Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    মিহির সেনগুপ্ত এক পাতা গল্প368 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – ২

    দুই

    তারপর বাসদৌড়, রিকশাদৌড় করে সেই রূপসার ঘাট। রূপসা এক নদী। নামটা হয়তো কোনোকালে ছিল রূপসী নদী। এখন সবাই বলে রূপসা। রূপসী বললে একটু যেন দূর দূর, ধরাছোঁয়ার বাইরে মনে হয়। তাই আটপৌরে করে নেওয়া হয়েছে রূপসা করে। কিন্তু আটপৌরে করলেই কি রূপসীর রূপ আর গতরে সবসময় কিছু হানি ঘটে? সে এখনও দিব্য যুবতী, দিব্য সুন্দরী, একটু মাজাভারী বটে, তবে তা কিছু ধর্তব্য না।

    দু’পাশের রেন্‌ট্রি আর চম্বল মরদেরা তার মুখের উপর, বুকের উপর দিনমান আকুলি বিকুলি করে। রূপসাও তাদের ছায়া হৃদয়ে নিয়ে মনের সুখে বয়ে যায়। কিন্তু তাই বলে সে কারও দাসী বাঁদী নয়। সবার দিকেই তার নজর, সবার উপরেই তার ভাব-ভালবাসা। তা, সে যতক্ষণ স্বেচ্ছায় ততক্ষণই। হাজারও মানুষকে সে স্বেচ্ছায়ই স্থান দিয়েছে তার দেহে। তাদের কেউ বা মাছ মারে, কেউ-বা খেয়া পারাপারের কাণ্ডারি। তা মানুষের তো গুণের ঘাট নেই। সে করে বলাৎকার। সে এখন তার দেহের উপর নামিয়েছে বিরাট বিশাল লোহার শরীর, যার নাম বার্জ। দুনিয়ার গাড়ি-ঘোড়া-মানুষ পার হয় সেই বার্জে। তাও রূপসা কোনো প্রতিবাদ করে না।

    এইখানে এসে এক আসল পাখি-ধরা আঁখির সন্ধান পাওয়া যায়। ছিড়িক-ছিড়িক করে বৃষ্টি নামতে সবাই আশ্রয় নিয়েছিলাম এক চালাঘরের নীচে। চালাঘরটি একটি হোটেল। নদীর গায়ে-গায়ে। বৃষ্টি জোর হতে হোটেল মালিক ডেকে বলেন, ভেতরে আইসে বসেন ভাই। ছাওয়ালপানেগো পানির ছাট লাগতিছে, ভিইজে যাবেনে। নাম মোকছেদ আলি। বলে ইণ্ডিয়াথে আলেন বুঝি? কনে যাবেন? সব শুনে বলে, সে তো মেলা দূর। খাওয়া-দাওয়া কইরে যান। রাস্তায় ভালো খাওয়ার জাগা নাই। বলেন তো দিতি কই। পরামর্শটা খারাপ না, আবার বৃষ্টিও ছাই ধরছে না। রাজি হতে মোকছেদ তার কর্মচারিদের হাঁকডাক করে। নদীর পারের হোটেল। তায় আবার এ দেশ ইলিশকুমারীর বাপের বাড়ি, নদী থেকে উঠে সোজা কড়াইয়ে। দেশটা অবশ্য আমার আর আমার গিন্নিরও বাপের বাড়ি। তাই সামনে সাজিয়ে রাখা নানা জাতের মাছের মধ্যে ইলিশই নজর কাড়ে আগে। আহা কী আকার, কী রূপ! বড় কাঁধ উঁচু পরাতের মধ্যে রাঙা টুকটুক ঝোলে ডুবসাঁতার কাটছেন রাজকন্যে। গিন্নির চোখে চোখ পড়তে সেখানে প্রথম প্রেমের আকুতি দেখি। ইলিশ ছাড়াও আছে আরও নানা জাতের মৎস্যকন্যারা। কিন্তু ইলিশ হলো প্রকৃতই রাজকন্যা। ওই ইলিশ যদি রূপসার প্যাডের ছাও না হয় তবে আমি বাঙালবাচ্চা, ভাটিকুমার নই।

    মোকছেদ ধরে ফেলে। সে এতক্ষণ বোধ করি আমাকে আর আমার পত্নীকে নজর করছিল। বলে, ‘কী দেখতিছেন? উনি ওই ওখানদে উঠিছেন আর সোজা এখেনের রসুইয়ে আইসে সেধুয়েছেন, বাজার ঘুইরে আসেননি। বইসে পড়েন। আরে হেই সুমুন্দির পুতেরা–বাবুগো মায়েগো খাওনের জাগা করতি পার না?’

    মোকছেদ বেশ চোটপাটের হোটেল মালিক। হোটেলের ঠাঁটবাট কিছু নেই। তবে বেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন। উপরে টালির চালা, পাশে দরমার বেড়া। লম্বা বেঞ্চি, একটা উঁচু একটা নীচু। নীচুটায় বসো, উপরটায় খাও। বেশ সাদা-সাপটা ব্যাপার। খেতে খেতে গল্প হয় মোকছেদের সঙ্গে। সেই বলে বেশি। আমরা খাওয়ায় এত ব্যস্ত যে, দু-একটা হুঁ হাঁ করা ছাড়া বেশি কথা বলার ফুরসৎ পাই না। মোকছেদ জিজ্ঞেস করে, আপনারা কি আসলে এপারের না ওপারের? জানালাম, আমাদের এখন আর এপার ওপার বলে কিছু নেই। এখন শুধু ভেসে যাওয়াই সার। এ-রকম ভাসা ভাসা জবাব দেবার কারণ হয়তো আছে, কিন্তু তা কি মোকছেদকে বলা উচিত হলো? সে আমাদের খিদের সময় মুখে অন্ন দিল। কিন্তু সে জবর ধরতাই দেয় কথাটির। বলে, কী কলেন, কী কলেন? ভাসাই সার। এপার ওপার নাই। আহা! মুইও তো এরহমডা ভাবি। বড় নিয্যস সত্য কতা ভাইজান। মোর গো আর এপার ওপার কী? ভাসাই সার।

    সামনে রূপসার খেয়া পারবার। সেখানে মানুষেরা ভেসে আসে, ভেসে যায়। কিনারায় মোকছেদের হোটেল। যতসব ভাসিমানুষ সেখানে দু-দণ্ড বিশ্রাম নেয়। মোকছেদের সরাইখানার ইলিশ-ভাত খায়। বাতচিত করে। আবার কমনেকার মানুষ কমনে ভাইসে যায়। কথার যে কত ধারায় গতি। কথা নাকি শতধারায় বয়–এমন কহবত আছে সংসারে। আনমনা বলে ফেলেছি এক কথা। মোকছেদ আলি তাকে ‘দর্শন’ করে। এ-কথা আমার জীবনে এক সত্য, আবার যারা পারাবারের নিত্য চরণদার তাদের জীবনে আর এক। যে যেমন পারো অর্থ করে নাও। আর যারা কাণ্ডারি, তারা কেন বাদ যায়? সেখানেও দেখ, এক বিশেষ অর্থে পারাপার অর্থ প্রযুক্ত হয়। তবে মোকছেদের সঙ্গে বাতচিতে এক লাভ হয়। ভোর থেকে যে হুজ্জুত গেছে, তার তেতো ভাগটা খোলসা করে না বলতে পারার বেত্তান্ত। তা খোলসা মানুষ হয় ক্যামনে? সবাই তো কী এপার, কী ওপার–খালি কাজে ব্যস্ত। এদের যেন কাজ ছাড়া আর কোনো কাজ নেই। কী অনাছিষ্টি। এই কাগজ দাও রে, এই পাসপোর্ট দাও রে। এই বাক্স খোলো রে। এইসব। আরে বাবা সুজন দুর্জন বোঝো, তারপর খোলাখুলিকরো। মোকছেদ বলে, ভাইজান, এট্টা কইরা ইলিশের মুড়োখাওয়া লাগে। মুই জানি বডারে সুমুন্দির পোয়েরা পকেট উল্ডোয়ে কাড়িছে। তো মুই মোকছেদ আলি, মোর খ্যাতে এহনও অজন্মা হয়নি। খামারেও আগুন লাগেনি, মায়েগো, বিডিগো চখি ইলিশের মুড়ো খাওনের আন্দাজ পাতিছি, মুই তেনাগো দুইডা মুড়ো খাওয়াবোনে। মানা শোনবো না। পয়সা না দিতি পারেন দেবেন না। ও রূপসা মোরে পোষায় দেবেনে। আরে এই বলদার পোয়েরা ওহানে গল্প মারতিছ। গাহেক ভুখা উডি যায়। তোমরা আমার বিজিনেস ডুবোয়ে দেবা? আজরাইলের ছাওয়াল। দে সব পাতে এট্টা কইরে ইলিশের মুড়ো দে।

    মোকছেদ নাগাড়ে বকে। এ এক রগড়ের ভ্রমণ বটে। ভ্রমণে মানুষ প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখে। নদীনালা, রাস্তাঘাট, পাহাড়, সাগর কত কী দেখে। এ ভ্রমণে নদীনালা, পথঘাট দেখছি বটে, দেখছি শহর, নগর হাটবাজারও। পাহাড়, সাগর অবশ্য পথে পড়েনি, তবে মানুষ পাচ্ছি মনমতো। আর মোকছেদ তার সেরা।

    রূপসা ঘাটের পারাপারে আয়োজনটি বেশ রইসি। বিরাট ঘাট। মূল রাস্তা থেকে সরাসরি নদীর বুকে যাওয়া যায় এমন একটি জেটি রাস্তার সমান তলে। তার সঙ্গে এসে লাগে বার্জ, এ ছাড়া আছে শয়ে শয়ে ডিঙি নৌকা–যদি কেউ স্পেশাল পার হতে চায়। বার্জে পার হলে পয়সা লাগে না। এপারে খুলনা, ওপারে বাগেরহাট জেলা। বাগেরহাট আগে খুলনা জেলাতেই ছিল, এখন নতুন জেলা। গাড়িঘোড়ার জন্য বার্জ সরাসরি যোগাযোগ রক্ষা করে এপারের মূল রাস্তার সঙ্গে ওপারের। ওপারের রাস্তা নদীর পার থেকে খানিক গিয়ে দুভাগে দু-দিকে যায়। একদিকে মঙ্গলা বন্দর, অন্যদিকে বাগেরহাট, পিরোজপুর, হুলার হাট, ঝালকাঠি, বরিশাল হয়ে ঢাকা।

    মোকছেদ বলে, আর দু’খানা কইরে ইলিশ খাতি হবে। না না না, কোনো বাত শোনবো না। কোরাল মছের এবার খন্দ কোম। ফেরার সময় এ পথ ধইরে যদি যান, তালি দাওয়াত দেলাম, কোরাল মাছের ঝাল খাওয়াবোনে। এখানের নদীতে কোরাল মানে ভেটকি, আর চিতল বেশ পেল্লায় আকারের হয়। আর বড় মাছের মধ্যে থাকে বোয়াল। রুই, কাতলা বড় একটা দেখা যায় না। বাহারি ছোটো মাছ আছে মেলা– ট্যাংরা, পাবদা, পোমা আর পারশে ; চিংড়ি এখন আর সাধারণের খাদ্য নয়। বিদেশি মুদ্রা ঘরে আনে, তাই বাজারে তার দর্শন মেলে না। এমনিতে মাছের বাজার বেশ চড়া, অবশ্য অন্য জিনিসেরও। মোকছেদের কথায় তার খেদ। সে বলে– দেখেন আইজ দশ বছর হয়েলো মোর নুরে ধলা ছোপ ধরতি লাগিছে। বয়স ‘ক’ কুড়ি হবে কতি পারব না। কত যে দেখলাম তার আর শ্যাষ কী। ইংরাজ, পাকিস্তানি আর অহন বাঙালি। এই ঘাডে মোর আব্বাজানে হোটে খুলি বয়েলেন সে আইজ ঢের সাল আগে, ব্রিটিশ আমলের কতা। এমনকী পঁচিশ বছর আগেও এক ট্যাহায় মাছ, ভাত, ডাইল খালি অপনের মনডা খানজা খায়ের ল্যাহান ম্যাজাজে ফুলি উঠত। আর এহন দ্যাহেন। কথা মিথ্যা নয়। কী অসম্ভব আক্রা সব জিনিস। সস্তা মাছ-ভাতের দেশ, এখন হোটেলে খেতে বসলে মনের মধ্যে হিসাবের কুবাতাস বয়।

    মোকছেদ বলে, মাছ নাই নদীতে। ওই যে ওপারে আপনাগো ফারাক্কা ব্যারেজ না কি এক বাঁশ পদ্মার সোগায় ঢুকোয়েছে সে-কারণ এপারের নদী খালের পুটকি শুগোয়ে আমসী। ‘তো’ মুই বুঝিনে। বষ্যাকালে যে এত পানির হুলুস্থুলু হয়, মোরগো মুরুব্বিরা তা ধইরে রাখতি পারেন না? সে কতা আর কী বলব। বলতি গেলি হাজার কতা আইসে পড়ে। আসলে বুঝিছেন, ওই বাঁশখান আপনের ভাগাভাগির বাঁশ। সুমুন্দির পোয়েরা ওই যে একখানা মাগগে ঢুকোয়ে রাখিছে তার আর চারা নাই। মোকছেদ দেশ ভাগাভাগির প্রসঙ্গ তোলে। তার ধারণা এই ভাগাভাগির জন্যই মানুষের এত অভাব। জিনিসপত্রের এত দাম। তাছাড়া এই ভাগাভাগির জন্যই মানুষের নিয়ত খারাপ হয়ে গেছে। এখন তারা ছাওয়ালপানদের চারডি প্যাট ভইরে খ্যাতি দেওনের কতাও ভাবতি পারে না। মোকছেদ আবার মুখর হয়ে ওঠে, এই তো দ্যাহেন আপনার বিবি-ছাওয়ালপানেরা পেরাণ ভইরে চারডি মাছভাত খাতি লেইগেছে, আর আপনের দেলে হিসেবের বদ হাওয়া তুফান তুইলেছে। সে আপনি যাই কয়েন মুই আপনের চৌখির ভাব দেইখে আন্দাজ করিছি। বেয়াদপি মাপ করবেন, কিন্তু মোকছেদের চোখ এড়ানো এত সোজা না। লজ্জা গেলেও মানুষটার অন্তর্দৃষ্টির তারিফ না করে পারি না। পকেটে গোনাগুন্তি পয়সা। সীমান্তের সুজনেরা কথায় ভালবাসার বাড়াবাড়ি জানালেও পারানির কড়ি হিসাবে তাদের ঘাটের দাবি আনা-আনা মিটিয়ে নিয়েছে। এখন সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম তক পৌঁছানোর রেস্ত যা আছে তাতে আর যাই হোক এ-রকম লাল সুরুয়াওয়ালা ম্যাগনাম মাপের সব ইলিশ মৎস্যখণ্ডসহ গুচ্ছের খাওয়ার কথা ভাবা যায় না। তাই হিসেবের বদ হাওয়ার খুব একটা দোষ নেই। এ-সব কথা খুব খোলাখুলিই মোকছেদকে বলি। সে জানতে চায়, কারা এমনি জালিমি করে, ওপারে না এপারে। জানাই, এপার থেকে যারা যায় তাদের ওপারে দণ্ড দিতে হয়, আর ওপার থেকে যারা আসে তদের এপারে। মোকছেদ বলে–হায় আল্লাহ, এ যে গুয়ের এ পিঠ আর ও পিঠ। তালি যে লোকে বলে, এপারের চেইয়ে ওপার ভালো? আমি বলি, কেন বলে জানি না, তবে আমার ধারণা এপারও যা ওপারও তা। সাধারণ গরিব যাত্রীদের হয়রান করতে ওস্তাদ যেমন এপারের ধুরন্ধরেরা তেমনি ওপারের। এপারে দেখলাম, এরা এদিগের লোকেদের উপরও হুজ্জুত করে, ওদিক থেকে যারা আসে তাদের উপরেও। ওপারে সাহস পায় না ততটা, তাই করে কম। একেবারে করে না, তা নয়। লোক বুঝে করে। মোকছেদ বলে, তালিও মুই অ্যারে ‘গু’ই কব। সবডাই গু। মোকছেদ যে ব্যাপারটিকে ‘গু’ বলে বাতিল করে, রাষ্ট্রপ্রধানরা তা পারে না। ফলে, অযোধ্যায় রাম-বাবরি খেউর হয়। একদল লোক রামর্মাকা ইট নিয়ে অযোধ্যার পানে ছোটে, তারপর এক বিষধর মানুষ, মানুষেরই অধিকারের নামে এক রথ বানায়, তার নাম দেয় রামরথ। সেই রথ যে যে মাটি ছুঁয়ে যায়, সেই সেই স্থানে রক্ত জমাট বাঁধে, মুণ্ডু গড়ায়। রামভক্ত রহিমভক্ত মানুষের মুণ্ডু তখন বিশ্ববিবেকে চৈতন্য খোঁজে। কিন্তু চৈতন্যও তো একদিন এইরকম এক রথের চাকায় পিষ্ট হয়ে নষ্ট হয়েছিল। তাই চৈতন্য আসে না মানুষের। কিংবা আসেও, কেননা, মোকছেদ তো আমাদের আদর করে মাছ-ভাত খাওয়ায়। সুখ-দুঃখের কথা কয়। আর পরম মাহেঙ্গার দিনেও নস্টালজিয়ার দৌরাত্ম্যে সে একশো পঁচাত্তর টাকার রফা করে একশো পঁচিশ টাকায়। বলে, পঞ্চাশ ট্যাহা পান তামুকের খরচা, যে নেয় তার সাত পুরুষের দোজখ্‌। ফিরতি পথে দাওয়াইত, কোরাল মাছের ঝাল, রাই দিয়া পারশে, বোয়ালের টক ঝোল– না আলি জান্নামের পোকা হতি হবে নে। মেজ্‌বান বুঝিছেন ভাইজান? মেজ্‌বান।

    পান তামাক খেতে খেতে বাতচিত হয় আরও। মোকছেদ পথঘাটের সাট বলে দেয়। বলে– বহুকাল দেশছাড়া, এট্টু সাবধানে যাইবেন। বলদা বেইমানের কমিনি আছে রাস্তায়। তয় ডরের কিছু নাই। বেলাবেলি পৌঁেছাবেন হুলারহাড। ওহানে ফকির ছাহেব আছেন। আইজ হেনার অতিথ হয়ি রাইতটা কাডায়ে কাইল ফজরে বাড়ির পথ ধরবেন। তাড়াহুড়ার কিছু নাই। ফকির ছাব মানুষডা বড় ইমানদার। গান যা করেন তার জবাব নাই। ফকির সাহেব সম্পর্কে কৌতূহলী হই। তিনি কেমন মানুষ যাঁর কাছে হঠাৎ গিয়ে অতিথ হওয়া যায়, যিনি দারুণ গান করেন। মোকছেদের কাছে জানতে চাই তার খবর। মোকছেদ বলে– মুই তেনার কাছে হরবকত যাই। তেনায় মোর মুর্শেদ। তেনার কাছে যাতি মোর বড় ভাল লাগে। মোগোর এই ফকিরি মুর্শেদি তত্ত্বতালাশ যেনারা জানেন তেনারাই খালি জানতি পারেন যে মোগোর কারবার দিল দরিয়ার তুফানে নাচনের কারবার। আহা! ভাইজান, আপনে মোর মুর্শেদের দরবারে একবার হুজুরে হাজির হয়েন– মোর এই আর্জি।

    যেন হঠাৎ অন্যমানুষ হয়ে যায় মোকছেদ। এইসব ফকির, মুর্শেদ, আউলি, বাউলি ‘কোড অব কন্ডাক্ট’-এ হঠাৎ ঢোকা যায় না। ঢুকতে গেলে বাধা থাকে অসুমার। নাগরিক জীবনধারায় যারা অভ্যস্ত, তারা সবকিছু বুদ্ধি-যুক্তির রাস্তায় ফয়সালা করতে চান। এখানে সে-সব হবার নয়, তা আমার জানা আছে। জানা আছে এজন্যে যে আমার ভ্রমণের যিনি ছিলেন শুরুয়াতের মুর্শেদ সেই কালকূট– একসময় হাত ধরে আউল বাউল ফকির মুর্শেদ কত্তাভজা আর হরিবোলা সবার দরজায় নিয়ে গেছেন। তাই আমি তত্ত্ব জানি বা না জানি এদের খানিক চিনি। এরা আধুনিকতা, নাগরিকতার যাবতীয় করণ, কারণ, বুদ্ধি যুক্তির উপর তাদের নিজস্ব ডিকনস্ট্রাকশান জারি করে, দাপটে নিজ নিজ কোড অব কন্ডাক্ট-এর ধারা বজায় রেখে চলেছে। সেখানে তাদের না আছে কোনো বিদ্রোহ, না কোনো সমঝোতা। সেখানে আধুনিকতা-নাগরিকতার প্রবেশ-প্রস্থানে তারা নিতান্ত উদাসীন, আবাহনও নেই, বিসর্জনও নেই। সেখানে তাদের মন্ত্র একটাই– ‘বুঝ লোক যে জান সন্ধান’। তারা মানুষ ভজে, মানুষ পূজে, মানুষ করে আরাধন। তারা মনের মানুষ খুঁজে বেড়ায় দিবানিশি অনুক্ষণ।

    এরকমই আভাস পাই মোকছেদের মুর্শেদ বর্ণনে। এ-বিষয়ে তার উৎসাহ অপার। বলে, একটু দরকার পইরে গেল। নালি, আপনার পাছু ধইরে আমার মুর্শেদের দরবারে দেহতরী লাগাতেম। এ-সব কী শব্দ! কী কথা! মোকছেদের যে কথার পদবন্ধও পালটে গেল। সে দেহতরী, মুর্শেদের দরবার এসব বলছে। এ-সব কী? আমারও পুরোনো নেশা চাগার দেয়। আমার মুর্শেদ এখন কথাশরীর পেয়েছেন। তাঁর কথা স্মরণ হয়। স্মরণ হয় কত ফকির আউল বাউলের সঙ্গকথা। মোকছেদকে বলি–মোকছেদ ভাই দরকারটা কি খুব জরুরি, সাগরেদদের কাউকে তার দায় গস্ত করে একটা রাত না হয় হুলারহাটে হুজুরে হাজির হলেন–বলতেই মোকছেদ চঞ্চল। বলে, মুই ও ত সেকতা ভাবেলাম। আসলে এই হোটেল বুঝিছেন, এ হলো গিয়ে আপনার বিষয় ‘গু’। লালন সাঁই বলিছেন– এই গু ছাড়ায়ে মোকামে যাওয়া সহজ কথা নয়। আর দেখতিছেন না, মোর এই সাগরেদ ফেরেস্তাদের, সব ব্যাডা অকম্মার তালুকদার। মুই গেলাম, অর তেনাগো সোগা উব্বুত, লিঙ্গ কাইত। হোটেলের মাগগি বাবলা কাডার ডাল উল্ডো কইরে ঢুকোয়ে, মোরে রূপসার চড়ায় অকাল দফন করবেন তেনারা। তয় খাড়য়েন। একজন ইমানদার নজরদার মানুষ আছে মোর। সোনা মেঞা নাম, দেখি বাড়ি আছেন কিনা। তেনারে পালি আমার সমস্যা মেডবেনে। তালি ড্যাং ড্যাং কইরে গিয়ে হাজির হব হুজুরে, আপনার সোগায় সোগায়। দেখবেন কী সেই মানুষ! যেন জিব্রাইল আলায়সাল্লাম নাইমে আলেন বেহেস্তের থানে। আপনেরা তালি একটু আরাম করেন। মুই এই যালাম আর আলাম। মোকছেদ হড়বড় করে তার ক্যাশবাক্স বন্ধ করে। কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে হুঙ্কার ছোঁড়ে– এই যে ভালমানষির ব্যাডারা, কানখাড়া কইরে মোকছেদ মেঞার কতাকয়খানা শুইনে রাহেন। মোকছেদ মিঞা দু-দিনের মতো চলল তার মুর্শেদের দরবারে। এহন আপনেরা তার বিষয় ‘গু’ লইয়ে লারাঘাটা করেন। সোনামেঞার হেফাজতে থাকল এসব। তানায় মানুষ ভালো, মোকছেদেরি জানে মারবেন না, আপনারাও দয়াধম্ম কইরে তার মাগগে বয়ড়া বাঁশ ঢুকোবেন না যেন। আাপনেরা ত রাখলি রাখতি পারেন, মারলি মারতি পারেন। আগুনে মারতি পারেন, পানিতে মারতি পারেন, চাইকি হোডেলডা বেইচে দিয়ে এহেকজনে দু-তিনগা বিবি লইয়ে সুখে ছাপ্পর খাডে উইডে বাদশাগিরি করতি পারেন। মোকছেদ নাগাড়ে বলে যায়। আমাদের সঙ্গী করে নিয়ে সে তার মুর্শেদকে দেখাবে, এ আহ্লাদে সে টগবগ করছে। তার কথাগুলি আপাত ব্যঙ্গ হলেও এইসব ছেলেছোকরাদের প্রতি তার স্নেহ যে অসুমার, তা গোপন থাকে না। সে যখন এসব কথা বলে তখন তার কর্মচারী বালখিল্যরা মিটিমিটি হাসে। তাদের সবারই বয়স দশ থেকে ষোলোর মধ্যে। একমাত্র পাচক ছাড়া। তার বয়স মোকছেদের কাছাকাছি। নাম হারুন মিঞা। সে বলে– বাজে প্যাঁচাল পাড়তিছ ক্যান। মুর্শেদের নাম যখন উঠিছে তখনই তো মোগোর হিসাব কিতাব শ্যাষ। তখনই বুঝিছি– পাখি কখন জানি উইড়ে যায়। তবে এ কতাডা কলাম মিঞা, এ ভূতের ব্যাগার মুই আর বেশিদিন পারব না। তুমি অন্য খানসামা খোঁজো। তোমার আইজ এ মুর্শেদ, কাইল সে ফকির– তো এতই যদি মুর্শেদ ফকিরতি রস, তালি এসব হোটেল মোটেল ছাইড়ে কোপনি ধ্বজা সম্বল করলিই তো জেবন সার্থক হয়। মোকছেদ এবার নরম হাসে। বলে, তার আর বাকি কী? বিবি যবেথে মাডি লয়েছেন, তবেথে মোর ফকিরির বাকিডা কী? খোদায় তো পুষিপোনা, গুড়াগ্যাদাও কিছু দেয় নায়। থাকার মদ্যি আছি মুই আর মোর এই বাদশাজাদারা। তা তানাদের যা ভাব চরিত্তির, তাতে মোর এই হোডেলের তো কেয়ামত নজদিগ, তোমার কী? তুমি তো কারিগর মানুষ। এহানে কাম ফতে তো হাজার লোক আছে যারা তোমার সোগায় তালের পাখার বাতাস করতি করতি লয়ে যাবেনে। এ কথায় হারুন মিঞার গোসসা হয়। সে বলে– মানসি যে তোমারি নড়াইলে খচ্চর কয় তা কিছু মিথ্যে নয়। নড়াইলে মানুষ খুলনেয় আইসে নালি ব্যবসা কত্তি পারে। তোমারে মুই কহন কলাম যে, মোর দশ জাগায় কাম করবার হাউস আছে। খাস কতা, মোরে এহন আর তোমার পোষাচ্ছে না। মোকছেদ আরও নরম। বলে, এবারডার মতো মাফ কইরে দেও ভাই। এই নাক মলা, এই কান মলা। আসলে ভাইজানের লগে কতা কতি কতি পেরানডা যেন ফকির ছাহেবের লাইগে উফাল দেলে। তালি মুই সোনা মেঞারে ডাকি? হারুন মিঞা জল। বলে– ডাক। তবি এট্টা কতা কই, কতিছ দুইদিন, মুই জানি এক হপ্তা। কিন্তু এবার চাইর দিনের বেশি ছুটি পাবা না। পাঁচ দিনের দিন ফয়জরে যদি আইসে দেখি তুমি হোডেলের তাবলে বওয়া নাই তো হারুন মিঞাও আর এখানে নাই, জানবা। এবার আস, সোনামেঞারে তোমার আর খবর করতি হবে না। বাসের সময় চইলে যায়। বাবুগো তকলিফ হবেনে, আসো যায়ি। খোদা হাফেজ।

    ব্যাস, তখন মোকছেদের উফাল দেখবার মতো। বলে– সাঁই, মোর হারুন ভাইরি দোয়া কর। সাঁই তারে হাজার সাল হায়াত দেও, ঘর ভরতি যোবতি বিবি দেও। বালবাচ্চায় ভইরে উঠুক তার দৌলতখানা। আর মোর এই এতিম ছাওয়ালপানগুলা, যারা মোর এই হোডেলের পয়মন্ত ফেরেস্তা, তারগো সুবুদ্ধি দেও। তারা যেন চোরছ্যাঁচর বদমাইস না অয়। তালি মুই এবার চলি? মোর দেলের ধুকপুকানিরা তোমরা বেয়াকে হারুন ভাই আর সোনামেঞার নিজামতে আপনা আপনি বেরাদরি বজায় রাইখে সহি সলামত থাকপা। বেইমানি, মোনাফেকি, বেতামিজি, বেয়াদপি করবা না। এবার বেয়াকে মোর আর্জিতে একবার জাক্কৈর দেও– কবুল। সবাই বলে–কবুল। মোকছেদ বলে– কও বাপধনেরা, মোরা বেয়াকে এক। সবাই বলল–এক। মোকছেদ বলে– কও এই হোডেল মোগার বেয়াকের রুডিরুজির জোগানদার। এর ক্ষতি মোরা করব না। সবাই বলে– করব না। তখন মোকছেদ স্বগত বলে– সাঁই, তোমার আশ্ছয়ে আমার এই কলিজার টুকরাগুলান রাইখে গেলাম। এ্যাগোর বালা মুসিবত দূর করো। এরা যেন সুখে থাকে, সুস্থ থাকে, এরগো যেন কোনো বেভ্রাট না হয়। এরা যেন তোমার বারামখানার বান্দা হইয়ে দিন গুজরান করতি পারে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিদ্বান বনাম বিদুষী – প্রীতম বসু
    Next Article বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    Related Articles

    মিহির সেনগুপ্ত

    বিদুর – মিহির সেনগুপ্ত

    January 20, 2026
    মিহির সেনগুপ্ত

    বিষাদবৃক্ষ – মিহির সেনগুপ্ত

    November 12, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Our Picks

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }