Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দুই বাংলার দাম্পত্য কলহের শত কাহিনী – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ও ইমদাদুল হক মিলন সম্পাদিত

    ইমদাদুল হক মিলন এক পাতা গল্প1423 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    টেককা টেককি – কণা বসুমিত্র

    টেককা টেককি – কণা বসুমিত্র

    ঠাণ্ডায় জবুথবু হয়ে চাদরটা গায়ে জড়িয়ে বসেছিল তিলক। ওর চোখের সামনে দিয়ে সকাল ফুরিয়ে যাচ্ছে। রোববার অথচ বেরোতে পারেনি। এই রোববারের সকালটাই সব থেকে দামি মনে হয় তিলকের কাছে। অঝোরে বৃষ্টি পড়ছে। সামনের রাস্তাটায় রীতিমতো জল দাঁড়িয়ে গেছে। আকাশ এখন মেঘলা। তিলক শীতকাতুরে হলেও শীত ভালবাসে। গরম মোটেই সহ্য হয় না ওর। লোডশেডিংয়ের দাপটে প্রায়ই ও সদিগর্মিতে ভোগে। অসহ্য গরমের পর সবে বর্ষা নেমেছে। সেই সঙ্গে ঝোড়ো বাতাস। তিলক বারান্দায় বসে হি হি করে কাঁপতে কাঁপতে বাগানের আমগাছের ডালে কাকের বাসা দেখছে। কদিন ধরে ঠোঁটে করে খড়কুটো এনে কাকটা দিব্যি বাসা বানিয়েছে। তারপর ডিম পেড়েছে। এখন যত্ন করে সেই ডিমে তা দিচ্ছে। ঝড়ের বেগে সব ডালপালা তখন ওলোট পালোট খাচ্ছে, কাকটা অসহায় ভীত চোখে এদিক ওদিক তাকাচ্ছে। তিলক ভাবে, কাকটাকে যদি ও সাহায্য করতে পারত।

    ওদিকে তিলকের বউ রান্নাঘর থেকে তখন হাঁক পাড়ছে, কি গো বাজার টাজার যাবে না?

    তিলকও চেঁচায়, এই জল কাদায় যাই আর কি? খিচুড়ি আলু-পেঁয়াজ ভাজা আর ডিমভাজা করে দাও। ফার্স্ট ক্লাস। আজ তো খিচুড়ি খাবার দিন।

    তিলক একেই কুঁড়ে। বাজারে যেতে চায় না। তারপর আবার বৃষ্টি হওয়ায় পোয়া বারো। কিন্তু বৌয়ের হাত থেকে কি আর রেহাই আছে? তেড়ে আর এক চোট বৃষ্টি নামে। তিলক মনে মনে খুশি হয়ে একটা সিগারেট ধরায়।

    তিলকের বৌয়ের গলা শোনা যায় রান্নাঘরে। তিরিক্ষি মেজাজে কী নিয়ে যেন ঝিয়ের সঙ্গে চঁচামেচি করছে। তিলক জানে, আসল ঝালটা তিলকের ওপরেই ঝাড়ছে। ঝি উপলক্ষ্য মাত্র। তু তিলক নট নড়ন চড়ন।

    ওর চোখের সামনে উঠোনের ওই প্যাঁচপেচে কাদা। আমের ডালটা যদি ভেঙে ওর মাথায় পড়ে?

    তিলক মরলে বৌ বড়োলোক। কথাটা ভেবেই চাপা রাগে দাঁত কিড়মিড় করে তিলক। তিলকের বৌ কাপড়ে হলুদ মুছতে মুছতে ওর সামনে এসে দাঁড়ায়। হাত নেড়ে বাজখাঁই গলায় বলে, শুধু চালে ডালে চড়িয়ে দিলেই হবে? নুন আনবে না? পেঁয়াজ আদা লঙ্কা? ডিমভাজা, আলু ভাজার ফরমাশও তো আছে?

    তিলকের মাথায় ধাঁই করে বেজে ওঠে পেঁয়াজ শব্দটা। তিলক ব্যঙ্গ মেশানো। গলায় বলে, আমাদের বাড়ি বাপু পেঁয়াজ টেয়াজ চলত না। পেঁয়াজ, মুরগি, এসব শব্দগুনো তুমি আসার পরই আমদানি…। তিলকের বৌ তেলে বেগুনে জ্বলে ওঠে।

    –কী কী বললে? আমি এসে? আমি এসে তোমার জিভের স্বাদ বাড়িয়েছি। বল? জানতে কিছু? পেঁয়াজ ছাড়া কি মশুর ডালের পাতলা খিচুড়ি হয়? পেঁয়াজ টমেটো..? এতদিন তো শুধু খেয়েছ তোমরা মুগডালের খিচুড়ি।

    তিলক হেসে বলে, মুগডালের খিচুড়িতে কেমন পুজো পুজো ভাব বল তো?

    –কী, কী বললে?

    তিলক বিড়বিড় করে বলে, ড্যামভ্যান উইল।

    –কী বললে?—এবার তিলকের বৌয়ের গলার স্বর আরও চড়া। তিলক কথা ঘুরিয়ে মুচকি হাসে। বলে, বলছিলাম ভোগের খিচুড়িই হোক না আজ।

    তিলকের বৌ চোখ বড়ো বড়ো করে বলে, বললেই হল? কোথায় তোমার গরম মশলা ঘি নারকেল,পেস্তা বাদাম কিশমিশ?

    তিলক বৌয়ের ফর্দ শুনে আঁতকে ওঠে।–এসব তোমার স্টকে নেই?

    –কী করে থাকবে? বাজার যাও কদিন?

    —তুমিও তো যেতে পার। তুমি তো বাপু পর্দানসীন যুগের বালিকা বধুটি নও?

    –নই। কিন্তু কেন যাব? তুমি রান্নাঘরের হেঁসেলটি ধরবে? আজকাল তো ফিফটি ফিফটির যুগ, তাই না? দুজনেই দুজনের কাজ সমান ভাবে ভাগ করে নেব।

    —বেশ, তুমি তবে অফিস যাও?

    –অফিস তো যেতুম। চাকরিটা ছাড়িয়ে দিলে কেন? হেঁসেলটা ধরার জন্যে নয়?

    —যে রাঁধে, সে চুলও বাঁধে।

    –এখন একথা বলছ, কিন্তু সেদিন? আমি তো তাই চেয়েছিলুম?

    কথা চলে যাচ্ছে অন্যদিকে। অশান্তির ঝড় উঠবে। তিলক চট করে বলে বসে, বৌ ট্রামে, বাসে, ঠেলাঠেলি তোণ্ডতি খেয়ে চাকরি করতে যাবে, আর আমি তাই বসে বসে দেখব?

    —ওসব ছাড়ো, ঢের হয়েছে আদিখ্যেতা। এবার ভোগের খিচুড়ি না কী বলছিলে, তাই বল?

    তিলক বলে, কী বলব? ঘরে কি মুগডাল, গোবিন্দভোগ নেই? নারকেল, কাজুর দরকার কী? আমার মাও তো খিচুড়ি করতেন!

    তিলকের বৌ বলে, কী বললে। তোমার মা ঘি গরমমশলা পেস্তা ছাড়া ভোগের খিচুড়ি করতেন কী করে? ভোগের খিচুড়ি বলতে আমরা তাই বুঝি গো। তোমাদের বাড়ির সঙ্গে আমাদের বাড়ির ঘরানার এটাই ফারাক। আমি বনেদি বাড়ির মেয়ে বুঝলে? কথাগুলো বলেই তিলকের বৌ ব্যঙ্গের হাসি হাসে।

    বৌয়ের কাছে হেরে গিয়ে তিলক মনে মনে লজ্জা পায়। কারণ, তিলক জানে, ওর বাপের বাড়ির গল্পের এখানেই শেষ নয়। তিলক তাড়াতাড়ি নিজেকে সামলে নিয়ে বলে, হ্যাঁ, হ্যাঁ, ভোগের খিচুড়ি আমার মাও অমনি করে করতেন। তবে এখানে মানুষের ভোগের প্রশ্ন উঠছে কিনা।

    তিলকের বৌ ভেঙে পড়া এলোখোঁপা ঠিক করতে করতে বলে, দেবতার ভোগ শেষ পর্যন্ত কাদের পেটে যায় মানুষছাড়া?

    তিলক বলে, আহা! থামবে? এই বৃষ্টির মধ্যে দোকানপাট কি তেমন খুলেছে। বল? তুমি বরং সস্তার খিচুড়ি টিচুড়ি কিছু একটা করে দাও।

    তিলকের বৌ ফের জ্বলে ওঠে। বলে না, সস্তা নয়। সস্তার খিচুড়ি আমি জানি না। আমি তো সস্তা বাড়ির মেয়ে নই? জানব কী করে?

    –মুশকিল! জানা উচিত ছিল। দ্যাখো দেখি, এই দুর্দিনের বাজারে…।

    তিলকের মুখের কথা কেড়ে নিয়ে ওর বৌ বলে, তোমার মায়ের তাহলে মেয়ে দেখতে যাবার সময় বলা উচিত ছিল, তুমি সস্তার রান্না কী শিখেছ মা? তা না বলে, উনি তো আমায় পোলাও, কালিয়া, চিংড়ির মালাইকারির রেসিপি জিজ্ঞেস করেছিলেন? ছেলের ক্ষমতার কথাটা ভেবে সস্তার রান্নার রেসিপি জিজ্ঞেস করলেই পারতেন?

    বৌয়ের কাছে মুখ ঝামটা খেয়ে তিলক চুপ করে যায়। এমন সুন্দর বর্ষার সকাল! কোথায় রসের কথা বলবে তা নয়। কী ঠিকুজি মিলিয়েই না মা বিয়ে দিলেন আহা! কিন্তু সেই বা কম যাবে? তিলক বলে, ওসব রান্নার রেসিপি জিজ্ঞেস করলেই তুমি পারতে? এমন একটা ভাব দেখাচ্ছ যেন কোনো হাই ফাই ঘর থেকে আসছ তুমি।

    তিলকের বৌ বলে, তাহলে কী আর তোমার সঙ্গে আমার বিয়ে হত?

    –সক্কালবেলা তুমি কি থামবে? তিলকের বৌ বলে, তুমি যত জোরে চ্যাঁচাবে, আমিও ততজোরে চ্যাঁচাব। তিলক বলল, তা আর চ্যাঁচাবে না? জ্যোতিষীকে দিয়ে ফলস্ কুষ্ঠি করে তো তোমার মা বিয়ে দিয়েছিলেন।

    তিলকের বৌ চোখ কপালে তুলে বলে, আর তোমার মা বুঝি ধোওয়া তুলসী পাতা? উনি যাননি পঞ্চানন জ্যোতিষীর কাছে তাঁর ছেলের নতুন কুষ্ঠি করতে?

    তিলক বলে, গিয়েছিলেন নিশ্চয়। যেমন তোমার মা গিয়েছিলেন।

    —এই খবরদার আমার মা তুলে কথা বলবে না বলছি। অত ছোট কাজ আমার মা করেন না বলছি।

    আমার মা-ই বুঝি করেন? —তিলক চেঁচিয়ে বলে, তিলকের বৌ ততোধিক চেঁচায়। উনি স্বর্গে গেছেন। ওঁকে নিয়ে আর কথা বাড়াতে চাই না। তোমাদের পরিবারের নাড়ি নক্ষত্র আমার জানা।

    বৌয়ের সঙ্গে তর্কে তিলক একেবারেই পেরে ওঠে না। ও দারুণ রেগে যায়। ও পাঞ্জাবির পকেট বাজিয়ে বলে, তোমার মা, বাবা কি খোঁজ খবর না নিয়েই বিয়ে দিয়েছিলেন? আমার অফিসে যান নি খবর নিতে? আমি রিটায়ার করলে কত পাব, না পাব, একেবারে ক্যালকুলেশন করেই না ওঁরা…।

    —থামো, থামো। —তিলকের বৌ বলে, তোমার মা বড়ো গলা করে বলেছিলেন, বিয়ের পরই নাকি তুমি ফরেন চলে যাবে?

    –ফরেন? —তিলক কপালে চোখ তোলে। বলে, একথা আবার কে বলল?

    তিলকের বৌ চোখ ঘুরিয়ে বলে, কে আবার বলবেন? তোমার মা-ই বলেছিলেন।

    তিলকের মেজাজ এবার সত্যি চড়ে যায়। ও দুহাত অস্থিরভাবে চুলের মধ্যে চালাতে চালাতে বলে, বাজে বকবে না বলছি। একদম বাজে বকবে না। আমার মায়ের তো আর মাথা খারাপ হয়নি? তিলকের বৌ বলে, মাথা খারাপ কেন হবে? একেবারে সুস্থ স্বাভাবিক মাথাতেই বলেছিলেন উনি।

    –দ্যাখো, আমার মায়ের নামে মিথ্যা বলবে না বলছি।

    তিলকের বৌ কপালে হাত ছুঁয়ে বলে, ছিঃ! মিথ্যে বলব কেন? উনি স্বর্গে গেছেন। ওঁর নামে কি মিথ্যে বলতে পারি? তিলক কোনো কথা বলে না। ও গম্ভীরভাবে বারান্দায় মোড়ার ওপর বসে বসে পা দোলায়। ওর মা যদি এখন বেঁচে থাকতেন? ও সোজা গিয়ে চেপে ধরত ওঁকে। মায়ের স্বভাবই ওই ছিল, ছেলের

    মতা থাক বা নাই থাক, বানিয়ে বানিয়ে তিলকে তাল করা। বিয়ের বাজারে ছেলের নাম তো বাড়ালেন, এখন ঠেলা সামলাবে কে?

    তিলককে জব্দ করতে পেরে তিলকের বৌ মহা খুশি। আড়চোখে সে স্বামীকে রিপ করতে করতে বলে, তোমার মা অবশ্য মিথ্যে বলেন নি। সত্যি তো ফরেন গিয়েছিলে তুমি। বাংলাদেশ যাওনি—কথাগুলো বলেই ও মুখ টিপে হাসে।

    অপমানে তিলকের মুখ লাল। সে আগুন চোখে স্ত্রীকে দেখে। তারপরই চেঁচিয়ে ওঠে, থামবে?

    ঠিক সেই সময় গেট খুলে কারা যেন হুড়মুড় করে ঢুকে পড়ে। তিলক একগাল হেসে বলে, একেবারে কাকভেজা হয়ে যে। আরে এসো, এসো।

    তিলকের বৌ পর্দা সরিয়ে বলে, ওমা, তোমরা? বোসো, বোসো।

    তিলক ত্যারছা চোখে স্ত্রীর দিকে তাকায়। আগন্তুক মহিলাটির চোখে মুখে হাসির বান। বলে যাক, চিনতে পারছ?

    তিলকের বৌ বাঁকা হাসি ছুঁড়ে বলে, কী যে বল? ও মুখ কি ভোলবার? তিলক বিরক্ত হয়, বৌয়ের ব্যঙ্গে। মহিলা তিলকের পূর্ব প্রেমিকা। বর্তমানে বন্ধুপত্নী। ওদের প্রেম যদিও বেশিদূর এগোয় নি। এই আড়ে আড়ে চাওয়া, কথার পৃষ্ঠে দু একটা কথা। ছোঁড়া। লুকিয়ে চুরিয়ে দূর থেকে চোখাচোখি। পয়লা বৈশাখের সকালে শুভেচ্ছা জানানোর ছলে একে অন্যকে রক্ত গোলাপ দেওয়া। হাতে হাত ছুঁইয়ে প্রেমের প্রতিশ্রুতি। এই আর কী। কিন্তু সেই পূর্বরাগের পালা চলতে না চলতেই মেয়েটির বিয়ে হয়ে যায়। বিয়ের পরই তিলক আবিষ্কার করে, ওরই এক বন্ধু ওর প্রেমিকার স্বামী।

    সেই সব গল্পই দুর্বল মুহূর্তে তিলক করেছে বৌয়ের কাছে। ব্যস, আর যায় কোথায়? উঠতে বসতে সেই খোঁটা।

    বন্ধু-পত্নী এলেই তিলক আজকাল খুব স্মার্ট হবার চেষ্টা করে। বুকের ভেতর পাথর চাপা যন্ত্রণা নিয়েও তিলক হাসিমুখে ওদের অভ্যর্থনা জানায়। এখন তিলক ঠোঁটে একটা সিগারেট গুঁজে বন্ধুর দিকে আর একটা এগিয়ে দেয়।

    সহাস্যে বন্ধু-পত্নীকে বলে, তারপর? অ্যাদ্দিনে মনে পড়ল? এ রাস্তা দিয়ে কি আর হাঁটা টাটা হয় না? বন্ধুপত্নীও কলকল করে ওঠে, আমাদের বাড়িটাই কি খুব বেশি দূরে? মনে আছে নিশ্চয়?

    তিলক উত্তর দেবার আগেই ওর বৌ বলে ফেলে, না না, এত তাড়াতাড়ি ভুল হবার নয়। তিলক শ্যেনদৃষ্টিতে বৌয়ের দিকে তাকায়। এতদিন বাদে দেখা, কিন্তু এভাবে বাগড়া দিলে কি কথা জমে? বৌয়ের মুখ নাড়া খেয়ে যে তিলক শামুকের খোলের মধ্যে গুটিয়েছিল, সেই তিলকই এখন একটু একটু করে বেরিয়ে আসে। তিলক ভাবে, এই বিবাহ শব্দটার মধ্যেই যত গণ্ডগোল। বিয়ে ফিয়ে না করলে তো দিব্যি বন্ধু-পত্নী টীদের নিয়ে চালিয়ে দেওয়া যেত।

    তিলকের বন্ধুটিও কম স্মার্ট নয়। তিলকের বৌয়ের দিকে তাকিয়ে সে বলে, কী ব্যাপার? আমার বৌ-ই বুঝি এ বাড়ির প্রধান অতিথি? আমি আর কেউ নই? আমায় বসতে বলনি তো?

    তিলকের বৌ ব্যস্ত হয়ে বলে, বসুন, বসুন। এক যাত্রায় পৃথক ফল, তা কি হতে পারে?

    গোঁফ মুচড়ে তিলকের বন্ধু আয়েশ করে বসে। তিলকের দিকে তাকিয়ে বলে, জানিস তো বেশিদিনের অদর্শনে সম্পর্কটা জোলো হয়ে যায়।

    তিলকের বৌ বলে, তাই নাকি। আমার তো মনে হয়, সম্পর্কটা আরো গাঢ় হয়। আমাদেরই দেখুন না, রোজকার এই মাজাঘষা জীবনে…। তিলকের বৌ আরো কী বলতে চায়। কিন্তু তিলক কড়া চোখে একবার তাকিয়েই বৌকে থামিয়ে দেয়। তিলক ভাবে, এই মুখরা স্ত্রীলোকদের জন্যেই সংসারে যত অঘটন। ওর বন্ধু-পত্নী তখন ঘাড় ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে বাড়ি দেখছে। গোটা বাড়িটা ঘুরে ঘুরে দেখে এসে তিলকের একদা প্রেমিকা বলে, যা একখানা বাড়ি করেছে, দারুণ!

    তিলক খুশি হয় না। ওর মুখটা ব্লটিং পেপারের মতো চুপসে যায়। সেই মুহূর্তে ওর চোখ চলে যায় ঘরের ফাটা দেওয়ালের দিকে। চুইয়ে চুইয়ে বৃষ্টির জল পড়ছে। এক বছরও হয়নি বাড়ির বয়স। এরই মধ্যে দেওয়াল ফেটে চৌচির। সিমেন্টে ভেজাল। কন্ট্রাকটর পয়সা মেরেছে। তিলক ভাবে সত্যিই কি প্রশংসা করল নাকি ওটা ওর শ্লেষ? তিলক কিছুই বলে না চুপ করে থাকে। ওর বৌই বলে, বাড়ির মালিক যদি মিষ্টি হয়, তবে ফাটা বাড়িও মিষ্টি কী বল?

    কোয়দায় পড়ে তিলক ভেতরে ভেতরে জ্বলতে থাকে। সেই বেকায়দা অবস্থা থেকে ওকে অবশ্য উদ্ধার করে ওই একদা প্রেমিকাটিই। সে বলে, বাড়ির মালিক মিষ্টি না টক, ঝাল, তেতো সে ভাই যে ঘর করে সে বোঝে। মিষ্টি হলেই বা, মিষ্টির ভাগটা তার ভাগ্যে জোটে কি?

    তিলকের বন্ধু বলে, চ্যাপ্টারটা এখন বন্ধ করলে হয় না? —সে তার স্ত্রীর দিকে তাকায়। তিলক তাড়াতাড়ি বৌকে বলে, যাও যাও চটপট চা করে নিয়ে এস। লাহিড়ীর গিন্নি একেবারে ভিজে ফিজে গেছে।

    তিলক সহজভাবে ওদের দিকে তাকায়। কিন্তু তিলকের বৌয়ের বুকে কথাটা ধ করে বাজে। তিলকের বৌ ভাবে, আহা, সে কি এ বাড়ির দাসী বাঁদি? লাহিড়ী গিন্নির জন্যে চা করতে যাবে? তিলকের বৌ তাই সঙ্গে সঙ্গেই নড়ে না। উল্টে তিলককে বলে, তুমি যাও তো চটপট বাজারটা সেরে ফেল। চায়ের ভাবনা তোমায় ভাবতে হবে না। তারপরই তিলকের বৌ অদ্ভুত এক কাণ্ড করে ফেলে। সে খপ করে লাহিড়ী গিন্নির হাত চেপে ধরে গলায় মধু ঢেলে বলে, এসো ভাই, কাপড়টা ছেড়ে ফেলো।

    অপ্রস্তুত লাহিড়ী গিন্নি বলে, আমার কিছু অসুবিধে নেই। সিনথেটিক শাড়ি। হাওয়ায় দিব্যি শুকিয়ে যাবে। কথাগুলো বলেই লাহিড়ীর বউ উঠে দাঁড়িয়ে। ফ্যানের রেগুলেটারের গতিটাকে বাড়িয়ে দেয়। শাড়ির আঁচলটা ছড়িয়ে ধরে পাখার নিচে। সময়টা বর্ষাকাল হলেও শীতকাতুরে তিলক খক খক করে কাশে। এতক্ষণে ওদের দুজনেরই খেয়াল হয়, তিলকের গায়ের চাদরটার দিকে। লাহিড়ীর বউ হেসে বলে, কী ব্যাপার? আপনার গায়ে কি দার্জিলিঙ পাহাড়?

    তিলক লাজুক লাজুক হাসে। তিলকের বউ বলে, ওর তো সব সময় শীত শীত বাকি।

    লাহিড়ীর বউ অন্যমনস্কভাবে বলে, জানি?

    তিলকের বউ আড়চোখে তাকিয়ে বলে, জানো?

    তিলক সপ্রতিভভাবে কথাটা ঘুরিয়ে দিয়ে বলে, হ্যাঁ, পূর্বজন্মের স্মৃতি থেকে।

    তিলকের বন্ধু লাহিড়ী বলে, তোমরা আপাতত পূর্বজন্মের স্মৃতিচারণ কর। আমি একটা সিগারেট ধরাই।

    লাহিড়ীর কথায় সবাই হেসে ফেলে। তিলকের বউ উঠে দাঁড়ায়। এবার সত্যি সে চা করতে যায়। বউয়ের পেছন পেছন তিলকও যায় রান্নাঘরে। তিলক গলার স্বর খাদে নামিয়ে বলে, কিগো শুধু চা-ই দেবে? কিছু আনতে টানতে হবে না?

    তিলকের বউ কোনো জবাব দেয় না। গুম হয়ে থাকে। তিলক নরম গলায় আমতা আমতা করে, মানে ওরা ভিজে টিজে এল তো? আর অদ্দিন বাদে এল, তাই বলছিলাম, গরম চপটপ…।

    তিলকের বউ ফোঁস করে ওঠে, এই না বাজার করার নামে তোমার জ্বর এসেছিল?

    তিলকের আর দ্বিতীয় কথা বলা হয় না। ও কেন্নোর মতো গুটিয়ে যায়। তিলক ভাবে, ধিক্ তার পুরুষ জন্ম। এই রকম চল্লিশ ইঞ্চি বুকের ছাতি নিয়েও বউয়ের বিনা

    অনুমতিতে ভূতপূর্ব প্রেমিকার জন্য কিছু খাবার দাবার আনার সাহস নেই তার? গোমড়া মুখে ফিরে গিয়ে বাইরের ঘরেই বসে তিলক। ভিজে কাপড়ের মধ্যে থেকে ভুরভুর করে বন্ধু-পত্নীর গায়ের মিষ্টি গন্ধ। তিলক সাবধানে টেনে নিঃশ্বাস নেয়। চোরের মতো চেয়ে দেখে বন্ধু পত্নীকে। লাহিড়ীর বউ আরও গোলগাল হয়েছে। তিলক চাপা নিঃশ্বাস ছেড়ে ভাবে, এই পুরুষোচিত বিশাল শরীরটা নিয়েও সে মেয়েমহলে ভিতুই থেকে গেল? শুধুমাত্র অধিকার প্রয়োগের অভাবে সে এই মেয়েটির জীবনসঙ্গী হতে পারল না

    তিলকের বউ খানিকবাদে চা নিয়ে আসে। অন্য প্লেটে চানাচুর। কিছু পকৌড়াও ভেজে এনেছে বউ। তিলক অবাক হয়। তিলককে আরও অবাক করে দিয়ে বউ বলে, বিষ্টি ফিষ্টি পড়ছে, আমাদের সঙ্গে আজ দুটো খিচুড়ি হয়ে যাক না?

    কথাটা ছুঁড়েই সে তিলকের দিকে তাকায়। তিলক বোঝে, বউ ওকে টেক্কা দিতে চায়। তিলকের হয়তো খুশি হওয়াই উচিত ছিল। লাহিড়ী আর লাহিড়ীর বউ কিছু বলার আগেই তিলক তাড়াতাড়ি বলে, হ্যাঁ, ওদের বয়েই গেছে তোমার খিচুড়ি

    খেতে। রোববারের দুপুর। ওদের হয়তো অন্য কোনো প্রোগ্রাম ট্রোগ্রাম…।

    লাহিড়ীর বউ বলে, না সেসব কিছুই নেই। দুপুরটা কাটিয়ে যেতে পারলে তো আমাদেরও ভালই লাগত। কিন্তু ছেলে মেয়েকে ফেলে এসেছি তো? চায়ের কাপে চুমুক মেরে লাহিড়ী বলে, আজ্ঞার পক্ষে খিচুড়ি কিন্তু উত্তম। বৃষ্টিও পড়ছে। তিলক! তাস ফাস চলবে নাকি?

    তারপর নিজের স্ত্রীর দিকে তাকিয়ে বলে, তুমি না হয় বাড়ি যাও। অনেকদিন পর আমাদের আজ এখানে তাসের আড়াই হোক।

    ফ্যাসফেসে গলায় তিলক কী বলতে যায়, তিলকের বউ হেসে বলে, ওই বা যাবে কেন? একটা দুপুর কাজের লোকই না হয় ছেলেমেয়েকে দেখবে। ফোন করে, দিলেই হয়?

    তিলক আশ্চর্য হয়, তার বউ হাত গলে বেরিয়ে গিয়ে কেন বারবার প্রথম হবে? তিলককে জিততে দেবে না? এখন যে খেলার চালটা তার বউ চালছে, তাতে অবশ্য তিলক খুশি। স্বামীর পূর্ব প্রেমিকার সঙ্গে ভদ্রতা করে বউ উদার হতে চায়। তো হোক হা। চায়ের কাপ শেষ করে তিলক হাসি মুখে উঠে দাঁড়ায়। এই মুহূর্তে তিলকও খুব উদার হয়ে যায়। বউকে বলে, দাও বাজারের ব্যাগটা।

    তিলকের বউয়ের চোখে তখন ছুরির ধার। তিলক বউকে এবার গ্রাহ্য না করে সাহসী হয়ে যায়। লাহিড়ী, লাহিড়ীর বউ দুজনেই বাধা দিয়ে বলে, এই না খিচুড়ির মেনু হল? তবে আবার বাজার কেন?

    তিলক বলে, শুধু খিচুড়ি খাওয়ালে আমার বউয়ের প্রেসটিজ থাকবে? সেই সঙ্গে ইলিশ মাছ ভাজা যদি না হয়? এই বর্ষার বাজারে যা ইলিশ উঠছে না?

    তিলকের বউ তাড়াতাড়ি বলৈ, টিফিন ক্যারিয়ারটা দিয়ে দিই? আসবার পথে অন্নপূর্ণা হোটেল থেকে কিছু কষা মাংসও নিয়ে এসো।

    তিলক এবার বিপদে পড়ে যায়। ও মনে মনে গজরায়, মাসের শেষ। পকেট ফাঁকা। হোক গে প্রেমিকা…। তিলক ভালই জানে বউ ঝুটঝামেলা পছন্দ করে না। বাড়িতে মাংস রান্নার ঝামেলা তুললে ও সুড়সুড় করে লেজ গুটিয়ে পালাবে। তিলক বলে, রেস্তারাঁর মাংস খাওয়াবে? তার চেয়ে বাড়িতেই তুমি মাংসটা…। তোমার হাতের কষা মাংস তো চমৎকার।

    তিলকের বউ কিন্তু খুশি হয়। হেসে বলে, থাক এদের সামনে আর স্ত্রৈণভাব দেখাতে হবে না। অন্নপূর্ণার কষা মাংস তো তোমার খুব প্রিয়। বন্ধু আর বন্ধু-পত্নীকে তোমার প্রিয় রেস্তরাঁর কষা মাংসের টেস্টটা করানোর সুযোগ যখন পেয়েইছো…।

    লাহিড়ী, লাহিড়ী বউ আর একবার বাধা দেয়। তিলকের বউ ততক্ষণে স্বামীর হাতে টিফিন ক্যারিয়ার আর বাজারের ব্যাগটা ধরিয়ে দিয়েছে। জোর করে সরু এক ফালি হাসি টেনে বেরিয়ে যায় তিলক। ভাবে, এক মাঘে শীত যায় না। ও দুপুরে এর শোধ তুলবে। বউকে সে চেনে।

    তাসের আড্ডায় ওরা তিনজন দারুণ জমাবে। তিলকের বউ তাস চেনে না। খেলতে জানে না। লাহিড়ীর বউ তাসে ওস্তাদ। তিলক তাস খেলতে খেলতে লাহিড়ীর বউয়ের চোখে চোখ ফেলতে ফেলতে মাংসের খরচের টাকাটা তুলে নেবে।

    বাজার নামিয়ে তিলক বলে, কই গো শুনছ? নাও তুমি তোমার অতিথিদের ইলিশ মাছ ভাজা খাইয়ে শখ মেটাও। আমরা তাসে বসি।

    তিলকের বউ বলে, ওমা সেকি! ওর সঙ্গে দুটো সুখ-দুঃখের কথা কইব না? সেজন্যই তো আটকালুম। এসো, এসো, ভাই…। লাহিড়ীর বউয়ের হাত ধরে তিলকের বউ প্রায় টেনেই নিয়ে যায় রান্নাঘরে। মোড়ায় বসতে দেয়।

    তিলক চাপা নিঃশ্বাস ছেড়ে ফ্যাল ফ্যাল করে তাকায়। তিলকের মনে হয়, সংসারের এই ম্যারাথন রেসে তিলক আর তার বউ যেন অনবরত ছুটছে। তিলক যতই আগে ছুটতে চাইছে, ততই সে পিছিয়ে পড়ছে। এভাবে তাকে হারিয়ে দিয়ে তিলকের বউ বিজয়িনীর হাসি নিয়ে যেন তিলককে বলছে, বোকা, বোকা, বোকা…।

    তিলক ভাঙা মন নিয়ে তাসের আসরে বসে। কিন্তু এখানেও সে হেরে যায়। বিবিহীন তাসের আসরে ওর যেন সব গোলমাল হতে থাকে। রান্নাঘর থেকে তখন ভেসে আসে, তিলকের বউয়ের অজস্র কথা আর হাসির টুকরো। লাহিড়ীর বউয়ের রিনরিনে গলা।…

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রিয় – ইমদাদুল হক মিলন
    Next Article গোপনে – ইমদাদুল হক মিলন

    Related Articles

    ইমদাদুল হক মিলন

    ইমদাদুল হক মিলনের বিবিধ রচনা

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    অন্তরে – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    এসো – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    প্রিয় হুমায়ূন আহমেদ – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    গোপনে – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    প্রিয় – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }