Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    প্রথম আলো ২ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প1663 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১২. কটক শহরে ভরতের বাসা-বাড়ি

    কটক শহরে ভরতের বাসা-বাড়ির খুব কাছেই থাকেন এক বিশিষ্ট বাঙালি দম্পতি। বিহারীলাল গুপ্ত এখানকার ডিস্ট্রিক্ট জজ, শহরের সবাই তাঁকে মানা করে। এত বড় পদাধিকারী হয়েও বিহারীলাল নিজেকে আড়ালে সরিয়ে রাখেন না, তিনি অতিথি বৎসল, প্রায়ই তাঁর বাড়িতে সান্ধ্য আসর বসে, গান বাজনা হয়। অনেককেই তিনি আমন্ত্রণ জানান, শুধু কোনও উকিল-মোক্তারের সঙ্গে তিনি বাড়িতে দেখা করেন না। আদালত থেকে ফেরার পর আর আইনের কচকচি তাঁর একেবারেই পছন্দ নয়।

    বিহারীলালের স্ত্রী সৌদামিনী অতি স্নেহশীলা রমণী। বাড়িতে বাবুর্চি ও দাস-দাসীর অভাব নেই, তবু তিনি প্রায় প্রতিদিনই নিজের হাতে কিছু না কিছু রান্না করেন এবং অতিথিদের ডেকে খাওয়ান। মানুষকে নিজের হাতে কিছু খাইয়ে তাঁর ভারী তৃপ্তি হয়। তাঁর পাতলা ছোটখাটো চেহারা, নিজে খুবই কম খান, কিন্তু অন্যদের খাবার জন্য বারবার জোর করেন। শুধু মানুষদের নন, পশু-পাখিদেরও খাওয়ান তিনি। ভোরবেলা উঠে ছোলা ছড়িয়ে দেন পায়রাদের জন্য। বাগানে একটি পোষা হরিণকে তিনি নিজের হাতে ঘাস খাওয়ান। এমনকী সহিসরা যখন ঘোড়াদের খড়-বিচালি খেতে দেয়, তিনি মুগ্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখেন।

    বিহারীলাল এবং সৌদামিনী ব্রাহ্ম এবং কলকাতার ঠাকুর পরিবারের সঙ্গে বিশেষ পরিচিত। সৌদামিনী এক সময় স্বর্ণকুমারী দেবীর বাড়িতে ‘সখি সমিতি’র সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, কটকে এসেও স্থানীয় মেয়েদের নিয়ে একটি সমিতি গড়েছেন। তিনি মেয়েদের লেখাপড়া শেখা, গানবাজনা, সূচিশিল্প, ছবি আঁকার উৎসাহ দেন। তাঁর বাবহারে এমন একটা সহজ স্বাভাবিকতা আছে, যা সকলকেই আকৃষ্ট করে। নারী-পুরুষের ভেদাভেদ তিনি একেবারেই মানেন না, তাঁর বাড়িতে যেসব মেয়েরা আসে তারা যদি পুরুষদের সামনে ঘোমটায় মুখ ঢেকে, মাথা নিচু করে মাটির দিকে চেয়ে। থাকে, তিনি তাদের ধমক দিয়ে বলেন, হ্যাঁ রে, তোরা কি মাটির পুতুল, কথা বলতে পারিস না? পুরুষ মানুষদের মুখ দেখাবি না, তা হলে ভগবান তোদের এত সুন্দর মুখ দিয়েছেন কেন?

    ভরতের মতন একজন সাধারণ ব্যাঙ্ককারীও এ বাড়িতে আমন্ত্রণ পায়। তার কারণ এই নয় যে সে প্রতিবেশী ও বাঙালি, এই গুপ্ত দম্পতি বাঙালি-অবাঙালির কোনও ভেদ মানেন না, উড়িষ্যার অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তি এখানে নিয়মিত আসেন, বেশির ভাগ ওডিয়া মহিলাই সৌদামিনীর সখি সমিতির সদস্যা।

    এ বাড়ির লোহার গেটের সামনে দিয়ে ভারতকে যাতায়াত করতে হয়, বিহারীলাল নিজে একদিন ভরতকে ডেকে আলাপ করেছিলেন। ভেতরে এনে বসাবার পর যথারীতি সৌদামিনী এক থালা ভর্তি খাবার দিয়েছিলেন এবং খুটিনাটি প্রশ্ন করেছিলেন। এখন ভরত দুতিনদিন না এলে সৌদামিনী হঠাৎ ভরতের ক্ষুদ্র একতলা বাড়িটিতে হানা দেন, তার রান্নাঘরে উঁকি মারেন, সারাদিন সে কী কী খেয়েছে তার ফিরিস্তি শুনে শিউরে উঠে বলেন, এই খেয়ে মানুষ বাঁচে? জোয়ান ছেলে, বিদেশ-বিভুয়ে একা পড়ে থাকা, কেউ দেখার নেই…।

    চতুর্ভুজ নামে একটি লোককে রেখেছে ভরত, সে তার গৃহস্থালি সামদায় ও রান্না করে দেয়। নামের সঙ্গে তার স্বভাবের বড়ই অমিল। একটা ভুজও নাড়াচাড়া করতে তার খুবই আলস্য, এবং সে রান্নাটা খুবই খারাপ করে। সে সর্বক্ষণ শুয়ে থাকতে ভালবাসে। তবে তার প্রধান যোগ্যতা এই, সে চোর নয়।

    জজসাহেবের পত্নী ভরতের বাড়ির অন্ধকার, স্যাঁতসেঁতে রান্নাঘরে ঢুকে চতুর্ভুজকে রান্না শেখাবার চেষ্টায় গলদঘর্ম হন, তারপর হাল ছেড়ে দিয়ে আদেশ করেন, চলো, আমার বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে আসবে চলো!

    ভরতের আপত্তি তিনি কিছুতেই শোনেন না। তাঁর এই স্নেহের অত্যাচার ভরতকে মেনে নিতেই হয়।

    ভরত সম্পর্কে দুটি কৌতূহল এই গুপ্ত-দম্পতির এখনও মেটেনি। কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজের ভাল ছাত্র হয়েও ভরত কেন এই কটক শহরে একটা ব্যাঙ্কের চাকরি করতে এল? এবং শিক্ষিত যুবক হয়েও সে কেন ব্রাহ্ম ধর্ম গ্রহণ করেনি?

    এ দুটি প্রশ্নেরই ভরত ঠিক সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেনি। সে সুকৌশলে এড়িয়ে যায়। বিহারীলালের বাড়িতে মাঝেমাঝেই প্রার্থনা সভা হয়, উড়িষ্যার অনেক শিক্ষিত ব্যক্তিই ব্রাহ্ম ধর্মে দীক্ষিত হয়েছেন, এবং যেন সেই ধর্মের অঙ্গ হিসেবেই তাঁরা বাংলায় কথা বলেন, বাংলা গান করেন। ভরত সেই সব সভার এক কোণে বসে থাকে এবং ওড়িয়া ভদ্রলোকদের কৌতূহলের সঙ্গে লক্ষ করে। এই গৃহে বাঙালি-ওড়িয়াদের একাত্মতা কিছুটা বিস্ময়করই বটে।

    কারণ, ভরত জানে, সে তার কর্মস্থলে এবং হাটে-বাজারে ঘুরে দেখেছে, বাঙালিদের প্রতি ওড়িয়া ভদ্রলোকদের বেশ বিদ্বেষের ভাব আছে। বাঙাসিরাই তার জন্য অনেকাংশে দায়ি।

    উড়িষ্যা নামে কোনও আলাদা রাজ্য নেই, তা বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির অন্তর্গত। সেটা ইংরেজরা করেছে প্রশাসনিক কারণে, কিন্তু বাঙালিরা মনে করে, উড়িষ্যা যেন বাংলারই একটা অংশ। ওড়িয়াদের নিজস্ব ভাষার কোনও মর্যাদা নেই। সর্বত্র বাংলা ভাষা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। সব স্কুল কলেজে বাংলা পড়ানো হয়, অধিকাংশ শিক্ষক, এমনকী প্রধান শিক্ষকরাও বাঙালি। উকিল ব্যারিস্টার-জজ-ম্যাজিষ্ট্রেট-ডাক্তারদের মধ্যেও বাঙালির সংখ্যা প্রচুর। অনেক জমিদারিও বাঙালিদের। এই বাঙালি-প্রভুত্বের বিরুদ্ধে ওড়িয়াদের ক্ষোভ জমছে দিন দিন। তারা যত শিক্ষিত হচ্ছে, ততই নিজেদের ভাষা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে মর্যাদাবোধ জাগছে, বাংলা ভাষা-সংস্কৃতির চাপে সেই মর্যাদা হারাতে তারা কিছুতেই রাজি নয়।

    অবশ্য উড়িষ্যার কিছু কিছু লেখক প্রথমে বাংলা ভাষাতে সাহিত্য শুরু করেছিলেন, বাংলা সংস্কৃতিকে গ্রহণ করে তাঁরা বাঙালিদের সমকক্ষ হতে চেষ্টা করেছিলেন। কিছুদিনের মধ্যেই তাঁরা নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে নিজেদের ভাষায় ফিরে এসেছেন।

    বিহারীলালের বাড়ির আসরে প্রায়ই আসেন মধুসূদন রাও, তিনি উড়িষ্যার একজন গণমান্য কবি। তিনি বাংলাতেও কবিতা লিখেছেন, কলকাতার পত্রিকায় ছাপাও হয়েছে। মধুসূদন রাও নির্বিবাদী শান্তশীল মানুষ, কিন্তু ফকিরমোহন সেনাপতি নামে আর একজন লেখকের সঙ্গে ভরতের আলাপ হয়েছে, তিনি অত্যন্ত উগ্র ধরনের। ভরতের ব্যাঙ্কের হেড ক্লার্কের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব আছে। তিনি কেঁওনঝর স্টেটের ম্যানেজার, মধ্যে মধ্যে কটুকে আসেন, তখন ব্যাঙ্কে কিছুক্ষণ আড্ডা দিয়ে যান। তিনি হাসতে হাসতে এমন সব গল্প বলেন, যার মধ্যে তীব্র বিদ্রুপ আর রাগ ঝকঝক করে।

    একদিন তিনি বলেছিলেন, তাঁর অল্প বয়েসের এক কাহিনী। বালেশ্বর জেলায় গভর্নমেন্ট স্কুলে একজন শিক্ষক ছিলেন কান্তিচন্দ্র ভট্টাচার্য, তিনি পড়াতেন ওড়িয়া আর সংস্কৃত। সে ভদ্রলোক ওড়িয়া ভাষা পড়তে পারতেন মোটামুটি, কিন্তু উচ্চারণ করতে পারতেন না একেবারেই। ওড়িয়া ভাষার ন এবং ণ-এর উচ্চারণ আলাদা, বাঙালিরা মূর্ধ ণ-এর উচ্চারণ জানেই না। ওড়িয়াতে ল-এর উচ্চারণও অন্যরকম। ভটচার্যিমশাই এমন বিকৃত উচ্চারণ করেন যে তা ইসির উদ্রেক করে। তিনি হে বালকগণ’ এর বদলে বলেন ‘হে বাড় গনো’, তা শুনে ছাত্ররা হেসে গড়াগড়ি যায়।

    ছাত্রদের হাসি থামানো যাচ্ছে না দেখে ভট্টচার্যিমশাই এক বুদ্ধি বার করলেন। একদিন তিনি বলেই ফেললেন, আরে বাপু, ওড়িয়া তো আর আলাদা ভাষা কিছু নয়, বাংলারই বিকৃতি মাত্র, তা হলে আর ওড়িয়া ভাষা পড়ার দরকার কী?

    তিনি ঝটপট একটা পৃস্তিকা লিখে ফেললেন, ‘ওড়িয়া স্বতন্ত্র ভাষা নয়’। হেডমাস্টারও বাঙালি, তিনি সেই পুস্তিকাখানি জুড়ে দিয়ে একটা রিপোর্ট পাঠালেন ইনসপেক্টরের কাছে। সেই সময়ে স্কুল বিভাগের ইনসপেক্টর যদিও সাহেব, কিন্তু তার অফিস মেদিনীপুরে এবং সেখানকার সব কর্মচারীই বাঙালি। সবাই মিলে সাহেবকে এমনভাবে বোঝাল যে সাহেব এক সাকুলার দিয়ে দিল, বালেশ্বর গভর্নমেন্ট স্কুলে শুধু সংস্কৃত আর বাংলা পড়ালেই চলবে, ওড়িয়া পড়াবার দরকার নেই। উড়িষ্যার শিক্ষা বিভাগে উচ্চপদস্থ সব কর্মচারীই বাঙালি, সবাই বলল, ঠিক ঠিক। শুধু সরকারি স্কুলে কেন, সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলগুলিতেও ওড়িয়া ভাষা তুলে দেওয়া হোক।

    এইভাবে ওড়িয়া ছাত্র-ছাত্রীদের তাদের মাতৃভাষায় শিক্ষা থেকে বঞ্চিত করার চক্রান্ত চলেছিল।

    ছাত্ররাও তখন এর প্রতিবাদ করেনি। কারণ ওড়িয়া ভাষা তখন দ্বিতীয় ভাষা হিসেবেও বাধ্যতামূলক ছিল না। পাস করার কোনও কড়াকড়ি নেই, তা বলে আর শুধু শুধু পড়তে যাওয়া কেন?

    ফকিরমোহনই তখন কিছু লোককে বুঝিয়ে বিভিন্ন জায়গায় সভা করে এর প্রতিবাদ জানাতে আরম্ভ করেন।

    এই কাহিনী বলার সময় হঠাৎ এক সময় থেমে গিয়ে তিনি ভরতের দিকে তাকিয়ে বলেছিলেন, ওহে, তা বলে সব বাঙালির নামেই আমি দোষ দিচ্ছি না। দৈত্যকুলেও প্রহ্লাদ জন্মায়। এই উড়িষাতেই এমন বাঙালিও আছেন, যাঁদের উদ্দেশে আমি শত সহস্র প্রণিপাত করি। যেমন বাবু গৌরীশঙ্কর রায়। তিনি ‘উৎকল দীপিকা নামে পত্রিকা বার করেছেন, সেখানে প্রতি সপ্তাহে আমাদের ভাষার সমর্থনে প্রবন্ধ বার করতেন। অতি যুক্তিপূর্ণ সে সব প্রবন্ধ। তিনি আমাদের চেয়েও অনেক জোরাল ভাষায় আমাদের ভাষার পক্ষ নিয়ে লিখেছেন। তাঁর ভাই রামশঙ্কর রায় ওড়িয়া ভাষায় নাটক লিখেছেন, উপন্যাস লিখেছেন।

    উড়িষ্যার মানুষজনকে ভরতের বেশ ভাল লাগে। বেশির ভাগ মানুষই অতিথিপরায়ণ এবং ব্যবহারে আন্তরিক। ভরত সবাইকে কথায় কথায় জানিয়ে দেয়, তার জন্ম আসামে। স্থানীয় প্রতিপত্তিশালী বাঙালিরা যখন ওড়িয়াদের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন করে, তখন ভরত মানুষের চরিত্রের একটা বিচিত্র দিক দেখতে পায়।

    শাসক ইংরেজরা এ দেশের মানুষদের অপমান করে কথায় কথায়। বাঁদর কুকুর এসব বলতেও ছাড়ে না। বাঙালিরা অন্যদের তুলনায় শিক্ষা-দীক্ষায় যতই এগিয়ে থাকুক, তবু তারা ইংরেজদের কাছে অনুগ্রহ-ভিখারি। ইংরেজরা অপমান করলে তারা গায়ে মাখে না, লাথি মারলেও হে-হে করে হাসে। সেই বাঙালিরাই আবার নিজের দেশের মানুষদের তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে যখন তখন। এমন ভাব দেখায়, যেন তারা সকলের চেয়ে উঁচুতে। যে-বাড়িতে অনেক দাস-দাসী, সেখানে পুরনো ভূতেরা প্রভুর সামনে হাত-জোড় করে তোষামোদ করে, প্রভু লাথি কষালেও সেটাকে মনে করে অনুগ্রহ, আবার সেই ভৃত্যরাই নতুন ভূতাদের দেখলে দাঁত খিচোয়, লাথি-ঝটা মারে।

    উড়িষ্যাবাসীদের ভরত নিজের আত্মীয়ের মতন মনে করে। এটা যে ভুমিসূতার দেশ। ভুমিসূতার সন্ধানেই তো সে সাত বছর আগে বাংলা ছেড়ে এতদূরে এসেছিল। কলকাতায় তন্নতন্ন কবে খুঁজেও ভূমিসুতার সন্ধান না পেয়ে সে ভেবেছিল, হয়তো রাগে-অভিমানে ভূ সুতা ফিরে গেছে উড়িষ্যায়।

    কিন্তু এখানেই বা কোথায় তাকে খুঁজে পাবে ভরত। সে তো বাড়ি বাড়ি ঢুকে দেখতে পারে না। কয়েক মাস ধরে কটক, পুরী, বালেশ্বর এই সব জায়গায় ঘুরেছে। শেষপর্যন্ত সে ক্লান্ত, রিক্ত, ক্ষুধার্ত অবস্থায় পুবীর মন্দিরের সামনে অজ্ঞান হয়ে পড়েছিল। কেউ তাকে তোলেনি, কেউ তার দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়নি। মন্দিরের সামনে কত অনাথ-আতুর কুষ্ঠরোগী-পাগল থাকে, কে কার দিকে তাকায়। দু চারজন পুণ্য সঞ্চয়কারী তার অজ্ঞান অবস্থাটাকে ভিক্ষের নতুন ঢং ভেবে একটা-দুটো পয়সা ছুঁড়ে দিয়ে গেছে।

    ভিক্ষেটাকেই জীবিকা করতে হয়নি অবশ্য। নিছক বেঁচে থাকার জন্য সে পোস্ট অফিসের সামনে গিয়ে বসে থাকত, লোকের মানি অর্ডার ফর্ম লিখে দিয়ে একটা করে পয়সা নিত। কলকাতার তুলনায় এ অতি শস্তার দেশ, দিনে দশবারো পয়সা উপার্জন করলে দিব্যি দুবেলার আহার জোটানো যায়। মন্দিরের চাতালে শুয়ে থাকার কোনও নিষেধ নেই।

    ভোজনং যত্রতত্র, শয়নং হট্টমন্দিরে। এইভাবে চলেছিল এক বছর। কলকাতায় না গিয়ে সে পুরীতেই পড়ে রইল এই আশায় যে, দৈবাৎ তো ভুমিসূতার সঙ্গে দেখা হয়েও যেতে পারে। কত মানুষই তো জগন্নাথ মন্দিরে পূজা দিতে আসে। ভূমিসুতার যদি ইতিমধ্যে অন্য কারুর সঙ্গে বিয়ে হয়ে যায়, তাতেও দুঃখ নেই ভরতের। সে শুধু ভূমিসূতার কাছে একবার ক্ষমা চাইতে চায়। ভূমিসূতার মর্মে গভীর আঘাত দিয়েছে সে, নিজে পুরুষ হয়ে সে পৌরুষের মর্যাদা রাখেনি। ভুমিসূতাকে সে নিজের জীবনসঙ্গিনী করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েও সে তাকে তুলে দিতে চেয়েছিল শশিভূষণের হাতে। এ কি কোনও পুরুষ মানুষের কাজ! কিন্তু তখন যে ভারতের মাথার ঠিক ছিল না। ভূমিসূতার কাছে একবার অন্তত ক্ষমা চাইতে না পারলে সে কিছুতেই শাস্তি পাবে না।

    কিন্তু দেখা হল না এত প্রতীক্ষার পরেও।

    পুরীতেই এক ভদ্রলোক তাকে ব্যাঙ্কের চাকরির প্রস্তাব দেয়। শুধুমাত্র ভরতের হাতের লেখা দেখেই তিনি কৌতূহলী হয়ে উঠেছিলেন। এমন পাকা যার ইংরিজি লেখা, সে কেন এই সামান্য কাজ করে? কটকে নতুন ব্যাঙ্ক ভোলা হচ্ছে, ইংরিজি জানা লোক দরকার, মোটামুটি স্কুল-পাস হলেই চলে, হাতের লেখাটি ভাল হওয়া চাই। কলকাতায় আর ফিরবেই না, ভরতু ঠিক করে ফেলেছিল, তাই সে চাকরিটা নিয়ে নিল।

    এই বছরেই চাকরিতে তার বেশ উন্নতি হয়েছে, সে এখন প্রধান হিসাবরক্ষক। কটকে বেশ কিছু লোকের সঙ্গে পরিচয়ও হয়েছে তার। গুপ্তদের বাড়িতে সান্ধ্য আসরে তার যোগ দিতে ভান্স লাগে। বিহারীলাল যদিও ইংরেজদের মন জুগিয়ে চলেন, কিন্তু উড়িষ্যার সাধারণ মানুষদের প্রতি তাচ্ছিল্য দেখান না। তিনি অন্য বাঙালিদের মতন নন।

    বিহারীলাল ও সৌদামিনী মাঝে মাঝে ভরতের ব্রাহ্ম ধর্মে দীক্ষা নেবার ব্যাপারে ইঙ্গিত করেন, ভরত গা করে না। ধর্ম সম্পর্কে তার আকর্ষণই নেই, সুতরাং এক ধর্ম ছেড়ে অন্য ধর্ম গ্রহণের যৌক্তিকতা খুঁজে পায় না সে। ছোটবেলায় সে শশিভূষণের সঙ্গে একবার ডাক্তার মহেন্দ্রলাল সরকারের চেম্বারে গিয়েছিল। তিনি ভরতকে বলেছিলেন, এই ছোঁড়া, সব সময় এইটা মনে মনে গুনগুন করবি, ‘পঞ্চভূতের ফাঁদে, ব্ৰহ্ম পড়ে কাঁদে! কী ভেবে মহেন্দ্রলান্স এই কথাটা বলেছিলেন, তা ভরত জানে না। কিন্তু এই লাইনটা তার মনে গেঁথে গেছে। শরীরের ফাঁদ থেকে ব্রহ্মেরও মুক্তি নেই? তা হলে আর ব্রহ্মের বন্দনা করা কেন?

    ভরত পাটনা থেকে ফিরে আসার পর একদিন সৌদামিনী বললেন, ভরত, তুমি গান জান না? এবারের আঘোৎসবে আমরা রবিবাবুর বাল্মীকি প্রতিভা নাটক করব ঠিক করেছি। পুরুষ গায়কের বড় অভাব। তুমি গলা দাও না!

    ভরত লজ্জা পেয়ে প্রবল ভাবে মাথা নাড়ে। গান তার গলায় আসে না। প্রকাশ্যে গান গাইবার তো প্রশ্নই ওঠে না।

    কিন্তু সৌদামিনী ছাড়বেন কেন? তাঁর মাথায় যখন যে ঝোঁক চাপে, সেটা তিনি করবেনই। তিনি জোর করে ভরতকে এক দস্যুর ভূমিকায় রিহার্সালে বসালেন। গান শেখাবেন বিহারীলাল, তিনি নিজে অভিনয় করবেন না যদিও। জজ সাহেবের পক্ষে মঞ্চে অভিনয় মানায় না। ভারতের গলায় সুর ওঠে না, তবু বিহারীলালের অসীম ধৈর্য, তিনি শিখিয়েই ছাড়বেন।

    প্রথম কয়েকদিন না-না বললেও পরে ভরত বেশ মজা পেয়ে গেল। ১নং দস্যুর গান খুব সুরেলা হলেও চলবে। সব্বাই মিলে মহড়া দেবার সময় বেশ হাসি-মস্করা হয়, এসব ভরতের পক্ষে নতুন অভিজ্ঞতা।

    নারী-ভূমিকায় স্থানীয় ডাক্তার ও মাস্টার মশাইয়ের দুটি বাঙালি মেয়ে পাওয়া গেছে, অন্যরা ওড়িয়া মেয়ে। সবাই বাংলা বেশ ভাল বলে। এদের মধ্যে এক বালিকা ও সরস্বতী, এই দুই ভূমিকায় যে মেয়েটি মহড়া দিচ্ছে, তার উচ্চারণ ও কণ্ঠস্বর দুইই চমৎকার। মেয়েটির নাম মহিলামণি। সে বালবিধবা। উড়িষ্যায় বিধবাবিবাহের চল হয়নি, নইলে তাকে রমণীরই বলা উচিত। সে কিছু লেখাপড়া শিখেছে, বাবহারেও বেশ সপ্রতিভ, শরীরে লাবণ্য আছে। মহিলামণি এখানকার সখি সমিতির সহকারি পরিচালিকা, সে এই গুপ্ত পরিবারেই দিনের অনেকখানি সময় কাটায়। সৌদামিনী তাকে নিজের কন্যার মতন ভালবাসেন।

    মহড়া দিতে দিতে বিহারীলাল বললেন, প্রথম আমি যখন ঠাকুর বাড়িতে এই নাটকের অভিনয় দেখি, তাতে সত্যেন্দ্রনাথ, রবিবাবু সবাই অভিনয় করেছিলেন। হিরোইন হয়েছিল সত্যেনবাবুর আর এক ভাইয়ের মেয়ে, তার নাম প্রতিভা, যেমন তার রূপ, তেমনই গানের গলা। সেই প্রতিভার নামেই তো বাল্মীকি প্রতিভা। সত্যি বলব, আমাদের মহিলামণি যেন সেই প্রতিভাকেও ছাড়িয়ে যাচ্ছে অভিনয়ে।

    মহিলামণি হাসতে হাসতে মাথা দুলিয়ে বলে, মামাবাবু, আপনি অত বাড়িয়ে বললে কিন্তু পার্ট করব না।

    বিহারীলাল বলেন, না গো, আমি একটুও বাড়িয়ে বলছি না। তোমার মাসিমা সে অভিনয় দেখেননি, না হলে তিনিও স্বীকার করতেন।

    দস্যুসর্দার বাল্মীকির ভূমিকায় অভিনয় করছে সরকারি স্কুলের অঙ্কের মাস্টার হেরম্বচন্দ্র দাস। সে বলল, ইয়োর অনার, আমার পার্টটা সেই তুলনায় কেমন হচ্ছে বললেন না তো!

    বিহারীলাল বললেন, তোমারও বেশ ভালই হচ্ছে। কিন্তু সেদিনে বাল্মীকির ভূমিকায় নেমেছিলেন রবিবাবু। তাঁর সঙ্গে তো আর তোমার তুলনা করতে পারি না। তিনি যে সরস্বতীর বরপুত্র।

    কয়েকদিন পর রিহার্সালে নতুন করে উৎসাহ সঞ্চারিত হল একটি সংবাদ শুনে। স্বয়ং নাট্যকার রবীন্দ্রবাবু শিগগিরই আসছেন কটকে। বালিয়াতে ঠাকুরদের জমিদারি আছে, তিনি আসছেন সেই জমিদারি পরিদর্শনে। বিহারীবাবু সত্যেন্দ্রবাবুর বন্ধু, সেই সুবাদে রবীন্দ্রবাবু কটকে এসে এ বাড়িতে এসেই উঠবেন।

    নাট্যকারকে এই গোষ্ঠীর অভিনয় দেখানো যাবে বলে দারুণ ভাবে রিহার্সাল চলতে লাগল প্রতিদিন। ব্যাঙ্কের কাজকর্ম সেরে আসতে ভরতের এক একদিন একটু দেরি হয়ে যায়, তার জন্য সে সৌদামিনীর কাছে বকুনি খায়। বিহারীলালের তো কোনও অসুবিধে নেই তিনি পাঁচটা বাজতে না বাজতেই আদালতে শুনানি মুলতুবি করে চলে আসেন। হেরম্ব মাস্টারের চারটের সময় ছুটি হয়ে যায়। কিন্তু ভরতকে যে সব হিসেব বুঝিয়ে দিয়ে আসতে হয়।

    এরই মধ্যে একদিন ভরতের এক আশ্চর্য উপলব্ধি হল। মহিলামণি বলে যাচ্ছে সরস্বতীর পার্ট :

    দীনহীন বালিকার সাজে
    এসেছিনু এ ঘোর বন মাঝে
    গলাতে পাযাণ তোর মন
    কেন বৎস, শোন তাহা শোন।
    আমি বীণাপাণি, তোরে এসেছি শিখাতে গান…

    বলতে বলতে মহিলামণি একদিকে মুখ ফেরাল, সঙ্গে সঙ্গে ভরতের বুকের মধ্যে ছলাৎ করে উঠল। অবিকল ভূমিসূতার মতন তার মুখের পার্শ্বরেখা!

    মহিলামণিকে ভরত প্রায় এক বছর ধরে দেখছে, তেমন সখ্য গড়ে না উঠলেও দুটি-একটি কথাও বলেছে। কখনও তো এমন মনে হয়নি। আজ মনে হচ্ছে কেন? তা হলে কি ভরত তার মুখের ঠিক এই ভঙ্গিটি আগে কখনও দেখেনি?

    ইচ্ছে কবে ভরত উঠে গিয়ে অন্য জায়গা থেকেও মহিলামণিকে ভাল করে লক্ষ করল। সামনাসামনি কোনও মিল নেই, ভূমিসূতা আর মহিলামণিকে পাশাপাশি দাঁড় করিয়ে দিলেও কোনও মিল পাওয়া যাবে না। কিন্তু যে-ই সে ডান দিকে মুখ ফিরিয়ে দৃষ্টি নত করছে, অমনি তাকে ভূমিসূতা বলে মনে হয়। হ্যাঁ, কোনও ভুল নেই।

    তা হলে কি ভূমিসূতার সঙ্গে মহিলামণির কোনও আত্মীয়তা আছে? ওরা সম্পর্কে বোন হতে পারে। আপন বোন না হোক, মাসতুতো-পিসতুতো ভাইবোনের মধ্যেও অনেক সময় মুখের মিল থাকে। মহিলামণির কাছে ভূমিসতার সন্ধান পাওয়া যাবে?

    পরের দিনও ভরতের পেছতে দেরি হল। সৌদামিনী কৃত্রিম তর্জন-গর্জন করতে লাগলেন তার ওপর। ভরত সেসব কিছু শুনল না। সে দেখল, ডান দিকে মুখ ফিরিয়ে মহিলামণি একদৃষ্টিতে চেয়ে আছে তার দিকে। ঠিক যেন ভূমিসূতা তাকে কিছু বলছে নীরব ভাষায়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকালোঘোড়া – সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    Next Article পিঙ্গল আকাশ – শওকত আলী

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    চলো দিকশূন্যপুর – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 4, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সোনালী দুঃখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 4, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুখ অসুখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 31, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026
    Our Picks

    ঘটনার ঘনঘটা – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    শেষ দেখা হয়নি – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 5, 2026

    চতুষ্পাঠী – স্বপ্নময় চক্রবর্তী

    August 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }