Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দুই বাংলার দাম্পত্য কলহের শত কাহিনী – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ও ইমদাদুল হক মিলন সম্পাদিত

    ইমদাদুল হক মিলন এক পাতা গল্প1423 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পঞ্চম রিপু – শৈলেন রায়

    পঞ্চম রিপু – শৈলেন রায়

    টাকার রং কেমন? সাদা না কালো?

    না, টাকার কোন রং নেই। না সাদা না কালো।

    টাকা রোমাঞ্চকর এক অনুভূতি। টাকার না আছে পাপ না পুণ্য।

    গঙ্গাজলের মত। গরু ছাগল মানুষের গলা-পচা শব ভেসে যায় জলে। নোংরা আবর্জনা সব নিয়ে সাগরসঙ্গমে চলে নদী। চির-পবিত্র চিরনতুন। এই জলে পাপী তাপী পুণ্যাত্মা অবগাহন করে। ঘড়ায় জল ভরে বাড়ি নিয়ে যায়। পান করে। দেবতার পুজোয় লাগায়।

    হাতিবাগানে এককালে হাতি কেনাবেচা হতো। রাজারাজড়া জমিদার তালুকদার ব্যবসায়ী সেই হাতি কিনতে। দোল দুর্গোৎসবে হাওদাচড়িয়ে সেই হাতি নিয়ে শোভাযাত্রা করতো।

    কলকাতার বাবু কালচার আর নেই।

    অনেক সিন্দুক শূন্য হয়ে গেছে। মদ মেয়েমানুষ ভাইয়ে ভাইয়ে মামলা মারামারি কাটাকাটি। মহাকালের কশাঘাতে প্রাসাদের মত বাড়িগুলো ভগ্ন জীর্ণ। ধুকছে।

    পুরনো বাড়ি ভেঙে নতুন নতুন বাড়ি তৈরী হচ্ছে। দশ তলা বারো তলা। খোপে খোপে মানুষ। রাস্তাঘাট আলো আর থিকথিকে মানুষ। কলহ বিপদ হৈ হট্টগোল।

    সেই কলকাতা আর নেই।

    বুক ভেঙে দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে আসে তেজেন্দ্রনারায়ণের। এতসব তার জানার কথা। কিন্তু জানে। কিছু বই পড়ে, বেশীর ভাগ বৃদ্ধ নায়েবের মুখ থেকে গল্প শুনে।

    সে জমিদারী এখন আর নেই। কিন্তু গল্প আছে।

    বৃদ্ধ নায়েব বসে থাকেন আর ঝিমোন। বাড়ির কর্তৃঠাকুরণ, তেজেনের ঠাকুমার হুকুমে আফিমের বরাদ্দ বেড়েছে বৃদ্ধ মানুষটির। কর্তাদের আমলে বহু কাজ করেছেন এখন বিশ্রামের সময়। কিন্তু বিশ্রাম বললেই বিশ্রাম হয় না। যতক্ষণ জেগে থাকেন। লাঠি নিয়ে খুট খুট করে এঘর ওঘর ঘুরে বেড়ান।

    আগে তে-তলা অবদি উঠতে পারতেন হলধর। এখন পায়ে আর সে জোর নেই। এক তলায় ঘুরে বেড়ান আর চাকর ঝিদের ওপর খবরদারি করেন।

    সন্ধ্যের আগে নিজের ঘরে ঢুকে যান। বসে থাকেন একটি কিশোরের প্রতীক্ষায়, তেজেন্দ্রনারায়ণ গুটিগুটি ঘরে ঢোকে। তার নির্দিষ্ট চেয়ারে এসে বসে। বলে, গল্প বলল দাদু।

    গল্প বলেন হলধর। চৌধুরী বংশের গল্প। কী পরাক্রান্ত ছিলেন তেজেন্দ্র নারায়ণের পূর্বপুরুষেরা।

    বিশাল বৈঠকখানায় টাঙানো অয়েলপেন্টিং। কেউ বসেছে সাদা ঘোড়ায় কেউ বা কালো ঘোড়ায়। কেউ বা দাঁড়িয়ে আছেন। মাথায় উষ্ণীষ কোমরে খাপে মোড়া বাঁকা তলোয়ার। ঠোঁট-জোড়া বিরাট গোঁফ।

    উদ্ধত দাম্ভিক সব পুরুষ। তেজেন্দ্রনারায়ণের পূর্বপুরুষ।

    তুই তোর বাপ দাদার মত হলি না কেন দাদু। এ প্রশ্ন নয়, বৃদ্ধ নায়েবের ক্ষেদ।

    বালক তেজেন্দ্র উত্তর দিতে পারে না।

    উত্তর তার জানা নেই।

    সে বলে, তুমি গল্প বলো দাদু।

    তেজেন্দ্র শান্ত ধীর স্থির। সংযত। সে গল্প শুনতে বড় ভালবাসে।

    গল্প বলেন হলধর। গভীর মনোযোগ দিয়ে শোনে তেজেন্দ্র।

    এত বড় বাড়ি, বলতে গেলে অট্টালিকা। কিন্তু মানুষের সংখ্যা কম। কর্তা মা, গিন্নী ঠাকরুণ এবং বংশের কুলপ্রদীপ তেজেন্দ্রনারায়ণ চৌধুরী। বাকী সবাই কাজের লোক। আর একটি মানুষ হলধর বিশ্বাস। এককালে তাকে বাইরের লোক হিসেবেই ভাবা হতো। এখন তিনি ঘরের মানুষ। বিশ্বস্ত বিচক্ষণ।

    বিরাট এক ইতিহাস বহন করে বেড়াচ্ছেন নিজের ন্যুজ পিঠে।

    লোকে বলে টাকার কুমীর। সঠিকভাবে কেউ জানে না চৌধুরীদের কত টাকা। জলধর জানেন। যতদিন ক্ষমতা ছিল তিনি একটা অলিকা তৈরী করেছেন। সেই তালিকা কর্তামাকে দিয়েছে। কর্তামা দিয়েছেন পুত্রবধূকে। বিধবা পুত্রবধূ সেটি দিয়েছেন তেজেন্দ্রকে। সে তালিকার ওপর চোখ বুলিয়ে সিন্দুকে তুলে রেখেছে। তা। নিয়ে মাথা ঘামায় নি।

    আছে, থাক। ফেলে দেবার মত বস্তু তো নয়। মাথায় নিয়ে নাচানাচি করার মতও কিছু নয়। আদরের ধন আদরেই আছে।

    ব্যাঙ্কে, সিন্দুকে, জমিজমায়, ভাড়া-দেওয়া বাড়িতে।

    সংসার চলছে নদীর মত। ধীর সংযত শান্ত।

    এই শান্ত পরিবেশে তেজেন্দ্র বড় হতে লাগলো। স্কুল থেকে কলেজ। কলেজ থেকে ইউনিভারসিটি। ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশ ভিন্ন ভিন্ন মানুষ। সহপাঠী পাঠিনী। অনেকে ভাব জমাতে এগিয়ে এল। তেজেন্দ্র নির্লিপ্ত। সে সবার সঙ্গে হেসে কথা বলে। পারতপক্ষে কারও মনে আঘাত দেয় না। ছেলেরা বলে দাম্ভিক। মেয়েরা মনে মনে গালপাড়ে, মাকাল ফল একটা। দেখতেই যা। পাখিও এ ফলে ঠোঁট ছোঁয়ায় না।

    তেজেন্দ্রর কানে আসে, মেয়েরা তার নাম দিয়েছে, মিষ্টার মাকাল।

    সে মনে মনে হাসে। মনের হাসি মুখে প্রকাশ পায় না। যতদিন পর্যন্ত হল বেঁচে ছিলেন মনের কথা হলধরদাদুকে বলতে তেজেন্দ্র। শুধুমাত্র হলধরকেই।

    হলধর একদিন কষ্ট করে ওপরে উঠলেন। কর্তামা গত হয়েছেন। গৃহকর্তী এখন তেজেন্দ্রর মা বিভাবতী। তিনি ওপরে থাকেন। নীচে বড় একটা নামেন না। হাঁটুতে ব্যথা। চলাফেরা যা করেন ওপরেই করেন। কর্তা যতদিন বেঁচে ছিলেন তার ছায়ায় বাড়িময় বিচরণ করতেন। চাকর ঝিদের দিয়ে কাজ করাতেন। বাড়িঘর পরিষ্কার করাতেন। রান্নার ঠাকুরকে দরকার মত নির্দেশ দিনে। নিজেও মাঝে মধ্যে হাতা খুন্তি ধরতেন। কর্তা ভোজনবিলাসী ছিলেন। স্ত্রীর হাতের রান্না খেতে তিনি খুব ভালবাসতেন। বিভাবতী ভালবাসতেন তার সুরসিক স্বামীটিকে।

    স্বামীর মৃত্যুর পর বিভাবতীর জগৎ আলোশূন্য হয়ে গেল। বাঁচার স্পৃহা তিনি হারিয়ে ফেললেন। কিন্তু মৃত্যু কারও আজ্ঞাবহ ভৃত্য নয় যে ডাকলেই হুজুর বলে ছুঁটে আসবে। তাছাড়াও একটা ব্যাপার আছে তেজেন্দ্রকে একা ফেলে রেখে স্বর্গে গেলেও তার সুখ নেই। একথা তিনি মনে প্রাণে বিশ্বাস করে নিয়েছিলেন।

    সংসার আবার আগের মত চলতে লাগলো। ধীর সংযত শান্ত।

    হলধর বললেন, আর দেরী করা ঠিক হবে না বউরানি। শরীরের গতিক ভাল ঠেকছে না আমার। যদি কিছু হয়ে যায় তেজেন্দ্রকে নিয়ে তুমি বিপদে পড়বে। এখনই ওর বিয়ে দেওয়া দরকার। আমি থাকতে থাকতে।

    হলধরের কথায় সম্মতি জানানোই বিভাবতীর রীতি। তিনি বললেন, ওর বিয়ের ব্যবস্থা করুন।

    ব্যবস্থা করুন বললেই কনে জোগাড় করা যায় না। বিচক্ষণ জলর মন করলেন, তেজেন্দ্রর মধ্যে যে তেজ রয়েছে সেই তেজ বহির্মুখী নয়। সে তেজকে দেখা যায় না। তাকে অনুভব করতে হয়। সুতরাং এমন মেয়ে চাই, যে হবে রূপসী বিদূষী তীক্ষ্ণবুদ্ধি সম্পন্ন। তার মনে থাকবে ভালবাসা। সেই ভালবাসা দিয়ে সে ভরিয়ে তুলবে তেজেন্দ্রর শান্ত নিস্পৃহ মনকে। ভালবাসার তেজে জ্বলে উঠবে তেজেন্দ্র! হলধর খুবই বুদ্ধিমান। জমিদারী কাজে অত্যন্ত বিচক্ষণ। এ সংসারের হিতকামনায় তিনি জীবন পর্যন্ত বিসর্জন দিতে পারেন। বিশেষ করে তেজেন্দ্রর স্বার্থে।

    তিনি ঘটক লাগালেন। ঘটক একজন দুজন না ছ’জন। তারা দিকে দিকে ছড়িয়ে পড়লো। সেরা পাত্রী চাই। রূপে লক্ষ্মী, গুণে সরস্বতী। যদি প্রয়োজন পড়ে গরীব ঘরের মেয়েকে টাকা দিয়ে তুলে আনবেন। শাঁখা সিন্দুরটুকু হলেই চলবে বাদবাকী খরচাপাতি হাতিবাগানের চৌধুরীদের।

    হলধরের হিসেবে একটু ভুল ছিল। তিনি কড়ি দিয়ে তেজেন্দ্রর সুখ শান্তি কিনতে চেয়েছিলেন। অর্থ দিয়ে অনেক কিছুই কেনা যায় এ কথা যেমন সত্য কিন্তু তার বাইরে আর একটা বস্তু রয়েছে। সে বস্তুটিকে দেখা যায় না বোঝা যায় না। এমনকি ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় দিয়ে অনুত্বও করা যায় না। মাথার ওপর যিনি রয়েছে, সেই বিধাতা পুরুষটি ভয়ানক রকমের খামখেয়ালি। নাকি তিনি খামখেয়ালীপনা করেন না। আমরা তাঁকে বুঝতে পারি না। চাইও না হয়তো।

    সে কথা এখন থাক।

    .

    ২.

    সুন্দরবন তখন পার্কটি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।

    গড়ের মাঠ জুড়ে ছিল নলখাগড়ার জঙ্গল। সেই জঙ্গলে বুনো শুয়োর হরিণ বিষধর সাপ ময়াল গোখুরো কেউটে। আর ছিল বাঘ। হলুদের ওপর কালো ডোরা কাটা। হেস্টিং সাহেব এই বনে হাতিতে চড়ে বাঘ শিকার করতে এসেছিল। এসব। ইতিহাসের কথা। কিন্তু ইতিহাস নিয়ে বিশদ আলোচনা করা এ গল্পের বিষয়বস্তু নয়।

    এ হচ্ছে এক নারী পুরুষের কাহিনী।

    চৌধুরীদের ঘটক ঘুরতে ঘুরতে সিংহ বাড়িতে এসে উপস্থিত একদিন। রতিকান্ত তখন ব্রেকফাষ্ট শেষ করে খবরের কাগজ পড়ছিলেন।

    ছাতা হাতে ঘটক এসে দাঁড়ালো। মাথায় বড় টিকি শ্বেতচন্দন দিয়ে কপাল লেখা। মাথা নুইয়ে হাতজোড় করে বিনয় বিগলিত কণ্ঠে বললে, একটা নিবেদন ছিল কত্তা।

    তখন পর্যন্ত ঘটকদের খাত্রি ছিল। ছেলেমেয়েদের বিয়ের জন্য কাগজে কাগজে বিজ্ঞাপন দেওয়ার রীতি তেমনভাবে চালু হয়নি।

    কর্তামশাই রতিকান্ত সিংহ রাশভারী মানুষ। মুখে খুশি প্রকাশ না করলেও তার চোখে খুশির আলো ঝিলিক দিয়ে উঠলো। তার একমাত্র কন্যা নারায়ণীর বিয়ের জন্য তিনি কিঞ্চিৎ উতলা হয়ে উঠছিলেন। মার শরীর ভাল যাচ্ছে না। নাতনীর বিয়ে দেখে যেতে চান। রতিকান্ত মাতৃভক্ত সন্তান। মা-মরা মেয়েটিকে আদরে আল্লদে বড় করে তুলেছেন। কিন্তু বড় করলেই তো হবে না। চাই উপযুক্ত পাত্র।

    নারায়ণী যেভাবে বেড়ে উঠেছে সেখানে শাসনের বালাই নেই। শুধুই আদর দিয়ে যাওয়া। দুদিন পর তো শ্বশুর বাড়ি যেতে হবেই। সুতরাং যতটা আদরে। আহলাদে কন্যাকে রাখা যায়।

    কর্তা প্রশ্ন করলেন, পাত্র কি করে?

    কিছু করার দরকার পড়ে না হুজুর। ফেলে ছড়িয়ে খেলেও সাত পুরুষের বাইরে বেরোতে হবে না চাকরির ধান্দায়।

    বসে বসে খেলে কুবেরের ভাণ্ডারও শূন্য হয়ে যায়।

    খুব সত্যকথা হুজুর। যে চৌবাচ্চায় জল ঢোকে না সে চৌবাচ্চার জলে চান করা বাসন মাজা করতে গেলে শূন্য তো হবেই। এ চৌবাচ্চার জল ঢোকার নল বেরোনোর নলের চেয়ে বল মোটা। ঘটক হি হি করে হাসতে লাগলো।

    রতিকান্ত পার্কটি পাড়ার মানুষ। সাহেব কম্পানিতে বড় চাকরি করেন। মোটা টাকা মাইনে পান। কিন্তু জমানো টাকা বলতে তেমন কিছু নেই। সাহেব সুবোদের সঙ্গে ওঠা বসা, ক্লাব পার্টি এ সবের পেছনে গুচ্ছের টাকা খরচ হয়ে যায়। মেয়ের জন্যেও খরচ বড় কম নয়। মা মরা মেয়েটিকে, তিনি সব দিক দিয়ে আধুনিকা করে গড়ে তুলছেন। শুধু রূপ থাকলেও হয় না চাই শিক্ষা দীক্ষা। লরেটো হাউসে ভর্তি করে দিয়েছে। সাহেবরা দেশ ছেড়ে চলে গেছে কিন্তু সাহেবিয়ানা যায় নি। দেশীবাবুরা এখন সাহেবদের থেকেও বেশী সাহেব। তাদের ইংরেজি বলন চলন যে কোন আসল ইংরেজকেও লজ্জা দিতে পারে। পার্টিতে দেশী সাহেবরা যেভাবে সুটেট বুটেট হয়ে বিলেতি বাজনার তালে তালে মদ খেয়ে নাচে বিলেতি সাহেব তা দেখলে চোখ ছানাবড়া করে তাকিয়ে থাকবে।

    নারায়ণীকে এটুকু বয়সে, সবে আঠেরোয় পা দিয়েছে সে, বিয়ে দেওয়ার ইচ্ছে ছিল না রতিকান্তর। কিন্তু মা জমিদার বংশের ঐতিহ্য নিয়ে এ বাড়ির বৌ হয়ে এসেছিলেন, তখন থেকেই সংসার পরিচালনার ভার নিজের হাতে তুলে নিয়েছিলেন তিনি। রতিকান্তর বাবা ছিলেন নেহাতই গো-বেচারি গোছের মানুষ। সরকারি চাকুরি করতেন। মোটা টাকা মাইনে পেতেন। জীবনপাত করে আপিসের কাজ চালিয়েছেন। আপিস নিয়ে সদা ব্যস্ত এই মানুষটির সংসারের দিকে নজর দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে নি। সংসার জুড়ে রয়েছেন গিন্নী। দশভুজার শক্তি নিয়ে তিনি সংসার পরিচালনা করেছে তারপর সুযোগ্যা পুত্রবধূর হাতে সংসারের ভার তুলে দিয়ে তিনি অবসর নিয়েছে। অবসর নিলেও নিশ্চিন্ত হতে পারেন নি; ক্রমাগত রোগে ভুগতে ভুগতে রতিকান্তর বৌ মারা গেলেন।

    মেয়েদের সব বয়সই পুতুল খেলার বয়স।

    ঠাম্মা নতুন করে আবার নারায়ণীকে নিয়ে পড়লেন। নাতনী বিলেতি স্কুলে পড়ছে পিয়ানো বাজাচ্ছে, বিটোভেন মোসার্ট। সঙ্গে সঙ্গে মাষ্টার রেখে নাতনীকে গান শেখাচ্ছেন। অতুল প্রসাদ রজনীকান্ত রবীন্দ্র সঙ্গীত। নজরুলের গান। যতদিন শরীরে শক্তি ছিল নারায়ণীকে হাতে ধরে রান্নাও শিখিয়েছেন। তারপর একদিন রতিকান্তকে বললেন, ঘোড়াকে মাঠে নামার উপযুক্ত করে দিলাম। এবার বাজিমাৎ করার দায়িত্ব তোর।

    রতিকান্ত মার কথার খোঁচা বুঝতে পারে না। তিনি যে নিয়মিত রেসের মাঠে যান মা সে কথা জানেন। জানলেও ঘোরতর আপত্তি তোলেন না। পুরুষ মানুষের সর্বক্ষণ ঘরমুখী হয়ে থাকা তার পছন্দ নয়। তাঁর স্বামী ছিলেন সুবোধ বালক সম্প্রদায়ভুক্ত। এই অতিভালত্ব তাকে একদিকে যেমন সুখ দিয়েছিল অন্যদিকে মনে মনে তিনি হয়ে উঠেছিলেন বিদ্রোহিনী। মুখে কোনদিন সেই বিদ্রোহ প্রকাশ না করলেও তিনি চেয়েছিলেন বাবা-দাদাদের মত তার স্বামীও যথার্থ পুরুষ হয়ে উঠুক। কিন্তু নদীর গতিপথ হয়তো বদলানো চলে কিন্তু মানুষের মনের গভীরে যে আর একটা মন আছে সেই মনকে শত চেষ্টা করলেও বশে আনা যায় না। অধিকাংশ সময় সেই মন থাকে ঘুমিয়ে, খোঁচা দিয়ে তাকে জাগাবার চেষ্টা করো, সে হয়তো ক্ষণকালের জন্য জেগে উঠবে কিন্তু তার জীবন স্রোতে পরিবর্তন আসবে না। যদি বা আসে সেই পরিবর্তন হবে ক্ষণস্থায়ী।

    অতি যত্নে যেমন গাছের শ্রীবৃদ্ধি হয় না, নারায়ণীও হয়ে উঠলো অতিমাত্রায় আত্মসচেতন, উদ্ধত এবং অসহিষ্ণু। একদিন সে রতিকান্তকে বললো, আমার নামটা পাল্টে দাও। নারায়ণী থেকে আমি তিস্তা হতে চাই।

    মা কষ্ট পাবে মা-মণি।

    ঠাম্মাকে বোঝাবার ভার আমার। তুমি অন্য সব ব্যবস্থা করে দাও।

    ব্যবস্থা হয়ে গেল। নারায়ণী তিস্তা হলো। রতিকান্ত প্রশ্ন করলেন, বুঝলুম পাত্র সৎবংশজাত, বিদ্বান, ধন সম্পত্তি আছে। বয়স যা বললেন তাতে আমার মেয়ের সঙ্গে মানাবে। পাত্র দেখতে কেমন?

    পুষ্ট টিকির ওপর দিয়ে হাত বুলোতে বুলোতে ঘটক বললেন, কার্তিকের মত।

    কার্তিককে আপনি দেখেছেন?

    হ্যাঁ, বহুবার।

    রতিকান্ত ধমক লাগালেন, মিছে কথা বলবেন না।

    পুরহিতের ঠোঁটে হাসি ফুটে উঠলো, একবার দুবার দেখলে ভুলে যাওয়া যেত কিন্তু ফিবার ফুল বেলপাতা দিয়ে যাকে পুজো করতে হয়–।

    ফুল না হয় বুঝলুম কিন্তু বেলপাতা তো শিবপুজোয় লাগে।

    শিবঠাকুরের পুজোয় বেলপাতা লাগে বলে কি অন্য ঠাকুরের কাছে বেলপাতা অস্পৃশ্য মশাই।

    এই মশাই সম্বোধন রতিকান্তর পছন্দ না হলেও তিনি উচ্চবাচ্য করলেন না। ঘটক যে পাত্রের সন্ধান এনেছে মনে হয় সবদিক দিয়ে সে নারায়ণী বা তিস্তার উপযুক্ত হবে।

    রতিকান্ত চুপ করে গেলেও ঘটকের চুপ থাকা চলে না। এই কথা বেচেই তাকে খেতে হয়। সে যেমন দেবতার পূজারী বাদেবীকেও সে কম ভক্তি করে না। দু হাত কপালে ঠেকিয়ে সে বলে চললো, কার্তিক ঠাকুরে: পুজোর মজা কি জানেন স্যার, রামবাগানের মেয়েমানুষের নজর খুব উঁচু। তারা যেমন তেমন নৈবদ্য সাজিয়ে ঠাকুরকে খেতে দেয় না।

    এখানে টিপ্পনী কাটার লোভ সামলাতে পারলেন না রতিকান্ত। বললেন, দেবতার নাম করে সবই তো যায় নিজের পেটে।

    আশ্চর্য দক্ষতা পুরুষটির। সে সঙ্গে সঙ্গে উত্তর করলো, নিজের পেটে আর কতটুকু জায়গা। গিন্নী, তাও তিনটি, ছেলে পুলে নাতি নাতনী, সে এক এলাহারি কাণ্ড। দুবেলা ঘরে ক’টা পাত পড়ে বলুন তো।

    এতক্ষণ পর্যন্ত রতিকান্ত গম্ভীর মুখে কথা চালিয়ে যাচ্ছিলেন এখন কৌতুকের ছোট্ট পাখিটা তার মনের মধ্যে ফরফর করে উড়তে শুরু করলো। তিনি হাসি মুখে উত্তর দিলেন, আপনার বাড়িতে ক’টা পাত পড়ে আমার জানার কথা নয় কারণ আমি জ্যোতিষ না।

    গণকার না হয়েও আমি কিন্তু বলতে পারি আপনার বাড়িতে পাত পড়ে পাঁচটি।

    রতিকার চোখ কপালে ওঠার যোগাড়। আপনি জানলেন কি করে?

    কি করে জানলাম সেটা বড় কথা না। আসল কথা হচ্ছে কথাটা সত্যি কিনা। আরও বলছি। একটা নিরামিষ। দুটো মাছ মাংস সহকারে। আর দুটি মোটা ভাত ডাল একটা আলু কুমোড়ার ঘ্যাট, দুটো চাকর পুষছে তাদের রাদ্দ। গাড়ি চালকটির আহার যত্রতত্র অর্থাৎ কিনা তার ভোজনের নির্দিষ্ট স্থান নেই। গাড়ি চালাতে চালাতে যখন যেখানে সময় সুযোগ আসে। কিন্তু যে বাড়ির সঙ্গে সম্বন্ধ করতে যাচ্ছেন সে বাড়িতে দাসদাসীর হিসেব নেই। তাদের নায়েবের বরাদ্দ আফিমের মাত্রা শুনলে ভিরমি খাবেন। সাহেরা যে জাল টানিয়ে ব্যাট নিয়ে বল পেটাপেটি করে সেই বলের সাইজ।

    সে কী! লোকটা এখনও বেঁচে আছে।

    বেঁচে আছে কি, বহাল তবিয়তে লাটি ঠকঠকিয়ে বাড়িময় ঘুরছে। আর বাড়ির কথা কী বলবো। লাখনৌয়ের খুলখুলিয়ার নাম শুনেছেন তো। তার চেয়েও বড়, আর টাকার কথা যদি শোনেন।

    আপনি কি ওদের সিন্দুকে উঁকি মারতে গিয়েছিলেন?

    উঁকি মারতে হয় না স্যার। গন্ধেই বোঝা যায়। এই যেমন আপনাদের। ঠাট বাঁট আছে কিন্তু ধন সম্পত্তির ব্যাপারে। কিছু মনে করবেন না স্যার। মুখ ফস্কে বেরিয়ে গেল। আসলে কি জানেন হুজুর, এই ঘটকালি পেশায় এত বকতে হয় যে জিভের ব্রেকটা ফেল মেরে যায়। কি বলতে কি বলে ফেলি।

    তার মানে আপনি যা যা বললেন তা আপনার জিভের ব্রেক ফেল করার ব্যাপার। বিশ্বাস না করার যুক্তি আছে।

    ঘটক অম্লান বদনে স্বীকার করলো, তা আছে। কে কবে শুনেছে ঘটক হেরম্ব মৈত্রের মত সদাসত্য কথা বলে।

    আপনি হেরম্ব মৈত্রের নাম শুনেছেন? রতিকান্ত বাঁকা চোখের প্রশ্ন।

    শুনবো কি মশাই, তিনি সম্পর্কে আমার বড় দাদু ছিলেন। কপালের কি গেরো দেখুন সে বংশের সন্তান হয়ে কী ডাহা মিথ্যে কথা বলতে হচ্ছে আমাকে।

    আপনার পদবী তো বলেছেন ভট্টাচার্য আর উনি মৈত্র। এক বংশ হলো কি করে।

    ঐ লতায় পাতায় আর কি। রক্তের সম্পর্কই শুধু সম্পর্ক। লতা পাতারও একটা দাম আছে। এবার উঠবো। এই যে এতক্ষণ ধরে বকবকম করে গেলাম দুটো মিষ্টিও এল না। আর চৌধুরী বাড়িতে পা রাখার সঙ্গে সঙ্গে চাকর ছুটে আসবে আদর করে ঘরে বসাবে। পুঁটিম দ্বারিক ভীম নাগের বন্যা বইয়ে দেবে থালায়। অবিশ্যি তা নিয়ে দুঃখু করিনে। খেতে দেন নি, দেন নি। কিন্তু ঘটক বিদায় দিতে হবে মোটা টাকায়। আপনাদের মিষ্টি আমার মুখে রুচবেও না। প্রজাপতি ঠাকরুণের কৃপায় যদি কাৎলা মাছটা গেঁথে ফেলতে পারি আমাকে আর পায় কে।

    রতিকান্তের চোখে মুখে আবার কৌতুক ফুটে উঠলো। সরস ভঙ্গিতে বলে উঠলেন, আবার বিয়ে করবেন।

    ভট্টাচার্য অম্লান বদনে উত্তর দিল, পাঁচ সাত বছর আগে হলে করতুম। তবে দিনকাল খুব তাড়াতাড়ি পাল্টাচ্ছে। গোঁড়া ব্রাহ্মণের ছেলেরা পৈতা ফেলে দিয়ে মদ মাংস খেতে শুরু করেছে। সেটা অবিশ্যি আমার সমস্যা নয়। তিন তিনটে বিয়ে করলুম একটাও ছেলে পয়দা করা গেল না। সাত আটটাই মেয়ে। তাও যা চেহারা, হা হতো যদি আপনার মেয়ের মত রূপ, দিতুম কোন রইস আদমির রাখেল করে।

    সে কী, বাপ হয়ে মেয়েকে কেপট রাখনে!

    রাখুন তো আপনার তত্ত্ব কথা। বলে, আপনি বাঁচলে বাপের নাম। দিন, কী দেবেন দিন।

    রতিকার চোখের সামনে তখন হাতিবাগান নাচছে। চৌধুরী বাড়ির নাম তিনি আগেই শুনেছে। এক লাফে মেয়ে কোটি পত্নি হয়ে যাবে। ভাবা যায়! একশো টাকার একটা নোট ঘটকের সামনে বাড়িয়ে ধরলেন রতিকান্ত।

    তিস্তা এসে ঘরে ঢুকলো। এতক্ষণ কার সঙ্গে কথা বলছিলে বাপি?

    তোর জন্যে সম্বন্ধ নিয়ে এসেছিল। রতিকান্ত মেয়ের কাছে কথা লুকোন না। পাল্টি ঘর। হাতিবাগানের চৌধুরীরা টাকার কুমীর। ছেলেটিও সুন্দর। লেখাপড়া জানে। এম. এ. পাশ।

    তিস্তা চুপ করে রইলো।

    তোর মত আছে তো মা?

    একটু ভেবে নিয়ে উত্তর দিল তিস্তা, হ্যাঁ আছে। নিয়ম করে কলেজে যেতে আমার ভাল লাগছে না। ঠাম্মাও বলছিল, মেয়েদের নাকি সময়কালে বিয়ে করতে হয়। নইলে পরে পস্তাতে হয়।

    এ বাড়ির লোক ও বাড়িতে গেল ও বাড়ির লোক এ বাড়িতে এল। বিয়ে ঠিক হয়ে গেল।

    মহাধুমধাম করে চার হাতের মিলন ঘটলো। লোকে ধন্য ধন্য করতে লাগলো। এমন মহামিলন সচরাচর দেখা যায় না। এক কথায় রাজ-জোক।

    .

    ৩.

    সুখের দিন উড়ে চলে। দুঃখের দিন লেংচে লেংচে হাঁটে।

    দুই বছর কেটে গেল! কোথা দিয়ে এতগুলো দিন কেটে গেল তার হিসাব তেজেন্দ্র রাখে না। তিস্তা তো রাখেই না। সে খায় দায় ঘুরে বেড়ায়। যখন তখন তেজেন্দ্রকে আদর করে। ভালবাসার কথা শোনায়।

    তেজেন্দ্রর ভাল লাগে। খুবই ভাল লাগে। কিন্তু বরাবর সে উচ্ছ্বাসহীন জীবনের বাহক। মনের কথা মুখে ফোটে না।

    একদিন তিস্তা বললো, এ ভাবে শুয়ে বসে দিন তো আর কাটে না।

    বাড়িতে দুটো গাড়ি রয়েছে। বাপের বাড়ি যাও রোজ।

    তা তো যাচ্ছিই। তবে একা একা যেতে ভাল লাগে না।

    আমিও তো যাই মাঝে মাঝে।

    এখন থেকে রোজ যাবে। বাপি বলছিল, জামাই বাড়িতে একা বসে কি করে। সব সময় একা থাকা নাকি ভাল না।

    আমি ছেলেবেলা থেকেই একা থাকতে ভালবাসি।

    তোমার কোন বন্ধু নেই? বন্ধু ছাড়া মানুষ আমি দেখিনি আগে।

    তেজেন্দ্রর ঠোঁটে হাসি ফুটে ওঠে, কে বলেছে আমার বন্ধু নেই। দাদুর সঙ্গে গল্প করেই তো আমার দিন কেটেছে এতদিন।

    কী সুখ যে পাও একটা বুড়োর সঙ্গে গল্প করে। আমি তো দাদুর আর্ধেক কথাই বুঝতে পারি না।

    ক্ষুণ্ণভাবে বললো তেজেন্দ্র, বুড়ো হলে সবারই এরকম হয়।

    তিস্তা আর কথা বাড়ালো না। চুপ করে গেল।

    যে উচ্ছ্বাস আহলাদ নিয়ে দু বছর আগে এ বাড়িতে পা রেখেছিল তিস্তা সে আলোয় যেন ছায়া নামতে শুরু করেছে। একদিন রাতে তেজেন্দ্রকে আদর করতে করতে তিস্তা বললো, ক্লাবে ভর্তি হবো।

    মনে মনে চমকে উঠলেও তেজেন্দ্র উত্তর দিল, বেশ তো।

    এত সহজে যে এই ঘরমুখী মানুষটি ক্লাবের হৈ হট্টগোলের মধ্যে যেতে রাজী হবে তিস্তা বিশ্বাস করতে পারলো না। সংশয় দূর করার জন্যে আবার বললো, তোমার গায়েও বাইরের বাতাস লাগবে একটু। সারাক্ষণ তো বই মুখে বসে থাকো না হয় দাদুর সঙ্গে গল্প করতে যাও। একবার ভেবে দেখেছো আমার সময় কাটে কী করে।

    তুমি ক্লাবে ভর্তি হয়ে যাও। গল্পের বই পড়তে যদি ভাল লাগে লাইব্রেরি থেকে আনিয়ে নিতে পারো।

    তু তুমি ক্লাবে যাবে না! তোমাদের অনেক টাকা পয়সা কিন্তু তার মানে এই না যে শুয়ে বসে দিন কাটাবে। কাজের জন্যে তুমি ব্যবসা করতে পারো। তোমার সঙ্গে আমিও না হয় মাঝে মাঝে যাব।

    কোথায় যাবে!

    কেন, অফিসে।

    তুমি যাবে আপিসে!

    তিস্তা হাসতে হাসতে বললো, কেন অফিসে কি জুজু থাকে যে তোমার সুন্দরী বৌকে টুক করে গিলে খাবে। এভাবে বৌকে আগলে রেখো না-গো পড়ুয়া মশাই। লোকে বৌ-পাগলা বলবে যে।

    তেজেন্দ্র তিস্তার কথার উত্তর দিল না। অহেতুক বাক্য ব্যয় করে সে মনোমালিন্যের সৃষ্টি করতে চায় না।

    আরও দুটো বছর কেটে গেল।

    হলধর বিশ্বাস মারা গেলেন। মহাধুমধাম করে শ্রাদ্ধ করলো তেজেন্দ্র। বহু লোক নিমন্ত্রিত হলো। সবাই ধন্য ধন্য করলো। এস্টেটের নায়েব বই তো নয় তার শ্রাদ্ধ স্বস্ত্যয়ন এমন জাঁকজমক করে হবে এ ঘটনা শুনেছে কেউ। লোকে বাপ মার শ্রাদ্ধই নমোনমো করে সারে আর এ তো পরমানব।

    সময়ের পলিমাটিতে শোক দুখ সবই চাপা পড়ে যায় একদিন। তেজেন্দ্র এখন অনেকটা সামলে নিয়েছে। তার জীবনযাত্রা আবার স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে। যতদিন। হলধরদাদু বেঁচেছিলেন সে কাছারি ঘরে বড় একটা যেত না। মারা যাওয়ার কিছুদিন আগে হলধর প্রতিজ্ঞা করিয়ে নিয়েছিলেন তেজেন্দ্রকে দিয়ে যে সে নিয়ম করে অন্তত ঘন্টা দুই তিনেক কাছারি ঘরে গিয়ে বসবে, কর্মচারিদের কাজ দেখবে।

    তেজেন্দ্র তার কথা রেখেছে।

    আর একটা কথাও সে রেখেছে। এতদিন পর্যন্ত সে নিয়ম করে বিভাবতীর ঘরে গিয়ে বসতো না। এখন যায়। শুধু নিজেই যায় না। প্রথম প্রথম তিস্তাকে নিয়ে যেত। এখন তিস্তাকে সঙ্গে করে নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। তিস্তা নিজে থেকেই যায়। তার বাল্যকাল কেটেছে ঠাকমার সঙ্গে। সেই অভ্যেসটা ভেতরেই ছিল। মাঝে কয়েকটা বছর পরিবেশ বদল হওয়ায় অভ্যাসে ছেদ পড়েছিল। কিন্তু কিছুই হারিয়ে যায় না। পুরনো অভ্যেস আবার ফিরে এসেছে। বিকেল হতেই গা ধুয়ে সাজগোজ করে সে ওপরে উঠে যায়। বিভাবতীর সঙ্গে গল্প করতে তার ভালই লাগে। ঠাম্মার

    অদর্শনের অভাব অনেকটা পূরণ হয়।

    সব মানুষের নিজস্ব গল্প থাকে।

    বিভাবতী গল্প বলেন। মনোযোগ দিয়ে শোনে তিস্তা। ঠাম্মাও গল্প বলতেন। সে গল্প শুনতে তিস্তার ভাল লাগতো। বিভাবতীর গল্প অন্য গল্প। অন্য মানুষ অন্য পরিবেশ। বু গল্প তো গল্পই।

    ধীরে ধীরে শাশুড়ি বৌএর মধ্যে সখ্যতা গড়ে উঠতে লাগলো। এখন তিস্তা আর নিয়ম করে ওপরে ওঠে না। যখন মন চায় বিভাবতীর ঘরে চলে যায়। সম্পর্ক যখন গড়ে ওঠে নিজের থেকেই গড়ে ওঠে। বিভাবতীর মনও উন্মুখ হয়ে থাকে এই মেয়েটির আশায়। তার মেয়ে ছিল না। মেয়ে জুটলো। পড়ন্ত বেলায় ঠাকুর তার মনোবাঞ্ছা পূরণ করলেন।

    কিন্তু মানুষের চাওয়ার বুঝি শেষ নেই।

    এবার চাই দুটো কচি হাতের গলা জড়িয়ে ধরে আধ-আধরবে একটি ডাক, দিদা।

    বিভাবতী কথাটা পাড়লেন, চার বছর হয়ে গেল এবার কোলে ছেলে আসুক। তিস্তা সলজ্জভাবে বললো, ছেলেই শুধু। মেয়ে না?

    বিভাবতী তাড়াতাড়ি বলে উঠলেন, মেয়ে তো ভাল। খুবই ভাল। তবে কথাটা কি জানো বৌমা, বংশরক্ষার ব্যাপারটাও তো আছে। সম্পত্তি টাকা ধনদৌলত সব অন্যের হাতে চলে যাবে, ভাবতে কষ্ট হয়। তাই ছেলে-ছেলে করা।

    আরও একটা বছর কেটে গেল।

    তিস্তার ছেলে বা মেয়ে হলো না।

    বিভাবতীর মন ভেঙে পড়ছে। শরীর ক্রমশ খারাপ হচ্ছে। বড় বড় ডাক্তার আসছে। ঘরে ওষুধের পাহাড় জমছে। কিন্তু কাজ হচ্ছে না। ডাক্তার বললেন, হাওয়া বদল করে দেখা যেতে পারে। অনেক সময় পরিবেশ বদলালে ফল পাওয়া যায়।

    তেজেন্দ্র সঙ্গে করে নিয়ে বিভাবতীকে শিমুলতলার বাড়িতে রেখে এল। সঙ্গে রইলো তিস্তা।

    দুদিনেই অস্থির হয়ে উঠলেন বিভাবতী। এভাবে রোগ সারাতে গিয়ে সংসারে বিপত্তি এসে পড়বে। খোকাকে একা রেখে আমি স্বস্তি পাচ্ছি নে। কলকাতায় যাওয়ার ব্যবস্থা করো বৌমা।

    আবার কলকাতা।

    ভাঙা মন জোড়া লাগছে না বিভাবতীর। উত্তরাধিকারী চাই।

    তিস্তাকে ডাক্তার দেখানো হলো। ছোট একটা আপারেশনও করানো হলো কিন্তু ফল হচ্ছে না।

    তিস্তা বললো, তোমাকেও ডাক্তার দেখাতে হবে।

    তেজেন্দ্র উত্তর দিল, না। ছেলেরা বাঁজা হয় না।

    হয়।

    তর্ক করো না তিস্তা। যা জানো না তা নিয়ে তর্ক করো না।

    তিস্তা এখন আর নববধূটি নেই। এ বাড়িতে এসে অনেক সুখ স্বাধীনতা বিসর্জন দিয়েছে সে। তার মনে অসন্তোষের আগুন জ্বলে উঠলো। স্বার্থপরের গুষ্ঠী। যেমন মা তেমন ছেলে। শুধু বিষয়সম্পত্তি আগলাবার ফিকির। মা বলে, মেয়ে না— চাই ছেলে! ছেলে বলে পুরুষ বাঁজা হয় না! বেশ হয় না তো হয় না, একজন গাইনি দেখালে কি অঙ্গ ক্ষয়ে যাবে তোমার।

    অসন্তোষ থেকে আসে ক্ষোভ।

    দাবানলের মত ক্ষোভ তিস্তাকে গ্রাস করতে উদ্যত হলো।

    শাশুড়ি তো একদিন বলেই বসলেন, কর্তার আমল হলে ছেলের আবার বিয়ে দিতেন।

    আপনার আমলে কি করবেন?

    মনোস্থির করতে পারছি না।

    যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে খুব ধীরে সেই সম্পর্ক যায় মুহূর্তের ভুলে।

    তিস্তা ঘর ছেড়ে বেরিয়ে গেল। তেজেন্দ্র মনোযোগ দিয়ে মনোস্তত্ত্বের একটা বই পড়ছিল। বই কেড়ে নিয়ে তিস্তা মাটিতে ছুঁড়ে ফেলে দিল। অতর্কিত এই আক্রমণের জন্য তেজেন্দ্র প্রস্তুত ছিল না। সে টেবিল ছেড়ে উঠে দাঁড়ালো। কি হয়েছে তিস্তা এমন করছো কেন?

    তুমি আবার বিয়ে করো। উত্তেজনায় তিস্তার বুক ওঠা নামা করছে অতি দ্রুত।

    কী বলছো পাগলের মত।

    আমি পাগল, না তোমরা পাগল। তুমি তোমার মা। একজন বলে পুরুষ বাঁজা হয় না। আর একজন বলছে ছেলের আবার বিয়ে দেবে।

    তেজেন্দ্ৰ ভয় পেয়ে বললো, বেশ আমি গাইনি দেখাবো।

    তাতেও যদি বাচ্চা না হয় আবার বিয়ে করবে? নাকি পোয্যপুত্র নেবে। নাকি–। একটু থেমে আবার বললো তিস্তা, নাকি প্রয়োগ প্রথা।

    ছিঃ! তেজেন্দ্র ঘর ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছিল। তিস্তা দরজা আগলে দাঁড়িয়ে চিৎকার করে উঠলো, দাঁড়াও পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করো না।

    তেজেন্দ্রর মুখ রক্তিম বর্ণধারণ করেছে। ফর্সা মানুষের বিপদ এখানেই, তাদের উত্তেজনা মুখে ছড়িয়ে পড়ে। তেজেন্দ্র মুখমণ্ডল জ্বলন্ত আগুনের মত গনগন করছে, সে চেয়ারে এসে বসলো। প্রাণপণ শক্তিকে নিজেকে সংযত করার চেষ্টা করছে সে।

    তিস্তা তার সামনে এসে দাঁড়ালো।

    একটা বড় দম নিয়ে বলতে লাগলো, তোমাদের কীর্তিকলাপ জানতে বাকী নেই আমার। তোমরা না পারো এমন কাজ নেই।

    তেজেন্দ্র নিরুত্তর। তিস্তার এমন রূপ সে আগে দেখেনি। সে দেখতে চায় তিস্তা কতদূর পর্যন্ত যেতে পারে।

    তোমরা, এই জমিদাররা না পারো এমন কাজ নেই। মানুষের ভাগ্য ভাল তোমাদের, গুটিকয়েক নিষ্ঠুর মানুষের দিন শেষ হতে চলেছে। এ বাড়ি যখন ভাঙা হবে, কত কঙ্কাল কত ব্যভিচার এর নিচে চাপা পড়ে আছে। কিন্তু কিছুই চাপা থাকবে না। তোমাদের গুম-ঘরের কথা আমি জানি। ঠাম্মার মুখে শুনেছি তোমাদের সেই ভয়ানক অত্যাচারের কাহিনী। সেই বংশের ছেলে তুমি। খুনী ডাকাতের রক্ত তোমার শিরায় শিরায়। বলে কিনা, ছিঃ। কী ছি, এ্যাঁ? তোমরা বাগান বাড়িতে রক্ষিতা পোষ না? পাপ পাপ। সেই পাপে জ্বলছো তুমি। তাই ভয়ে ডাক্তার দেখাতে চাও না। ভয় পাও। হা হা ভয়। তোমাদের এতগুলো ঝি পোর কথা আমি বুঝি না ভেবেছো। আমাদের বাড়িতে ঝি রাখা হয় না। শুধুই চাকর। ভাবো, আমি বুঝিনা কিছু। বিলাসিনীর মত সুন্দর ঝি রাখা হয় কেন। আমি বুঝি না ভেবেছো। ওকে দিয়ে একটা ছেলে করিয়ে নাও। বংশ বংশ করে তোমরা মা ব্যাটায় মরছে। সেই বংশরক্ষা হবে। ভগবানের কৃপা যে আমার ছেলে হয়নি। একটা নিষ্পাপ শিশুকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে পেরেছি ভেবে আমার সুখ হচ্ছে। খুব সুখ। বুঝলে খুব-খুব সুখ।

    তিস্তা উন্মাদের মত ঘর ছেড়ে বেরিয়ে গেল। তার শাড়ির আঁচল মাটিতে লুটোচ্ছে।

    তেজেন্দ্র বজ্ৰাহরে মত চেয়ারের সঙ্গে আটকে আছে। নড়াচড়ার ক্ষমতাটুকুও সে হারিয়ে ফেলেছে।

    সে কি বুঝতে পেরেছিল, এত বড় একটা ফণা লুকিয়ে রয়েছে অতিসুন্দর প্রিয় এই মানবীটির মাথায়! নাগিনী সব বিষ উদগীরণ করে দিয়ে চলে গেল।

    .

    ৪.

    অনেক-অনেকদিন আগের কথা।

    তখন দেশে এত মানুষ ছিল না। তোক অনুপাতে বন জঙ্গল বেশী ছিল। অরণ্যেও ছিল বাঘ ভালুক হাতি হরিণ শূয়োর সাপ কীট পতঙ্গ আরও যা যা থাকার কথা সব ছিল।

    এমন দুই অরণ্য, মাঝে এক নদী। খরস্রোতা তেমন না। ছোট ছোট ঢেউ। জোয়ারের সময় দুই কুল প্লাবিত হয়, ভাটায় জল অনেক দূরে সরে যায়। ডাঙায় ঘুরিয়া বেড়ায় কাদাখোঁচা ছোট বড় কাঁকড়া বক এবং আরও নানা ধরনের পাখি। সবাই খুব নিশ্চিন্ত আরামে দিন যাপন করে যেহেতু এই নদীতে মানুষের সমাগম বড় একটা হয় না।

    দুই তীরে দুইটি গ্রাম। গুটিকয়েক গৃহস্থের বাস। কিছু সংখ্যক মানুষ নদীতে স্নান করিতে আসে। অনেকেই আসে না। কারণ অরণ্য ভেদ করিয়া নদীতে স্নান করিবার সাহস বা বাসনা তাহাদের থাকে না প্রধান কারণ নদীতে কুমীরের উপদ্রব। বনে বাঘের। অনেক মুনিঋষির বাস ছিল অরণ্যে। তাঁহারা কেউ সাধন ভজন করিতেন কেহ বা আশ্রম বানাইয়া শিষ্যদের লইয়া পঠন পাঠন চালাইনে। শিষ্যরা গুরুর নিকট পাঠাভ্যাস করিত। নদী হইতে জল আনিয়া রান্না বান্না করিত। তাহারা বাঘ ভালুক হাতি কুমীরকে ভয় করিত না।

    তখন বন্য প্রাণীরাও এত হিংস্র হইয়া উঠে নাই। মানুষকে তাহারা সমাদর করিত। পরম হিতৈষী বন্ধু বলিয়া ভাবিত। মানুষও তাহাদের সেইভাবে মিত্র বলিয়া ভাবিতে শিখিয়াছিল।

    নদীতে ছিল বিরাট এক কুমীর। এতদিন পর্যন্ত সে খুব শান্ত ছিল। কোনদিন স্নানরত মানুষের পা ধরিয়া টানাটানি করে নাই। গভীর জলে নিয়া তাহাকে ভক্ষণ করিবার প্রয়াস তাহার ছিল না।

    একদিন অতর্কিতে উত্তরের পারে দেখা দিল এক বাঘিনী। বাঘিনীর মত রূপ অন্য কোন বাঘ বাঘিনীর ছিল না। তাহার যৌবনদীপ্ত চেহারা হইতে রূপ চুইয়া চুইয়া পড়িতেছে। ঋষিবালকেরা মুগ্ধ নয়নে বাঘিনীর সেই ভুবনভোলানো রূপ দেখিতে থাকিত। বাঘিনী কোনদিকে ভ্রুক্ষেপ করিত না।

    একদিন, তখন ছিল শীত ঋতু, কুমীর পাড়ে শুইয়া রোদ পোহাইতেছিল। সহসা বাঘিনী আসিয়া উপস্থিত। কুমীরকে দেখিয়া তাহার ঘাড়ের লোম ফুলিয়া উঠিল। দশদিক কাঁপাইয়া সে হুঙ্কার ছাড়িল। কুমীর চট করিয়া জলে ঝাপাইয়া পড়িল। তারপর মুখ ব্যাজার করিয়া বিরাট লেজ জলের উপর ক্রমাগত আছড়াইতে লাগিল।

    তখন নদীর জলে ভাটা লাগিয়াছে। বাঘিনী ডাঙার উপর ছুটাছুটি করিতে করিতে তর্জন গর্জন শুরু করিয়া দিল। কুমীরও প্রকাণ্ড হা করিয়া তাহার করাতের মত দাঁত প্রদর্শন পূর্বক লেজ আছড়াইতে লাগিল। কেহই স্ব স্ব স্থান পরিত্যাগ করিল না।

    জলের কুমীর জলে রহিল ডাঙার বাঘ ডাঙায়।

    দিন কাটে। সূর্য ওঠে। অস্ত যায়। বছর আসে বছর যায়।

    কালক্রমে দুই জনেরই বয়স হইল। যৌবন চলিয়া গেল। উভয়ের তেজ বিক্রম কমিয়া আসিতে লাগিল। কিন্তু কেহই নিজ নিজ স্থান পরিবর্তন করিল না।

    আরও দিন কাটিয়া গেল।

    দুই শরীরে বার্ধক্য নামিয়া আসিল।

    এখন জলের কুমীর ডাঙায় উঠিয়া আসে। বাঘ আসিয়া জলের ধার ঘেঁসিয়া বসে।

    দুই জনে পাশাপাশি বসিয়া আছে। তাদের মুখ পশ্চিম দিকে ফেরানো। সূর্য অস্ত যাইতেছে। তাহার তেজ ক্রমশ স্তিমিত হইয়া আসিতেছে।

    সেইদিকে তাকাইয়া বসিয়া আছে দুইজন।

    বিষণ্ণ সূর্যের রশ্মি তাহাদের উপর ঝরিয়া পড়িতেছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রিয় – ইমদাদুল হক মিলন
    Next Article গোপনে – ইমদাদুল হক মিলন

    Related Articles

    ইমদাদুল হক মিলন

    ইমদাদুল হক মিলনের বিবিধ রচনা

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    অন্তরে – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    এসো – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    প্রিয় হুমায়ূন আহমেদ – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    গোপনে – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    প্রিয় – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রজতশুভ্র মজুমদার
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026
    Our Picks

    ইতি স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    September 5, 2026

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }