Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    মিহির সেনগুপ্ত এক পাতা গল্প368 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – ২১

    একুশ

    দুপুরে খাওয়া বিশ্রামের পর ছোমেদের সাথে খালপাড়ে একটা পুরোনো রেইনট্রির তলায় বসেছি। খালটা এখানে মাজাবেঁকি। শেষ শরতের এই সময়টায় এ অঞ্চলের নদী খালগুলো বড় কর্মব্যস্ত হয়ে পড়ে যেন। সারা বর্ষা ধরে এই নাবাল বঙ্গের মাঠঘাট, বিশেষ করে উত্তরের বিলগুলোতে যে বিপুল জলরাশি জমা হয়, শরতের শুরুতে তাতে টান ধরে। সেই টান দিনের পর দিন বাড়তে বাড়তে, যখন শীত আসে, তখন এই অঞ্চলগুলোকে জলরিক্ত করে। তারপর ক্রমশ বসন্ত পেরিয়ে গ্রীষ্মে এই মাটি তার যাবতীয় রসময়তা হারিয়ে ফেলে। কঠিন খরাদাহে শবরীর তপোক্লিষ্টা ধূলিধূসর রুক্ষ দেহের মতো ফুটিফাটা এই মাটি আকশের দিকে তার হা-মুখ ব্যাদান করে অপেক্ষা করে– কখন আকাশ আবার সাগরসম্ভব দক্ষিণাবর্ত্ম মেঘেদের দ্বারা রসসম্পৃক্ত করে তাকে ঋতুমতী করবে। কারণ তখনই তো আবার সেই আকাঙিক্ষত হলশীর্ষে রমিতা হয়ে সে শস্য শাবকের ভ্রূণ জঠরে নিয়ে গর্ভিণী হবে।

    সামনে দিয়ে বয়ে যাওয়া খালটি এখন সেই অবশ্যকৃত্য করছে। উত্তরের সমস্ত বিল, নালা, খানাখন্দের জল প্রবল ভাঁটিতে সাগরের দিকে নিয়ে চলেছে সে দক্ষিণে। বর্ষায় এই সব খাল নদীর দেহ থাকে ভারী। তখন গতি ধীর, সমতলে এরকমই হয়। পাহাড়ে আলাদা কৃত্য। সাগর থেকে যা নেওয়া হয়েছিল, কালচক্রের বাৎসরিক খাজনা বাবদ সাগরকেই তা ফিরিয়ে দেওয়া। বিলগুলো যেন এখানকার খাজাঞ্চিখানা। সাগর তার মালিক। প্রকৃতিপুঞ্জের কল্যাণের জন্য সাগর সম্রাট একসময় তা পূর্ণ করে প্রকৃতিপুঞ্জকে আহার যোগান। আবার তাঁর মূলধন ফিরিয়েও নেন। প্রকৃতিপুঞ্জ শুধু উদ্বৃত্ত সম্পদের ভোক্তা হয়। সমতটের এই প্রত্যন্তে সাগর সম্রাটের এই সৃজন-পালন বড় বর্ণাঢ্যতা প্রাচুর্যে প্রকাশ পায়।

    ছোমেদ বলে, ভাইডি, এবার খন্দ বালোই অইছে। এই তো লক্ষ্মীপূজা, কালীপূজা এই দুইডা শ্যাষ অইলেই মোগো নবান্ন আইয়া পড়বে। তহন কার্তিকদল আর আগুনি কাডা অইয়া যাইবে হ্যানে, তয় ধানঘরে পাব্বনডা তো আইজকাইল আর কেউ করে না হে রহম, য্যারা করে, হ্যারগো কইলম শাস্তর মতো আগুনি দিয়াই করণ উচিত। কার্তিক দলের বন্নডা কালা তো, হ্যার লইগ্যা ধানঘরে পাব্বনে ওডা মোরা এহানে ব্যবহার করি না। আগুনির বন্ন সোনা। সোনার বন্ন ধান না অইলে, ধানঘরে পাব্বনে হেয়া লাগে ক্যামনে? তয় আইজ কাইলগো, মাইনসেরা তো আর শাস্তর মানে না। এহন তো হারা বচ্ছরই নতুন চাউল, নবান্ন, ধানঘরে আর করবে কহন কও। কত কেসেমের যে ধান বাইরে অইছে, বচ্ছরের বেয়াক সোমায়ই তো দেহি এহানে ওহানে কোলায় ধান। আউশ, আমন এসব আর থাকপে না।

    বোরো, আউশ আর আমন এই তিন রকমের ধানই এখানে আগে হতো। এখনও প্রধান ফসল হিসেবে এরাই আছে। তবে চাষের উন্নতি বলতে যা বোঝায়, তা করতে গেলে, যেমন এখন হচ্ছে সর্বত্র, তখন তো আর কার্তিকদল, আগুনি বা অনুরূপ আমনের চল থাকবে না। তখন সব হাই-ইল্ডিং। তাই নবান্ন, ধানঘরে, পৌষপার্বণ এইসব উৎসবের যেটুকু এখনও অবশিষ্ট আছে তা থাকবে না। বছরের সব সময়েই যদি ধান ফলে, তবে ক-বারই বা তাকে ঘরে তোলার জন্য, বা নতুন চাল ব্যবহার করার উপলক্ষে মানুষ এ ধরনের উৎসব করবে? ছোমেদের কথায় তার আভাস পাওয়া যায়।

    নবান্ন নিয়ে কথা বলতে ছোমেদের মুখ বিষণ্ণ। বলে, দু-এক ঘর হিন্দু আছে যারা, হ্যারা করে। আগে তো মোগো শ্যাহেগো মইদ্যেও অইতে। এহন ওই দু-এক ঘর, য্যারা মোর ল্যাহান বুড়া ধুরা আছে, হ্যারা করে। তয় জলুস নাই। ছোমেদের মতো ভূমিপুত্ররা এখানে যেন এক দীর্ঘায়ত, দুরারোগ্য নস্টালজিয়ায় ভোগে। এই নস্টালজিয়া অবশ্যই একদার হিন্দু জনেদের বারো মাসের তোরো পার্বণের নস্টালজিয়া, যেখানে ছোমেদরা সেইসব উৎসব পার্বণের সক্রিয় অংশীদার ছিল। ধর্মীয় এবং সামাজিক রক্তচক্ষু, তা কী হিন্দু ছুৎমার্গের, কিংবা শরিয়তি একবগ্‌গা গোঁয়ার্তুমির, ধার ধারেনি তারা।

    ছোমেদের মতো সামাজিক অবস্থানের মানুষেরা হিন্দু বা মুসলমান কোনো সমাজেই তো প্রতিষ্ঠা পায়নি। তবে নিম্নবর্গী বা অপবর্গী সমাজে, যেখানে ছোমেদ নিকিরি এবং ফণী, অষ্ট–এরা জিওলি বা জাইল্যা, সেখানে তাদের একটা পরম্পরা, পেশাগত আত্মীয়তা তো থাকতেই পারে। বর্গভেদে এখানে সাংস্কৃতিক ভিন্নতা কোনোদিনই দেখা যায়নি। বর্ণ বা জাতিগত ভিন্নতায়ও না। তাই ছোমেদের তেরো পার্বণের জন্য স্মৃতিমেদুরতা কিছু অন্যায় বা অসম্ভব নয়। অবশ্য অন্যায় কিনা সে বিচার আবার পুরুত মোল্লাদের।

    ছোমেদ ভেসে যায় তার স্মৃতিচারণে। বলে, ভাইডি, তোমার নি মনে আছে, তোমাগো গেরামের বুড়ি পিসিমায় আশন যে কাখড়ার বত্ত করতে? দ্যাহ মোগো কত কী যে আছেলে! চাষবাস গেরস্থালি য্যারা করে, হ্যারগো বেয়াক দিক দ্যাহন লাগে, লাগে কিনা কও? জমি চওয়া থিহা, ধান পান কাডইয়া ঘরে উডান আর মুহে দেওয়া তামাইত যে কত কাণ্ড মোগো করতে অইতে, হেয়ার আর কীইবা আছে। দ্যাহ, খাওনের কতা না। খায় তো গরু ছাগলেও। খায় না? কিন্তু মাইন্‌সেগো নতুন খাওন এট্টা উচ্ছব। না কি কও?

    সত্যি আমাদের সেই বুড়ি পিসিমা এই কৃষি বিষয়ে যে কত উৎসব পার্বণ করতেন, তার কোনো সীমা সংখ্যা ছিল না। কাঁকড়ার ব্রত, ধানঘরে, বারবাঘের পুজো বা কুমির বলি, নবান্ন, পৌষ পার্বণে তার শেষ। মাঘে বড়দের কোনো উৎসব নেই। তখন ছোটোদের উৎসব। মাঘমণ্ডল, তিলকুচারী, পুণ্যিপুকুর এইসব নিয়ে তখন ব্যস্ততা। এর মধ্যে পুরুষদের কোনো ভূমিকা নেই।

    ছোমেদ বলে, মাঘে যহন বেয়াক ফসল ঘরে, তহন হাইল্যা চাষা, গেরস্ত, রাখাল, বাগাল মাহিন্দরেরা হ্যারগো মাইয়া মাইনসের দিগে মনোযোগ দেওনের এট্টু সোমায় পায়। আর এ সোমায় মনোযোগ না দিয়াও কি উপায় আছে। চত্তিরের শ্যষে, বৈশাখের পেরথম, যহন কোলায় কোনো কাম নাই, তহন একবার মাগিগো খোজ পড়ে। হেই সোমায় য্যারা প্যাডে আয়, হ্যারা এই মাগে খালাস অয়। এয়া নিয়ম। এ রহমই মোগো চলে। এহন, এই মাগ মাসেইনা হ্যারগো আতুরঘর বানাইতে অয়। আর মাইয়ারা নানান কেসেমের বত্ত করে। ওই চত্তির মাসের ফসল এহন মাগ মাসে আতুর ঘরে ওঙ্গা ওঙ্গা করে। এয়া নিয়ম।

    ছোমেদ পুরোনো দিনের ঝাঁপি খুলে দিয়েছে যেন। এই মাটিতে নাড়ি পোঁতা আছে আমার। ছোমেদ যা বলছে– সেইসব ছেনে ঘেঁটেই তো মানুষ। আজ না হয় নাগরিক এ্যামিবার এক অখণ্ড শরীরের অজানা কোষবিশেষে পরিণত পেয়েছি। একদা তো একটা নির্দিষ্ট সত্তায় অস্তিত্ববান ছিলাম। সেই সত্তারই কঙ্কাল বহন করছে ছোমেদের এই স্থবির শরীর। ছোমেদের সাথে তাই শারীর মানস এক অভিন্নতা বোধ হয়। যে কথা-কাহিনী এখন ছোমেদ শোনায়, তা তো আমারও ইতিহাস। ছোমেদের মুখে, আমাদের ‘সকায় নিরুক্তিয়া’র মাধ্যমে পুরোনো দিনের সেই সব কথা শুনতে, আমার এখন প্রতি অণুপরমাণু উন্মুক্ত হয়ে অপেক্ষমান। ছোমেদের মতো করে তো স্বকীয় নিরুক্তির বিন্যাস বা প্রকাশ করতে পারব না। তাই তাকেই পুনর্বার আসর ছাড়ি। এ তো ছোমেদদেরই আসর, অনন্ত আসর এক।

    ছোমেদ বলে, ছোডোগো বত্তের কতা যদি হোনতে চাও, পেরথমেই কইতে অয় মাগুণ্ডলের বত্তের কতা। ভাইডি, তোমার মনডা টাডায় না, হেসব দিনের কতা ভাবইয়া? ওই যে যহন মোরা বেয়াক গুড়াগাড়ারা, আন্দারইয়া সোমায় যাইয়া বসন্ত ডাক্তারের বাড়ির উডানে ভিড় করতাম। মোগো যাওনের কত আগেই তো, হেই ছেমরিরা চিক্কৈর পাড়তে–

    যে জল ছোয় না লো
    কাগে আর বগে
    হেই জল ছুইলাম মোরা
    দুব্বার আগে।

    আহা, হেয়া কী সুন্দার করইয়া গাইথে হেরা। কী সুন্দার গান –।

    ধুপো ধুপো সরেস্বতী
    লড়ে আর চড়ে
    সাতও সতীনের পায়ও পড়ে।
    সাতও সতীন নালো
    সাতও গাছোন ঝুটা
    তাহা দিয়া গড়ব মোরা
    গৌরীর মাথার কুটা।

    হ্যার পরেই মোরা পৌছাইয়া গেছি। আর হ্যারা, সেই মাইয়াগুলান, আরও জোর দিয়া, তহন গাইথে আরাম্ব করতে–

    আন গৌরীরে ডাক দিয়া
    বাওনের ঘরের কোণ ছুইয়া
    বাওনের মাইয়ায় বড় সেয়ান
    পৈতা জোগায় বেয়ান বেয়ান।

    তহন মোরাও তো হ্যারগো লগে গাইতাম, মনে নাই? এই যে মুই শ্যাহের পো ছোমেদ আলি, তুমি ভাইডি কও, মোরে হ্যারা কইতে না যে, এই মোগো লগে গা? অ্যাঁ? তো, দ্যাহ, তহন, গৌরী য্যান আইয়া পড়ছে, এরহম এট্টা বুজ অইতে হ্যারগো। তহন মোরা গাইতাম–

    সুইয্য ওডে কোন কোন দিক দিয়া
    সুইয্য ওডে পুব দিক দিয়া,

    কিন্তু হত্য হত্য কও, তমোও কি সুইয্য হালায় ওঠতে? ওডবে ক্যামনে? মোরা যে ব্যান্‌ইয়া রাত্তির থিহা হ্যারে উডানের লইগ্যা চেচাইতে আছি, হেয়া হে মাইন্যতা করলে তো। হ্যার য্যান ওডার সোমায়ই অইতে না। তহন মাইয়াগুলান আবার গীত ধরতে–

    ওঠো সুইয্য উদয় দিয়া
    মালীর ঘরের কোণ ছুইয়া
    মালীর মাইয়ায় বড় সেয়ান
    ফুল দুব্বা যোগায় বেয়ান বেয়ান।

    তহন দ্যাহা যাইতে পুবদিকে এট্টু এট্টু ফসসা অইতে আছে। কিন্তু ভাইডি মোর য্যান মনে অইতে, ওই মাইয়ারা ওই রহম করইয়া না ডাকলে সুইয্য ওঠতেই না। হ্যারপর, অরা য্যামন য্যামন সুইয্যেরে মালির ঘর, বাওনের ঘর, কামার, কুমার, তেলি নাপিত, ভুইমালিগো ঘরের কোণ ছুইয়া ওঠতে কইতে, সুইয্য হালায়ও য্যান, হেইরহম হেইরহম ওঠতে। আবার হে যহন এরহম এট্টু এট্টু করইয়া ওঠলে, তহন মাইয়াগো গানের লগে লগে মোরা হ্যার সাতরহম বন্ন দ্যাখতাম–

    সুইয্য ওডে কোন কোন বন্ন
    সুইয্য ওডে রক্ত বন্ন
    সুইয্য ওডে কোন কোন বন্ন
    সুইয্য ওডে ধবল বন্ন–

    এই রহম সাত বন্নে, সাত বার করইয়া যহন তিনি ওডলেন, তহন তেনার পূজার লইগ্যা, ফুল তোলতে যাওয়ার গীত গাইতে মাইয়ারা–

    নাগেশ্বর দোয়েশ্বর ফুলে
    দিলাম বারি
    ফুল পইরাছে সারি সারি
    ডাল পইরাছে নুইয়া–
    কোথায় যাও মালির ছাওয়াল
    ফুলের সাজি লইয়া–।
    ডাল ভেইঙ্গো না ডাল ভেইঙ্গো না।
    ডালে চইরে যাব
    সোনার ডালি হাতে কইরে
    ফুল তুলিতে যাব।–

    হ্যারপর, ভাইডি, তোমার মনে আছে, হ্যারা কী করতে? মনে থাকপে ক্যামনে, হে কি আইজগার কতা? কোতায়-বা হেই ডাক্তারবাড়ি, কোতায়-বা হেই মাইয়ারা আর কোতায়-বা আমরা। তো হেয়ার পর, মাইয়ারা কাডালের কুসির নৌকা ভাসাইতে উডানে কাডা গত্তের পানিতে। হেই গত্ত অইলেন গঙ্গা। আর গাইতে–

    আমকাডালের পিড়িখানি গঙ্গাজলে ভাসে
    আমার ভাইধনেরা হেই পিড়িতে বসে।

    ভাইধনেগো এক এক করইয়া নাম কইতে, আর এহেকখান কুসি ভাসাইতে। মোগো বেয়াকের নাম না কইলে, মোরা যে কী গোসা করতাম! হারা মাগ মাস ধরইয়া অইতে এই মাগুণ্ডলের বত্ত।

    পঞ্চাশের শেষ, এমনকী ষাটের দশকের গোড়ায়ও এই মাঘমণ্ডলের ব্রত পালন করত কুমারী মেয়েরা। মাঘের প্রথম দিন থেকে শেষদিন তক, একমাসকাল, তারা এই ব্রত উদযাপন করত। কোথাও এর নাম মাগুণ্ডল অর্থাৎ মাঘমণ্ডল, কোথাও সূর্যি ব্রত, কোথাও লাল ঠাকুরের ব্রত, কোথাও বা সিঁড়িপূজা– এইসব নামে এই ব্রতটির পরিচিতি পুব বাংলায়। সারা বাংলাদেশেই এক সময় এর ব্যাপ্তি ছিল। গোবর মাটি প্রলেপে পরিচ্ছন্ন উঠোনে, পিটুলি গোলা দিয়ে আঁকা হতো একটি মাঘমণ্ডল চিত্র, মাঘের পয়লা তারিখে। চিত্রে থাকত সূর্য, পৃথিবী এবং চাঁদ নিয়ে একটি মণ্ডল– এই-ই মাঘমণ্ডল। তিরিশ দিনে তিরিশটি আঁকা হতো। কোথাও পৃথিবী তিনকোণা, তাকে ঘিরে মাঘনিশীথের আকাশ, পুষ্করিণীটি গঙ্গার প্রতীক। এর সাথে থাকত বারুল নামে গৌরা গৌরীর পুতুল, দস্যাল পাতা, নানান ফুল, দূর্বা আর দ্রব্যের থোকা।

    ছোমেদের স্মৃতিচারণায় চিত্রময় হয়ে ওঠে সেইসব দিনের নানান পালপরবের খুঁটিনাটি। মনটা যেন কেমন বিষণ্ণ হয়ে যায়। পৃথিবীকে একই সাথে সুন্দর, আকর্ষণীয় আবার উদাসীন মনে হয়। এইসব পাবার আকাঙক্ষা এবং হারানোর হতাশা একই সাথে হর্ষ ও বিষাদের জন্ম দেয়।

    খালের মধ্য দিয়ে ভেসে যাচ্ছে সুপুরি গাছের ডিঙি চড়ে বিল অঞ্চলের মানুষেরা তরতর করে। সাগর সম্রাটের খাজনা দিতে চলেছে খাল। সে গিয়ে পড়বে নদীতে, নদী তাকে সাগর মহারাজের কাছে নিয়ে যাবে। এই প্রবাহে মানুষ এখানে ভাসায় তার জীবনতরীও। এইসব অপবর্গীর জীবনতরী আবার সুপুরি কাঠের পাতলা ডিঙি, তার গতি আয়ুষ্কালের হিসেবে বড় দ্রুত। এখানের মানুষেরা ষোলোয় যুবা, চল্লিশে বৃদ্ধ, পঞ্চাশে অথর্ব। এই শেষ শারদী খালের স্রোতের মতোই যেন এরই মধ্যে তার তাবৎ ক্রিয়াকর্ম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিদ্বান বনাম বিদুষী – প্রীতম বসু
    Next Article বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    Related Articles

    মিহির সেনগুপ্ত

    বিদুর – মিহির সেনগুপ্ত

    January 20, 2026
    মিহির সেনগুপ্ত

    বিষাদবৃক্ষ – মিহির সেনগুপ্ত

    November 12, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026
    Our Picks

    আদিবাসী লোককথা : ২য় খণ্ড – দিব্যজ্যোতি মজুমদার

    April 27, 2026

    বৈদ্যুতিক চুল্লি – শঙ্কর চ্যাটার্জী

    April 27, 2026

    সিদ্ধিগঞ্জের মোকাম – মিহির সেনগুপ্ত

    April 27, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }