Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দুই বাংলার দাম্পত্য কলহের শত কাহিনী – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ও ইমদাদুল হক মিলন সম্পাদিত

    ইমদাদুল হক মিলন এক পাতা গল্প1423 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দাম্পত্য কলহ ও নেকলেস – শ্রীজয়দেব রায়

    দাম্পত্য কলহ ও নেকলেস – শ্রীজয়দেব রায়

    আমাদের বিশ্ববার্তা খবরের কাগজের অফিসে শিবুদা ছিল সিনিয়র সাব এডিটর, বড় মজলিসি লোক, প্রচণ্ড গল্পবাজ। কিন্তু তার সব গল্পের কেন্দ্রবিন্দু সেই দাম্পত্যকলহ। ও মিলন। বয়সের তারতম্য দাদা মানত না, আমরা যে তার চেয়ে বয়সে অনেক ছোট, অনেকের যে বিয়ে পর্যন্ত হয় নি, সে সব কথা তার মনে থাকত না, মুখ ছিল বড় আলগা। তার স্ত্রী পদ্মা বউদিকে আমরা ভাল করেই চিনতাম; মোটাসোটা গোলগাল চেহারা, গৌরবর্ণের, বেশ সুদর্শনা। যৌবনে মনে হয় বেশ সুন্দরী ছিল, একমুখ পান নিয়ে সদা হাসি মুখে আমাদের সঙ্গে কথা বলত। ছেলেমেয়ে নেই।

    শিবুদা বেশ কয়েকদিন অত্যন্ত গম্ভীর। নিশ্চিত বউদির সঙ্গে আবার মনোমালিন্য ঘটেছে। এরকম প্রায়ই ঘটত, নিঃসন্তান, নির্ঝঞ্ঝাট মধ্যবয়স্ক দম্পতির মধ্যে অত্যন্ত তুচ্ছ কারণে যেমন বিবাদ ঘটত, তেমনই সহজে মীমাংসা হয়ে যেত।

    ইদানীং টিফিনের মোটা কৌটাটা খুলে যেমন প্রতিদিনই আমাদের সঙ্গে ভাগ করে টিফিন খেত আজকাল টিফিনই আনছে না, অজিতের কাছে টোস্টঘুগনি খাচ্ছে। পানের কৌটাও শূন্য।

    সোমবার একেবারে দৃশ্য বদলে গেল, এক মুখ হাসি। কাছে গিয়ে টের পেলাম, রুমালে সেন্ট, গায়ে মেখেছে। এসেই পানের ডিবা খুলে আমাদের পান খাওয়াল, আর সর্বদাই মুচকি মুচকি হাসতে লাগল। তাল বুঝে পন্টু বলল, পদ্মা বউদি পান সাজেন ভাল। আর আজ দেখছি মস্ত বড় টিফিনের কৌটা। ব্যাস, আর বলতে হল না, শুরু হয়ে গেল শিবুদার আত্মপ্রসাদ, কিন্তু শেষে একটু খেদও আছে।

    শিবুদা বলল, সব তত ভাল। কিন্তু এ বয়সে নতুন নতুন গয়নার লোভ যে বড্ড বেড়ে যাচ্ছে। পাড়ার গিন্নিদেরও আর কাজ নেই, নতুন গয়না গড়লেই এসে সর্বপ্রথম তাকে দেখিয়ে যাবে। আর আমার হয়েছে গেঁরো, বাড়ির কাছে রাস্তার মোড়ের মাথায় গোরার গয়নার দোকান। আর তাকে তো ডাকতেই হয় না। সে দেখি, সবসময়ে চোরের মতো বাড়িতে ঘুরঘুর করে। আর পাড়ার মস্তান ছেলে, তাকে তো কিছু বলা যায় না। তোদের বউদির সঙ্গে ফিসফিস করে কি সব হিসাব দেয়। আর আমাকে দেখলেই চুপ! এবার আবার মল্লিক বৌদি খুব দামী কি একটা নেকলেস বানিয়েছে, তাকে ডেলিভারি দেওয়ার আগে হারামজাদা মামিমাকে একবার না দেখিয়ে কি যেতে পারে? এই নেকলেসটার দাম কত জানিস?

    বললাম, তা হোক, আপনাদের মতো আদর্শ দম্পতি একটিও নেই। ৪০ বছর ধরে একটানা ঘর করছে। না দিলেই বা….।

    ধমকে উঠল শিবুদা, আহারে! আমার রিটায়ারমেন্ট এসে গেল। এখন এভাবে এতটাকা গয়নায় ঢালা কি সম্ভব?

    এই নিয়ে কদিন ঘোঘারতর মনোমালিন্য চলছিল, তবে একটা নাকি সুরাহা হয়েছে। পুরানো সোনা ছিল, সেগুলো দিয়ে তোদের বউদি নেকলেসটা ইতিমধ্যে গড়িয়ে ফেলেছে।

    হাসিমুখে বললাম তবে কি! আপনার গ্যাট থেকে তো কিছু খসছে না। গয়নায় গয়না আনছে।

    —যাচ্ছে না মানে? মজুরি কত চেয়েছে জানো? কোথা থেকে অত টাকা দেব? তবে তোমার বউদির মাথাটা সাফ আর গোরাও বেশ সজ্জন। কিস্তিতে কিস্তিতে টাকা দেওয়ার রফা হয়েছে।

    আশ্চর্যভঙ্গীতে আমরা বললাম, তা হলে দাম্পত্যকলহ চুকেছে এবার আর কি? আমরা আবার টিফিনের ভাগ পাব…ইয়ে….তার হাতে তৈরি এমন অপূর্ব টিফিন।

    এর কিছুদিন পরের ঘটনা–

    শিবুদা দুঃখ করে বলছিল, কখনও ভাই, এমনটি ভুল আগে করি নি। জানই তো ৪০ বস্ত্র আমাদের বিয়ে হয়ে গেল, দুজনেরই বয়স ৫০ ছেড়ে ৬০-এ ধরতে যাচ্ছে। আমাদের পক্ষে কি ওসব সাজে? তবু এমন অপকর্ম যে কি করে করে বসলাম জানি নে! সাধারণত আমরা বিয়ে বাড়িটাড়ি যাইনে। এখানে কিন্তু লেকসাইডে না গিয়ে উপায় ছিল না। আর জানই তো, বিয়েবাড়িতে যা সব খাওয়ায়, অন্য সময়ে তা মুখে দিতে তোমার সাহসেই কুলোবে না। বাস্তবিক খাওয়াটা বেশ জোরালো হয়ে গিয়েছিল।

    প্রভাত অবিশ্যি বলেছিল, চলুন, আপনাদের নামিয়ে দিয়ে যাই। যাবার পথেই তো পড়বে।

    তোমার বউদি আমাকে ফিসফিস করে বললনা, না। ওদের সঙ্গে আমি বাপু যাচ্ছি নে। ওর মুটকি বউটা এমন দেমুকে যে পাশে বসতে ইচ্ছা করে না। কেবলই ছেলেমেয়েদের কৃতিত্বের কথা ফলাও করে বলবে। ওর বড় ছেলে এত মাইনে পায়, ছোট ছেলে স্টেটস-এ যাচ্ছে। মেয়েদের জন্যে পাত্রদের মধ্যে হাতাহাতি হচ্ছে—এইসব।

    তার চেয়ে চলো, হাঁটতে হাঁটতে বাড়ি ফিরে যাই। পেটটা এত ভরে গিয়েছে, হাঁটলে হালকা হবে, হজম হবে আর কি? খানিকটা হাওয়া লাগলে মাথাও ঠাণ্ডা হবে। এতক্ষণ বদ্ধ জায়গায় হাঁফ ধরে গিয়েছে।

    বহু বছর পরে দুজনে পায়ে হেঁটে লেকের পাশ দিয়ে ফিরছিলাম। ঘদিকেই লোক, আর যত বেড়াবার লোক, তার চেয়ে বেশি ফেরিওয়ালা। কিনা জিনিস তাদের নেই বেচবার? এখন তবে চিনাবাদাম, চানাচুর, ঝালমুড়িওয়ালা আর হজমিগুলি। বিক্রেতারই বেশি ভিড়। তাদের সকলের এককথা সারাদিন কিছু বিক্রি হয়নি, এক প্যাকেট নিলে বউনি হত।

    পেট ভরে খেয়ে হাঁসফাস করছি, এখন এসব জিনিস দেখতেও ভয় লাগছে। তোমার বউদি বলল, পান পেলে মন্দ হত না!

    এত লোকের ভিড় এড়িয়ে আমার টালিগঞ্জ রেলষ্টেশনের কাছাকাছি একটা শূন্য বেঞ্চিতে বসলাম। জায়গাটা অন্ধকার নয়, বেশ আলো পড়ছে, তবে নির্জন। তবু এত গয়নাগাটি পরে নির্জন জায়গায় বসাটা আমাদের পক্ষে বোকামি হয়েছে তা ভাবা উচিত ছিল। তবে এত আলো পড়ছে, অবিরাম লোক যাচ্ছে। আর দু’পা গেলেই তো, বাড়ি।

    একটা খোঁচা খোঁচা দাড়ি, আধবুড়ো লোক তখন থেকে পেছনে লেগে আছে, দেখুন মা, খুব ভাল চানাচুর। এক প্যাকেট নিয়ে দেখুন।

    স্ত্রী বিরক্ত হয়ে বললনা বাবা। বললাম না, আমাদের চাইনে। ঘোমটা তার খোলা ছিল, গলার নেকলেসটা স্পষ্ট চোখে পড়ছিল সকলের। তাকে অনেক করে মানা করেছিলাম—এত দামী গয়না পরে প্রকাশ্যে বেরিও না।

    তার স্পষ্ট বক্তব্য—এটা লোককে দেখাতে না পারলে আর কি লাভ? হালে তৈরি করেছি, লোকের চোখ টাটাক তারিফ করুক!

    এই সময়ে আমাদের তিন চারজন ফেরিওয়ালা ও পথচারী ঘিরে ফেলেছিল। আর সত্যিই ম্যাজিক! স্ত্রী হঠাৎ চিৎকার করে উঠল—আমার নেকলেস?

    সবকজনই নিঃশব্দে সরে পড়েছিল, অন্য কিছু লোক দৌড়ে এল। বার কণ্ঠে সহানুভূতিপূর্ণ ধিক্কার—এই রাত্রিতে এত দামী গয়না পরে এখানে বসেছিলেন কোন্ আক্কেলে?

    সবাই সন্দিগ্ধ দৃষ্টিতে তাকাতে লাগল। আমরা সশব্দে বাড়ির দিকে চললাম। আমি ব্ৰিক্তিতে গজগজ করতে করতে আর স্ত্রী কাঁদতে কাঁদতে। এত দামী জিনিসটা এমনভাবে হারানোর দুঃখে বাড়ি গিয়ে ডুকরে ডুকরে কাঁদতে লাগল। ফ্ল্যাট বাড়ি, সব বাড়ি থেকে গৃহিণীরা ছুটে এল। খবর শুনে তারা বেজায় খুশি; যেমন মাগী দেমাক দেখাতে গিয়েছিল। বেশ হয়েছে!

    কেউ-কেউ বলল, তোমার বুদ্ধি আর কবে হবে লো! এমন দামী জিনিস পরে রাস্তায় বসতে গিয়েছ?

    একজন প্রতিবেশী বলল—ঐ রকম অরক্ষিত স্থানে গেলেই বা কেন?

    অন্য সবাই একবাক্যে প্রতিবাদ করে উঠল—কোন্ জায়গাটা সুরক্ষিত বলতে পারেন? এসব কথা বললে উনি বলবেন—এমনটিতে কতই হয়।

    একজন পরামর্শ দিল—যান না, একটা ডায়েরি করে আসুন। কাতরভাবে বললাম—আমার সঙ্গে আপনারা যদি কেউ যেতেন….। সবাই নিঃশব্দে সরে পড়ল। বাধ্য হয়ে আমি একাই গেলাম। তারা তো প্রথমেই যুক্তি দেখালো ও জায়গাটা আমাদের এলাকা, না, লেক থানার এলাকা? ঠিক কোন্ জায়গাটায় আপনারা ছিলেন, বলুন তো?

    অনেক তর্কাতর্কির একজন বলল, ঠিক আছে। ডায়েরি নিয়ে নাও, আর নিলেই বুঝি কিছু হবে মনে করছেন? ও, বিনোদ কোথায় গেলে। তবে বলিহারি যাই মশাই, এই বয়সে মেয়েছেলে নিয়ে লেকে বসতে গেছে? আচ্ছা, তিনি নিজেই হাতান নিতো?

    হাতজোড় করে বললাম—সঙ্গে যিনি ছিলেন। তিনি আমার আপন স্ত্রী, একরূপ বলতে পারেন একই মায়ের পেটের….। মানে তার নিজের জিনিস তিনি কেন লুকাতে যাবেন?

    লোকটির নাম বোধহয় রামহরি, সে হেসে বলল—আজকাল আকছাড়ই এমনি হচ্ছে, মোশাই।

    বিনোদ আর আসে না, একটু বিরক্তি প্রকাশ করল রামহরি, ঋজিয়ে উঠল—ওর নাইট ডিউটি, একটু ঘুমিয়ে নিচ্ছে। ঝামেলা বাধাবেন আপনারা, আর খেটে মরব আমরা।

    বহুক্ষণ অপেক্ষা করার পর আমার প্রেসকার্ডটার কথা মনে পড়ে গেল। ইন্সপেক্টারের ঘরে গিয়ে প্রেসকার্ডটি দেখিয়ে বললাম আমি বিশ্ববার্তা পত্রিকার সিনিয়র রিপোর্টার। একটা কেস লেখাতে এসেছিলাম।

    ইন্সপেক্টার ফোনে কার সঙ্গে চাপা গলায় টাকা পয়সা লেনদেন নিয়ে কথা বলছিল। ফোনটার মাউথপিসটা হাত দিয়ে চেপে ধরে বলল—আমার কাছে। আপনাকে কে পাঠিয়েছে? জরুরি কাজ করছিলাম….

    তারপর সমস্ত ব্যাপারটা শুনে অত্যন্ত বিরক্ত হয়ে বলল—ছেলে ছোঁকরারা লেকে গিয়ে প্রেম করে, আপনারা গেলেন কোন লজ্জায়? বিনোদকে ডাক…।

    ঘুম ভেঙে চোখ রগড়াতে রগড়াতে বিনোদ এসে সেলাম করে দাঁড়ালে তাকে বেশ রাগতভাবে বলল—লোকটা আমার কাছে এসে সাফাই গাইছে। দেখো তো ব্যাপারটা।

    আবার ফোন নিয়ে সাহেব ব্যস্ত হয়ে পড়ল। বাইরে বেরুলে বিনোদ আর রামহরি আমাকে ধমকাতে লাগল—ও ঘরে গেলেন কেন?

    তবে শেষ পর্যন্ত ডায়েরি লিখে নিয়ে বলল—আর কোনদিন লেকের এ দিকটায় মেয়েছেলে নিয়ে বসবেন না। কানা বাঞ্ছাকে কথা দেওয়া আছে। তার তো প্রেস্টিজ আছে।

    টেবিলের ওপর কাচ চাপা থানা এলাকার ম্যাপ পড়েছিল, পাশে পাশে লাল দাঃ দেওয়া। আমার বসার জায়গায় লাল পেন্সিলে গোল করে লেখা কানাবাঞ্ছার এলাকা।

    ব্যাপারটার এখানেই ইতি হত। কিন্তু পরদিন আমাদের কাগজে খবরটা বেরুলো ‘লেক এলাকায় সাংবাদিক সর্বস্বান্ত।’

    নেকলেসটা হারানোর পর তাদের দাম্পত্য কলহ যে কতটা গুরুতর অবস্থা ধারণ করল আমরা বুঝতে পারলাম। যে শিবুদা কোন দিন নাইট ডিউটি করত না, বউকে একা রেখে আসবে না বলে, সে আমাদের সঙ্গে শিফট বদল করে নাইট ডিউটি নিতে লাগল, অজিতের দোকানে তার টিফিন বরাদ্দ হয়ে গেল। একদিন কাঁদ কাঁদ হয়ে বলল–পদ্ম আমার ওপর এমন রেগে আছে যে, কয়েকদিন বাড়িতেই থাকছে না, বোনেদের বাড়ি গিয়ে বসে আছে। আচ্ছা, আমার দোষটা কোথায় বলো তো?

    ওর মম্ব্য শুনলে আমার এই বয়সে ডিভোর্স করতে ইচ্ছা করছে, যে সমস্ত পুরুষমানুষ নিজের স্ত্রীকে রক্ষা করতে পারে না, তার মরণই ভালো। আচ্ছা, আমি কি করতে পারতাম?

    আমরা কি আর বলব, চুপ করে থাকলাম। হঠাৎ, উত্তেজিত হয়ে শিবুদা বলল, যেমন করে হোক, আমি নেকলেসটা উদ্ধার করবই। তোদের বউদি আমাকে কি ভেবেছে—তাঁ। আমি যে পুরুষ মানুষ তা প্রমাণ করে ছাড়ব।

    ক’দিন পরে শিবুদা বলল কাগজে খবরটা পড়ে নেকলেসটা যে বানিয়েছিল, সেই গোরা এসে নতুন ঝামেলা বাধালো। আমাকে দোকানে ডেকে এনে চুপিচুপি বলল—আমার তৈরি মল আমার কাছেই ফিরে আসবে, মেলোমশায়! তার আগে একটু চেষ্টা করবেন….।

    একটু ইতস্তত করে বলল—আমাকে ছাড়া মাসীমা আর কোথাও গয়না গড়ান। তা ছাড়া, এই নেকলেসটা তাঁর বড় পছন্দ ছিল। একটা কাজ করবেন, আমার সঙ্গে একবার কানাবাঞ্ছার ডেরায় যাবে?

    ভয়ে বুক ধুকধুক করে উঠল। একবার পুলিশের আড্ডায় গিয়ে মোক্ষম শিক্ষা হয়ে গিয়েছে। এখন আবার চোরের ডেরায়?

    চোর তো নয়, একবারে খোদ গুণ্ডারাজের আড্ডায়।

    তবু স্ত্রীর পীড়াপীড়িতে গোরবে সঙ্গে চেনার একটা ঘিঞ্চি বস্তিতে একটা আলাদা ঝকঝকে পাকাবাড়িতে গেলাম। একজন খবরদার এসে আমাদের (আমাদের নয়, গোরার শুধু নামটা জেনে চলে গেল। একটুক্ষণ পরে এসে বলল—যান, ভিতরে।

    ভিতরে একটা এয়ারকণ্ডিশন করা মস্ত ঘর। চার দিকে সোফা কেঁচ, মেঝেতে একটা পার্সিয়ান গালিচা। সাত-আটটা বদখদ দেখতে লোক সব গালিচাতে বসে। সোফাগুলি খালি। আমরা ঢুক, সবাই কটমট করে দেখছিল। মাঝখানে একটা ডিভানে শুয়ে দুটি পা টেবিনে তুলে সিগারেট টানছিল অত্যন্ত কদাকার একটা লোক। সারা মুখে তার বসন্তে দাগ, একটা চোখ আবার কানা। খোঁচা খোঁচা দাড়ি, গলায় একটা সোনার চেন। খালি গায়ে লুঙ্গি পরনে।

    আমাকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে সে গোরাকে বলল—কি গোরা সাহেব? কি মোতলব?

    সে রীতিমত কুর্নিশ করে আমার পরিচয় দিয়ে বলল কয়েকদিন আগে রাত্রিতে ওঁর স্ত্রীর গলা থেকে লেকের ষ্টেশনের নিচে নেকলেসটা গায়েব। আমারই তৈরি নেকলেসটা। আর ইনি আমার মেসোমশাই।

    চোখবুজে কানা বাঞ্ছা বলল—দে ওখানে যেদিন কেকে ডিউটিতে ছিল।

    তারপর আমাকে খেকিয়ে উঠলকত রাত বললেন? দশটা নাগাদ? অত রাতে ওখানে কি গীতাপাঠ করছিলেন?

    একজন খাতা খুলে গম্ভীর হয়ে বলল–৭ নং সেক্টরে ডিউটিতে ঐ সময়ে থাকবার কথা আবদুল বারি আর হারুর।

    এবার কানা বাঞ্ছ উঠে বসল, অত্যন্ত বিরক্ত হয়ে বলল-কতবার বলেছি হিন্দু এলাকায় মুছলমান দিবি না। তবে ঐ হারামজাদা বদমাইশ ভারি দপ্তরি থাকে কি বলে?

    তারপর প্রসন্ন দৃষ্টিতে আমাকে দেখে বলল, ঘাবড়াবেন না। রিপোর্টারদের আমি যাস্তি খাত্রি করি। আপনার কাগজে খবরটা বেরোনর পর বেশ ভাল বিজনেস হচ্ছে। আপনি বেফিকির চলে যান। আজ রাত্রির ৭টা নাগাদ আমার ছেলে গিয়ে আপনার মাল ফের দিয়ে আসবে। আমদের কাছে কোন তঞ্চকতা পাবেন না। ঠিক সাতটার সময়ে মাল পাবেন। তবে ওদের একটু পানিটানি খেতে দেবেন ধরুন, গোটা পঞ্চাশেক টাকা। কত পরিশ্রম ওরা করবে তা তো জানেন না।

    ঠিকানা বলতে গেলাম, যে বলল–আপনার এলাকার সব বাড়ি আমি চিনি। তিনতলার সামনের ফ্ল্যাটটাতে তো, সামনে বারান্দা আছে একফালি।

    ঠিক সাতটার সময়ে বাড়ির সামনে একটা মোটর সাইকেল থামল, দুটি সুদর্শন ছোঁকরা নেমে এসে আমাদের সেলাম করে বলল, সাহেব পঠিয়েছেন।

    একজন পকেট থেকে প্লাস্টিকে মোড়া জিনিসটা দিল। আমার স্ত্রীতো নাচতে লেগেছে—এই তো আমার সেই নেকলেস। এই তো গোরার নাম মনোগ্রাম করা আছে পেছনে।

    আমি টাকাটা দিতে গেলে ওরা হেসে বলল-স্যার ঠাট্টা করেছিলেন। আপনার। কাছ থেকে কিছু নিতে বারণ করে দিয়েছেন।

    তারা নিঃশব্দে চলে গেল।

    গোলমালটা বাধাল আমার স্ত্রী। আনন্দে আত্মহারার হয়ে যে সমস্ত, ফ্ল্যাটবাড়ি, পাড়া, আত্মীয়স্বজন সবাইকে জনে জনে দেখিয়ে বেড়াতে লাগল, ওরা নিজেরাই ফেরত দিয়েছে। কেউ বিশ্বাস করল না, নিশ্চয়ই উনি ওটা বেশ কয়েকদিন লুকিয়ে রেখে আবার খুঁজে পেয়েছেন বলে লাফাচ্ছেন। এও কি কখনও সম্ভব? চোর এসে গৃহস্থের কাছে চোরাই মাল ফিরিয়ে দেয়।

    শিবুদা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল—আবার সেই দাম্পত্য কলহ, আমার সম্পর্ক তোদের বউদি একেবারে ত্যাগ করেছে। বলছে, কাগজে ফলাও করে মিছামিছি এত হৈ চৈ করেছি, এখন কেউ বিশ্বাস করতেই চাইছে না যে, হারটা আমার ছিনতাই হয়েছিল। গোরার কাছে আর মুখ দেখানোর উপায় রইল না।

    বললাম—গোরা মানে আপনার সেই স্যাকরা ছেলেটা? শিবুদা মুখ গম্ভীর করে বলল—সে সত্যিই খুব বিরক্ত। বলল, আপনি কি আমার নাম কাউকে বলেছেন? এ পাড়ায় গগন পিরখ নামে একজন ব্যবসাদার স্ত্রী ও মেয়েদের নিয়ে পাটি থেকে ফিরছিল গভীর রাতে। পথে একদল লোক গাড়ি থামিয়ে তাদের সব অলঙ্কার কেড়ে নিয়েছে। এখন আমাকে এসে ধরেছে সেগুলো উদ্ধার করে দিতে। আমি অবশ্য স্রেফ বলে দিয়েছি, আপনার নেকলেস আমি উদ্ধার করে দিই নি। কি জানি আমাকে আবার কোন গণ্ডগোলে না ফাসায়, শুনলাম বিজেপির লোক সে।

    শিবুদা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, আমি অত্যন্ত লজ্জিত হয়ে স্ত্রীর সেই সাধের নেকলেসটি লকারে বন্ধ করে রেখেছি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রিয় – ইমদাদুল হক মিলন
    Next Article গোপনে – ইমদাদুল হক মিলন

    Related Articles

    ইমদাদুল হক মিলন

    ইমদাদুল হক মিলনের বিবিধ রচনা

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    অন্তরে – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    এসো – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    প্রিয় হুমায়ূন আহমেদ – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    গোপনে – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    প্রিয় – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }