওটা করাতেই হবে।

    আমার রক্ত চঞ্চল হয়ে উঠল। এই হেনা আলমের গর্ভে যে শিশু আছে সেটা ছেলে কি মেয়ে জানি না। মেয়ে হলে সে হয়তো হেনা আলমের চেয়েও সুন্দরী। হবে। ছেলে হলে হবে নবাবজাদা। তার আবির্ভাবকে আমি কোন অধিকারে বাধা দেবো? তোক সে অবাঞ্ছিত। বু সে শূন্বন্তু বিশ্বে অমৃতস্য পুত্রাঃ। তাকে আসতে দিতেই হবে। আমি বললাম–এ কাজ যে কখনো করিনি মিসেস আলম।

    –জানি। কিন্তু আমার জন্য এটুকু আপনাকে করতেই হবে। যে ভুল আমি একবার করেছি জীবনে সে ভুল দ্বিতীয়বার করব না। আপনাকে আমি কথা দিলাম ডাক্তার।

    –মিসেস আলম। আজ যাকে আপনি অবাঞ্ছিত মনে করছেন একদিন তো তাকেই চেয়েছিলেন একান্তভাবে? ওর পিতা আপনার ঘৃণ্য হতে পারেন কিন্তু ঐ শিশুটা আপনার কাছে কোন অপরাধটা করল শুনি? ও তো ওর পরম নির্ভরযোগ্য স্থান ভেবেই আপনার জঠরে নিশ্চিন্তে নিজের বৃদ্ধি ঘটাচ্ছে।

    হেনা আলম দুহাতে আমার দুটি হাত আবার জড়িয়ে ধরলেন। আবার সেই উষ্ণ প্রশ। এবার নিজেই আমার কোলের ওপর নুয়ে পড়ে বললেন–সেন্টিমেন্টাল হবেন না ডাক্তার, প্লিজ। আপনি যা বলছেন আমি ব বুঝতে পারছি। কিন্তু লুও আমি এ কাজ করতে চাইছি কেন জানেন? এর পিতা অর্থাৎ যাকে ভালোবেসে আমার সর্বস্ব দিয়েছিলাম সে আমার সঙ্গে প্রতারণা করেছে। সে আর কখনো আমার কাছে ফিরে আসবে না। আমার স্বামী মেহবুব আলম এই অঞ্চলে সব চেয়ে ধনী এবং মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তি। বছর দুই আগে একটি সাংঘাতিক বিস্ফোরণে তার দুটি চোখ নষ্ট হয়ে যায় একটা পাও বাদ দিতে হয় কেটে। ক্রাচে ভর দিয়ে তিনি এক পায়ে চলেন। তার বীভৎস মুখের দিকে তাকালে ভয়ে বুক শুকিয়ে যায়। এর ফলে স্বামীর সঙ্গে সহবাসে আমার রুচি হয় না। উনি বিচক্ষণ লোক। নিজেও সেটা বোঝেন। তাই আমাকে বিরক্ত করেন না। এই সময় আমাদের এক দূর সম্পর্কের আত্মীয়র একটি ছেলেকে ভালো লাগে আমার। সে আমাকে কথা দেয় আমায় নিয়ে সে দূরে বহুদূরে চলে যাবে। যেখানে মেহবুব সাহেবও আমাদের নাগাল পাবেন না। আমি তাকে বিশ্বাস করি। এবং তার সঙ্গে গোপনে মিলিত হই। অবশ্যই সেটা সন্তান উৎপাদনের জন্য নয়। দেহসুখের লালসায়। কিন্তু আমার দুর্ভাগ্য যে সে আমাকে ছেড়ে গেছে। এখন এই সন্তানের আমি কি পরিচয় দেবো? কোথায় রাখব একে? একা যে কোথাও চলে যাবে এখান থেকে, যাবই বা কোথায়? এই রূপই যে আমার শত্রু হবে। তাছাড়া মেহবুব সাহেবের ঐ বিশাল ঐশ্বর্যও তো ভোগ করতে পারব না আর।

    আমি আমার কোলের ওপর থেকে হেনা আলমের মাথাটা তুলে নিলাম। বললাম–ভারী মুশকিলে ফেললেন দেখছি।

    —একটা উপায় বার করুন ডাক্তার।

    —কোন রকমে আপনি কি একবার আমার সঙ্গে এই শহরের বাইরে যেতে পারবেন?

    —ক্ষেপেছে? যেখানে রাতের অন্ধকারে গোপনে আমি আপনার সঙ্গে দেখা করতে আসছি সেখানে কি করে আমি শহরের বাইরে যাবো? আমাকে এখানকার

    বাই চেনে। আমি যখন ঘর থেকে বেরোই তখন বেয়ারা দরোয়ানরা আমাকে ঘিরে থাকে। এ কাজ এখানে করতে হবে ডাক্তার। তার জন্য আপনি যা চান যত টাকা চান দেবো। আমার শরীর খারাপের অছিলায় আমার লোক দিয়ে আপনাকে ডাকিয়ে নিয়ে গিয়ে আমার বাড়িতেই এই কাজ করাব আমি।

    —সেকি।

    –এছাড়া উপায় নেই।

    এতক্ষণ নেকাবের ঢাকা সরিয়ে রাখলেও সেই সুদৃশ্য বোরখার আড়ালে ছিলেন হেনা আলম। এবার বোরখা মুক্ত হয়ে গলার বহুমূল্য নেকলেসটি খুলে আমাকে দিলেন। বললেন—এর সবগুলিই হীরে। এটা অগ্রিম হিসেবে দিলাম। আর টাকা। কত টাকা চাই আপনার? যা চাইবেন তাই পাবেন।

    আমি কোন কথাই বলতে পারলাম না।

    হেনা আলম আমার খুব কাছে এগিয়ে এলেন। এসে ঠিক গত রাতের মতোই আমার হাত দুটি ওঁর বুকের ওপর নিয়ে বললেন—একবার শুধু আমাকে দেখুন। তাকান আমার মুখের দিকে। আপনি দয়া না করলে আমাকে অকালেই ঝরে যেতে হবে। হেনা আলমের পরশে কি যাদু আছে? হয়তো। আমি যেন মোমবারি মতো গলে যেতে লাগলাম। এই অনিন্দ্যসুন্দরীকে আমার বুকের মাঝে জড়িয়ে ধরে এই মুহূর্তে ওর মুখ চুম্বন করতে ইচ্ছে হল। কি যে হয়ে গেল আমার তা জানি না। হঠাৎ ওর হাত দুটি আমি নিজের মুঠোয় ধরে নিয়ে বললাম আমি রাজি।

    সেই মুহূর্তে হেনা আলমের মুখের দিকে তাকিয়ে মনে হল উনি যেন স্বর্গ জয় করে ফেলেছেন। আমরা হাত দুটিতে আলতো করে প্রেমিকার মতো চুমু খেয়ে আমার কাছ থেকে সরে গিয়ে বললেন—আমি জানি ডাক্তার, রাজি আপনি হবেনই। সত্যি, কি বলে যে আপনাকে ধন্যবাদ দেবো। তাহলে শুনুন! এই নেকলেসটির দাম কম করেও এক লাখ টাকা। এবার নগদ আপনি যা চাইবেন তাই পাবেন।

    আমি কাঁপা কাঁপা গলায় বললাম টাকা আমি চাই না মিসেস আলম। আর ঐ নেকলেসেও আমার প্রয়োজন নেই। ওটা আপনি নিয়ে যেতে পারেন।

    –সেকি! হেনা আলম লঘু পায়ে আমার দিকে এগিয়ে এলেন। তারপর ঠিক সেই আগের মতোই আমরা হাত দুটি ধরে বললেন—এত টাকার প্রলোভন আপনি কি জন্য ছেড়ে দেবেন?

    —শুধু মাত্র আপনার জন্য।

    —তার মানে?

    —আমি আপনাকে চাই। আপনার রূপে আমি এমনই মুগ্ধ যে আপনার যৌবনের উত্তাপ আমাকে পেতেই হবে। এই মুহূর্তে আপনার চেয়ে লোনীয় আমার কাছে আর কিছুই নেই। যদি আপনি কোন রকম সংকোচ না করে আমার বিছানায় চলে আসতে পারেন তাহলে আমি আপনার প্রস্তাবে এক কথায় রাজি।

    হেনা আলমের দু’চোখে যেন আগুন জ্বলে উঠল। বললেন ডাক্তার! আপনি আগুন নিয়ে খেলা করতে চাইছেন। আমার দেহটা বাদ দিয়ে আপনি অন্য কিছু চান।

    —দেখুন, যে কাজ আমি করতে চাই না, যে কাজে আমার বিপদ এবং আপনার জীবনের ঝুঁকি আছে সে কাজ যদি নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে করতে হয় তাহলে তা এমন কিছুর জন্য করব যা দুর্লভ।

    —এই আপনার শেষ কথা?

    —হ্যাঁ।

    হেনা আলম নেকলসেটা গলায় পরে বোরখা মুড়ি দিয়ে যেমন এসেছিলেন ঠিক তেমনি চলে গেলেন।

    আমি দরজা বন্ধ করে আবার বিছানায় এসে শুয়ে পড়লাম। আমার সর্বাঙ্গ তখন কামনার আগুনে দাউ দাউ করে জ্বলছে। এঃ। আমি কি বোক। কেন যে ওকে যেতে দিলাম। এই নিঝুম রাতে জোর করে ওকে আমার বিছানায় শোয়ালে নিশ্চয়ই ও চেঁচামেচি করত না। সুন্দরী রমণীকে জোর করেই ভোগ করতে হয় এই চিরকালের নিয়মটা ভুলে গিয়েই ভুল হল। তাই সারারাত বিছানায় শুয়ে ছটফট করতে লাগলাম।

    .

    পরদিন সকালেই সেই মর্মান্তিক সংবাদটা কানে এলো। মিসেস হেনা আলম আত্মহত্যা করেছেন। ধ্বরটা শুনেই শিউরে উঠলাম আমি। উঃ কি ভয়ঙ্কর। হেনা আলম মৃত্যুকে বরণ করে নিয়ে তার পাপের প্রায়শ্চিত্ত করেছে। কিন্তু ওর গর্ভের সেই সস্তানটা! সেটাও যে দম বন্ধ হয়ে মরে গেল। হায় ভগবান! সেই অসহায় মহাপ্রাণ, যেটা মাতৃগর্ভ থেকে একটু একটু করে বেড়ে উঠছিল …!

    ।এমন সময় হঠাৎ আমার সামনে যারা এসে দাঁড়াল তাদের দেখব বলে আমি মোটেই প্রস্তুত ছিলাম না। ভয়ে আমার মুখ কাগজের মতো সাদা হয়ে গেল।

    —ইউ আর আণ্ডার অ্যারেস্ট মিঃ সেন।

    আমি মড়ার মতো ফ্যাকাসে মুখে কাঁপা কাঁপা গলায় বললাম—হোয়াই?

    —সেটা থানায় গেলেই জানতে পারবেন। —কেন এখন পারি না?

    –আপনি কি শুনেছেন মিসেস আলম সুইসাইড করেছেন?

    –শুনেছি। কিন্তু তার সঙ্গে আমার কি সম্পর্ক!

    —আছে বৈকি। মরবার আগে তিনি একটি চিঠি লিখে গেছেন। তাতে লিখেছেন তার মৃত্যুর জন্য আপনি দায়ী। তার স্বলতার সুযোগ নিয়ে আপনি তার গর্ভে সন্তান উৎপাদন করে তাকে প্রতারণা করেছে। এবং তাকে আত্মহত্যা করতে প্ররোচনা করেছে।

    আমি চিৎকার করে উঠলাম না না না। সী ইজ এ লায়ার। এঘ সত্যি নয়। এ মিথ্যা। আমি সম্পূর্ণ নিরপরাধ। আপনারা বিশ্বাস করুন।

    –আমাদের বিশ্বাস অবিশ্বাসে কিছুই যায় আসে না মিঃ সেন। আপনার সততা প্রমাণ করার জন্য আদালত আছে। আপনি ভিমরুলের চাকে হাত দিয়েছেন। এখন ঠ্যালা সামলান। থানায় চলুন। মেহসুর সাহেব আপনার জন্য অপেক্ষা করছে।

    আমার গা মাথা যেন পাক খেয়ে ঘুরতে লাগল। এই আকাশে চন্দ্র সূর্য কি সত্যিই ওঠে? ওঃ মাই গড়। হেল্প মি।

    .

    আমার মান ইজ্জত চাকুরির নিরাপত্তা সব কিছুই এক লহমায় বিপন্ন হয়ে পড়ল। এক কথায় জীবনটাই নষ্ট হয়ে গেল আমার। ঐ সুন্দরী কুহকিনী কেন যে এ কাজ করল? কেন যে এইভাবে প্রতিশোধ নিল আমার ওপর তা ভেবেই পেলাম না। এখন ভাবছি কাল রাতে ঐ রকম প্রস্তাব না করে তার কথায় রাজি হলেই ল্যাঠা চুকে যেত। যেহেতু আমার অসহযোগিতায় তাকে মরতে হল সেই রাগে আমারও সর্বনাশ করে গেল সে। পুলিশ ঠিকই বলেছে আমি ভিমরুলের চাকেই হাত দিয়েছি। আমার সাধ্য কি যে মেহবু সাহেব্বে সঙ্গে লড়ি? সাধ্য থাকলেও হেনা আলমের ঐ রকম স্বীকারোক্তির পর আমার বাঁচাও তো অসম্ভব। আইনের চোখে আদালতের বিচারে আমার কি শাস্তি হবে জানি না। তবে মেহবু সাহেব যে আমাকে জ্যান্ত কবর দেবেন তা বুঝতেই পারছি।

    থানার লকআপে প্রায় আধ ঘন্টা রাখার পর পুলিশ প্রহরায় আমাকে নিয়ে যাওয়া হল মেহবুব সাহেবের মার্বেল প্যালেসে। একটি বিলাসবহুল হলঘরের মতো বড় ঘরে আমাকে এনে যখন বসানো হল তখন মেহবুব সাহেবের চেহারার দিকে। তাকিয়ে শিউরে উঠলাম। কী পৈশাচিক মুখ। এর চেয়ে একটা হায়না ভালো। এখানকার পুলিশ প্রশাসন সবাই সন্ত্রস্ত মেহবুব সাহেবের প্রতিপত্তি এবং ব্যক্তিত্বের কাছে।

    মেহবুব সাহেবের চোখ কালো চশমায় ঢাকা। ক্রাচ দুটি কৌচের গায়ে ঠেস দিয়ে রাখা। টেবিলের ওপর একটা দোনলা বন্দুক। বাঘ মারা। একটি ব্লাঙ্ক ক্যাসেট লাগানো টেপ রেকর্ডার। সেটা চালিয়ে দিয়ে তিনি বললেন—আপনিই ডাক্তার সে?

    —হ্যাঁ।

    –বসুন।

    ঘরে একটা সঁচ পড়লেও যেন শব্দ হবে।

    মেহবুব সাহেব পুলিশ এবং তার লোকেদের বললেন—আপনারা একটু বাইরে যান। আমি না ডাকা পর্যন্ত কেউ এ ঘরে ঢুকবেন না বা এর ধারে কাছে আসবেন না।

    ভীত সন্ত্রস্ত সবাই চলে গেল।

    মেহবুব সাহেব বললেন বয়স কত? দেখে তো ছেলেমানুষ বলেই মনে হচ্ছে। বিয়ে থা করেছে?

    ভয়ে ভয়ে বললেন—না।

    —আমার স্ত্রীর সঙ্গে আপনার অবৈধ সম্পর্ক কত দিনের?

    আমি অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে বললাম—মেহবুব সাহেব! আল্লা কসম। ঈশ্বরের দোহাই। আমি সম্পূর্ণ নিরপরাধ।

    —আমার স্ত্রীর ঐ স্বীকারোক্তিটা তাহলে মিথ্যা। কি বলুন? মেহবুব সাহেব এবার বন্দুকটা হাতে নিলেন। তারপর সেটা নিয়ে খেলা করতে করতে বললেন কাল রাত্রেই বোধ হয় আপনি শেষবারের মতন আমার স্ত্রীর দেহটা ভোগ করেছেন, তাই না?

    আমি মাথা নত করে বললাম না না না। আপনি বিশ্বাস করুন আমি তার কোন ক্ষতি করিনি।

    মেহবুব সাহেবের পৈশাচিক মুখে হিংস্রতা যেন প্রকট হয়ে উঠল। বললেন রাতের অন্ধকারে ঐ রকম একজন সুন্দরী যুবতী আপনার ঘরে গেল আর আপনি তাকে ভোগ না করেই ছেড়ে দিলেন? এটা আমাকে বিশ্বাস করতে হবে?

    —আপনি তো সবই জানেন দেখছি।

    —আমার স্ত্রীর ব্যাপারে আমি জানব না তো কি অন্য তোক জানবে? রাতের অন্ধকারে সে বেরিয়ে গেল, কোথায় গেল আমি জানব না? বলতে বলতেই বন্দুকে গুলি পুরে মেহবুব সাহেব বললেন—এটা কার জন্য তৈরি করলাম বলুন তো?

    জানি না।

    —আপনার জন্য। রাতের অন্ধকারে যে যুবক এক অসামান্যা সুন্দরীকে। নাগালের মধ্যে পেয়েও তাকে ভোগ করতে পারে না এটা তরা জন্যই খরচা করা উচিত। আপনিই বলুন না তাকে গুলি করে মারাটা উচিত কি না?

    —আপনার কথার আমি কোন ঘের পাচ্ছি না মেহবুব সাহেব।

    –না পাবার তো কিছু নেই। একজনকে ভোগকরার জন্য মেরেছি একজনকে করার জন্য মারব।

    —মারবেন। তবে তার আগে ওর পোেস্টমর্টেম রিপোর্টটা একবার দেখুন। আমার রক্ত পরীক্ষা করান। মনে কোন সন্দেহ রাখবেন না মেহবুব সাহেব। আমি ওকে ভোগও করিনি। ওর গর্ভে আমার সন্তানও নেই!

    —আমি জানি ডাক্তার। সব জানি। ওর গর্ভে এ অবৈধ সন্তানের বীজ যে বপন করেছে আমি তাকে নিজে হাতে গুলি করে মেরেছি। ও কিন্তু সেটা বুঝতে পারে নি। মানে আমি বুঝতে দিই নি। ওর প্রেমিককে মারবার আগে তাকে ভয় দেখিয়ে এমন একটা চিঠি আমি লিখিয়ে নিয়েছি যাতে ওর ধারণা হয়েছে ওর প্রেমিক ওকে প্রত্যাখ্যান করেছে। ও তো আপনাকে অনেক কিছু দিতে চেয়েছিল কিন্তু তা সত্ত্বেও আপনি ওর অ্যাবরশানটা করালেন না কেন?

    —আমি কখনো ও কাজ করিনি সাহেব। টাকার লোভে ঐ পাপ আমার দ্বারা সম্ভব নয়। তাছাড়া ওতে ওর জীবনের ঝুঁকি ছিল।

    –আপনি খুব ধর্মভীরু লোক দেখছি। ভ্রূণ হত্যা করেন না। সুন্দরী যুবতীকে রাত্রিবেলা বেডরুমে একা পেয়েও তাকে জোর করে ভোগ করেন না। টাকার লোভ করেন না। আপনাকে দিয়ে এ জগতের কোন কাজটা হবে শুনি। এক্কেবারে যা তা লোক মশাই আপনি। যাক। আমার তরফ থেকে একটা সামান্য উপহার আপনাকে দিচ্ছি। এই নিন। এটা বাড়ি নিয়ে খুলে দেখবেন।

    –কী আছে এতে?

    —একটা বিশাল অঙ্কের টাকার চেক। আমি জানি এই ঘটনার পর আপনি আর এখানকার হাসপাতালে চাকরি করবেন না। নিজেই ইস্তফা দিয়ে চলে যাবেন। তাই সাময়িকভাবে যাতে আপনার কোন অসুবিধা না হয় সেইজন্যে এটা আপনাকে আমি দিচ্ছি। বলে একটি বড় খাম এগিয়ে দিলেন মেহবুব সাহেব। তারপর কি ভেবে যেন সেটা আবার চেয়ে নিয়ে তার ওপর নিজের নাম সই করে আমার নামটা খস খস করে লিখে দিলেন।

    আমি অবাক হয়ে বললাম—শুনেছিলাম আপনি অন্ধ। কিন্তু আশ্চর্য। যেভাবে আপনি লেখালিখি করছেন বা এত কিছুর ওপর নজরদারি করছেন তাতে তো আপনাকে অন্ধ বলে মনেই হচ্ছে না।

    মেহবুব সাহেব হেসে বললেন—শুনেছে ঠিকই। এক মারাত্মক বিস্ফোরণে আমার এই রকম দশা হয়েছিল। একটা পা গেছে। মুখটাও পুড়ে ঝলসে গেছে। দৃষ্টিশক্তিও হারিয়েছিলাম। তবে বহু চেষ্টার পর এবং বহু চিকিৎসার পর দুটি চোখেই অল্প অল্প দেখতে পাই। কিন্তু এ কথা আমি কাউকে বলিনি। এমনকি আমার স্ত্রীকেও না।

    আমি অভিভূত হয়ে বললাম-কেন?

    —আসলে আমার স্ত্রীকে আমি খুব ভালবাসতাম, আপনিই বলুন না কেন ওইরকম একজন নারীকে ভালো না বেসে কি পারা যায়? তা যাক। যখন বুঝতে পারলাম আমার এই অবস্থার পর ও অন্যের অনুগামী তখন মনে মনে খুবই দুঃখ পেলাম। কিন্তু সব জেনেও ওকে আমি বাধা দিই নি। নিজেকে শামুকের মতো গুটিয়ে নিয়েছিলাম। পরপুরুষের সঙ্গে ও উপগত হোত। এক বিছানায় শুতো। সবই দেখতাম! এমন কি আমাকে অন্ধ ভেবে আমার সামনেই পরস্পরকে আলিঙ্গন চুম্বন করত। সব সহ্য করেছিলাম। কিন্তু যখন টের পেলাম ওরা অবাধ স্বাধীনতা পাবার আশায় আমার প্রচুর ধনসম্পত্তি আত্মসাৎ করে বরাবরের জন্য এখান থেকে পালাবার চেষ্টা করছে তখন আর থাকতে পারলাম না। প্রতিহিংসা নেবার জন্য তৎপর হলাম এবং ওদের একজনকে হত্যা করে প্রতিশোধ নিলাম। তারপর আমরা স্ত্রী যখন আপনার সঙ্গে দেখা করবার চেষ্টা করল তখনও আমি ওর পিছু নিয়ে সব কিছু দেখলাম। আপনার দরজায় কান খাড়া করে ভেতরের কথাবার্তা শুনলাম। আপনার আদর্শ এবং ব্যক্তিত্বকে অভিনন্দন জানাই। তবে শেষ দিন অবশ্য আপনি ওর কাছে। অন্য একটি প্রস্তাব রেখেছিলেন। কিন্তু জোর করেন নি। তাতে অবশ্য আমি অসন্তুষ্ট নই। কেননা এটা হওয়াই স্বাভাবিক। তবে অর্থলোভে ঐ ঘৃণ্য কাজটি যে আপনি করেননি তার জন্য সামান্য একটু পুরস্কার অন্তত আপনার পাওয়া উচিত। তাই বিভিন্ন ব্যাঙ্কের কয়েকটা চেক আপনাকে দিলাম এবার আপনি যেতে পারেন।

    —আপনি?

    —ডাক্তার! দেরি করবেন না। মনে রাখবেন আপনি এখনো আসামী এবং পুলিশ আপনার জন্যে দরজার বাইরে অপেক্ষা করছে। আমাকে আমার বাকি কাজটুকু করতে দিন।

    আমি চলে এলাম।

    তবে ঘরের দরজা পার হবার সঙ্গে সঙ্গেই বন্দুকের গুলির শব্দ শুনে ছুটে গেলাম তার কাছে, থুতনির নীচে বন্দুকের নলটা ঠেকিয়ে ট্রিগার টিপেছেন মেহবুব আলম। টেপরেকর্ডার যন্ত্রেই সেই গুলির শব্দ ধরা পড়েছে। পুলিশের উদ্দেশ্যে লেখা একটা চিঠিও পড়ে আছে টেবিলের ওপর।

    ততক্ষণে বাড়ির অন্যান্য লোকজন এবং পুলিশ, বাই ছুটে এসেছে।

    টেপ রেকর্ডারে বলা কথা এবং তার চিঠির বিবরণ অনুযায়ী পুলিশ আমার বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ তুলে নিল এবং আমাকে সসম্মানে আমার বাসায় পৌঁছে দিয়ে গেল।

    বলা বাহুল্য কয়েকদিনের মধ্যে আমি নিজের চেষ্টায় অন্য জায়গায় বদলি হয়ে গেলাম। হেনা আলম আমার সুন্দর জীবনের এক সকরুণ স্মৃতি। এটা তো ঠিক, শুধুমাত্র আমারই গোঁড়ামিতে সেই প্রস্ফুটিত ফুলটিকে অকালে ঝরে যেতে হল। তাই মেহবুব সাহেবের কাছ থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া ঐ চেকগুলো গ্রহণ করতে বিবেকে বাধল আমার। আসার সময় আমি সেগুলো পুলিশের হাতেই জমা দিয়ে এলাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রিয় – ইমদাদুল হক মিলন
    Next Article গোপনে – ইমদাদুল হক মিলন

    Related Articles

    ইমদাদুল হক মিলন

    ইমদাদুল হক মিলনের বিবিধ রচনা

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    অন্তরে – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    এসো – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    প্রিয় হুমায়ূন আহমেদ – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    গোপনে – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    প্রিয় – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }