Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    মিহির সেনগুপ্ত এক পাতা গল্প368 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – ১৩

    তেরো

    বৈকালিক আসরে জামাই মেম্বার পুরো পাঁচশো টাকা নিয়ে হাজির। মেজাজ তার বেশ শরীফ। আসর বসার আগেই, আমার সাথে দেখা করে সে কিছু আর্জি পেশ করে রেখেছে। তার মর্মার্থ একটাই, ছ্যামড়ারা যেন তাকে নিয়ে আর আচাইল কুচাইল না করে। হালি ফালি নিয়ে যেন হাসকাব্য না করে। আল্লাকসম জামাই ওসবের মইদ্যে নাই। ট্যাহা হে দেবে। তয় হেয়া ভয়ডরের লাইগ্যা না। হে এই পোলাপানেগো খুব ভালো পায়। পেরানের থিহাও অধিক। ফাজিল হউক, বদমাইস হউক– এ্যরাই তো গেরামডার লইগ্যা কিছু করে, আর বেয়াকে তো, লুডইয়া পুডইয়া খায়।

    জামাই মানুষটি খারাপ না। কিন্তু পোলোপানেরা তাকে একেবারে সাইদ্যের জ্বালাতন করে। তয় দুলাভাই, কই, ওরা ওসব না করলেও মুই যেন ভাল ঠেহি না। নাইলে কয়েন, এ বালের দ্যাশে গেরামে আছেডা কী? কী লইয়া থাহে মাইনসে? জমিজিরাত আছে। ধানপান কলাকচু যা পাই– হেথে অইয়া বাইয়াও পড়ে। ছ্যামড়ারা কথাডা অলেয্য কয় নায়। পোলা– মোডে এট্টা। আর তো কিছু অইলে না। এউক্কা ছাও বিয়াইয়াই মাগি যে হেই খামডি দেলে, আর কোনো রাও নাই। মোরও দ্যাহেন বয়স কোম করইয়া চৌপঞ্চাশ বচ্ছর তো অইবেই। পোলায় পড়ে দশ কেলাশে। বউডা এট্টু আছে আকান্দা– তয় চলইয়া যায়।

    জামাই নাগারে আত্মপরিচয় দিয়ে যায়। মনটা তার প্রকৃতই ফুরফুরে এখন। বোধহয় বিবির সাথে ভাব হয়েছে। কথায় কথায় বলেও তা। বলে, তা দ্যাহেন, ঘডিবাডি পাশাপাশি থাকলে এট্টু ঠোহাঠুহি অয়ই। একদিনের সোম্পক্কো তো না। হেই কোন ছেডোকালে হ্যারে বিয়া করইয়া আনছেলাম। বয়সে মোর থিহা কোমছে কোম চৈদ্দ বচ্ছরের ছোডো। তো হেয়া যাউক। বউ, হালির বিয়ায় মত হেছে। হে, কইলে, এ তো ভাল কতা। দশ জোনে যহন দেইক্যা হুনইয়া দেতে চায় মোগো আফইত্য কী? বেওয়া মাগি, মোর থিহা মোডে দ্যাড় বচ্ছরের বড়। অল্প বয়সে রাড়ি অইছে, এহনও গায়ের ম্যাকমেকি যায় নায়। হারা জেবনডা রইছে পড়ইয়া। কইন কী করইয়া ফ্যালায় কওন তো যায় না। জামাই বিবির বুদ্ধির তারিফ করে বলেন, বোজজেন দুলাভাই, কতাও তো হত্য। দিনকাইল তো ভাল না। মাইনসের নিয়ইত খারাপ। তয়, নিয়ত, কইলম মাইন্‌সে নিজেই খারাপ করে। এহন হে ছেমড়ি যদি এট্টা আকাম কিছু ঘডায়।– মোর মাতারি এমনে খরখরইয়া অইলে কী অইবে, বুদ্ধি রাহে মোক্তারের। তো হে কইলে, দেন বিয়া দিয়া। এহন আফনে এহানে থাকতে থাকতে যদি কামডা অইয়া যায়, কলমার দিন খাসি কাডুম তিনডা– কইলাম আাফনেরে। তয় আপনেও মুরুব্বি মানু, পাত্তরের লগইতটা এট্টু বুজইয়া দ্যাখফন। মোরা আভোদা আলেহা আলেহা পাডার আড়ইয়া বিচি। মোরানি কোনো কায়দাকানুন সোবত বুজি? আফনে আছেন, থাইক্যা, কামডা করইয়া দিয়া যায়েন। আল্লায় আপনেরে ভাল রাখফে।

    একে দুইয়ে সবাই আবার এসে ভিড় করে। নসু এখনও আসেনি। সকালের উত্তেজনার রেশ মাত্রও যেন কারুর মধ্যে নেই। জামাই-এর এই পরিবর্তনও যেন কেউ নজর করছে না। যেন এমনটিই হবার কথা ছিল এবং এ তাদের আগে থেকেই জানা। খলিল খুব কেজো সুরে জিজ্ঞেস করে।–

    জামাই, মাইয়ার লগে বন্দেজ করছ?

    হ।

    হে কী কয়?

    কমু হ্যানে, নসুভাই আউক।

    ট্যাহা আনছ জইরমানার?

    আনছি, দিমু হ্যানে নসুভাই আইলে।

    খলিলকে যেন আদৌ পাত্তাই দিচ্ছে না জামাই। নসুভাই ছাড়া আর কাউকে যেন সে চেনেই না। খলিল বলে, ঠিক আছে, নসুভাই আউক হ্যারডেই বেয়াক কইও। হ্যার ধারেই ট্যাহা দিয়ো। মোরা কেডা? মোরা তো তোমার দুশমন। তয় হালার বিয়া কইলম নসুভাই একলা দিতে পারবে না। তহন কইলম খলিল ঠাহুররে আবার লাগবে হ্যানে। এইসব কথার মধ্যে নসু এসে হাজির। বলে, কী অইলে আবার? খলিল বলে, না কিছু না। তুমি আও নায় দেইখ্যা জামাই ফোপাইতে আছেলে। মুই হ্যারে বোজাইতে আছেলাম, আর কতাও তো হাচা, মোরা কেডা? নেও এবার যা করার তুমি কর। তুমি মোন লয় এহন হ্যার মুরশিদ।

    ও হেই কতা। তয়, তোরা যাই কও, জামাই কইলম মোরে এট্টু বেশি ভাল পায়। হেথে তোমরা রাগ হও আর ঢিল হও। খলিল বলে, হেয়া পাউক, হেথে মোগো কী। কইবোলে, হেকারণ, বাকি বেয়াকেরে অপচ্ছেদ্দা করবে, হেডা কি ঠিক? জামাই এবার বিরক্ত। বলে, এ তো আচ্ছা ক্যাচাল। মুই কইলাম, নসুভাই আউক, তহন বেয়াক কতা একলগে কমুহ্যানে। এত কতা চৈদ্দ জোনারে চৈদ্দবার কইতে ক্যারও ভাল লাগে? এথে রাগ ঢিলের কী আছে? নসু বলে, রাহ ওসব ফ্যাত্রা প্যাচাল। আসল কতাডা কী কও। ট্যাহা আনছ? জামাই লুঙ্গির গেঁজ থেকে টাকা বার করে নসুর হাতে দেয়। নসু থুথু দিয়ে ঠিক মুহুরির মতো ভঙ্গিতে গুনে নিতে থাকে সেই টাকা। টাকাটা কালু ভাই-এর হাতে দিয়ে বলে, কালুভাই, এই আইজকার আর কাইলকার খরচ। হিসাব করইয়া ব্যবস্থা করইও। পরশুর খরচের লইগ্যা নতুন কেস ধরতে অইবে। দিনকাল বড় মাহেঙ্গা, কেসও পাওন যায় না জুইত মতন। ঠাহুরেরডা এট্টু বিবেচনা করতে অইবে। হেয়া যাউক, জামাই কও মাইয়ায় কী কইলে?

    হে কয় বিয়াডা হউক।

    তয় হউক।

    অইবে ক্যামনে? পাত্তরের কতাডা তো তোমরা কিছুই কইলা না। খালি কইলা পাত্তর রেডি। হেডা ফুডা না ফাডা, হেয় দ্যাখতে অইবে না?

    পাত্তর তোমার এহানেই পাবা, ব্যস্ত হও ক্যান?

    এহানে কেডা?

    ক্যান, মোকছেদইয়া।

    মোকছেদইয়া? হ্যার বয়স তো মাত্তর বত্তিরিশ। মোর হালির বয়স কোমছে কোম চৌতিরিশ পয়তিরিশ অইবে। হে বয়সে বড় অইয়া যায় না?

    খাদিজা বিবি হযরতের থিহা পনারো বছরের বড় আল্‌হে, হেয়া জান?

    জানমু না ক্যান? কিন্তু হযরতের তো মোট তেরো জন বিবি আল্‌হে। তেনায় মোগো নবী, তেনার লগে তুলনা কীয়ের?

    তুলনার কতা না। মোরা কইতে চাই এইডুক ছোডো বড়তে কিছু আটকায় না।

    না আটকাইলেও দ্যাহন দষ্টব্যে এডা ঠিক না।

    ঠিক না তো, মোকছেদইয়া হ্যানে এদিক উদিক এউক্কা লগৎইয়ামত ব্যবস্থা করইয়া লইবে। আর হেয়া যা অউক হেতে তোর কী? মোকছেদইয়া তোর হালিরে বিয়া করতে চায়, তোর হালিও মোকছেদইয়রে চায়। ব্যাস, এ্যার মইদ্যে আর ক্যারও কিছু কওনের নাই।

    হে মোকছেদইয়ারে বিয়া করতে চায়, কইছে?

    না কইলে কি মোরা জোর জুলুম করতে আছি? হেই তো মোগো ধরছে এই বিয়ার লইগ্যা। কইছে যে, তোমরা মোর এট্টা বেবস্তা কর। এরহম আর থাহন যায় না, রাইতবিরাইতে ডর লাগে। এ-ও টালায় যহন তহন। তয় না আমরা লাগছি এ কামে। নাইলে মোগো কোন ঠেহাডা তোর হালির বিয়াদি।

    এবার জামাই বোঝে এ এরা এতক্ষণ ধরে যা করে চলেছে, তা ঠিক চ্যাংড়ামো নয়। এর ভেতরে কিছু গুহ্য কথা আছে। সে গুহ্য কথা বা তত্ত্ব, সংলাপে বললে শালীনতার শেষ সীমা লঙঘন করা হবে এমত বোধে, বর্ণনায় রাখছি। বর্ণনার দোষঘাট পাঠিকা/পাঠকেরা ক্ষমা করে থাকেন। তাছাড়া সে-ক্ষেত্রে ঘোমটা দিয়ে বলার উপায়ও থাকে অনেক।

    মোকছেদই নাকি সেই ব্যক্তি, সভার ‘বাহাসে’ প্রকাশ, যে, শালির বাড়ির ‘ছাইচে’ এদানি ঘুর ঘুর করে। শালিকে মোকছেদ নাকি বেশ কিছুদিন ধরেই নিকার কথা বলে আসছিল। শালির বক্তব্য, যা এই গতপরশু দিন সে মোকছেদকে জানিয়েছে যে, দুলাভাই যদি কয়েন তবেই সে রাজি হতে পারে। কারণ দুলাভাই, অর্থাৎ জামাই-ই নাকি তার মুরুব্বি। আর একারণেই সভাজনের “সন্দ” যে জামাই-এর লগে হ্যার এট্টা কিছু ব্যাফার আছে। নাইলে এত কী?

    জামাই এসব শুনে ‘থ’, বলে, হে চুৎমারানির প্যাডে প্যাডে এত? তয় হেয়া মোরে কয়নায় ক্যান? আর এ্যার লইগ্যা বলদারা মোরে সন্দ কর? মোর বয়সটা দ্যাহ না? নসু বলে, তোমার বয়স ধরলে তো মোগো মাইয়ারেও তোমার নাতনি কইতে অয়। বিয়া করনের সোমায় তো হিসাব আছেলে না। এহন খালি বয়স করতে আছ। একথায় জামাই আবার দিশাহারা বোধ করে। ভাবে বোধহয়, এই অসমবয়সী বিয়েটা তার পক্ষে একটু অন্যায়ই হয়ে গেছে। এ কারণ চুপ করে থাকে সে। তখন খল্‌ইয়া আবার ‘বাহাস’ তোলে, “তোমার লগে যদি তোমার বিবির বয়সের ফারাক এতহানি অইয়াও বিয়া অইতে পারে, তয় মোকছেদের লগে তোমার হালির বিয়া হওন দোষডা কী?”

    বঃ এহানে দুলা ছোডো, মাইয়া বড় না?

    হেথে অহছে কোন কাফাডা? দুলা বড়, মাইয়া ছোডোতে বিয়া অইতে পারে, মাইয়া বড় দুলা ছোডোতে হওনে দোষ কী? হেথে কি পোলামাইয়া হওনে কোনো অসোবিদা আছে?

    মোগোর দ্যাশে হে রহম অয়?

    মোছোলমানগো অইতে দোষ নাই।

    তয় তোরা দিবিই এ বিয়া?

    হ।

    তয় দে–।

    নসু তখন রায় দেয় যে, কথা পাকা। জামাই মত দিছে। হ্যার মুরুব্বি, শ্বশুর হালায় মরছে। এহন জামাই-ই কত্তা। তয় এই কতাই পাহা, জামাই, এহন মোল্লা ডাইক্যা দিন দ্যাহ। জামাই জানায় যে, দুলাভাই অর্থাৎ আমি থাকতে থাকতেই শুভ কামডা সারতে অইবে। শুভস্য শীঘ্রম। তয় আইজ আর একতা লইয়া লাড়াচাড়া করণের কাম নাই। পূজা মিডুক, পরে দ্যাহন যাইবে, কবে কী করন যায়।

    সব বিষয়েরই বেশ একটা মধুরেণ সমাপ্তি ঘটে। যুবজন খুশি, জামাই খুশি। এবার জামাই-এর টাকার সদ্ব্যবহার শুরু করা যায়। ‘মদমাদী’ এসেছে। বলির পাঁঠার মাংস খলিল ঠাহুর পাক করে রেখেচে। পাঁঠার ‘কালীপোক’ অর্থাৎ মেটেগুলো সে অত্যন্ত সুচতুরভাবে গোপন করে রেখেছে চমৎকার চ্চ্চড়ি করে। সে কালীপোক– সব্বোসাধারণের জন্য নয়। যারা মদমাদী খাবে, তাদের অনুপানের জন্য। গোঁসাই-এর সন্ধ্যারতি শেষ হয়েছে। আশপাশ গ্রাম থেকে লোকজন এসেছে। হ্যাসাক পেট্রোম্যাক্সের আলোয় অঙ্গন প্রাঙ্গণ প্লাবিত। বুড়ির ঘরে ছোকরাদের যাতায়াত শুরু হয়ে গেছে।

    গুটিকয় ছোকরা জামাইকে ডাকে। বলে, জামাই, নসুভাই মোণ্ডোপের পিছে তোমারে কতা হোনতে বোলায়। জামাই সরল বিশ্বাসে উঠে মণ্ডপের পেছনে যায়।

    উন্মুক্ত আকাশের নীচে বসে আছি একটি আরামকেদারায়। সারা গায়ে ষষ্ঠীর ম্লান জোছনা। মাঝে মাঝে এখনও ঢাক বাজছে। কখনও ক্ল্যারিওনেট এবং সানাই, নাগারা টিকারা সহযোগে পূরবীর দীর্ঘশ্বাস ছাড়ছে। সব মিলিয়ে এক মনমাতানো মনকাঁদানো মূচর্ছনা। শৈশব কৈশোরের অনুভবগুলো হাতড়ে বেড়াচ্ছি। সামনে আলোছায়ার লুকোচুরিতে, চালতা, চম্বল, জামরুল জারুলের যূথবদ্ধ মৌনে সুখ এবং বিষাদ, মিলন ও বিচ্ছেদ-বেদনা, এক সাথে যেন এই শারদী শিশিরের মতোই শরীরের প্রতিটি লোমকূপে প্রবেশ করছে। সারা দেহে তার আমেজ। মাটির নীচের নিভৃত প্রকোষ্ঠে রাখা প্রাচীন দামি মদের মতো তার প্রতিটি বিন্দু যেন তারিয়ে তারিয়ে চাখছি। এই সুখ, প্রাচীন কিংবদন্তির সুখ, যা জীবনে একবার বা দুবার আস্বাদ করা যায়। বার বার করা যায় না। গোটা শরীর দিয়েই এই সুখ চাখতে হয়। তারপর এক সময়ে তা জারিত হয়ে মনে প্রাণে আত্মায় গিয়ে স্থায়ী এক অনুভবের সৃষ্টি করে, আর সেই অনুভবই তো আমাদের আমরণ অন্বেষা।

    মণ্ডপের পিছনে তারা জামাইকে নিয়ে রগড় করে। সেই রগড়েরর শব্দ কানে পৌঁছোতে প্রৌঢ় রক্তে যৌবনিক চাপল্যের সাড়া জাগে। মণ্ডপের পেছনে গিয়ে দেখি, জামাই ভূমিশয্যায়। তার হাত পা চেপে ধরে আছে চার জোয়ান। পঞ্চম যুবক তার মুখের ভেতর বোতল ঠুসে ধরে তাকে জবরদস্তি মদ খাওয়াচ্ছে। জামাই ছটফট করে মিনতি করছে, ওরে ওরে, তোরা এরহম করিস না। মোর মাগি মোরে খ্যাদাইয়া দেবে। কে শোনে কার কথা। ‘ওরে ও চুৎমারানির পো। ও হালার পো হালা, তুমি নাকি মদ খাও না? তয় এডা কী? আইজ না মোগো পূজা? আইজ না তোর হালির সোমন্দ পাহা অইছে? আইজ তোরে খাওয়ামুই।’ আর সামান্য সময়ের ব্যবধানে অবাক হয়ে শুনি জামাই বেশ যেন আদেশ দিচ্ছে, মোরে আরেক গেলেস দেতে অইবে। এথে মোর কইলজা ভেজে নায়।

    নৈতিক বা ধর্মীয় বিধিনিষেধের ব্যাপারে যারা যাবেন, তাঁরা এগোন, আমরা আপত্তি করব না, আমরা বরং একটু পিছিয়েই থাকি। মাদকবিরোধী জনস্বাস্থ্য, কল্যাণকামীদেরও এক্ষেত্রে দূর থেকেই দণ্ডবৎ করব। তবে একটি সাধারণ কথাও বলব যে, এরা কেউই নিয়মিত মাদক সেবনে অভ্যস্ত নয়। উৎসব পার্বণেই এদের মদাচরণ ঘটে থাকে। তখন তারা কোনো শাস্ত্রীয় বিধান মানে না। বৈজ্ঞানিক অনুশাসন বোঝে না। আনন্দকে পূর্ণতায় ভোগ করার, উপলব্ধি করার বাসনা তখন তাদের জেগে ওঠে। এ সময়ে তাদের যাবতীয় চপলতা সহ্য করতে হবে। তারপর? তারপর–

    আছে তো তারপরে বারোমাস,
    উঠিবে কত কথা কলহাস
    আসিবে কত লোক, কত না দুখশোক
    একথা কোনখানে পানে নাশ।
    বছর চলে যাবে বারোমাস।

    ঋগ্বেদীয় কাল থেকেই মনুষ্য সুরপায়ী। বৈদিক যজ্ঞে কলসি কলসি সুরার ব্যবস্থা হতো। সেমেটিক যাবতীয় পুরাণাদিতে সুরার বিস্তারিত ব্যবহার। ইন্দ্র নিজে সুরা এবং গোমাংসের উত্তম ব্যবহারী, একথা বেদে আছে। উদ্দেশ্য একটাই, আনন্দবর্ধন। সুরা আনন্দবর্ধন করে। নৈতিকতা, সামাজিক, অনুশাসন, স্বাস্থ্যবিধি কোনো কিছুই সুরাকে প্রতিহত করতে সক্ষম হয়নি। বোধকরি, সভ্যতার যে লগ্নে মানুষ তার নশ্বরতা বিষয়ে অবহিত, যখন সে জেনেছে– জাতস্য হি মৃত্যুধ্রুবম্‌, তখন থেকেই সে ধর্মীয় সামাজিক, নৈতিক তথা স্বাস্থ্যবিষয়ক অনুশাসন লঙঘন করতে শুরু করেছে। কবিরা, বোধকরি, এই বোধকেই পুষ্ট করেছেন পদ্যবন্ধে।

    তারা বলে সুখ স্বর্গের দূরে
    আমি বলি সুখ মদিরে বধূ
    বাকি ত্যজি আর নগদ যা লহ
    দূরের ঢোলক শুনিতে মধু।

    কী ন্যায়মার্গী, কী অপবর্গী, সবার জীবনেই বোধহয় এ সত্য অনিবার্য পরম্পরায় বিধৃত। মানুষ নেশা করবেই, সে তার বিধিলিপিপ্রায়।

    তাই জামাইয়ের উপর এই জবরদস্তিতে দোষ ধরার কিছু নেই। উৎসবে নিয়মোনাস্তি। তাছাড়া একদিন মদ খেলে মানুষ কিছু মরে না। জামাই এখন রস বৈসঃ। বলে, খামু না, ক্যান? আইজ মোগো পূজা না? আইজ মোগো পূজা, কাইল মোগো ঈদ, পরশু মোগো কী? সে এখন দ্রব্যে চুর।

    এরপর সে একসময় গুড়াগ্যাদাদের সাথে বাজনার তালে তালে নাচে। দুর্গাপূজার সময় ধুনুচি নিয়ে নাচা এদেশীয় অপবর্গীদের আবহমানকালের একটি শিল্পচর্চা। জামাইয়ের মতো মানুষের ক্ষেত্রে নাপাক হলেও, নাচটা সে ছন্দেই নাচে। রক্তের মধ্যে পরম্পরাটা বোধ হয় ধর্মীয় অনুশাসনে পুরোপুরি লোপ পায় না।

    ফকির বলেছিলেন, মধুর দিলদরিয়ায় যে-জন ডুবেছে, ও সেনা জবর খবর পেয়েছে। এখানে বোধ হচ্ছে, জবর খবর পাচ্ছি। আমি এখন এদের দিলদরিয়ায় ডুবতে বসেছি। আমি এখন জবর খবর অবশ্য পাব।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিদ্বান বনাম বিদুষী – প্রীতম বসু
    Next Article বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    Related Articles

    মিহির সেনগুপ্ত

    বিদুর – মিহির সেনগুপ্ত

    January 20, 2026
    মিহির সেনগুপ্ত

    বিষাদবৃক্ষ – মিহির সেনগুপ্ত

    November 12, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Our Picks

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }