Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    মিহির সেনগুপ্ত এক পাতা গল্প368 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – ৩

    তিন

    রাস্তার নাম বিশ্বসড়ক। এ রাস্তা ধরে সারা বিশ্বে পৌঁছানো যায়, রূপসা থেকে হুলারহাটের দূরত্ব ঘন্টা আড়াই-তিনের পথ। মোকছেদ সেখানে যাচ্ছে দিন তিন-চারেকের জন্য। সে কারণে যে সব অনুষঙ্গের উদ্ভব হলো তাতে মনে হচ্ছে সে যাচ্ছে যেন সুদূর মক্কায় হজ করতে। তা ভাব-ভালোবাসা থাকলে মানুষের এ-রকম হয়। এ তো আর শহরনগরের এস্থান ওস্থানে যাওয়া নয়। এসব মানুষজনেদের রকম-সকম আলাদা। এর স্থান-মাহাত্ম্যও আলাদা। এইসব কোড অব কন্ডাক্টে আধুনিক নাগরিকদের যাওয়া বড় ঝকমারি। এর হিসেব বুঝতে গেলে শহর নগরের আধুনিক শিক্ষাদীক্ষার আলখাল্লাটাকে সেখানে খুলে রেখে আসতে হবে। এ সব কথা মোকছেদ বা হারুনের সঙ্গে কিংবা এই ফেরেস্তাদের সঙ্গে বলা যায় না। বলা যায় না এজন্যে যে তারা আদৌ এ সব হিসেব বোঝে না। তারা তাদের প্রবাহে চলে। সে প্রবাহে যে মেশে সে তাদের পড়শি, যে বাইরে থেকে ঢুঁষোয় তাকে তারা বলে পরবাসীয়া।

    এখন রূপসা পেরিয়ে মোকছেদ বলে– ভাইজান, মুই আর এখন হোডেলআলা নাই। মোর পরিচয় এখন চরণদার। মুই এখন আপনেগো সবারি পথ দেখায়ে লইয়ে যাব মোকামে। মোর পেরানের মুর্শেদের দরবারে। তো একখান আর্জি আছে। বাসে যদি যাই খরচ কম, সময় বেশি। আার যদি একখানা ছোডোমোডো গাড়ি-ভাড়া করি তো সময় কম ভাড়া বেশি। বলি–মোকছেদ ভাই এতটা রাস্তা গাড়ি করে যাবার রেস্ত নেই, বাসেই বরং…। মোকছেদ বলে– আহাহা, অমন করে না, অমন করে না। কতাটা আগে শুনতি হয়। মোরা যে-কজনা আছি তাতে বাস ভাড়া যা লাগবে, গাড়িভাড়া করলি তারথে বড়জোর শ’দেড়েক ট্যাহা বেশি লাগতি পারে। বাসভাড়ার ট্যাহা আপনের হিসেবে তো আচেই, বাড়তি যা মোর। এতে আপনে আপত্তি করলি দোস্তি থাকে না। তথাপি অস্তস্তি প্রকাশ করায় মোকছেদ বলে– তালি আপনেরা রাস্তা দেখেন, মুই ফিরতি খেয়ায় হোডেলে সেধোই। আপনে বড় নাবুঝপানা করতিছেন। বুজুর্গ মুরুব্বি মানেন না। বলে সে উলটো হাঁটতে শুরু করে। বহু কষ্টে তাকে শান্ত করে ফিরিয়ে আনলে বলে, পেরথমেই কলাম মুই এহন চরণদার। রাস্তায় লামলি চরণদারের বাক্যি মান্যি করা ফরজ। নালি, বেপদ পথেঘাডে।

    তার মানে মোকছেদ এখন আমার বুজুর্গ, মুরুব্বি?অবশ্য বয়েসের খাতিরে সে দাবি তার নসিকে জায়েজ। তা ছাড়ও হয়তো-বা, কারণ, তার মুখের কুঞ্চন, দাড়ির ছোপ আর চোখের অন্তর্ভেদী চাহনি অবশ্যই মুরুব্বিয়ানার স্বাধিকার প্রতিষ্ঠা করে। কিন্তু সব ছাড়িয়ে সেই চোখে লীলা করে জগৎজোড়া চাহনি। সে চাহনি যেন বলে– “আয় মানুষের বাচ্চারা সব আমার কাছে ভিড় করে আয়।” সে মানুষ মোকছেদ। সে সদাসর্বদা যেন ভাবের ঘোরেই আছে। তার রাগেও ক্রোধ নেই, আবার ভাবেও সম্পৃক্তি নেই। কিন্তু ওই চওড়া বুকখানা যে ভালবাসায় ভরা– এ সত্য বুঝতে কোনো মনোবিজ্ঞানের পাঠ নিতে হয় না।

    গাড়ি জোগাড় হয়। ভাড়া তিনশো টাকা। বাসে গেলে দেড়শো টাকায় হয়ে যেত। মোকছেদ বলে, আপনের নজ্জা করে না? ছাওয়ালপানগুলিরে আনিছেন, বউমারে আনিছেন। কিনা, চল তোমাগের বাপদাদার ভিডে দেখায়ে আনব। তাতো আলেন, আস্যে পেথম ধাক্কা খাওয়ালেন মোকছেদ মেয়ার হোডেলি। মনিরা মোর দুগা মাছ ভাত প্যাট ভরি খাতি পালোনো। কলেন, বডারে পয়সাপাতির সোগা ফাঁক কইরে দিইয়েছে। আবার এহন, তাগেরে বাসি চাপায়ি বকরা বকরির পারা সওয়ার করাতি চান। আপনে ক্যামন আদমি? মুই পুছ করতি চাই, আপনে এগার বাপ না মাউসা?

    হরি হরি। এতো দেখছি মুরুব্বির মুরুব্বি। এ-রকম ডাঁটিয়ালিতে আমার বাপ-জ্যাঠাও কোনোদিন আমাকে কিছু বলেনি। মেনে নিতে হয়। কেননা মানুষটা ভাবের ঘোরে বলছে। এখন আমার কাজ শুধু শুনে যাওয়া। উত্তর প্রত্যুত্তরে গেলে হয়তো আবার গাড়ি থামিয়ে বলবে, মুই তালি চলাম। আপনেরা খুশিমতো যায়েন গা। মুই মোর হোডেলের সোগায় সেধুই গে। তাই সাঁই মুর্শেদের নাম ইষ্ট করে চলতে থাকি আর মোকছেদের অমৃতবাক্য শুনি। তবে এ-কথা আমার মনে গুনগুনাচ্ছে, যেমন ছোটোবেলায় পালাকীর্তন শুনতে গিয়ে হতো যে, পালার নাম নিমাই সন্ন্যাস কি? না “আমার গোরাচাঁদের ভাব ভালো না, কী জানি কী করে ভয়ে মরি, আমার গোরাচাঁদের ভাব ভালো না।” তো এখন দেখছি এবং অবশ্যই আমার মনে গুনগুনাচ্ছে এই সুর, যে আমার এই চরণদারের ভাব ভালো না। এ যে কখন কী করবে তার কোনো ঠিক-ঠিকানা নেই।

    গাড়ি চলছে এক অনবদ্য সড়কে, বিশ্বসড়ক। এরকম মসৃণ অ্যাস্‌ফাল্ট এবং এত বিস্তৃত রাস্তা এই উপমহাদেশের ভ্রমকদের কাছে প্রায় অবিশ্বাস্য। তার উপর গাড়িঘোড়ার কদাচিৎ প্রতিযোগিতা। আমাদের গাড়িটির (একটি জাপানি মিৎসুবিশি) চালক প্রায় কিশোর। যুবক বলতে মন চায় না, কারণ দাড়ির বিছান প্রথম বর্ষায় গজানো দুর্বা ঘাসের নিবিড় কোমলতা। রাস্তাটি নতুন। খানিক গিয়ে মূল রাস্তা যায় বাঁহাতি মঙ্গলা বন্দরের দিকে। আমাদের ডানহাতি রাস্তায় গতি। আমরা এখন বাগেরহাট জেলার মধ্য দিয়ে চলেছি।

    মোকছেদ এতক্ষণে আশকথা-পাশকথা ছেড়ে গাড়ির চালককে নিয়ে পড়ে। জিজ্ঞেস করে, বাড়ি কোহানে? চালক, যার নাম হাফিজ, বলে– আশাশুনি, সাতক্ষীরের সন্নিকট। বাপে করে কী? বেলেক। সীমান্তবর্তী স্থান, সুতরাং বড় ব্যবসা বলতে বেলেক। হাফিজ বলে, হারামের বিজিনেস ওডা। তা ছাড়া ঝঞ্ঝাট মেলা। মুই বাজানেরে কলাম, মোরে একখানা গাড়ি কিনি দেন। ডেরাইভারিডা জানা আছে। কইরে কইম্মে খাতি পারব। তা তেনায় কলেন, হাইলে চাষার পো, জমি জিরেত যা আছে তা দেখ। লাঙ্গলের মুডি ধইরে চাষের কামে লাইমে পড়। যদি না পার তো বেলেকে লামো, তোমার পয়সা পরে খাবে। মুই কলাম, হালহালুডি মুই করব তো ভাইগুলান যাবে কনে? আর বেলেক মুই করব না, ইনসাল্লা। তো দ্যাহেন এহন গাড়ি চালাই। পরের গাড়ি। বাজানে একখান সেকেনহ্যান কিনি দেতে পারতেন। দেলেন না। কী আর করি। এহন পরের গাড়িতি খাটতি খাটতি জান জেরবার। কিন্তু পয়সার মুখ দেখতি পাই নে। যা পাই তা প্যাডে দিতিই শ্যাষ।

    গাড়ি ছোটে বাগেরহাটের দিকে, মোকছেদ নানা স্থানের নাম, গাছপালা, ইতিহাসকথা ইত্যাদি বলে যায়। বলে, এই যি বাগেরহাট বুঝলেন, এহানে আপনি পাবেন খাঞ্জা খাঁয়ের দিঘি। সেই দিঘিতে নাকি এখনও দুই দুইডা কুমির আছে। মানুষ কয়, সে দুডা পির ছায়েবের পোষা কুমির। তানার মাজার আছে, কত মানুষ, শয়ে হাজারে দেখতি যায় যেসব। ষাইট গম্বুজের নাম শুনিছেন? সেই ষাইট গম্বুজও এখানেই। সে মেলা পুরানা জমানায় সব বেত্তান্ত আছে, চলেন যাতি যাতি কবোনে।

    রাস্তা দীর্ঘ, কিন্তু ক্লান্তিকর নয়। গাড়িটিও বেশ খোলামেলা, ছড়িয়ে বসা যায়। ভোর থেকে দৌড়বাজি করে সবারই ক্লান্তি ছিল। মোকছেদের সরাইখানার ভুরিভোজের পর এমন আরামের গাড়িতে চড়ে প্রায় সবাই ঘুমে ঢুলে পড়েছে। মোকছেদ আর আমিই শুধু কথায় মশগুল। হাফিজ কখনও তার বাজানের অবিবেচনার কথা বলছে, কখনও বা মোকছেদের কথায় ধরতাই দিচ্ছে। মোকছেদ যদিও খুলনা-যশোরের টানে কথা বলছে, কিন্তু তার বাক্যবিন্যাসে আঞ্চলিক শব্দ ব্যবহার খুবই কম। শুধুমাত্র ক্রিয়াপদের ভিন্নতা ছাড়া বস্তুত তার ভাষায় আঞ্চলিকতা কিছুই নেই। আমি খুলনা-যশোরের অবিকৃত ভাষায় মোকছেদকে কথা বলতে অনুরোধ করলে, সে হেসে কুটিপাটি। বলে– বুঝতি পারবেন? তালি কই। কিন্তু মুই যে এতক্ষণ কথা কলাম তাও তো যশুরে কথা। বললাম– না এ-রকম তো আমিও বলতে পারি। আপনি আপনার গাঁয়ের গল্প করুন, সেখানে যেমনভাবে নিজেরা কথা বলেন সেভাবে। হাফিজ বলে ওঠে– বুঝিছি, ভাইজানে খাতি নাতি বেলা গেল শুতি পারলাম না– এইসব বাত শুনতি চাচ্ছেন। মোকছেদ তাকে ডাটে, বলে– তুই ব্যাডা থাম। খুলনেয়ে বজ্জাত। যশোরের কথার মাহাত্ম্যি তুই বুঝবি ক্যামনে গুয়োডা? ধমক খেয়ে হাফেজ চুপ। আসলে তার মনেও কিছু রগড়ের ছোঁয়া লেগেছে। তাই মিটমিটি হাসছে। মোকছেদ বলে– তালি কই শোনেন, মোর গাঁয়ের গল্প গাঁয়ের ভাষাই কই।

    মোগোর গাঁয়ের নাম স্বরপুর। চিত্রা নদীর নাম শুনিছেন তো, সেই নদীর পারে মোগোর গাঁ। এহন যেখানে মোর হোডেল–সেখানদে এসতি যেতি পাঁচ ঘন্টার পথ। সেখেনে সারা খুণ্ডি যাওয়া আসা এহন আর কত্তি পারিনে। সালে দোসালে এক-আধবার যাই। নিজির কতি বকরাডাও নাই তো যেয়ি করব কী? গাঁডা আগে ভালোই ছিল, পাকিস্তানি আমলেও হিন্দুরা এখানদে যায়নি। হিন্দু মোসলমানে মিলামিশ ভালো ছিল। গোল বাদালে কতগুলো আজাকার বাদরে। মুক্তিযুদ্ধের সময় আজাকার দলের ভেমোডা আট কইরে দেলো কি? না, হিন্দু গুয়োরা মোছলমানদের পোঙ্গায় বাঁশ দিতি চায়। এসব মুক্তিযোদ্ধারা আসলে হেঁদুগের দালাল। দীনের ভাইয়েরা। কালেদিনে তোমরা দেখতি পাবা, ক্যামনে এই মুক্তিসেনারা হেঁদুগের লইয়ে মোচলমানের বউ বিডিগোরে বেইজ্জতি করে। তাই মুই কতিছি, স্বরপুর গাঁয়ের পাড়া পত্তিবেশী যারা নুন না থাকলি, হেঁদুগের কাচে নুন চেইয়ে আনচ, ত্যাল পলাডা, ত্যাল পলাডাই আনচ, ঘরের ছেলেডা কাসতি লাগল বইলে গুড় চায়ে আনচ, তারা এবার সাবধান হও। ক্যানটনমেন্টি সিপাই ফৌজ সব খবর আকতিছে– কেডা কী কর। হেঁদুগের মোরা বডার পার করব, তারপর দেখতি হবে কেডা কেডা মুক্তিযুদ্ধ মাড়াচ্ছে।

    আজাকার ভেমোডো, কী যেন ওডার নাম, হোসেন আলি না কি, সেডা এট্টা চোঙ লয়ে সারা গাঁও ঘুইরে ঘুইরে এইসব কলো। এসব কথা শুইনে শুইনে গাঁয়ের সব হেঁদুগের অবস্থা চমৎকারা। তারা বলে, বাপ-দাদার কাছে শুনেলাম, য্যাকন বগগিরা আয়েলো তকন পেল্যেছি বাদারে। য্যাকন নীলবাদরে সোনার বাংলা ছারেখারে দেচ্ছেল ত্যাকনও মোরা একসাতে লড়িচি তাদের সাতে। এই স্বরপুর গেরামেই কত কাণ্ড হয়েছে। মোরা হেঁদু মোছলমান রায়ত পেরজারা একলগে লড়িছি। আইজ মুক্তিযুদ্দডাও তো মোদের এক লগেই লড়তি হতিছে, তালি মোগো নছিবি এ আবার কী ফ্যাকড়া? এই আজাকার সুমুন্দিরা মোদের স্বরপুর থেকে বেছাপ্পর করতি চায় জোর জেরাবতী, হায় হায়! মোরা এহন কী করি, কনে যাই? এহন তো দ্যাশে বন নাই, বাদাড় নাই, কোথায় পলায়ি যাব গো?

    ভাবতে পারিনি মোকছেদের গাঁয়ের গল্প এদিকে মোড় নেবে। এখানে প্রকৃতই অস্বস্তিহতে থকে। কারণ, ধর্মকর্ম মানি বা না মানি, করি বা না করি, জন্মসূত্রে হিন্দু বটে এবং মোকছেদও মুসলমান অবশ্য। যদিও যে পরিচয় তার এতক্ষণে পেয়েছি তাতে তাকে শরিয়তি মোছলমান বলা যাবে না, কারণ তার সাঁই, মুর্শেদ ফকিরিতে দিল বাঁধা আছে। তবুও জাত্যংশে মোছলমান তো বটে, তারই মুখ থেকে এ-রকম একটি বর্ণনা, যা রাজনীতির আপাত আবর্তটুকু বাদ দিলে প্রায় সাম্প্রদায়িক উস্কানি বিষয়ে একটি নিটোল বিবৃতি বিশেষ, তা এভাবে শুনব আশা করিনি। অবশ্যই আমার এই আশা না করাটা একধরনের নাগরিক অহমিকা বা আধুনিকতাগর্বী-মনোভাবের লক্ষণ। যেন মোকছেদদের সাম্প্রদায়িককতার ঊর্ধ্বে উঠে এইসব বিচার-বিশ্লেষণের অধিকার নেই। যেন-বা তারা কোনো বৃহৎ বা মহৎ চিন্তা করতে পারে না, যেন ও-সব আমরা যারা নাগরিক, আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত, তাদেরই তা একচ্ছত্র অধিকার। এ-রকম চিন্তায় আত্মগ্লানি হয়। বলি, মোকছেদ ভাই এ গল্প থাকুক। যা হয়ে গেছে তা হয়ে গেছে। আপনার রাজাকাররা হয়তো তখন অন্যায় করেছে। এ-রকম অন্যায় তো ও-দেশে এ-দেশে অনেকেই করেছে এবং করছে। ও-সব বলে তো কিছু ফয়দা নেই। আপনি বরং সাধারণ মানুষের সাধারণ কথা বলুন। গল্পগাছায় মজা বেশি।

    মোকছেদ বলে, গল্পগাছায় মজা বেশি! আহাহা! কী কতাই কলেন। যেন এ-সব কতা গপ্পকতা না, এ-সব সাধারণ মানষির কতা না। বেয়াদপি মাপ করবেন তো কই। এই যে মুক্তিযুদ্দ, তাতে মলো কেডা? পেরথম খেপের বেকায়দা ধুমধারাক্কিতে কিছু মানামানেরা মরিছে, তা ঠিক। কিন্তু যেয়ারে মরিছে কারা? সাধরাণ মনিষ্যিতো?– আমি বলি, হ্যাঁ তা ঠিক, তবে সে সব আর শুনতে মন চায় না। বড় উতলা লাগে। এতকাল পর দেশে এলাম। এই সুন্দর দৃশ্য দেখছি, আপনাদের সঙ্গে বাতচিত হচ্ছে, বড় ভালো লাগছে। এর মধ্যে খুনখারাপি, শত্রুতার গল্প যেন খাপ খায় না। যারা গেছে তারা তো আর ফিরবে না। বরং যারা আছে তাদের কথা, তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমরা কথা বলি বা পুরোনো দিনের কথা নিয়ে আলোচনা করি।

    মোকছেদ বলে, তা করা যায়। তবি আপনি কতি পারেন, এইসব খুনখারাপি, ভিডে ছেইরে যাওয়ার গল্পকতা ছাড়া অন্য কোনো কতা কিসসা মোগোর আছে? মুই হিন্দু-মোছলমান বুঝি না। বাঙালির আর কোনো কতা কোনো যুগে দেখতি পান? মুই জানিনে। মোরে এ কতা কেডা কবে। বাঙালির গেরস্তালিতে কবে কেডা খেদানি ছাড়া সুস্থ হইয়ে ভাত খেতি পারিছে? বাজানের কাছে শুনেলাম, এককাল বগ্গিরা খেদায়েছে, তার আগেও কেউ কেউ লিচ্চয় খেদায়েলো, সাহেব রাংরেজগার যুগে তেনারা নীল লয়ে খেদায়েছে, পাকিস্তানিরা আইসে হেঁদুগো খেদালো, আবার ওপার থেকে হেঁদুরা খেদালো ন্যেড়েগো, তো তারপর বাঙালি, অবাঙালি, আজাকার, মুক্তিসেনা, খানসেনা এ ওকে খ্যাদায়, সে তারে গুল্লি মাইরে শ্যাষ করে– সে এক অনাছিষ্টি কাণ্ড। তালি কয়েন মোগোর খেদানি ছাড়া আর কী গপ্প আছে যা কাউরে জাঁক করি কতি পারি!

    মোকছেদের আফশোস এক ঐতিহাসিক আফশোস। এ-কথাতো মিথ্যা নয়, বাঙালি কবেই-বা সুস্থে গেরস্থালি পাততে পেরেছে? মোকছেদের পরম্পরাগত অভিজ্ঞতায় সে না হয় শুধু বর্গী, নীলকর, সাম্প্রদায়িক ইত্যাদি বিষয়গুলো জানে। কিন্তু বাঙালির উদ্বাস্তুতা তো আরও অনেক অনেক যুগ আগে থেকেই শুরু হয়েছে। হয়তো-বা যখন তার জাতি হিসেব বাঙালিত্ব অর্জিত হয়নি, তখন থেকেই সে উদ্বাস্তুজীবনের অভিজ্ঞতা অঙ্গে ধারণ করে বসে আছে। এর সূত্রপাত তো আর্য-অনার্য সংঘাতের যুগ থেকেই শুরু হয়েছিল। অষ্ট্রিক বংশীয় মানুষেরা গাঙ্গেয় উপত্যকায় কৃষিভিত্তিক যে সমাজ গঠন করেছিল তা থেকে তাদের উদ্বাস্তু করতে শুরু করে তো আর্যরাই। তারাই তো তাদের আবাদিকৃত জমি ইত্যাদি দখল করে তাদের খেদাতে শুরু করে। তারাই তো বাঙালির আদিপুরুষ। তারপর তুর্কী আক্রমণ…। তখন তো বাঙালিরা জাতির মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত। তখনও সে উদ্বাস্তু। তো এই হলো বাঙালির বিধিলিপি। সুতরাং মোকছেদ কিছু অন্যায় বলেনি। তবে আমার কিনা দীর্ঘকাল বাদে উজানে ফেরা, তাই একটু ফুরফুরানিভাবে গল্পসল্প চেয়েছিলাম। একটু হালকা হাওয়ায় গাড়িতে চলতে চলতে হাসি-মশকরাসহ মোকামে যাবার বাঞ্ছা ছিল মনে।

    মোকছেদ খেদ করে বলে– তা দেখেন সে সব খেদানি-টেদানি তো যা হইয়েছে তা হইয়েছে। কিন্তু হেঁদু মোছলমানের হিসেবডা তো এহনও মেডলোনা। এডা কবে মেডবে কতি পারেন? মুই জানি আপনে কতি পারবেন না। কেউই এ কতার জবার দিতি পারে না। কত মানষেরেই না এ কতাডা শুধোলাম। সবাই কয়– মোরা যদ্দিন নিজির মাগ্‌গে বাঁশ সেঁধোয়ে মজা করা না ছাড়তি পারব, তদ্দিন এডা মেডবেনা। শুনিচি আপনেগের ওপারেও এমনি ধারা। তো সে কতা কতি পারব না। নিজের চক্কি যা দেকিনি, তা কব ক্যামনে। তবি ঝা দুই চাইর জন ছিটকে ছাটকে আইসে পড়ে, তাদের মুখি শুনি। আর এখানেরডা তো সচক্ষি পেত্যয় করি। ঝা আপসোস, হায় মাবুদ, মোকছেদেরি আর কত যন্তরনা দেবা। আর যন্তরনা মোর মুর্শেদ ফকির সাহেবের। তেনার যে কী তকলিফ, আহা সে বাত মুই কারে বলব। সে কতা উডলি তিনি খালি ধারায় বইয়ে যান, যেন্‌ তেনার সব্ব অঙ্গে আছুর পানি। চলেন, দ্যাকবেন নিজির চউক্কি। তখন তেনায় খালি লালন সাঁই পাঞ্জু সাঁইয়ের গান করতি থাকেন আর কাঁদতি কাঁদতি বুক ভাসায়ে, দাড়ি ভাসায়ে কেমন যে করেন, যে তা না দেইখেছে সে বুঝতি পারবে না। কতা ওই এট্টা কি? না মানুষ মানুষরি মারতে সুখ পায় ক্যান? মানুষ মানুষরি মারে ক্যান? সে এ্যাকি আন্যিরি ভিডে ছাড়া কইরে কী লাভডা করে?

    মোকছেদের কাছে তার মুর্শেদের কথা যতই শুনছি ততই সেই মানুষটিকে দেখার এক গাঢ় আকুলতা আমাকে অধৈর্য করছে। মনে মনে একটি ছবি আঁকাও হয়ে গেছে সেই ফকির সাহেবের। তাঁর মাথায় দীঘল শুভ্র কেশ, আবক্ষ শ্বেতশ্মশ্রু, চোখে অনন্ত করুণা, হাতে দোতারা এবং মুখে স্নিগ্ধ হাসি। জানি না বাস্তবে তিনি এ-রকমটিই হবেন কিনা। মনে মনে ছবি দেখি। সেই ফকির যেন বহুকাল আগের শোনা একটি গানের ছবি, সে গান এক বাউল আমায় শুনিয়েছিল জয়দেবের মেলায়, কেঁদুলিতে। তার নাম ছিল সুধীর দাস। সে গেয়েছিল–

    কোথা হতে ফকির এল…
    ও তার আকাশজোড়ামাথা।
    আবার সেই ফকিরটা মইরলে পরে
    কব্বর দিবি কোথা রে…।
    মনফকিরা মনেরি কথা
    ও সাঁইজি তা জানে রে…

    এ-রকম কিছু কথায়। তখন ফকিরের এক ভাবমূর্তি তৈরি হয়ে গিয়েছিল। যার আকার আয়তন এই ভূমণ্ডল ছাড়িয়ে অনেক ব্যাপ্ত, অনেক উঁচু। সে যখন মরে, তখন তো তাকে কবর দেবার মতো জায়গা পাওয়া যায় না, সে যেন মনফকির, মনফকিরকে কি কবর দেওয়া যায়? মোকছেদ আর তার মুর্শেদের সমস্যাটাও বোধহয় মনফকিরকে কবর দিতে না পারার সমস্যা। তার ভাষায়, “হায় ঝা তকলিফ”। সত্যিই তকলিফ, কেননা, মনুষ্যত্বকে কেই-বা কবর দিতে পারে, মনফকিরাকে নিয়ে এরকমই সংকটে ভোগে বুঝি বা মোকছেদ আর তার মুর্শেদ ফকির সাহেব। এ ভ্রমণ, এ যাত্রা আমার উজানে। এর সুর, তাল, লয়, মান সবই যেন উজানের রাগিনীর ধরতাইয়ে চলছে। নতুবা মোকছেদই বা অচানক জুটবে কেন? আর তার একজন মুর্শেদই বা থাকবে কেন?

    এখন চলতে চলতে আর একজনের গাওয়া একটা গান মাথার মধ্যে উথাল-পাথাল করে। তিনিও তাঁর ফকিরকে কবর দিতে পারেননি। তার মনফকিরের লাশ আমরণ কাঁধে নিয়ে চলতে হয়েছিল তাকে। নিজে একসময় ছাই হয়ে গেছেন, কিন্তু মনফকিরের লাশ তুলে দিয়ে গেছেন উত্তরাধিকারীর কাঁধে। এ লাশ দফন করার উপায় নেই, স্থানও নেই, তাই দায় বর্তায়, একে জিয়াবার। উত্তরাধিকারের দায় ক্রমাগত প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া যেন এই লাশকে জিয়ানো যায়, যদি না পারো, পরের প্রজন্মের কাঁধে চাপিয়ে নিজে সরে পড়ো। এরকমই চলুক। তা সেই মানুষ তার মুর্শেদের কাছে বুঝি বা কী এক আপ্ত বাক্য পেয়েছিলেন। তাঁর সেই মুর্শেদ তাঁকে বলেছিলেন, যা তোর ভাবনা দূর হই গেল। এখন থিকা আর ভাবনা থাকল না তোর। কিন্তু ভাবনা তাঁকে ছাড়েনি। তিনি তাই তাঁর মুর্শেদকে সারা জীবন শুনিয়ে গেয়ে গেছেন তাঁর গান। ‘আমার ভাবনার কিন্তু দূর হইল না, শুনেন গো মুরশিদ,’ –সে গান কৈফিয়ত তলবের।

    কিন্তু এ ভাবনা দূর কি কখনও হয়? হয়, যদি ওই ‘ফকিরা’ যার আকাশজোড়া মাথা, তাকে কবর দেওয়া যায় তবেই। কিন্তু তাঁকে না কবর দেওয়া যায়, না ভাবনা দূর হয়।

    রাস্তা বড় মসৃণ। বিস্তীর্ণ গাঢ় সবুজের মধ্যে এ-রকম কালো চকচকে একটানা চওড়া একখানা রাস্তা, এ বড় শোভা। দু-পাশে ‘গেরস্থালি’ আর অতিথি গাছ। গেরস্থালি গাছেদের মধ্যে এখন রেইনট্রিকে অবশ্য ধরা যায়, কারণ তার বংশপরিচয় যাই হোক, দুশো বছরের ভূমিপুত্র হিসাবে তাকে গেরস্থ বলা অন্যায় নয়। সে যেন এ ভূমিতে বেশ আয়েশ পেয়েছে। যেন বা তার চোদ্দোপুরষের বাস্তুভিটে এটি। সন্ধিৎসুরা হয়তো এ বিষয় তত্ত্ব জ্ঞাতব্য জানাতে পারবেন। তবে রেইন ট্রি নামটি বিদেশি হলেও তার এই মাটিতেও বাড়ন, চাড়ন, বিস্তৃতি এবং প্রতিষ্ঠা লাভের জন্য অসামান্য বংশবিস্তার, তাকে আর বিদেশি রাখেনি। সে এখন ভূমিপুত্রই। তবে তার পছন্দের বাসভূমি নদী আর খালের কূল। সেখানে সে তার প্রতিচ্ছবি নদী-খালের জলে দেখতে বড় ভালোবাসে। আর ভালোবাসে বলেই সেখানে সে বড় সহজ বিস্তারে নান্দনিক। এ ছাড়া এখন বিদেশি অতিথিপ্রায় বৃক্ষরা, যাদের এই রাস্তার পাশে দেখতে পাচ্ছি, তাদের পরিচয় মোকছেদ আমাকে বলে দেয়। তাদের আমি চিনিও না, জানিও না– আমি যখন দেশ ছাড়ি তখনও তারা এদেশে আসেনি। মোকছেদ বলে, ওনারা হলেন চম্বল, মেহগিনি আর সেগুন। এ ছাড়া যারা আছেন তাদের কতা মুইও কতি পারব না। তবি দেখতি খারাপ না। দিব্য একটা মরদ মরদ ভাব আছে।

    বাগেরহাট শহরকে একপাশে রেখে আমরা পৌঁছোই এক নদীর কিনারে। এখানেই গাড়ি আমাদের ছেড়ে দেয়। খেয়া পার হতে হয় ছোট্ট ডিঙিতে। এই নদীর নাম বোধহয় দামুদা। বলেশ্বর আর কচা নদীকে যুক্ত করে এই নদী। নদী পেরিয়ে অটোতে আসি বলেশ্বরের খেয়াঘাটে। এ জায়গাটা পিরোজপুরের নিম্নভাগ। এখান থেকে বলেশ্বর আরও কিছুটা এগিয়ে কচা নদীর সঙ্গে মেশে এবং সোজা দক্ষিণে গিয়ে হরিণঘাটা নাম নিয়ে সাগরে পড়ে। খেয়া পেরিয়ে আবার অটো। এবার অটো পিরোজপুর শহরের মধ্যে দিয়ে আমাদের সোজা নিয়ে যায় হুলারহাট বন্দরে। হুলারহাট যে-নদীর পারে তাকেই কচা নদী বলা হয়। কচা নদী হলো কিছুটা কাউখালি নদী আর কিছুটা কালীগঙ্গার মিশে যাওয়া প্রবাহ। কালীগঙ্গার আঁতুরঘর হচ্ছে কোটালিপাড়া আর স্বরূপকাঠির বিল। এর যেমন বিশাল বিস্তার, তেমনি এর গভীরতা। এই কচাই পিরোজপুরের নীচের দিকে গিয়ে বলেশ্বরে মিশেছে।

    মোকছেদ বলে, ভাইজান, আইস্যে পড়লাম, মোর মুর্শেদের মোকামে আইসে পড়িছি শ্যাষ ম্যাষ। নাইমে পড়েন, নাইমে পড়েন সবাই। বলতে বলতে ঝপাঝপ মালপত্র নামিয়ে প্রায় সবই নিজের কাঁধে, ঘাড়ে, চাপিয়ে আমার মেয়েদের হাঁক দেন– চলো মণিরা, পা চালায়ে যাতি হবেনে এট্টু। এই থোড়াডা রাস্তা। বউমা এট্টু কষ্ট করেন। আইজ আবার হাডের দিন পইড়ে গেল। বড় ভিড়। ফকির সাহেবের হোডেল আবার নদীর কিনারি। এট্টু হাটতি লাগবেনে। অর্থাৎ বোঝা গেল ফকির সাহেবেরও বিষয় ‘গু’ হোটেলজাত। জানতে চাই– মোকছেদ ভাই, আপনার মুর্শেদও কি হোটেল ব্যবসা করেন নাকি? মোকছেদ দেড় হাত জিভ কাটে। বলে– ছিয়া ছিয়া, কী যে কন্‌, ব্যবসা কতি আছে? স্যাবা কতি পারেন না। মোর ফকির ব্যবসা করেন না, মানষির স্যাবা করেন। তা নয় করেন, কিন্তু নদীর পরে বাস, ভাবনা বারো মাস। তা যারা নদীর পারাপার করেন তানারা নিজির পয়সায় নিজিরা খায়েন। আর মোর ফকিররিও খাওয়ান। চলেন নিজ চক্ষি দেখলি বুঝতে পারবেন, ব্যবসা কারে কয় আর স্যাবার অত্থ কী?

    মোকছেদের পেছন পেছন হাঁটতে থাকি, চোখ থাকে হাটের পণ্যসম্ভারের দিকে। এ দৃশ্য বহুকাল দেখিনি। নিম্নবঙ্গের হাট যাঁরা দেখেছেন তাঁরা জানেন তারা বর্ণাঢ্যতা। থরে থরে সাজানো সব পণ্য। তাছাড়া এ স্থান শুধু হাট নয়, এ যে বন্দর। এখান থেকে সব পণ্য কাঁহা কাঁহা মুলুকে যায়। তাই নানান পণ্যের পর্বতপ্রমাণ সম্ভার সাজয়ে বসেছে চাষি, ব্যবসায়ী, মহাজনেরা। নারকেল, সুপুরি, লঙ্কা, ধনে, হলুদ আরও কত সব মশলা। আছে আখ, তামাক, কলা, কচু (মান) এইসব পণ্য। আছে গোলপাতা, হোগোল, মধু, গুড় এইসব। বেশিরভাগ পণ্য হয়তো মোটা দাগের কিন্তু তার চাহিদা সাধারণ্যে বড় ব্যাপক। বলদের হাট, গোরুর হাট একপাশে রয়েছে। সেখানে চাষিরা যারা বেচছে তারা ম্লান মুখ, যারা কিনছে তারা হর্ষিত। ফড়েরা চাষিদের ঠকাবার ফিকির করছে। চাষিরা রেগে মুখ খিস্তি করছে। এরকম একটা জমজমাট হাটের মধ্যে দিয়ে আমরা যাই। এক ব্যাপক বাণিজ্যের জগতের মধ্যে আমরা কয়েকজন যেন নিতান্ত বেহাটুরে। আমরা যাচ্ছি ফকির সাহেবের দহ্‌লিজে। সেখানে সেবা আছে, ব্যবসা নেই।

    মোকছেদ হাঁক দেয়– পা চালায়ি চলেন দিনি, হাট পরে দ্যাখ্‌বেননে। হাট কিছু ফুরোয়ে যাতিছে না। ফকির সাব যদি এদিগি উদিগি সটকে পরেন তো হয়লো। মোকছেদ যখন চরণদার, তার কথার মান্যতা অবশ্য দিতে হবে। জয় মুর্শেদ, তুমি মোকামে থেকো বাবা, না হলে তো চরণদার উন্মত্ত হবেন। যা উত্তেজনা তার, যেন আল্লার দরবারে সশরীরে হাজির করাচ্ছেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিদ্বান বনাম বিদুষী – প্রীতম বসু
    Next Article বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    Related Articles

    মিহির সেনগুপ্ত

    বিদুর – মিহির সেনগুপ্ত

    January 20, 2026
    মিহির সেনগুপ্ত

    বিষাদবৃক্ষ – মিহির সেনগুপ্ত

    November 12, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Our Picks

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }