Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    দুই বাংলার দাম্পত্য কলহের শত কাহিনী – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ও ইমদাদুল হক মিলন সম্পাদিত

    ইমদাদুল হক মিলন এক পাতা গল্প1423 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বাদশা-বেগম ঝমঝমাঝম – সৌমিত্ৰশংকর দাশগুপ্ত

    বাদশা-বেগম ঝমঝমাঝম – সৌমিত্ৰশংকর দাশগুপ্ত

    শিশমহলে পা দিয়েই বাদশা প্রমাদ গুণলেন। বেলা দ্বিপ্রহর, খিদেয় পেট চুঁইছুঁই করছে। এ-সময়ে নাকে কোপ্তা কাবাবের গন্ধ এলেই তিনি খুশি হতেন, তার বদলে আতর আর গোলাপজলের খুশবুতে তার খালি পেট কেমন গুলিয়ে উঠল। এছাড়াও তাঁর কানে এল গগনভেদি সপ্তসুর যার সাতটি সুর সপ্তদিগন্তে ভেসে চলেছে, ‘সা’-এর সঙ্গে ‘রে’-এর কোন যোগাযোগ নেই, ‘গা’-এর সঙ্গে ‘মা’-এরও মুখ দেখাদেখি বন্ধ। ফোঁস করে একটা নিশ্বাস ফেললেন দিগ্বিজয়ী বাদশা। হায়! সারা দুনিয়া জয় করে এসে শেষে কিনা নিজেরই মহলে খেয়ালি এক বেগমের পাল্লায় পড়ে তাকে অনাহারে মরতে হবে! স্ত্রী এমনই বিষম বস্তু!

    মণিবেগম বাদশাকে দেখেই একমুখ হাসলেন। টকটকে ফর্সা রং, গালদুটি আপেলের মত, গোলগাল, নাদুসনুদুস চেহারা। দেখেই বোঝা যায়, ইনি খেতে এবং ঘুমোতে ভালবাসেন। বাদশা অবশ্য তার আরও একটি গুণের খবর রাখেন। বেগমের রান্নার হাত চমৎকার। শুধু খেতে নয়, খাওয়াতেও ভালবাসেন। সেজন্য খিদে পেলেই বাদশা মোতিমহল পার হয়ে শিশমহলে চলে আসেন। মোতিমহলে থাকেন তার আরেক বেগম। চুনিবেগম। তার কথা একটু পরে।

    মণিবেগম বাদশাকে দেখে একমুখ হাসলেও বাদশার ভ্রূ কিন্তু কুঞ্চিত হয়েই রইল। সেভাবেই বললেন—’কি গাইছ?’

    —ইমন, জনাব।

    –ইমন! সে তত সন্ধের রাগ। এই বেলা দ্বিপ্রহরে…

    মণিবেগম আবারও ছড়িয়ে হাসলেন। বললেন—জানি, মালিক। তবে ওস্তাদজি বলেন, দুপুরে সন্ধের অন্ধকার নামিয়ে আনতে পারলে তবেই না রেওয়াজের জোর।

    বাদশা ভেতরে-ভেতরে ধৈর্য হারাচ্ছিলেন। তবে সময়টা দুপুর, পেটে খিদে এবং সামনে রন্ধনপটীয়সী বউ, তাই কোনক্রমে বাদশাহী মেজাজকে নিয়ন্ত্রণে রেখে বললেন—’গান গানই, ভোজবাজি তো নয়।‘

    –‘ওস্তাদজি আমাকে সবসময় বিপরীতের চর্চা করতে বলেন। মণিবেগমের হাতে তানপুরা ঝংকার দিয়ে উঠল। বসন্তে গাইতে বলেন মল্লার, ভোরে দরবারি, রাতে মিঞা কে টোড়ি’…

    -‘থামো, থামো।‘–খিদে এবং বেগমের বাক্যবাণে চোখে অন্ধকার দেখে দিগ্বিজয়ী বাদশা পারস্যের গালচের ওপর হাঁটু মুড়ে বসে পড়েন।

    মণিবেগম আবারও মিষ্টি হেসে বলেন—’আপনাকে একটু ইমনের বন্দিশ শোনাই, খোদাবন্দ?’

    ওফ্‌! বউ বোকা হলে সেই পুরুষের কি যে ঝঞ্জাট! নাকি বোকা নয়, হিংসুটি! বাদশা কোমরবন্ধে হাত রাখলেন। তলোয়ারে হাত ছোঁয়ালে মেজাজ মুহূর্তে গরম হয়ে ওঠে। কিন্তু হায়! বেগমমহলে কবে আর কোন পুরুষ তলোয়ার নিয়ে ঢুকেছে!

    ওদিকে মণিবেগম গলা ঝেড়ে, কানে হাত চেপে, চোখ বুজে বিশাল হাঁ করে সুর ধরে ফেলেছেন। দিগভ্রষ্ট সেই সুর শুনে বাদশারও হাঁ ক্রমশ বড় হতে-হতে তিনি প্রায় খাবি খাওয়ার অবস্থায় পৌঁছে গিয়েছেন। তবে বাদশাহী রক্ত বলে কথা! থেকে থেকেই ছলকে উঠতে চায়। বাদশা তাই প্রথমে তার গুরুগম্ভীর গলায় গলা-খাঁকারি দিলেন। তাতেও কোন কাজ হলনা দেখে তার মনে হল বেগমের গলাটা টিপে ধরেন। সেখানে পরতে-পরতে চর্বি জমে আছে দেখে মনে-মনেই হাত গুটিয়ে নিয়ে এবার কূটবুদ্ধির প্রয়োগ করেন। বলেন, কেয়াবাৎ, কেয়াবাৎ।

    মন্ত্রের মত কাজ হয়। বেগম কুর্নিশ করে তানপুরা নামিয়ে রাখেন। এবং বাদশা বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট না করে কাজের কথা পাড়েন।—আজ কি কি খানা পাকালে, বেগম?

    প্রশ্ন শুনে বেগম বিস্ময়ে দুই চোখ বড় বড় করে বলেন—’অহ্ খোদা! আপনি মোতিমহল থেকে খানা সেরে আসেননি?’

    বাদশার মাথায় বাদশাহী খুন চড়ে যায়। মনে-মনেই তিনি মণিবেগমের মুণ্ডচ্ছেদ করেন। এর বেশি আর কি-ই বা করতে পারেন? অথচ আজই দুপুরে দরবারে তিনি তিন-তিনটে দাগি চোরকে কোতল করার হুকুম দিয়ে এসেছেন। কিছু দূরে বেগমের পোষা বেড়ালটা লেজ গুটিয়ে পাপোষের ওপর বসে ছিল। খিদের চোটে বাদশা তার অভ্যস্ত কায়দায় দরবারি হুঙ্কার দিতে গিয়ে শোনেন, বেড়ালটা ভিজে ভিজে গলায় ডেকে ওঠে—ম্যাঁও!

    প্রবল পরাক্রমশালী বাদশাও তাঁর দরবারি তর্জন-গর্জন ভুলে গিয়ে গোঁজ হয়ে অভিমানের সুরে বলেন—মোতিমহলে কবে আবার আমি খানা-পিনা করতে যাই?

    সঙ্গে সঙ্গে খিলখিল করে হেসে ওঠেন মণিবেগম। বাদশাও কোমরবন্ধে হাত রাখেন। আবারও তার খেয়াল হয় যে তলোয়ার নেই, বেগম তো দূরের কথা, বেগমের বেড়ালটাকেও কেটে ফেলবার সাধ্য তার নেই।

    এবার থেকে অভ্যাসটা বদলে ফেলুন, জনাব! মণিবেগম হাসি-হাসি মুখে বলেন-শিশমহলে আসুন গানবাজনা শুনতে, আর খানা-পিনা সেরে আসুন মোতিমহলে।

    উফ! অসহ্য! এই আওরত তো মোটেও বুরবাক নয়! বরং বাদশা যা সন্দেহ। করেছিলেন তাই। হিংসুটি!

    কি কুক্ষণেই যে খোরাসান প্রদেশ জয় করতে গিয়ে চুনিবেগমকে নিকাহ্ করে এনেছিলেন বাদশা! নিকাহ যে গুনাহ্ হয়ে দাঁড়াবে একবারও যদি বুঝতেন!

    ভাবতে-ভাবতেই আবারও উত্তেজিত হয়ে ওঠেন তিনি। কিসের গুনাহ্? তারা পুরুষ-পরম্পরায় বাদশাহ। বিজিত প্রদেশের নারী-লুণ্ঠন বীরধর্মেরই অঙ্গ। তিনি চুনিবেগমের গান শুনে মুগ্ধ হয়েছিলেন। অমন গান মণিবেগম সাত-জন্ম সাধনা করেও গাইতে পারবে না। তবুও তানপুরা নিয়ে ম্যা ম্যা করে চলেছে। অমন গানের তারিফ করবে ওর ওই পোষা বেড়াল। নাঃ, এই আওরত বুরবাকও বটে।

    —’ওসব কথা ছাড়ো।’–বাদশা গলায় জোর আনার চেষ্টা করেন। চুনিবেগম রান্নাবান্নার কিছু জানে না।

    —’তাই বুঝি?’—মণিবেগম বিলোল কটাক্ষ হানেন। তারপর বলেন—’তা শিখে নিতে বলুননা সুলতান? আমি যদি গানবাজনা শিখি, তবে চুনিবেগমও রান্নাবান্না…’

    ‘আঃ! কি যে বলোনা! সবাইকে দিয়ে সব কিছু হয় না।‘

    —কেন হবে না? আমি যদি গাইতে পারি, তবে চুনিবেগমও রাঁধতে পারবে।

    বাদশা মণিবেগমের শুধু মুণ্ডচ্ছেদ নয়, একেবারে কচুকাটা করেন। তবে সবটাই মনে-মনে। গরম হয়ে বলেন–দ্যাখো বেগম, দুপুরে খানাপিনার সময় এসব কথা কাটাকাটি আমার ভাল লাগেনা কিন্তু! বলি, নিজের জন্যও তো কিছু বেঁধেছ, না কি? তার থেকেই আমার খানার বন্দোবস্ত করো। দিবানিদ্রার সময় পার হতে গেল।

    —অয় খোদা! কি যে বলেন! আমি আর এখন রাঁধি কোথায়? আমি তো শুধু গাই!

    –তোবা, তোবা।–বাদশাহের পেটের আগুন তার চোখের তারায় ঝলসে ওঠে। নাঃ, এর চেয়ে দিগ্বিজয়ে বেরিয়ে পড়াও ভাল। ইস্পাহান প্রদেশের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই একটা খিটিমিটি চলছে। এই ভরদুপুরেই বেরিয়ে পড়া যাক। পথের মাঝে দু-পাঁচটা সরাইখানা লুণ্ঠন করলেই খানার ব্যবস্থাটা হয়ে যাবে। ভাবতে-ভাবতেই বীররক্ত ছলকে ওঠায় এক লাফে দাঁড়িয়ে পড়েন সম্রাট।

    মণিবেগম কোন ব্যস্ততা দেখান না। গালে হাত দিয়ে চোখ বড়বড় করে বলেন—আরে, চললেন কোথায়?

    এই ভর দুপুরে ‘দিগ্বিজয়ে’ বললে হাস্যকর শোনাবে, তাই বাদশাহের মুখ ফসকে বেরিয়ে যায় কোথায় আবার? মোতিমহলে!

    —সে তো যাবেনই।’—মণিবেগমের গলায় বাদশাহের তলোয়ারের চেয়েও ধারালো ছুরি ব্যঙ্গের সুরে ধ্বনিত হয়ে ওঠে।’–খাবেন এই বাঁদির মহলে, আর শোকেন চুনিবেগমের মোতিমহলে! তারপরেই গলার সুর পাল্টে তর্জনি তুলে কুমের সুরে বলে ওঠেন-বসুন! বসুন বলছি!’

    সেই ধমক শুনে দিগ্বিজয়ী সুলতান অসহায়ভাবে এদিক-ওদিক চেয়ে দেখেন, পর্দার আড়ালে মণিবেগম অদৃশ্য, শুধু বেড়ালটা ধৈর্যের প্রতীক হয়ে পালোসের ওপর লেজ গুটিয়ে বসে তাকে যেন কিসের একটা ইঙ্গিত দিচ্ছে।

    অল্পক্ষণ পরেই দেখা যায় বাদশা-বেগম তারিয়ে-তারিয়ে বাদশাহী খানা খেয়ে চলেছে, হাড়গোড় ছুঁড়ে দিচ্ছেন বেড়ালটার দিকে। আহারের প্রায় শেষভাগে হঠাৎ-ই স্বর্গীয় সুর ভেসে আসে। মোতিমহলে চুনিবেগম গান ধরেছেন। মণিবেগম বাদশাহের উসখুস ভাব লক্ষ করেন এবং সঙ্গে-সঙ্গেই তার পাতে হিন্দুস্থানের রাবড়ি ঢেলে দেন। ফলে, আহারের পর বাদশাহের আর নড়বার ক্ষমতা থাকে না। চুনিবেগমের গান শুনতে-শুনতে মণিবেগমের পাশে শুয়ে দিবানিদ্রার সুখ অনুভব করেন তিনি। ঘুম যখন ভাঙে, তখন চুনিবেগম থেমে গিয়েছেন, মণিবেগম সুর ধরেছেন। ‘ওহ্, অসহ্য’ বলে গটগট করে শিশমহল থেকে বেরিয়ে আসেন বাদশা, পেছনে মণিবেগম কটমট করে চেয়ে থাকেন।

    সন্ধের পর দরবারের ঝামেলা মিটিয়ে মোতিমহলে এসে ঢোকেন সুলতান। সেখানে চুনিবেগম মুখ ভার করে বলেন-দুপুরে আজ এলেননা যে? কত করে গলা সাধলাম!

    শুনে বাদশাহ মরমে মরে যান। চুনিবেগমের রঙও টকটকে ফর্সা, তবে মণিবেগমের মত গোলগাল চেহারা নয়। দোহারা গড়ন, মাথায় বেশ খানিকটা লম্বা, টিকালো নাক, পাতলা ঠোঁট, চঞ্চল দুই চোখ, রাজহংসী গ্রিবা। সেই গ্রিবা সামান্য বাঁকিয়ে রবাব বাজিয়ে যখন গান ধরেন চুনিবেগম, সে গান শুনেও সুখ, সে ভঙ্গি দেখেও যেন আর আশ মেটে না। হায়! দুপুরে আজ এই স্বর্গীয় সুখ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বাদশা। তিনি তো চলেই আসতেন, কিন্তু বাদ সাধল ওই হিন্দুস্থানের রাবড়ি। সুস্বাদু, যেন অমৃত! তবে খেলেই বড় ঘুম পায়।

    –‘জানি, মণিবেগম আজ আপনাকে পেট পুরে খাইয়েছে।’—চুনিবেগমের পাতলা ঠোঁট অভিমানে কিঞ্চিৎ স্ফুরিত হল।

    —না, না, তেমন কিছু … তবে শেষপাতে ওই রাবড়িটা…’ মুখ ফসকে বলেই ফেলেন বাদশা।

    —ওসব খাবেন না। মণিবেগম ওতে সিদ্ধি মিশিয়ে রাখে।

    –বলো কি?

    —ঠিকই বলি। আপনি সরল মানুষ। গান-পাগল। ওসব মেয়েলি প্যাঁচ-পয়জার বুঝবেন না। মণিবেগমের বেড়ালটাকে দেখেননি? শুধু খায় আর ঘুমোয়। ওটাকে ওষুধ করেছে। আপনাকেও করার মতলবে আছে।

    দিগ্বিজয়ী বাদশা এসব শুনে চমকে ওঠেন। উষ্ণীষ খুলে কেশবিরল মস্তকে দ্রুত আঙুল চালান। চুনিবেগম তো ঠিকই বলেছে! আজকাল প্রায়ই শিশমহলে খানাপিনার পর তার আর ওঠার অবস্থা থাকে না।

    –‘তাহলে উপায়?’–বাদশা খুবই বিব্রত এবং অসহায় বোধ করেন।

    —আমি আপনার জন্য সুর ও সুরা দুইই মজুত রেখেছি। এসব কি যথেষ্ট নয়?

    বাদশা ধন্ধে পড়ে যান। সন্ধের পর থেকে রাত্রির প্রথম প্রহর পর্যন্ত এধ্ব খুবই ভাল, তবে মধ্যযামের পর খিদেয় ঘুম ভেঙে যায়। তখন চুনিবেগম কণ্ঠলগ্না হয়ে থাকলেও তার মণিবেগমের কথাই বেশি মনে পড়ে। ইচ্ছে হয়, বেগমের বেড়ালটি হয়ে রসুইখানায় সেঁধিয়ে যান।

    গলা-খাঁকারি দেন সুলতান। তারপর বলেন—তুমি … ইয়ে … একটু রান্নাবান্না শেখোনা কেন?

    আপনি কুম করলেই পারি। সেদিন রাত্রে আপনাকে মুগ্মসল্লম বেঁধে খাওয়ালুম না?

    শুনে বাদশা কিঞ্চিৎ মুখবিকৃতি করলেন। সেই বিস্বাদ এখনও তার জিভে লেগে আছে। পরের দিনই মণিবেগমের মহলে গিয়ে জিভের স্বাদ ফেরাতে হয়েছিল তাকে। বাগে পেয়ে মণিবেগমও তাকে দু-ঘণ্টা ধরে কালোয়াতি শুনিয়ে দুরমুশ করে দিয়েছিলেন।

    —আজও আপনার জন্য আফগানি কাবাব বানিয়ে রেখেছি।—চুনিবেগম মধুর হেসে বললেন।

    সর্বনাশ! সে আবার কেমন চিজ? বাদশা প্রমাদ গুণলেন। মুখে অবশ্য বললেন–বেশ তো, বেশ তো! তবে তার আগে তোমার গান শুনি।

    চুনিবেগম রবাবে ঝংকার তুলে গান ধরলেন। অপূর্ব সেই সঙ্গীতসুধা উপভোগ করতে করতে বাদশা ঠোঁটে তুলে নিলেন সুরার পাত্র। এইভাবে রাত্রির প্রথম প্রহর অতিক্রান্ত হল, দেউড়িতে বাজল ঘণ্টা, আর শিশমহল থেকে মণিবেগমের বাঁদি এসে পর্দার আড়াল থেকে বলল—জাহাপনা, খানা তৈয়ার।

    বাদশা কলে-পড়া ইঁদুরের মত চুনিবেগমের দিকে তাকালেন। বেগম যন্ত্রে ঝংকার দিয়ে তীক্ষ্ণ স্বরে বললেন—বলো গিয়ে আজ সুলতান আমার এখানেই থাকেন।

    এ-কথা শুনে বাদশাহের আত্মারাম খাঁচাছাড়া হবার অবস্থা হল। সুরার প্রভাব একটু একটু করে কেটে এখন ক্ষুধার বেশ উদ্রেক ঘটছে। মাঝ রাতে এই ক্ষুধা দাবানলের আকার নেবে। বাদশা ভাবলেন, যা থাকে নসিবে, চুনিবেগম আফগানি কাবাব আনতে পর্দার আড়ালে অদৃশ্য হলেই তিনিও এই মোতিমহল থেকে অন্তর্হিত হবেন।

    চুনিবেগম অবশ্য ওঠার কোন লক্ষণই দেখালেন না। সুরেলা গলায় বাঁদিকে কুম করলেন। তার মানে, বাঁদিই খাবার সাজাবে। এটিও বাদশার একেবারেই না পস। মণিবেগমের এসব কাজে বড় পরিপাটি। ইনি কিন্তু গতর নাড়াবেন না। রবাব কোলে তুলে নিয়ে মিষ্টি হেসে বললেন—একটু সময় লাগবে। ততক্ষণ আপনাকে একটা ইরানি গজল শোনাই?

    বাদশা আবারও উষ্ণীষ খুলে ফেললেন। বিননি করে ঘাম হচ্ছে। আধপেটা খেয়ে রাত কাটাতে হবে। তার ওপর চুনিবেগমের আর একটি বদভ্যাস আছে। আহারের পর সে পোষাক পাল্টায়, বাঁদিকে দিয়ে প্রসাধন সারে। ততক্ষণ পর্যন্ত বাদশাকে জেগে বসে থাকতে হয়।

    চুনিবেগম চোখ বুজে পারস্যের গজল ধরেছেন, আর বাদশাও সেই ফাঁকে, পালানর পথ খুঁজছেন, এমন সময় একটা অদ্ভুত কাণ্ড ঘটল। পর্দা সরিয়ে মোতিমহলে এসে দাঁড়ালেন শিশমহলের মণিবেগম। আর সুরের রাজ্যে অসুরের প্রবেশের জন্যই কিনা কে জানে, রবাবের তার গেল হঠাৎ-ই ছিঁড়ে এবং বাধা পেয়ে চোখ খুলে চুনিবেগম দেখলেন, তারই মহলের দরজায় দাঁড়িয়ে স্বয়ং মণিবেগম!

    ঘোর বিপদ বুঝে বাদশা গলা-খাকারি দিয়ে বললেন—তোমার ওখানেই যাচ্ছিলাম … তবে … ইয়ে … মানে, পারস্যের গজল … তা তুমিও একটু শুনে যাও না?

    মণিবেগম বাদশার কথায় ভ্রূক্ষেপও করলেন না। সোজাসুজি চুনিবেগমের দিকে তর্জনী তুলে কুমের সুরে বললেন—চুনি, ওঁকে ছেড়ে দাও।

    রবারে তার ছিঁড়ে যাওয়ায় এমনিতেই চুনিবেগমের মেজাজ ক্ষিপ্ত হয়ে গিয়েছিল, তার ওপর মণিবেগমের খবর্দারিতে সুরেলা গলা তারসপ্তকে চড়িয়ে ভীষণ ব্বিক্তির সঙ্গে বললেন—ওরে আমার কে রে! বললেই হল, ছেড়ে দাও!

    মণিবেগমের মুখ টকটকে লাল হয়ে উঠল। তিনিও রণরঙ্গিনী মূর্তি ধরে সুরার পাত্রের দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করে ভয়ংকর স্বরে বললেন—এসব ছাইপাঁশ গিলিয়ে বাদশার খিদের বারোটা বাজাচ্ছিস—তোর লজ্জা করেনা রাক্ষুসী?

    চুনিবেগমও এক লাফে উঠে কোমরে ওড়না জড়িয়ে তেড়ে গিয়ে বললেন—আর তুমি যে রাবড়িতে সিদ্ধি মিশিয়ে সুলতানকে ঘুম পাড়িয়ে রাখছ বলি, ভেবেছটা কি?

    —বেশ করি। আমার মহলে সুলতান নিশ্চিন্তে ঘুমান।

    —আহা! মরে যাই! আর আমিই বুঝি ওকে রাতে জাগিয়ে রাখি?

    —সে তো ওঁর চোখের কোণে কালি দেখলেই বোঝা যায়। আমি সিদ্ধি মেশাই? তুই বিষ মেশাস। তোর ওই মদে বিষ মেশান থাকে।

    —সেই বিষ পান করতেও সুলতান সকাল-সন্ধে আমার মহলে আসাই পছন্দ করেন। আর উপায়ই বা কি? ভেবেছ আমাকে টক্কর মারতে ওই হেঁড়ে গলায় গান গেয়ে সুলতানের মন ভোলাবে? শয়তানি, হিংসুটি!

    —শুনছেন, জাঁহাপনা শুনছে? মুখপুড়ি, ডাইনি!

    –শুনছেন, জাঁহাপনা শুনছেন? আপনি কিন্তু আজ আমার এখানেই খেয়ে যাবেন।

    –কক্ষনো না। সুলতান, একবার সাহস করে উঠে আসু তো? আমি আপনার জন্য কাশ্মীরী কোর্মা বানিয়ে রেখেছি।

    —ওসব সুলতান মুখেও তোলেন না। আমি বানিয়েছি আফগানি কাবাব।

    —সুলতান, খবর্দার ওর কথায় বিশ্বাস করবেন না। ও রান্নার কি জানে? বাবুর্চিকে দিয়ে রাঁধিয়ে নিজের বলে চালাচ্ছে। পাজি, মিথ্যেবাদি।

    —তুমিই বা গানের কি জান? তালকানি, পেঁচানি!

    —আমি না থাকলে সুলতান না খেয়ে মরতেন।

    —তোমার ওই গান শুনে একদিন এমনিই মরবেন।

    —তুই থাম।

    —আমি কেন থামব? এটা আমার মহল।

    —চো-ও-প!

    —চোপরাও!

    বলা বাহুল্য, সেদিন রাত্রে বাদশাহের আর আহার হলই না। চুনিবেগমের আফগানি কাবাব ছুঁচো আর ইঁদুরে খেল, মণিবেগমের কাশ্মীরী কোর্মাও গেল বেড়ালের পেটে। বিরক্ত হয়ে রাতটা বারমহলে কাটিয়ে পরের দিন সকালে আবার দরবারে এসে বসলেন তিনি। ক্লান্ত, চিন্তিত। আজও যে কি থেকে কি হবে!

    এই সময় দ্বাররক্ষী এসে খবর দিল, একজন দরবেশ বাদশাহের সঙ্গে দেখা করতে চান। বাদশা তাকে হাতের মুদ্রায় হাঁকিয়ে দেবার ইঙ্গিত করতে রক্ষী বলল যে, দরবেশ নাকি তন্ত্রমন্ত্র জানেন, তিনি স্বপ্নে আদেশ পেয়েছেন বাদশা বড় মনোকষ্টে আছে, সেই কষ্টের যেন নিবৃত্তি হয়।

    একথা শুনে বাদশার মনে কিঞ্চিৎ বিশ্বাস জন্মাল। তিনি দরবেশকে হাজির করার হুকুম দিলেন। দরবেশ একজন বৃদ্ধ। আলখাল্লা-পরা বৈশিষ্ট্যহীন চেহারা, হাতে একটি বাঁকানো লাঠি। তিনি এসেই বাদশাকে দরবার ফাঁকা করার অনুরোধ জানালেন। বাদশা সেই অনুরোধ রাখতেই দরবেশ বললেন—গোড়া থেকে সব খুলে বলুন। দেখি, আল্লার ইচ্ছেয় যদি বিহিত করতে পারি।

    বাদশা সবই খুলে বললেন। তাঁর পিতৃ-পিতামহ পাঁচ-সাতজন বেগম নিয়ে দাপটে ঘরকন্না করেছেন, আর মাত্র দুটিকে নিয়েই তার হিমসিম অবস্থা। কালে কালে হল কি?

    দরবেশ বললেন—বিষয়টা আপনার পূর্বপুরুষদের আমলেও খুব সহজ ছিল না। বেগম হল দিল্লিকা লাচ্ছু, যো খায়া ও হি পস্তায়া।

    বাদশা চিন্তিতভাবে বললেন—তাহলে উপায়?

    দরবেশ বললেন—আমাকে দিন তিনেক সময় দিন।

    —বেশ। আপনি তবে আমার অতিথিশালায় থাকুন। খানাপিনা করুন, গোলাপজলের ফোয়ারায় আমার বাছা বাছা নর্তকীদের নৃত্য-গীত উপভোগ করুন।

    —আমি দরবেশ। বিলাসব্যসনের ধার ধারি না। আপনার দারোয়ানের ঘরটিই আমার বিশেষ পছন্দ। আপনি ওখানেই আমার থাকার বন্দোবস্ত করুন।

    অতঃপর দরবেশ রয়ে গেলেন দারোয়ানের ঘরে, আর বাদশাও দোনামোনা করে আবারও যাতায়াত শুরু করলেন শিশমহলে আর মোতিমহলে।

    কিন্তু দুই মহলই নীরব। সেই রাত্রের তুমুল ঝগড়ার পর দুই শিবিরেই যেন গোরস্থানের শান্তি। চুনিবেগমের তার-ছেঁড়া রবাবে আর সুর ওঠেনা, মণিবেগমও বেসুরে সঙ্গীতচর্চা করেন না। রান্নাবান্না বাবুর্চিকে দিয়েই করান হয়, বলা বাহুল্য বাদশাহের সেসব মুখে রোচে না।

    তারপর, রাত্রে শুয়ে দুই বেগমেরই ফিচির-ফিচির কান্না শুনতে হয়। বাদশা ‘কি হল কি হল’ করলে মণিবেগম ফোপাতে-ফোপাতে বলেন—কি আবার হবে? আমি নাকি তালকানি, পেঁচানি—ডাইনিটা কি বলল শুনলেন তো? অনুরূপভাবে চুনিবেগমও বলেন—আমি নাকি শয়তানী, হিংসুটি-মিথ্যেবাদি, পাজিটা কি বলল শুনলেন তো?

    জেরবার হয়ে তিদিন পর্যন্ত কোনক্রমে ধৈর্য বজায় রেখে অবশেষে বাদশা দরবেশকে ডেকে পাঠান। দরবেশ সব শুনে বলেন—আরও তিনদিন দেখুন।

    সেই তিনদিনেও অবস্থার কোন ইতরবিশেষ হয় না। শুধু দুই বেগমেরই চোখের জল শুকিয়ে গিয়ে শরীর-মুখ-চোখ কেমন কাঠ কাঠ হয়ে যায়। রাত্রে শিশমহলে শুতে গেলে মণিবেগম গুম হয়ে বলেন–আজ আমার কাছে যে? পথ ভুলে? আবার মোতিমহলে গেলে চুনিবেগম ভুরু টান করে বলেন—কাল যদি ওখানে, তবে আজ রাতে কেন এখানে?

    ছ-দিনের মাথায় দরবেশ বলেন—এবার আমি দুই বেগমের সঙ্গে আলাদা আলাদা কথা বলতে চাই।

    বাদশা সেইমতই ব্যবস্থা করেন। আধঘণ্টা পর ফিরে এসে দরবেশ বলেন—হল না।

    -কি হল না?

    —আমার এই বাঁকানো লাঠিটি মন্ত্রপূত। এটি ছোঁয়ালেই আপনার চুনি হয়ে যেতেন মণিবেগম, আর মণি হয়ে যেতে চুনি।

    -বলেন কি?

    —কিন্তু চুনিবেগম বললেন, ওই ধুমসী হতে আমার বয়ে গেছে। দিন-রাত শুধু রাঁধবাড় আর খাও। ও কি মানুষের জীবন?

    —আর মণি?

    –বললেন, গান-টান আমার ভালই লাগে না। নেহাত বাদশার মন রাখতে একটু-আধটু গাই। বেঁধে-বেড়ে পুরুষকে খাওয়াতে কত সুখ!

    —তাহলে উপায়?

    –কাল বলব।

    পরের দিন আবার দরবেশকে বেগমদের মহলে পাঠিয়ে বাদশা অধীর প্রতীক্ষা করতে থাকেন।

    ফিরে এসে দরবেশ বলেন–ব্যবস্থা হয়ে গেল।

    —কিরকম, কিরকম?–বাদশার আগ্রহ আর ধরে না।

    –সপ্তাহে তিনদিন, শনি, রবি, সোম মোতিমহলে চুনিবেগম গানও গাইবেন আবার বেঁধেও খাওয়াবেন।

    —চুনি করবে রান্না! আর সেই রান্না খেতে হবে আমাকে! এক-দু-দিন নয়, তিন-তিনটে দিন! মারা পড়ব দরবেশ।

    -বিচলিত হবেন না। আমার এই যাদুদণ্ডটি ওঁর হাতে দুইয়ে দিয়ে এসেছি। ওই তিনদিন চুনিবেগমের হাতে আপনি অমৃতের স্বাদ পাবেন।

    —আর মণি?

    —মঙ্গল, বুধ, বৃহস্পতি ওঁর গলায় সুর বিরাজ করবে। গানও শোনাবেন, বেঁধেও খাওয়াবেন।

    –বলেন কি!

    –জুম্মাবারে সংযম পালন করবেন। তবে সাবধান, দিন ভুল করবেননা, যেন। তাহলেই যাদুর খেল খতম।

    —দাঁড়ান, দাঁড়ান, ঝালিয়ে নিই। সোম, মঙ্গল, বুধ চুনি … না না, কি যেন বললেন, শনি, রবি সোম মণি … না না … মণি তো নয়, চুনি …।

    বাদশা চোখ বুজে কর গুণে দিনের হিসাব করতে থাকেন। ধাতস্থ হয়ে চোখ খুলেই দেখেন, আরেঃ! কোথায় সেই দরবেশ।

    এরপর সেই বাদশা দিগ্বিজয়ে বেরিয়ে আরও নানা দেশ জয় করেন। তার বীরত্বে মুগ্ধ হয়ে বিজিত দেশের বহু রাজকন্যা তাকে দেহ-মন দুইই সমর্পণ করতে চান। বাদশা তাঁদের প্রত্যেককেই মিষ্ট হাস্যে আপ্যায়িত করে বলেন-তা হয়না সুন্দরী! ঘরে আমার দুই বেগম। শনি-রবি-সোম, আর মঙ্গল বুধ-বেস্পতি। সুন্দরীরা মনঃক্ষুণ্ণ হলেও বাদশার কথাকে রসিকতা ভেবে করতালি দিয়ে হেসে উঠে বলেন-বাঃ বাঃ, আপনার দুই বেগমেরই ভারি অদ্ভুত নাম তো!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রিয় – ইমদাদুল হক মিলন
    Next Article গোপনে – ইমদাদুল হক মিলন

    Related Articles

    ইমদাদুল হক মিলন

    ইমদাদুল হক মিলনের বিবিধ রচনা

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    অন্তরে – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    এসো – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    প্রিয় হুমায়ূন আহমেদ – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    গোপনে – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    প্রিয় – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }